All posts by jitu

শুক্রবার রাজধানীসহ জেলা-মহানগরে বিএনপির প্রতিবাদ সমাবেশ

অনলাইন ডেস্ক:

দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও তার স্ত্রী জোবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় রায়ের প্রতিবাদে শুক্রবার (৪ আগস্ট) সারা দেশের জেলা ও মহানগর পর্যায়ে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে বিএনপি।

বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ঢাকায় কেন্দ্রীয়ভাবে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দুপুর ২টা থেকে এই কর্মসূচি পালিত হবে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার যে আন্দোলন শুরু হয়েছে, ঠিক সেই সময় এই আন্দোলনে যিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন, তার নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এই রায় দেওয়া হয়েছে। তবে এভাবে আন্দোলন কখনই স্তব্ধ করা যাবে না, বন্ধ করা যাবে না। দাবি আদায় না করে জনগণ ঘরে ফিরে যাবে না। গণঅধিকার পরিষদের একাংশের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর ছাত্রলীগের হামলার প্রতিবাদ জানান মির্জা ফখরুল।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আব্দুল মঈন খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আব্দুস সালাম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হয়েও জনপ্রিয়তা বাড়ছে ট্রাম্পের

অনলাইন ডেস্ক:

সম্প্রতি পরপর কয়েকটি মামলায় অভিযুক্ত হয়েছে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দিন দিন যেন তার আইনি ঝামেলা বেড়েই চলেছে। সবশেষ বাইডেনের বিপক্ষে নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে ফলাফল উল্টানোর চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে।

তবে ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য রিপাবলিকান প্রার্থীদের মধ্যে তার জনপ্রিয়তা একটুও কমেনি। অন্য সব মনোনয়নপ্রত্যাশীদের চেয়ে তিনি অনেক অনেক এগিয়ে। বরং বলা যায়, ফৌজদারি মামলাগুলোতে অভিযুক্ত হবার পর যেন তার অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। এর কারণ কী? সাবেক প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত চার মাসে তিনটি মামলায় অভিযুক্ত হয়েছেন।

একবার নিউইয়র্কে একটি অর্থ সংক্রান্ত অপরাধের অভিযোগে, একবার ফেডারেল আদালতে গোপনীয় দলিলপত্র নিজের কাছে রাখা এবং এর তদন্তে বাধা সৃষ্টির অভিযোগে, আর মঙ্গলবার রাতে তিনি আবার ফেডারেল কোর্টে অভিযুক্ত হয়েছেন আরেকটি মামলায়- যাতে অভিযোগ করা হয়েছে যে তিনি ২০২০ সালের নির্বাচনের ফলাফল উল্টে দেবার জন্য ষড়যন্ত্র করেছিলেন।

তাছাড়া ট্রাম্প চতুর্থ আরেকটি মামলায় অভিযুক্ত হতে পারেন- সেটি হলো জর্জিয়ায়। এখানে অভিযাগ: ২০২০ সালের নির্বাচনে এখানে তার পরাজয়কে উল্টে দিতে তিনি রাজ্য কর্মকর্তাদের ওপর চাপ প্রয়োগ করেছিলেন। এত কিছুর ভেতর দিয়েও কিন্তু ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারাভিযান থামেনি। বরং তাতে আরও গতিসঞ্চার হয়েছে।

গত ৩১ জুলাই একাধিক জনমত জরিপের এক গড় থেকে দেখা যায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব জরিপে তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ফ্লোরিডার গভর্নর রন ডিসান্টিসের চাইতে ৩৭ পয়েন্টের বড় ব্যবধানে এগিয়ে আছেন।

রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হবার জন্য ১৪ জন লড়াই করছেন। কিন্তু তাদের কারোর পক্ষেই, এমনকি ৬ শতাংশ জনসমর্থনও নেই। এদের অর্ধেকেরও বেশি প্রার্থী এমনকি ১% সমর্থনও পাননি। কিন্তু এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝিও চিত্রটা ছিল ভিন্ন ।তখন ট্রাম্প ও ডেসান্টিসের মধ্যে জনসমর্থনের পার্থক্য ছিল মাত্র দুই শতাংশ (যথাক্রমে ৪১% ও ৩৯%)।

কিন্তু তার পর থেকে ফ্লোরিডার গভর্নরের সমর্থন ক্রমাগত নিচের দিকে নেমেছে। কিন্তু ট্রাম্পের পক্ষে সমর্থন এখনও পাথরের মত শক্ত- এতটুক আঁচড় লাগেনি তাতে।

এপ্রিল মাসের প্রথম দিকে ট্রাম্প যখন প্রথমবারের মতো অভিযুক্ত হলেন- তার পর থেকে বস্তুত তার পক্ষে সমর্থন বেড়েছে। যদিও ট্রাম্পই হলেন ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত হওয়া প্রথম সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ।

তার প্রথমবার গ্রেফতার হওয়া ও আদালতে হাজিরা দেওয়ার পর থেকে ট্রাম্পই পরিণত হয়েছেন রিপাবলিকান ভোটারদের প্রথম পছন্দে।

‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা’ মনে করেন রিপাবলিকান ভোটাররা

“ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার সমর্থকদের মধ্যে যে একাত্মতাবোধ- তা ভাঙা কঠিন হবে”- মনে করেন ক্লিফোর্ড ইয়ং, যুক্তরাষ্ট্রে ইপসসের শীর্ষস্থানীয় একজন কর্মকর্তা। রিপাবলিকান ভোটারদের ৪০ থেকে ৪৫%-ই ট্রাম্প সমর্থক, এবং ইয়ং বলছেন, তারা ট্রাম্পের চোখ দিয়েই দুনিয়াকে দেখে।

“তারা বিশ্বাস করে ট্রাম্পের প্রতি অন্যায় করা হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

গোপন দলিলপত্র নিজের কাছে রাখার অভিযোগে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যে মামলা- তা নিয়ে বিবিসি কিছু রিপাবলিকান ভোটারের সাথে কথা বলেছে, এবং একই রকম মতামত পেয়েছে। “এটা হচ্ছে ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করতে না দেবার এক নির্লজ্জ চেষ্টা”- বললেন আরিজোনার ৬১-বছর বয়স্ক ট্রাম্প সমর্থক রন সোলেন।

“বাইডেনসহ অন্যরাও তাদের কাছে গোপন দলিলপত্র রেখেছেন বলে ধরা পড়েছে। সেদিক থেকে দেখলে এটা আমাদের দেশের জন্য একটা দুঃখের দিন।”এমনকি লুক গর্ডনের মত ট্রাম্প সমর্থক নন এমন রিপাবলিকানও এসব অভিযোগকে সন্দেহের চোখে দেখছেন।

তিনি বলেন, তিনি দাবির বৈধতা নিয়ে সন্দেহ করছেন না বা ট্রাম্পকে সমর্থন করছেন না, কিন্তু এসব মামলা-তদন্তের পেছনের উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ রয়েছে বলে তার ধারণা।

যুক্তরাষ্ট্রের বিবিসির অংশীদার হচ্ছে সিবিএস নিউজ। তাদের জুন মাসের এক জনমত জরিপে দেখা যায় এর উদাহরণ:

১.রিপাবলিকানদের ভোট দিতে পারেন এমন ৭৬ শতাংশ ভোটার বলেছেন, গোপন দলিলপত্র মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

২. এই ভোটারদের ৩৮ শতাংশ মনে করেন ট্রাম্প মেয়াদ শেষ হবার পর পারমাণবিক বা সামরিক দলিলপত্র রেখে দিলে তা জাতীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণ হতে পারে। আর দলীয় বৃত্তের বাইরে আমেরিকান জনগণের মধ্যে এমন ধারণা পোষণ করেন ৮০ শতাংশ লোক।

৩. রিপাবলিকান ভোটারদের ৬১ শতাংশ বলেছেন, ট্রাম্প অভিযুক্ত হওয়ার পরও তার ব্যাপারে তাদের দৃষ্টিভঙ্গী বদলায়নি। ১৪% বলেছেন তারা এখন ট্রাম্পকে আরও বেশি ইতিবাচকভাবে দেখছেন।

“আসলে এটা হচ্ছে যেন দুটি আমেরিকা-দুটি জগৎ। একদল ট্রাম্পের আচরণকে আইনবহির্ভূত মনে করছেন, আরেক দল ট্রাম্পকে তাদেরই প্রতিনিধি মনে করেন এবং তাদের মত- ঠিক এ কারণেই তার ওপর এত আক্রমণ হচ্ছে।”

মামলায় অভিযুক্ত হয়ে কি ট্রাম্পের সমর্থন কমেছে?
ট্রাম্প তৃতীয় বা এমনকি চতুর্থ মামলায় অভিযুক্ত হলেও রিপাবলিকান প্রার্থিতার প্রতিযোগিতায় তেমন কোনও প্রভাব পড়বে বলে এখনও মনে হচ্ছে না।

মার্চ মাসে সিএনএন-এর এক জরিপে দেখা যায়, রিপাবলিকানদের মধ্যে ৮৪ শতাংশই মনে করেন যে জো বাইডেন আইনসিদ্ধভাবে ২০২০-এর নির্বাচন জেতেননি। তাই ওই নির্বাচনের ফল চ্যালেঞ্জ করার অভিযোগ রিপাবলিকানদের মধ্যে তেমন কোনও আলোড়ন সৃষ্টি করবে না।

এটা ট্রাম্পের রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বীদের জন্য গুরুতর সমস্যার কারণ।

এই প্রার্থীরা এসব মামলার জন্য সাবেক প্রেসিডেন্টের সমালোচনা করতেও চাইছেন না। তারা সচেতন যে এতে তাদের নিজেদের সমর্থকরা বিগড়ে যেতে পারে। আবার একারণেই ‘কেন ভোটাররা ট্রাম্পের পরিবর্তে অন্যদের বেছে নেবেন’- সে যুক্তি তুলে ধরতেও সমস্যায় পড়ছেন তারা।

আগামী বছর হয়তো এটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়াবে যে- এসব মামলার বিচার ও দোষী সাব্যস্ত হওয়ার সম্ভাবনার ফলে রিপাবলিকান পার্টির ভেতরে ট্রাম্পের পক্ষে সমর্থনে কোনও পরিবর্তন হয় কি না।

২০২৪ সালের প্রথমার্ধে ট্রাম্পকে একদিকে প্রচারাভিযানের সময়সূচি এবং আরেকদিকে আদালতে হাজিরা দেওয়া- এ দুটিই সামাল দিতে হবে।

ট্রাম্প বলেছেন, তিনি দোষী সাব্যস্ত হলেও বা দণ্ডিত হলেও প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে সরে দাঁড়াবেন না।

মার্কিন রাজনীতিতে তখন এক অভূতপূর্ব পরিস্থিতি তৈরি হবে। ইয়ং-এর মতে- তখন এটাই হবে দেখার বিষয় যে ট্রাম্পের ‘জনমত জরিপে এগিয়ে থাকা’ আর ‘ইলেক্টেবিলিটি অর্থাৎ ভোট পাবার উপযুক্ত হওয়া’- এ দুই সূচকে কোনও পরিবর্তন হয় কি না।

আপাতত যা দেখা যাচ্ছে তা হলো, ট্রাম্প জনসমর্থনের দিক থেকে বর্তমান প্রেসিডেন্ট বাইডেনের কাছাকাছিই আছেন।

সাম্প্রতিক ইকনমিস্ট-ইউগভের জরিপে দেখা যায়, বাইডেন ৪৪%-৪০% ব্যবধানে ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে আছেন। আর মর্নিং কনসাল্টের আরেক জরিপে বাইডেন এগিয়ে আছেন ৪৩%-৪১% অর্থাৎ মাত্র দুই পয়েন্ট ব্যবধানে।

তাতে আভাস পাওয়া যায় যে ২০২৪ সালের নির্বাচনে- আগের দুবারের মতোই- জয়পরাজয় নির্ধারিত হবে খুব সামান্য ব্যবধানে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

২০২৪ সালে হজে যেতে পারবেন ১২৭১৯৮ বাংলাদেশি

অনলাইন ডেস্ক:

সৌদি সরকার ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনকে পবিত্র হজ পালনের জন্য কোটা অনুমোদন করেছে।

বুধবার ১৪৪৫ হিজরি ও ২০২৪ সালের হজ অনুষ্ঠান বিষয়ে সচিবালয়ে প্রাক-প্রস্তুতি সভায় এ তথ্য জানায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মু. আ. হামিদ জমাদ্দারের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় হাব নেতারা, বাংলাদেশ বিমান, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ, সৌদি আরবে নিযুক্ত বাংলাদেশের কাউন্সেলর হজসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তর সংস্থার প্রতিনিধি ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় সচিব হামিদ জমাদ্দার জানান, সৌদি সরকার ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে এক লাখ ২৭ হাজার ১৯৮ জনকে পবিত্র হজ পালনের জন্য কোটা অনুমোদন করেছে।

রাজকীয় সৌদি সরকারের কাছ থেকে মিনা-আরাফা-মুজদালিফার সেবা মূল্য অবহিত হওয়া মাত্র হজ প্যাকেজ-২০২৪ ঘোষণা করা হবে এবং হজযাত্রীদের নিবন্ধন কার্যক্রম নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান সচিব হামিদ জমাদ্দার।

২০২৪ সালের হজ সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠানে হজ এজেন্সি এবং হজ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিবিড়ভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।

হিজাব নিয়ে আরও কঠোর আইন আনছে ইরান

অনলাইন ডেস্ক:

হিজাব নিয়ে আরও কঠোর আইন আনছে ইরান। নারীদের হিজাব পরা নিশ্চিত করতে কঠোর শাস্তির বিধান রেখে এই আনতে যাচ্ছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। আইন অমান্যকারীকে দীর্ঘ সময় কারাগারে কাটাতেও হতে পারে।

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইনের আওতায় বাড়ানো হতে পারে নজরদারি। সেক্ষেত্রে নজরদারিতে ব্যবহার করা হতে পারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই।

নতুন আইনের খসড়ার ৭০ ধারায় বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়েছে। আইন অমান্যকারীদের ৫ থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এছাড়া সর্বোচ্চ ৩৬ কোটি ইরানি রিয়াল বা ৮ হাজার ৫০৮ ডলার পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে। এছাড়াও আইন ভঙ্গকারী তারকা ও ব্যবসায়ীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে। বিলটি আপাতত খসড়া পর্যায়ে রয়েছে। এখনও পাস হয়নি।

চলতি বছরের শুরুর দিকে ইরানের বিচার বিভাগের পক্ষ থেকে বিলের খসড়া সরকারের কাছে জমা দেওয়া হয়। পরে তা আইনসভায় পাঠানো হয়। আইনসভার লিগ্যাল অ্যান্ড জুডিসিয়াল কমিশন বিলটি অনুমোদন করে। রবিবার এ বিল বোর্ড অব গভর্নরে জমা দেওয়া হয়েছে। এরপর বিলটি আইনসভায় পাসের জন্য উত্থাপন করা হবে। আগামী দুই মাসের মধ্যে বিলটি ইরানের আইনসভায় পাস হতে পারে।

সূত্র: সিএনএন

বাংলাদেশের কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নেই: পিটার হাস

ডেস্ক রিপোর্ট:

বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। তিনি বলেন, কোনো বিশেষ দলকে নয়, গণতন্ত্রকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাড়ে ১২টায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

এদিন বেলা সোয়া ১১টায় আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের অষ্টম তলায় দলটির কয়েকজন নেতার সঙ্গে বৈঠকে বসেন পিটার হাস। শেষ হয় বেলা সাড়ে ১২টায়।

এর পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত। এক প্রশ্নের জবাবে পিটার হাস বলেন, কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নেই।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, তারা সুস্থ, নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রত্যাশা করে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি।

ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলে আরও ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান, আন্তর্জাতিক সম্পাদক ড. শাম্মী আহম্মেদ, দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদ এবং কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো ও তার স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ

ডেস্ক রিপোর্ট:

কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ও তার স্ত্রী সোফির মধ্যে বিচ্ছেদ হয়েছে। বুধবার (২ আগস্ট) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

ইন্সটাগ্রামে পোস্ট করা বিবৃতিতে ট্রুডো লিখেছেন, অনেক অর্থপূর্ণ ও কঠিন আলোচনার পর তারা বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে বিচ্ছেদ হলেও তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ পারিবারিক সম্পর্ক ও একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা থাকবে বলে বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

কানাডার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, এই দম্পতি বৈধ বিচ্ছেদের চুক্তিতে সাক্ষর করেছেন।

ট্রুডোর সংসারে তিন সন্তান আছে। তাদের মধ্যে একজনের বয়স ১৫ বছর আরেকজনের ১৪ বছর এবং তৃতীয়জনের নয় বছর।

সিসিএন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগের নবীনবরণ ও মুভি উৎসব

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার কোটবাড়িতে অবস্থিত লাল মাটির নান্দনিক সবুজে ঘেরা সৌন্দর্যের ক্যাম্পাস সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ফল ২০২৩ এ নতুন ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের আনন্দঘন পরিবেশে নবীনবরণ এবং মুভি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠাতা ও বোর্ড অব ট্রাস্টিজ এর চেয়ারম্যান ড. মো. তারিকুল ইসলাম চৌধুরী।

ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মনির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান। অনুষ্ঠান এর আহ্বায়ক ছিলেন ইংরেজি বিভাগ এর প্রভাষক নাসরিন তামান্না। অনুষ্ঠানে ইংরেজি বিভাগের নবীন ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের চেয়ারম্যান ও শিক্ষকগণ উপস্থিত ছিলেন।

বিভাগের ছাত্র সাইফ উল্লাহ রিফাত এবং ছাত্রী ইসরাত জাহান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণের পর মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মুভি উৎসব শুরু হয়। উৎসবে হেমলেট, মাটির ময়না এবং এ প্যাসেজ টু ইন্ডিয়া সিনেমা প্রদর্শিত হয়।

মেসির জোড়া গোলে অরল্যান্ডো সিটিকে হারাল মায়ামি

স্পোর্টস ডেস্ক:

ইন্টার মায়ামিতে তাঁর যোগদানের পর গুঞ্জন উঠেছিল, ইউরোপিয়ান লিগের বলয়ের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের অচেনা পরিবেশে মেসি ভালো থাকবেন তো?

উত্তরে এখন বলাই যায়, যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলের মাটি মেসির এখন আর অজানা নয়। যেন হাতের তালুর মতোই চেনা! একজন ফরোয়ার্ডের ভালো থাকার প্রথম শর্ত যদি হয় গোল করা, সে হিসেবে বলাই যায় যুক্তরাষ্ট্রে সময়টা তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করছেন মেসি। অরল্যান্ডো সিটির বিপক্ষে আজও পেয়েছেন জোড়া গোল!

লিগস কাপে শেষ বত্রিশের ম্যাচে অরল্যান্ডো সিটিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে অন্যরকম এক ‘প্রতিশোধ’ও নিয়েছে ইন্টার মায়ামি। কিছুদিন আগে মায়ামিতে মেসির দেয়ালচিত্র নষ্ট করা হয়। ইন্টার মায়ামির সমর্থকদের অভিযোগ ছিল, একই শহরে তাদের মেজর লিগ সকার (এমএলএস) প্রতিদ্বন্দ্বী দল অরল্যান্ডো সিটির সমর্থকেরা এই কাজ করেছে। এই ম্যাচ যেন ছিল তার মোক্ষম জবাব দেওয়ার মঞ্চ!

মেসি চাইলে হ্যাটট্রিক করতে পারতেন। ৫১ মিনিটে পাওয়া পেনাল্টিটা নিজে নেননি। সতীর্থ ভেনেজুয়েলান স্ট্রাইকার জোসেফ মার্তিনেজকে দিয়ে গোল করিয়েছেন। তাঁর একটি ফ্রি-কিকও দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন অরল্যান্ডোর গোলরক্ষক পেদ্রো গ্যালাসে। আর গোল দুটো? প্রথমটি বাঁ পায়ের সাইডভলিতে, পরেরটি ডান পায়ে। সেটাও সাইডভলি। মোটকথা, দুই পায়ে ভলির প্রদর্শনী! ক্যারিয়ারে সবকিছু জিতে নেওয়া ৩৬ বছর বয়সী মেসি তাই যুক্তরাষ্ট্রে ভালো না থেকে পারেন-ই-না। ওই যে বলা হলো, ফরোয়ার্ডমাত্রই গোল পেলে ভালো থাকেন। মায়ামিতে তিন ম্যাচে মেসির গোলসংখ্যা দাঁড়াল ৫। এর মধ্যে শেষ দুই ম্যাচেই জোড়া গোল।

তবে একটু অন্যরকম মেসিকেও দেখা গেছে। ইউরোপিয়ান ফুটবলে যে মেসিকে দেখা গেছে খুব কমই। ২১ মিনিটে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে ফাউল করে দেখেছেন হলুদ কার্ড। ম্যাচের মধ্যে অরল্যান্ডোর এক খেলোয়াড়ের সঙ্গে কাঁধের শক্তি পরীক্ষাও করেছেন। মেসির ধাক্কায় তাঁর পড়ে যাওয়া দেখে সমর্থকদের মনে হতেই পারে সেটা বুঝি মায়ামিতে তাঁর দেয়ালচিত্র মুছে ফেলার রূপক-প্রতিশোধ! মোট কথা, অরল্যান্ডোর বিপক্ষে সেই চিরায়ত মেসিকেই দেখা গেল, ভেতরকার বারুদটা বের করে আনা তাতে বোনাস।

মেসি মায়ামিতে যোগদানের পর বলাবলি হচ্ছিল, আক্রমণভাগে রবার্ট টেলরের সঙ্গে তাঁর জুটিটা জমবে বেশ। ফিনল্যান্ডের এই মিডফিল্ডারকে দিয়ে আগের ম্যাচে গোলও করিয়েছেন। টেলর পরের ম্যাচেই মেসিকে গোল বানিয়ে দিয়ে যেন ‘দেনা’ পরিশোধ করলেন। ৭ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে তাঁর বাড়ানো ‘চিপ’ দৌড়ে বক্সে ঢুকে বুকে নামিয়ে বাঁ পায়ের সাইডভলিতে জালে পাঠান মেসি। ১০ মিনিট পরই সিজার আরাউহোর গোলে সমতায় ফেরে অরল্যান্ডো। বিরতির পর ৪৭ মিনিটে অরল্যান্ডোর বক্সে ফাউলের শিকার হয়ে পেনাল্টি আদায় করেন মায়ামির জোসেফ মার্তিনেজ। মেসি নন, পেনাল্টিটা মার্তিনেজই নিলেন এবং গোলও করলেন।

৬৩ মিনিটে মেসি ও সের্হিও বুসকেতসের এক সময়ের বার্সা সতীর্থ জর্দি আলবাকে বদলি হিসেবে মাঠে নামান মায়ামি কোচ জেরার্দো মার্তিনো। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন পর আবারও একসঙ্গে মাঠে দেখা গেল মেসি-বুসকেতস-আলবাকে। এর কয়েক মিনিট (৭২) পরই ডান পায়ের সাইডভলিতে গোল করেন মেসি। বক্সের ভেতর ডান প্রান্তে বল পেয়েছিলেন জোসেফ মার্তিনেজ। নিজে গোল করার চেষ্টা করেননি। তাঁর চেয়ে সুবিধাজনক অবস্থানে দাঁড়িয়ে ছিলেন মেসি। মার্তিনেজ বলটা বাড়িয়ে যেন মেসির পেনাল্টি না নেওয়ার সৌজন্যতারই ‘দেনা’ পরিশোধ করার চেষ্টা করলেন! ডান পায়ের ভলিতে গোল করে অনুচ্চারে মার্তিনেজের সাহায্যেরই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মেসি। এই জয়ে লিগস কাপের শেষ ষোলোয় উঠল ইন্টার মায়ামি।

ওমানে বাংলাদেশের নারী এমপি আটক, পরে মুচলেকায় মুক্ত

 

ডেস্ক রিপোর্ট:
ওমানে রাজনৈতিক সভায় যোগ দেওয়ায় সে দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটক হয়েছিলেন সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য (চট্টগ্রাম) খাদিজাতুল আনোয়ার (সনি)। মঙ্গলবার রাতে ওমানের রাজধানী মাসকাটের হাফফা হাউস হোটেলে ওই সভায় তিনি যোগ দিয়েছিলেন। পরে ওমানে বাংলাদেশ দূতাবাসের হস্তক্ষেপে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা ও মাসকাটের একাধিক কূটনৈতিক সূত্র বুধবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ওই সূত্রগুলো জানিয়েছে, মঙ্গলবার তিনি ওমানে পৌঁছান।

খাদিজাতুল আনোয়ার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ থেকে একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্য হন। ২০১৯ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তিনি শপথ নেন। তিনি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির প্রয়াত সংসদ সদস্য রফিকুল আনোয়ারের মেয়ে।

ওমানে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য আটক ও ছাড়িয়ে নেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা জানি না। কোনো এমপি ব্যক্তিবিশেষ যদি যান, ওটা ব্যক্তিগত উদ্যোগে, সরকারিভাবে কাউকে পাঠাইনি। এটা তো আপনার কাছ থেকে শুনলাম। এগুলো আমরা জানি না। উই ডোন্ট নো।’

ওমানের কূটনৈতিক এবং বাংলাদেশ কমিউনিটি সূত্রে জানা গেছে, ওমানে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনগুলোর সদস্যদের সঙ্গে সংরক্ষিত আসনের সদস্য খাদিজাতুল আনোয়ারের সভাটি সেখানকার পুলিশি বাধার কারণে শেষ হতে পারেনি। অনুমতি না নিয়ে ওই সভার আয়োজন করা হয়েছিল, পুলিশ এসে সেটি বন্ধ করে দিয়েছে। পরে সেখান থেকে কয়েকজনকে আটক করা হয়।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে সভা–সমাবেশ করতে গেলে সে দেশের নাগরিকদের পুলিশের কাছ থেকে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। আর বিদেশিরা সভা করতে চাইলে তা বিশেষ সতর্কতার সঙ্গে দেখা হয়।

জানা গেছে, বাংলাদেশ দূতাবাস ওমানের পুলিশের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার পর মুচলেকায় খাদিজাতুল আনোয়ারকে ছেড়ে দেওয়া হয়।