All posts by jitu

হজ কার্যক্রমে প্রতারণা, ৩১ মামলার আসামি গ্রেফতার

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার পুলিশ ৩১টি মামলার পলাতক এক পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত কাজী মো.ইসমাইল (৫৫) উপজেলার একলাশপুর গ্রামের আবদুল মালেকের ছেলে।

সোমবার (১৯ জুন) বিকালের দিকে আসামিকে নোয়াখালী চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। এর আগে, গতকাল রোববার রাতে ঢাকার মতিঝিল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

পুলিশ জানায়,গ্রেফতারকৃত আসামি ২০১৮-১৯ সালে চৌমুহনী বাজারে রুবি প্লাজায় হাজি এয়ার মিডিয়া ইন্টারন্যাশনাল নামে প্রতিষ্ঠান খুলে হজ কার্যক্রমের নামে হজযাত্রীদের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে প্রতারণা করেন। বিরুদ্ধে ৩১ পরোয়ানার মধ্যে ১৪ মামলায় ৮ বছর ৬ মাস ১৫ দিনের কারাদণ্ড দেয় আদালত। একইসঙ্গে এক কোটি ৪৯ লাখ ৩০ হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়। ।

এসপি আরও জানায়, সোমবার বিকেলে আসামিকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

চাঁদপুরে সেনাবাহিনীর মেডিকেল ক্যাম্পেইনে ফ্রি স্বাস্থ্য সেবা পেলেন দেড় হাজার মানুষ

স্টাফ রিপোর্টার:

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে কুমিল্লা সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ ২০২৩ উপলক্ষে চক্ষু শিবির এবং ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইনে স্বাস্থ্য সেবা পেয়েছেন প্রায় দেড় হাজার অসহায়ও দুস্থ মানুষ।

১৯ শে জুন ( সোমবার) কুমিল্লা সেনাবাহিনীর ৩১ ফিল্ড অ্যাম্বুলেন্স এর উদ্যোগে সারাদিনব্যাপী এই চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।

কুমিল্লা সেনানিবাসের মেডিকেল সার্ভিসের সহকারী পরিচালক কর্নেল আব্দুল হামিদ জানান,মাননীয় সেনাবাহিনী প্রধানের নির্দেশক্রমে গত ১৪ই জুন হতে গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ ২০২৩ উপলক্ষে কুমিল্লা এরিয়ার বিভিন্ন এলাকায় আমরা অবস্থান নিয়েছি। প্রতিবৎসর প্রতিটি সামরিক প্রশিক্ষণের সময় আমরা অসহায় পীড়িত দুঃস্থ মানুষের দ্বারগোড়ায় এসে বিনাখরচে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকি। তারই ধারাবাহিকতায় গত ১৭ই জুন কুমিল্লার লাকসামের মোজাফ্ফরগঞ্জ এলাকার মডার্ন একাডেমিতে কুমিল্লা সেনানিবাসের সম্মানিত জিওসি ও এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোঃ মাইনুর রহমান এর সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় ইতিমধ্যে আমরা প্রায় ১ হাজার দুঃস্থ রোগীদের বিনাখরচে চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছি।

কুমিল্লা সেনানিবাসের সম্মানিত জিওসি এবং এরিয়া কমান্ডার মেজর জেনারেল মোঃ মাইনুর রহমান এর নির্দেশনায় ৩১ ফিল্ড এ্যাম্বুলেন্স এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আবদুল্লাহ আল মেহেদী এবং তার অধিনস্থ সকল মেডিকেল টিমের পরিচালনায় চাঁদপুর জেলার হাজিগঞ্জ উপজেলার পিটিআই হোস্টেলে আজকে আমরা আরো ১০০০ দুঃস্থ, গরীব, অসহায়, পীড়িত মানুষের সেবাপ্রদানে সক্ষম একটি আধুনিক মেডিকেল ক্যাম্প ইতিমধ্যে স্থাপন করেছি। এছাড়াও অত্যন্ত অভিজ্ঞ , দক্ষ কয়েকজন চক্ষু ডাক্তারের সমন্বয়ে একটি চক্ষু শিবির স্থাপন করা হয়েছে, যেখানে চক্ষু রোগীদের বিশেষ করে বয়স্কদের চোখের শক্তি পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে উপযুক্ত চোখের পাওয়ার সম্পন্ন চশমা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। সকল দুঃস্থ, পীড়িত, অসহায়, অসুস্থ মানুষের পাশে দাড়িয়ে তাদেরকে পীড়ামুক্ত সুস্থ, সবল এবং সক্ষম নাগরিক হতে সহায়ক ভূমিকা পালন করাই আমাদের উদ্দেশ্য।

কুমিল্লা সেনাবাহিনীর ৩৩ আর্টিলারি বিগ্রেড কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল রাব্বি আহসান জানান, এ স্বাস্থ্যসেবার মূল উদ্দেশ্য হলো জনগণের পাশে থাকা, জনগণের জন্য কল্যাণকর কিছু করা।

এ মেডিকেল ক্যাম্পেইনে ১০ জন চিকিৎসক অংশগ্রহণ করেন। এ সময় ক্যাপ্টেন ইয়াসিন ও ক্যাপ্টেন তানহিয়াত উপস্থিত ছিলেন।

কুবিতে অধ্যাপক থাকা সত্ত্বেও বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করবেন সহযোগী অধ্যাপক

 

চাঁদনী আক্তার, কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) আইন অনুযায়ী বিভাগীয় প্রধান পদে অধ্যাপকদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে সহযোগী অধ্যাপককে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করতে বলা হয়েছে। তবে বিষয়টিকে আইনের পরিপন্থি দাবি করে বিভাগীয় পদ পেতে প্রশাসনকে চিঠি দিয়েছেন বিভাগটির অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের। তবে রেজিস্ট্রারের দাবি, প্রশাসন চাইলে এমন আদেশ দিতে পারে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০০৬ সূত্রে জানা যায়, ‘বিভাগীয় অধ্যাপকদের মধ্য হইতে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে পালাক্রমে তিন বৎসর মেয়াদে ভাইস-চ্যান্সেলর কর্তৃক বিভাগীয় প্রধান নিযুক্ত হইবেন’। এ আইন অনুযায়ী বিভাগে কোনো অধ্যাপক না থাকায় ২০২০ সালের ১৭ জুন বিভাগীয় প্রধান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয় সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জুলহাস মিয়াকে। ওই পদে জুলহাস মিয়ার তিন বছর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর গত ১৫ জুন তাঁকে আবারও পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করে যেতে বলা হয় ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. আমিরুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে।

বিষয়টিকে আইনের ব্যত্যয় উল্লেখ করে করে অধ্যাপক তাহের তাঁর চিঠিতে উল্লেখ করেন, বিভাগে অধ্যাপক কর্মরত থাকা অবস্থায় সহযোগী অধ্যাপককে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব প্রদান করা সুস্পষ্টভাবে আইন-এর লঙ্ঘন। ড. মোহাম্মদ জুলহাস মিয়া গত ১৬ জুন বিভাগীয় প্রধান হিসেবে তাঁর মেয়াদপূর্ণ করেছেন এবং বর্তমানে বিভাগে দুইজন অধ্যাপক কর্মরত আছেন।
অধ্যাপক তাহের বলেন, ‘বিভাগের জ্যেষ্ঠতম অধ্যাপক হিসেবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় এর আইন অনুযায়ী আমি ১৭ জুন থেকে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব প্রাপ্য হই। জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে ড. মোহাম্মদ জুলহাস মিয়াকে বিভাগীয় প্রধানের পুনঃদায়িত্ব প্রদান করায় সুস্পষ্টভাবেই আইনের ব্যত্যয় হয়েছে এবং আমার ওপরও অবিচার করা হয়েছে।’
এ নিয়োগে অধ্যাপক তাহেরের মান-মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং তিনি সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্নের শিকার হয়েছেন দাবি করে তাঁকে বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব দিয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনকে সমুন্নত রাখার জন্য চিঠিতে অনুরোধ করেছেন তিনি।

এদিকে নিয়োগের বিষয়ে ড. মোহাম্মদ জুলহাস মিয়া বলেন, প্রশাসন আমাকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে বলেছে। আইনের বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারছি না।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার মো. আমিরুল হক চৌধুরী বলেন, ওনাকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। শুধু পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব চালিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
বিভাগে অধ্যাপক থাকার পরও একজন সহযোগী অধ্যাপককে কেন দায়িত্ব চালিয়ে যেতে বলা হলো- এমন প্রশ্নে রেজিস্ট্রার বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ চাইলে এভাবে কন্টিনিউ করার জন্য বলতেই পারে।’

এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সর্বশেষ কমিটির সভাপতি ড. দুলাল চন্দ্র নন্দী বলেন, “এটা মোটেও ঠিক হয়নি, এ ধরনের নির্দেশনা সুস্পষ্ট আইনের লঙ্ঘন। এগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্ত:সম্পর্ক নষ্ট করে দেয়”

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, এ বিষয়ে এখন কিছু বলতে পারছিনা। চিঠিটি যদি আমার কাছে আসে; আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী পরামর্শ দিবো।

সাংবাদিক নাদিম হত্যার দ্রুত বিচার দাবিতে দাউদকান্দিতে মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার,

জামালপুরের বকশীগঞ্জে সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিম হত্যার প্রতিবাদ দাউদকান্দিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন সাংবাদিকরা। দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের আয়োজনে সোমবার(১৯জুন) বেলা ১১টায় ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের গৌরীপুর দাউদকান্দি প্রেসক্লাব চত্বরে এই মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত হয়।

দাউদকান্দি প্রেসক্লাব সভাপতি হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন হাজারীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি হানিফ খান, বাসুদেব ঘোষ, ওমর ফারুক মিয়াজী, তিতাস প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ কবির হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আসলাম, আলী হোসেন বাবুল (যুগান্তর), শামীম রায়হান(জনকন্ঠ), দাউদকান্দি প্রেস ক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর হোসেন, শহিদুল্লাহ সাদা(মানবকন্ঠ), কামরুল হক চৌধুরী(অবজারভার), মামুনুর রশিদ রুবেল(প্রতিদিনের বাংলাদেশ) মোঃ সেলিম মিয়া (ইনকিলাব), লিটন সরকার বাদল(এশিয়ান এইজ), শরীফ প্রধান(আলোকিত বাংলাদেশ), হোসাইন মোহাম্মদ দিদার (আমাদের নতুন সময়), সোহেল আহম্মেদ(আনন্দ টিভি),আবু কোরাইশ আপেল(বাংলা টিভি), সাহাব উদ্দিন ( মোহনা টিভি) প্রমূখ।

এ সময় বক্তারা বলেন, সাংবাদিক নাদিম হত্যার মাস্টারমাইন্ড ইউপি চেয়ারম্যান বাবু ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তা খারিজ করে দেন। কিন্তু মামলা খারিজের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চেয়ারম্যান বাবু নিজে উপস্থিত থেকে সাংবাদিক নাদিমকে নৃশংসভাবে হত্যা করে।
বক্তারা বলেন, সাংবাদিক নাদিম হত্যা মামলাটি বিশেষ আদালতে পাঠিয়ে দ্রুত সময়ে বিচার নিষ্পত্তির দাবি জানান।

বক্তারা আরো বলেন, ইতোমধ্যে নাদিম হত্যার মূলহোতা ও নির্দেশদাতা জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার সাধুপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবুসহ মোট ১০ জনকে গ্রেপ্তার করায় প্রশাসনের প্রতি আমরা ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

এছাড়া মানববন্ধনে সামাজিক সংগঠন সৃষ্টির উপদেষ্টা ডাঃ মোজাম্মেল হোসেন, ইব্রাহিমসহ দাউদকান্দি ও তিতাস উপজেলার বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতারা অংশ নেন।

কোম্পানীগঞ্জে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণ

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে স্বামীর সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে গৃহবধূ (১৮) গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। তবে এ ঘটনায় এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

রোববার (১৮ জুন) দুপুরের দিকে এ ঘটনায় তিনজনকে আসামি করে ভুক্তভোগীর স্বামী মামলা দায়ের করেছেন। এর আগে, গত বুধবার ১৪ জুন বেলা ১১টার দিকে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের পর্যটন এলাকা মুছাপুর সুইচ গেইটের পূর্ব পার্শ্বের বাগানে এই ঘটনা ঘটে।

মামলার আসমিরা হলো, উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের নুর নবীর ছেলে জাহাঙ্গীর (৩৫) তার সহযোগী একই ওয়ার্ডের একরামুল হকের ছেলে রিয়াদ (৩০) ও মুছাপুর ক্লোজারের রেগুলেটর মোড়ের আলা উদ্দিনের ছেলে জালাল উদ্দিন (২৮)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,গত বুধবার ১৪জুন বেলা সাড়ে ১০টার দিকে গৃহবধূ (১৮) তার স্বামীর সাথে নোয়াখালীর সদর উপজেলা থেকে মোটরসাইকেল যোগে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর সুইচ গেইট এলাকায় ঘুরতে আসে। সুইজ গেইট পার হয়ে পূর্বদিকে বাগানের পার্শ্বে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছবি তোলার সময় আসামি জাহাঙ্গীর, রিয়াদ ও জালাল উদ্দিন হাতে ছুরি ও লাঠিসোটা নিয়া ঘটনাস্থলে ভিকটিম ও তার স্বামীকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধমকি দিতে থাকে। একপর্যায়ে তিন আসামি ভিকটিমের স্বামীকে গাছের সঙ্গে গামছা দিয়ে বেঁধে তার স্ত্রীকে বাগানে নিয়ে গণধর্ষণ করে। অপর আসামি জালাল উদ্দিন তখন ভিকটিমের স্বামীকে পাহারা দেয়। বিষয়টি টের পেয়ে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসলে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, মুছাপুর ক্লোজার এলাকায় স্থানীয় জলদস্যু বাহিনী বালু উত্তোলন,খাস জায়গা দখল,ঘুরতে যাওয়া নারীদের ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে। তবে স্থানীয় প্রশাসনের ব্যর্থতায় এগুলো কোন ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না। এর আগেও একাধিক ঘুরতে নারী মুছারপুর ক্লোজারে ধর্ষণের শিকার হয় বলে জানা যায়। তবে মান সম্মানের ভয়ে কেউ এসব ঘটনায় মুখ খুলতে চায়না।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাদেকুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ভিকটিমের স্বামী বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ আসামিদের গ্রেফতারে চেষ্টা চালাচ্ছে।

চাঁদপুরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সংঘবদ্ধ চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার

 

স্টাফ ‍রিপোর্টারঃ

চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ সময় ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত পিকআপ ও বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

শুক্রবার (১৬ জুন) ভোররাতে উপজেলার ওয়ারুক বাজার এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

থানা সূত্রে জানায়, গোপন সংবাদের ভিওিতে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোঃ আবু তাহের ও সঙ্গীয় ফোর্স উপজেলার ওয়ারুক রেল ক্রসিংয়ের সামনে একটি ডাকাতদল সমবেত হওয়ার সংবাদে সেখানে পুলিশ অভিযান চালায়। ওই সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাত দলের ৮/১০ জন সদস্য গাড়ি থেকে লাফিয়ে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ তাদের ধাওয়া করে ৩ জনকে ধরতে সক্ষম হয়। এ সময় ১টি পিকআপ, ২ টি চাকু, ১ টি তালা ভাঙার যন্ত্র, টর্চ লাইট, হেক্স ব্লেড, কয়েক সেট জামাকাপড় ও মুখোশ জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, আব্দুল রহমান মাঝি (৪৫), মোঃ নাজমুল (২২) ও আনোয়ার হোসেন ফারুক (৩৮)। তারা সকলে চাঁদপুর সদর এলাকার বাসিন্দা।

শাহরাস্তি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহীদ হোসেন জানান, তারা ডাকাত দলের একটি সংঘবদ্ধ চক্র। এদের বিরুদ্ধে মাদক, চুরি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন ঘটনায় একাধিক মামলা রয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

কুমিল্লা সদরে ৯৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ সাকিব আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার সদরে ৯৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ মোঃ সাকিব হোসেন (২৬) নামের এক মাদক কারবারিক আটক করেছে র‌্যাব-১১।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৭ জুন বিকালে সদরের খামারকৃষ্ণপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা। এসময় মাদক পরিবহণে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়।

আটক হওয়া যুবক সদরের দক্ষিণ রাছিয়া গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে।

রবিবার (১৮ জুন) কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লীডার এ কে এম মুনিরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছন।

র‌্যাব জানায়, সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফেন্সিডিলসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

 

ইউপি নির্বাচন: পশ্চিম জোড়কাননে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে শাহাদাতের মনোনয়ন জমা

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

আগামী ১৭ জুলাই অনুষ্ঠিত হবে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার ৫ নং পশ্চিম জোড়কানন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন।

এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন শাহাদাত হোসেন।

রবিবার (১৮ জুন) দুপুরে সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাচন ও রিটানিং কর্মকর্তার কাছে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন ফরম জমা দেন তিনি। এ সময় তার সহযোগী সহকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মনোনয়ন ফরম জমা শেষে স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহাদাত হোসেন বলেন, আপনারা হয়তো অনেকে জানেন আমি আজকে যে নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছি এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান ছিলেন আমার বড় ভাই। আমি আমার বড় ভাইয়ের সাথে দীর্ঘদিন থেকেই আমার ইউনিয়ন বাসীর সুখে-দুঃখে পাশে ছিলাম। সুষ্ট অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন হলে আমি শতভাগ আশাবাদী ইউনিয়নের জনগণ আমাকে বিপুল ভোটে জয়ী করবে।

তিনি আরোও বলেন, নির্বাচনে জয়ী হলে অত্র ইউনিয়নে অবহেলিত মানুষদের তাদের প্রাপ্য সেবা নিশ্চিত ও একটি আধুনিক মডেল ইউনিয়ন হিসেবে জনগণকে উপহার দিবো। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় ইউনিয়নবাসী ও দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শাহাদাত হোসেন।

কুমিল্লায় রানা হত্যা মামলায় ১৭ বছর পর ৭ জনের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

২০০৬ সালের মামলায় ১৭ বছর পর কুমিল্লা সদরের চম্পকনগর সাতরার রানা হত্যা মামলায় ৭ জনের ফাসিঁ ও ৫ জনের যাবজ্জীবনসহ ৩০ হাজার টাকা করে অর্থদন্ডের রায় দেন আদালত।এ মামলায় ১ ৬জন আসামীর মধ্যে ৪ জন বেকসুর খালাস পান। ১২ জন আসামির দন্ডাদেশের মধ্যে ৭ জনকে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার নির্দেশ আদালতের।

রোববার (১৮ জুন) দুপুরে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৫ম আদালতের বিচারক মো: জাহাঙ্গীর হোসেনর এ রায় দেন।

এ মামলায় আদালতে ৯ জন আসামি এজলাসে ছিলেন। দন্ডপ্রাপ্ত ৬ জন আসামী পলাতক রয়েছেন।

ফাসিঁর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জুয়েল,শুভ, কাজল, শিপন, মোর্শেদ, আলাউদ্দিন ও রিপনসহ ৭ জন। যাবজ্জীবন প্রাপ্ত ৫ জন হলেন- বাদল, ইকবাল, জহিরুল ইসলাম, আনোয়ার ও সোহেল।

ফাসিঁর দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী জুয়েল, শুভ, কাজল, শিপন, মোর্শেদসহ ৫ জনই পলাতক ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বাদল ও ইকবালসহ ৬ জন পলাতক রয়েছে।

কুমিল্লার আদালতের এপিপি এড.রফিকুল ইসলাম মামলার বিবরণে জানায়- ২০০৬ সালে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পহেলা মে রাতে হত্যা করা হয় চম্পকনগর এলাকার স্যানিটারি মিস্ত্রি রানাকে। এই ঘটনায় রানার বাবা জাহাঙ্গির খান ৬ জনকে আসামি করে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরবর্তী তদন্তে আরো ১০ জনকে আসামি করে মোট ১৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রদান করে তদন্ত কর্মকর্তা। দীর্ঘ ১৮ বছর মামলার চলমান তদন্তে আসামিদের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি ও ১৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য আমলে নিয়ে এ রায় দেন বিজ্ঞ বিচারক।

রায়ে বিজ্ঞ বিচার ৭ জনকে মৃত্যুদণ্ডাদেশ ও প্রত্যেককে ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, ৫ পাঁচ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ ও ত্রিশ হাজার টাকা করে প্রতিজনকে অর্থদণ্ড অনাদায়ে ছয় মাসের কারাদন্ড এবং ৪ জনকে বেকসুর খালাস দেন। রায় প্রদানের সময় মোট ৯ জন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এর মধ্যে ৩ জন মৃত্যুদণ্ডাদেশ প্রাপ্ত হাজির, তিনজন যাবজ্জীবন দন্ডাদেশ প্রাপ্ত হাজির এবং বেকসুর খালাসপ্রাপ্ত তিনজন হাজির ছিলেন। মৃত্যুদণ্ড ৪ ও যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত ২ জনসহ মোট ছয় আসামি পলাতক রয়েছে।

রায় শেষে মামলার বাদী নিহত রানার বাবা জাহাঙ্গীর খান দীর্ঘ ১৮ বছর পর ছেলে হত্যার বিচারের রà