All posts by jitu

বহিষ্কারের পরেই ছাত্রদলের দ্বারা মারধরের শিকার কুবি ছাত্রলীগের ৩ কর্মী

 

কুবি প্রতিনিধিঃ

স্থানীয় ছাত্রদল নেতা ও বহিরাগতদের দিয়ে নিজেদেরই ৩ নেতাকে বেধড়ক মারধর করলো কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের আরেকটি পক্ষ।

বুধবার (৮ মার্চ) দুপুর ১ টায় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন আল আমিন কনফেকশনারির সামনে এ ঘটনা ঘটে।

মারধরকারীরা হলেন কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের নেতা রনি মজুমদার এবং কুবি শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগ নেতা খালেদ সাইফুল্লাহ হত্যা মামলার প্রধান আসামী ছাত্রলীগ নেতা বিপ্লব চন্দ্র দাস, অর্থনীতি বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী কাওসার হোসেনসহ ১০-১২ জন ছাত্রদল-ছাত্রলীগ নেতাকর্মী।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ছাত্রলীগের শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শরীফ উদ্দিন, সালমান, সাদ্দাম, সায়েমসহ কয়েকজন আল আমিনের দোকানে বসে নাস্তা করছিলেন। এমন সময়ে রেজা-ই-এলাহী সমর্থিত ১২ থেকে ১৫ জন নেতাকর্মী অতর্কিত হামলা চালায়।

মারধরের শিকার ছাত্রলীগ নেতারা হলেন শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালমান হৃদয় ও বিজ্ঞান অনুষদ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাইদুল ইসলাম রোহান।

এতে শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত হলে সাধারণ সম্পাদক এনায়েত মাটিতে লুটিয়ে পড়ে জ্ঞান হারান, বিজ্ঞান অনুষদ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাইদুল ইসলাম রোহানের হাত ভেঙে গেলে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এদিকে গত ৩০ জানুয়ারি রাত ১০টায় রেজা-ইএলাহী সমর্থিত বিপ্লব চন্দ্র দাসহ ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে উঠতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের বাঁধা প্রদান করেন। পরে এক সহকারী প্রক্টরের সাথে বাগবিতণ্ডা হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এর জেরে গতকাল ৭ ই মার্চ এনায়েত উল্লাহ এবং সালাম চৌধুরীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করে। বহিস্কারের পরদিনই এ মারধর পূর্বপরিকল্পিত বলে দাবি করেছেন শাখা ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। এবং এর মধ্যে ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী রানারও যোগসাজেশ রয়েছে বলে দাবি করে তারা তার পদত্যাগ দাবিতে ক্যাম্পাস গেইটে অবস্থান নেন।

এ বিষয়ে হত্যা মামলার আসামি বিপ্লব চন্দ্র দাসের মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে কল কেটে দেন।

ভুক্তভোগী সালমান চৌধুরী জানান, আমাকে বিপ্লব চন্দ্র দাস ডেকে নিয়ে যায় এবং প্রশাসন বহিষ্কার করলেও কেন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করছি জানতে চেয়ে আমাকে এবং হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্লাহকে মারধর শুরু করেন।

এদিকে বিষয়টিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের ইন্ধন হিসেবে মন্তব্য করে কাজী নজরুল ইসলাম হলের সাবেক সভাপতি ইমরান হোসেন বলেন, খুনি বিপ্লব ও ছাত্রদলের লোকজন কিভাবে একজন হল ছাত্রলীগের সেক্রেটারিকে মারধর করে? বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ইন্ধনে তারা আজ আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আধা ঘন্টার মধ্যে যদি এর সমাধান না আসে তাহলে আমরা প্রক্টরের পদত্যাগ চাই।

এর আগে ২০২২ সালের অক্টোবরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) কাজী ওমর সিদ্দিকীর সামনে দিয়েই শতাধিক বহিরাগত নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে অস্ত্রের মহড়া দেয় ছাত্রলীগের একটি অংশ। ক্যাম্পাসে প্রবেশের পরই ফাঁকা গুলি ও ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় তারা। এ অংশের নেতৃত্বে ছিলেন খালেদ সাইফুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি এবং মারধরকারী বিপ্লব চন্দ্র দাস।

এবিষয়ে কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক এস এম আতিকুউল্লাহ বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি উপাচার্য স্যারের সাথে কথা বলেছি। বহিরাগতরা যেহেতু আক্রমণ করেছে তাই আমরা তাদেরকে যতদ্রুত সম্ভব গ্রেপ্তার করব।

প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, এসব বিষয়ে আমার কোন ইন্ধন নেই। যারা এমনটি বলছে তারা এটিকে প্রমাণ করতে হবে। প্রশাসন কেন ব্যাবস্থা নিচ্ছে না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছি তারা এটা তাদের বিষয়।

নোয়াখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রের মৃত্যু

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত তাজুল ইসলাম ওরফে রাব্বি (১০) উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নের চর চরমজিদ গ্রামের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের জহিরুল ইসলামের ছেলে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র ছিল।

বুধবার (৮ মার্চ) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার চরমজিদ গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

চরজব্বার থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দ্রেব প্রিয় দাশ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুপুর ১২টার দিকে নিহত রাব্বি পাশের বাড়ির এক ব্যক্তির মাছের ঘেরে পানি দেওয়ার জন্য সেচ পাম্প মেশিনে চালু করতে যায়। ওই সময় বৈদ্যুতিক তারের লিকেজ অংশে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রাব্বি দগ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যায়।অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

প্রশাসনের ইন্ধনে ফের উত্তপ্ত কুবি, আহত ৩

 

কুবি প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ছাত্রলীগের তিন নেতাকে প্রকাশ্যে মারধর করে গুরুতর আহত করেছে রেজা-ই-এলাহী সমর্থিত স্থানীয় যুবদল নেতা রনি, হত্যা মামলার আত্মস্বীকৃত খুনি বিপ্লব চন্দ্র দাস, ইকবাল, স্বজন বরণ বিশ্বাসসহ ১২ থেকে ১৫ জন কর্মী।

বুধবার (৮ মার্চ) দুপুর ১ টায় বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন আল আমিনের দোকানে সামনে এই ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হন শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সালমান হৃদয়, বিজ্ঞান অনুষদ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাইদুল ইসলাম রোহান।

এর আগে গত ৩০ জানুয়ারি রাত ১০টায় রেজা-ইএলাহী সমর্থিত নেতাকর্মীরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে উঠতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের বাঁধা প্রদান করেন। পরে এক সহকারী প্রক্টরের সাথে বাগবিতণ্ডা হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এর জেরে গতকাল ৭ ই মার্চ এনায়েত উল্লাহ এবং সালাম চৌধুরীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কার করে।

এ বিষয়ে হত্যা মামলার আসামি বিপ্লব চন্দ্র দাসের মন্তব্য জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে কল কেটে দেন।

প্রত্যক্ষদর্শী জানা যায়, ছাত্রলীগের শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শরীফ উদ্দিন, সালমান, সাদ্দাম, সায়েমসহ কয়েকজন আল আমিনের দোকানে বসে আড্ডা দিচ্ছেন। এই মুহূর্তে রেজা এলাহি গ্রুপের ১২ থেকে ১৫ জন নেতাকর্মী অতর্কিত হামলা চালায়।

এতে শহীদ ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত হলে সাধারণ সম্পাদক এনায়েত মাটিতে লুটিয়ে পড়ে জ্ঞান হারান, বিজ্ঞান অনুষদ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সাইদুল ইসলাম রোহানের হাত ভেঙে গেলে তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

ভুক্তভোগী সালমান চৌধুরী জানান, আমাকে বিপ্লব চন্দ্র দাস ডেকে নিয়ে যায় এবং প্রশাসন বহিষ্কার করলেও কেন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করছি জানতে চেয়ে আমাকে এবং হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্লাহকে মারধর শুরু করেন।

এদিকে বিষয়টিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের ইন্ধন হিসেবে মন্তব্য করে কাজী নজরুল ইসলাম হলের সাবেক সভাপতি ইমরান হোসেন বলেন, খুনি বিপ্লব ও ছাত্রদলের লোকজন কিভাবে একজন হল ছাত্রলীগের সেক্রেটারিকে মারধর করে? বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ইন্ধনে তারা আজ আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। আধা ঘন্টার মধ্যে যদি এর সমাধান না আসে তাহলে আমরা প্রক্টরের পদত্যাগ চাই।

এবিষয়ে কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ পরিদর্শক এস এম আতিকুউল্লাহ বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমি উপাচার্য স্যারের সাথে কথা বলেছি। বহিরাগতরা যেহেতু আক্রমণ করেছে তাই আমরা তাদেরকে যতদ্রুত সম্ভব গ্রেপ্তার করব।

প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, এসব বিষয়ে আমার কোন ইন্ধন নেই। যারা এমনটি বলছে তারা এটিকে প্রমাণ করতে হবে। প্রশাসন কেন ব্যাবস্থা নিচ্ছে না জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা পুলিশ প্রশাসনকে জানিয়েছি তারা এটা তাদের বিষয়।

সদর দক্ষিণ থেকে ৯ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলা থেকে গাঁজাসহ মোঃ খায়রুল (৪৩) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

বুধবার (৮ মার্চ) সকালে উপজেলার সাওড়াতলী, পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৯ কেজি গাঁজাসহ তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত খায়রুল খুলনা জেলার সোনাডাঙ্গা উপজেলার শেখপাড়া গ্রামের মোঃ ইফসুফের ছেলে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে দীর্ঘদিন যাবৎ খুলনা, কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। উক্ত বিষয়ে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

যথাযোগ্য মর্যাদায় কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত‘

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

“ডিজিটাল প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন জেন্ডার বৈষম্য করবে নিরসন’—এ প্রতিপাদ্যে “কুমিল্লায় যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে আন্তর্জাতিক নারী দিবস। জেলা প্রশাসন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ও জাতীয় মহিলা সংস্থা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

বুধবার সকালে নগরীর শিল্পকলা একাডেমী থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়ে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে টাউন হল ময়দানে এসে শেষ হয়। পরে নারী নেতৃবৃন্দ নবাব ফয়জুননেছা চৌধুরানীর প্রতিকৃতিতে ফুলেন শুভেচ্ছা জানান।

এরপর নগর মিলনায়তনে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা) সালমা ফেরদৌসের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক শামীম আলম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন জেলা পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান পিপিএম (বার), স্থানীয় সরকার উপপরিচালক অর্পনা বৈদ্য, জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা পাপড়ী বসু, অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার আফজাল হোসেন, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক জেসমিন আরা বেগম, জেলা পরিষদ সদস্য বিশিষ্ট নারী নেত্রী এডভোকেট ফাহমিদা জেবিন।

আধুনিকা নারী উন্নয়ন সংস্থার সভানেত্রী ইয়াসমিন আক্তারের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত নারী ফোরামের ভাইস প্রেসিডেন্ট দিলনাশ মোহসেন।

দুই ছাত্রলীগ নেতাকে তদন্ত ছাড়াই বহিষ্কার করলো কুবি

কুবি প্রতিনিধি:
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখা ছাত্রলীগের বিষয়ে কেন্দ্রের পর এবার তৎপর হয়ে উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনও। শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তির পর দুই নেতাকে বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এনায়েত উল্লাহ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. সালমান চৌধুরী হৃদয়কে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িক বহিষ্কারের চিঠি দেয় রেজিস্ট্রার দপ্তর। বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো শৃঙ্খলা বিধি না থাকার পরও ‘উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী’ বহিষ্কার করায় এ ব্যবস্থার পদ্ধতি ও ধরন নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সদস্যরা। আর শৃঙ্খলা বিধি পরবর্তী সিন্ডিকেটে পাশ করাবেন বলে জানিয়েছেন উপাচার্য। এদিকে কোনো ধরনের তদন্ত ছাড়াই একই ঘটনায় শিক্ষার্থীদের বিষয়ে পদক্ষেপ নিলেও শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম আবদুল মঈন বলেন, ‘তাঁদেরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিলাম। তাঁদের জবাব আমাদের কাছে যথাযথ মনে না হওয়ায় সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। পরবর্তীতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে, তখন হয় সাময়িক বহিষ্কার ওঠে যাবে, না হয় স্থায়ী বহিষ্কার করা হবে।’

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক বলেন, অস্বাভাবিক কোনো পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেই কেবল তার উপশম ঘটাতে তৎক্ষণাৎ সাময়িক বহিষ্কারের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এ বিষয়ে কোনো তদন্ত প্রতিবেদন যদি না থাকে, তাহলে ঘটনার এক মাস পর এসে সাময়িক বহিষ্কারের মতো পদক্ষেপ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে ধারণা করবে যে কেউই। এছাড়া এ ঘটনার চূড়ান্ত পরিণতিইবা কে কখন নির্ধারণ করবে?

গত ৩০ জানুয়ারি রাতে ছাত্রলীগের ২০১৭ সালে বিলুপ্ত কমিটির সাধারণ সম্পাদক রেজা-ই-এলাহী সমর্থিত কয়েকজন কর্মী ও সাবেক ছাত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে ‘অবৈধভাবে’ উঠতে গেলে তাঁদেরকে বাধা দেন তৎকালীন সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সমর্থিতরা। এসময় সহকারী প্রক্টর অমিত দত্তের সঙ্গে ইলিয়াস সমর্থিত এনায়েত ও সালমানের বাগবিতণ্ডা ঘটে এবং উভয়পক্ষকেই উচ্চবাচ্য করতে দেখা যায়। এ ঘটনাকে প্রক্টরিয়াল বডির কর্তব্য পালনে বাধা, শিক্ষককে হেনস্থা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ দাবি করে উভয় নেতাকে বহিষ্কার করে কর্তৃপক্ষ।

এসব অভিযোগের ভিত্তিতে দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের বিপরীতে এনায়েত ও সালমানের উত্তর গ্রহণযোগ্য হয়নি দাবি করে ‘প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী’ উভয় ছাত্রলীগ নেতাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে বলে জানানো হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আমিরুল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত পৃথক দু’টি অফিস আদেশে।

কারণ দর্শানোর ওই নোটিশের পর সহকারী প্রক্টর অমিত দত্তের বিরুদ্ধে উপাচার্য বরাবর পাল্টা অভিযোগ দেন উভয় নেতা। অভিযোগপত্রে তাঁরা বলেন, ২০১৬ সালে কুবি ছাত্রলীগের অন্তঃকোন্দলে নিহত কাজী নজরুল ইসলাম হলের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহ হত্যা মামলার আত্মস্বীকৃত খুনি বিপ্লব চন্দ্র দাসসহ আরও কয়েকজন অছাত্র হলে ওঠার চেষ্টা করায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার ভীতি সৃষ্টি হয়। এসময় শিক্ষক অমিত দত্ত অছাত্রদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো হলের শিক্ষার্থীদের সাথে উচ্চবাচ্য ও তাদের গায়ে হাত তোলার চেষ্টা করেন। এ কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানালে সেই শিক্ষক তাঁদেরকে মারতে তেড়ে আসেন এবং অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ ও শারীরিকভাবে লাঞ্চিত করেন বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন তাঁরা।

একই ঘটনায় উভয় পক্ষ থেকে অভিযোগ গেলেও কোনো ধরনের তদন্ত কমিটি গঠন করেনি কর্তৃপক্ষ। বরং নিজেদের মতো করেই শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে একপাক্ষিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেষ্টা করেও প্রশাসনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। বরং অভিযোগকারী তথা প্রক্টরিয়াল বডির সুপারিশের ভিত্তিতেই উভয় শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
উপাচার্যঘেষা একজন শিক্ষক বলেন, মূলত অভিযোগকারী শিক্ষকরাই তাঁদেরকে বহিষ্কারের সুপারিশ করেছিল। উপাচার্য তাঁদের বাইরে যেতে পারেননি। সেজন্য বাদীর বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ থাকলেও কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

এসব বিষয়ে কথা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনজন জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকের সাথে। বিষয়টি প্রশাসন সংশ্লিষ্ট হওয়ায় এবং উপাচার্যের বিরাগভাজন হওয়ার আশঙ্কায় দু’জনই নাম প্রকাশ করতে চাননি। তাঁদের একজন বলেন, বিশ^বিদ্যালয়েতো কোনো শৃঙ্খলা বিধিও নেই। তাহলে কীসের ভিত্তিতে এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তারা কোন মাত্রার অপরাধ করেছে, সেটা কীভাবে নির্ণয় করা হয়েছে-এ প্রশ্নগুলো সামনে আসা জরুরি। তবে উপাচার্য বলেন, ঘটনা ঘটার পর আমি বিদেশ চলে যাই। আমরা গত রবি-সোমবারের দিকে দিকে তাঁদের বহিষ্কারের বিষয়ে মিটিংয়ে বসার কথা ছিল এবং সেদিনই বহিষ্কার করার কথা ছিল। কিন্তু তাঁরা কিভাবে যেন জানতে পারে যে আমরা তাঁদের বহিষ্কার করব এবং তাঁদেরকে যাতে বহিষ্কার করা না হয় সেজন্য সাবেক ছাত্রলীগ নেতার নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের আপগ্রেডেশন বোর্ড চলাকালীন হামলা চালায়। এরপর তাঁরা মাফ চাইবে বলেছিল, কিন্তু মাফ চায়নি।

শৃঙ্খলা ভঙ্গের কোন বিধি অনুযায়ী তাঁদেরকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে? এর উত্তরে উপাচার্য বলেন, প্রক্টরের দায়িত্ব পালনে বাঁধা প্রদান কি শৃঙ্খলা বিরোধী না? গত সিন্ডিকেটে শৃঙ্খলা বিধির বিষয়ে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, পরবর্তী সিন্ডিকেটে আমরা সেটি পাশ করাব।

একই ঘটনায় অভিযোগকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধেও পাল্টা অভিযোগ আছে। তাঁর বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগেই একপাক্ষিক ব্যবস্থা নিতে পারেন কি না- এ বিষয়ে উপাচার্যকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি প্রতিবেদককে অনেকক্ষণ সময় দিয়েছেন দাবি করে আর মন্তব্য করতে রাজি হননি।

সার্বিক বিষয়ে কথা হয় রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমানের সাথে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকদের একজন এবং দু’বার প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তিনি বলেন, প্রশাসন নিজ থেকে কখনো এ ধরনের শাস্তি দিতে পারে না। ‘উচ্চপর্যায়’ বা অন্য কিছু বলার কোনো সুযোগই নেই। এটা আইনের ভাষা হতে পারে না। যেকোনো বিষয়ে শাস্তি দিতে হলে অবশ্যই বিধি উল্লেখ করতে হবে।

অধ্যপক সৈয়দুর আরও বলেন, যেহেতু আমাদের কোনো শৃঙ্খলা বিধি নেই, সেহেতু প্রচলিত সরকারি বিধি অনুযায়ীই পদক্ষেপ নিতে হবে। অথবা তদন্ত কমিটি গঠন করে তাঁদের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কারণ দর্শানোর নোটিশের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দিতে পারে মাত্র। এছাড়া যেহেতু শিক্ষকের বিরুদ্ধেও অভিযোগ এসেছে, তাঁর স্বার্থে হলেও তদন্ত প্রতিবেদন দরকার ছিল।

বুড়িচংয়ে স্ত্রী সন্তান মিলে পিটিয়ে হত্যা করলো বাবাকে

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলায় পারিবারিক কলহের জের ধরে মায়ের কথায় বাবা আব্দুল মালেককে (৫০) পিটিয়ে হত্যা করেছেন ছেলে সেলিম।

মঙ্গলবার বিকাল ৫টার দিকে উপজেলার ভারেল্লা দক্ষিণ ইউনিয়নের পারুয়ারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসমাইল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছি। আব্দুল মালেকের স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। ছেলে সেলিম পলাতক রয়েছে।

তিনি বলেন, এই ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদেরকে ও গ্রেফতার চেষ্টা চলছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, টাকা পয়সা ও সম্পত্তি নিয়ে পারিবারিক কলহের জেরে মায়ের সাথে ঝগড়া হয়। পরে মায়ের কথাতেই ছেলে সেলিম বাবাকে মারধর করে,ধ্বস্তাধস্তির এক পর্যায়ে মা ও ছেলের লাঠির আঘাতে পিতা মারা যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছার আগেই ছেলে সেলিম বাড়ি থেকে পাসপোর্ট ও পোশাক নিয়ে পালিয়ে যায়।

শবে বরাতে মডেল মসজিদে কর্মসূচি না থাকায় বিক্ষোভ

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে পবিত্র শবে বরাত উদযাপনে কোনো কর্মসূচি না থাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় মুসল্লিরা।

মঙ্গলবার (৭ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চরজব্বার থানার মোড়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

স্থানীয়রা জানায়, শবে বরাত মুসলমানদের গুরুত্বপূর্ণ রাত। এই রাতকে ভাগ্যরজনী বলা হয়ে থাকে। কিন্ত সুবর্ণচর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দের পরিচালনা কমিটি পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে মসজিদে কোন ওয়াজ ও দোয়ার আয়োজন করেনি। এতে বিক্ষুব্ধ মুসল্লিরা চরজব্বর থানার মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল করে। পরে শবে বরাত উপলক্ষে ঈমাম সাহেব মসজিদে এসে আলোচনা শুরু করেন।

সুবর্ণচর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পেশ ইমাম মো.আব্দুল মান্নান বলেন, শবে বরাত উদযাপনে মডেল মসজিদের পরিচালনা কমিটি আমাকে কোনো সহযোগিতা করেনি এবং নির্দেশনা দেয়নি। আমি নিজে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপার ভাইজার আব্দুর রহিমকে বিষয়টি অবহিত করেও কোনো সাড়া পায়নি। বরং সভাপতি বলে সেক্রেটারিকে ফোন দেন সেক্রেটারি বলে সভাপতিকে ফোন দেন।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে ইমাম বলেন, শুক্রবার মুসল্লিদের কাছ থেকে দানের টাকা নেওয়া হয়। ওই তহবিল এখন মসজিদ পরিচালনা কমিটি ব্যাংকে একটি অ্যাকাউন্ট করে জমা রেখে সরকারি টাকা বানিয়ে পেলেছে। এ টাকা থেকে মসজিদের কোনো কাজে সহযোগিতা চাইলে মসজিদ পরিচালনা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ বলে এটা সরকারি টাকা,এই টাকায় হাত দেওয়া যাবেনা। এসব কিছুর মূল হোতা মসজিদ পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপার ভাইজার আব্দুর রহিম।

সুবর্ণচর মডেল মসজিদ পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ও সুবর্ণচর উপজেলা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপার ভাইজার আব্দুর রহিম বলেন,এ সমস্যা কেউ কেউ ইচ্ছাকৃত ভাবে করেছে। দানের টাকা কাউকে আমি জিলাপি খেতে দিতে পারিনা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে মসজিদ পরিচালনা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদের মুঠোফোনে একাধিক কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তাই এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সুবর্ণচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৈতি সর্ববিদ্যা বলেন, এখানে আমার বক্তব্য দেওয়ার কিছু নেই। মডেল মসজিদ কেন বন্ধ ছিল। এটা সংশ্লিষ্ট ইমাম সাহেব জবাব দিবেন উনার বক্তব্য নিতে পারেন। আর সভাপতির দায়িত্বে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আছে তার বক্তব্য নিতে পারেন।

শবে বরাতে মডেল মসজিদে কর্মসূচি না থাকায় বিক্ষোভ

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে পবিত্র শবে বরাত উদযাপনে কোনো কর্মসূচি না থাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে স্থানীয় মুসল্লিরা।

মঙ্গলবার (৭ মার্চ) রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার চরজব্বার থানার মোড়ে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

স্থানীয়রা জানায়, শবে বরাত মুসলমানদের গুরুত্বপূর্ণ রাত। এই রাতকে ভাগ্যরজনী বলা হয়ে থাকে। কিন্ত সুবর্ণচর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দের পরিচালনা কমিটি পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে মসজিদে কোন ওয়াজ ও দোয়ার আয়োজন করেনি। এতে বিক্ষুব্ধ মুসল্লিরা চরজব্বর থানার মোড়ে বিক্ষোভ মিছিল করে। পরে শবে বরাত উপলক্ষে ঈমাম সাহেব মসজিদে এসে আলোচনা শুরু করেন।

সুবর্ণচর উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পেশ ইমাম মো.আব্দুল মান্নান বলেন, শবে বরাত উদযাপনে মডেল মসজিদের পরিচালনা কমিটি আমাকে কোনো সহযোগিতা করেনি এবং নির্দেশনা দেয়নি। আমি নিজে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপার ভাইজার আব্দুর রহিমকে বিষয়টি অবহিত করেও কোনো সাড়া পায়নি। বরং সভাপতি বলে সেক্রেটারিকে ফোন দেন সেক্রেটারি বলে সভাপতিকে ফোন দেন।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে ইমাম বলেন, শুক্রবার মুসল্লিদের কাছ থেকে দানের টাকা নেওয়া হয়। ওই তহবিল এখন মসজিদ পরিচালনা কমিটি ব্যাংকে একটি অ্যাকাউন্ট করে জমা রেখে সরকারি টাকা বানিয়ে পেলেছে। এ টাকা থেকে মসজিদের কোনো কাজে স