All posts by jitu

ইউনিটি অফ কুমিল্লার উদ্যোগে মিলনমেলায় অংশগ্রহণ করবে সহস্রাধিক বন্ধু

নাছরিন আক্তার হীরা:

আগামী  ১০ ই মার্চ  ইউনিটি অফ কুমিল্লা এসএসসি ২০০১ ব্যাচের উদ্যোগে কুমিল্লার কোটবাড়ির  ম্যাজিক প্যারাডাইজ বিনোদন কেন্দ্রে  মহা মিলন মেলার আয়োজন করা হয়েছে। হাজারের অধিক বন্ধু এ মিলনমেলার স্বাক্ষী হতে যাচ্ছেন।

এ মহামিলনমেলা প্রোগ্রাম উপলক্ষে গ্রুপের পক্ষ থেকে উচ্ছাসে ইউনিটি নামে “ম্যাগাজিন” প্রকাশ হবে।

মিলনমেলার আয়োজকরা জানান,  আগামী ১০ই মার্চ আমাদের মহামিলনমেলা প্রোগ্রাম ।সুন্দর একটা প্রোগ্রাম উপহার দেয়ার জন্য ইনশাআল্লাহ্ আমরা সবাই বদ্ধ পরিকর। এই জন্য  সবার ও আন্তরিক ভালোবাসা ও সহযোগিতা আরো বেশি প্রয়োজন।

মিলনমেলাটি প্রাণবন্ত করার জন্য বিভিন্ন বন্ধুদের প্রতিষ্ঠানে-কর্মস্থলে গিয়ে মিটিং করছেন ওমর ফারুক, কাজী সাইফুল, মো: ফরহাদ উদ্দিন, উজ্জ্বল চন্দ্র, জাকির হোসেন, মিতা বিশ্বজিৎ ভৌমিক, নুরুল ইসলাম, আমিনুল ইসলাম, মেহেদী হাছান, শুকুরুল্লাহ ইমরান হোসেন, মোশাররফ রাসেল, সানী প্রমুখ।

নাঙ্গলকোটে স্ত্রী ও সন্তানকে শ্বশুরবাড়িতে রেখে শ্যালিকাকে নিয়ে উধাও দুলাভাই

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে স্ত্রী ও ১৫ মাস বয়সি সন্তান রেখে শ্যালিকাকে নিয়ে দুলাভাই পালিয়ে যান। পরে এ ঘটনায় মামলা হলে দুলাভাইকে গ্রেফতার ও শ্যালিকাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। উপজেলা দৌলখাড় ইউনিয়নের ভোলাকোট গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

এ ঘটনায় রোববার নাঙ্গলকোট থানায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে ধর্ষণ মামলা দায়ের করলে পুলিশ আসামি বশির আহমেদকে ভোলাকোট গ্রাম থেকে গ্রেফতার করে।

জানা যায়, ২ বছর আগে উপজেলার মৌকরায় বিয়ে করেন ভোলাকোট গ্রামের মমিন মিয়ার ছেলে বশির আহমেদ (২৩)। তাদের সংসারে ১৫ মাস বয়সি আবির হোসেন নামে একপুত্র সন্তান রয়েছে। স্ত্রী ও সন্তানকে শ্বশুরবাড়ি রেখে ৮ ফেব্রুয়ারি দুলাভাই শ্যালিকাকে নিয়ে উধাও হয়ে যায়।

পরিবারের লোকজন বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। একপর্যায়ে জানা যায়, দুলাভাই শ্যালিকাকে নিয়ে পালিয়ে গেছে এবং তার সঙ্গে সংসার করছেন।

বশিরের স্ত্রী মনোয়ারা বেগম বলেন, তার স্বামী তার ছোট বোনকে নিয়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ড করেছেন। তিনি স্বামী বশিরের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। ১৫ মাস বয়সি ছেলে সন্তান আবির হোসেনকে নিয়ে বিপাকে রয়েছেন তিনি।

মামলার বাদী বলেন, বড় মেয়েকে তার কাছে বিয়ে দিয়েছেন। ওই খানে ১৫ মাস বয়সি একটি নাতি রয়েছে ও ১৭ বছর বয়সী ছোট মেয়েটিকে তিনি ধর্ষণ করেছেন। তার শাস্তির দাবি করছি।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাঙ্গলকোট থানার উপ-পরিদর্শক পলাশ বলেন, এ ব্যাপারে ধর্ষকের শ্বশুর বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলার আসামি বশির আহমদকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করেছি। ধর্ষিতাকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ থেকে নারীসহ ৩ মাদক কারবারি আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় মাদক পরিবহনের সময় নারীসহ ৩ মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

৫ মার্চ বিকালে উপজেলার সোয়াগাজী এলাকা থেকে ২৫ কেজি গাঁজাসহ তাদেরকে আটক করা হয়। এসময় মাদক পরিবহণের কাজে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কার জব্দ করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, দেবিদ্বার উপজেলার বেতুয়া গ্রামের মোঃ নজরুল ইসলামের ছেলে মোঃ সোহেল রানা (২৯), ঝালকাটি জেলার হাদিপুর গ্রামের মোঃ ইসমাইলের মেয়ে আন্তরা আক্তার সনিয়া (২২) এবং সিরাজগঞ্জ জেলার ধামকুল গ্রামের মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের ছেলে মোঃ বিদ্যুৎ খান (২৪)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত প্রাইভেটকার ব্যবহার করে কুমিল্লা, ঝালকাটি এবং সিরাজগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সোমবার (৬ ফ্রেব্রুয়ারি) কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

চৌদ্দগ্রামে ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণ, অগ্নিদগ্ধ হয়ে শিশুর মৃত্যু

 

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণে সৃষ্ট ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ইব্রাহিম খলিল (৫) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (৫ মার্চ) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় উপজেলার জয়মঙ্গলপুর গ্রামে সালেহ্ আহমেদের বসতঘরে ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরিত হয়ে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।

সে উপজেলার কাশিনগর ইউনিয়নের জয়মঙ্গলপুর গ্রামের সালেহ্ আহমেদের ছেলে।

জানা গেছে, ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরিত হয়ে অগ্নিকান্ডের সময় আগুনের লেলিহান শিখা দেখে ভয়ে ঘরে থাকা শিশু ইব্রাহিম খলিল খাটের নীচে লুকিয়ে পড়ে। এতে বসতঘরটি পুড়ে ছাঁই হয়ে যায় এবং অগ্নিদগ্ধ হয়ে শিশু ইব্রাহিম খলিল নিহত হয়। সংবাদ পেয়ে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার চৌয়ারা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে এবং শিশু ইব্রাহিমের মরদেহ উদ্ধার করে।

সোমবার দুপুরে তথ্যটি নিশ্চিত করে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার চৌয়ারা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের স্টেশন কর্মকর্তা মীর মোহাম্মদ মারুফ।

তিনি বলেন, ‘ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণ থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত ঘটে। অগ্নিকান্ডের সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। এ সময় খাটের নীচ থেকে পুড়ে যাওয়া শিশু ইব্রাহিম খলিলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আইনী প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

কুমিল্লায় পাসপোর্ট দালাল চক্রের মূলহোতাসহ আটক ২৪

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লায় পাসপোর্ট দালাল চক্রের মূলহোতাসহ ২৪ জনকে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৫ মার্চ সারাদিনব্যাপী কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে আটক করে র‌্যাব।

এসময় তাদের কাছ থেকে ২০ টি পাসপোর্ট, ১০৮টি ডেলিভারি স্লীপ, ২৯ টি জাতীয় পরিচয়পত্র, ১টি মোবাইল সেট, ৭টি বিভিন্ন সীল, ১টি প্যাড, নগদ ৪৩ হাজার টাকাসহ পাসপোর্ট সংক্রান্ত বিভিন্ন নথিপত্র উদ্ধার করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, পাসপোর্ট দালাল চক্রের মূলহোতা সদর দক্ষিণ উপজেলার শাকতলা গ্রামের সৈয়দ ফারুক আহম্মেদের ছেলে শাকিল আহম্মেদ সুজন (৩৮), বাগিচাগাঁও এলাকার মোঃ দেলোয়ার হোসেনের ছেলে মোঃ শাহাদাত হোসেন (২৭), একইসদর দক্ষিণ উপজেলার নোয়াপাড়া গ্রামের মৃত দুলু মিয়ার ছেলে মোঃ শরীফ (৩৪), একই গ্রামের মৃত সিরাজুল ইসলামের ছেলে মোঃ মাসুক (৫০), একই গ্রামের মোঃ আনিছুর রহমান @ সুমন খানের ছেলে মোঃ লিকন খান @ লিটন (২০), একই গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে ডালিম সরকার (২০), একই গ্রামের মোঃ শওকতের ছেলে মোঃ ইরফান (২৮),একই গ্রামের মৃত আলী আশ্রাফের ছেলে মোঃ শওকত আলী @ শওকত আকবর (৫৪), একই গ্রামের কবির হোসেনের ছেলে মোঃ ওজায়ের হোসেন সাকিব (২০), নতুন চৌধুরী পাড়ার মৃত আব্দুর মোন্নাফের ছেলে মোঃ দেলোয়ার হোসেন রোমান (৫২), মুরাদনগর উপজেলার কুরুইল গ্রামের মত আব্দুর রশিদের ছেলে আব্দুর রহিম (৩৭), মোরাপাড়া গ্রামের শাহিন মিয়ার ছেলে ইশান আহম্মেদ রাব্বি (২৩), চট্টগ্রাম জেলার মগধারা গ্রামের মোতাচ্ছের আহম্মদের ছেলে মুজিবুর রহমান (২১), বুড়িচং উপজেলার পীর যাত্রাপুর গ্রামের শাহিন মিয়ার ছেলে মোঃ সাইফুল ইসলাম (২০), কোতয়ালী মডেল থানার মৃত মাঈন উদ্দিনের ছেলে মোঃ শাফি (২৯), একই গ্রামের মোঃ আজাহারের ছেলে মোঃ তুহিন (২০), খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা থানার ব্রীজপাড়া গ্রামের আবু তাহের এর ছেলে মোঃ রুহুল আমিন রুবেল (৩০), কুমিল্লার ছোটরা গ্রামের মৃত মোশারফ হোসেনের ছেলে মোঃ মাজহারুল ইসলাম (২১), একই জেলার বুড়িচং উপজেলার পয়াত গ্রামের মৃত রুস্তম আলীর ছেলে আব্দুল হান্নান বাবুল (৫৩), একই গ্রামের আব্দুল হান্নানের ছেলে হাছিবুল হাসান জিমি (২৩), শিকারপুর গ্রামের মোঃ তোফাজ্জল হোসেনের ছেলে তানজিদ হাসান (২৭), দেবিদ্বার উপজেলার ওয়াহেদপুর গ্রামের মৃত রমিজ আহম্মেদ এর ছেলে মোঃ ইমরুল হাসান @ ইমরুল (৪০), বুড়িচং উপজেলার পীর যাত্রাপুর গ্রামের মৃত আব্দুর কাদের এর ছেলে মোঃ আবুল কালাম আজাদ (৫৫) এবং কালিকাপুর গ্রামের মৃত আব্দুর এর ছেলে মোঃ আব্দুল কাইয়ুম (৫২)।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ সকলেই পাসপোর্ট দালাল চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং তারা দীর্ঘদিন যাবৎ পাসপোর্ট তৈরী করে দেওয়ার নাম করে ভূক্তভোগী লোকজনের নিকট থেকে সরকার নির্ধারিত রেট এর অধিক বিপুল পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়ে আসছিল বলে স্বীকার করে। মূলতঃ তারা তিনটি গ্রুপে এই কার্যক্রম পরিচালনা করে। যার একটি গ্রুপ সাধারণ মানুষকে সহজভাবে পাসপোর্ট তৈরী করার নাম করে বিভিন্ন এজেন্টের নিকট নিয়ে আসে। এই এজেন্টের গ্রুপ ভুক্তভোগীদের অনলাইন আবেদন ও ব্যাংক ড্রাফট করে দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত সময়ে পাসপোর্ট দিবে বলে ডেলিভারি স্লীপ নিজেদের নিকট রেখে দেয়। অপর গ্রুপ বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে পাসপোর্ট ডেলিভারি করার নির্দিষ্ট তারিখ নিধারণ করে। এভাবেই তাদের কাছে টাকা জমা দিলে তারা বিভিন্নভাবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জালিয়াতি মাধ্যমে প্রস্তুত করে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে পাসপোর্ট অফিস থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করার ব্যবস্থা করে আসছিল বলে জানায়।

উক্ত বিষয়ে কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

সোমবার (৬ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

 

কুমিল্লার প্রবীণ নেতা আফজল খানের পুত্র ইমরান খান আর নেই

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার এক সময়ের প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা প্রয়াত অধ্যক্ষ আফজল খানের ছেলে মাসুদ পারভেজ খান ইমরান আর নেই।

নগরীর ঠাকুরপাড়ার বাসায় ঘুমের মধ্যে তিনি মারা গেছেন। সোমবার দুপুরে তার বোন সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্য আঞ্জুম সুলতানা সীমা এ তথ্য জানান।

ইমরানের বয়স হয়েছিল ৪৯ বছর। তিনি কুমিল্লা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি ও এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক ছিলেন। স্ত্রী ও দুই ছেলেকে রেখে গেছেন তিনি।

ইমরান আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা উপ-কমিটির সাবেক সদস্য।

কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি আঞ্জুম সুলতানা বলেন, ‌ইমরান বাসায় ঘুমাচ্ছিলেন। দুপুর হয়ে গেলেও তিনি না উঠায় পরিবারের সদস্যরা ডাকতে যান। তখন তার কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। দ্রুত তাকে নগরীর ঝাউতলা এলাকার মুন হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।

চিকিৎসকদের ধারণা, ইমরান ভোররাতে বা সকালের দিকে ঘুমের মধ্যে মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণে মারা গেছেন।

ইমরানের জানাজা আজ রাত ৯টায় জেলা টাউন হল ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাকে ঠাকুরপাড়া কবরস্থানে শায়িত করা হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য ইমরান সবশেষ গত বছরের ১৫ জুন অনুষ্ঠিত কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা করেছিলেন। কিন্তু পরে দলীয় সিদ্ধান্তে ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি।

এর আগে ২০১৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা সদর আসন থেকে দলের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে ভোট করে পরাজিত হন ইমরান।

প্রয়াত অধ্যক্ষ আফজল খানের এক মেয়ে ও তিন ছেলের মধ্যে ইমরান ছিলেন দ্বিতীয়। সংসদ সদস্য আঞ্জুম সুলতানা সবার বড়।

 

পরীক্ষায় বসতে পারেননি কুবির ৪ শিক্ষার্থী

কুবি প্রতিনিধিঃ

নির্দিষ্ট একটি কোর্সে মোট ক্লাসের ৪০ শতংশের কম উপস্থিতি থাকায় স্নাতকোত্তর চূড়ান্ত সেমিস্টারের পরীক্ষায় বসতে পারেননি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) লোক প্রশাসন বিভাগের চার শিক্ষার্থী।

রোববার ওই বিভাগের স্নাতকোত্তর ২০২০-’২১ শিক্ষাবর্ষের চূড়ান্ত পরীক্ষা শুরু হয়েছে। শুধুমাত্র উপস্থিতির কারণে পরীক্ষায় বসতে না দেওয়ার নিয়মের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী কোনো শিক্ষার্থী কোনো কোর্সের মোট ক্লাসে ৪০ শতাংশের কম উপস্থিতি থাকলে ওই শিক্ষার্থী সেমিস্টার চূড়ান্ত পরীক্ষায় বসতে পারবেন না। এক্ষেত্রে সাধারণত পরবর্তী শিক্ষাবর্ষের সাথে পরীক্ষা দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। শুধুমাত্র উপস্থিতির কারণেই শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে একটি বছর বাদ পড়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই চার শিক্ষার্থী ২য় সেমিস্টারের অন্য সকল কোর্সে উপস্থিতির শর্ত পূরণ করতে পারলেও ‘গভর্নেন্স ইস্যুস অ্যান্ড প্রবলেমস ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক কোর্সে তা পূরণ করতে পারেননি। ওই কোর্সের ক্লাস নিতেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. রুহুল আমীন। ভুক্তভোগীদের একজন মাতৃত্বপরবর্তী জটিলতার কারণে ক্লাস করতে পারেননি। তিনি এ বিষয়ে আগে থেকেই বিভাগে চিঠি দিয়ে রেখেছিলেন বলে দাবি করেন। এক শিক্ষার্থীর মা ও আরেক শিক্ষার্থী নিজে অসুস্থ ছিলেন। উভয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থাপত্রসহ অন্যান্য প্রমাণাদি বিভাগীয় কর্তৃপক্ষকে দেখিয়েছেন। অপরজন চাকরিতে যোগদান করায় সকল ক্লাস করতে পারেননি। তাঁরা যথাক্রমে ওই কোর্সে ২০, ৩৫, ৩৫ ও ১০ শতাংশ করে ক্লাসে উপস্থিত ছিলেন। তবে এতসবের পরও নিয়মের বেড়াজালের কারণে তাঁদেরকে পরীক্ষায় বসতে দেয়নি বিভাগের একাডেমিক কমিটি। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিভাগের একাডেমিক কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এরপর পরীক্ষায় বসতে চাওয়ার অনুমতি চেয়ে শিক্ষার্থীদের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিভাগের একাধিক শিক্ষক মানবিক বিষয় বিবেচনা করে তাঁদেরকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়ার পক্ষে মত দিলে রোববার পরীক্ষা শুরুর দু’ঘন্টা আগে আবারও একাডেমিক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সে সভায়ও তাঁদেরকে পরীক্ষায় বসতে না দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়।

ওই চার শিক্ষার্থীর একজন বলেন, বিভাগ থেকে তাদেরকে অফিসিয়ালি কিছুই জানানো হয়নি। তারা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য ফর্মও পূরণ করেছে। এরপর বিভাগীয় কর্তৃপক্ষের একজনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের বিষয়ে জানতে পেরে তারা শিক্ষকদেরকে অনুরোধ করলে শিক্ষকরা তাঁদেরকে পরীক্ষায় বসতে দেবেন বলে আশ্বস্ত করলেও পরীক্ষা দিতে এসে তাঁরা প্রত্যাখ্যাত হোন।

উপস্থিতির শর্তের বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। নিয়মটির বিষয়ে প্রায় সময়ই তাঁরা সমালোচনা করে আসছেন। রায়হান খান নামে গণিত বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, অনেক শিক্ষক একটি ক্লাসেই একাধিক উপস্থিতি দিয়ে থাকেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে উপস্থিতির ওপর নম্বর দেওয়ার সংস্কৃতি বাদ দেওয়া প্রয়োজন। শিক্ষকের ক্লাস কোনো শিক্ষার্থীর ভালো না লাগলে সে কেন যাবে। একজন ‘খারাপ’ শিক্ষার্থী শুধুমাত্র ক্লাস করে ৫ বা ১০ নম্বর পেয়ে যাচ্ছেন; আর ‘ভালো’ শিক্ষার্থী ক্লাস না করার কারণে শুণ্য পাচ্ছে। শেষ পর্যন্ত অনেকে পরীক্ষায়ই বসতে পারে না। এ নিয়ম বদলানো এখন সময়ের দাবি।

ওবায়দুল্লাহ নামে আরেক শিক্ষার্থী বলেন, স্নাতকোত্তরে পরীক্ষা বসতে না দেওয়া মানে এক বছর বাদ হয়ে যাওয়া। ঠুনকো এসব অজুহাতে পরীক্ষা নিতে দেয় না। অথচ শিক্ষকরা নিজেদের বেলা্য় আইনের তোয়াক্কা করেন না।

এ বিষয়ে একজন অধ্যাপকের সাথে কথা বলতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিতির বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে শিক্ষার্থীদেরকে ক্লাসমুখী করার জন্য। অনেক শিক্ষকই ভালো ক্লাস নিতে পারেন না। উপস্থিতির শর্ত না থাকলে তাঁদের ক্লাসে শিক্ষার্থী খুঁজে পাওয়া যেত না। আধুনিক সময়ে এসে এ নিয়ম পরিবর্তন প্রয়োজন।

এদিকে শিক্ষার্থীদের বেলায় আইনের যথাযথ প্রয়োগ ঘটালেও শিক্ষকদের বেলায় পুরোপুরো বিপরীত। নিয়মানুযায়ী পরীক্ষা শুরুর এক সপ্তাহ আগেই অ্যাকাডেমি সংক্রান্ত সকল বিষয় থেকে ছুটি দিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে পরীক্ষার জন্য প্রস্ততির সুযোগ দেওয়া হবে। তবে, যে শিক্ষকের কোর্সে শিক্ষার্থীরা উপস্থিতির শর্ত পূরণ করতে পারেননি, ওই শিক্ষকই এখন পর্যন্ত প্রেজেন্টেশন নেননি বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া, পরীক্ষা শুরুর পাঁচদিন পূর্বেও তিনি মিডটার্ম নিয়েছেন। একদিন পর অন্য আরেক শিক্ষকও মিডটার্ম পরীক্ষা নিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা বলছেন, ‘নিয়ম শুধু শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রেই মানা হয়। শিক্ষকরা আইনের উর্ধ্বে।’

নিয়মানুযায়ী এক সপ্তাহ পূর্বেই ইনকোর্সের ফলাফল প্রকাশ করারও কথা রয়েছে। তবে পরীক্ষা শুরু হয়ে গেলেও ওই কোর্সসহ আরও একটি কোর্সের ফল এখনো পাননি লোক প্রশাসন বিভাগের ওই শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে পরীক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. রশিদুল ইসলাম শেখ বলেন, দুইটা কোর্সের ফলাফল এখনো আমার হাতে আসেনি। এছাড়া সংশ্লিষ্ট সকল কোর্স শিক্ষকরা চূড়ান্ত পরীক্ষা নিতে কোনো সমস্যা নেই জানানোয় আমরা পরীক্ষা নিয়েছি।

আবার ৪ ক্রেডিটের একটি কোর্সে শ্রেণি সময়সীমাভেদে ন্যূনতম ২৮ থেকে ৩৭ টি ক্লাস নেওয়ার কথা থাকলেও অনেক শিক্ষকই সমপরিমাণ ক্লাস নেন না। ওই শিক্ষকও এর বাইরে যাননি। তিনি ওই কোর্সে ২০ টি ক্লাস নিয়েছিলেন। ওই চার শিক্ষার্থীর দুইজন দাবি করছেন, আর একটি মাত্র ক্লাস নিলেই তাঁদের উপস্থিতির শর্ত পূরণ হয়ে যেত। তবে কোর্স শিক্ষক স্বল্প ক্লাস নিয়েই উপস্থিতির হিসেব করেছেন।

এসব বিষয়ে কোর্স শিক্ষক ড. মো. রুহুল আমীন বলেন, এখানে আমার কোনো হাত নেই। এটা একাডেমিক কমিটির সিদ্ধান্ত। আমি একক কোনো সিদ্ধান্ত দেইনি।

বিভাগীয় প্রধান ড. মোসা. শামছুন্নাহারের মুঠোফোনে একাধিকবার কল ও খুদেবার্তা পঠিয়েও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এক পর্যায়ে তার মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

কুবিতে ছাত্রলীগ নেত্রীর বিরুদ্ধে হল প্রাধ্যক্ষকে শাসানোর অভিযোগ

 

কুবি প্রতিনিধিঃ

‘এই হল আমার, আমার কথাতেই হল চলবে। যাকে যেখানে খুশি সিট বরাদ্দ দেব। আপনাকে এই হলের দায়িত্ব কে দিয়েছে?’- কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শেখ হাসিনা হলের প্রভোস্ট সাহেদুর রহমানকে উদ্দেশ্য করে এই মন্তব্য ওই হলের ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী ফাইজা মেহজাবিনের।

শনিবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে শেখ হাসিনা হলের এক শিক্ষার্থীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে হল পরিদর্শনে এসে সমস্যা সমাধানে ফাইজার সাথে কথা বলতে গেলে সে এমন মন্তব্য করেন বলে জানা যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রমতে জানা যায়, শেখ হাসিনা হলের ২১৪ নম্বর রুমের আবাসিক শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি বিভাগের ১২ তম আবর্তনের প্রেয়শী সানা অন্য রুমে স্থানান্তর হওয়ার জন্য হল প্রভোস্ট বরাবর আবেদন করলে তাকে ২১৬ নম্বর রুমের একটি সিটে এলটমেন্ট দেয়া হয়। কিন্তু রুম স্থানান্তর করতে গিয়ে প্রেয়শী তার নতুন সীটে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ১১ তম আবর্তনের রায়হানা আনজুম মিম নামে এক শিক্ষার্থীকে অবস্থান করতে দেখেন। ঘটনা সমাধানের জন্য হল প্রভোস্টকে ফোন দিলে হল প্রভোস্ট সাহেদুর রহমান হলে এসে ১১ তম আবর্তনের শিক্ষার্থীকে এখানে অবস্থানের কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি কাজী ফাইজা মেহজাবিনের নাম বলেন।

সেই সূত্র ধরে লোক প্রশাসন বিভাগের স্নাতকোত্তরের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও হল শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি কাজী ফাইজা মেহজাবিনকে এই ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলে প্রভোস্টকে উদ্দেশ্য করে তিনি উপরোল্লিখিত মন্তব্য করেন ।

এ সময় হলে অবস্থারত শিক্ষার্থীদের মধ্যে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, ফাইজার এমন আচরণ নতুন কিছু না। সে একজন শিক্ষক সম্পর্কে যদি এমন মন্তব্য করতে পারে, তাহলে ভাবুন আমাদের সাথে কী ধরনের আচরণ করে থাকে! প্রতিদিন সকাল বেলা তার চিল্লাচিল্লিতে আমাদের ঘুম ভাঙে। হলে অবস্থানরত সকল শিক্ষার্থী তার প্রতি বিরক্ত। কিন্তু ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারে না।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা উক্ত হলের হাউজ টিউটর মো. আল আমিন বলেন, ‘হল প্রভোস্টের সাথে ফাইজার আচরণ শিক্ষার্থী সুলভ নয়।’

এ ব্যাপারে কাজী ফাইজা মেহজাবিন বলেন,’স্যারকে এই ধরনের কোন কথা বলিনি। কথা প্রসঙ্গে বলেছিলাম, এই হল তো আমারও।’

এ ব্যাপারে হল প্রভোস্ট সাহেদুর রহমান বলেন,’হলে কোন শিক্ষার্থী উঠবে আর কোন শিক্ষার্থী উঠবে না, এই এখতিয়ার সম্পূর্ণ হল প্রসাশনের। একজন শিক্ষার্থী তো এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে যে হল সংস্কৃতি আমরা তৈরি করতে চাচ্ছি তা শুধুমাত্র সম্ভব হচ্ছে না ফাইজার জন্য।’

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত বছরের ৩১ জুলাই শেখ হাসিনা হলের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনের আগে শেখ হাসিনা হলে উঠতে আগ্রহী শিক্ষার্থীদের ভাইবা নিয়ে সিটে উঠানো হয়। কিন্তু হল উদ্বোধনের পর থেকেই ফাইজা নিজের খেয়াল খুশিমতো সিট বদল করতে থাকেন। এছাড়া বরাদ্ধকৃত সিটে না উঠতে হুমকি দেয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে সেই সকল সিটে নিজের খেয়ালখুশি মতো শিক্ষার্থী তোলার ঘটনা রয়েছে। শুধু তাই নয় হলে অবস্থান করা শিক্ষার্থীরা রাত ৯ টার পর হলের বারান্দায় দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারবে না, হল গেটে শিক্ষার্থীদের কেউ এগিয়ে দিতে পারবে না সহ নানা ধরনের নিয়ম তিনি সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর চাপিয়ে দিয়েছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, আমাদের হল প্রশাসন সিট দিয়েছে। কিন্তু ফাইজার কথা হচ্ছে সেই সিট বাঁচিয়ে রাখতে গেলে নাকি ছাত্রলীগ করতে হবে! যারা রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত না তাদের সিট নিয়ে সে বরাবর ঝামেলা করে।

এ ব্যাপারে কাজী ফাইজা মেহজাবিন বলেন, আমি এরকম কিছুই করি নাই। হলের সিটে এলটমেন্ট তো আমি দেই না। হলে প্রশাসন দেয়। আমাদের হলে অবৈধ কিছু হয় না।

হল প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, শেখ হাসিনা হল উদ্বোধনের সাত মাস পেরিয়ে গেলেও প্রথম আসন বরাদ্দের লিস্টে নাম আসা শিক্ষার্থীদের মধ্যে শুধু কাজী ফাইজা মেহজাবিন তার হল ফি ১,২৫০ টাকা হল প্রশাসনকে বুঝিয়ে দেয়নি। বিষয়টি হল প্রসাশনের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছেন।

এ ব্যাপারে হল প্রভোস্ট মো. সাহেদুর রহমান বলেন, সবাই দিলেও সে হল প্রশাসনকে এই টাকা বুঝিয়ে দেয়নি। আমি বেশ কয়েকবার বলেছি কিন্তু সে নানা অজুহাতে দেখায়। নিয়ম অনুযায়ী তার সিট বাতিল হওয়ার কথা। আমি তার সাথে এই ব্যাপারে সামনে কথা বলবো। হল প্রশাসনকে টাকা বুঝিয়ে না দিলে আমি তার সিট বাতিল করার প্রক্রিয়ার দিকে আগাব।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, হল চালাবে প্রশাসন। এই বিষয়ে শিক্ষার্থীদের হস্তক্ষেপ গ্রহণযোগ্য হবে না। আমি বিষয়টা অবগত হয়েছি। বিষয়টি আলোচনা দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ বলেন, তাকে (ফাইজা মেহজাবিন) দায়িত্ব দিয়েছি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে সাধারণ মেয়েদের সমস্যা সমাধান করার জন্য। সে যদি ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে অন্যায় কিছু করে থাকে, আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব। তবে ছাত্রলীগের হল ইউনিটের সভাপতি হিসেবে সে কোনো শিক্ষার্থীকে সিটে উঠাতেই পারে।

শেখ হাসিনা হল ছাড়াও অন্যান্য শিক্ষার্থীদের সাথেও খারাপ ব্যবহারের অভিযোগ রুয়েছে কাজী ফাইজা মেহজাবà