All posts by jitu

বিশ্বকাপের সেরা তরুণ ফুটবলার এনজো ফার্নান্দেজ

স্পোর্টস ডেস্ক:

বিশ্বকাপের শুরুতে তাকে কেউ আমলেই নেয়নি। প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের বিপক্ষে হারের পর কোচ লিওনেল স্কালোনি যেন তার আসল তুরুপের তাস এনজোকে বের করে আনেন। গ্রুপ পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচ থেকে শুরু করে বিশ্বকাপের পরবর্তী সবগুলো ম্যাচে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডের অতন্দ্র প্রহরী ছিলেন এই বেনফিকার ফুটবলার।

বিশ্বকাপ দুর্দান্ত পারফর্ম করে জয় করলেন বিশ্বকাপের সেরা ইয়াং ফুটবলারের ট্রফি। মেক্সিকোর বিপক্ষে দুর্দান্ত একটি গোলও করেছিলেন এনজো। মাঝমাঠে ফ্রান্সকে প্রথম দিকে আটকে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এনজো। টুর্নামেন্টের ইয়াং ফুটবলার হওয়ার পথে তিনি অন্য অনেককে হারিয়েছেন।

গোল্ডেন গ্লাভস পেলেন শেষের নায়ক মার্টিনেজ

স্পোর্টস ডেস্ক:

টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জেতানোর নায়ক  গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। পেলেন টুর্ণামেন্ট সেরা  গোল্ডেন গ্লাভস ।

কিংসলে কোম্যানের পেনাল্টিটি ঠেকিয়েই তিনি আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে আসেন। এরপর অরিলিয়েন চুয়ামেনি যে শটটি নিয়েছিলেন মার্টিনেজকে ঠেকানোর জন্য সেটি হয়ে গেলো মিস।

সুতরাং, নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালের মত ফাইনালেও আর্জেন্টিনার জয়ের শেষ মুহূর্তের নায়কে পরিণত হলেন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

গোল্ডেন বল পেলেন মেসি

 

স্পোর্টস ডেস্ক:

২০১৪ বিশ্বকাপেও টুর্নামেন্টের সেরা ফুটবলারের পুরস্কার গোল্ডেন বল জিতেছিলেন লিওনেল মেসি। কিন্তু সেবার থাকতে হয়েছে পরাজিতের দলে। ৮ বছর পর ২০২২ সালে এসে বিশ্বকাপটাই জিতে নিলেন তিনি। সে সঙ্গে আবারও জিতলেন গোল্ডেন বল। ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে দ্বিতীয়বার গোল্ডেন বল উঠলো মেসির হাতে।

আরেকটি বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলেছেন আর্জেন্টিনাকে। এবার আর স্বপ্নভঙ্গ নয়। বিশ্বকাপ জিতেই সব আক্ষেপ ঘুচিয়েছেন লিওনেল মেসি। স্মরণীয় কাতার বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘গোল্ডেন বল’ জিতেছেন সাতবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই ফুটবলার।

এবারের বিশ্বকাপে ৭ গোল করা ৩৫ বছর বয়সী মেসি এ নিয়ে দ্বিতীয়বার গোল্ডেন বল জিতলেন। ২০১৪ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপের ফাইনালে জার্মানির কাছে হেরে স্বপ্ন ভাঙলেও টুর্নামেন্টসেরা খেলোয়াড় হয়েছিলেন মেসি। এ নিয়ে ইতিহাসে তৃতীয়বার আর্জেন্টিনার কোনো খেলোয়াড় গোল্ডেন বল জিতলেন। ১৯৮২ সালে এই পুরস্কার চালু হওয়ার পর ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ের নায়ক ডিয়েগো ম্যারাডোনা জিতেছিলেন এই পুরস্কার।

মহানায়ক মেসির হাতে বিশ্বকাপ

স্পোর্টস ডেস্ক:

মন্টিয়েল পেনাল্টি থেকে যখন গোলটি দিলেন বুয়েন্স আয়ার্সে তখন বিকেল। সেই বিকেলের সূর্য আর্জেন্টিনায় ডুবলেও উঠেছে সারা বিশ্বে, বিশ্ব ফুটবলে। আর্জেন্টিনা আবারও বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন। ৩৬ বছর পর চ্যাম্পিয়ন হলো আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপের ফাইনালে ফ্রান্সকে টাইব্রেকারে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপের মুকুট পড়লো আর্জেন্টিনা। মেসি পেলেন তার সেই অধরা ট্রফিটি।

প্রথমার্ধের ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেও এমবাপের দুই মিনিটের ম্যাজিকে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ২-২ এ সমতায় থেকে নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ করে ফ্রান্স৷ অতিরিক্ত সময়েও চলে নাটক। এবার মেসির গোলে আর্জেন্টিনা এগিয়ে গেলেও এমবাপে গোল করলে ৩-৩ সমতায় থেকে টাইব্রেকারে যায় ম্যাচ। সেখানেই জয় লাভ করে আর্জেন্টিনা।

শুরুটা আর্জেন্টিনা করেছিল দুর্দান্ত। ম্যাচের ৪ মিনিটে ডি পল এবং আলভারেজের দারুণ বোঝাপড়ায় ডি পলের বাড়ানো বলে আলভারেজ শট নিলেও রেফারি অফসাইডের সিদ্ধান্ত দেন। ৬ মিনিটে ম্যাক এলিস্টারের দূরপাল্লার শট সোজা তালুবন্দি করেন ফ্রেঞ্চ গোলরক্ষক লরিস। এর ঠিক ২ মিনিট পর আবারও আক্রমণ করে আর্জেন্টিনা।

 

এবার ডি পল ডি বক্সের বাইরে থেকে জোড়ালো শট নিলে ফ্রেঞ্চ ডিফেন্ডার ভারানের পায়ে লেগে বল বাইরে চলে গেলে কর্নার পায় আর্জেন্টিনা। অবশ্য সেই কর্নার কাজে লাগাতে পারেননি আলবিসেলেস্তারা। ১৬ মিনিটে আবারও গোলের সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। এবার ডি পলের ডান পাশ থেকে বাড়ানো ক্রসে ডি মারিয়ার ডান পায়ের শট চলে যায় গোলবারের অনেক উপর দিয়ে।

ম্যাচের ২১ মিনিটের মাথায় ডি মারিয়াকে ডি বক্সের ভেতর ফাউল করে বসেন ডেম্বেলে। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন। স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে দিলেন মেসি। বিশ্বকাপে এটি তার ৬ষ্ঠ গোল।

পুরো মাঝমাঠেই যেন ফ্রান্সকে আটকে রাখে আর্জেন্টিনা। বল দখলে আর্জেন্টিনার ধারে কাছেও ছিল না বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ৩৭ মিনিটে আর্জেন্টিনার দুর্দান্ত কাউন্টার এটাকে খেই হারিয়ে ফেলে ফ্রান্স। মাঝমাঠ থেকে মেসির পাস থেকে আলভারেজ বল পেলে সেটি বাড়ান ম্যাকএলিস্টারের উদ্দেশ্যে, দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে তিনি বল দেন ডি মারিয়াকে। তিনি আর মিস করলেন না।

 

কোপা আমেরিকার ফাইনাল, ফিনালিসিমার পর আরও একটি ফাইনালে গোল করলেন এই জুভেন্টাস তারকা। দুই গোলে পিছিয়ে থেকে প্রথমার্ধেই জিরু ও ডেম্বেলেকে পাল্টে ফেলেন ফ্রান্স কোচ। তবুও তাদের ভাগ্যের চাকা ফেরেনি। শেষ পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা।

ম্যাচের ৫১ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। কিন্তু ডি বলের ডিবক্সের ভেতর থেকে নেওয়া দুর্দান্ত ভলি সোজা লরিসের হাতে গিয়ে পড়ে। ৬০ মিনিটে আবারো সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা। বাম পাশ থেকে আলভারেজের নেওয়া শট দারুণভাবে সেভ করেন লরিস।

ম্যাচ যখন শেষের দিকে যাচ্ছে ঠিক সে সময়েই যেন জ্বলে ওঠেন এমবাপে। মাত্র ৯৭ সেকেন্ডের ব্যবধানে আর্জেন্টিনার স্বপ্ন ধূলিসাৎ করে দেন এই পিএসজি তারকা। ৭৮ মিনিটে কুলো মুয়ানিকে ডি বক্সের ভেতর ফাউল করে বসেন ওতামেন্দি। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান।

 

স্পট কিক থেকে বিশ্বকাপে নিজের ৬ষ্ঠ গোলটি করেন এমবাপে। এই গোলের রেশ কাটতে না কাটতেই আবারও গোল করে এমবাপে। ৮১ মিনিটে এমবাপের দুর্দান্ত ভলিতে গোল করে দলকে ২-২ এ সমতায় ফেরান এই পিএসজি তারকা। দুই গোল দিয়ে যেন আরো উজ্জীবিত হয়ে খেলতে থাকে ফ্রান্স।

৯৬ মিনিটে কামাভিঙ্গার শট দারুণভাবে সেভ করেন এমি মার্টিনেজ। এর ঠিক এক মিনিট পর ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে মেসির দূর পাল্লার বুলেট গতির শট হুগো লরিস ঝাপিয়ে পড়ে কর্নারের বিনিময়ে রক্ষা করেন। এর কিছুক্ষণ পর রেফারি বাঁশি বাজালে ২-২ সমতায় থেকেই শেষ হয় নির্ধারিত সময়ের খেলা।

অতিরিক্ত সময়ের ম্যাচের ১০৮ মিনিটের মাথায় দুর্দান্ত এক কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গোল করে দলকে ৩-২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন মেসি। এটি বিশ্বকাপে তার ৭ম গোল। মেসির এই গোলের রেশ না কাটতে কাটতে এমবাপের আবার গোল। বিশ্বকাপের ফাইনালে হ্যাটট্রিক করে দলকে ৩-৩ সমতায় এনে টাইব্রেকারে নিয়ে যান এই তারকা।

ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। টাইব্রেকারে আবারও দলকে রক্ষা করলেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। এবার তিনি বিশ্বকাপ এনে দিলেন। স্পট কিক থেকে ফ্রান্সের কোম্যানের পেনাল্টি রুখে দেন মার্টিনেজ এবং চুয়ামেনি মারেন গোলবারের বাইরে দিয়ে। অন্যদিকে চারটি স্পট কিক থেকে চারটিতেই গোল করে ফ্রান্সকে ৪-২ গোলের ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতলো আর্জেন্টিনা।

ফাইনালের একাদশ সাজালেন ডি মারিয়াকে নিয়েই

স্পোর্টস ডেস্ক:

নকআউট পর্বে এসে অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়াকে প্রায়ই সাইড লাইনে বসিয়ে রেখেছিলেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। মূলত ইনজুরি শঙ্কা থেকেই ডি মারিয়াকে মাঠে নামাতে পারেননি।

আবার ডি মারিয়া হচ্ছেন এমন এক খেলোয়াড়, যিনি কঠিন যে কোনো মুহূর্তে গোল আদায় করে নিতে পারেন। অতীতেও বেশ কয়েকবার প্রমাণ হয়েছে এটা। গত বছর কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্রাজিলের বিপক্ষে ডি মারিয়ার গোলেই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো আর্জেন্টিনা। বলা হয়ে থাকে, ২০১৪ বিশ্বকাপের ফাইনালে যদি তিনি খেলতে পারতেন, তাহলে চ্যাম্পিয়ন হতো মেসিরাই।

সেই ডি মারিয়া ফাইনালের ঠিক আগ মুহূর্তে ঘোষণা দিয়েছেন, আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে এটাই তার শেষ ম্যাচ। সুতরাং, কোচ লিওনেল স্কালোনি ফাইনালকে সামনে রেখে সর্বোচ্চ ঝুঁকিটা নিতে সাহস পেলেন। ঝুঁকি নেয়ার জন্য তো এর চেয়ে আর ভালো কোনো মুহূর্ত হয় না। ডি মারিয়াকে তাই একেবারে শুরুর একাদশেই রাখলেন বিশ্বকাপের ফাইনালে।

আর কিছুক্ষণ পরই শিরোপা লড়াইয়ে ফ্রান্সের বিপক্ষে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা। সেমিফাইনালের একাদশ থেকে ফাইনালের একাদশে দুটি পরিবর্তন এনেছে আর্জেন্টিনা কোচও। লিয়ান্দ্রো পেরেদেসের পরিবর্তে নামছেন ডি মারিয়া। আর নিকোলাস তালিয়াফিকোর পরিবর্তে মাঠে নামছেন মার্কোস আকুনা।

আর্জেন্টিনাও খেলতে নামছে ৪-৩-৩ ফরমেশন নিয়ে। অর্থ্যা, আক্রমণে মেসি, আলভারেজের সঙ্গে ডি মারিয়া। মিডফিল্ডে রদ্রিগো ডি পল, ম্যাক অ্যালিস্টার এবং এনজো ফার্নান্দেজ। ডিফেন্সে নাহুয়েল মোলিনা, নিকোলাস ওতামেন্দি, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো এবং মার্কোস আকুনা। পোস্টের নিচে রয়েছেন হিমালয় সমান- এমিলিয়ানো মার্টিনেজ।

দেখে নিন ফাইনালে আর্জেন্টিনা একাদশ: (ফরমেশন: ৪-৩-৩)

এমিলিয়ানো মার্টিনেজ, নাহুয়েল মোলিনা, নিকোলাস ওতামেন্দি, ক্রিশ্চিয়ান রোমেরো, মার্কোস আকুনা, রদ্রিগো ডি পল, ম্যাক অ্যালিস্টার, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যাঞ্জেল ডি মারিয়া, লিওনেল মেসি, হুলিয়ান আলভারেজ।

কোচ: লিওনেল স্কালোনি।

কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘সাদিও মানে’ দল ২-১ গোলে ‘জামাল ভূইয়া’ দলকে হারাল

স্টাফ রিপোর্টার:

“সুস্থ দেহে সুন্দর মন” এ শ্লোগানকে সামনে রেখে ১৬ ডিসেম্বর সামরিক ভূমি ও ক্যান্টনমেন্ট অধিদপ্তরের আওতাধীন কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড পরিচালিত কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড বালক উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মহান বিজয় দিবস আন্তঃহাউস ফুটবল প্রতিযোগিতা -২০২২ উপলক্ষে সিনিয়র গ্রুপের ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

  

উক্ত ফুটবল খেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের  প্রধান শিক্ষক মোঃ আনোয়ার সাইদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মনোয়ারা সুলতানা।

খেলার শুরুতে প্রধান শিক্ষক তাঁর বক্তব্যে বলেন–“আজ মহান বিজয় দিবস, আজকের এই দিনে এই দেশের দামাল ছেলেরা মুক্তিযুদ্ধ করে অত্যাধুনিক একটি বাহিনীকে পরাজিত করেছিল। সে ইতিহাস তোমরা জান? পাকিস্তানের সেই দূর্দান্ত প্রতাবশালী বাহিনী আমাদের দেশের এই দামাল ছেলেদের হাতে পরাজিত হয়, সুতরাং সব জায়গাই জয় পরাজয় আছে। ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পাকিস্তানের ৯১,৬৩৪ জন সোলজার মাথা নিচু করে সম্মিলিত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল। আজকের দিনটি আমাদের অনেক আনন্দের, বিজয়ের এবং গৌরবের । আমরা বিশ্বাস করি যে,আমাদের দামাল ছেলেরা জাতির দূর্দিনে যখন প্রয়োজন হবে, তখনই আবার এগিয়ে আসবে। আজকের ফাইনাল পর্বের খেলোয়াড়দের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি। এখানে শুধু নবম -দশম শ্রেণির খেলা এই মানসিকতা পরিহার করতে হবে। এই খেলার মধ্যমে দুটি দলের ভিতরে বন্ধুত্বপুর্ণ মনোভাব তৈরি করো। এ জন্যই আমি দশম শ্রেণির ছেলেদেরকে বলবো, তোমাদের সাথে ছোট ভাইয়েরা খেলবে, এখানে আমরা দশম শ্রেণিতে পড়ি এটা কোনো বিষয় না,বিষয়টা হচ্ছে আমরা ফ্রেন্ডশীপ ম্যাচ খেলছি। আমি চাই, তোমরা একটি ভালো খেলা উপহার দিয়ে আমাদেরকে আনন্দ দিবে, অখেলোয়াড় সুলভ আচরণ থেকে বিরত থাকবে। জয়-পরাজয় থাকবেই। ব্রাজিল বিশ্বকাপে হেরে গেছে, তার মানে এই না ব্রাজিল ভবিষ্যতে আর খেলবে না, বিষয়টি কি তাই?” দলের সদস্যরা না না উচ্চারণ করে। ব্রাজিল আবার ও খেলবে। খেলাধুলা মানসিক বিকাশ ও সামাজিক গুণাবলি অর্জনে সহায়তা করে। তোমরা নিয়মিত খেলাধুলা করবে।

সিনিয়র গ্রুপের ১৮ টি দলের নক আউট পদ্ধতিতে ফিকশ্চার হয়। প্রধান শিক্ষক  ফাইনাল ম্যাচের রেফারি হিসেবে খেলা পরিচালনা করার নির্দেশ দেন বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক (শারীরিক শিক্ষা) মোঃ মাইনউদ্দিন সরকারকে। ৩০+১০+৩০ = ৭০ মিনিটের ফুটবল খেলায় ‘সাদিও মানে’ দল ‘জামাল ভূইয়া’ দলকে ২-১ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে। খেলা শেষে খেলোয়াড়দের মাঝে কাপ, মেডেল ও সনদ বিতরণ করেন বিশেষ অতিথি। পরিশেষে বিদ্যালয় মাঠে চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ দলের সদস্যরা এক আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি করে। ]

ফুটবল জাদুকরের হাতেই উঠুক সোনালি ট্রফি

 

স্পোর্টস ডেস্ক:

ইশ, লিওনেল মেসিকে যদি একটু ছুঁয়ে দেখতে পারতাম! মেসি যদি একবার গায়ে হাতটা বুলিয়ে দিতেন! বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তার কোটি কোটি ভক্তের কাছে এ এক পরম স্বপ্ন, জনম জনমের আকাঙ্খা। মেসির হাতের ছোঁয়া পাওয়ার তেমন আকুতি কি নেই বিশ্বকাপ ট্রফিটারও!

একটা কথা প্রচলিত আছে, মেসি বিশ্বকাপ না জিতলে সেটা মেসির ব্যর্থতা হবে না, ব্যর্থতা হবে বিশ্বকাপ ট্রফিটারই। কথাটা কতটুকু ঠিক কিংবা ভুল, সেই তর্ক পরের। লিওনেল মেসি যে ফুটবল ইতিহাসের সর্বকালের সেরাদের একজন, সেটি নিয়ে তর্ক করবেন না ফুটবল বুঝনেওয়ালা কোনো মানুষ। মেসিকে বাদ দিয়ে কি ফুটবলের ইতিহাস লেখা সম্ভব?

স্বপ্নময় ক্যারিয়ারে সম্ভাব্য সবকিছুই জেতা হয়ে গেছে বাঁ পায়ের জাদুকরের। প্রাপ্তির খাতায় কেবল একটি ট্রফিই বাকি-বিশ্বকাপ। সেটি জিতলেই ক্যারিয়ারটা পূর্ণতা পাবে এই ফুটবল মহারথীর। না জিতেও তো কিংবদন্তি তিনি হয়ে গেছেন অনেক আগেই।

মেসি চাইলে স্পেনের হয়ে খেলতে পারতেন, তার নামের পাশে হয়তো তখন একটি বা দুটি বিশ্বকাপ লেখা থাকতো অনায়াসেই। কিন্তু এই মেসি যেমন বিশ্ব ফুটবলের রত্ন, আসলে সবচেয়ে বড় রত্ন তো তিনি আর্জেন্টিনার। নিজের দেশের হয়ে বিশ্বকাপ জেতার স্বপ্নটাই তাই মেসি লালন করে গেছেন গত এক-দেড় দশক।

২০১৪ সালে স্বপ্নপূরণের খুব কাছাকাছি চলে গিয়েছিলেন। ১২০ মিনিটের প্রাণপন লড়াইয়ে নিজের সবটুকু উজাড় করে দিয়েছিলেন খুদে জাদুকর। কিন্তু ভাগ্যবিধাতা যেন তাকে আরেকটু অপেক্ষা করাতে চাইলেন।

অতিরিক্ত সময়ের আচমকা এক গোলে আর্জেন্টিনার স্বপ্ন ভাঙলো জার্মানি। কাঁদলেন লিওনেল মেসি, কাঁদলেন বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা তার অগণিত ফুটবল ভক্ত।

এরপর কেটে গেছে আটটি বছর। মেসি জানেন, স্বপ্নভঙ্গের বেদনা কেমন। আর্জেন্টিনাকে ২৮ বছর পর কোপা আমেরিকার ট্রফি জিতিয়েছেন এর মধ্যে, জিতিয়েছেন ফাইনালিসিমার শিরোপা।

যেই মেসির হাত ধরে ট্রফি জিততে না পারার এত বছরের আক্ষেপ ঘুচতে পেরেছে, যেই মেসি আর্জেন্টিনাকে একা কাঁধে এতদূর নিয়ে আসতে পেরেছেন। সেই মেসি বিশ্বকাপ ট্রফি জিতে শেষ আক্ষেপটাও ঘুচাবেন, এমন আশা করতেই পারেন সমর্থকরা।

৩৫ বসন্ত পেরিয়ে আসা মেসি যে ঘোষণা দিয়ে ফেলেছেন, এবারের বিশ্বকাপটাই হবে তার শেষ। এবার আর স্বপ্নভঙ্গের কান্না নয়, আনন্দাশ্রু গড়িয়ে পড়ুক মেসির দুই গাল বেয়ে। সোনালি ট্রফিটায় চুমু খেয়ে মেসি বলুন-সর্বকালের সেরা নিয়ে আর কোনো বিতর্ক রইলো কি! কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী মনেপ্রাণে চাইছেন তেমনটাই।

সূত্র: জাগো নিউজ।

নানা আয়োজনে কুমিল্লায় আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস-২০২২ পালিত

 

স্টাফ রিপোর্টার:

‘থাকব ভালো, রাখব ভালো দেশ বৈধপথে প্রবাসী আয়-গড়ব বাংলাদেশ’ – এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে  রবিবার (১৮ ডিসেম্বর ) কুমিল্লায় নানা আয়োজনে আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস-২০২২ পালিত হয়েছে।

সকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য র‍্যালী শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে শেষ হয়। র‍্যালীতে জেলা প্রশাসন এবং জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা, অভিবাসন সংশ্লিষ্ট এনজিও প্রতিনিধি, সাংবাদিক, বিদেশগামী কর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি পেশার অংশীজন অংশগ্রহণ করেন।

র‍্যালী শেষে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন । বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) মোঃ আফজাল হোসেন এবং কুমিল্লা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের অধ্যক্ষ মোঃ কামরুজ্জামান। সভাপতিত্ব করেন জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারি পরিচালক দেবব্রত ঘোষ । অনুষ্ঠানমালার সঞ্চালনা এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা করেন তিনি।

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কুমিল্লা জেলা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক আছাদুল ইসলাম, ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের জেলা ম্যানেজার শুভাশীষ দেবনাথ, রামরু’র সিমস প্রকল্প ম্যানেজার মোঃ ইঞ্জামুল হক, জেলা কো-অর্ডিনেটর শান্তা সূত্রধর, ওয়্যারবী ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের সেন্টার-ইন-চার্জ মোঃ জাফর ঊল্লাহ এবং ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড কুমিল্লার ব্যবস্থাপক আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা সভা শেষে ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড হতে প্রাপ্ত প্রবাসী কর্মীর মেধাবী সন্তানদের শিক্ষা বৃত্তির চেক বিতরণ করা হয়। কুমিল্লা জেলার সর্বোচ্চ রেমিটেন্স প্রেরণকারী ২ জন পুরুষ ও ১ জন মহিলা অভিবাসীকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এছাড়া কুমিল্লা জেলার সর্বোচ্চ রেমিটেন্স আহরণকারী ব্যাংকের শাখাকে সম্মাননা ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

বিকালে কুমিল্লা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাঠে বিদেশগামী কর্মীদের নিয়ে এক ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়। সন্ধায় শহরের প্রাণকেন্দ্র টাউনহল প্রাঙ্গণে হেল্ভেটাস বাংলাদেশের সহযোগিতায় গণনাটক এবং ভিডিও প্রদর্শণী অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস-২০২২ উদযাপনের অংশ হিসেবে গত  ১৫ ডিসেম্বর জà