All posts by jitu

বিশ্বকাপের পতাকা বিক্রি করে চলছে খলিলের সংসার

 

মোঃ উজ্জ্বল হোসেন বিল্লালঃ

খলিলুর রহমান (৩২)। পেশায় ছিলেন একজন সিএনজি চালক। ঢাকা শহরে সিএনজি চালিয়ে সাংসার চালাতে খেতে হয় হিমশিম। তাই ছুটে আসলেন কুমিল্লা শহরে। হাতে তুলে নিলেন বিশ্বকাপের পতাকা। বর্তমানে পতাকার বিক্রির উপর নির্ভর করে তার সংসার। অভাবের সংসারে সবার মুখে তিন বেলা খবার তুলে দিতে নিলেন এমন সিদ্ধান্ত। খলিলের মতো আরো ৬-৭ জন রয়েছেন এ পেশায়।

আগামী ২০ নভেম্বর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। এরই মধ্যে কুমিল্লা নগরীর কান্দিরপার থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলোতে দেখা যাচ্ছে বিশ্বকাপ ফুটবলের আমেজ। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দেশের পতাকা বিক্রির ধুম পড়েছে। পছন্দের দেশের পতাকা উড়তে শুরু করেছে নগরীর অনেক বাসা-বাড়ির ছাদে। আর এভাবেই বিভিন্ন মাপের পতাকা বিক্রি করে সংসার চালান খলিলুর রহমান।

দেখা যায়, নগরীর প্রধান প্রধান সড়কসহ অলিগলিতে পায়ে হেঁটে পতাকা বিক্রি করছে খলিলুর রহমান। তার হাতে রয়েছে ছোট, মাঝারি, বড় আকারের বিভিন্ দেশের পতাকা। বড় আকারের পতাকা ১২০ থেকে ১৫০ টাকা, মাঝারি ১০০ টাকা, ছোট আকারের ২০ থেকে ৩০ টাকা ও লাঠি পতাকা ১০ টাকায় বিক্রি করছেন তিনি।

খলিলুর রহমান বলেন, আমি ঢাকা শহরে সিএনজি চালাই। আমার ২ ছেলে মেয়ে, স্ত্রী, মাসহ সবাই ঢাকা থাকে। ঢাকায় সিএনজি চালিয়ে কোনোরকম সংসার চালাইতাম। কিছুদিন পর থেকে ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু। তাই এখন বিশ্বকাপের অংশ নেওয়া বিভিন্ন দলের পতাকার চাহিদা বেশি। তবে খেলা শুরু হলে আমার পতাকা বিক্রি আরো বাড়বে।

তিনি আরো জানান, বাজারে এবং বাসা-বাড়িতে বিক্রি করেন পতাকা। আমি ২ হাজার পুজি নিয়ে পতাকা বিক্রি শুরু করি। বর্তমানে আমি প্রতিদিন গড়ে ২ থেকে ৩ হাজার টাকার পতাকা বিক্রি করি।যা থেকে দৈনিক টিকে ৮শত থেকে এক হাজার টাকা। আর এই পতাকা বিক্রি করেই দুই ছেলে মেয়ে, স্ত্রী ও মাকে নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি।

কুমিল্লায় লরির চাপায় গৃহবধুর মর্মান্তিক মৃত্যু

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার সেনানিবাস এলাকায় অজ্ঞাত লরির চাপায় ইভা (২০) নামের এক গৃহবধুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এসময় স্বামী রবিউল আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৫ নভেম্বর) দুপুরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নিশ্চিন্তপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত ইভা সেনানিবাস এলাকার ময়নামতি আকাবপুর গ্রামের মেয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেনানিবাস এলাকার নিশ্চিন্তপুরে উল্টো পথে আসা একটি মোটরসাইকেলকে অজ্ঞাত লরি চাপা দেয়। এত ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেল আরোহী ইভা মারা যায় এবং স্বামী রবিউল আহত হয়।

কুমিল্লায় আর্জেন্টিনার ২০০ হাত পতাকার জবাবে ব্রাজিলের ৫০০ হাত পতাকা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লায় এবার ৫০০ হাত লম্বা একটি পতাকা টাঙিয়েছেন ব্রাজিল সমর্থকরা। বিশালাকার পতাকাটি দেখতে ভিড় করছে মানুষ।

রোববার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে বরুড়া পৌরসভার কসামি এলাকায় এ পতাকাটি টাঙানো হয়।

এর আগে জেলার বরুড়ায় আর্জেন্টিনা সমর্থকরা ২০০ হাত লম্বার একটি পতাকা টাঙিয়ে এলাকায় হইচই ফেলে দেন।

কসামি ব্রাজিল ফ্যানসের সদস্য গাজী দেলোয়ার হোসেন বলেন, বিশ্ব ফুটবলে ৫ বারের চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। খেলার মাঠেও ব্রাজিল চমক দেখায়। ভাল লাগা থেকে আমাদের এ ছোট্ট আয়োজন।

জামাল হোসেন নামের এক ব্রাজিল সমর্থক বলেন, আমাদের গ্রামে আর্জেন্টিনার সমর্থকরা ২০০ হাত লম্বার পতাকা তৈরি করে টাঙিয়েছিলেন। এরপর থেকে আমরা পরিকল্পনা করি তাদের থেকে ভাল কিছু করার। আজ ৫০০ হাত পতাকা তৈরি করে প্রদর্শন করলাম। এতে মনে শান্তি অনুভব করছি।

এ বিষয়ে বরুড়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার মজুমদার বলেন, ফুটবল উন্মাদনা নিয়ে প্রতি আসরে পছন্দের দলকে সমর্থন জানিয়ে ভক্তরা ব্যতিক্রম কিছু করার চেষ্টা করেন। তবে ভালবাসা প্রদর্শন করতে গিয়ে কেউ যদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সেদিকে পুলিশের সজাগ দৃষ্টি রয়েছে।

অভিনয় থেকে বিরতি ঘোষণা আমিরের

 

বিনোদন ডেস্কঃ

বলিউড তারকা আমির খান এই প্রথম অভিনয় থেকে বিরতি নেয়ার ঘোষণা দিলেন। ‘লাল সিং চাড্ডা’-র পর ‘চ্যাম্পিয়ন্স’ ছবিতে নায়কের ভূমিকায় অভিনয় করার কথা ছিল তার। তিনি জানিয়েছেন ওই ছবিতে অভিনয় করবেন না। থাকছেন শুধু প্রযোজকের ভূমিকাতেই।

আমির খান সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন অভিনয় থেকে অবসর নিয়ে এখন তিনি তার মা এবং সন্তানদের সঙ্গেই সময় কাটাতে চান। ‘দ্যা ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ –এ প্রকাশিত খবরে এমনটা জানা গেছে।

প্রসঙ্গে আমির খান আরও বলেন, ‘যখন আমি অভিনয় করি তখন জীবনের বাকি সবকিছু ভুলে যাই। লাল সিং চাড্ডার পর চ্যাম্পিয়ন্স নামের আমার একটা ছবিতে অভিনয় করার কথা ছিল। এর চিত্রনাট্যও চমৎকার। গল্পও খুব সুন্দর। মন ছুঁয়ে যাওয়া মিষ্টি ছবি। কিন্তু আমার মনে হয় এবার আমার একটা ব্রেক চাই। পরিবার, মা, সন্তানদের সঙ্গে আমি সময় কাটাতে চাই’।

তিনি আরও বলেন, ‘আমার মনে হয় ৩৫ বছর ধরে অভিনয় করার সময় আমি এক মনে কাজেই মনোনিবেশ করেছি। সেটা হয়তো আমার ঘনিষ্ঠজনদের উপর খুব একটা সুবিচার করিনি। কর্মজীবনে এই প্রথম কিছুটা সময় বিরতি নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কাটাতে চাই। জীবনকে উপভোগ করতে চাই সম্পূর্ণ অন্য অভিজ্ঞতায়। আগামী বছর দেড়েক আমি অভিনয় করব না, সেই সময়টার দিকে তাকিয়ে আছি’ ৷

আবারও বেড়েছে আটার দাম

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

বাজারে আটার দাম আবারও বেড়েছে। প্যাকেটজাত ও খোলা দুই ধরনেই আটা আগের চেয়ে কেজিতে ৪ থেকে ৬ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে।

কয়েকটি বিপণনকারী কোম্পানি আটার দুই কেজির প্যাকেটের মূল্য নির্ধারণ করেছে ১৪৪ টাকা, যা আগের চেয়ে ১২ টাকা বাড়তি। অর্থাৎ কেজিপ্রতি দাম বেড়েছে ৬ টাকা।

ঢাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে নতুন দামে আটা বিক্রি হচ্ছে। খোলা আটার দামও বাজার ভেদে আগের চেয়ে ৪ থেকে ৬টাকা বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে।

মানভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকায়। এ নিয়ে ভোক্তারা ক্ষুব্ধ।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য বলছে, এক বছরে প্যাকেটজাত আটার দাম ৬৩ ও খোলা আটার দাম ৮১ শতাংশ বেড়েছে।

দেশে গত ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর থেকে আটার দাম লাফিয়ে বাড়ছে। বাংলাদেশের গমের বড় উৎস ছিল রাশিয়া ও ইউক্রেন। ভারত থেকেও আমদানি বাড়ছিল। যদিও ভারত রপ্তানিতে বিধিনিষেধ আরোপ করে। বিশ্ববাজারে দামও বাড়তি।

দেশে গম আমদানিও কম হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ কারণে অক্টোবরের শেষ দিকে আটার মিলগুলো থেকে সরবরাহ কমে যায়। এখন সরবরাহ পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে। তবে দাম বাড়ছে। গত অক্টোবর মাসেও প্রতি দুই কেজির আটার প্যাকেটের সর্বোচ্চ মূল্য ছিল ১২৬ টাকা। এখন সেটা সর্বোচ্চ ১৪৪ টাকা।

গমজাত পণ্যগুলোর দামও বাড়তির দিকে। এমনকি গোখাদ্য গমের ভুষির দামও বেড়েছে। কোম্পানি ভেদে বস্তায় ২০০ থেকে ৩০০ টাকা বেড়েছে ভুষি।

রাজধানীর মহাখালী কাচাবাজারের ব্যবসায়ী নুর আলম বলেন, বাজারে খোলা আটার সংকট এখনো কাটেনি। এর মধ্যে প্যাকেটজাত আটার দাম বেড়ে গেছে। আমাদেরকে বাড়তি দরে কিনতে হচ্ছে। তাই বিক্রিও বেশিতে করতে হচ্ছে।

রাজধানীর হাতিরপুল কাঁচাবাজারে বাজার করতে আসা গৃহিনী রাবেয়া বেগম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুই কেজির প্যাকেট ১২ টাকা বেশি দিয়ে কিনতে হচ্ছে। শুধু আটা নয়, তেল ডিমের দামও বেড়ে গেছে।

কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপি নির্বাচন করতে আসলে হেরে চলে যেতে হবে : এমপি মেরী

 

তিতাস প্রতিনিধিঃ

“কুমিল্লা-২ আসনে গতবারের মতো নৌকার বিপক্ষে আবার বিএনপি নির্বাচন করতে আসলে ঐরকম ভাবেই হেরে চলে যেতে হবে ঘরে”।

সোমবার বিকেলে কুমিল্লার তিতাস উপজেলা ছাত্রলীগের আয়োজিত উপজেলার কলাকান্দি, ভিটিকান্দি ও নারান্দিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের ত্রি-বার্ষিক-২০২২ সম্মেলনে বিএনপিকে উদ্দেশ্য করে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ মেরী এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার পূর্বেই ৩ ইউনিয়েনর ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থীদের মিছিলে আর স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে সম্মেলনস্থল মাছিমপুর আর আর ইনস্টিটিউশনের মাঠ।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এ্যাডভোকেট মোঃ মহিউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রুবেল। সম্মেলন উদ্বোধন করেন উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি একেএম কামরুল হাসান তুষার, প্রধান বক্তা হিসেবে ছিলেন উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক খাইরুল খন্দকার রুবেল।

এসময় সম্মেলন প্রস্তুত কমিটির আহবায়ক মোঃ মামুন সরকার এর সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত আলী, সাধারণ সম্পাদক মহসিন ভূইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাজী নাসির উদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আলম সরকার, উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি সাজ্জাদ সিকদার, কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সারওয়ার হোসেন বাবু, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সাইফুল আলম মুরাদ, কলাকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম সরকার, ভিটিকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান বাবুল আহমেদ, নারান্দিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান খোকা, মজিদপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সরকার, আওয়ামীলীগ নেতা গাজী সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মুকবল মাহমুদ প্রধান, নাজমুল হাসান কিরন, কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুজন মিয়া, যুগ্ম সাধারণ সাধারণ সাকিল রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাবুদ্দিন সরকারসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী।

কুবিতে কর্মচারীদের মানববন্ধন

 

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) কর্মচারীরা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন প্রণীত অভিন্ন নীতিমালা প্রতিহত এবং ৯ম পে-স্কেল প্রদান ও পে-স্কেল বায়স্তবায়নের আগ পর্যন্ত ৫০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা প্রদানের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ।

সোমবার বেলা ১১টায় প্রশাসনিক ভবনের সামনে ৩য় শ্রেণি কর্মচারী পরিষদ ও ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী সমিতির ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মচারী সমিতির সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে যাচ্ছি। আমরা আজকে রাস্তায় নেমেছি ক্ষুধার জ্বালায়, সকল কিছুর দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু আমাদের বেতন স্কেল কেন বৃদ্ধি পাচ্ছে না? আমাদের সাথে তারা প্রতারণা করেছে। কেন আজকে আমাদের এখানে মানববন্ধন করতে হচ্ছে, সেটার জবাব কে দিবে? আমাদের দাবি না মানলে কোন দপ্তরে কাজ হবে না, দরকার হলে সকল দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে দিব।

৩য় শ্রেণি কর্মচারী পরিষদের সভাপতি দীপক চন্দ্র মজুমদার বলেন, মঞ্জুরি কমিশন কেন আমাদেরকে সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত করছে, সেটা আমরা বুঝতে পারছি না। আমার মনে হচ্ছে আমাদের আরও মানববন্ধন করতে হবে। আমাদের সাথে অনেক বৈষম্য করা হচ্ছে, তবুও আমি আবার প্রশাসনের সাথে কথা বলব। না হয় আমরা আরও তীব্র আন্দোলনে যাবো। ৯ম পে স্কেল এটা শুধুমাত্র কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারীদের দাবি নয়, এটা সকল বিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারীদের দাবি।

মানববন্ধনে এসময় বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল লতিফ, ৩য় শ্রেণী কর্মচারী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. মহসিন, ৪র্থ শ্রেণী কর্মচারী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানসহ কর্মচারীবৃন্দ।

কুমিল্লা স্টেডিয়ামে বসুন্ধরা কিংসের গোল উৎসব, ১৪ গোলে হারিয়েছে ফকিরাপুলকে

স্টাফ রিপোর্টার:

স্বাধীনতা কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচেই গোল উৎসব করেছে বসুন্ধরা কিংস। প্রতিপক্ষকে নিয়ে ছেলেখেলায় মাতেন ডরিয়েল্টন-রোবিনহোরা। একাই ৬ গোল করেছেন এ মৌসুমে দলে যোগ দেওয়া ডরিয়েল্টন গোমেজ। হ্যাটট্রিক করেছেন রবসন রোবিনহো।

কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে সোমবার ( ১৪ নভেম্বর) ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে ফকিরাপুল ইয়ংমেন্সকে ১৪-০ গোলে বিধ্বস্ত করেছে বসুন্ধরা কিংস। দেশের ফুটবলে নাম লেখানোর পর এটিই কিংসের সবচেয়ে বড় জয়।

চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের দল ফকিরেরপুল কোনো রকম প্রতিরোধই গড়তে পারেনি। রোবিনহোদের সামনে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ে তাদের রক্ষণভাগ। প্রথমার্ধে সাত গোলের পর দ্বিতীয়ার্ধে আরো সাত গোল করে অস্কার ব্রুজোনের দল। দাড়াতেই পারেনি বসুন্ধরা কিংসের সাথে ফকিরাপুল ইয়ংমেন্স। খেলোয়াড়দের সাথে গোল উৎসবে মেতে উঠে বসুন্ধরার জার্সি গায়ে কয়েক হাজার দর্শক। ঢোল বাধ্য বাজিয়ে উৎসাহ দিতে থাকেন খেলোয়াড়দের।

ষষ্ঠ মিনিটেই আবারো এগিয়ে যায় বসুন্ধরা কিংস। বাম প্রান্ত থেকে রিমনের নিচু করে নেওয়া ক্রস ফকিরেরপুলের এক ডিফেন্ডার ঠিকঠাক ক্লিয়ার করতে না পারায় বক্সের ভেতরেই বল পেয়ে লক্ষ্যভেদ করেন বিপলু আহমেদ। চার মিনিট বাদেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন তারিক কাজী। রবসন রোবিনহোর কাটব্যাক পেয়ে বক্সের বেশ খানিকটা বাইরে থেকে দূরপাল্লার শটে গোলকিপারকে পরাস্ত করেন এই ডিফেন্ডার।

২৭ মিনিটে গোলের দেখা পান দলে নতুন আসা ডরিয়েল্টন গোমেজও। সতীর্থের পাস পেয়ে প্রতিপক্ষের দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে দূরের পোস্টে লক্ষ্যভেদ করেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। এরপর ৪৪, ৪৮, ৮৪, ৮৫ ও ৯০ মিনিটে আরো পাঁচবার লক্ষ্যভেদ করেন তিনি। ৬১ মিনিটে গোল করে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন রবসন রোবিনহো। এ ছাড়া বদলি নেমে বাকি দুই গোল করেন ইয়াসিন আরাফাত ও মাশুক মিয়া জনি।

নোয়াখালীতে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ীতে প্রেমিকার অনশন

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়ীতে অনশনে বসেছে এক তরুণী।

অনশনরত তরুণীর নাম তানিয়া আক্তার তানজিনা(১৯)। প্রেমিকার অনশনের খবর শুনে প্রেমিক গা ঢাকা দিয়েছে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চানচঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

সোমবার (১৪ নভেম্বর) দুপুর থেকে উপজেলার চরবৈশাখী গ্রামে প্রেমিক আবদুর রহমান রুবেল এর বাড়ীতে এই অনশন শুরু করেন ওই তরুণী।

ওই প্রতারক প্রেমিকের নাম আবদুর রহমান রুবেল (৩০)। সে সুবর্ণচর উপজেলার চর ওয়াপদা ইউনিয়নের চরবৈশাখী গ্রামের আবদুল আউয়াল এর ছেলে।

অনশনরত তরুণী জানান,গত ৫ বছর আগে আবদুর রহমান রুবেল চট্রগ্রামের রাউজানে একটি বেসরকারী কোম্পানীতে বিক্রয় কর্মী হিসাবে চাকরী করার সুবাধে চট্রগ্রামের রাউজান থানার মেরুঘর কলোনিতে তার সাথে রুবেলের পরিচয় হয়। এরপর তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এক পর্যায়ে আমার অন্যত্র বিয়ে হয়ে যায়। বিয়ের পর আমাকে রুবেল উত্যক্ত করতো । এক পর্যায়ে আমাকে ও আমার স্বামীকে বিভিন্ন প্রকার হুমকি দিয়ে তার কাজ থেকে তালাক নিতে বাধ্য করে। এরপর আমাকে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তুলে। দীর্ঘ দুই বছর ধরে আমাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে কালক্ষেপন করছে ।আমি বিয়ের জন্য চাপ দিলে রুবেল আমাকে বিভিন্ন প্রকার হুমকি দিয়ে আসছে। বর্তমানে সে সুবর্ণচর উপজেলার থানারহাটে ব্যবসা করছে।আমার সঙ্গে সকল প্রকার যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। নিরুপায় হয়ে আমি তার গ্রামের বাড়ীতে আসতে বাধ্য হয়েছি।

ইউপি সদস্য তানভীর উদ্দিন বলেন,রুবেল কে বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য বললে সে আমার সঙ্গে খারাপ আচরণ করে পালিয়ে যায়। আমি ওই তরুণী ও তার বাবাকে আইনের আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেব প্রিয় দাস বলেন,এই ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না। এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিবেন।

মিসেস ইউনিভার্স বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় দশম হয়ে তাক লাগালেন কুমিল্লার অনন্যা

 

স্টাফ রিপোর্টার:

দ্বিতীয় বারের মতো আয়োজিত মিসেস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২২ এর গ্র্যান্ড ফিনালে প্রতিযোগিতায় প্রায় আট হাজার প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে দশম হয়েছেন কুমিল্লার মেয়ে অনন্যা।

সহিহা কবির অনন্যা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী।

অনন্যার এ অর্জনে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সাথে আনন্দিত কুমিল্লাবাসীও। কুমিল্লা নগরীর মোগলটুলীর বাসিন্দা শাজাহান কবির পাটোয়ারি ও সুফিয়া বেগম দম্পত্তির তিন সন্তানের মধ্যে সবার বড় অনন্যা। মিসেস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২২ এ দশম হয়েও উচ্ছাসিত অনন্যা জানান, আমি অনেক বেশি আনন্দিত। কারণ, আমার এই অর্জন সামনের দিনগুলোতে চলারপথে অনেক সাহস যোগাবে। আমার দীর্ঘদিনের যেই স্বপ্ন অভিনেত্রী হওয়া। সেই স্বপ্নপূরণের পথটি সহজ করে দিয়েছে ‘মিসেস ইউনিভার্স বাংলাদেশ-২০২২’ এর এই আসর।

বিবাহিত নারীরাও যে পিছিয়ে নেই, চাইলে তাদের পক্ষেও যে মেধা ও প্রতিভার বিকাশ ঘটানো সম্ভব। তারই একটি প্লাটফর্ম হলো ‘মিসেস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’ প্রতিযোগিতা। আর এই প্লাটফর্মে ৮ হাজার প্রতিযোগিকে পেছনে পেলে সেরা ১০ এ জায়গা করে নিয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী সহিহা কবির অনন্যা।

প্রতিবর্তন ও থিয়েটার এর সাবেক কর্মী অনন্যার এভাবে উঠে আসার গল্প শুনতে কথা হয় তার সাথে। তিনি জানান, ফেসবুকে মিসেস ইউনিভার্সের পেইজে তিনি এমন একটি প্রতিযোগিতার কথা শুনে শাশুড়ির অনুপ্রেরণায় আবেদন করেন। এরপর ‘মিসেস ইউনিভার্স’ কর্তৃপক্ষ যাচাই-বাছাই করে সেখান থেকে টপ ৫০০ বাছাই করেন। যার মধ্যে জায়গা করে নেন অনন্যা।

এরপরে অডিশন রাউন্ডে অংশ নিয়ে ছিটকে পড়ে ৪ শতাধিক প্রতিযোগী। বাকি থাকে ১০০ জন প্রতিযোগী। এরপর চূড়ান্ত প্রতিযোগীতার জন্য ৩ দিনের গ্রুমিং ও মোটিভেশনাল সেশন হয়। এই সেশনে ১০০ জন থেকে বাদ পড়ে আরও ৫০ প্রতিযোগী।

এরপর আরও একবার গ্রুমিং সেশন শেষে মাত্র ২০ জন প্রতিযোগীকে নির্বাচন করা হয় ১২ নভেম্বরের ফাইনাল রাউন্ডের জন্য। চূড়ান্ত প্রতিযোগিতার ফাইনাল রাউন্ডে বিজয়ীর মুকুট ওঠে আন নূর খান নোলকের মাথায়। ১ম রানারআপ হন কানিজ সুবর্না এবং দ্বিতীয় রানারআপ হয়েছেন মেহেরীন হামিদ। আর এই চুড়ান্ত আসরেই সেরা ১০ এ জায়গা করে নেন সহিহা কবির অনন্যা।