All posts by jitu

চলে গেলেন গায়ক আকবর

 

স্পোর্টস ডেস্ক:

চলে গেলেন ‘ইত্যাদির’ কণ্ঠশিল্পী আকবর আলী গাজী। তিনি রাজধানীর বারডেম জেনারেল হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে ছিলেন। রোববার (১৩ নভেম্বর) দুপুরে তিনি মারা যান (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহে রাজিউন)।

জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন কণ্ঠশিল্পী আকবরের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা।

২০০৩ সাল থেকেই তিনি ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছেন। বছর পাঁচেক আগে কিডনির সমস্যা বেড়ে গেলে স্টেজ শো বাদ দিতে হয় তাকে। এরপর কয়েক দফা হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয়েছে আকবরকে। পায়ে পচন ধরার কারণে অস্ত্রোপচার করে ডান পা কেটে ফেলতে হয়েছে।

অক্টোবরে ঢাকার বেটার লাইফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন আকবর। সেখান থেকে ১৯ অক্টোবর তাকে বাসায় নেওয়া হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি হলে বারডেমে ভর্তি করা হয়।

২০০৩ সালে যশোর এম এম কলেজের একটি অনুষ্ঠানে গান গেয়েছিলেন আকবর। সেই গান শুনে মুগ্ধ হয়ে বাগেরহাটের এক ব্যক্তি হানিফ সংকেতের ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’তে চিঠি লিখে এই গায়কের কথা জানান। এরপর ‘ইত্যাদি’ কর্তৃপক্ষ আকবরের সঙ্গে যোগাযোগ করে।

ওই বছর ‘ইত্যাদিতে’ কিশোর কুমারের ‘একদিন পাখি উড়ে’ গানটি আলোচনায় নিয়ে আসে আকবরকে। পরে ‘তোমার হাতপাখার বাতাসে’ গানটিও এই শিল্পীকে জনপ্রিয়তা এনে দেয়।

পদুয়ার বাজার বিশ্বরোডে সিএনজিভর্তি ৫২ কেজি গাঁজাসহ ২ জন আটক

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার সদর দক্ষিণের পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকা হতে ৫২ কেজি গাঁজা’সহ ২ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ সদস্যরা। এ সময় মাদক পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি জব্দ করা হয়।

গত ১২ নভেম্বর রাতে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

আটক হওয়া মাদক ব্যবসায়ীদ্বয় হলেন কুমিল্লার সদর দক্ষিণের চনগাও (বেপারী বাড়ী) গ্রামের মোঃ মোজাফফর আলী এর মেয়ে মোর্শেদা আক্তার (৩৭) এবং একই জেলার লালমাই থানার আলী শহর (জামুয়ারপাড়) মৃত. আব্দুল মালেক এর ছেলে আব্দুল কাদের (২৮)। এ সময় মাদক পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মেলবোর্ণে তাকিয়ে ক্রিকেটবিশ্ব: প্রতিশোধ নাকি পুনরাবৃত্তি

ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু:

পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ স্টেডিয়াম মেলবোর্ণের দিকে তাকিয়ে আছে ক্রিকেট বিশ্ব। রোববার ফাইনালে মুখোমুখি হবে আনপ্রেডিক্টেবল পাকিস্তান বনাম শক্তিশালী ইংল্যান্ড।১৯৯২ সালের বিশ্বকাপে খুড়িয়ে খুড়িয়ে ফাইনালে পৌছে পাকিস্তান।ওই বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে উঠতে পাকিস্তানের সহায়ক হিসেবে কাজ করেছিল বৃষ্টি আর অন্য খেলার ফলাফল। ওই বিশ্বকাপে বৃষ্টির কারণে গ্রুপ পর্বের খেলায় ইংল্যান্ডের কাছ থেকে এক পয়েন্ট ভাগ্যক্রমে পায় পাকিস্তান।পরে সেমিফাইনালে উঠতে অস্ট্রেলিয়া বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজের খেলার ফলাফলের উপর নির্ভর করতে হয়েছিল পাকিস্তানকে। অনেক নাটকীয়তা শেষে পাকিস্তান সেমিফাইনালে উঠে। বিপক্ষ ছিল শক্তিশালী নিউজিল্যান্ড। । ইনজামাম উল হকের ঝড়ো ইনিংসে নিউ জিল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে পৌছে পাকিস্তান। অপর সেমিফাইনালে বৃষ্টির ফলে ডাক ওয়ার্থ লুইস আইনে ইংল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।ফাইনালে মেলবোর্ণে মুখোমুখি হয় ইমরানের পাকিস্তান আর গ্রাহাম গুচের ইংল্যান্ড। ইমরান, ইনজামাম, মিয়াদাদ আর ওয়াসিম আকরামের ব্যাটিং আর ওয়াসিম আকরামের বিধংসী বোলিংয়ে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ স্বপ্ন চুরমার হয়ে যায়। ৪২ বছর বয়সে বিশ্বকাপ জিতে নায়ক বনে যান ইমরান খান। রোববার মেলবোর্ণে আরো একটি ফাইনাল । দল সেই পাকিস্তান আর ইংল্যান্ড।

এখন প্রশ্ন ইমরান খানের পাশে বসতে পারবেন কি বাবর আজম? ৩০ বছর পর সেই এমসিজিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হাতে ধরে গর্বের হাসি হাসতে পারবেন বাবর আজম? নাকি জস বাটলার, হেলস, সল্ট, মইন আলিরা ৩০ বছর আগের ব্যর্থতার প্রতিশোধ নেবেন! এ প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে।

এবারের পাকিস্তানের সঙ্গে ৯২’র সেই পাকিস্তানের মিল রয়েছে অনেকটাই । যদিও ফরম্যাট ভিন্ন। সেটা ছিল ওয়ানডে বিশ্বকাপ। আর এটা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। ১৯৯২ সালের মত এবারও সেমিফাইনালে পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ ছিল নিউ জিল্যান্ড। সেই নিউ জিল্যান্ডকে সহজে হারিয়ে পাকিস্তান উঠে ফাইনালে। গ্রুপ পর্বে ভারত আর জিম্বাবুয়ের কাছে হার মানা বাবর আজমের দল সেমিতে উঠে আসে ভাগ্যের সহায়তায়। কেউ ভাবেনি পাকিস্তান সেমিফাইনালে খেলবে। নেদারল্যান্ডসের কাছে দক্ষিণ আফ্রিকার অপ্রত্যাশিত পরাজয়েই ভাগ্য খুলে যায় পাকিস্তানের। তাতে করে সেমিফাইনাল খেলার সম্ভাবনা তৈরী হয়। বাংলাদেশের সঙ্গে গ্রুপের শেষ ম্যাচটি ছিল অনেকটা অঘোষিত কোয়ার্টার ফাইনালে। সেই ম্যাচে টাইগারদের ৫ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে পৌছে বাবর আজমরা।

এখন দু দলের দৃষ্টিই স্বাভাবিকভাবে শিরোপায়। ইংল্যান্ডের শক্তিশালী ও লম্বা লাইনআপের ব্যাটারদের বিপক্ষে পাকিস্তানের বড় শক্তি শাহীন শাহ আফ্রিদি- হারিস রউফ-নাসিম শাহ-ওয়াসিমদের নিয়ে গড়া ভয়ংকর পেস আক্রমণ।

এখন আমরা দেখে নেই দুই দলের শক্তি ও দুর্বলতার দিকগুলো।

পাকিস্তানের ইতিবাচক দিক:
# তাদের রয়েছে বাবর আজম –রেজোয়ানের মত ওপেনিং জুটি। তারা যদি পিচে সেট হয়ে যায় তাহলে বিপক্ষ দলের জন্য তা হবে বিপদজনক। এই জুটি টি টুয়েন্টি ফরম্যাটে সেরা দশে আছেন অনেক দিন ধরে।
# ভয়ংকর পেস অ্যাটাক। শাহীন শাহ আফ্রিদি, নাসিম শাহ, হারিস রউফ ও মো: ওয়াসিম। শাহিন আফ্রিদি প্রথম স্পেলেই যে কোন বড় দলের মেরুদন্ড ভেঙ্গে দিতে সক্ষম। আর শেষের দিকে হারিস রউফের গতি আর ইর্য়কর যেকোন দলের রানের গতি আটকে দিতে সক্ষম।
# হারিস, সাদাব, নওয়াজ যে কোন সময় ঝড়ো ব্যাটিং দিয়ে খেলার মোড় ঘোরাতে অভ্যস্ত।

দুর্বল দিক:
# বাজে ফিল্ডিং। এটা পাকিস্তানের অন্যতম দুর্বল দিক। অহরহ ক্যাচ মিস, মিস ফিল্ডিং এই দলের নিত্য সঙ্গী। ফাইনালের মত খেলায় কিস মিস বা মিস ফিল্ডিং করলে চরম মাসুল দিতে হবে।
# ভঙ্গুর মিডল অর্ডার। বিগত এক বছরে পাকিস্তানের মিডল অর্ডার চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। ভাল মানের মিডল অর্ডার ব্যাটার নেই বললেই চলে।
# ওপেনিংয়ে বাবর আজম ও রেজোয়ান নির্ভরতার প্রতিক হলেও তাদের রান তোলার গতি অনেকটাই স্লো। যা বড় স্কোর গড়তে সমস্যা হয়ে দাড়ায়।

ইংল্যান্ডের ইতিবাচক দিক:
# তাদের রয়েছে জস বাটলার, অ্যালেক্স হেলস, সল্ট, বেন স্টোকস, লিয়াম লিভিংস্টোন, মালান, মঈন আলীর মত মারকুটে ব্যাটার। বলতে গেলে আপ টু বটম ব্যাটার। কাকে ছেড়ে কাকে বাদ দিবেন। এই দলের সবাই তারকা।
# ব্যাটারের পাশাপাশি বোলারও রয়েছে ভাল মানের। ডেভিড উইলি, ক্রিস ওকস, বেন স্টোকস, স্যাম কুরান, মঈন আলী ও আদিল রশিদের মত বিশ্বমানের বোলার।
# তাদের ফিল্ডিং তো বিশ্বমানের তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

দুর্বল দিক:
# মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়া। তারা ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালেও একাধিকবার উঠেছে। একবার ছাড়া বারবারই তারা হতাশ হয়েছে।
# মেলবোর্ণ মাঠে তারা এ পর্যন্ত কোন ফাইনাল জিততে পারেনি।

এখন সবার অপেক্ষা করতে হবে কি হতে যাচ্ছে মেলবোর্ণে , তা দেখার জন্য।

জনবল সংকটে ঐতিহ্য হারাতে বসেছে চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথ

 

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

আনন্দ ভ্রমণ আর নিরাপদ জীবন’ বাংলাদেশ রেলওয়ের যোগাযোগ ব্যবস্থা। কিন্তু দূর-দূরান্ত থেকে আসা যাত্রীদের জন্য বিশ্রামাগার ও টয়লেট না থাকায় যেমনি দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে, তেমনি লোকবলের অভাবে ভেঙ্গে পড়ছে চাঁদপুর রেলওয়ে স্টেশনের কার্যক্রম। চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথের প্রায় সবগুলি রেলওয়ে স্টেশন নানা সমস্যায় জর্জরিত। এতে করে প্রতিনিয়ত যাত্রীরা পোহাচ্ছে চরম দুর্ভোগ। জনবল সংকটে এখানকার যাত্রী সেবার মান দিন দিন ভেঙ্গে পড়ছে। এদিকে চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও বর্তমানে লোকাল ট্রেন না থাকায় জনদুর্ভোগ যেমন বাড়ছে তেমনি গুরুত্ব হারাতে বসেছে জনপ্রিয় এ রেলপথটি। আন্তঃনগর মেঘনা এক্সপ্রেস ও সাগরিকা এক্সপ্রেস ট্রেন ছাড়া আর কোনো ট্রেন নেই এ রেলপথে।

গত কয়েক বছরে চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথের ব্যাপক উন্নয়ন হলেও বিভিন্ন স্টেশনে জনবল শূন্যতার সুযোগে রেলের বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরিসহ ঘটছে নানা অপরাধ কর্মকাণ্ড। এ রুটের চারটি স্টেশনের নতুন ভবনও নির্মাণ হয়েছে। কিন্তু গত পাঁচ বছর ধরে এসব স্টেশন ভবন তালাবন্ধ করে রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, এসব স্টেশনে নেই বুকিং সহকারী (স্টেশন মাস্টার), টিকেট চেকার কিংবা লাইনম্যানসহ কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী। এতে সরকার যেমন রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, তেমনি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে এ লাইনে রেলে ভ্রমণপিপাসু যাত্রীদের। এমনিতেই চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথে লোকাল ট্রেন নেই। আপ-ডাউনে ডেম্যু ট্রেনই লোকাল ট্রেন হিসেবে চললেও সেটিও চলাচল গত দুই বছর আগে বন্ধ রয়েছে।

২০১২ সালে চাঁদপুর-লাকসাম রেলপথকে সংস্কার ও আধুনিকায়নের লক্ষ্যে রেলপথের শাহতলী, শাহরাস্তি ও ওয়ারুক স্টেশনের পুরাতন ভবন ভেঙে এবং ডি শ্রেণির মৈশাদী স্টেশনে নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়। আর ভবনের কাজ শেষ হওয়ার দীর্ঘ পাঁচ বছর অতিবাহিত হলেও এখনও সেই স্টেশনগুলোতে কোনো কার্যক্রম চালু করতে পারেনি রেল কর্তৃপক্ষ। জনবল সংকটে একবারে বন্ধ রয়েছে শাহতলী, বলাখাল, শাহরাস্তি ও উয়ারুক স্টেশন।

এদিকে স্টেশনগুলো দেখভাল করার জন্য কেউ না থাকায় প্লাটফর্মগুলো গরু-ছাগলের বিচরণ, বখাটে ও ভবঘুরে এবং রাতে মাদকসেবীদের আস্তানায় পরিণত হয়েছে। বিদ্যুৎ বিহীন একেবারে বন্ধ থাকা স্টেশনগুলোতে রাতের অন্ধকারে মাদকসেবীদের অবাধ বিচরণ লক্ষ্য করা গেছে। সন্ধ্যার পর এসব স্টেশনে ভুতুরে পরিবেশ বিরাজ করছে। বন্ধ থাকা কয়েকটি রেলওয়ে স্টেশনে গেলে কয়েকজন ভুক্তভোগী জানান, স্টেশন কার্যক্রম চালু নেই। তাই যাত্রীদের অতিরিক্ত ভাড়া ও অতিরিক্ত সময় অপচয় করে তাদের নির্দিষ্ট গন্তব্যে পৌঁছাতে হয়।

এ ব্যাপারে চাঁদপুর রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) অফিসার ইনচার্জ মুরাদ উল্লাহ বাহার বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমরা প্রতি স্টেশনেই মাঝে মাঝে সচেতনতামূলক সভা করে থাকি। তবে কোন স্থানে যদি অনৈতিক ঘটনার খবর পাই তাহলে আমরা অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিই। অপরাধ নির্মূলে আমাদের অভিযান চলমান রয়েছে।

এসব বিষয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক মোঃ আবিদুর রহমান এ লাইনে বিভিন্ন রেলস্টেশনে জনবল না থাকার বিষয়টি স্বীকার করে শনিবার দৈনিক আজকের কুমিল্লাকে বলেন, আমাদের প্রায় স্টেশনে মাষ্টার নেই। তার কারনে ঐসব বন্ধ স্টেশনগুলোতে বখাটেদের আড্ডা থাকতে পারে। তবে রেলওয়েতে নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পর্যায়ক্রমে এসব স্টেশনে লোকবল নিয়োগ হলে এ সমস্যা থাকবে না।

এবারও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আ’লীগের নেতৃত্ব পুরাতনদের হাতেই

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

দীর্ঘ আট বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে এবারও জেলার নেতৃত্ব থাকলো পুরাতনদের হাতেই।

শনিবার (১২ নভেম্বর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নিয়াজ মোহাম্মদ স্টেডিয়ামে জেলা আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। বক্তব্যের শেষদিকে জেলার নেতৃত্ব পাওয়া নেতাদের নাম ঘোষণা করেন তিনি।

শেখ সেলিম সভাপতি হিসেবে র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আল মামুন সরকার, সিনিয়র সহ-সভাপতি সাবেক মেয়র হেলাল উদ্দিন, সহ-সভাপতি হেলাল উদ্দিন ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে মাহবুবুল চৌধুরী মন্টুর নাম ঘোষণা করেন। তবে নতুন কমিটিতে পদ পাওয়া সবাই আগের কমিটিতে একই পদে ছিলেন।

এ সম্মেলনে উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এছাড়া এতে প্রধান বক্তা ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব

প্রেমের টানে ইতালির তরুণী কক্সবাজারের রামুতে

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

বাংলাদেশি তরুণের প্রেমের টানে নিজ দেশ ইতালি ছেড়ে কক্সবাজারের রামুতে চলে এসেছেন রুবেরটা (২৩) নামের এক তরুণী।

বুধবার (৯ নভেম্বর) রামু উপজেলা সদরের হাইটুপি বড়ুয়া পাড়ার ফ্রান্স প্রবাসী বিকাশ বড়ুয়ার ছেলে রুনেক্স বড়ুয়ার (২৮) সঙ্গে ইতালির সার্দেনিয়া শহর থেকে বাংলাদেশে আসেন ওই তরুণী।

জানা যায়, প্রায় তিন বছর আগে ইতালিতে যান রুনেক্স। সেখানে ওই তরুণীর সঙ্গে একটি আবাসিক হোটেলে কাজ করতেন তিনি। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। প্রায় এক বছরের বেশি সময় প্রেমের পর তারা বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন। এই সম্পর্কের ধারাবাহিকতায় তরুণী বাংলাদেশে আসেন। চলতি মাসেই তাদের পারিবারিকভাবে বিয়ে হবে।

রুনেক্স বড়ুয়া বলেন, তিন বছর আগে ইতালিতে গিয়েছিলাম। একটি হোটেলে কাজ করতাম। সেখানেই পরিচয় হয় রুবেরটার সঙ্গে। এরপর প্রেম। এখন আমরা দেশে এসেছি বিয়ে করব। আপনাদের দাওয়াত। সে আমার পরিবারের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নিচ্ছে। আমার পরিবারও তাকে গ্রহণ করেছে।

প্রেমের সফল পরিণতিতে রুবেরটা বলেন, মানুষের জীবন একটা। সঙ্গীও একটা হওয়া উচিত। আমার সমাজে সেটা নেই। আমি বিশ্বাস করি, রুনেক্স আমার জীবনে একমাত্র সঙ্গী হয়ে থাকবে। ওকে পেয়ে আমি দারুণ খুশি। তার পরিবারের সবার সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। এ ধারা সামনের দিনগুলোতে বজায় থাকবে সেই প্রার্থনা করি।

রুনেক্সের পরিবার বলছে, আমরা আনন্দিত। দুজনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি। ভাষাগত সমস্যা থাকলেও সবকিছুতেই মানিয়ে নিচ্ছেন রুবেরটা। ঘুরে বেড়াচ্ছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতসহ নানা জায়গায়। এলাকার লোকজন তাকে দেখার জন্য সারাক্ষণ বাড়িতে ভিড় করছে। আমাদের স্বপ্ন ছিল ঘরে বিদেশি বউ আনবো। সেটাই বাস্তবে রূপ পাচ্ছে। আমরা তাকে নিয়ে খুব খুশি। তাদের ধুমধাম করে বিয়ে দেব।

ফাইনালের আম্পায়ারদের নাম ঘোষণা

স্পোর্টস ডেস্কঃ

অপেক্ষার প্রহর গুণছে সবাই। ক্রিকেটপ্রেমীদের উত্তেজনা তুঙ্গে। মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে খেতাবি লড়াইয়ে মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড-পাকিস্তান।

ফাইনাল শেষে বিশ্বকাপের শিরোপায় চুমু কে খাবেন? বাবর আজম নাকি জস বাটলার!

সে প্রশ্নের জবাব জানা যাবে, আগামীকাল রোববার বেলা ২টার শুরু হতে যাওয়া মহারণের পর।

তবে তার আগেই হতাশ পাকিস্তানি ক্রিকেট সমর্থকরা। কারণ, ফাইনাল ম্যাচের জন্য নির্ধারিত দুই অনফিল্ড আম্পায়ার তাদের পছন্দের নয়।

ফাইনাল ম্যাচের আম্পায়ারদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

শুক্রবার ঘোষিত তালিকায় দেখা যাচ্ছে, ম্যাচে অনফিল্ড আম্পায়ার হিসেবে থাকছেন দক্ষিণ আফ্রিকার মারাই এরাসমাস এবং শ্রীলংকার কুমার ধর্মসেনা।টিভি আম্পায়ারের দায়িত্ব পেয়েছেন নিউজিল্যান্ডের ক্রিস গ্যাফানি। চতুর্থ আম্পায়ার হিসেবে আছেন অস্ট্রেলিয়ার পল রাইফেল। ফাইনালের ম্যাচ রেফারি শ্রীলংকার রঞ্জন মাদুগালে।

রিজার্ভ (চতুর্থ) আম্পায়ার হিসেবে আইসিসি নির্বাচিত করেছে অস্ট্রেলিয়ার পল রেইফেলকে।

আর অনফিল্ড আম্পায়ারদের নাম শুনেই হতাশ হয়েছেন পাকিস্তানি সমর্থকরা। কারণ, বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে ভারতের বিপক্ষে মারাইস ইরাসমাসের অধীনেই খেলেছিল পাকিস্তান। সে ম্যাচে মারাইসের ওপর প্রভাব বিস্তার করেন ভারতের ব্যাটিং সেনসেশন বিরাট কোহলি।

ম্যাচের শেষ ওভারে স্পিনার মোহাম্মদ নওয়াজের ফুল টস বলটিকে ছক্কা হাঁকান কোহলি। এরপর নো-কল করে আম্পায়ারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন কোহলি। কোহলির কথায় সাড়া দিয়ে ওই বলকে নো-বল বলে অভিহিত করেছিলেন মারাইস।

এরপর ম্যাচটি হেরে যায় পাকিস্তান। পাকিস্তানি ভক্তদের অভিযোগ ছিল, কোহলির নির্দেশে আম্পায়ার নো-বল দিয়েছেন। নো বল না হলে হয়তো ম্যাচের ফল অন্যরকম হতে পারত।

শ্রীলংকার কুমার ধর্মসেনাকে নিয়েও চলছে অন্যরকম আলোচনা। এই সেই আম্পায়ার যিনি ২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ‘ভুল’ সিদ্ধান্তে ওভার-থ্রোয়ে ৫ রানের বদলে ৬ রান উপহার দিয়েছিলেন। তার সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে পরবর্তী সময়ে বিস্তর বিতর্ক দেখা দেয়। ইংল্যান্ডের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পিছনে সেই বাড়তি ১ রানের গুরুত্ব অস্বীকার করার উপায় নেই।

আর রোববার ফাইনালে পাকিস্তানের প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ডই।

টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালের ম্যাচ অফিসিয়াল:-
অন-ফিল্ড আম্পায়ার: মরিস এরাসমাস ও কুমার ধর্মসেনা।
তৃতীয় আম্পায়ার: ক্রিস গ্যাফানি।
চতুর্থ আম্পায়ার: পল রেইফেল।
ম্যাচ রেফারি: রঞ্জন মদুগালে।

দুবাই থেকে ফেরার পথে আটক শাহরুখ খান

বিনোদন ডেস্কঃ

ফের বিপাকে বলিউডের বাদশাহ শাহরুখ খান। এবার ভারতে মুম্বাই বিমানবন্দরে শুল্ক দফতরের কর্মকর্তারা আটক করেন কিং খানকে।

দুবাই থেকে ফেরার পথে মুম্বাই বিমানবন্দরে শনিবার অভিনেতাকে আটক করে দফতরের কর্মকর্তারা। ব্যক্তিগত বিমানে দুবাই থেকে ফিরছিলেন তিনি।

সূত্রের দাবি, তার কাছে ১৮ লাখ টাকার ঘড়ির কভার ছিল। ছয় লাখ ৮৩ হাজার টাকা দেওয়ার পর ছাড়া হয় তাকে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, শারজা থেকে শনিবার মুম্বাই ফিরছিলেন শাহরুখ খান। তার কাছে ১৮ লাখ টাকার ঘড়ির খাপ ছিল। এজন্য তাকে আটক করেন শুল্ক দফতরের কর্মকর্তারা। এর পর শাহরুখকে ছয় লাখ ৮৩ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হয়েছে।

তবে শুল্ক দফতরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে শাহরুখ সহযোগিতা করেছেন বলে জানা গেছে। নিয়ম মেনে যা যা করণীয় ছিল, তার সবটাই করেছেন শাহরুখ। ছাড়া পাওয়ার পর অবশ্য কালবিলম্ব না করেই বিমানবন্দর থেকে বেরিয়ে সোজা নিজের গাড়িতে উঠে যান তিনি।

এখন আর দেশে চাল দেওয়ার জন্য মিসকিন পাওয়া যায় না: মতিয়া চৌধুরী

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

এখন আর দেশে চাল দেওয়ার জন্য মিসকিন পাওয়া যায় না বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী।

শনিবার (১২ নভেম্বর) বিকেলে সিংহজানী হাইস্কুল মাঠে জামালপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মতিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ যা বলে, তা করে। শেখ হাসিনা যা বলেন, জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাই করেন। বাংলাদেশে কিছু রাজনৈতিক কবিরাজ আছে, যারা দেশের দুঃসময়ে ভবিষ্যতবাণী করেন। আর শেখ হাসিনা এসব রাজনৈতিক কবিরাজদের অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন।

তিনি বলেন, ৬ দফা প্রশ্নে মানুষ বঙ্গবন্ধুকে ভোট দিয়েছিল, বঙ্গবন্ধু মানুষকে মুক্তি দিয়েছেন। আপনারা আলোকিত ও উন্নত দেশের স্বার্থে শেখ হাসিনাকে ভোট দেবেন, শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি রক্ষা করবেন। অতীতে অনেক সরকার ক্ষমতায় ছিল, কিন্তু নারীর ক্ষমতায়ন শব্দটি পেপারের কাগজে আসা শুরু হয়েছে শেখ হাসিনার আমলে। এখন আর দেশে চাল দেওয়ার জন্য মিসকিন পাওয়া যায় না।

মতিয়া চৌধুরী আরও বলেন, যেখানে নিজেদের থাকার জায়গা হয় না, সেখানে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছেন শেখ হাসিনা। তিনি চাইলে তাদের বিজিবি-আর্মি দিয়ে বিতাড়িত করতে পারতেন, কিন্তু তিনি মানবতার মা, তা করেননি। যারা বর্ণচোরা, দিনে স্বাধীনতার কথা বলে, রাতের অন্ধকারে জামাতের সঙ্গে আতাত করে, তাদের প্রতিরোধ করতে হবে।

সম্মেলনের উদ্বোধক ছিলেন জামালপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ বাকী বিল্লাহ। এসময় সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ডা. এম এ মান্নান খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম ও শফিউল আলম চৌধুরী (নাদেল), সাংস্কৃতিক সম্পাদক বাবু অসীম কুমার উকিল প্রমুখ।

আশ্রয়ণের ঘর দেয়ার কথা বলে নারীকে ধর্ষণরে অভিযোগ

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সেনবাগে প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর দেয়ার কথা বলে স্বামী পরিত্যক্তা এক নারীকে (৪২) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে সাবেক ইউপি সদস্যদের à¦