All posts by jitu

নিজের জামাইকে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা উচিত ছিল: ফেসবুকে বিস্ফোরক মন্তব্য পরীমণির

 

বিনোদন ডেস্কঃ

হঠাৎ করেই স্বামী চিত্রনায়ক শরিফুল রাজ, চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম ও নির্মাতা রায়হান রাফির ওপর চটেছেন ঢাকাই সিনেমার প্রতিবাদী নায়িকা পরীমণি। বুধবার (৯ নভেম্বর) দিবারাত সোয়া ২টার দিকে ফেসবুকে দেওয়া পরীমণির একটি স্ট্যাটাস ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। কেননা, সেখানে স্বামী শরিফুল রাজ, অভিনেত্রী বিদ্যা সিনহা মিম ও নির্মাতা রায়হান রাফীকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন এই নায়িকা।

সেই স্ট্যাটাসে পরীমণি চিত্রনায়িকা মিমের বিরুদ্ধে বিয়েবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ এনেছেন এবং পরিচালক রায়হান রাফিকে দালাল হিসেবে অভিহিত করেছেন। একই সঙ্গে নিজের স্বামী রাজের উদ্দেশে সতর্ক বাণী দিয়েছেন তিনি।

পরীমণি সেই পোস্টে শুরুতেই রায়হান রাফিকে ট্যাগ করে লেখেন, ‘সিনেমার সঙ্গে সঙ্গে দালালিটাও ভালো করেন দেখি!’

এরপর মিমকে ট্যাগ করে পরীমণি লেখেন, ‘নিজের জামাইকে নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা উচিত ছিল।’

একইভাবে নিজের স্বামী রাজকে ট্যাগ করে এই চিত্রনায়িকা লেখেন, ‘এটা এতদূর গড়াতে দেয়া উচিত হয়নি তোমার।’

মধ্যরাতে কেন পরী এমন পোস্ট দিলেন সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট জানা যায়নি। সময়ের সঙ্গে এই জল্পনার সত্যতা প্রকাশ্যে আসবে, এমনটাই প্রত্যাশা নেটিজেনদের।

শুরু থেকেই বিদ্যা সিনহা সাহা মিম আর নিজের স্বামী শরিফুল ইসলাম রাজকে নিয়ে সন্দেহ করে আসছিলেন। তবে কি সত্যি হতে চলেছে পরীর সন্দেহ?

ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন ১৬৯

 

স্পোর্টস ডেস্কঃ

স্কোরবোর্ডে ১০০ রান জমা হতে ১৫ ওভার শেষ হয়ে যায় ভারতের। হয়তো বিরাট কোহলি ও হার্দিক পান্ডিয়া হাত না খুললে সেটিও জমা করা যেত না।

এমন পর্যায়ে অতিমানবীয় ইনিংস খেলেছেন হার্দিক পান্ডিয়া। ৪ বাউন্ডারি ও ৫ ছক্কায় মাত্র ৩৩ বলে ৬৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন তিনি।

হার্দিকের টর্নেডো ব্যাটিংয়ে শেষ ৫ ওভারে ৬৮ রান তুলতে পেরেছে টিম ইন্ডিয়া।

ফলে শক্তিশালী ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৬ উইকেটে ১৬৮ রান পুঁজি পেয়েছে রোহিত শর্মার দল। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করতে ইংল্যান্ডের প্রয়োজন রান ১৬৯।

অ্যাডিলেড ওভালে বৃহস্পতিবার টসে জিতে আগে ফিল্ডিং নেন ইংলিশ অধিনায়ক জশ বাটলার। আর তার সিদ্ধান্তকে সঠিক বলে প্রমাণ দেন ইংলিশ বোলাররা।

বেন স্টোকস, ক্রিস ওকস, আদিল রশিদদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ১৪ ওভার শেষেও দলীয় সংগ্রহ ১০০ ছাড়াতে পারেনি ভারত। হারিয়েছে দুই ওপেনারসহ ৩ উইকেট।

শুরুতেই ভারত শিবিরে আঘাত হানেন ওকস। ওকসের প্রথম ও ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারের ৪র্থ বলে কিপার বাটলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন ওপেনার লোকেশ রাহুল মাত্র ৫ বলে ৫ রান করে।

এর পর বিরাট কোহলির সঙ্গে ৫৬ রানের জুড়ি গড়ে আউট হয়ে ফিরেছেন অধিনায়ক রোহিত শর্মা।

৮ম ওভারের ৫ম বলে জর্ডানকে বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে স্যাম ক্যারেনের হাতে ধরা পড়েন রোহিত। ৪ বাউন্ডারিতে ২৮ বলে ২৭ রান করেছেন হিটম্যান।

ভারত দলের সবচেয়ে বড় আতঙ্ক সূর্যকুমার যাদবকে বড় ইনিংস খেলতে দেননি স্পিনার আদিল রশিদ। ১২তম ওভারের দ্বিতীয় বলে সল্টের হাতে ক্যাচ তুলে দেন সূর্য। ১০ বলে ১৪ রান করে থেমেছেন সূর্য।

এর পর থেকে অলরাউন্ডার হার্দিককে নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকেন কোহলি। ১৮তম ওভারের শেষ বলে কাঁটায় কাঁটায় ফিফটি করে আউট হয়ে যান কোহলি।

জর্ডানের ওয়াইডিশ ইয়র্করে ভালো টাইমিং ছিল কোহলির। কিন্তু শর্ট থার্ডে দাঁড়িয়ে থাকা আদিল রশিদের দুর্দান্ত এক ডাইভে শেষ হয় কোহলির ইনিংস। ৪ বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় ৪০ বলে ৫০ রান এসেছে ভারতের সাবেক অধিনায়কের ব্যাট থেকে।

কোহলির পর ব্যাট হাতে নেমেই বাউন্ডারি হাঁকান ঋষভ পন্ত। স্যাক কুরানের ওই ওভার থেকে ২০ রান নিলেন হার্দিক-পন্ত। এর আগের ওভারে (১৮) কোহলির উইকেট হারালে ১৫ রান নিতে পারে ভারত।

শেষ ওভারটি দুর্দান্ত করেছেন জর্ডান। তৃতীয় বলে পন্তকে রানআউট করে দেন জর্ডান। পন্ত ফিরেছেন ৪ বলে ৬ রান করে। কিন্তু তাতে রান থামেনি ভারতের। ৪র্থ ও ৫ম বলে যথাক্রমে চার ও ছক্কা হাঁকান হার্দিক। শেষ বলেও বল সীমানার বাইরে পাঠিয়েছিলেন তিনি। তবে হিট উইকেট আউট হয়ে যান হার্দিক।

বাতাকান্দি-রায়পুর রাস্তার সংস্কার কাজ ধীরগতি, ভোগান্তিতে পথচারী ও এলাকাবাসী

 

মোঃ জুয়েল রানা, তিতাসঃ

কুমিল্লা তিতাস উপজেলার বাতাকান্দি টু রায়পুর যাতায়াতের প্রধান সড়কের সংস্কার কাজ চলছে। কাজ ধীরগতিতে চলার কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে পথচারী, চালক ও এলাকাবাসীদের।

এই রাস্তাটি দিয়ে উপজেলার বলরামপুর, কলাকান্দি, ভিটিকান্দি, নারান্দিয়া ইউনিয়নসহ পাশ্ববর্তী উপজেলা মুরাদনগর ও দাউদকান্দির কয়েকটি ইউনিয়নের হাজার হাজার মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে। কিন্তু রাস্তাটির একদিকে খানাখন্দ অন্যদিকে ঠিকাদার রাস্তাটি খুঁড়ে রাখায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। দীর্ঘ এক যোগ এই রাস্তাটির বেহাল অবস্থা থাকার পরে সংস্কার কাজ শুরু হয় গত ৬ মাস পূর্বে। এতে এই অঞ্চলের লোকজনের ভেতর আশার আলো জাগে। কিন্তু ঠিকাদারের অবহেলার কারণে দুর্ভোগ আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।

সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,১৪ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের রাস্তাটির তিতাস উপজেলার কদমতলি হতে আসমানিয়া অংশে প্রায় তিন কিলোমিাটার রাস্তায় নিন্ম মানের ইটের সুড়কি ফেলে রোলার মেশিন দিয়ে ডলে রাখা হয়েছে। তার উপর দিয়ে যানবাহন চলাচলের কারণে ধুলাবালির পরিমাণ বেড়েছে বহু গুণ। এতে প্রতিদিনই ছড়িয়ে পড়ছে ধুলার দূষণ এবং নানা রোগে আক্রান্তের শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। হুমকির মধ্যে পড়েছে জনস্বাস্থ্য। এজন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকেই দায়ী করছেন সচেতন মহল ও পথচারী। এমনকি ঐ এলাকার আবাসস্থলও বসবাসের অযোগ্য হয়ে পরেছে।

আটোরিকশা চালক সুজন জানান, এ রাস্তা দিয়ে গাড়ি চালালে গাড়ির টায়ার স্পিংসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে যায়। গাড়ি কাদ হয়ে পরে যায়। এছাড়াও ধুলাবালির কারনে সচরাচর আমরা এই রাস্তায় গাড়ি চালাই না।

পথচারী ও রাস্তার পাশে বসবাসকারীরা বলেন, রাস্তার কাজ ধীরগতি হওয়ায় আমাদের চলাচলে খুব কষ্ট হচ্ছে। এবং ধুলাবালির কারনে রাস্তায় চলাচলতো দুরের কথা বাড়িতে থাকায়টা অসম্ভব হয়ে পরেছে। এতে বিভিন্ন জনে নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। এ ব্যাপারে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।

তিতাস উপজেলা প্রকৌশলী মোজাম্মেল হক বলেন, মালামালের দাম ঊর্ধ্বগতি হওয়ায় ঠিকারদার ধীরগতিতে কাজ করছে। আমরা দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য চেষ্টা করছি।

মুরাদনগরে সড়ক ঘেঁষে ময়লার স্তূপ, ১৭ হাজার শিক্ষার্থীসহ পথচারীদের দুর্ভোগ

 

মাহবুব আলম আরিফ, মুরাদনগরঃ

সড়কের পাশে জমে আছে ময়লা-আবর্জনার বিশাল স্তূপ। সেখান থেকে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে প্রতিনিয়ত। কাপড়ে নাক ঢেকে চলছে শিক্ষার্থী ও পথচারীরা। কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা সদর এলাকার গোলক রায়ের বাড়ির পাশের প্রতিদিনের চিত্র এটি।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ১৫ বর্গ কিলোমিটার নিয়ে গঠিত মুরাদনগর উপজেলা সদর এলাকাটি। সদর এলাকায় ৮ হাজার ৯৬৫ পরিবারে ৫৭ হাজার মানুষের বসবাস। তার মধ্যে রয়েছে ১টি কলেজ, ২টি উচ্চবিদ্যালয়, ২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৪টি কিন্ডার গার্টেন ও ১৭টি ছোট বড় মাদ্রাসার প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষার্থী। কিন্তু উপজেলা সদর এলাকায় ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য নেই কোনো নির্দিষ্ট স্থান। এর ফলে প্রতিদিন ট্রলিতে ভরে ময়লা এনে মুরাদনগর উপজেলা সদরের মুরাদনগর-হোমনা সড়কের পাশে ফেলছেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। পাশাপাশি মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের দক্ষিণ পাশে, মুরাদনগর পল্লিবিদ্যৎ অফিসের দক্ষিণ পাশে, মুরাদনগর বাস টার্মিনালের পাশে, মুরাদনগর নূরুন্নাহার বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের পশ্চিম পাশের খালে, মুরাদনগর সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পশ্চিম পাশের খালে ও গোমতী নদীতে ময়লা-আবর্জনা ফেলা হয়।

পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা বলছেন, মুরাদনগর উপজেলা সদরে ময়লা ফেলার কোন নির্দিষ্ট স্থান না থাকায় তারা বাধ্য হয়ে যেখানে সুবিধা হয় সেখানেই ময়লা ফেলছে।

মুরাদনগর সদর এলাকার বাসিন্দা গোলাম রহমান বলেন, একটি আবাসিক এলাকায় এভাবে ময়লা-আবর্জনা ফেলা মোটেও ঠিক নয়। ময়লা-আবর্জনা থেকে এলাকায় জীবাণু ছড়াচ্ছে। মশা-মাছি পোকামাকড় জন্ম নিচ্ছে। মাঝে মধ্যে এসব ময়লা মুখে নিয়ে কুকুর দৌড়াদৌড়ি করে বাড়ী ঘরের অবস্থা খুব খারাপ করে ফেলে।

মুরাদনগর কাজী নোমান আহম্মেদ ডিগ্রী কলেজের শিক্ষার্থী মেহনাজ ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিন এ রাস্তা দিয়ে আমাদের কলেজে যাতায়াত করতে হয়। রাস্তার পাশে ময়লা আবর্জনার স্তূপ থেকে খুব বাজে উৎকট দুর্গন্ধ ছড়ায়। ফলে ওই স্থান দিয়ে যাতায়াত করতে খুব কষ্ট হয়।’

কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ সাদেকুল ইসলাম বলেন, ‘আমার বাসা থেকে কলেজে যেতেও এটি একমাত্র রাস্তা। রাস্তার পাশে ময়লা আবর্জনার স্তূপ থেকে যে দুর্গন্ধ ছড়ায় তা শুধু কলেজের শিক্ষার্থী না বরং চলাচলের একমাত্র রাস্তা হওয়ায় সদরের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও স্থানীয় পথচারীরা দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এসব ময়লা আবর্জনা এখান থেকে দ্রæত অপসারণ করা না হলে মাষ্টার পাড়া যে আবাসিক এলাকাটি আছে সেখানে বসবাস করাটাই কষ্টদায়ক হয়ে যাবে।

মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আলাউদ্দিন ভূইয়া জনী বলেন, সড়কের পাশে ময়লা-আবর্জনা ফেলার বিষয়টি দেখার জন্য আমি সহকারি কমিশনার (ভূমি) কে বলেছি।
এ বিষয়ে মুরাদনগর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ নাজমুল হুদা বলেন, নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার জন্য জায়গা খোঁজা হচ্ছে। অনেক কিছু বিবেচনা করেই জায়গা নির্ধারণ করতে হয়। তবে আশা করছি খুব দ্রুতই জায়গা নির্ধারণ করা হবে এবং নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলার ব্যবস্থা করা হবে।

প্রকল্প না পেলে দেড়শ আসনে ইভিএমে ভোট সম্ভব নয়: ইসি

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

আগামী বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) প্রকল্প পাস না হলে জাতীয় নির্বাচনে দেড়শ’ আসনে ইভিএমে ভোট সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর। বিদেশ থেকে ইভিএম যন্ত্রপাতি আনতে নানা প্রক্রিয়ার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, মধ্য জানুয়ারির মধ্যে অর্ডার দিতে হবে। না হলে আর সম্ভব হয়ে উঠবে না।

বুধবার নির্বাচন ভবনে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর এ কথা বলেন। তিনি জানান, সেক্ষেত্রে বর্তমানে ইসির হাতে থাকা দেড় লাখ ইভিএম নির্বাচনে ব্যবহার করা হবে।

নতুন দুই লাখ ইভিএম কিনতে ৮ হাজার ৭১১ কোটি টাকার ‘নির্বাচনি ব্যবস্থায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) ব্যবহার বৃদ্ধি এবং টেকসই ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক একটি প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠায় ইসি। গত মঙ্গলবার পরিকল্পনা কমিশন ওই প্রকল্প প্রস্তাবের ব্যয় যৌক্তিক করার পরামর্শ দেয়।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মো.আলমগীর বলেন, পরিকল্পনা কমিশন কী পর্যবেক্ষণ দিয়েছে তা নির্বাচন কমিশন এখনও জানে না। এগুলো দেখার পর কমিশন বসে সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি বলেন, প্রকল্প অর্থনৈতিক সক্ষমতার ওপর নির্ভর করে। পরিকল্পনা কমিশন বা অর্থ মন্ত্রণালয় কত টাকা দিতে পারবে, তার ওপর এটি নির্ভর করে।

তিনি বলেন, প্রকল্প অনুমোদনের পর কার্যাদেশ দেওয়া, এলসি খোলা, যন্ত্রাংশ দেশে আনা, মান পরীক্ষা করা, সংশ্লিষ্টদের প্রশিক্ষণ, ইভিএম ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত করা, মাঠে পাঠানো—এ কাজগুলো করতে হবে। ডিসেম্বরের শেষ থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে প্রকল্প অনুমোদন না হলে নতুন ইভিএম জাতীয় নির্বাচনে ব্যবহার করা সম্ভব হবে না।

এক প্রশ্নের জবাবে এই কমিশনার বলেন, সারা বিশ্বে অর্থনৈতিক সংকট আছে। বাংলাদেশও তার বাইরে নয়। ইভিএমের যে ব্যয় তার অধিকাংশই বিদেশি মুদ্রায় পরিশোধ করতে হবে। যন্ত্রাংশ বিদেশ থেকে আমদানি করতে হবে। রিজার্ভের একটা সমস্যা থাকতে পারে, অর্থনৈতিক সমস্যা থাকতে পারে, সে হিসাবে পরিকল্পনা কমিশন কতটুকু পারবে সেসব দেখে ইসি সিদ্ধান্ত নেবে কী করা উচিত।

মো. আলমগীর বলেন, প্রকল্প প্রস্তাবে ইভিএম সংরক্ষণাগার, পরিবহনের জন্য গাড়ি, প্রশিক্ষণ বিভিন্ন খাত আছে। পরিকল্পনা কমিশন কোন খাতে খরচ কমাতে বলেছে তা এখনও কমিশন জানে না। তবে যেটাই হোক, যাতে অর্থ ও সম্পদের অপচয় না হয় সেগুলো বিবেচনায় নিয়েই ইসি সিদ্ধান্ত নেবে।

অর্থনৈতিক সংকটের মধ্যে এত বড় প্রকল্প প্রস্তাব করার বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইভিএমের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় অর্থনৈতিক পরিস্থিতি এমন ছিল না। অর্থনৈতিক সক্ষমতা কতটুকু আছে সেটা বলতে পারবে অর্থ মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। ইসি নিজেদের চাহিদার কথা বলেছে। মন্ত্রণালয় কতটুকু দিতে পারবে সেটা তাদের ব্যাপার।

কমিটি নেই, তারপরও সারওয়ারের নেতৃত্বে সাংগঠনিক কর্মকান্ডে কুমিল্লা উত্তর যুবলীগ সক্রিয়

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণার ১৩ মাস পার হলেও নতুন কমিটি এখনো ঘোষিত হয়নি। বার বার বিলম্বিত হচ্ছে কমিটি ঘোষণায় । ফলে হতাশায় নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা। সামনে জাতীয় নির্বাচন। এর আগে কমিটি ঘোষণায় বিলম্ব হওয়ায় সাংগঠনিক কার্যক্রমেও স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। কমিটি ঘোষণায় কেন এত বিলম্ব হচ্ছে, তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে চারদিকে। অনেকের মতে, আহ্বায়ক ও যুগ্ম আহ্বায়ক পদ নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হওয়ায় কমিটি ঘোষণা করতে সময় নিচ্ছে কেন্দ্রীয় কমিটি।কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের কমিটি কি বির্তক – সমালোচনা এড়াতে পারবে, নাকি ত্যাগি ও সক্রিয় নেতাকর্মীদের বাদ দিয়েই ঘোষিত হবে, তা নিয়ে জেলাজুড়ে নানা আলোচনা চলছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিভিন্ন সূত্রমতে, কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের কমিটিতে ত্যাগি ও মাঠের পরিশ্রমি নেতাকর্মীদের বাদ দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে । তাদেরকে বাদ দেওয়ার জন্য নানা দিক দিয়ে মিথ্যে তথ্য সরবরাহ করে তদবির অব্যাহত রয়েছে। এছাড়া মাদক ব্যবসায়ি, নিস্ক্রিয় সাবেক ছাত্রলীগ নেতা, ব্যবসায়ি ও প্রাইভেট চাকুরীজীবিদের জন্য তদবির করছে উত্তরের বেশ কয়েকজন রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধি। এদিকে পদ হারানোর ভয়ে শংকিত মাঠ পর্যায়ের নিবেদিত নেতাকর্মীরা।

বিগত বছরের ২ অক্টোবর কুমিল্লা উত্তর জেলা শাখা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। বিলুপ্ত ঘোষণার পর নতুন কমিটির জন্য নেতাকর্মীদের কাছে জীবনবৃত্তান্ত আহ্বান করা হয়। বিভিন্ন সূত্রমতে, যুবলীগের নতুন কমিটিতে স্থান পেতে প্রায় দেড় শতাধিক নেতাকর্মী কেন্দ্রে জীবনবৃত্তান্ত জমা দিয়েছেন। এর মধ্যে সভাপতি কিংবা আহ্বায়ক পদেই প্রার্থী রয়েছেন ৩৫ জন। কমিটি বিলুপ্তির প্রায় ১ বছর ১ মাস অতিক্রম হয়েছে , কিন্তু নানা কারনে এখনো নতুন কমিটি ঘোষিত হয়নি।

রাজনৈতিক এলাকা হিসেবে কুমিল্লা উত্তর জেলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ এলাকা থেকে বহু মন্ত্রী দেশ শাসন করেছেন। কুমিল্লার দেবিদ্বার, চান্দিনা, মুরাদনগর, দাউদকান্দি, হোমনা , মেঘনা ও তিতাসসহ ৭ উপজেলা ও বাঙ্গরা নামক এক থানা নিয়ে কুমিল্লা উত্তর রাজনৈতিক জেলা বিবেচিত হয়ে আসছে। বিগত বছরের ২ অক্টোবর সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা ও দলীয় শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের শাখা কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ। এ শাখার আওতাধীন উপজেলা শাখাগুলোও আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে চলছে বছরের পর বছর ধরে। নতুন কমিটি গঠনে সক্রিয়তা কম দেখা গেলেও করোনাকালে অসহায় মানুষের পাশে ছিল উত্তর জেলা যুবলীগ।

যুবলীগের নতুন কমিটিতে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক কিংবা আহ্বায়ক-যুগ্ম আহ্বায়ক পদে স্থান পেতে জোর লবিং করছে আগ্রহী প্রার্থীরা। সভাপতি পদে বেশ আলোচনায় রয়েছেন যুবলীগের বিলুপ্ত কমিটির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ সারওয়ার হোসেন বাবু । এছাড়া এই পদে দাউদকান্দি উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আনোয়ার, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা প্রকৌশলী গাজী রাসেল এর নাম আলোচনায় রয়েছে। তবে এই পদে সারওয়ার হোসেন বাবুর নামই জোরেসোরে আলোচনায় রয়েছে। কারণ সারওয়ার বাবু বিত ১৫ বছরে জেলাজুড়ে নানা ইতিবাচক কর্মকান্ডে সক্রিয় ছিলেন। বিশেষ করে করোনা কালে তার সক্রিয় কর্মকান্ড ছিল প্রশংসার দাবিদার। এই পদে আরেক প্রার্থী আনোয়ার ।এক সময় ছাত্রলীগ করলেও গুরুত্বপূর্ন পদ ছিল না। তবে সে দাউদকান্দি উপজেলা যুবলীগের দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া প্রকৌশলী গাজী রাসেলের বাড়ি দেবিদ্বার। তিনি ঢাকায় ঠিকাদারি কাজের সাথে জড়িত। এলাকায় খুবই কম দেখা যায়। সেই প্রেক্ষাপটে সারওয়ার হোসেন বাবুর সাথে এই পদে লড়াইয়ে তেমন কেউ প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আসতে পারবে না বলে আশাবাদ তৃণমূল নেতৃবৃন্দের।

জানা যায়, সারওয়ার বাবু যাতে এ পদ না পেতে পারেন সেজন্য তিতাস, দেবিদ্বার ও চান্দিনার তিনটি গ্রুপ বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে কেন্দ্রে জোর তদবির করছেন। কিন্তু ২০০৯ সাল থেকে অদ্যাবধি সারওয়ার হোসেন বাবু কুমিল্লা উত্তর জেলার রাজনীতির মাঠে সক্রিয় এবং দলের জন্য নিবেদিত কর্মী বলে স্থানীয় সূত্র ও বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়। তিনি ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন । ২০১৫ সালে তিনি কুমিল্লা উত্তর জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক পদে দায়িত্ব পান। দায়িত্ব পালনকালে সাংগাঠনিক কার্যক্রমে তিনি বেশ সক্রিয় ছিলেন। বিশেষ করে করোনা মহামারিতে হ্যালো যুবলীগ গঠন করে প্রায় ১০ হাজার অসহায় ও কর্মহীন মানুষের ঘরে খাবার পৌছে দিয়েছেন। এছাড়া করোনা সুরক্ষাসামগ্রী নিয়মিত সরবরাহ করেছেন। দিয়েছেন অক্সিজেন সেবাও। সব মিলিয়ে করোনা সংকটময় সময়ে মানুষের পাশেই ছিলেন এই যুবলীগ নেতা। এছাড়া উত্তর জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর মাঝে বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী সম্বলিত হাজার হাজার বই বিতরণ করেছেন সারওয়ার হোসেন বাবু। সিলেটে সম্প্রতি বণ্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ২ ট্রাক খাদ্য নিয়ে সেখানে বিতরণ করেছেন সারওয়ার হোসেন বাবু। তাছাড়া কেন্দ্রীয় সকল সাংগঠনিক কর্মকান্ডে সারওয়ার হোসেন বাবুর সক্রিয়তা উল্লেখ করার মত। স্থানীয় কয়েকজন জনপ্রতিনিধির রোষানলে না পড়লে সারওয়ার বাবুই যুবলীগের দায়িত্ব পাবেন এ বিষয়ে নিশ্চিত তৃণমূল রাজনীতিবিদরা।

সারওয়ার হোসেন বাবু জানান, আমার অতীত কার্যক্রম এবং দলের প্রতি আস্থা বিবেচনা করে কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ যদি চায় তাহলে আমি এ পদ নিতে ইচ্ছে পোষণ করছি । যদি আমি সভাপতি কিংবা আহ্বায়ক পদে দায়িত্ব পাই তাহলে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি, স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ অনুযায়ী যুবলীগের বর্তমান কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশে পরিচালনা করবো।

এছাড়া বিভিন্ন পদে আলোচনায় রয়েছেন দেবিদ্বার উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক শামীম, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক সদস্য আবুল কালাম আজাদ, এড. মো: এনামুল হাছান খান (রিপন),কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্র্রলীগের সভাপতি আবু কাউছার অনিক, হোমনা কলেজের সাবেক ভিপি লিটন, বাঙ্গরা থানা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ নজরুল, দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদের ভাই মামুনুর রশীদ প্রমুখ।

যুবলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম শামীম জানান, আমি দীর্ঘদিন ছাত্রলীগের রাজনীতি করেছি। বর্তমানে দলের বিভিন্ন সাংগঠনিক কর্মকান্ডে সক্রিয় রয়েছি। আশা করি দলীয় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আমার অতীত ও বর্তমান কর্মকান্ড বিবেচনা করে যুবলীগে আমাকে স্থান দিবে।

কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্র্রলীগের সাবেক সভাপতি আবু কাউছার অনিক বলেন, সাবেক ছাত্রনেতাদের সমন্বয়ে যুবলীগ গঠন করলে সাংগাঠনিক কার্যক্রম বেগবান হবে। আশা করি সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করা নেতাকর্মীরাই যুবলীগে স্থান পাবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিগত কমিটির এক যুবলীগ নেতা জানান, আমাদের কমিটি দায়িত্ব পালনকালে একটি ইউনিটের কমিটি ঘোষণা দিয়েছিল। এরপরই জেলা কমিটি ভেঙ্গে দেয়া হয়। সামনের কমিটিতে যদি অতীতের ওই ভুলের মাশুল হিসেবে সারওয়ার হোসেন বাবুকে বাদ দেওয়া হয়, তাহলে বিষয়টি হবে খুবই হতাশার ও দু:খজনক। দলের স্বার্থে সারওয়ার হোসেন বাবুকে মূল্যায়ণ করা উচিত।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শোনা যাচ্ছে এক উপজেলার একই পরিবারের দুই সদস্য জনপ্রতিনিধি। এই পরিবার থেকে আরো একজনকে যুবলীগে ভাল পদে জায়গা দেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ লবিং চলছে। একজন সাংসদও ওই প্রার্থীর জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন। এমন যদি হয় অবস্থা তাহলে রাজনীতি তো পরিবারতান্ত্রিক হয়ে যাবে। আমরা আশা করবো পরিবারতান্ত্রিক না হয়ে অর্থের কাছে যেন যুবলীগ না হারে।

উল্লেখ্য যে, ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর মোঃ বাহাউদ্দিন বাহারকে আহ্বায়ক ও মোঃ সারওয়ার হোসেন বাবুকে যুগ্ম আহ্বায়ক করে কুমিল্লা (উত্তর) জেলা যুবলীগের ২১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় যুবলীগ।

দীর্ঘ ৬ বছর পর আগামী ১০ ডিসেম্বর চাঁদপুর জেলা আ’লীগের সম্মেলন

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ হয়েছে। সব ঠিক থাকলে দীর্ঘ ৬ বছর পর আগামী ১০ ডিসেম্বর সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে উপজেলাগুলোর সম্মেলন শেষ করা হবে। চাঁদপুরের আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে কেন্দ্রীয় নেতাদের বৈঠক শেষে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

আওয়ামী লীগ সূত্র জানায়, আগামী ২২ নভেম্বর হাজীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগ, ২৬ নভেম্বর হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ, ২৭ নভেম্বর শাহরাস্তি উপজেলা আওয়ামী লীগ, ৫ ডিসেম্বর হাইমচর উপজেলা আওয়ামী লীগ, ৬ ডিসেম্বর চাঁদপুর সদর উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ৮ ডিসেম্বর কচুয়া উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলন একই দিনে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আগামী ১০ ডিসেম্বর চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হবে।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটওয়ারী দুলাল বলেন, হাজীগঞ্জ, শাহরাস্তি, কচুয়া, হাইমচর ও চাঁদপুর সদর উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। ফরিদগঞ্জ, মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ আলোচনা করে নির্ধারণ করা হবে। উপজেলাগুলোর সম্মেলন শেষে ১০ ডিসেম্বর জেলার সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে।

জানা যায়, চাঁদপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলন হয় ২০০৪ সালে। ওই সম্মেলনে সভাপতি হন বর্তমান উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান ও সাধারণ সম্পাদক হন অ্যাড. জহিরুল ইসলাম। কিন্তু পরবর্তীতে অ্যাড. জহিরুল ইসলাম জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ ছাড়েন। এরপর সদরের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হন আলী আরশাদ। এরপর দীর্ঘ ১৮ বছরেও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়নি।

এদিকে হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলন হয় ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর। ওই সম্মেলনে সভাপতি হেলাল উদ্দিন মজুমদার ও দ্বিতীয়বারের মতো সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন গাজী মো. মাঈনুদ্দিন।

আর ২০১৬ সালে জেলা আওয়ামী লীগের সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত নাছির উদ্দিন আহমেদ ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আবু নঈম পাটওয়ারী দুলালকে।

চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দিন বলেন, উপজেলা ও পৌর আওয়ামী লীগের সম্মেলন হবে। এরপর আপাতত ১০ ডিসেম্বর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।