All posts by jitu

শ্রীলঙ্কাকে হারালেই ফাইনালে যাওয়ার সুযোগ পেত বাংলাদেশ : পাপন

 

স্পোর্টস ডেস্কঃ

শেষ হয়ে গেছে এশিয়া কাপের আসর। রুদ্ধশ্বাস ফাইনালে পাকিস্তানকে ২৩ রানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে তারুণ্যনির্ভর শ্রীলঙ্কা। যারা আফগানিস্তানের কাছে ৮ উইকেটে হেরে আসর শুরু করেছিল। এরপর বাংলাদেশের বিপক্ষে পায় প্রথম জয়।

সেই শুরু, টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলোতে আর হারেনি শ্রীলঙ্কা। বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন মনে করেন, শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সেই ম্যাচটি জিততে পারলে বাংলাদেশও সুযোগ পেত ফাইনাল পর্যন্ত যাওয়ার।

দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া কাপ ফাইনাল দেখতে গ্যালারিতে অন্য সব বোর্ড প্রধানদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন নাজমুল হাসান পাপন। ম্যাচ শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নাজমুল বলেন, ‘ক্রিকেট হচ্ছে আপনাকে সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে হবে। শ্রীলঙ্কা সেটা করতে পেরেছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ভারত একটা ক্যাচ মিস করে টুর্নামেন্ট থেকে আউট হয়ে গেছে। পাকিস্তান আজকে ক্যাচ মিস করেছে। আমরা ক্যাচ মিস করেছি। ছোট ছোট ভুলগুলো আমরা যত দিন পর্যন্ত ঠিক করতে না পারব, তত দিন পর্যন্ত এ রকম অবস্থা থাকবে। ’

গ্রুপ পর্বে শ্রীলঙ্কার কাছে ২ উইকেটের হার মানতেই পারছেন না বিসিবি সভাপতি। তার মতে, ওই ম্যাচটা জিতলে বাংলাদেশও ফাইনালে খেলার সুযোগ পেত। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ দল ভালো। এশিয়া কাপে শ্রীলঙ্কার সঙ্গে ওই ম্যাচটা না জেতার কোনো কারণ নেই। আমরা যদি সেই ম্যাচটা জিততাম, তাহলে আমাদেরও সুযোগ আসতে পারত। বলা তো যায় না। কিন্তু মাঠের পারফরম্যান্স ক্রিকেটারদের ওপর নির্ভর করে। কিন্তু দল খুবই ভালো। ’

জনপ্রিয় গায়ক জুবিন নটিয়ালকে গ্রেফতারের দাবি নেটিজেনদের

 

বিনোদন ডেস্কঃ

বলিউডের জনপ্রিয় গায়ক জুবিন নটিয়ালকে গ্রেফতারের দাবি উঠেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সম্প্রতি তার মার্কিন কনসার্টের ঘোষণার পরেই এমন বিতর্কের মুখে পড়েন এই গায়ক।

জুবিনের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শোটি আয়োজন করছে জয় সিং। যিনি নিষিদ্ধ খালিস্তানি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। এ কারণে নেটিজেনদের দাবি, যে জুবিনের সঙ্গে সন্দেহভাজন অপরাধীর একটি সংযোগ রয়েছে।

তাই এই গায়ককে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে! সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম জুড়ে ট্রেন্ডিং চলছে ‘অ্যারেস্ট জুবিন নটিয়াল’।

বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী জানা গেছে যে, আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর টেক্সাসের হাউসটনে জুবিন নটিয়ালের কনসার্ট হতে যাচ্ছে। সেটির আয়োজক জয় সিংহ নামে এক ব্যক্তি। ওই ব্যক্তির সঙ্গে নির্বাসিত খলিস্তানির যোগাযোগ রয়েছে বলে দাবি তোলা হচ্ছে। জয় সিং গত ৩০ বছর ধরে আত্মগোপনে ছিলেন এবং মাদক চোরাচালান এবং ভিডিও পাইরেসির অভিযোগে চণ্ডিগড় পুলিশ তাকে ‘ওয়ান্টেড ক্রিমিনাল’ হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে। শুধু তাই নয়, জয় সিংহকে একজন পলাতক দুষ্কৃতিকারী বলেও দাবি করা হচ্ছে।

সম্প্রতি জুবিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের কনসার্টের কথা জানান। আর তারপর থেকেই তাকে নিয়ে ট্রলিং শুরু করেছে নেটিজেনরা। জুবিন ও জয় সিংহের যোগসূত্র খুঁজতে গিয়ে ভাইরাল হয়ে গেছে আরেক জনপ্রিয় গায়ক অরিজিৎ সিংহের ছবি। জয় সিংহের সঙ্গে অরিজিৎ সিংহের সেই ছবি নিয়েও প্রচুর ব্যঙ্গ শুরু করেছেন নেটিজেনরা।

অভিবাসী শ্রমিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি: প্রতিবছর হাজার হাজার মরদেহ আসছে দেশে

 

নাজমুল হুদা খান:

বৈশ্বিক অর্থনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে অভিবাসী শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতি মজবুত করতে জোরালো ভূমিকা রাখছে। বিশ্বব্যাপী শ্রমবাজারে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। বিশ্বের ১৭৪টিরও বেশি দেশে প্রায় দেড় কোটি অভিবাসী শ্রমিকের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সমৃদ্ধ করছে এবং শতকরা ১২% জিডিপি প্রবৃদ্ধিতে প্রত্যক্ষভাবে ভূমিকা রাখছে। শুধু ২০২১ সালেই অভিবাসী শ্রমিকরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছে ১৮৯ হাজার ৩৬৭ কোটি টাকা। এসব অভিবাসী শ্রমিকরা উল্লিখিত দেশসমূহে হাসপাতাল, পোশাকশিল্প, বিভিন্ন কলকারখানা, অফিস, কৃষি খামার, মার্কেট, রেস্টুরেন্ট ও গৃহকর্মী ইত্যাদি কর্মকান্ডে  নিযুক্ত রয়েছে। প্রবাসী শ্রমিকরা উপসাগরীয় দেশগুলোতে অত্যাধিক গরম, আর্দ্রতা, বায়ুদূষণ, অতিরিক্ত কর্মঘণ্টা, নির্যাতনমূলক কাজের পরিস্থিতিসহ অনেক সমস্যার মুখোমুখি হন।

অভিবাসী শ্রমিকদের অনেক বেশি স্বাস্থ্যঝুঁকির মধ্যে কাজ করতে হয়। তারা নানা ধরনের অস্বাস্থ্যকর, নোংরা ও ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিয়োজিত থাকে।

গৃহস্থালি, রেস্টুরেন্ট, কলকারখানার গরম, আদ্র ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে কাজ করতে হয় বলে অনেকেই ডায়রিয়া, যক্ষ্মা, চর্মরোগ, জন্ডিসসহ নানাবিধ সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য রয়েছে। পশুপাখির খামারের কর্মরতদের মধ্যে যক্ষ্মা, চোখের নানাবিধ ব্যাধি এবং পেশি ও অস্থিসন্ধিতে দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা ও প্রদাহ দেখা দেয়। খনি ও অন্যান্য কারখানায় কর্মরতদের ফুসফুসের কর্মক্ষমতা হ্রাস, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, প্রভৃতি রোগে ভুগতে দেখা যায়। খাবারের রেস্টুরেন্ট ও খাবার তৈরির কাজে নিয়োজিতরা খাদ্যনালি, পরিপাকতন্ত্র, লিভারসহ নানা অঙ্গপ্রত্যঙ্গে সংক্রামক ব্যাধিতে ভুগে থাকেন।

প্রবাসী শ্রমিকরা বিভিন্ন সামাজিক অসঙ্গতি, বৈষম্য ও অপরিচিত পরিবেশের কারণে শারীরিক ও মানসিক অসুস্থতা বৃদ্ধি ঘটে।

অধিকাংশকেই অতিরিক্ত কাজের চাপে অসুস্থ হয়ে পড়তে দেখা যায়; তারপরও মুখ বুজে সহ্য করে এবং নিজের অসুস্থতাকে লুকিয়ে বিদেশের মাটিতে কামড়ে পড়ে থাকতে হয়। শ্রমিকদের অধিকাংশকেই নিরাপত্তাহীন বারান্দা, স্টোর রুম বা চিলেকোঠার অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে রাত্রযাপন করতে হয়। অনেকে বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের মুখোমুখি হতে হতে মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে এবং ডিপ্রেশন, সিজোফ্রেনিয়াসহ নানাবিধ মানসিক ব্যধিতে আক্রান্ত হয়। এমনকি আত্মহত্যার ঘটনাও ঘটতে দেখা যায়। উপরন্তু পরিবারের কাছ থেকে দীর্ঘদিন আলাদা থাকা, সামাজিক ও পারিবারিক স্নেহ-মমতা থেকে বঞ্চনা, একাকিত্ব, দারিদ্র্য; সব মিলিয়ে তারা মানবেতর জীবনযাপনে বাধ্য হয়।

শ্রমিকরা অসুস্থতার পরও বিভিন্ন বাধাবিঘ্নের কারণে অথবা চিকিৎসাকেন্দ্রসমূহে প্রবেশাধিকার কিংবা ইন্স্যুরেন্স না থাকার কারণে চিকিৎসা সুবিধা থেকে বঞ্চিত থাকে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে হাসপাতালমুখী হতে পারলেও ভাষা সমস্যা বা অদক্ষতার কারণে সঠিক চিকিৎসাটি পায় না। অনেক সময় বেতন কম পাওয়া বা বেতন না পাওয়ার ভয়ে শারীরিক অসুস্থতাকে পুষে রাখে; যা পরবর্তী সময়ে জটিল আকারে রূপ নেয়। অবৈধপথে গমনকারী বা অবৈধ ভিসা পাসপোর্টধারী শ্রমিকদের অবস্থা আরও প্রকট।

শ্রমিকরা বিদেশ গমনকালে ফিটনেস টেস্টেও বিড়ম্বনার শিকার হন; অনেক সময় মেডিকেল পরীক্ষার ফলাফল জালিয়াতি করে ফিটনেসের জন্য অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়। ফিট শ্রমিককে আনফিট কিংবা আনফিটকে ফিট করতে অর্থ প্রদানে বাধ্য করা হয়।

প্রবাসে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকদের বিভিন্ন অসুখ-বিসুখ, জখম, সুচিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর অঙ্কও বিশাল। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবাসীকল্যাণ ডেস্ক ও বিভিন্ন মাধ্যম সূত্র মতে, ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মালয়েশিয়া থেকে এসেছে ৭৮৪টি এবং সৌদি আরব থেকে এসেছে ১০০৮টি লাশ। উল্লেখযোগ্যসংখ্যক নারী শ্রমিকরাও এ সময়কালে নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে।

এ ছাড়া কুয়েত থেকে ২০১, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ২২৮, বাহরাইন থেকে ৮৭, ওমান থেকে ২৭৬, জর্ডান থেকে ২৬, কাতার থেকে ১১০, লেবানন থেকে ৪০ সহ মোট তিন হাজার ৫৭ জনের লাশ দেশে ফিরেছে।

এ ছাড়া ২০০৯ সালে ২ হাজার ৩১৫ জন, ২০১০ সালে ২ হাজার ২৯৯ জন, ২০১১ সালে ২ হাজার ২৩৫ জন, ২০১২ সালে ২ হাজার ৩৮৩ জন, ২০১৩ সালে ২ হাজার ৫৪২ জন, ২০১৪ সালে ২ হাজার ৮৭২ জন, ২০১৫ সালে ২ হাজার ৮৩১ জন, ২০১৬ সালে ২ হাজার ৯৮৫ জন, ২০১৭ সালে ২ হাজার ৯১৯ জনের মরদেহ দেশে ফিরেছে।

বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের (বিলস) প্রবাসী নারী শ্রমিকদের ওপর গবেষণার তথ্যমতে, ৩৮ শতাংশ নারী বিদেশে যাওয়ার পর শারীরিকভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, ৫২ শতাংশ নারী শ্রমিককে জোর করে অতিরিক্ত কাজে বাধ্য করা, ৬১ শতাংশ বিদেশে খাদ্য ও পানীর অভাব, উল্লেখযোগ্যসংখ্যক যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে তথ্য উঠে এসেছে। ৮৭ শতাংশ নারী শ্রমিক প্রবাসে সঠিক চিকিৎসাসেবা পান না বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। চাকরি হারিয়ে বা দেশে ফিরে ৮৫ শতাংশ নারী হতাশাগ্রস্ত, ৬১ শতাংশ ঋণের বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছেন, ৫৫ শতাংশ শারীরিকভাবে ও ২৯ শতাংশ মানসিকভাবে অসুস্থতায় ভুগে থাকেন। এমনকি বিদেশ থেকে হেয়প্রতিপন্ন হয়ে দেশে ফেরত আসার পর নারী শ্রমিকরা সমাজ ও পরিবারের নিকট অসম্মানিত হচ্ছেন। ৩৮ শতাংশ নারী চরিত্রহীনা বলে গণ্য, ২৮ শতাংশ দাম্পত্য জীবন ক্ষতিগ্রস্ত এবং ১৫ শতাংশ তালাকপ্রাপ্ত হন। বিদেশ ভ্রমণে প্রাক্কালে নারী শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও সেবাবিষয়ক তথ্যাদি পুরোপুরি অবগত করা হয় না। এবং বিদেশে তাদের চিকিৎসাসেবাবিষয়ক তথ্যসংবলিত চুক্তিনামাও অনেক ক্ষেত্রে থাকে না।

অভিবাসী শ্রমিকের স্বাস্থ্যসেবা সুনিশ্চিতের জন্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গুরুত্বারোপ করেছে। আন্তর্জাতিক শ্রমসংস্থা (আইএলও) সব দেশসমূহকে অভিবাসী শ্রমিকদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতে কাজ করছে। আন্তর্জাতিক অভিবাসী শ্রমিক আধিকার কনভেনশন সব অভিবাসী শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা; এমনকি অবৈধ শ্রমিকের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের ওপর জোরারোপ করেছে। সুতরাং অভিবাসী শ্রমিকদের স্বাগতিক দেশসমূহকে শ্রম স্বাস্থ্য আইন সঠিকভাবে নিশ্চিতে এগিয়ে আসা প্রয়োজন। শ্রমিক নিয়োগকৃত কোম্পানি সমূহকে স্বাস্থ্যসেবা চুক্তিনামা পালনে সংশ্লিষ্টদের কর্মকান্ডে  নজরদারি বাড়ানো উচিত। মালিকপক্ষের অভিবাসী শ্রমিকদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে এগিয়ে আসা দায়িত্ব ও কর্তব্য।

শ্রমিক নিয়োগ চুক্তিপত্রে হেলথ ইন্স্যুরেন্স, চিকিৎসা সুবিধা, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, জখম ও মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়গুলো স্পষ্টিকরণ করা উচিত।

বাংলাদেশে অভিবাসী শ্রমিকদের স্বাস্থ্যঝুঁকি লাঘবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সুপারিশের আলোকে ৭ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় সুনির্দিষ্ট পলিসি ও ব্যবস্থাপনা নির্দেশিকা প্রণয়ন করেছে। আইএলও এর সহায়তায় অভিবাসী শ্রমিকের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে তিন বছর মেয়াদি জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে এগিয়ে এসেছে। অভিবাসী আইন ২০১৩ এবং অভিবাসী কল্যাণ ও নিয়োগ আইন ২০১৬ তে জখম ও মৃত্যুর ক্ষতিপূরণ এবং শ্রমিকের নিরাপদ ও সম্মানজনক কাজ এবং স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের কথা বলা হয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় অভিবাসীগনের সঠিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা, হেলথ ইন্স্যুরেন্স, সামাজিক ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং স্বাস্থ্যগত কারণে ফেরত আসা অভিবাসী শ্রমিকের তথ্য-উপাত্তের প্রোফাইল সংরক্ষণের কাজ করছে।

অভিবাসী শ্রমিকদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গুরুত্ব প্রদান করে সব অভিবাসী শ্রম আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। অভিবাসী শ্রমিকের অভিবাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে পৃথক স্বায়ত্তশাসিত স্বাস্থ্য বিভাগ গঠন করা যেতে পারে।

সংশ্লিষ্ট এনজিও এবং ইলেকট্রনিক, প্রিন্ট ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিষয়সমূহ বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন করতে ভূমিকা রাখতে এগিয়ে আসতে হবে। অভিবাসী শ্রমিকের সমাজ ও পরিবারকে তাদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় ভূমিকা রাখতে হবে।

তাদের যথাযথ সম্মান ও শ্রদ্ধার আসনে মর্যাদা প্রদান করতে হবে। রাষ্ট্রের অর্থনীতি সুদৃঢ়, সামাজিক ও পরিবারের স্বচ্ছলতা আনয়নে জীবনের প্রতিটি স্তরে ঝুঁকি নিয়ে অভিবাসী শ্রমিকরা সাহসী ভূমিকা রাখছে। জাতিসংঘ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থাসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংগঠনসমূহ অভিবাসী শ্রমিকদের স্বাস্থ্য ও মর্যাদা সুরক্ষায় সবাইকে এগিয়ে আসতে আহ্বান জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ এ বিষয়ে বহু আগেই পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন ও বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। অভিবাসী শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে নিজ নিজ দায়িত্বটি সুচারুরূপে পালনে এগিয়ে আসতে হবে। পাশাপাশি পরিবার ও সমাজের অংশ হিসেবে তাদের পাশে সব সময় আমাদের দাঁড়াতে হবে।

[লেখক : প্রাক্তন সহকারী পরিচালক,

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল,

ঢাকা]

একের পর এক শহর নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে ইউক্রেন, ২৪ ঘণ্টায় ২০টির বেশি দখল

 

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

রুশ বাহিনীর হাত থেকে একের পর এক শহরের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে ইউক্রেন। গত ২৪ ঘণ্টায় ২০টির বেশি শহরের দখল ইউক্রেনীয় বাহিনীর হাতে চলে গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ অব আর্মড ফোর্সেস জানিয়েছে, তারা পূর্বাঞ্চলে রুশ বাহিনীর ওপর পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ২০টির বেশি শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। খবর আল জাজিরার।

সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে সর্বশেষ আপডেট এক পোস্টে অভিযানের বিষয়ে বলা হয়েছে, যেসব শহরের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়েছে সেখানে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে কাজ করছে তারা। কিয়েভের দাবি, চলতি মাসে দেশের পূর্বাঞ্চলের তিন হাজার বর্গ কিলোমিটারের বেশি এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী।

এদিকে ইউক্রেনের দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে দেশটির উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। এর আগে ওই অঞ্চলে রাশিয়ার অগ্রগতি থামাতে পাল্টা হামলা শুরু করে কিয়েভ।

ইউক্রেনের জেনারেল স্টাফ নিয়মিত আপডেটে জানিয়েছেন, ক্রামতোর্স্ক ও ডিনিপ্রোসহ ৩০টির বেশি জনবসতি রুশ ক্ষেপণাস্ত্র এবং বিমান হামলার শিকার হয়েছে। তাছাড়া খারকিভ ও ক্রেমেনচুকের অন্তত দুটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানো হয়েছে।

৬ মাসের বেশি সময় ধরে চলছে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে হামলা চালায় রাশিয়া। সম্প্রতি খারকিভে পাল্টা প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে ইউক্রেনের সেনারা। কিয়েভের দাবি, রুশ সেনারা পিছু হটছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর পাল্টা আক্রমণ শুরু করে ইউক্রেন। দেশটির উত্তর-পূর্বে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা বেড়াজালকে ভেঙে ফেলেছে তারা।

১১ সেপ্টেম্বর সকালে ইউক্রেনের সামরিক প্রধান ভ্যালেরি জালুঝনি ঘোষণা করেন যে, দেশটির সেনাবাহিনী ১১ দিনে তিন হাজার বর্গকিলোমিটারেরও বেশি এলাকা পুনরুদ্ধার করেছে। ওই এলাকা গত এপ্রিল থেকে রাশিয়া দখল করে রেখেছিল। অন্য একটি পরিসংখ্যান বলছে, ৯ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকা পুনরায় নিয়ন্ত্রণে নিতে পারে ইউক্রেন, যেটি প্রায় সাইপ্রাসের আয়তনের সমান।

রুশ সেনারা আতঙ্কিত এবং পিছু হটছে বলে দাবি করেছে ইউক্রেন। একই সঙ্গে ব্যাপক হারে সামরিক সরঞ্জাম পরিত্যক্ত অবস্থায় রয়েছে। সম্প্রতি এমন খবরও ছড়িয়ে পড়েছে। এদিকে রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় শনিবার স্বীকার করেছে যে, তারা ইউক্রেনের উত্তর-পূর্বের ইজিয়ম শহরে তাদের প্রধান ঘাঁটি এবং প্রতিবেশী বালাক্লিয়া শহর পরিত্যাগ করেছে রুশ সেনারা।

না জানিয়ে স্কুলমাঠে ছাত্রলীগের সংবর্ধনা, অতিথিদের বরণ করতে যানবাহন আটকে ঘণ্টাব্যাপী যানজট

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

লক্ষ্মীপুরে স্কুলমাঠে ছাত্রলীগের নতুন কমিটির নেতাদের সংবর্ধনার আয়োজন করায় ক্লাস না করে বাড়ি ফিরতে হয়েছে শিক্ষার্থীদের। সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান লক্ষ্মীপুর বালিকা বিদ্যা নিকেতন ও এন আহম্মদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তা ও প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান শিক্ষকদের কাছে পূর্বানুমতি ছাড়াই ছাত্রলীগ এ আয়োজন করেছে বলে জানা গেছে।

জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির নেতাদের সংবর্ধনা দিতে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজ ও সদর উপজেলা কমিটি এ আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শাজাহান খান। সদর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি তারেক মাহমুদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন, আওয়ামী লীগ নেতা এম আলাউদ্দিন, লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ও সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান একেএম সালাহ উদ্দিন টিপু প্রমুখ।

এদিকে সকাল থেকেই লক্ষ্মীপুরে বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টি মাথায় নিয়ে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে যায়। কিন্তু ছাত্রলীগের অনুষ্ঠানের কারণে শিক্ষকরা ক্লাস করাতে পারেননি। এতে বৃষ্টিতে ভিজেই শিক্ষার্থীদের বাড়ি ফিরতে হয়েছে। এনিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা।

ছাত্রলীগ সূত্রে জানা যায়, জেলা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির সভাপতি সাইফুল ইসলাম রকি ও সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন ভূঁইয়াসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে সংবর্ধনা দিতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বেলা ১১টার দিকে সংবর্ধনা অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ১০টা থেকেই মাইকে বিভিন্নজন বক্তব্য দিতে শুরু করেন। পরে অনুষ্ঠান শুরু হয় দুপুর পৌনে ২টার দিকে। এর আগে সকাল থেকেই জেলার পাঁচ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী এসে মাঠে জড়ো হয়। এতে বালিকা বিদ্যা নিকেতন ও এন আহম্মদিয়া বিদ্যালয়ের পাঠদান সম্ভব হয়নি।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের অতিথিদের বরণ করতে নেতাকর্মীরা ঢাকা-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের উত্তর তেমুহনি এলাকায় অবস্থান নেন। এতে রাস্তার দুই পাশে ঘণ্টাব্যাপী যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন আটকে ঘণ্টাব্যাপী যানজট ছিল। অনুষ্ঠানস্থলে ড্রোন উড়িয়ে ভিডিও করতে দেখা যায়।

আবদুর রশিদ, আবুল কালাম, নুসরাত জাহান ও রেশমা আক্তার নামে কয়েকজন অভিভাবক জানান, এ দুই বিদ্যালয়ের জন্য একটি মাঠ। এখানে প্রায়ই রাজনৈতিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিদ্যালয় থেকে সংরক্ষিত ছুটি দেওয়া হয়েছে। এভাবে চললে ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখায় ক্ষতি হবে। বিদ্যালয় খোলার দিন মাঠে এসব অনুষ্ঠান পুরোপুরি বন্ধ করা প্রয়োজন।

লক্ষ্মীপুর বালিকা বিদ্যা নিকেতনের প্রধান শিক্ষক আলমগীর আলম বলেন, মাঠে অন্যান্য অনুষ্ঠানের জন্য পূর্বে অবগত করা হত। কিন্তু ছাত্রলীগের অনুষ্ঠানের বিষয়টি আমাদেরকে আগে জানানো হয়নি। সকালে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ে আসলে দুই বিষয়ে পাঠদান করানো হয়েছে। পরে মাইকের আওয়াজে বাধ্য হয়ে পাঠদান বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়।

মধ্য বাঞ্চানগর এন আহম্মদিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবিদা নাজমীন বলেন, অনুষ্ঠানটি সম্পর্কে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আমাকে রোববার জানানো হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের সংরক্ষিত ছুটি দেওয়া হয়।

সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তারেক মাহমুদ বলেন, অনুষ্ঠান সম্পর্কে দুই প্রতিষ্ঠানকে আগেই অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু তারা কেন বিদ্যালয় বন্ধ দেয়নি, তা আমার জানা নেই।

এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরান হোসেন বলেন, বিদ্যালয় মাঠে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের জন্য কেউ অনুমতির জন্য আবেদন করেনি। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে উপজেলা মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এ ব্যাপারে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।

সংসদ সদস্য পঙ্কজ দেবনাথকে আ’লীগের সব পদ থেকে অব্যাহতি

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য পঙ্কজ দেবনাথকে দলীয় সব পদ থেকে অব্যাহতি দিয়েছে আওয়ামী লীগ। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে দল।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। রোববার ওই আদেশে স্বাক্ষর করেন বিপ্লব বড়ুয়া। তবে আজ সোমবার বিষয়টি গণমাধ্যমে আসে।

ওই আদেশে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পঙ্কজ দেবনাথের লিখিত জবাব কেন্দ্রীয় দপ্তর বিভাগে জমা দিতে বলা হয়েছে।

অব্যাহতির বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস জানিয়েছেন, কার্যনির্বাহী সংসদ সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাকে জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পদ এবং দলীয় সব পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা আমরা পেয়েছি।

বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য পঙ্কজ দেবনাথ বলেন, দলের পাঠানো অব্যাহতির চিঠি আমি পেয়েছি। তবে এর বেশি কোনো কথা বলতে রাজি হননি এই সংসদ সদস্য।

বাঙ্গরায় ৩৮ কেজি গাজা উদ্ধার, পিকআপ ভ্যান জব্দ

 

মাহবুব আলম আরিফ, মুরাদনগরঃ

কুমিল্লার মুরাদনগরে ৩৮ কেজি গাঁজাসহ গাজাঁ পরিবহন কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ ভ্যান উদ্ধার করেছে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ।

রবিবার রাত ৮টায় উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন দৌলতপুর নজরুল গেইট এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব গাজাঁ ও পরিবহন কাজে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যান জব্দ করা হয়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে গাড়ী ফেলে আসামীরা পালিয়ে যায়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ব্রাহ্মণপাড়া মাধবপুর হতে দুইজন মাদক ব্যবসায়ী একটি পিকআপ ভ্যান দিয়ে মাদকের একটি বড় চালান বাঙ্গরাবাজার থানার দৌলতপুরের দিকে আসছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে এসআই জাহাঙ্গীর আলম ও এসআই কাজী মোঃ শাহনেওয়াজ এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ দৌলতপুর নজরুল গেইট এলাকায় চেক পোষ্ট স্থাপন করে। আসামীরা পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে দৌলতপুর পল্লী বিদ্যুৎ সাব-স্টেশন অফিসের রাস্তার পাশে গাড়ীটি রেখে পালিয়ে যায়। পরে আসামীদের ফেলে যাওয়া পিকআপ ভ্যানটি তল্লাশী করে গাড়ীর ভিতরে থাকা ৩৮ কেজি গাঁজা এবং আসামীদের ফেলে যাওয়া একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে মাদক পরিবহন কাজে ব্যবহৃত পিকআপ ভ্যানটি জব্দ করে।

এ বিষয়ে বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, দৌলতপুর নজরুল গেইট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩৮ কেজি গাজাঁ উদ্ধার করা হয়। জব্দকৃত পিকআপের অজ্ঞাতনামা চালক ও অজ্ঞাতনামা একজন মাদক কারবারী’র বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়।

রাজগ‌ঞ্জের শিশু খাদ‌্য ও নিত‌্যপ‌ণ্যের বাজা‌রে অ‌ভিযান, ৩ প্রতিষ্ঠান‌কে জ‌রিমানা

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কু‌মিল্লা  নগরীর রাজগঞ্জ এলাকায় শিশু খাদ‌্য, গু‌ড়ো দুুধ, হো‌টেল ও নিত‌্যপ‌ণ্যের বাজা‌রে বি‌শেষ তদার‌কি অ‌ভিযান প‌রিচালনা করে  জাতীয় ভোক্তা অ‌ধিকার সংরক্ষণ অ‌ধিদপ্তর কু‌মিল্লা জেলা কার্যাল‌য়।

সোমবার ( ১২ সে‌প্টেম্বর)  সকাল ১০ টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত  সহকারী প‌রিচালক মো: আছাদুল ইসলা‌মের নেতৃ‌ত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

এ সময় অনু‌মোদনহীন à