All posts by jitu

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনকে ছাড়াই ভারত গেলেন প্রধানমন্ত্রী

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

সম্প্রতি নানা বক্তব্য দিয়ে আলোচিত-সমালোচিত পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনকে ছাড়াই ভারত সফর শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রী নয়াদিল্লির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।

সফরসঙ্গী হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ওই ফ্লাইটে দিল্লি যাওয়ার কথা ছিল। পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত রবিবার সংবাদ সম্মেলনে দিল্লিতে যাওয়ার কথা বলেছিলেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেন সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন মন্তব্য করে আলোচিত-সমালোচিত হন। এর মধ্যে শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে তিনি ভারতের সহযোগিতা চেয়েছেন- এমন বক্তব্যও গণমাধ্যমে এসেছিল। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরে এ বিষয়ে ব্যাখ্যায় বলেছেন, তিনি নির্বাচনে ভারতের সহযোগিতা চাননি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা বলেছেন, অসুস্থতার কারণে মন্ত্রী দিল্লি যাননি।

সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ভিভিআইপি চার্টার্ড ফ্লাইটটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

ফ্লাইটটি দুপুর ১২টায় (বাংলাদেশ সময়) নয়াদিল্লির পালাম বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে যেখানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ভারতের রেল ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী দর্শনা বিক্রম এবং ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মুহাম্মদ ইমরান অভ্যর্থনা জানাবেন।

যে সব কারনে পাকিস্তানের কাছে হারল ভারত

 

স্পোর্টস ডেস্ক:

টান টান উত্তেজনাপূর্ন এশিয়া কাপের সুপার ফোর পর্বের ম্যাচে ভারতকে হারিয়েছে পাকিস্তান। রবিবার রাতে দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পাকিস্তান জয় পেয়েছে ৫ উইকেটে। এশিয়া কাপে ভারতের বিপক্ষে টানা চার ম্যাচ হারের পর অবশেষে জয়ের স্বাদ পেল পাকিস্তান।

ম্যাচ শেষে ভারতের হারের কারণ হিসেবে বেশ কয়েকটি বিষয় আলোচনায় আসছে। যেমন-

দারুণ শুরু করেও ধরে রাখতে পারেনি ভারত:

টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত শুরু করেছিল ভারত। লোকেশ রাহুল ও অধিনায়ক রোহিত শর্মা প্রথম ৫ ওভারে ভারতকে এনে দেন ৫৪ রান। তবে এমন দারুণ শুরু ধরে রাখতে পারেনি ভারত। দলীয় ৬২ রানের মধ্যে বিদায় নেন দুই ওপেনারই। এরপর ব্যাট হাতে ব্যর্থ হন সূর্যকুমার যাদব ও ঋষভ পন্থ। সূর্যকুমার ১০ বলে ১৩ ও পন্থ ১২ বলে ১৪ রান করেন। হার্দিক পাণ্ডিয়া তো খুলতে পারেননি রানের খাতাই। কোহলির ৪৪ বলে ৬০ রানের ইনিংসে ভর করে ভারত শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেটে ১৮১ রান তুলতে সমর্থ হয়।

পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে পরিবর্তন:

১৮২ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে নবম ওভারে দ্বিতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান, তখন পাকিস্তানের রান মাত্র ৬৩। সেই সময় স্বীকৃত ব্যাটার না পাঠিয়ে লোয়ার অর্ডার ব্যাটার মোহাম্মদ নওয়াজকে মাঠে নামিয়ে দেয় পাকিস্তান। এতেই বাজিমাত। মাত্র ২০ বলে ৪২ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে নওয়াজই ম্যাচটি পাকিস্তানের পক্ষে নিয়ে যান। ম্যাচসেরার পুরস্কার উঠেছে তাঁর হাতেই।

রিজওয়ানের ফর্ম:

এবারের এশিয়া কাপে দারুণ ফর্মে রয়েছেন পাকিস্তানের উইকেটরক্ষক-ব্যাটার মোহাম্মদ রিজওয়ান। হংকংয়ের বিপক্ষে অপরাজিত ৭৮ রানের ইনিংস খেলার পর কাল ভারতের বিপক্ষে ৫১ বলে করলেন ৭১। এই ধরনের রান তাড়ায় উইকেট পড়ে গেলে যারা নামেন তাদের মাথায় একটা চাপ থাকে, রিজওয়ান চেষ্টা করেছেন উইকেটে টিকে থাকতে এবং ডট বল না দিতে।

শেষ পর্যন্ত স্নায়ু ধরে রাখতে পারেনি ভারত;

হাইভোল্টেজ ম্যাচের স্নায়ুর চাপটা শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারেনি ভারত। ম্যাচে রোহিত শর্মাকে খুবই উদ্বিগ্ন মনে হয়েছে। বিশেষ করে শেষ কয়েকটি ওভারে ফিল্ডিং সাজানোর সময় বেশ নার্ভাস ছিলেন তিনি। শেষ ওভারে ভারতকে বৃত্তের ভেতর একজন ফিল্ডার বাড়তি নিয়ে খেলতে হয়েছে, ওভার রেট ধরে না রাখার শাস্তি হিসেবে। পাকিস্তানের ইনিংসের ১৮তম ওভারে সহজ একটি ক্যাচ ফেলে দেন আর্শদিপ সিং। অনেকেই এই ক্যাচটিকেই ম্যাচ ভারতের হারার কারণ হিসেবে দেখছেন।

সূত্র: কালেরকন্ঠ।

গ্যাসের আগুনে দগ্ধ কলেজ শিক্ষিকা মুনা অবশেষে না ফেরার দেশে

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় রান্না করার সময় গ্যাসের আগুনে দগ্ধ হওয়া এক কলেজ শিক্ষিকা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। রবিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানী ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তাঁর মৃত্যু হয়।

শিক্ষিকা তাহমিনা মুনা (৩২) কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার নবীয়াবাদ এলাকায় অবস্থিত ‘কুমিল্লা মডেল কলেজের’ বাংলা বিভাগের প্রভাষক ছিলেন। তার বাবার বাড়ি কুমিল্লা নগরীর পাথুরিয়াপাড়া এলাকায়।

মুনার স্বামীর বাড়ি জেলার চান্দিনা উপজেলার হারং গ্রামের ভূঁইয়া বাড়িতে। তার ২ বছর ৩ মাস বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।

রবিবার রাতে মুনার স্বামী নাট্যকর্মী ও আবৃত্তি শিল্পী সুমন সালাহউদ্দিন তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ২৯ আগস্ট রাতে তার স্ত্রী নগরীর রেইসকোর্স ভাড়া বাসায় গ্যাসের আগুনে দগ্ধ হন। মুনাকে রক্ষা করতে গিয়ে তিনি নিজেও আহত হন। পরে বাসার লোকজন তাদের উদ্ধার করে প্রথমে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করেন।

সুমন সালাউদ্দিন বলেন, চিকিৎসক জানিয়েছিলেন- মুনার কোমরসহ শরীরের প্রায় ৬০ শতাংশ পুড়ে গেছে। তবু আমরা আশা ছাড়িনি। শেষ পর্যন্ত মুনা আমাদের ছেড়ে চলেই গেল। তার অবস্থা শংকটাপন্ন হওয়ায় তাকে আইসিইউতে নেওয়া হয়েছিল।

জানা গেছে, শিক্ষিকা মুনা কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের ২০০৭- ২০০৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০১৫ সাল থেকে তিনি কুমিল্লা মডেল কলেজে প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

শ্রীলঙ্কার মতো সংকটে পড়বে না বাংলাদেশ: শেখ হাসিনা

 

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

শ্রীলঙ্কার পথে যেতে পারে বাংলাদেশ এমন শঙ্কা উড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, কোভিড-১৯ সংক্রমণ এবং ইউক্রেনে সংঘাত সত্ত্বেও দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী গতিতে এগিয়ে চলছে। এছাড়া যেকোনও ঋণ নেওয়ার সময় সরকার উচ্চ পর্যায়ের পর্যালোচনা করে।

ভারত সফরে যাওয়ার আগের দিন রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) দেশটির বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া বিশেষ এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বর্তমানে পুরো বিশ্ব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। আর এই চ্যালেঞ্জ কেবল বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

তিনি বলেছেন, ‘আমাদের অর্থনীতি এখনও অত্যন্ত শক্তিশালী রয়েছে। যদিও আমরা কোভিড-১৯ মহামারির মুখোমুখি হয়েছি এবং এখন ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ। এখানে তার প্রভাব রয়েছে। কিন্তু ঋণের হারে বাংলাদেশ সর্বদা সময়মতো সব ঋণ পরিশোধ করছে। আর আমাদের ঋণের হার খুবই কম। শ্রীলঙ্কার তুলনায় আমাদের অর্থনীতির গতিপথ এবং উন্নয়ন, (পরিকল্পিত) খুব, খুব হিসেব করে নেওয়া হয়।

এ ধরনের সুবিবেচিত পদক্ষেপের কারণে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নিরাপদ রয়েছে বলে জোর দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, গৃহীত প্রকল্প থেকে লাভের বিষয়টি নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ কোনও ঋণ নেয়নি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমি মনে করি পুরো বিশ্ব অর্থনৈতিক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছে। আমরাও হয়েছি। তবে হ্যাঁ, কিছু লোক আছেন যারা এই বিষয়টি উত্থাপন করেন। ওহ, শ্রীলঙ্কার মতো হবে বাংলাদেশ, এই হবে, সেই হবে। তবে আমি নিশ্চিত করতে পারি, সেটা (বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার মতো) ঘটবে না। কারণ আমরা… আমাদের সকল উন্নয়ন পরিকল্পনা, আমরা যা প্রস্তুত এবং বাস্তবায়ন করি, সর্বদাই আমরা দেখি যে এর রিটার্ন কী হবে? জনগণ কীভাবে সুবিধাভোগী হবে? অন্যথায় আমি শুধু টাকা খরচ করে কোনও প্রকল্প গ্রহণ করি না।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে যখনই সরকার কোনও ঋণ নেওয়ার বিষয়ে বিবেচনা করে, তখন প্রকল্পটি শেষ হলে দেশের জন্য কী পরিমাণ রিটার্ন আসবে তার পূর্বানুমাণ করার জন্য একটি সুস্পষ্ট নীতি রয়েছে। আমাদের অর্থনীতির উন্নয়ন কীভাবে হবে? জনগণ সুবিধাভোগী হবে, এটাই আমাদের অগ্রাধিকার। তাই আমরা সব পরিকল্পনা, কর্মসূচি সেভাবেই নিচ্ছি। আমরা অপ্রয়োজনীয় কোনও টাকা খরচ করি না।

শ্রীলঙ্কার অর্থনীতি ভেঙে পড়েছে এবং অনেক বিশেষজ্ঞের বিশ্বাস, দেশটির উচ্চাভিলাষী প্রকল্পগুলোতে চীনের মতো বিভিন্ন দেশের ঋণের কারণে বর্তমান সংকট তৈরি হয়েছে। ঋণের অর্থে গ্রহণ করা প্রকল্পগুলো থেকে সামঞ্জস্যপূর্ণ রিটার্ন পায়নি দেশটি। যে কারণে দেশটির অর্থনীতির ভঙ্গুর দশা তৈরি হয়েছে। অনেক বিশেষজ্ঞ এ ধরনের ঋণকে ফাঁদ হিসেবে উল্লেখ করেছেন, যে ফাঁদে উন্নয়নশীল দেশগুলো বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অবশ্য বাংলাদেশ যেভাবে অর্থনৈতিক বিভিন্ন বিষয় পরিচালনা করে সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য শেয়ার করেছেন। তিনি বলেছেন, তার সরকার একেবারে নিয়মনিষ্ঠ পদ্ধতি বিবেচনার পর পরিকল্পনা গ্রহণ করে।

‘এবং আমরা পরিকল্পনা গ্রহণ করি, অত্যন্ত হিসেব-নিকেশের মাধ্যমে, আমি মনে করি, আমরা শ্রীলঙ্কার মতো একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হব না… শুধু তাই নয়, নীতিগত বিষয়েও, যে মুহূর্তে মহামারি শুরু হয়েছিল, কোভিড-১৯, আমি আমাদের জনগণকে আরও বেশি খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছিলাম, যতটা তারা খাদ্য উৎপাদন বাড়াতে পারে। এ জন্য আমরা গ্রাম পর্যায়ে সব ধরনের সহায়তা ও সেবা দিয়েছি এবং লোকজনকে উৎসাহিত করেছি।’

তিনি বলেন, আমি সবসময় তাদের সমর্থন করেছি। জনগণের কী করা উচিত সেবিষয়ে দিক নির্দেশনা দিয়েছি। আমি বলেছি, আপনার খাদ্য আপনাকেই উৎপাদন করতে হবে, যাতে আমরা অন্যের ওপর নির্ভরশীল না হই।

তবে ইউক্রেন সংঘাত বাংলাদেশের জন্য কিছু সমস্যা তৈরি করেছে বলে স্বীকার করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, এটা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে, এই সংঘাতের খারাপ প্রভাব রয়েছে। বিশেষ করে আমরা অন্যান্য দেশ থেকে আমদানি করি।

সরাইলে বাঁশের খুঁটিতে ১১ হাজার ভোল্টের লাইন

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

তিতাস নদের চারপাশে পানি থইথই করছে। সেখানে দিনরাতে চলছে শত শত নৌকা। মাথার ওপর দিয়ে গেছে ১১ হাজার ভোল্টের বিদ্যুৎ লাইন। বিদ্যুতের তার ঝুলছে বাঁশের খুঁটির ওপর। নৌকার ধাক্কা, পানির স্রোত কিংবা ঝড়-বৃষ্টিতে খুঁটি পড়ে গেলেই ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পাকশিমুল ইউনিয়নের তিতাস নদের পাড়ে এভাবেই বাঁশের খুঁটিতে ঝুলছে বিদ্যুতের তার। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এসব খুঁটি প্রতিস্থাপনের দাবি জানিয়ে এলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না।

শুক্রবার সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, পাকশিমুল এলাকায় মেঘালয় মাঠসংলগ্ন তিতাস নদের উত্তর পাড়ে শুধু বাঁশ দিয়ে ১১ হাজার ভোল্টের এসটি লাইনের তার টানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ওই তারের ভারে খুঁটির বাঁশগুলো হেলে পড়েছে। নড়বড়ে বাঁশের খুঁটির পাশ দিয়ে যাচ্ছে নৌকা। মনে হচ্ছিল, নৌকার সঙ্গে ধাক্কা লেগে এখনই খুঁটিগুলো পড়ে যাবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অরুয়াইল সাব-জোনাল অফিসের সংশ্লিষ্টরা বলেন, ‘গত বর্ষার শুরুতেই তিতাস নদীর পাড়ের বিদ্যুৎ-সংযোগের বেশ কয়েকটি খুঁটি ভেঙে যায়।

সেখানে বাঁশের টাওয়ার দিয়ে লাইন টানা হয়েছে। বর্ষার পানির কারণে এমন বাঁশের টাওয়ার বসানো হয়। বর্ষার পানি কমে গেলে বিদ্যুতের খুঁটি বসানো হবে।’

অরুয়াইল স্টিলবডি নৌ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেহান উদ্দিন বলেন, ‘আমরা ওইখান দিয়ে নৌকায় করে বিভিন্ন ধরনের মালামাল আনা-নেওয়া করি। নৌকার সঙ্গে ধাক্কা লাগলেই ভেঙে যেতে পারে বাঁশের এই খুঁটি। এতে যেকোনো সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।’

বর্ষায় মানুষ পারাপার করেন নৌকার মাঝি বাচির মিয়া। তিনি বলেন, বিদ্যুতের খুঁটিগুলো স্রোতের পানিতে পড়ে গেলে অনেক প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।

মেঘালয় (নদীর ধার) এলাকার মিলন মিয়া বলেন, ‘আমরা নৌকায় করে নদীতে মাছ ধরি। এই খুঁটিগুলোর কাছে গেলেই বুক কাঁপতে থাকে। খুঁটির নিচ দিয়ে গেলে মনে হয়, এই বুঝি খুঁটিগুলো তারসহ মাথায় পড়ে যাচ্ছে।’

পাকশিমুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কাউছার হোসেন বলেন, ‘এভাবে বাঁশ দিয়ে বিদ্যুতের খুঁটি বানানো ঝুঁকিপূর্ণ। আপনার কাছ থেকে জেনেছি। পল্লী বিদ্যুৎ ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে শিগগিরই কথা বলব।’

জানতে চাইলে সরাইল উপজেলার অরুয়াইল সাব-জোনাল অফিসের দায়িত্বে থাকা এজিএম জহিরুল ইসলাম মোল্লা বলেন, ‘বাঁশের খুঁটি না বসালে ওই এলাকার গ্রাহকেরা বিদ্যুৎ পেত না। এ জন্য পানির মধ্যে বাঁশের অস্থায়ী টাওয়ার নির্মাণ করে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রেখেছি। যদিও বিধানে নাই। ওখানে এখনো পানি থাকায় বিদ্যুতের খুঁটি বসানো যাচ্ছে না। ঠিকাদারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পানি কমে গেলেই স্থায়ী খুঁটি বসানো হবে।’

জেনে নিন কিছু লক্ষণ, যা দেখে বোঝবেন আপনার প্রেমিকা বিশ্বাসঘাতক

 

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ

যেকোনো সম্পর্কে বিশ্বাসই অন্যতম ভিত্তি। বিশ্বাস না থাকলে সেই সম্পর্ক বেশিদিন টেকে না। তাই প্রেমের সম্পর্কে চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করে আগে একটু যাচাই-বাছাই করে নেওয়া ভালো। কারণ আপনি হয়তো আপনার প্রেমিকাকে অনেক ভালোবাসেন, এদিকে সে আপনাকে গোপনে ধোকা দিয়ে যাচ্ছে।

মানুষ যাকে ভালোবাসে, তাকে সহজে সন্দেহ করতে চায় না। যে কারণে প্রিয় মানুষটি ভেতরে ভেতরে বিশ্বাস ভাঙলেও তা বোঝা সম্ভব হয় না। এদিকে যখন আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি বিশ্বাসঘাতকতার শিকার, ততদিনে হয়তো অনেকটাই দেরি হয়ে যাবে। কিছু বিষয়ে শুরু থেকেই যদি খেয়াল করেন, তবে হয়তো বাঁচতে পারেন প্রেমিকার বিশ্বাসঘাতকতার হাত থেকে। জেনে নিন কিছু লক্ষণ সম্পর্কে, যা দেখে বোঝা যাবে আপনার প্রেমিকা আপনার বিশ্বাস ভঙ্গ করতে পারে-

প্রচুর খরচ করায়

নিজের প্রেমিকার জন্য খরচ করার অভ্যাস থাকা খারাপ নয়। বরং বেশিরভাগ প্রেমিকই এটি করতে চাইবেন। কিন্তু আপনার প্রেমিকা যদি আপনাকে জোর করে বেশি খরচ করায় তবে সতর্ক হোন। সে যদি আপনাকে সত্যি ভালোবাসে তবে আপনার সব বিষয়ে খেয়াল রাখবে। সে আপনাকে দিয়ে অতিরিক্ত খরচ করাতে চাইবে না। আপনার টাকা-পয়সার বিষয়েও সে যত্নশীল হবে। এদিকটায় খেয়াল করে দেখুন। যদি আপনার প্রেমিকা আপনাকে দিয়ে বেশি বেশি খরচ করাতে চায় তবে সতর্ক হয়ে যান।

দূরে গিয়ে ফোন করে

আপনার পাশে থাকাকালীন কোনো কল এলে আপনার প্রেমিকা কি ফোন নিয়ে দূরে চলে যায়? হতে পারে কিছু ক্ষেত্রে প্রাইভেসির দরকার হতে পারে। সব সময়ই যদি সে এমনটা করে তাহলে সতর্ক হোন। হতে পারে সে এমন কারও সঙ্গে কথা চালিয়ে যাচ্ছে যার কথা আপনি জানতে পারলে সমস্যা হতে পারে। সন্দেহ না করে বরং সরাসরি জিজ্ঞেস করুন। দেখুন সে কোনো সদুত্তর দিতে পারছে কি না।

বানোয়াট কথা বলে

বানোয়াট কথা যত সুন্দর করেই বলুক না কেন, একটা সময় আপনি বুঝতে পারবেন যে আপনি আসলে প্রতারিত হয়েছেন। আপনার প্রেমিকা বানোয়াট বা নিজের মতো করে মিথ্যা বলছে কি না সেদিকে খেয়াল করুন। যদি ধরতে পারেন তবে জিজ্ঞেস করুন কেন সে এমনটা করছে। এভাবে নিয়মিত বলতে থাকলে সতর্ক হয়ে যান। কারণ মিথ্যা থেকেই শুরু হয় অবিশ্বাসের।

খুব একটা সময় দেয় না

মানুষ যাকে ভালোবাসে, তার সঙ্গেই বেশি সময় কাটাতে চায়। কিন্তু আপনার প্রেমিকা যদি আপনাকে খুব একটা সময় দিতে না চায়, দেখা করতে না চায়, কল করলে ব্যস্ততা দেখায় তবে সতর্ক হোন। কারণ সে আপনাকে ভালোবাসলে তার গুরুত্বের তালিকায় শুরুতেই আপনি থাকতেন। এমনটা দেখলে ভবিষ্যতের জন্য তৈরি থাকুন।

আপনাকে ব্যবহার করছে

নিজেকে ব্যবহৃত হতে দেবেন না। তার সব কাজে আপনি পাশে থাকেন অথচ কাজ শেষ হলেই আপনাকে আর গুরুত্ব দিচ্ছে না, এমন যদি হয় তবে সরে আসুন। তিনি আসলে আপনাকে ব্যবহার করে যাচ্ছেন। এমন অবস্থায় সতর্ক হওয়ার বিকল্প নেই।

চাঁদপুরে বাবাকে থাপ্পড়, প্রতিবাদ করায় চাচাকে হত্যা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

চাঁদপুরের কচুয়ায় পারিবারিক বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ভাতিজার ছুরিকাঘাতে আহত চাচার মৃত্যু হয়েছে। উপজেলার পশ্চিম সহদেবপুর ইউনিয়নের তুলপাই গ্রামের প্রধানীয়া বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত ভাতিজা ওই বাড়ির নবীর হোসেনের ছেলে শরীফুল আলম। তার ছুরিকাঘাতে নিহত হন তার চাচা ফারুক হোসেন। নিহত ফারুক ওই বাড়ির আফিজ উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে জুমার নামাজের পর অভিযুক্ত শরীফ পারিবারিক কলহের জেরে তার স্ত্রীকে মারধর করেন। এ সময় তার বাবা এগিয়ে এসে কেন মারছে এবং তাকে না মারার জন্য ছেলের সঙ্গে তর্কে জড়ান। এ সময় উত্তেজিত শরীফ তার বাবার গালে থাপ্পর মারেন। এতে বাবা নবীর হোসেনের মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়।

বিষয়টি দেখে এগিয়ে আসেন তার চাচা ফারুক হোসেন। এ সময় তিনিও ভাইকে কেন থাপ্পড় মারলো তা নিয়ে শরীফের সঙ্গে বাগবিতণ্ডা শুরু করেন। এক পর্যায়ে অভিযুক্ত শরীফ তার চাচাকে হাতে থাকা একটি ছুরি দিয়ে এলোপাথাড়ি আঘাত করে সেখান থেকে পালিয়ে যান।

এ সময় গুরুতর ফারুক হোসেনকে স্থানীয় ও পারিবারের সদস্যরা উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় তুলপাই বাজারে ও সেখান থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে তার অবস্থার অবনতি হলে সেখান থেকে দ্রুত তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। পরে সেখান থেকে তাকে ঢাকা হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসক। পরে শনিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহিউদ্দিন জানান, ওই ব্যক্তির মৃত্যুর পর বিষয়টি আমরা জানতে পারি। তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত শরীফ বাড়ি থেকে পালিয়েছে। তাকে আটক করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

কাতারে বিএনপিএর ৪৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

 

ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকন, কাতার থেকেঃ

বাংলাদেশ জাতিয়তাবাদী দল ধান সিড়ি বিএনপি কাতার শাখা কর্তিক বিএনপির ৪৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আব্দুল আজিজ ও এখলাছুর রহমানের যৌথ উপস্থাপনায় এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সহ সভাপতি আব্দুর রব তালুকদার।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সফল আহবায়ক মোঃ শহিদুল হক, অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক সালেহ আহমেদ খোকন, মোকারম আলী চৌধুরী সাহাদ, দিলীপ কুমার ছোটন, এম নুরুজ্জামান, আবু তাহের মিয়াজি, মুনছুর উল্লাহ রাসেদ, জসিম উদ্দিন লস্কর।

আয়োজক কমিটির আহবায়ক হাজী সোলায়মান এর শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে বক্তব্য রাখেন আবু তাহের, মিরজাজুর রহমান, ফরহাদ হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, হুমায়ুন কবির।

পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এবং মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ আব্দুল মোতালেব।

জাতীয় সঙ্গীত ও দলীয় সঙ্গীত পরিচালনা করেন এস,এম, মুনচুর উল্লাহ রাসেদ।

সভায় বক্তারা, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জিয়াউর রহমানের নানা দিক আলোচনা করেন এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান। পরে দেশের কল্যাণ, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের রুহের মাগফেরাত কামনাসহ বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া, রোগমুক্তি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

নোয়াখালীতে ১২০০ লিটার চোরাই তেল উদ্ধার

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় ১২০০ লিটার ডিজেল ও পামওয়েল তেল উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।

রোববার (৪ সেপ্টেম্বর) ভোর ৬ টার দিকে উপজেলার নলচিরা ঘাট এলাকা থেকে এসব তেল জব্দ করা হয়।

কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লে. কে এম শফিউল কিঞ্জলকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, রোববার ভোর ৬টার দিকে চোরাই ডিজেল ও পামওয়েল পাচারের গোপন সংবাদে কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের বিসিজি স্টেশন হাতিয়ার একটি দল অভিযান চালায়। অভিযানের বিষয়টি আচ করতে পেরে চোরাই ৮০০ লিটার ডিজেল ও ৪০০ লিটার পামওয়েল রেখে পালিয়ে যায় তেল চোরাই চক্রটি।জব্দকৃত তেল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে।