All posts by jitu

মিয়ানমার থেকে আর কেউ যেন ঢুকতে না পারে, সীমান্তে সতর্ক অবস্থানে বিজিবি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার থেকে আর কাউকে বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না। মিয়ানমারের লোক আমাদের দেশে যেন আর আসতে না পারে সে জন্য বিজিবিকে সতর্ক করা হয়েছে। মিয়ানমারে আবারও সংঘাত হচ্ছে ও অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অত্যাচারিত লোকজনকে ওই এলাকা সরে যেতে বলা হয়েছে। ফলে ভয় হয়, অত্যাচারীরা হয়তো আমাদের দেশের দিকে আসতে শুরু করবে। তবুও আমরা সর্তক রয়েছি। আমাদের বর্ডারে সতর্কতামূলক অবস্থা গ্রহণ করেছি।’

শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে চা শ্রমিকদের ভার্চুয়াল মতবিনিময় উপলক্ষে সিলেটের লাক্কাতুরা বাগানে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মোমেন বলেন, ‘মিয়ানমারের ঘটনাটি আমরা পর্যবেক্ষণ করছি। সরকার যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। বাংলাদেশ সীমান্তের ভেতরে ফেরে এসে পড়েছে মিয়ানমারের গোলা। এক সপ্তাহেরও কম সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয়বার এমন ঘটনা ঘটলো মিয়ানমার।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘দ্বিতীয় দফায় শনিবার মিয়ানমারের যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া দুটি গোলা বান্দরবান সীমান্তবর্তী এলাকায় পড়ার বিষয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে এই বিষয়ে আলাপ করেছি। তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছে যে, তিনি তার সরকারের সঙ্গে এই নিয়ে আলাপ করবেন এবং এমন দুর্ঘটনা আগামীতে যাতে না ঘটে বিষয়টি তারা দেখবেন।’

উল্লেখ্য, শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমের তুমব্রু সীমান্তের রেজু আমতলী বিজিবি বিওপির আওতাধীন সীমান্ত পিলার ৪০-৪১-এর মাঝামাঝি স্থানে মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে সেনাবাহিনীর দুটি যুদ্ধবিমান এবং দুটি ফাইটিং হেলিকপ্টার টহল দেয়। সে সময় তাদের যুদ্ধবিমান থেকে প্রায় ৮-১০টি গোলা ছোড়া হয়। এ ছাড়া হেলিকপ্টার থেকেও আনুমানিক ৩০ থেকে ৩৫টি গুলি করতে দেখা যায়। যুদ্ধবিমান থেকে ছোড়া দুটি গোলা সীমান্ত পিলার ৪০ বরাবর আনুমানিক ১২০ মিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে পড়ে। এই ঘটনার পর থেকে সীমান্তে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বিজিবি।

এর আগে, রবিবার (২৮ আগস্ট) বেলা ৩টার দিকে মিয়ানমার থেকে নিক্ষেপ করা দুটি মর্টারশেল অবিস্ফোরিত অবস্থায় ঘুমধুমের তমব্রু উত্তর মসজিদের কাছে পড়েছিল

জেনে নিন তাল দিয়ে তৈরি পাটিসাপটার রেসিপি

 

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ

তাল দিয়ে তৈরি করা যায় সুস্বাদু সব খাবার। তার মধ্যে তালের পিঠা অন্যতম। তাল দিয়ে তৈরি করতে পারবেন বিভিন্ন ধরনের পিঠা। পাটিসাপটা সাধারণত শীতকালে খাওয়া হয়। তবে তালের মৌসুমে তাল দিয়েও তৈরি করতে পারবেন সুস্বাদু পাটিসাপটা। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক তালের পাটিসাপটা তৈরির রেসিপি-

রুটি তৈরি করতে যা লাগবে-

তালের ক্বাথ- আধা কাপ
ময়দা- আধা কাপ
দুধ- আধা কাপ
চিনি- ৪ টেবিল চামচ
চালের গুঁড়া- ৪ টেবিল চামচ
ডিম- ১টি।

ক্ষীর তৈরি করতে যা লাগবে-

দুধ- আধা কাপ
তালের ক্বাথ- আধা কাপ
সুজি- ৩ টেবিল চামচ
চিনি- ৬ টেবিল চামচ।

যেভাবে করবেন-

গোলা তৈরির সব উপকরণ একসঙ্গে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর ঢেকে রেখে দিন ঘণ্টাখানেক। ক্ষীর তৈরির জন্য দুধ চুলায় বসান। ফুটে উঠলে সুজি ও চিনি দিয়ে নাড়তে থাকুন। ঘন হয়ে এলে নামিয়ে নিন। এবার চুলায় ফ্রাইপ্যান বসিয়ে দিন। গরম হয়ে এলে অল্প তেল ছড়িয়ে নিন। গোল চামচে গোলা নিয়ে ফ্রাইপ্যানে ছড়িয়ে দিন। মিনিট খানেক এভাবে রেখে দিন। এরপর রুটির উপরে ক্ষীর দিয়ে মুড়িয়ে নিন। এবার তুলে ফেলুন। এভাবে সবগুলো পিঠা তৈরি করে নিন।

আমি সৌভাগ্যবান বলে তোমাকে আমার জীবনে পেয়েছি: তামিল অভিনেত্রী

 

বিনোদন ডেস্কঃ

তামিল চলচ্চিত্র ও টিভি নাটকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ভি জে মহালক্ষ্মী প্রযোজক রবীন্দ্রর চন্দ্রসেকরন বিয়ে করেছেন। গত বৃহস্পতিবার তিরুপাথিতে দুই পরিবারের সদস্য ও বন্ধুদের উপস্থিতিতে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানায় ভারতীয় গণমাধ্যম।

রবীন্দ্রর ও মহালক্ষ্মী দুজনই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিয়ের ছবি প্রকাশ করেছেন।

ইনস্টাগ্রামে ছবির ক্যাপশনে মহালক্ষ্মী লিখেছেন, ‘আমি সৌভাগ্যবান বলে তোমাকে আমার জীবনে পেয়েছি। ভালোবাসা দিয়ে তুমি আমার জীবন পূর্ণ করে দিয়েছ। আমি তোমাকে ভালোবাসি।’

তাদেরকে দুজনকেই বিয়ের ছবিতে হাসিখুশি চেহারায় দেখা গেছে। এ জুটিকে চলচ্চিত্র ও টিভি নাটকের সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

রবীন্দ্ররের প্রযোজনায় ‘বিদিয়াম বারাই কাথিরু’ নামে একটি তামিল সিনেমায় অভিনয় করেছেন মহালক্ষ্মী। সিনেমার শুটিংয়েই তাদের পরিচয়, পরে যা প্রণয়ে রূপ লাভ করল। দুজনেরই এটি দ্বিতীয় বিয়ে।

উল্লেখ্য, উপস্থাপক হিসেবে টিভিতে আত্মপ্রকাশ করেন মহালক্ষ্মী। পরবর্তীতে তিনি টিভি নাটকে নাম লেখান। তামিল টিভি নাটকের জনপ্রিয় মুখ তিনি। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে ‘বাণী রানী’, ‘অফিস’, ‘উরু কাই উসাই’সহ বেশ কয়েকটি আলোচিত সিরিয়ালে কাজ করেছেন তিনি। বর্তমানে সম্প্রচার হচ্ছে তার সিরিয়াল ‘মহারাসি’।

অন্যদিকে লিব্রা প্রডাকশনসের ব্যানারে নির্মিত ‘নাতুপুনা ইনানু থেরিয়ুমা’, ‘মুরুনগাইকাই’সহ বেশ কয়েকটি তামিল সিনেমা প্রযোজনা করেছেন রবীন্দ্রর।

মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পেছনে ১০০ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প: আইজিপি বেনজীর আহমেদ

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ বলেছেন, আধা সামরিক বাহিনীর নেতৃত্ব দেওয়ার সময় তিনিসহ কিছু র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) সদস্যদের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, এটা ১০০ মিলিয়ন ডলারের প্রজেক্ট। এই নিষেধাজ্ঞা হলো তার ফলাফল। এর সঙ্গে সত্যের কোনো সম্পর্ক নেই।

বৃহস্পতিবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে (নিউইয়র্ক সময়) যুক্তরাষ্ট্র সফর উপলক্ষে তার সম্মানে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আইজিপি।

তিনি বলেন, “২৫ মিলিয়ন ডলারে তার নেপথ্যে তিন বছর ধরে একটি চক্রের নিয়োগ দেওয়া চারটি লবিং ফার্ম কাজ করেছে। এই সংস্থাগুলো অবশেষে মার্কিন সরকারকে র‌্যাব এবং আমার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের জন্য রাজি করাতে সক্ষম হয়।”

অনুষ্ঠানে বেনজির আবারও স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে, মার্কিন সরকার যে জোরপূর্বক গুম করার অভিযোগ করেছে এর সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই।

ভারতের কেরালায় পুরুষদের ‘পিরিয়ডের ব্যথা’ অনুভব করাতে ক্যাম্পেইন

 

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

নারীর পিরিয়ড নিয়ে কথা বলা দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশেই এখনো একটি নিষিদ্ধ বিষয়ের মতো। এই ট্যাবু ভাঙতে এবং সামাজিক ধ্যানধারণা পাল্টাতে ভারতের কেরালায় একটি ক্যাম্পেইন চালু করেছে ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন।

শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ইয়াহু নিউজের “নেক্সটশার্ক”র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নারীদের পিরিয়ডকালীন ব্যথা অনুভব করাতে পুরুষদের জন্য “কাপ অব লাইফ” নামের একটি প্রজেক্টের অংশ হিসেবে এই ক্যাম্পেইনটি চালানো হচ্ছে। এটির পৃষ্টপোষকতা দিচ্ছেন স্থানীয় কংগ্রেস পার্টির নেতা ও আইনপ্রণেতা হিবি ইডেন।

ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে একটি সিমুলেটর বিভিন্ন শপিংমলে ও কলেজে স্থাপন করে এটির সাহায্যে পিরিয়ডের ব্যথা অনুভব করানো হচ্ছে পুরুষদের। ক্যাম্পেইনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, সিমুলেটরের মাধ্যমে অনুভব করা ব্যথায় কাতরাচ্ছেন পুরুষরা।

এই ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে পিরিয়ড নিয়ে খোলাখুলিভাবে কথা বলাকে সমাজে আরও সহজভাবে গ্রহণ করা হবে বলে আশা করছেন আয়োজকরা।

সিমুলেটর ব্যবহার করেছেন এমন একজন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তারকা শরণ নাইর। তিনি বলেন, “এটি খুবই যন্ত্রণাদায়ক ছিল। আমি আর কখনোই এই অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যেতে চাই না।”

সিমুলেটরে দুটি তার রয়েছে, যা একসঙ্গে দুইজন মানুষের শরীরের সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব। একটি ডায়ালের মাধ্যমে লেভেল এক থেকে লেভেল ১০-এর ব্যথা অনুভব করতে পারবেন ব্যবহারকারীরা।

এই ক্যাম্পেইনের সঙ্গে যুক্ত আইনজীবী সান্দ্রা সানি বলেন, পিরিয়ড নিয়ে অর্থবহ কথোপকথন শুরু করা ও মানুষের মনোভাব পরিবর্তন করার সবচেয়ে সহজ উপায় এটি। সমাজের এই ট্যাবু ভাঙতে হবে।

লুঙ্গি পরা নিয়ে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সপ্তাহজুড়ে মারামারি-অস্ত্রের মহড়া

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

লুঙ্গি পরে ক্যাম্পাসে যাওয়াকে কেন্দ্র করে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সপ্তাহজুড়ে মারামারি-দেশীয় অস্ত্রের মহড়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

শুক্রবার (২ সেপ্টেম্বর) জুমার নামাজের পর অনুষদ ভবন এলাকায় দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি ধাওয়ায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে, গত ২৭ আগস্ট লুঙ্গি পরে ক্যাম্পাসে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের “ল অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট” বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হুজ্জাতুল্লাহ ভূঁইয়া। এ ঘটনায় ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী জহরুল ইসলাম রিংকু তাকে লুঙ্গি পরে ক্যাম্পাসে আসতে নিষেধ করেন। এ নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে মারধর করেন বলেও অভিযোগ ওঠে।

আরও জানা যায়, এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৩১ আগস্ট রাতে হুজ্জাতুল্লাহ তার বন্ধু আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের আল আমীনসহ ১২-১৫ জন মিলে জিয়াউর রহমান হলের সামনে রিংকুকে লাঠি ও স্টাম্প দিয়ে মারধর করেন।

এর জেরে শুক্রবার জুমার নামাজের পর আল আমীনসহ তার বন্ধুদের মারধর করেন রিংকু ও তার বন্ধুরা। পরে শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হোসাইন মজুমদার মীমাংসা করে তাদের হলে পাঠিয়ে দেন।

ওইদিন দুপুরে শহীদ জিয়াউর রহমান হলের ডাইনিংয়ে খেতে গেলে একই ঘটনার জেরে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আশিক মারধরের শিকার হন। ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের শিক্ষার্থী শুভ্র ভৌমিক, অর্ক এবং আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের সুমন মারধর করেছেন বলে অভিযোগ করেন আশিক।

আশিককে মারধরের ঘটনা জানার পর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল থেকে তার বন্ধুরা লাঠি, রড ও স্টাম্প নিয়ে বের হন। অপরদিকে জিয়াউর রহমান হলে আল আমীন ও তার সমর্থকেরাও রড, লাঠি ও স্টাম্প নিয়ে মহড়া দেন। পরে ছাত্রলীগের নেতারা দুই পক্ষকে শান্ত করেন।

এ বিষয়ে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল সিদ্দিকী আরাফাত বলেন, “‌শুনেছি সিনিয়র এবং জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। লুঙ্গি পরার মতো তুচ্ছ বিষয় নিয়ে এমন মারামারির ঘটনা দুঃখজনক। জানার পর বিষয়টি সমাধান করে দিয়েছি।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, “জুমার নামাজের পর শুনলাম অনুষদ ভবনে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে সহকারী প্রক্টর ও সিকিউরিটি অফিসারদের বিষয়টি জানালাম। শনিবার প্রক্টর অফিসে বসে বিষয়টি সমাধান করা হবে।”

কুমিল্লায় অপারেশন থিয়েটারে যন্ত্রপাতি ও ওষুধ রাখার ফ্রিজে গরুর মাংস, হাসপাতাল সিলগালা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লা নগরীতে একটি বেসরকারি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারে যন্ত্রপাতি ও ওষুধ রাখার ফ্রিজে গরুর মাংস রাখাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ওই হাসপাতালটি সিলগালা করা হয়েছে।

শনিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নগরীর চকবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে “নিবেদিতা হাসপাতাল” নামে ওই হাসপাতাল সিলগালা করে দেওয়া হয়।

অভিযানের নেতৃত্ব দেন জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার (কোওর্ডিনেটর) আবদুল্লাহ আল সাকী। এ সময় আরও উপস্থিত সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার কেয়া রাণী।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে অভিযানের অংশ হিসেবে নিবেদিতা হাসপাতালে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ওই হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটারের যন্ত্রপাতি ও ওষুধ সংরক্ষণের ফ্রিজে গরুর মাংস পাওয়া যায়। এছাড়া হাসপাতালে সদ্য অপারেশন করা একজন রোগী পাওয়া গেলেও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কোনো নার্স বা ডাক্তার তাকে দেখতে আসেননি। কোনো ডাক্তার বা নার্সকেও হাসপাতালে পাওয়া যায়নি। এমন অবেহেলা ও স্বাস্থ্যসেবার এমন দুরবস্থার কারণে হাসপাতালটি সিলগালা করা হয়েছে।

মেডিকেল অফিসার আবদুল্লাহ আল সাকী বলেন, “আমরা তিনটি হাসপাতালে অভিযান পরিচালনা করেছি। দুটির সামান্য কিছু ত্রুটি ছিল। তাদের সতর্ক করা হয়েছে। কিন্তু নিবেদিতা হাসপাতালে অবস্থা খুবই নাজুক। সামান্য সংখ্যক রোগী। কোনো ডাক্তার নেই, নার্স নেই, বর্জ্য ব্যবস্থা নেই। রোগীরা অভিযোগ করেছেন, একজন ম্যানেজার আছেন তিনি ডাক্তার, তিনিই নার্স, আবার তিনিই অপারেশন করেন। আমরা হাসপাতালটি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছি।”

অভিযানে থাকা অপর মেডিকেল অফিসার ডা. কেয়া রাণী বলেন, “ওই হাসপাতালের ফ্রিজে গরুর মাংস রাখা হয়েছে। ফ্রিজটি যদিও অপারেশন থিয়েটারের বাইরে কিন্তু অপারেশনের সময় তা ভেতর নেওয়া হয়। একই ফ্রিজে অপারেশনের ওষুধ ও যন্ত্রপাতি রাখা হয়। এই ফ্রিজটির নিচের অংশে যন্ত্রপাতি ও ওপরের অংশে গরুর মাংস রাখা ছিল। যার ফলে জীবাণু ছড়িয়ে পড়াটা একদমই স্বাভাবিক। ফলে হাসপাতালটি বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”

বিএনপির শুকনো নদীতে জোয়ার আর আসবেনা, চিৎকার যত পারেন করুন: ওবায়দুল কাদের

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

আগামী নির্বাচনে ফাইনাল খেলায় ফয়সালা হবে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘আন্দোলন আন্দোলন করতে করতে মির্জা ফখরুল সাহেবেরা গলা শুকিয়ে ফেলছেন। কিন্তু মরা নদীতে জোয়ার আসে না। জোয়ার কি আসবে কখনো? শুধু নেতা-কর্মীর আন্দোলন দিয়ে সরকার হটানো যায় না। এখনো আপনাদের সঙ্গে নেতা-কর্মীর বাইরে জনগণ যোগদান করেনি। কোন মুখে বলেন ফয়সালা হবে? ফয়সালা হবে আগামী নির্বাচনে। তখন দেখা যাবে কে হারে কে জেতে।’

শনিবার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ছাত্রলীগের সম্মিলিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সম্মেলনে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘টেমস নদীর ওপার থেকে দণ্ডিত অর্থ পাচারকারী, অপরাধী যুবরাজ হাঁকডাক দিচ্ছে। সেই ডাকে টেমস নদীতে ঢেউ উঠেছে কি না, জানি না। তবে পদ্মা, মেঘনা, যমুনায় ঢেউ নেই। বিএনপির শুকনো নদীতে জোয়ার আর আসে না। চিৎকার যত পারেন করুন। ফয়সালা হবে। আমিও বলছি ফয়সালা হবে। ফয়সালা হবে আগামী নির্বাচনে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ্যে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘রাজপথে হুমকি দিয়ে লাশ ফেলতে চান? আপনারা লাশ ফেলার দুষ্টচক্রে আবর্তিত। লাশ ফেলে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো আন্দোলনে ফয়সালা বিরোধী দল করতে পারেনি। সরকার হটাবেন? জনগণ সাড়া দিক, দেখি না। এখনো কোথাও জনগণ সাড়া দেওয়ার কেউ নেই। জনগণ কারও সঙ্গে মারামারি করে না।’

বিএনপির আন্দোলন মানেই হচ্ছে নিজেরা নিজেরা মারামারি বলে দাবি করে তিনি বলেন, ‘আপনাদের বিক্ষোভ মানেই হচ্ছে পুলিশের দোষ, পুলিশের ওপর হামলা। পুলিশের ওপর হামলা করলে পুলিশ আত্মরক্ষা করবে না?’

বিএনপির হাতে রক্তের দাগ দাবি করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মির্জা ফখরুল, আপনাকে সতর্ক করে দিতে চাই, আপনাদের হাতে রক্তের অনেক দাগ। ২১ হাজার আওয়ামী লীগ কর্মী, আহসান উল্লাহ মাস্টার, মঞ্জুরুল ইমাম, শাহ এ এম এস কিবরিয়া—এদের রক্তে আপনাদের হাত রঞ্জিত। আমরা আপনাদের কাউকে হত্যা করিনি। হত্যা-ষড়যন্ত্রের রাজনীতিতে আমরা বিশ্বাস করি না। আমাদের নেত্রী ২১ বার হত্যার টার্গেট হয়েছেন, কিন্তু খালেদা জিয়াকে কেউ মারতে যায়নি। কাকে অপবাদ দেন?’

আওয়ামী লীগের এই নেতা আরও বলেন, ‘যখনই আইনমন্ত্রী বললেন কমিশন হবে, সঙ্গে সঙ্গেই বলে, জিয়াউর রহমান হত্যার কমিশন হবে। এ কমিশন ক্ষমতায় গেলে হবে। কেন? ক্ষমতায় যখন ছিলেন, তখন কেন করলেন না? তাহলে জিয়াউর রহমানকে হত্যার পেছনে দুরভিসন্ধি আছে, চক্রান্তও আছে। তা না হলে কেন কমিশন করলেন না? লাশের কাহিনিও সবাই জানে। আমার প্রশ্নের জবাবে ফখরুল সব সময় নিরুত্তর।’

গাঁজা খাওয়া নিয়ে গ্রামবাসীর মধ্যে দুই দফায় সংঘর্ষ: আহত ২৫

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

গাঁজা খাওয়া নিয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ঘারুয়া ও চুমুরদী ইউনিয়নের কয়েক গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় ও শনিবার সকালে সংঘর্ষে ঘটনায় ২৫ জন লোক আহত হন। এ সময়ে তারা ঘারুয়া ও পুর্বসদরদী বাজারের প্রায় ৪০টি দোকান পাট ভাংচুর ও লুটপাট করে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায় , প্রায় ১৫/২০ দিন আগে ঘারুয়া-মকরমপুর্টি ফিডার সড়কের চানপুর্টি এলাকায় চুমুরদী ইউনিয়নের পুর্বসদরদী গ্রামের শাওন, জনি শোহাইব গাঁজা খাচ্ছিল। তখন ঘারুয়া ইউনিয়নের মকরকপুর্টি গ্রামের আল আমিন তাদের এলাকায় গাঁজা খেতে নিষেধ করে। এই নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতি হয়।

এ ঘটনার জের ধরে শুক্রবার বিকালে মকরমপুর্টি গ্রামের আল আমিনসহ কয়েক যুবক ঘারুয়া স্কুল মাঠে ফুটবল খেলতে আসে। তখন পুর্বসদরদী গ্রামের ২০/২৫ জন যুবক স্কুল মাঠে এসে আল আমিনকে মারধর করতে থাকে। তখন উপস্থিত অন্য যুবকেরা আল আমিনের পক্ষ নিলে সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরে পুর্বসদরদী গ্রামের যুবকেরা দেশী অস্ত্র নিয়ে ঘারুয়া বাজারের প্রায় ১৫টি দোকান ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে।

পরদিন শনিবার সকালে মকরমপুর্টিসহ আরো ২/১ গ্রামের লোকজন সঙ্ঘবদ্ধ হয়ে পুর্বসদরদী বাজারের প্রায় ২৫টি দোকান ঘর ভাংচুর ও লুটপাট করে। পুলিশ উপস্থিত হয়ে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

ঘারুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মুনসুর মুন্সী জানান, গাঁজা খাওয়া নিয়ে ২ পক্ষের যুবকেরা মারামারি ও অনেক দোকানঘর ভাংচুর করেছে। তবে উশৃংখল যুবকদের কঠোরভাবে বিচার করতে হবে। এলাকার গণ্যমান্য লোকজন নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতে যাতে তারা মারামারি করতে না পারে।

এ বিষয় ভাঙ্গা থানার ওসি মো. জিয়ারুল ইসলাম জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় ও শনিবার সকালে যুবকদের মধ্যে মারামারি হয়েছে। দোকান ঘর ভাংচুর করেছে। আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সক্ষম হয়েছি। এখন কোনো পক্ষে কোনো অভিযোগ পাই নাই। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নিব।