All posts by jitu

সেভ দ্য রোড-এর প্রতিবেদন: গণপরিবহনে প্রতি মাসে ৫ জন ধর্ষিত, নির্যাতিত ৬৮

 

স্টাফ রিপোর্টার:

২০১৭-২০২২ সালের ৭ আগস্ট পর্যন্ত গণপরিবহন-অন্যান্য বাহন এবং বাসস্ট্যান্ড-ট্রেন স্টেশনে নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ৪৬০১ টি, ধর্ষণ ৩৫৭ এবং খুনের শিকার হয়েছেন ২৭ জন। ‘সেভ দ্য রোড-এর অঙ্গীকার পথ দূর্ঘটনা থাকবে না আর…’ শ্লোগান নিয়ে আকাশ-সড়ক- রেল ও নৌপথ দুর্ঘটনামুক্ত করার লক্ষ্যে দেশের একমাত্র স্বেচ্ছাসেবি সংগঠন সেভ দ্য রোড ২০০৭ থেকে কাজ করে যাওয়ার ধারাবাহিকতায় দেশে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবায় নিয়োজিত রয়েছে।

বাংলাদেশের ৩১ টি জাতীয় দৈনিক, বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা ও ইলেকট্রনিক্স চ্যানেলে প্রকাশিত-প্রচারিত তথ্যর পাশাপাশি সারাদেশে সেভ দ্য রোড-এর স্বেচ্ছাসেবিদের তথ্যানুসারে সেভ দ্য রোড-এর মহাসচিব শান্তা ফারজানা প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করেন, বাসস্ট্যান্ডগুলো স্বাস্থ্য সম্মত ও নিরাপদ না হওয়ার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একশ্রেণির কুরুচিপূর্ণ মানুষ নারীদের পোশাক-আশাক-চাল-চলন নিয়ে যেমন বিভিন্নভাবে কটুক্তি করে, তেমনি নির্যাতন-নিপীড়ন করতেও পিছপা হয় না। পিছিয়ে নেই ট্রেন, লঞ্চঘাট বা বিমান বন্দরও। বোরকা পরিহীত নারীরাই সবচেয়ে বেশি যৌন নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার হন বলে সেভ দ্য রোড-এর এক জরিপে দেখা যায়। প্রতি ১০০ জন নারীর মধ্যে নিপীড়নের শিকার হন ৯৯ জন। তাদের মধ্যে বোরকা বা হিযাব পরিহিত নারীর সংখ্যা ৬৭ এবং অন্যান্য পোশাক পরিহিত নারীর সংখ্যা ৩২। এর নেপথ্য কারণ পুরুষদের হীন মানষিকতা, লেবাসধারী হলেও ধর্মীয় অনুশাসন না মানা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতিই এর জন্য দায়ি বলে মনে করেন সেভ দ্য রোড-এর মহাসচিব শান্তা ফারজানা।

সেভ দ্য রোড-এর চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব জেড এম কামরুল আনাম, প্রতিষ্ঠাতা মোমিন মেহেদী, মহাসচিব শান্তা ফারজানা, ভাইস চেয়ারম্যান বিকাশ রায়, জিয়াউর রহমান জিয়া ও ঢাকা সাব এডিটরস কাউন্সিলের সহ-সভাপতি আনজুমান আরা শিল্পী, আইয়ুব রানার তত্বাবধায়নে এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে- গত ৫ বছর ৭ মাসে গণপরিবহণ ও বাস স্ট্যান্ডে নির্যাতন-নিপীড়নের ঘটনা ঘটেছে ৩৩১৪ টি, ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ২১৭ এবং হত্যাকান্ডর শিকার হয়েছে ১৬ জন; ট্রেন স্টেশন, ট্রেন লঞ্চঘাট ও লঞ্চে ২২৯ জন নারী নির্যাতিত হয়েছেন, ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ২৯ টি এবং হত্যার শিকার হয়েছেন ৭ জন এবং প্রাইভেট কার-মাইক্রোবাস বা বাইকে ঘটেছে ৮৪১ টি নির্যাতনের ঘটনা, ধর্ষিত হয়েছেন ৩৩৭ জন এবং হত্যার শিকার হয়েছেন ৪ জন।

গণপরিবহনে-বাসস্ট্যান্ড-ট্রেন স্টেশনসহ বিভিন্ন পথে নির্যাতন-নিপীড়ন-ধর্ষণ-খুন বন্ধের লক্ষ্যে সেভ দ্য রোড-এর পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্টদের প্রতি ৩ টি সুপারিশ করা হয়েছে- ১. রাষ্ট্রিয়ভাবে নারীর প্রতি সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শনে সকল শ্রেণি পেশার মানুষকে উদ্ভুদ্ধ করতে ‘নারী প্রতি সম্মান’ শীর্ষক সচেতনতা তৈরি করা; সেখানে ধর্মীয় অনুশাসন, নীতি-আদর্শ-সভ্যতার আলোকে বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরতে হবে এবং তা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার এবং প্রথম শ্রেণি থেকে স্নাতকোত্তর শ্রেণির পাঠ্যবইতে সংযুক্ত করতে হবে। ২. মালিক-চালক- হেলপার-সুপারভাইজারসহ সংশ্লিষ্টদেরকে অবশ্যই যাত্রীদের প্রতি আচরণ প্রশিক্ষণ এবং অসদাচরণ করলে শাস্তির ঘোষণা দিতে হবে। ৩. প্রতি ৫ কিলোমিটার অন্তর পুলিশ বুথ স্থাপন, সকল সড়ক-মহাসড়ক- সেতুকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা।

লাশ হয়ে বাড়ি ফিরলেন নাঙ্গলকোটের যুবক মামুন

মোঃ বশির আহমেদ, নাঙ্গলকোট:
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের অষ্টগ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মামুন (২৩) পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে কাজ করতে গিয়ে লাশ হয়ে ফিরছেন বাড়িতে।

রবিবার (৭ আগষ্ট)  ভোরে জেলার দাউদকান্দি হাইওয়ে সড়কে মামুনের লাশ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়  লোকজন বিষয়টি পুলিশের জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ -তে কল করে জানান। ৯৯৯ এর সহযোগীতায় দাউদকান্দি থানা পুলিশ মামুনের লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত  ঘোষণা করেন। মামুনের শরীরে কয়েকটি আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ মামুনের লাশ ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। ময়না তদন্ত শেষে স্বজনরা লাশ নিয়ে বাড়ী পৌঁছালে পরিবারের লোকজনের আত্মচিৎকারে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠে। মামুনের মা ছেলের শোকে বার বার মুর্চা যাচ্ছে। অচেতন হয়ে পড়ে আছে সন্তান সম্ভবা  স্ত্রী।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার সাকের হোসেন জানান, মামুন এক সপ্তাহ আগে তাদের পাশ্ববর্তী কালা মিয়ার  ছেলে আলাউদ্দিনের সাথে কুমিল্লার আলেখার চরে একটি মোটর গ্যারেজে কাজ করতে বাড়ি থেকে বের হয়। তবে কিভাবে কেন কারা তাকে হত্যা করেছে এখনো তার সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

দাউদকান্দি মডেল থানার উপ পরিদর্শক ( এস আই) গৌবিন্দ দাস বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্ত করে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। পারিবার থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নোয়াখালীতে এক মাদ্রাসার ১০ ছাত্রকে বলৎকারের অভিযোগ

নোয়াখালী প্রতিনিধি :
নোয়াখালীর সেনবাগের ৯নং নবীপুর ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের তা’লীমুল কুরআন মাদ্রাসার মুতামিম মাওলানা আবদুল ফাত্তাহ’র বিরুদ্ধে মাদ্রাসার ১০জন আবাসিক ছাত্রকে বলৎকারের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে অভিভাবকদের চাপের মুখে অভিযুক্ত শিক্ষককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সহযোগিতায় অভিযুক্ত শিক্ষককে পালিয়ে যাবার সুযোগ করে দেওয়া হয়।

গত শনিবার (৬ আগস্ট) সকালে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার গুলো নিয়ে তা’লীমুল কুরআন মাদ্রাসায় একটি সালিশী বৈঠক বসে। বৈঠকে শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হয়। ওই বৈঠকে ২০-৩০জন অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন। তবে অভিযুক্ত শিক্ষক বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না। ওই বৈঠকের খবর পেয়ে গত দুই দিনে অভিযুক্ত শিক্ষক আর মাদ্রাসায় আসেননি।

ভুক্তভোগী অভিভাবক ও স্থানীয়রা জানায়,তা’লীমুল কুরআন মাদ্রাসার আবাসিক হলের ৮-১০ জন ছাত্রকে বিভিন্ন সময়ে মাদ্রাসার মুতামিম আবদুল ফাত্তাহ রাতে ঘুম থেকে তুলে নিয়ে যেত। ওই সময় মোবাইল ফোন আনা নেওয়াসহ বিভিন্ন অজুহাতে তার অফিস,শয়ণ কক্ষে ডেকে নিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ড বলৎকারের ঘটনা ঘটায়। এরপর বলাৎকারের শিকার মাদ্রাসার ছাত্ররা বাড়ি গিয়ে আর মাদ্রাসায় আসতে না চাওয়ায় পরিবারের লোকজন তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে বুঝিয়ে মাদ্রারাসায় পাঠাতে না পেরে মারধর করলে বিষয়টি জানাজানি হয়। গত শনিবার (৬ আগস্ট) সকালে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার গুলো নিয়ে তা’লীমুল কুরআন মাদ্রাসায় একটি সালিশী বৈঠক বসে। ওই বৈঠকের খবর পেয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক আর মাদ্রাসায় আসেননি। অপরদিকে বিষয়টি জানাজানি হলে মাদ্রাসায় থাকা আবাসিক ছাত্রদের তাদের অভিভাবকরা অত্র মাদ্রাসা থেকে অন্য মাদ্রাসা নিয়ে ভর্তি করাচ্ছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসার সভাপতি ছারওয়ার আলম বলেন,মাদ্রাসার শিক্ষকদের গ্রুপিংয়ের কারণে ওই অভিযোগটি উত্থাপিত হয়েছে। বিনা দোষে কেন প্রতিষ্ঠান প্রধানকে অব্যহতি দেওয়া হয়েছে এবিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি কোন উত্তর না দিয়ে বলেন অত্র মাদ্রাসার আবাসিক বিভাগ অচিরেই বন্ধ করে দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে মাদ্রাসার চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হাফেজ মুহাম্মদ তৈয়ব বলেন, অভিভাবকদের পক্ষ থেকে অত্র মাদ্রাসার প্রধানের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে তার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়ার হয়েছে। এ ঘটনায় মাদ্রাসার পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত শিক্ষক আবদুল ফাত্তাহ ফোনে একাধিক বার কল দেওয়া হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

তা’লীমুল কুরআন মাদ্রাসার সহকারি শিক্ষক মো.জহিরুল ইসলাম বলেন, অভিভাককদের পক্ষ থেকে মৌখিক ভাবে ৮-১০টি অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ গুলো মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটি তদন্ত করে দেখছে। এ ঘটনা নিয়ে গত শনিবার ২০-৩০জন অভিভাবকের উপস্থিতিতে মাদ্রাসায় একটি সালিশী বৈঠক বসে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল হোসেন পাটোয়ারীর বলেন, তিনি বিষয়টি শুনেছেন। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন অভিভাবক থানায় লিখিত কোন অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কুমিল্লার দেবিদ্বারে মাদকসহ ৩ জন আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার দেবিদ্বারে মাদক ক্রয়-বিক্রয়কালে ১২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রয়ের টাকাসহ ৩ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার রাতে উপজেলার বারেরা উত্তরপাড়া মসজিদের সামনের রাস্তা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ার অলুয়া গ্রামের মৃত আবু তাহেরের ছেলে মোঃ বদিউল আলম (৪২), দেবিদ্বারের মাশিকাড়া গ্রামের শাহ আলমের ছেলে মোঃ আলমগীর হোসেন (৩২) এবং একই উপজেলার ধামতী গ্রামের মোঃ রফিকুল ইসলামের ছেলে মোঃ লিমন (২৩)।

তাদের বিরুদ্ধে দেবিদ্বার থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মাদক মামলা রয়েছে। আসামীদের বিরুদ্ধে মাদক মামলা রুজু পূর্বক বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

নোয়াখালীতে ইয়াবাসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেফতার

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থেকে ইয়াবাসহ দুইজন পেশাদার মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, বেগমগঞ্জের ছয়ানী ইউনিয়নের তৈয়বপুরের মৃত সৈয়দ আহম্মদের ছেলে আব্দুর রহিম(৪৫) এবং একই ইউনিয়নের লক্ষণপুরের সিরাজুল ইসলামের ছেলে নুরুল ইসলাম(৫০)।

সোমবার (৮ আগষ্ট) বিকেল টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে একই দিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানী এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদেরকে ছয়শত পিস ইয়াবা, মাদকদ্রব্য পরিবহন এবং বিক্রয়ের কাজে ব্যবহৃত ১টি মোটরসাইকেল, নগদ ৬২হাজার টাকা এবং ৪টি মোবাইল ফোনসহ গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ । আসামিরা এলাকার পেশাদার মাদক কারবারি এবং এলাকার চিহ্নিত অপরাধী বলে জানায় পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে মাদক, বিস্ফোরক ও হত্যাসহ একাধিক মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

ঢাকার দুই মেয়র পাচ্ছেন মন্ত্রী পদমর্যাদা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ঢাকা উত্তরের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসকে মন্ত্রী পদমর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এছাড়াও নারায়ণগঞ্জ সিটি মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী ও চট্টগ্রাম সিটির মেয়র মো. রেজাউল করিম চৌধুরীকে প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

রোববার (৭ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে দেওয়া হয়েছে।

এতে মেয়রদের নামের পাশে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা প্রদানপূর্বক গেজেট প্রকাশের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছে।

এর আগে ২০১৫ সালে ২৮ এপ্রিল অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন এবং ঢাকা উত্তর সিটির প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক নির্বাচিত হওয়ার পর ২০১৬ সালের ২১ জুন মন্ত্রীর পদমর্যাদা দিয়ে এক প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। এরমধ্যে আনিসুল হক মারা যাওয়ার পর ২০১৯ সালে উপনির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ৯ মাস ডিএনসিসির মেয়রের দায়িত্ব পালন করেছিলেন আতিকুল ইসলাম। তখন তিনিও মন্ত্রীর পদমর্যাদা ভোগ করেন।

চাঁদপুরে ৭ম শ্রেণির ছাত্রীকে গণধর্ষণ

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

চাঁদপুরের কচুয়ায় সপ্তম শ্রেণির এক মাদ্রাসাছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রাসেল (৩০) এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

ভিকটিমের বাবা জানান, কচুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আমার এক নাতনিকে শুক্রবার দুপুরে খাবার দিয়ে সিএনজিযোগে বাড়ি ফিরছিল মেয়ে। পথিমধ্যে তিন ব্যক্তি ওই সিএনজিতে উঠে বিভিন্ন ভয়ভীতির মুখে আমার মেয়েকে জিম্মি করে খিড্ডা বাজারের পশ্চিম পাশে পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে তার পরনের ওড়না দিয়ে মুখ বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বখাটেরা পালিয়ে যায়। মেয়েটির জ্ঞান ফিরে পেলে সে বাড়িতে এসে আমাদের বিষয়টি অবগত করে।

এ ঘটনায় স্থানীয়রা রফাদফা করতে ব্যর্থ হলে রোববার ভিকটিম ও তার পিতা কচুয়া থানা পুলিশের শরণাপন্ন হয়। পুলিশ ভিকটিমের দেয়া তথ্যানুসারে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে তেতৈয়া গ্রামের মাদ্রাসাবাড়ির বাকি মিয়ার ছেলে অভিযুক্ত রাসেলকে আটক করে। অপর দুই অভিযুক্ত একই গ্রামের মাদ্রাসা বাড়ির নুরুল ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ উল্লাহ (৩৫) ও একই গ্রামের খামার বাড়ির আবু মিয়ার ছেলে মো. হাছান (২৫) এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।

কচুয়া থানার ওসি মো. মহিউদ্দিন জানান, ভিকটিমের দেওয়া তথ্যানুসারে আমরা অভিযুক্ত রাসেলকে আটক করেছি। সোমবার ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা করানোসহ তার জবানবন্দি রেকর্ড করা হবে। এ ব্যাপারে কচুয়া থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।

বঙ্গমাতার জন্মদিনে যুবলীগ নেতা সারওয়ার বাবুর উদ্যোগে মিলাদ মাহফিল

স্টাফ রিপোর্টার:
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিনী, মহিয়সী নারী, বাঙ্গালী জাতির সকল লড়াই, সংগ্রাম ও আন্দোলনের নেপথ্যের প্রেরণাকারী “বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব” এর জন্মদিন উপলক্ষে কুমিল্লা উঃ জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সারওয়ার হোসেন বাবুর উদ্যোগে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া ও মিলাদ মাহফিল শেষে কলাকান্দি নুরানিয়া হাফেজিয়া মাদ্রাসা এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং এর শতাধিক ছাত্রদের মাঝে দুপুরের খাবারের বিতরণ করা হয়।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন তিতাস উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও কড়িকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সাইফুল আলম মুরাদ, যুগ্ম আহবায়ক মোকবুল মাহমুদ প্রধান ও নাজমুল হাসান কিরন, কুমিল্লা উঃ জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক সদস্য নজরুল ইসলাম কাজল, তিতাস উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি একেএম কামরুল হাসান তুষার ও যুবলীগ নেতা আনিছুর রহমান।

অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ে তিতাসের জনজীবন অতিষ্ঠ, ক্ষুব্ধ গ্রাহকরা

 

মোঃ জুয়েল রানা, তিতাসঃ

রোদের তীব্রতা সাথে রয়েছে গরম, চলছে লোডশেডিং। অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে কুমিল্লা তিতাস উপজেলার বাসিন্দাদের জনজীবন। প্রতিদিন ২৪ ঘন্টার মধ্যে দিনরাতে ১৪-১৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকে না বলে অভিযোগ করেছে গ্রাহকরা। এতে বিঘ্ন হচ্ছে দাপ্তরিক কাজসহ শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা। এ পরিস্থিতিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এছাড়াও এ সুযোগে অধিক মুনাফালোভী ব্যবসায়ীরা বাড়িয়ে দিয়েছে ইলেকট্রিক চার্জার লাইট ও ফ্যানসহ আইপিএসের দাম।

খোজ নিয়ে জানা যায়, কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ-৩ এর আওতায় ৬টি উপজেলার মধ্যে এক মাত্র তিতাস উপজেলায় তুলনামূলকভাবে লোডশেডিং বেশী হচ্ছে। সরকার ঘোষিত সিডিউল মাফিক লোডশেডিং না দিয়ে অতিরিক্ত লোডশেডিং হওয়ায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করছে সাধারণ মানুষ। এসময় সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী লোডশেডিং দেয়ার দাবীও জানান তারা।

উপজেলার নয়াকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মো.শাজাহান মিয়া (৬০) বলেন, জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারের সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই কিন্তু পাশ্ববর্তী উপজেলার তুলনায় আমাদের তিতাসে অতিরিক্ত লোডশেডিং দেয়া হচ্ছে। এতে করে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হচ্ছে বলে আমি মনে করি।

জগতপুর ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্ততা মো.শরিফ আহমেদ সুমন বলেন,
তিতাসে সরকার ঘোষিত লোডশেডিং সময়ের চেয়ে কয়েকগুন বেশি সময় লোডশেডিং হচ্ছে। এতে করে নাগরিক সেবা নিতে আসা গ্রাহকগণকে ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

উপজেলা ভূমি অফিসের নাজির মিজানুর রহমান বলেন, আমাদের ভূমি সেবা হচ্ছে সম্পূর্ণ ডিজিটালাইজ। আর ডিজিটালাইজ এর কারনে আমাদের সবকিছু বিদ্যুৎ নির্ভর হওয়ায় অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারনে সেবা গ্রহীতাদের সময়তো সেবা দিতে পারছি না। এতে সেবা গ্রহীতাদের সাথে সবসময় বাকবিতন্ডায় লেগেই থাকে।

এদিকে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের পড়াশোনার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে বলে পরীক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা জানিয়েছেন। তারা জানান, সন্ধ্যার পর থেকে ঘনঘন লোডশেডিংয়ের কারণে পড়াশোনা মারাত্বক ভাবে ব্যাহত হচ্ছে। গরমের সাথে অতিরিক্ত লোডশেডিংয়ের কারনে পরীক্ষার্থীরা পড়াশোনা করতে পারছে না। এ কারনে তাদের কাঙ্খিত ফলাফল অর্জন করা সম্ভব হবে না কিনা তা নিয়ে সংঙ্কায় অভিভাবকরা।

কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ তিতাস উপজেলার সাব-জোনাল অফিসের এজিএম গোলজার হোসেন বলেন, তিতাসে বিদ্যুতের চাহিদা সাড় ৭ থেকে ৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। কিন্তু আমাকে দিচ্ছে ২ থেকে ৩ মেগাওয়াট, এই বিদ্যুৎ আমি ৩টি ফিডারের মাধ্যমে ৭৯ টি গ্রামে সরবরাহ করতে হচ্ছে। একটি ফিডার চালু করলে দুটি ফিডার বন্ধ রাখতে হয়, একারনে লোডশেডিং একটু বেশী হচ্ছে।

এছাড়াও তিনি আরো বলেন, ডিজেল চালিত পাওয়ার স্টেশনে জেনারশন আবাদত স্থগিত রয়েছে বিদায় বর্তমানে পাওয়ার জেনারেশন ১৪ হাজার থেকে ১৫ মেগওয়াটে নেমে এসেছে, ফলে বর্তমানে চাহিদার তুলনায় ২ হাজার মেগওয়াট জেনারেশন কম হচ্ছে। মুলত এ ২ হাজার মেগওয়াটই এখন বাংলাদেশের সমগ্র এলাকায় প্রতিটি উপজেলায় ফিডার ভিত্তিক সর্বোচ্চ ডিমান্ড এর সাথে বরাদ্দকৃত লোডের সংঙ্গীত রেখে লোডশেডিং দেওয়া হচ্ছে এবং তারই ন্যায় তিতাস উপজেলাতে লোডশেডিং হচ্ছে।

কুমিল্লা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর ডিজিএম সানোয়ার হোসেন বলেন, তিতাসে আরও একটি ফিডার স্থাপন করা হবে, ইতি মধ্যে ডিজাইন সম্পূর্ণ করা হয়েছে, আশা করি নভেম্বর মাসে নতুন ফিডারটি স্থাপন করলে লোডশেডিং কমে আসবে।

কুমিল্লার সীমান্তে মাদক সেবন: ৩ যুবককে জেল-জরিমানা

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা সদরের ভারতীয় সীমান্তে মাদক সেবনের অভিযোগে ৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও অর্থদন্ড করেছে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর নেতৃত্বে বিজিবি, পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধির সমন্বয়ে টাস্কফোর্স।

রবিবার (৭ আগষ্ট) রাত ৮ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত  সদরের গোলাবাড়ি পোস্টের বেড়িবাঁধ নামক স্থানে  অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে কুমিল্লার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট  কানিজ ফাতেমা এবং কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের  (১০ বিজিবি) সহকারী পরিচালক মোঃ পারভেজ শামীম নেতৃত্বে দেন।

সাজা ও অর্থদন্ড প্রাপ্তরা হলেন,  সদরের শুভপুর এলাকার মো: শফিকুল ইসলামের ছেলে  মোঃ রমজান আলী (২৪), পূর্ব চানপুর গ্রামের মৃত আসাদের ছেলে মো: আতিক (২৪) ও চকবাজার গর্জনখোলা এলাকার মোজ্জাফর হাশেমীর ছেলে মো: ফয়সাল হাসেমী (২৫) ।

বিজিবি সূত্র জানায়, বিয়ার সেবন করে জনসাধারণের শান্তি বিনষ্ট করার অপরাধে মো: রমজান আলীকে ৩ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৫০ টাকা অর্থদন্ড, মোঃ আতিক  এবং মোঃ ফয়সাল হাসেমীকে  সীমান্তবর্তী এলাকায় বিয়ার সেবন করে জনসাধারণের শান্তি বিনষ্ট করার দায়ে ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং ৫০ টাকা অর্থদন্ড প্রদান