All posts by jitu

কুমিল্লা সাংবাদিক ইউনিয়নের কমিটি গঠন : সভাপতি দিলীপ, সাধারণ সম্পাদক জিতু

স্টাফ রিপোর্টার:
বিবর্তন পত্রিকার  সম্পাদক দিলীপ মজুমদারকে সভাপতি, দৈনিক আজকের কুমিল্লা পত্রিকার সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ জিতুকে সাধারণ সম্পাদক ও মাছরাঙ্গা টিভির প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ইমরুলকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে আগামী ২ বছরের জন্য কুমিল্লা সাংবাদিক ইউনিয়নের কার্যকরী কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

সকল সদস্যের সর্বসম্মতিতে শুক্রবার (৫ আগষ্ট) বিকেলে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে রয়েছেন একুশে টিভির প্রতিনিধি হুমায়ন কবীর রণি, দৈনিক ভোরের পাতার ব্যুরো প্রধান এইচ এম জাকারিয়া মানিক ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রতিনিধি রাবেয়া বেগম, সহ-সাধারণ সম্পাদক পদে মোহনা টিভির প্রতিনিধি তাওহিদ হোসেন মিঠু , সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মাছরাঙ্গা টিভির প্রতিনিধি জাহাঙ্গীর আলম ইমরুল, কোষাধ্যক্ষ পদে কুমিল্লা টোয়েন্টি ফোর টিভির হেড অব নিউজ তামজিদ হোসেন লিপু, দপ্তর সম্পাদক পদে দেশ টিভির প্রতিনিধি ও ডেইলি বাংলাদেশ মিররের সিনিয়র প্রতিবেদক ইসতিয়াক আহমেদ, ক্রীড়া সম্পাদক পদে দৈনিক পূর্বাশার বিশেষ প্রতিনিধি সালাহউদ্দিন সোহেল, সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্পাদক পদে দৈনিক সকালের সময়ের প্রতিনিধি আমেনা বেগম শিউলি,  পাঠাগার সম্পাদক পদে জাগরণী টিভির প্রতিনিধি আশিকুর রহমান আশিক, সমাজকল্যাণ সম্পাদক পদে মেঘনা টিভির এইচ এম মহিউদ্দিন, আইন বিষয়ক সম্পাদক পদে চ্যানেল বাংলাদেশের এড.সুদীপ রায়, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক পদে জাগো কুমিল্লার অমিত মজুমদার।

নির্বাহী সদস্য পদে রয়েছেন  দৈনিক আমাদের সময় ও বাংলাভিশন টিভির  প্রতিনিধি সাইয়িদ মাহমুদ পারভেজ, দৈনিক ইনকিলাবের প্রতিনিধি সাদিক মামুন, একাত্তর টিভির প্রতিনিধি কাজী এনামুল হক ফারুক, দৈনিক পূর্বাশার বিশেষ প্রতিনিধি সহিদ উল্লাহ, জিটিভির প্রতিনিধি সেলিম রেজা মুন্সি, বৈশাখী টিভির প্রতিনিধি আনোয়ার হোসেন, দৈনিক পূর্বাশার বিশেষ প্রতিনিধি সাইফ উদ্দিন রণী, ডেইলি স্টারের প্রতিনিধি খালিদ বিন নজরুল, দৈনিক বাংলার আলোড়নের সম্পাদক ফারহানা শারমীন দিবা ও নয়া রবি পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি দিল রুবায়েত সুরভী ।

সদস্য পদে রয়েছেন দৈনিক বাংলার আলোড়নের বার্তা সম্পাদক হাবিবুর রহমান খান, দৈনিক যায় যায় কালের শাহ ইমরান, দৈনিক আজকের জীবনের প্রতিনিধি নেকবর হোসেন, দৈনিক পূর্বাশার মো: আলাউদ্দিন, দৈনিক আজকের কুমিল্লার নাছরিন আক্তার, কুমিল্লা টোয়েন্টি ফোর টিভির সিইও আশা রহমান, দৈনিক পূর্বাশার বিয়াদ ওবায়েদ উল্লাহ, মেগোতীর আসিফ মান্না, ডেইলি স্টেইটের প্রতিনিধি  রেজাউল করিম রাসেল, আমাদের সময় ডট কমের  প্রতিনিধি রুবেল মজুমদার, চ্যানেল বাংলাদেশের তানজীনা রুমকি, সাবিয়া সুলতানা, চ্যানেল বাংলাদেশের উজ্জ্বল, সোহান, ডেইলি বাংলাদেশ মিররের শেফালি আক্তার সেতু।

শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে যুবলীগ নেতা রুমির উদ্যোগে দোয়া অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার ১নং মাধবপুর ইউনিয়নের বাড়ানী বাইতুল মামুর জামে মসজিদে  শুক্রবার জুম্মার নামাযের সময় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র, স্বাধীন বাংলাদেশের ক্রীড়া জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৩-তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সহ-সম্পাদক এহতেশামুল আরেফিন ভূইয়া রুমির উদ্যোগে দোয়া-মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া ১৯৭১ সনের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত সকল শহীদদের জন্য এবং ১৯৭৫ সালের ১৫’ই আগষ্ট নিহত, বাঙ্গালী জাতির পিতা, ইতিহাসের মহানায়ক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মনি ও তার সহধর্মীনি বেগম আরজু মনি সহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সকল শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।  রাষ্ট্র নায়ক বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। বুড়িচং-ব্রাহ্মনপাড়া’র মরহুম জননেতা সাবেক আইনমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য এডভোকেট আবদুল মতিন খসরু সাহেবের বিদায়ী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।

উক্ত দোয়ায় অংশ গ্রহণ করেন এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ ও সর্বস্তরের জনগণ।

সালাত আদায় শেষে সমবেত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজের বিবরণ তুলে ধরেন যুবলীগ নেতা রুমি।

তিনি বলেন, আমার প্রিয় বাংলাদেশ কেন শ্রীলঙ্কার মত হবেনা তা ব্যাখ্যা করি ও বাংলাদেশকে নিয়ে যেসব গুজব রটানো হচ্ছে তাতে কান না দিয়ে গুজবের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ করার আহবান জানাই। তাছাড়া গৃহহীনদের জন্য জননেত্রী শেখ হাসিনার দেয়া উপহার ৭ লক্ষ ৬৩ হাজার পরিবারকে গৃহনির্মাণসহ ৫২ টি উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করা  হয়েছে।  পর্যায়ক্রমে বাংলাদেশের প্রত্যেকটি ভূমি ও গৃহহীন পরিবারকে গৃহ প্রদান করা হবে।

এক পায়ে লিখে তামান্নার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার স্বপ্ন পূরণ

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

এক পা দিয়ে লিখে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন তামান্না আক্তার নুরা এবার গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ‘ক’ ইউনিটে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ওয়েবসাইটে গুচ্ছের ‘ক’ ইউনিটের ফল প্রকাশিত হয়। এবারের পরীক্ষায় পাসের হার ৫৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ। এর মধ্যে প্রকাশিত ফলাফলে তামান্নার নম্বর এসেছে ৪৮.২৫। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তামান্না আক্তার নুরা নিজেই।

৩০ জুলাই যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব একাডেমিক ভবনের কেন্দ্রীয় গ্যালারিতে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন তামান্না। তিনি যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া আলীপুরের রওশন আলী ও খাদিজা পারভীন শিল্পী দম্পতির সন্তান।

অদম্য এ তরুণী শুধুমাত্র একটি পা দিয়ে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সবকটি পাবলিক পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে চমক দেখিয়েছিলেন। তার এ সাফল্যে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার বোন শেখ রেহেনা খোঁজ নেন। একইসঙ্গে তারা দুই বোন তামান্নার স্বপ্ন পূরণে এগিয়ে আসেন। তার চিকিৎসার যাবতীয় ব্যবস্থাও করেন বঙ্গবন্ধুর এ দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহেনা।

এদিকে, মেধাতালিকায় প্রাথমিকভাবে উত্তীর্ণ হয়ে উচ্ছ্বসিত তামান্না। তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক রেজাল্টে খুশি লাগছে। মার্কসও ভালো। আশা করি যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবো। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার ইচ্ছা থাকলেও অন্য ভাই-বোনদের খরচ চালিয়ে বাবার পক্ষে আমাকে পড়ানো কঠিন হয়ে পড়বে। তাই যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) পড়ার ইচ্ছা।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমার যে মার্কস এসেছে তা দিয়ে যবিপ্রবিতে মাইক্রোবায়োলজি অনুষদভুক্ত চয়েজ দিতে পারবো।’

তামান্নার বাবা রওশন আলী বলেন, ‘মেয়ের স্বপ্ন গবেষণাধর্মী কোনো বিষয়ে পড়াশোনা করে বিসিএস দিয়ে সরকারি চাকরি নেওয়ার। স্বপ্ন পূরণে কয়েক মাস আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছিল। দুর্ভাগ্যবশত সেখানে তার সুযোগ হয়নি। যবিপ্রবিতে সে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়। সেই রেজাল্টে উত্তীর্ণ হয়েছে। আশা করি স্বপ্ন পূরণে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাবে সে। তবে যবিপ্রবিতে হলে তামান্না আর আমার পরিবারের জন্য ভালো। কেন না বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাব ও ব্যবহারিকের জন্য বিভিন্ন ভবনে যাওয়া-আসা করা লাগতে পারে তার। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে লিফট নাই। যবিপ্রবিতে আছে। সেটা তামান্নার পড়াশোনার ক্ষেত্রে ভালো ভূমিকা রাখবে।

যবিপ্রবির জনসংযোগ দপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুর রশিদ অর্ণব বলেন, ‘তামান্নার প্রতিবন্ধী কোটায় পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ ছিল। কিন্তু সেই সুযোগ সে নেয়নি। নিজের মেধার জোরে পড়াশোনা করতে চায় সে। তার এ অদম্য ছুটে চলা অবশ্যই প্রশংসিত।’

আবার দর্শক মাতাতে আসছেন কুমিল্লার শিল্পী মুগ্ধ তালুকদার

স্টাফ রিপোর্টার:

চতুর্থ বারের মতো দর্শক মাতাতে আসছেন কুমিল্লার শিল্পী মুগ্ধ তালুকদার।গানের নাম এবং রিলিজের তারিখ   এখনো নির্দিষ্ট হয় নি। কুমিল্লায় ব্যান্ড মিউজিসিয়ানদের  মধ্যে তালিকার শীর্ষে আছেন “মুগ্ধ তালুকদার” তবে কিছু কাল ধরে ব্যান্ড এর সেটাপ ঠিক না থাকায় একাই এগিয়ে যেতে হচ্ছে তাকে।এই নিয়ে ৩টি গান যুক্ত হয়েছে সংগীত জগতে। তবে আরো অনেক গান উপহার দিবেন এই আশ্বাস দিয়েছেন।

এই গানের নাম কী হবে?এটা এখনো জানান নি তিনি।তবে নাম দেওয়া ঠিক হলেই জানাবেন।এবারও গানের কথা লিখেছেন ডা.হাবিবুর রহমান।

গায়ক মুগ্ধ তালুকদার জানান, হাবিব ভাইয়ের লেখনিতে একটা ব্যাপার আছে যা সহজেই ভক্ত হৃদয়ে জায়গা করে নিতে পারবে বলে বিশ্বাস আমার।বড় ভাই হিসেবেও তিনি খুব ভালোভাবেই সাপোর্ট করে যাচ্ছেন। আমার পরিবার ও আমাকে অনেক বেশী সাপোর্ট করছে।আমার বাবা প্রতি বার গান রিলিজ হওয়ার পর পরই সারাদিন মোবাইল নিয়ে ইউটিউবে আমার গানে পরে থাকে নতুন কয়জন দেখেছে,কয়জন,কী কমেন্ট করেছে সব আপডেট জানায় আমাকে।

এবার ও আমার গানের কম্পজিশনে  ছিলেন সানাউল ফাহাদ ভাই।আমার যত গান সব উনারই করা।সুরের ভান্ডার বলা চলে।ফাহাদ ভাই আমাকে অনেক সাহায্য করছে।আশা করছি হাবিব ভাই এবং ফাহাদ ভাইয়ের সাহায্য পেয়ে একদিন ভালো জায়গা করে নিবো সংগীত জগতে।

আমি আশাবাদী আসছে গান ভক্ত হৃদয়ে জায়গা করে নিবে।যারা এই গানের পিছনে কাজ করেছে তাদের অসংখ্য ধন্যবাদ।

লাকসামে বোনকে ধর্ষণ করলো ভাই, জেনে যাওয়ায় স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা

মোঃ উজ্জ্বল হোসেন বিল্লালঃ

কুমিল্লায় এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তোফায়েল আহমেদ রাসেল (৩৫) নামে তার বড় ভাইয়ের বিরুদ্ধে। এই ঘটনা জেনে যাওয়ায় সেই নারীর স্বামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ওই ভাই। জেলার লাকসামের কান্দিরপাড় ইউনিয়নের রনচৌ গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

ভুক্তভোগী ওই স্বামী ভাবকপাড়া গ্রামের মকবুল আহমেদের ছেলে শরীফুল ইসলাম (২৮)। আর ভাইয়ের ধর্ষণের শিকার ওই নারী লাকসামের কান্দিরপাড় ইউনিয়নের রনচৌ এলাকার মৃত শামছুল হকের মেয়ে নুসরাতুল জান্নাত স্বর্না (২০)।

ভুক্তভোগী ওই স্বামী জানান, গত ১৮ মার্চ পারিবারিকভাবে স্বর্ণার ও আমার বিয়ে হয়। বিবাহের প্রথম দিকে আমার স্ত্রী শারিরিক ভাবে অসুস্থ থাকে। পরবর্তী সময় আমাদের মধ্যে যখন শারিরিক সম্পর্ক হয় স্ত্রীর শারিরিক অবস্থা দেখে আমার কাছে সন্দেহ হয়। কিন্তু আমি বিষয়টি বুঝে ওঠতে পারিনি। পরে গত ৮ মে দিবাগত রাতে আমার শ্বশুর বাড়িতে আমার স্ত্রী শারিরিক সম্পর্কে আমাকে আগ্রহ প্রকাশ করে। পরে আমি তাকে তার শারিরিক অবস্থা এমন কেন হলো সত্য কথা বলার জন্য অনুরোধ করি। সে আমাকে উত্তরে বলে, তার আপন মেজো ভাই তোফায়েল আহমেদ রাসেল(৩৫) আমাদের বিয়ের পূর্বে তার ইচ্ছের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন যাবত শারিরিক সম্পর্ক করতো। যার কারণে সে একাদিক বার অসুস্থ হয়ে পরেছে। এমন কথা শুনে আমার কাপুনি চলে আসে। আমি অনেক অসুস্থ হয়ে যাই। সকালে আমার স্ত্রী আমাকে বলে, আমি চাইলে সে তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে মামলা করবে। কিন্তু আমি তাকে নিষেধ করি। তার কাছ থেকে ভবিষ্যৎ ঝুঁকি এড়াতে একটি লিখিত এবং ভিডিও সাক্ষাৎকার প্রমাণ হিসেবে রাখি। সকাল প্রায় ৯ টার সময় আমার শ্বশুর বাড়ি থেকে স্ত্রী ও অন্যান্য সদস্যদের সাথে বিদায় নিয়ে চলে আসি।

পরবর্তিতে আমি তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে বিষয়টি নিয়ে কথা বলি তাড়া বিষয়টি স্বীকারোক্তি দেয়। কোন প্রকার হস্তক্ষেপ ছাড়াই বিষয়টি মেনে নিতে বলে। আমি আলেমদের সাথে বিষয়টি নিয়ে আমার কি করনীয় তা জানতে চাই। আলেমদের পরামর্শক্রমে আমার স্ত্রীকে আমার শ্বশুর বাড়ির সাথে সাময়িকভাবে সম্পূর্ণ সম্পর্ক ত্যাগ করে আমার বাড়িতে আসতে বলি আমার স্ত্রীও আমার কথায় সম্মত হয়। কিন্তু তার একদিন পর আমার স্ত্রী আমাকে কল দিয়ে তার উপর জোর করে তার স্বীকারোক্তি পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হচ্ছে বলে জানায় সে বলে তাদের সামাজিক কারণে তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে চায়না। প্রয়োজনে আমাদের সম্পর্ক ভেঙে গেলেও সে যেন তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে কথা না বলে। তার পরিবারের লোকজন আমার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপবাদ দিয়ে আসতেছিল যার কারণে আমার এবং আমার পরিবারের সম্মানহানী হচ্ছিল। এসব ঘটনায় আমি দুশ্চিন্তায় অসুস্থ হয়ে ৪ দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম। আমি সামান্য সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরার পর ২৩ জুন ধর্ষক তোফায়েল (স্ত্রীর বড় ভাই) আমার বিরুদ্ধে কুমিল্লার আদালতে মিথ্যা মামলা করে। আমি তাদের স্থানীয় মেম্বর ও চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানিয়েছিলাম। কিন্তু মামলা হয়ে যাওয়ায় তারা আদালতের সিদ্ধান্তকে দেখতে বললেন। তোফায়েল মামলায় লিখে আমি তার বোনকে নির্যাতন করেছি। অথচ আমি মামলায় উল্লেখের তারিখে বাড়িতেই ছিলাম না। তাছাড়া আমার স্ত্রী তার বাবার বাড়িতে ছিল। ১৪ জুলাই পুলিশ আমাকে ধরে নিয়ে যায়। পরে আমি ২০ জুলাই আমি জেল থেকে বের হই। এবং আদালতে আমার মামলা মিথ্যা বলে দাবি করে কাগজপত্র জমা দেই। পরে ২৪ জুলাই আদালতে আমার সকল কাগজপত্র সত্য বলে প্রমাণ হওয়ায় আদালত মামলাটি খারিজ করে আমাকে মুক্তি দেয়। তখন তার ভাই তাকে ধর্ষণ করেছে তাই প্রমাণিত হয়। পরে আমি তাকে ডিভোর্স দিই।

শরীফুলের ব্যবসায়িক এলাকা লাকসামের মুদাফরগঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা আলমগীর হোসেন বলেন, শরীফুলের সমস্যা সে পারিবারিকভাবে মিমাংসা করতে বলেছিল সবাইকে। আমরাও রাজি ছিলাম। এত ঝামেলা হতো না। সে চেয়েছিল যত যাইহোক মেয়েটার যেহেতু দোষ নেই তাকে ক্ষমা করে দিয়ে তার সাথেই সংসার করবে। কিন্তু তারা শরীফুলের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। মামলায় তাকে খালাস দিয়েছে আদালত। তার বড় ভাই লোকটা ভালোনা এলাকার মানুষও বললো।

এবিষয়ে অভিযুক্ত তোফায়েলকে কল দিলে তিনি প্রথমেই এই প্রতিবেদককে প্রশ্ন করেন তার বোনের রেকর্ড ও লিখিত অভিযোগ গুলো কোথায় পাওয়া গেছে। এসময় তিনি তার পরিচয় লুকানোর চেষ্টা করেন। পরে একাধিক প্রশ্ন করায় তার বোন ভুল করে দিয়েছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, সব মিথ্যা অভিযোগ। তাই তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছি। মামলা খারিজ করে দিয়েছে এমন তথ্যে তিনি বলেন, আমার বোনকে কাবিনের টাকা দিতে বলেছে শরিফুল তাই করেছে। এর চেয়ে বেশি কিছুনা।
তাছাড়া আমরা ১০ ভাই বোন। স্বর্না সবার ছোট। আমি আমার বোনের সাথে এমন কিছু করবো এটা কেউ বিশ্বাস করবে!

এই বিষয়ে স্বর্না আক্তারকে কল দিলে তার মোবাইলের কল রিসিভ করেন পারভেজ নামের একজন। তিনি স্বর্নার বড় ভাই পরিচয়ে বলেন, মামলাটি খারিজ করেছে আদালত। এ বিষয়ে আর কোন কথা নেই।

ঘটনার বিষয়ে কান্দিরপাড় ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ বলেন, ছেলের পক্ষ আমার কাছে এসেছিল। আমি পরে মেয়ের পক্ষকে নোটিশ দিয়েছি একসাথে বসার জন্য। কিন্তু মেয়ের পক্ষ আমার কথা না মেনে আমাকে না জানিয়ে মামলা করেছে। ওই মামলায় ছেলেকে খালাস দিয়েছে।

নোয়াখালীতে সাত মাসে ৩০ ধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা ৭

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নারীর প্রতি সহিংসতা রুখে দাও এ স্লোগানে নোয়াখালীতে সাম্প্রতিক নারীর প্রতি সংঘটিত সহিংসতা ও নির্যাতন সংক্রান্ত নাগরিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে জেলা নারী অধিকার জোট নোয়াখালী।

সংগঠনটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ি গত জানুয়ারি মাস থেকে জুলাই পর্যন্ত জেলায় ৩০টি ধর্ষণ, ৭টি ধর্ষণের পর হত্যা, যৌতুকের জন্য নির্যাতন ৭টি, অপহরণ ৩ ও বিভিন্ন ঘটনায় ১২জন হত্যার শিকার হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) সকালে নোয়াখালী প্রেসক্লাব মিলনায়তনে গত ৭ মাসে ঘটে যাওয়া নারীর নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরেন নোয়াখালী নারী অধিকার জোটের আহবায়ক লায়লা পারভিন।

নারী নির্যাতন ও প্রতিরোধ বিষয়ে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জেলা নারী অধিকার জোটের সদস্য নাসিমা মুন্নি, এ্যডভোকেট কল্পনা রানী, মনোয়ারা বেগম মিনু, ফরজানা তিথি প্রমুখ।

বক্তারা জেলায় সাম্প্রতি ঘটে যাওয়া নারী নির্যাতনসহ সকল ধরনের সহিংসতার প্রতিবাদ জানিয়ে এসব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে নির্যাতিতার সুবিচার প্রাপ্তির বিষয়টি নিশ্চিতের দাবি জানান।

ঘরেই খুব সহজে তৈরি করুন গরুর মাংসের আচার

 

লাইফস্টাইল ডেস্কঃ

গরুর মাংসের বাহারি পদ কমবেশি সবাই খেয়ে থাকেন। তবে গরুর মাংসের জিভে জল আনা আচার হয়তো অনেকেই খাননি। চাইলেই কিন্তু তারা ঘরেই খুব সহজে এই পদ তৈরি করে দীর্ঘদিন খেতে পারেন।

একবার তৈরি করে এই আচার অন্তত ৬ মাস সংরক্ষণ করে খাওয়া যায়। জেনে নিন গরুর মাংসের আচার তৈরির রেসিপি-

উপকরণ

১. পাঁচ ফোড়ন ১ চা চামচ
২. শুকনো লাল মরিচ ৩/৪টি
৩. আস্ত ধনিয়া ১ চা চামচ
৪. গরুর মাংস ১ কেজি হাড়-চর্বি ছাড়া
৫. মরিচ গুঁড়া আধা চা চামচ
৬. হলুদ গুঁড়া আধা চা চামচ
৭. গরম মসলার গুঁড়া আধা চা চামচ
৮. ভাজা জিরার গুড়া আধা চা চামচ
৯. ধনিয়ার গুঁড়া আধা চা চামচ
১০. আদা বাটা ১ চা চামচ
১১. রসুন বাটা ১ চা চামচ
১২. লবণ সামান্য
১৩. সরিষার তেল ১ টেবিল চামচ
১৪. পানি পরিমাণেমতো
১৫. লেবুর রস ১টি
১৬. চিনি ১ চা চামচ
১৭. দারুচিনি ২/৩ টুকরো
১৭. শুকনো লাল মরিচ ২/৩টি
১৮. আস্ত রসুনের কোয়া আধা কাপ
১৯. রসুন বাটা ১চা চামুচ।
২০. সাদা সরিষা বাটা ১ টেবিল চামচ
২১. মরিচের গুঁড়া আধা চা চামচ
২২. হলুদের গুঁড়া আধা চা চামচ
২৩. ভাজা জিরার গুড়া আধা চা চামচ
২৪. তেতুলের ক্বাথ ২ টেবিল চামচ
২৫. সেদ্ধ মাংস
২৬. আচারের মসলা-আগে থেকে করে রাখা ও
২৭. বিট লবণ আধা চা চামচ।

পদ্ধতি

প্রথমে আচারের মসলা তৈরির জন্য ১-৩ নম্বরের সবগুলো উপকরণ হালকা টেলে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর মাংস ছোট ছোট কিউব করে কেটে ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে নিতে হবে।

প্যানের মধ্যে মাংস দিয়ে সঙ্গে ৫-১৪ নম্বরের সবগুলো উপকরণ একে একে মিশিয়ে দিতে হবে। চুলায় দিয়ে অল্প আঁচে মাংস ঢেকে সেদ্ধ করে নিতে হবে। মাঝে মাঝে ঢাকনা সরিয়ে নেড়ে দিন। মাংস সেদ্ধ হয়ে পানি শুকিয়ে গেলে চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে।

তারপর চুলায় প্যান বসিয়ে তাতে সরিষার তেল দিতে হবে এক কাপ। তেল হালকা গরম হলে দারুচিনি, আস্ত রসুনের কোয়া আর শুকনো মরিচ ভেজে নিন। এর মধ্যে সেদ্ধ করা মাংস ঢেলে দিন। তারপর একে একে ২০-২৭ নম্বরের সবগুলো উপকরণ পরিমাণমতো দিয়ে দিন।

অল্প আঁচে এভাবে রান্না করুন। কিছুক্ষণ পর দেখবেন মাংসের রং কালচে হয়ে এসেছে। তখনই দিয়ে দিন একটি লেবুর রস। এর সঙ্গে ১ চা চামচ চিনিও মিশিয়ে দিন। ২/১ বার নেড়েই চুলা থেকে নামিয়ে নিতে হবে।

তেলের নিচে ডুবে থাকলে এই আচার একদমই নষ্ট হবে না। মাঝে মধ্যে রোদে দিলেই অনেক দিন ভালো থাকবে। পরিষ্কার শুকনো কাচের এয়ার টাইট পাত্রে ৬ মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যাবে মাংসের আচার।

নোয়াখালীতে প্রবাসীর স্ত্রীকে পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় বাবা-ছেলেসহ ১৬ গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের অভিযোগ উঠেছে এক প্রবাসীর স্ত্রীর বিরুদ্ধে।

এদিকে বাদিনী থানায় ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ দিলেও পুলিশ ধর্ষণের ধারায় মামলা রুজু করায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। গ্রেফতার আতঙ্কে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন আসামিরা।

বুধবার (৩ আগস্ট) ওই এলাকায় গেলে স্থানীয় ইউপি সদস্য ইমাম হেসেন রিমন বলেন, প্রবাসীর স্ত্রীর (৩০) সঙ্গে স্থানীয় ব্যবসায়ী আয়াত উল্যাহর (৩৫) দীর্ঘদিন অবৈধ সম্পর্ক চলে আসছিল। এনিয়ে অনেকবার তাদের সতর্ক করেও ওই পথ থেকে সরানো যায়নি। দুজনের মোবাইলে ধারণ করা অসংলগ্ন অডিও রেকর্ডও ফাঁস হয়েছে।

গত ১৭ জুলাই (রোববার) রাত ১০টায় গ্রামবাসী একত্রিত হয়ে আয়াত উল্যাহকে প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে আপত্তিকর অবস্থায় আটক করে। এসময় আয়াত উল্যাহকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখলে খবর পেয়ে পুলিশ এসে দুজনকে থানায় নিয়ে যায়। পরে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। গত ২৪ জুলাই প্রবাসীর স্ত্রী আয়াত উল্যাহকে সাক্ষী করে ১৬ গ্রামবাসীর বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন।

মামলায় আনোয়ার হোসেন (৫৫) নামের একজনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। তার ছেলে মো. তাহমিদকে (২৫) ৪ নম্বর আসামি করা হয়। এছাড়া অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও সাবেক এনজিওকর্মী মো. ছায়েদুল হককে (৬৩) ৩ নম্বর আসামিসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে চার-পাঁচজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে।

মামলায় বাদিনীর অভিযোগ, তার স্বামী বিদেশে থাকেন। সম্পত্তি বিরোধের জেরে আসামিরা ১৭ জুলাই রাতে হামলা চালিয়ে তাকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। একপর্যায়ে আসামিদের সহযোগিতায় মো. ছায়েদুল হক তাকে ধর্ষণচেষ্টা করেন। এসময় স্বর্ণের চেইনসহ এক লাখ ৮৭ হাজার ৫০০ টাকার মালামাল লুট করে।

মো. ছায়েদুল হক বলেন, ওই নারীর ঘরে আয়াতকে আটকের পর তাকে ছাড়িয়ে আনতে আয়াতের বড় ভাই এসে আমাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। ঘটনাস্থলে অনেক লোকজন উপস্থিত ছিল। আয়াতসহ অভিযুক্ত দুজনকে অবৈধ কর্মকাণ্ডের কারণে পুলিশ থানায় নিয়ে যায়। কিন্তু এক সপ্তাহ পর ধর্ষণ মামলায় আমিসহ অনেককে আসামি করা হয়। ওই মামলায় অভিযুক্ত ব্যবসায়ী আয়াতকে সাক্ষী করা হয়। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রতিকারের দাবি জানাই।

বুধবার উত্তর রোহানিয়া গ্রামে গিয়ে ওই নারীর ঘরে তালা লাগানো পাওয়া যায়। স্থানীয়রা বলেন, ঘটনার পর থেকে তিনি মাইজদী ভাইয়ের বাসায় অবস্থান করছেন। তার মোবাইলে বার বার ফোন করেও বন্ধ পাওয়া যায়।

অভিযুক্ত আয়াত উল্যাহকে ফোন দিলে তিনি সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে ফোন বন্ধ করে দেন।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমির হোসেন বলেন, ওই নারীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করা হয়েছে। নারীর ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগের মামলায় ধর্ষণের ধারা কেন? জানতে চাইলে ওসি বলেন, তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত না হলে ধারা পরিবর্তন করা হবে।
সূত্র-জা:নি