All posts by jitu

প্রধানমন্ত্রীর মনিটরিংয়ে বন্যায় একটি মানুষও না খেয়ে ও বিনা চিকিৎসায় মারা যায়নি

ডেস্ক রিপোর্ট:

করোনার মতো বন্যাও একসঙ্গে মোকাবিলা করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেন, দেশের মধ্যে এবারের ভয়াবহ বন্যায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সুনামগঞ্জ ও সিলেটের মানুষ। বন্যার শুরু থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি মনিটরিং করেছেন বলেই একটি মানুষও না খেয়ে ও বিনা চিকিৎসায় মারা যায়নি। সেনাবাহিনীসহ সরকারের সব বিভাগ তার তত্ত্বাবধানে একযোগে কাজ করায় শতবছরের মধ্যে ভয়াবহ এ বন্যা আমরা ভালোভাবে সামাল দিতে পেরেছি।

সোমবার (২৭ জুন) দুপুর দেড়টায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের সম্মেলনকক্ষে সিলেট বিভাগের বন্যা পরিস্থিতি, ত্রাণ ও স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সভায় বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক, বিভিন্ন হাসপাতাল ও সরকারি-বেসরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোর প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘আমরা সবাই টিম ওয়ার্কের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাজ করতে পেরেছিলাম বলে কোভিডকে ভালোভাবে মোকাবিলা করতে পেরেছি। বিশ্বের ২০০টি দেশের মধ্যে করোনা মোকাবিলায় আমরা পঞ্চম সফল দেশ। আর দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে প্রথম। তেমনি আমরা সবাই একইভাবে ভয়াবহ বন্যাও মোকাবিলা করতে পারবো। কেউ বিনা চিকিৎসায় ও না খেয়ে মরবে না।

তিনি আরও বলেন, যারা করোনার টিকা নেওয়ার যোগ্য আছেন এমন ৯৮ ভাগ মানুষকে আমরা টিকা দিয়েছি। বিশ্বের অনেক দেশ আছে করোনার ১০ ভাগ টিকাও এখনো তাদের নাগরিকদের দিতে পারেনি। প্রধানমন্ত্রীর গাইডলাইনের কারণে আমরা সফল হয়েছি।

চান্দিনায় নিরাপদ অভিবাসন নিশ্চিতকরণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মশালা

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

আজ সোমবার (২৭ জুন) নিরাপদ শ্রম অভিবাসন প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্তকরণের মাধ্যমে বিদেশগনেচ্ছু, বিদেশগামী এবং বিদেশ ফেরত অভিবাসী কর্মীসহ জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে কুমিল্লা জেলার চান্দিনা উপজেলার কুটুম্বপুর উচ্চ বিদ্যালয় মিলনায়তনে কুমিল্লা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস এবং অভিবাসী তথ্য কেন্দ্র বাংলাদেশের আয়োজনে ১০০ জন শিক্ষার্থী এবং ২০ জন শিক্ষকদের নিয়ে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক সচেতনতামূলক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মূল আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারি পরিচালক দেবব্রত ঘোষ। উপস্থাপনায় তিনি নিরাপদ, নিয়মিত, সুশৃঙ্খল এবং দায়িত্বশীল অভিবাসন নিশ্চিতকরণ, মানব পাচার রোধ, বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রক্রিয়ায় মধ্যসত্বভোগীদের দৌরাত্ব নিরসন, উচ্চ অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, অভিবাসী কর্মীর অধিকার সুরক্ষা, অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা এবং কল্যাণ নিশ্চিতকরণে বর্তমান সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা ব্যক্ত করেন।

দেবব্রত ঘোষ প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো, ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের কার্যক্রম তুলে ধরেন।

অভিবাসী তথ্য কেন্দ্র বাংলাদেশের কাউন্সেলর জনাব এস এম রিফাত শাহরিয়ারের অভিবাসী তথ্য কেন্দ্র বাংলাদেশ-এর সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের অবহিত করেন এবং অভিবাসী তথ্য কেন্দ্র বাংলাদেশের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যাবলি তুলে ধরেন। তিনি অভিবাসন বিষয়ক যেকোন প্রয়োজনে এমআরসি বাংলাদেশের সাথে যোগাযোগের জন্য সকলকে আহবান জানান।

প্রধান শিক্ষক মোঃ কামরুল কবীর তার বক্তব্যে বলেন, অভিবাসনকে নিরাপদ, সুষ্ঠ, নিয়মিত করতে সকল শ্রেণি পেশার মানুষের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে। কুমিল্লা যেহেতু দেশের শীর্ষ অভিবাসন প্রবন জেলা, সেহেতু শিক্ষার্থীরা খুব সহজে অভিবাসনের সঠিক বার্তা শহরাঞ্চল এবং গ্রামঞ্চলে পৌঁছে দিতে পারবে। ফলে মানুষ দালালের হাত থেকে রক্ষা পাবে। তিনি এ ধরনের কর্মশালার আয়োজন করার জন্য জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।

তিতাসে মাদকবিরোধী কর্মশালার মঞ্চে মাদকসেবী, অনুপস্থিত প্রধান অতিথি

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার তিতাস উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক মাদকরিবোধী কর্মশালায় চিহিৃত ইয়াবা সেবনকারী এবং তিতাস উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ ফকিরকে মঞ্চে বসানোর কারণে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিনা আহমাদ মেরী অনুষ্ঠান বয়কট করেছেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৭ জুন) চলমান এ কর্মশালায় চিহ্নিত ইয়াবাসেবী (গণমাধ্যমে প্রকাশিত) ফরহাদ আহমেদ ফকিরকে কিভাবে উপজেলা প্রসাশন মঞ্চে বসালো তা নিয়েও চলছে নানা আলোচনা সমালোচনা।

একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীও মাদকসেবীকে মঞ্চে ঠাঁই দেয়ার কারণে কুমিল্লা-২ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ মেরী প্রধান অতিথি হিসাবে অনুষ্ঠানে থাকার কথা থাকলেও তিনি সেখানে যাননি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ,টি,এম মোর্শেদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন তিতাস উপজেলা পরিষদের উপজেলা চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন সরকার, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াসমিন, তিতাস উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ শওকত আলী, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহসিন ভুইয়া।

উল্লেখ্য, গত ২০২০ সালের ১০ আগস্ট তিতাসে ছাত্রলীগ নেতা ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ ফকিরের মাদক সেবনের ছবি ও ভিডিও ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এ বিষয়ে সামাজিক মাধ্যমে তখন বিতর্ক শুরু হয়। এমনকি এ মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে প্রশ্ন উঠেছিল তার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের অনিয়ম নিয়ে। তবে অভিযুক্ত ফরহাদ আহমেদ ফকির দাবি করেছিলেন, এগুলো ষড়যন্ত্র।

সূত্র জানায়, ২০১৪ সাল থেকে কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন ফরহাদ হোসেন ফকির। পরবর্তীতে তিনি উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

তখন এ বিষয়ে অভিযুক্ত বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতা ও তিতাস উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ ফকির বলেছিলেন, এটি আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। উপজেলায় আমার এন্টি পার্টি আছে, হয়তো তারা এ কাজ করেছে। বিষয়টি মিথ্যা, যারা ফেসবুকে লিখেছে, ডিলিট করানোর চেষ্টা করতেছি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, তিতাস উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পারভেজ হোসেন সরকার  কলাকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মাদক ব্যবসায়ি চম্পারানীকে কর্মশালা থেকে বিদায় করে দিলেও একই প্রোগ্রামের মঞ্চে স্থান দেন  উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মাদকসেবী ফরহাদ আহমেদ ফকিরকে।

 

ডাকাতিয়া নদীর গল্প

 

মোঃ রুহুল আমিনঃ

নদীমাতৃক দেশ বাংলাদেশ। এই দেশের উপর দিয়ে প্রবাহমান আছে বহু নদ-নদী। তার মধ্যে ডাকাতিয়া একটি। ডাকাতিয়া নদী বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী। এই নদীটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চাঁদপুর ও কুমিল্লা জেলার একটি নদী।

দক্ষিণ এশিয়ায় অন্তর্গত বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। শাখা-প্রশাখাসহ প্রায় ৩১০ টি নদ-নদী বিপুল জলরাশি নিয়ে ২৪,১৪০ কিলোমিটার জায়গা দখল করে দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ২০০৫ সালে বাংলাদেশের নদ-নদী শীর্ষক গ্রন্থে বলেছে নদ-নদীর সংখ্যা ৩১০টি। এরপর ২০১১ সালে নদ-নদীর সংখ্যা হয় ৪০৫ টি।

বাংলাদেশের প্রধান নদীসমূহঃ

নদীমাতৃক বাংলাদেশে অসংখ্য নদ-নদীর মধ্যে অনেকগুলো আকার এবং গুরুত্বে বিশাল। এসব নদীকে বড় নদী হিসেবে উল্লেখ করা হয়।বৃহৎ নদী হিসেবে কয়েকটিকে উল্লেখ করা যায় এমন নদীসমূহ হচ্ছে: পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ব্রহ্মপুত্র, কর্ণফুলি, শীতলক্ষ্যা, গোমতী ইত্যাদি।

বাংলাদেশের অধিকাংশ এলাকাই শত শত নদীর মাধ্যমে বয়ে আসা পলি মাটি জমে তৈরি হয়েছে।

ডাকাতিয়া নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা “পাউবো” কর্তৃক ডাকাতিয়া নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের নদী নং ০৭।

ডাকাতিয়া নদী মেঘনার উপনদী। নদীটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের পাহাড় থেকে উৎপন্ন হয়ে কুমিল্লা জেলার বাগসারা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং পরবর্তীতে চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। নদীটি কুমিল্লা-লাকসাম চাঁদপুর হয়ে মেঘনা নদীতে মিশেছে। যা লক্ষ্মীপুরের হাজিমারা পর্যন্ত বিস্তৃত। দৈর্ঘ্য-২০৭ কিলোমিটার। মেঘনা নোয়াখালীতে প্রবেশের পর ডাকাতিয়া নাম ধারণ করেছে। যার দক্ষিণের অংশ নোয়াখালী খাল হিসেবে প্রবাহিত। চাঁদপুর থেকে এই ডাকাতিয়া নদী যোগ হয়েছে কুমিল্লার গোমতীর সঙ্গে ইহা ২৩০.২০ অক্ষাংশে এবং ৯১০.৩১ দ্রাঘিমা বিস্তৃত। যা বামদিকে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে ফেনী নদীতে মিশেছে।

সম্ভবত এই নদী দিয়ে মগ-ফিরিঙ্গি জলদস্যুরা নোয়াখালী ও কুমিল্লা জেলায় প্রবেশ করতো। এই নদীতে তাদের মাধ্যমেই ডাকাতি হতো। ডাকাতির উপদ্রবের কারণে নদীটির নাম ডাকাতিয়া হয়েছে বলে ধারণা করা হয়। তৎকালীন কলকাতাস্থ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাউন্সিলের পক্ষে কোর্ট অব ডিরেক্টর সভার কাছে ১৭৫৮ খ্রিষ্টাব্দের ১০ জানুয়ারি পেশকৃত একটি চিঠির মাধ্যমে জলদস্যুদের উপদ্রবের চিত্র পাওয়া যায়। সেখানে লেখা হয়:

Being advised from Lakshmipur that the Maghs and other robbers are making depredations in their neighbourhood and that they are apprehensive that they attempt our factory itself which is in no state of defece we have ordered the gentlemen at Dacca to send part of their sepoys to Lakshmipur and shall supply them from hence with a few pieces of cannon and ammunition. Vide liong’s selections from the unpublished records of the government. Letter No. 276, p.116.

ডাকাতিয়া নদীর নামকরণ নিয়ে লোকমুখে আরেকটি মতামত শোনা যায়, একসময় ডাকাতিয়া নদী তীব্র খরস্রোতা ছিল। মেঘনার এই শাখা নদী ডাকাতিয়ায় মেঘনার উত্তাল রূপ ফুটে উঠত। ফলে ডাকাতিয়ার করালগ্রাসে নদীর দুই পাড়ের মানুষ সর্বস্ব হারাত। ডাকাতিয়া পাড়ি দিতে গিয়ে বহু মানুষের সলিল সমাধিও ঘটেছে। ডাকাতের মতো সর্বগ্রাসী বলেই এর নাম হয়েছে ডাকাতিয়া।

একসময় এই নদীর উপর দিয়ে বরিশাল, ভোলা, শরীয়তপুর, ফরিদপুর, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, নরসিংদীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মালামাল পরিবহন করা হতো। একসময় এই নদীতে সকাল আর বিকাল নিয়মিত জোয়ার-ভাটা বইতো। কিন্তু এখন শুধু মাত্র বর্ষাকালে জোয়ার-ভাটা হতে দেখা যায়। শুষ্ক মৌসুমে কোথায়ও কোথায়ও হাঁটুর নিচে পানি নেমে আসে। সঠিক পরিচর্যা ও রক্ষণাবেক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার করা না হলে এই নদী এক সময় হারিয়ে যাবে।

শক্তি সাহস গর্ব আমার পদ্মা সেতু

শেখ  মুসলিমা  মুন:
তোমরা অ্যামাজান জানো
পদ্মা জানো না!
খরস্রোতা এ শক্তি ও দৃঢ়তার কথা এবার জানবে…

তোমরা শেখ মুজিব আর বাংলাদেশকে চেনো
বাঙালীর রক্তের ইতিহাসে…
এবার চিনবে তারই তনয়া
শেখ হাসিনার সাহস শক্তি মর্যাদা আর অহংকারের নামে…

চিনবে বাংলা চিনবে বাঙালি পদ্মা সেতু নির্মাণের গল্পে গৌরবে!

শক্তি ও সাহসের বিশ্বাসের অনির্বান শিখা জ্বলবেই চিরকাল…
জয় বাংলার সাথে!!

মোবাইল নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়ার জেরে প্রাণ গেল গৃহবধূর

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়াতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মোবাইল নিয়ে ঝগড়ার জের ধরে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনার পর থেকে স্বামী গা ঢাকা দিয়েছে। তবে নিহতের শ্বশুর ও শ্বাশুড়িকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ। তাৎক্ষণিক পুলিশ এ হত্যাকান্ডের সুনির্দষ্টি কোন কারণ জানাতে পারেনি।

নিহত গৃহবধূ মেরিনা আক্তার (২৫) উপজেলার ৮নং সোনাদিয়া ইউনিয়নের ২নম্বর ওয়ার্ডের মাইজচরা গ্রামের মো.মহিউদ্দিনের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার ৮নং সোনাদিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মাইজচরা গ্রামের মো.মহিউদ্দিনের সাথে মোবাইর ফোন নিয়ে তার স্ত্রী মেরিনার বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মহিউদ্দিন কাঠের পিঁড়ি দিয়ে স্ত্রীর শরীরে একাধিকবার আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে পরিবারের অন্য সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাতিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা.নিজাম উদ্দিন বলেন, নিহত গৃহবধূর শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন ছিল না। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির হোসেন জানান, অভিযুক্ত স্বামীকে আটক করতে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের শ্বশুর শ্বাশুড়িকে থানায় রাখা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানা যাবে।

ওসি আরও জানায়, প্রাথমিক তদন্তে জানা যায় সোমবার সকালে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মোবাইল নিয়ে ঝগড়ার কারণে স্বামী স্ত্রীকে চড়-থাপ্পড় দেয়। এরপর ওই গৃহবধূ ঘরে ঢুকে লিকুইড জাতীয় কিছু পান করে। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে সে মারা যায়।

বোরকা পরিহিত দেখলেই ‘মেয়েদের কাপড় উল্টাইয়া পিটিয়ে চামড়া উঠায়ে ফেলব’

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর সদর উপজেলার লক্ষীনারায়নপুর এম.এ.রশিদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হাফেজ আহম্মদ ও মাইন উদ্দিনের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের সাথে অনৈতিক আচরণ করে বিদ্যালয়ে বোরকা নিষিদ্ধ করার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার (২৬ জুন) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নবম-দশম শ্রেণির ৯ জন ছাত্রী তাদের সঙ্গে অনৈতিক আচরণের অভিযোগ এনে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, অভিযোগকারীরা নোয়াখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের লক্ষীনারায়নপুর এম.এ.রশিদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণীর ছাত্রী। গত বুধবাার ১৫ জুন বিদ্যালয়ের অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষা চলাকালীন দুপুর ১২টার দিকে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হাফেজ আহম্মদ ও মাইন উদ্দিন আমাদের পরীক্ষা হলে ঢুকে মেয়েদের চরিত্র সম্পর্কে কটূক্তি করে বলেন, মেয়েরা পার্কে যাই,বোরকা পরে স্কুলে এসে খারাপ চলাফেরা করে, বোরকা পরে আসে এবং কখনও পার্কে দেখলে, মেয়েদের কাপড় উল্টাইয়া পাচায় বেত্রাঘাত করিয়া পাচার চামড়া উঠায়ে ফেলবে। সকল ছাত্রী পার্কে যায় না বললে কয়েকজন ছাত্রীর সাথে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর তারা স্কুলে বোরকা নিষিদ্ধ করেন। পরে এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক সাংবাদিক সিরাজ উদ্দিন শাহীন স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সাবেক কাউন্সিলর আহসান হাবিব হাসান এবং বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকাকে মুঠোফোনে জানানোর পরও কোন প্রতিকার মেলেনি। এখনো তারা প্রতিনিয়ত ক্লাসে প্রবেশ করে ছাত্রীদের সাথে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করে। লিখিত অভিযোগে শিক্ষার্থীরা অভিযুক্তদের শাস্তি চেয়ে তাদের স্বাধীন ভাবে লেখাপড়া করার ব্যবস্থা করে দিতে জেলা প্রশাসকের কাছে দাবি জানান।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে এম.এ.রশিদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য হাফেজ আহম্মদ ও মাইন উদ্দিন বলেন,এ ধরনের অভিযোগ পুরোপুরি মিথ্যা। শিক্ষার্থীদের বাড়িতে গিয়ে ভুল বুঝিয়ে অভিযোগ পত্রে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে।

এম.এ.রশিদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রুনা আক্তার বলেন, সিরাজ উদ্দিন শাহীন নামে একজন শিক্ষার্থীর পিতা ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও আমার কাছে মৌখিক ভাবে অভিযোগ করেছেন ম্যনেজিং কমিটির দুইজন সদস্য ক্লাস রুমে ঢুকে ছাত্রীদের সাথে খারাপ আচরণ করে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান শিক্ষিকা বলেন,অন্য ছাত্রীরা কোন অভিযোগ করেনি। তবে অভিযোগের বিষয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রীদের কাছে জানতে চাইলে ম্যাক্সিমাম ছাত্রী ম্যানেজিং কমিটির ২জন সদস্য খারাপ আচরণ করে বলে তারা নিশ্চিত করেন। তবে অভিযুক্ত ম্যানেজিং কমিটির সদস্যরা অভিযোগ নাকচ করেন।

অভিযোগের বিয়ে জানতে চাইলে এম.এ.রশিদ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আহসান হাবিব হাসান বলেন, প্রাথমিক ভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় নি। তবে অভিযোগের তদন্ত চলমান রয়েছে।

এ বিষয়ে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বলেন,অভিযোগের কপি এখনো আমার হাতে এসে পৌঁছায় নি।

মহিচাইল ইউপি নির্বাচন: মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন সাখাওয়াত হুসাইন

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মহিচাইল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন চান্দিনা উপজেলা গণতান্ত্রিক স্বেচ্ছাসেবকদলের সভাপতি  মু. সাখাওয়াত হুসাইন সাক্কু।

সোমবার (২৭ জুন)  রিটার্নিং কর্মকর্তা আহসান হাবিবের কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেন মু. সাখাওয়াত হুসাইন সাক্কু।

আগামী ২৭ জুলাই এই ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

দেবিদ্বারের গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়ন আ’লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ১০ নং গুনাইঘর দক্ষিণ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার বিকালে পদ্মকোট বাজার মাঠে দলীয় পতাকা উত্তোলন ও পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মনিরুজ্জামান মাস্টার।

গুনাইঘর দক্ষিণ ইউপি চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে এবং মাহবুবুর রহমান মুন্সীর পরিচালনায় ওই সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য রাজী মোহাম্মদ ফখরুল।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব রোশন আলী মাস্টার,সহ-সভাপতি আব্দুল মতিন মুন্সী, শেখ আব্দুল আউয়াল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গোলাম ফারুক রানা, ত্রান ও সমাজ কল্যান সম্পাদক সাজেদা আক্তার মায়া, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা কামাল চৌধুরী, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক এড. আয়েশা আক্তার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোতাহের হোসেন মোল্লা, কুমিল্লা উত্তর জেলা মহিলা আ’লীগের সভানেত্রী শিরিন সুলতানা।

আরো বক্তব্য রাখেন দেবিদ্বার উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আব্দুল মতিন সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান ভুঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম শফিকুল আলম কামাল ভিপি, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হাজী আবুল কাশেম ওমানী, সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসেন রাজু, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আব্দুল মান্নান মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক, সাদ্দাম হোসেন। পৌর আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোসলেহ উদ্দিন মানিক, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য সাইফুল ইসলাম শামিম ও সদ্য বিদায়ী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ইকবাল হোসেন রুবেল প্রমুখ।