All posts by jitu

মেঘনা নদীতে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনা নদীতে বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত মো.আবুল কালাম কালু (২১) সুবর্ণচর উপজেলার ৭নং পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের চরমজিদ গ্রামের ১৩নং সিডিএসপি আশ্রয়ণ প্রকল্পের মো.বেলালের ছেলে। সে পেশায় একজন জেলে ছেলে ছিল।

রোববার (১৯ জুন) দুপুর পৌনে ১টার দিকে হাতিয়ার ডোবার চর সংলগ্ন মেঘনা নদীতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন ৭নং পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সাইফুল ইসলাম ফরহাদ। তিনি বলেন,রোববার সকাল থেকে হাতিয়া উপজেলায় ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টি শুরু হয়। ওই সময় কালু মেঘনা নদীতে মাছ ধরতে ছিল। এ সময় পৃথক স্থানে বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে। এতে বজ্রপাতের শিকার হয়ে হাতিয়ার ডোবার চর সংলগ্ন মেঘনা নদীতে জেলে কালুর মৃত্যু হয়। মরদেহ এখনো ঘটনাস্থলে রাখা আছে।

হাতিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির হোসেন বলেন, বজ্রপাতে এক জেলের মৃত্যু হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। পরবর্তীতে এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নগরীর ১৮ নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর শওকত সমর্থিত দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা নগরীর ১৮ নং ওয়ার্ডে সদ্য বিজয়ী কাউন্সিলর এড. শওকত আকবর সমর্থিত দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার  (১৮ জুন) রাত ১০ টায়  এই ওয়ার্ডের হযরতপাড়া এলাকায় এ সংঘর্ষ  শুরু হয়। রাত ১২ টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষ চলে। এ সময় গুলিবর্ষণ,ককটেল বিস্ফোরণ ও দেশীয় অস্ত্রের ছড়াছড়ি হয়। আতংকিত হয়ে পড়ে  হযরতপাড়ার  নিরীহ  লোকজন ।

 

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন: আমন্ত্রণ পাচ্ছেন সাড়ে ৩ হাজার সুধীজন

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

পদ্মা সেতুর উদ্বোধন উপলক্ষ্যে সাড়ে তিন হাজার সুধীজনকে আমন্ত্রণপত্র দেওয়া হচ্ছে। সুধী সমাবেশের এ আমন্ত্রণপত্র সোমবার (২০ জুন) থেকে বিতরণ করা শুরু করবে সেতু বিভাগ।

সড়ক পরিবহণ ও সেতু মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ  এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পদ্মা সেতু উদ্বোধনের প্রহর গুনছেন নাজিরপুরের কৃষকরাপদ্মা সেতু উদ্বোধনের প্রহর গুনছেন নাজিরপুরের কৃষকরা

জানা গেছে, সুধীজনদের এ তালিকায় রয়েছেন বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, দাতা সংস্থার প্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতা, নির্মাণ সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, দেশের খ্যাতনামা বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।

মাওয়া প্রান্তে আগামী ২৫ জুন সকাল ১০টায় এ সুধী সমাবেশ করে পদ্মা সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কুসিক নির্বাচন: জামানত হারিয়েছেন ২ মেয়র প্রার্থীসহ ৪১ কাউন্সিলর প্রার্থী

মো. লুৎফুর রহমান:

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে দুই প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের রাশেদুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হরিণ প্রতীকের কামরুল আহসান বাবুল জামানত হারিয়েছেন। এছাড়া সংরক্ষিত নারী ও সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে জামানত হারান প্রায় অর্ধেক প্রার্থী। গত বুধবার (১৫ জুন) কুমিল্লা সিটির ২৭টি সাধারণ ও ৯টি সংরক্ষিত ওয়ার্ডে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। কুমিল্লা সিটির তৃতীয়বারের এ নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচ জন, কাউন্সিলর পদে ১০৮ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৬ প্রার্থী ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন।

সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত ফলাফল বিশ্লেষণে জানা গেছে, সাধারণ ওয়ার্ডে ১০৮ জন প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন ৪১ জন প্রার্থী। তারা হলেন—নগরীর ১ নম্বর ওয়ার্ডে চার প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন ইকবাল হোসেন, আবুল কালাম আজাদ, ২ নম্বর ওয়ার্ডে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে আবদুল মন্নাফ, নাহিদা আক্তার, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে সাত প্রার্থীর মধ্যে আরিফুল ইসলাম চৌধুরী, মনিরুল আলম, স্বপন আলী, আবদুল্লাহ আল মোমেন, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে চার প্রার্থীর মধ্যে রোকসানা আক্তার। ৭ নম্বর ওয়ার্ডে তিন জন প্রার্থীর মধ্যে রিয়াজ উদ্দিন খান, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে বিকাশ চন্দ্র দাস, রাজন পাল, সৈয়দ মহসিন আলী, ৯ নম্বর ওয়ার্ডে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে আশিকুর রহমান, মিজানুর রহমান, ১১ নম্বর ওয়ার্ডে চার প্রার্থীর মধ্যে কাজী সামছুল আলম, মো. পারভেজ হানিফ, ১২ নম্বর ওয়ার্ডে তিন প্রার্থীর মধ্যে ওমর ফারুক, ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে তিন প্রার্থীর মধ্যে আহাদ হোসেন বিশ্বাস জামানত হারিয়েছেন। এছাড়া ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে চার প্রার্থীর মধ্যে সাইফুল ইসলাম, ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে ছয় প্রার্থীর মধ্যে মো. সাইফুল ইসলাম, মো. হাবিব, সৈয়দ রুমন আহমেদ, ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে তিন প্রার্থীর মধ্যে নাছিম হোসেন, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে মোজাম্মেল হোসেন, ২০ নম্বর ওয়ার্ডে তিন প্রার্থীর মধ্যে মাহে আলম, ২১ নম্বর ওয়ার্ডে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে জামাল হোসেন কাজল, মো. মিন্টু, আক্তার হোসেন, ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে সাত প্রার্থীর মধ্যে মাহাবুব আলম, মো. আবু হাসান, নুরুল ইসলাম, শাহজালাল, ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে মো. আবু হানিফ, নাসির উদ্দিন, ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে ছয় প্রার্থীর মধ্যে রফিকুল ইসলাম, জহিরুল ইসলাম, অহিদুর রহমান, ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে জালাল উদ্দিন আহমেদ, মকবুল আহমেদ ও হোসাইন মোশারফ জামানত হারিয়েছেন।

সংরক্ষিত ওয়ার্ড:

এই পদে ৩৬ জন প্রার্থীর মধ্যে জামানত হারিয়েছেন ৯ জন প্রার্থী। তারা হলেন—১ নম্বর ওয়ার্ডে ছয় প্রার্থীর মধ্যে মমতাজ বেগম, রোকসানা ইসলাম, ছফুরা সুলতানা এনি, ৩ নম্বর ওয়ার্ডে চার প্রার্থীর মধ্যে ফাতেমা আক্তার, ৪ নম্বর ওয়ার্ডে চার প্রার্থীর মধ্যে মোসা. ফাতেমা আক্তার, ৫ নম্বর ওয়ার্ডে ছয় প্রার্থীর মধ্যে শিউলি আক্তার, ৭ নম্বরে চার প্রার্থীর মধ্যে ফারজানা আক্তার, ৮ নম্বর ওয়ার্ডে চার প্রার্থীর মধ্যে আমেনা বেগম ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে চার প্রার্থীর মধ্যে সেলিনা আক্তার জামানত হারিয়েছেন।

সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী জানান, প্রদত্ত ভোটের আট ভাগের একভাগ ভোট না পেলে জামানত বাজেয়াপ্ত হওয়ার বিধান রয়েছে। তিনি আরো জানান, মেয়র ও কাউন্সিলর পদে যারা নির্বাচিত হয়েছেন তাদের গেজেট প্রকাশের জন্য বেসরকারিভাবে ঘোষিত ফলাফল নির্বাচন কমিশন, স্হানীয় সরকার মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরে প্রেরণ করা হয়েছে। গেজেট প্রকাশের পর তাদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

প্রার্থীদের পোস্টার-ব্যানার অপসারণ চলছে :

সিটি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের পোস্টার ও ব্যানার অপসারণের কাজ চলছে। এ জন্য কুসিকের পরিচ্ছন্নতা বিভাগের ২৭০ জন কর্মীকে রাস্তায় নামানো হয়েছে। ২৭টি ওয়ার্ডে এ কার্যক্রম শেষ করতে শনিবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেওয়া হলেও আরো দুই দিন সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. সফিকুল ইসলাম।

শুক্রবার বিকালে কুমিল্লা সিটি কপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, প্রতিটি ওয়ার্ডে ১০ জন করে কর্মী নির্বাচনের পরদিন গত বৃহস্পতিবার থেকেই কাজ শুরু করেছেন।

‘স্পিড মাস্টার’ তকমা নিয়ে যাত্রা শুরু করল ইনফিনিক্সের ‘নোট ১২’

ডেস্ক রিপোর্ট:
তরুণদের কাছে তুমুল জনপ্রিয় চীনা স্মার্টফোন কোম্পানি ইনফিনিক্স আজ ভার্চুয়াল মাধ্যমে ব্র্যান্ডটির নোট সিরিজের সর্বশেষ ও সর্বাধুনিক স্মার্টফোন ‘নোট ১২ জি৯৬’ উন্মোচন করেছে। ডিভাইসটির বাজার আসার এই ঘোষণা সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকেও সম্প্রচার করা হয়। এ সময় ভার্চুয়াল মাধ্যমে উপস্থিত ছিলেন নোট সিরিজের প্রোডাক্ট অ্যাম্বাসেডর তাসকিন আহমেদ এবং ইনফিনিক্সের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তানজিন তিশা, এবং ইনফিনিক্স বাংলাদেশ এর সিনিয়র ব্র্যান্ড ম্যানেজার মো. ইফতেখার উদ্দিন সানি। ‘নোট ১২ জি৯৬’কে তকমা দেওয়া হয়েছে স্পিড মাস্টার হিসেবে; কারণ এই ডিভাইসের অত্যাধুনিক ফিচার সমূহ স্মার্টফোন ব্যবহারের শক্তিশালী অভিজ্ঞতা বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়; এছাড়া ডিভাইসটি হালকা হওয়ায় ব্যবহারকারীরা স্মার্টফোন ব্যবহারের বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য পান। বৈচিত্র্যময় ফিচারের সাশ্রয়ী মোবাইল ফোন ‘নোট ১২’তে রয়েছে মিডিয়াটেক হেলিও জি৯৬ ফ্ল্যাগশিপ প্রসেসর, ৬.৭” ইঞ্চি এফএইচডি+ অ্যামোলেড ডিসপ্লে এবং ১৩জিবি বর্ধিত র‌্যাম।

‘নোট ১২’-এর মিডিয়াটেক হেলিও জি৯৬ গ্রাহকদের দেবে ‘নেক্সট-লেভেল’ গেমিং এক্সপেরিয়েন্স এবং চমৎকার গতিশীল পারফরম্যান্স। ফোনের চিপসেট-টি ৬৪-বিট অক্টাকোর, যেটিতে রয়েছে দুটি শক্তিশালী আর্ম কর্টেক্স-এ৭৬ এবং ৬টি আর্ম কর্টেক্স-এ৫৫ প্রসেসর যেটি ২.০৫ গিগাহার্টজ পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম এবং আর্ম মালি জি৫৭ জিপিইউ, এসবের সমন্বয়ে যুগান্তকারী নেক্সট-লেভেল পারফরম্যান্স পাবেন ব্যবহারকারীরা। এছাড়া, ডার-লিংক, ছবির স্থিরতা (ইমেজ স্ট্যাবেলিটি) ও স্পর্শের সংবেদনশীলতা (টাচ কন্ট্রোল) বজায় রেখে সেরা গেমিং পারফরম্যান্স প্রদান করে এবং কমিয়ে আনে স্মার্টফোন ব্যবহারের বিঘ্ন; এতে মোবাইলটি ব্যবহারে নিরবচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা পান ব্যবহারকারীরা।

এছাড়া, এই ডিভাইসে রয়েছে ৬.৭” ইঞ্চির এফএইচডি+ ট্রু কালার অ্যামোলেড ডিসপ্লে, এই মূল্যে যা একেবারেই এই অভাবনীয়। ট্রু কালার অ্যামোলেড ডিসপ্লে­ অধিক পরিমাণ কার্যক্ষম এবং এলসিডি ডিসপ্লের তুলনায় কম চার্জ প্রয়োজন হয়। এই ডিসপ্লে­র মাধ্যমে উজ্জ্বল আলোতেও স্পষ্ট কাজ করা যায়। এছাড়া এই ডিসপ্লে শতভাগ ডিসিআই-পি৩ এবং ১০০০০০:১ কালার কনট্রাস্ট রেশিও কভার করে, যেখানে নিটস পিক ব্রাইটনেস ১০০০। ‘নোট ১২’তে ফ্রেম রেট অ্যাডজাস্ট করা যায় আর তাই সঠিক ব্যাটারির ব্যবহারে এই ডিসপ্লে বেশ কার্যক্ষম এবং এটিতে কোনো ত্রুটি বা ফ্রেম ড্রপ পরিলক্ষিত হয় না।

‘স্পিড মাস্টার’ ‘নোট ১২’তে রয়েছে মেমোরি ফিউশন টেকনোলজি। ফোনের ৮জিবি র‌্যামকে সহজেই সর্বোচ্চ ১৩জিবি পর্যন্ত বর্ধিত করা যায়, যেটি ডিভাইসকে গতিশীল করতে র‌্যাম ও রমকে সমন্বয় করতে সক্ষম। মেমোরি ফিউশন টেকনোলজি ব্যবহারকারীদের ব্যাটারির কোনো রকম অবনমন না ঘটিয়েই ও কোন রকম বিঘ্ন ছাড়াই গ্রাহকদের মাল্টি-টাস্কিং এর সুযোগ করে দেয়। এছাড়া, অপ্টিমাইজেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপের প্রসেসিং স্পিডও সামলাতে সক্ষম ‘নোট ১২’ ডিভাইস; আর তাই ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ সংখ্যা ৯ থেকে বাড়িয়ে সহজেই ২০টি করা সম্ভব কোনো রকম বিঘ্ন ছাড়াই।

এছাড়া, ‘নোট ১২’ ডিভাইসে আরো রয়েছে ৩৩ওয়াট ফ্ল্যাশ চার্জিং সুবিধা-সম্পন্ন ৫০০০এমএএইচ ব্যাটারি, এতে একবার চার্জ দিয়েই নির্ভাবনায় ফোনটি সারাদিন ব্যবহার করা যাবে। ব্যাটারির রয়েছে সর্বোচ্চ ৮০০ চার্জ সাইকেল কাউন্ট, বারাবার ব্যবহারেও ডিভাইসের ব্যাটারি লাইফে অবনমন ঘটে না।

চমৎকার এই স্মার্টফোনে আরো আছে, ৫০ মেগাপিক্সেল ট্রিপল আল্ট্রা-নাইট ক্যামেরা সেট-আপ (৫০ মেগাপিক্সেল +২ মেগাপিক্সেল+এআই লেন্স); এতে মৃদু আলোতেও নিখুঁতভাবে ছবি ক্যামেরাবন্দি করা যায়। মোবাইলটিতে আরো থাকছে ১০৮০ পিক্সেল এবং ৩০ এফপিএস এ ব্লারিং ফিচারে অসাধারণ ভিডিও ধারণ করারও সুযোগ।

‘ইনফিনিক্স নোট ১২’ এর প্রধান প্রধান ফিচারগুলোর মধ্যে আরো রয়েছে, সুপার-চার্জড গেমিং পারফরম্যান্সের জন্য ডারলিংক আল্টিমেট গেম বুস্টার ২.০, সিনেম্যাটিক সাউন্ড এর জন্য ডিটিএস টেকনোলজি সহ সিনেম্যাটিক ডুয়েল স্পিকারস, ডিভাইস ব্যবহারের অভিনব অভিজ্ঞতা দিতে এক্সওএস ১০.৬, গ্রাহকদের জন্য মানানসই ও প্রযুক্তির নান্দনিকতা ফুটিয়ে তুলতে ফেসিয়াল, ফিঙ্গারপ্রিন্ট আনলক, মনস্টার গেম কিট সহ অন্যান্য ফিচার।

‘নোট ১২’ ডিভাইসটি নকশা করা হয়েছে ৭.৮ এমএম আল্ট্রা-স্লিক ডিজাইনে এবং স্মার্টফোনটি পাওয়া যাবে- ‘ফোর্স ব্ল্যাক’, ‘স্নোফল হোয়াইট’ ও ‘জুয়েল ব্লু’ এই তিনটি বিশেষ রঙে। কাঙিক্ষত এই মোবাইলটি গ্রাহকদের জন্য মিলবে মাত্র ১৯ হাজার ৯৯৯ টাকায়, অনলাইন মার্কেটপ্লেস দারাজ-এ ফোনটি পাওয়া যাবে ১৯ জুন থেকে ও প্রথম ১০০ জন ক্রেতা উপভোগ করবেন আকর্ষণীয় পুরস্কার; এছাড়া চলমান ক্যাম্পেইনে সবাই পেতে পারেন আকর্ষণীয় ভাউচার ডিসকাউন্ট। দেশজুড়ে অফলাইন মার্কেটে স্মার্টফোনটি পাওয়া যাবে ২১ জুন থেকে। এছাড়া ব্র্যান্ড আউটলেট থেকেও ‘নোট ১২ জি৯৬’ ডিভাইসটি কিনে ইনফিনিক্সভক্তরা পেতে পারেন নানান উপহার সামগ্রী। এর আগে নোট ১২ স্মার্টফোনের জি৮৮ ভার্সনকে ঘিরেও গ্রাহক মহলে ব্যাপক সাড়া দেখা যায়; সাশ্রয়ী মূল্যের অত্যাধুনিক ওই ডিভাইসটিও ছিল ব্যবহারকারীদের জন্য অকল্পনীয়!

পদ্মা সেতু চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ ইনিশিয়েটিভের অংশ নয়

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

পদ্মা সেতু চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ ইনিশিয়েটিভের অংশ নয়। এই সেতু তৈরিতে বিদেশি সাহায্যও নেয়া হয়নি।

শুক্রবার রাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কিছু মহল পদ্মা সেতু বিদেশি অর্থায়নে তৈরি হয়েছে এবং এটাকে ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগের অংশ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করছে।

‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ হলো চীনের উদ্যোগে শুরু হওয়া এমন এক কৌশল যাতে এশিয়ার সঙ্গে সরাসরি আফ্রিকা ও ইউরোপের সড়ক ও সমুদ্র যোগাযোগ তৈরি করা হবে। আঞ্চলিক যোগাযোগ বৃদ্ধিসহ বাণিজ্য ও অর্থনীতির গতি বাড়ানোই এই ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ উদ্যোগের লক্ষ্য।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দ্ব্যার্থহীনভাবে বলতে চায় গোটা সেতুটি বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে তৈরি এবং কোনো দ্বিপক্ষীয় বা বহুপক্ষীয় সংস্থা এতে আর্থিক অবদান রাখেনি। দেশি-বিদেশি নির্মাণ কোম্পানিগুলোর মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

রেফারির ভুল সিদ্ধান্তে ২০১৪ বিশ্বকাপ হাতছাড়া হয় আর্জেন্টিনার

স্পোর্টস ডেস্ক:

১৪ই জুলাই ২০১৪, এই তারিখ কখনো ভুলবে আর্জেন্টিনা সমর্থকরা। ব্রাজিলে এদিনেই বিশ্বকাপ ফাইনালে শিরোপা স্বপ্ন চূর্ণ হয়েছিল লিওনেল মেসিদের। অথচ নির্ধারিত সময়ে গঞ্জালো হিগুয়েনের জালে পাঠানো গোলটা অফসাইডে বাদ না পড়লে সোনার ট্রফিকে ঠোঁট ছোঁয়াতো আলবেসেলিস্তেরা। কিংবা ম্যাচের ৫৭তম মিনিটে ডি-বক্সে হিগুয়েনকে করা ম্যানুয়েল নয়্যারের ফাউলে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত আসলেই হয়তো তৃতীয় বিশ্বকাপ উঠতো আর্জেন্টিনার শোকেসে। রেফারি সেটিকে ফাউল হিসেবে গণ্য না করলেও তা মেসিদের প্রাপ্য ছিল বলে মনে করেন জার্মানিরই বিশ্বকাপজয়ী তারকা লোথার ম্যাথাউস। যেকারণে ১৯৯০ বিশ্বকাপের জার্মানির এই অধিনায়ক মনে করেন, ২০১৪ ফিফা ওয়ার্ল্ডকাপটা ছিল আর্জেন্টিনার প্রাপ্য।

কোপা আমেরিকার পর ফিনালিসিমা জয় করেছে আর্জেন্টিনা। ১১ মাসের ব্যবধানে দুই শিরোপা স্বাদ পাওয়া আর্জেন্টাইনরা রয়েছে ৩২ ম্যাচে অপরাজিত। এত প্রাপ্তির পরও ২০১৪ সালের বিশ্বকাপের আসরটা নিশ্চিতভাবে পোড়ায় মেসিদের। ফাইনালে বারবার সুযোগ তৈরি করেও অতিরিক্ত সময়ে পাশার উল্টো দান দেখে আর্জেন্টিনা। বদলি হিসেবে নামা মারিও গোৎজের জাদুকরী গোলে শিরোপা বঞ্চিত হয় আলেসান্দ্রো সাবেলার শিষ্যরা।

লোথার ম্যাথাউস জানিয়েছেন, সে বিশ্বকাপটা আর্জেন্টিনারই জেতা উচিত ছিল।

তার নিজের দেশ ভাগ্যবান ছিল বলেই সে বিশ্বকাপটা জিতেছে। বিশ্বকাপ ফাইনাল ম্যাচটির ৫৭ মিনিটে বাতাসে ভেসে নিজেদের ডি-বক্সে আসা বলকে পাঞ্চ করতে গিয়ে আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার হিগুয়েনকে হাঁটু দিয়ে ধাক্কা দিয়েছিলেন জার্মান গোলকিপার ম্যানুয়েল নয়্যার। আঘাত পেয়ে মাটিতে কাতরাচ্ছিলেন হিগুয়েন। তবে ইতালিয়ান ম্যাচ রেফারি নিকোলা রিজ্জোলি মেসিদের আবেদনে দেননি পেনাল্টির সিদ্ধান্ত। ম্যাথাউসের মতে, নয়্যার ফাউল করেছিলেন হিগুয়েনকে। পেনাল্টি প্রাপ্য ছিল আর্জেন্টিনার। ইনফোবে আমেরিকার ক্রীড়া সাংবাদিক রদ্রিগো দুবেনকে দোহায় এক সাক্ষাৎকারে লোথার ম্যাথাউস বলেন, ‘ফাইনালে আর্জেন্টিনার জেতা উচিত ছিল। ম্যানুয়েল নয়্যারের সে ফাউলে পেনাল্টি দেয়া উচিত ছিল রেফারির। কিন্তু আমরা ভাগ্যবান ছিলাম (রেফারি পেনাল্টি না দেয়ায়)। খুব বড় এক অপরাধ হয়েছিল সেদিন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে। নয়্যারের কারণে সেদিন পেনাল্টি হজম করতে হতো আমাদের।’

কুমিল্লাগামী রিলাক্স বাসের ধাক্কায় পিকআপ চালকের মৃত্যু

 

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ
চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কে আবারো ১০ দিনের মাথায় যাত্রীবাহী রিলাক্স বাসের ধাক্কায় পিকআপ চালক নিহত হয়েছেন।

ঘটনাটি শনিবার (১৮ জুন) ভোর সোয়া ৬টার দিকে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক মহাসড়কের চাঁদখার বাজার এম এম নুরুল হক উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে ঘটেছে।

প্রত্যক্ষদর্শী হাবিবুর রহমান জানান, আমি ভোর সাড়ে ৬টার দিকে বাবুরহাট বাজারে যাচ্ছিলাম। এর ১০/১৫ মিনিট আগে ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় দেখি এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। কুমিল্লাগামী রিলাক্স বাসের আঘাতে ঢাকা মেট্রো- ন ১৫-১২৭১ নম্বরের পিকআপটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই পিকআপ চালকের মৃত্যু হয় এবং রিলাক্স বাসটি দ্রুত গতিতে পালিয়ে যায়।

জানা যায়, নিহত পিকআপ চালকের নাম মোঃ আল আমিন হোসেন বাবু (৩০)। তিনি হাজীগঞ্জ পৌরসভাধীন ৭নং ওয়ার্ড টোরাগর আনা গাজী রাঢ়ী বাড়ির মৃত লুৎফুর রহমানের ছেলে। দুর্ঘটনায় আহত তার সাথের তিন জনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা চাঁদপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আহতরা হলেন- ঐ বাড়ির নবীন হোসেন এর ছেলে ইয়াছিন হোসেন, মৃত আঃ মতিন এর ছেলে সেফায়েত হোসেন ও একই বাড়ির দেলোয়ার হোসেন। এদের মধ্যে দুইজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে এবং একজন চাঁদপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ পিকআপটি থানায় নিয়ে আসেন এবং নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এর আগেও গত ৯ জুন বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় চাঁদপুর-কুমিল্লা মহাসড়কের শাহমাহমুদপুর ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ এলাকায় মুষলধারা বৃষ্টিতে ফাঁকা রাস্তায় ঢাকা মেট্রো-ঠ ১১-৮৮৭৯ নাম্বারের পিকআপকে আঘাত করে পালিয়ে যায় যাত্রীবাহী বোগদাদ বাস। এতে পিকআপটির সামনের অংশ দুমড়ে মুচড়ে যায় এবং দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত পিকআপ চালক মোহাম্মদ লেয়াকত বেপারী গত ১০ জুন শুক্রবার বেলা ১১টায় রাজধানীর ধানমন্ডিতে একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরন করেন।

কুসিক নির্বাচন: আ’লীগের লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের পর মাত্র ৩৪৩ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত । এই বিজয়ের ফলে ২৯ বছর পর কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন আওয়ামী লীগের দখলে এসেছে। কিন্তু অনেকেই এই বিজয়কে আওয়ামী লীগের বিজয় বলতে নারাজ। তারা মনে করছেন এটি আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের ব্যক্তিগত বিজয়। তিনি এই নির্বাচনে তার একান্ত অনুগত প্রার্থীর জন্য মনোনয়ন আদায় করতে পেরেছিলেন এবং এই নির্বাচন যতটা না ছিল রিফাতের নির্বাচন তার চেয়ে বেশি ছিল বাহারের নির্বাচন। আর সেকারণেই কুমিল্লায় এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাহারের ক্ষমতা আরো সুদৃঢ় হল।  দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লায় আওয়ামী লীগের রাজনীতি আফজাল খান এবং আ ক ম বাহাউদ্দিনের বিরোধ ছিল প্রকাশ্য। এই বিরোধের কারণেই কুমিল্লায় আওয়ামী লীগ জনপ্রিয় থাকার সত্ত্বেও কোনো নির্বাচনেই ভালো করতে পারতো না। তবে আফজাল খান মারা যাওয়ার পর বাহারের কর্তৃত্ব কুমিল্লায় আরো প্রতিষ্ঠিত হয়েছে  এবং এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তার ষোল কলা পূর্ণ হলো বলেও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

কিন্তু আরফানুল হক রিফাতের বিজয়ের ফলে আওয়ামী লীগের কি লাভ হলো? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে দেখা যায় যে, আওয়ামী লীগের লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি হয়েছে। এর ফলে কুমিল্লায় যারা আফজালপন্থী হিসেবে পরিচিত ছিলেন তারা কোণঠাসা হয়ে পড়বেন । যার ফলে এখানে আওয়ামী লীগের রাজনীতি আরও বিভক্ত হয়ে পড়বে। আওয়ামী লীগ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে। দ্বিতীয়ত, এই নির্বাচনে যেভাবে ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে তা সাধারণ মানুষের মধ্যে কিছুটা হলেও সন্দেহের উদ্রেক করেছে এবং এর মাধ্যমে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ার একটা সুযোগ তৈরি হয়েছে। আওয়ামী লীগ এই নির্বাচনে আরও বেশি ব্যবধানে জয়ী হতে পারতো বলেই অনেকে মনে করেন। কিন্তু এই নির্বাচনে আ’লীগের  বিশেষ ক্ষমতাধররা যেভাবে আচরণ করেছেন, তাতে সাধারণ ভোটাররাও কুণ্ঠিত হয়েছেন। তৃতীয়ত, এই নির্বাচনে বিএনপি’র বড় ধরনের শক্তির প্রকাশ ঘটেছে। বিএনপি’র ২ জন প্রার্থী এখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সাক্কুর সঙ্গে বিএনপি’র আরেক নেতা কায়সারও প্রার্থী হয়েছিলেন এবং তিনি প্রায় ৩০ হাজার ভোট পেয়েছেন। তাহলে সেই হিসেবে দেখা যায় যে, বিএনপি কুমিল্লায় যথেষ্ট শক্তিশালী এবং আওয়ামী লীগের চেয়ে তাদের ভোট সেখানে বেশি। এটি আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জন্য একটি বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে অনেকে মনে করছেন।

তবে সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, কুমিল্লার নির্বাচনে যেভাবে আ ক ম বাহাউদ্দিন এবং নির্বাচন কমিশনের দ্বন্দ্ব হয়েছে, সেটি সারাদেশের নির্বাচনের উপর একটি অশনি সংকেত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই নির্বাচনের আগে স্বতন্ত্রপ্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু অভিযোগ করেন যে, কুমিল্লা-৬ আসনের এমপি বাহাউদ্দিন আরফানুল হক রিফাতের পক্ষে প্রচারণা করছে। নির্বাচন কমিশন এ ব্যাপারে তদন্ত করে। তদন্ত করে তারা এর সত্যতা পায়। পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশন বাহারকে এলাকা ত্যাগের জন্য চিঠি দেয়। কিন্তু আ ক ম বাহাউদ্দিন ওই চিঠি প্রত্যাখ্যান করেন এবং তিনি এলাকা ত্যাগ করেননি। নির্বাচন পর্যন্ত তিনি কুমিল্লায় অবস্থান করেছেন। এটি নির্বাচন কমিশনের একটি বড় পরাজয়। প্রশ্ন উঠেছে যে, নির্বাচন কমিশন একজন এমপিকেই নিয়ন্ত্রন করতে পারেননি, তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট নির্বাচন আইন ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার পরও তার বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশন কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি, তাহলে জাতীয় নির্বাচনে কি হবে? এই প্রশ্নটিই জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে ক্রমশ বড় হয়ে উঠবে এবং আওয়ামী লীগের অধীনে আগামী নির্বাচন সম্ভব, যে কথাটি নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রামের পর আওয়ামী লীগ বেশ জোরেশোরে বলে আসছে, সেই কথাটি কিছুটা হলেও হোঁচট খাবে। তাই রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করেন, কমিল্লা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হয়েছে।

সূত্র: বা.ইন।