All posts by jitu

কুসিক নির্বাচনঃ মক ভোটিং-এ উপস্থিতি নেই ভোটারদের

মোঃ উজ্জ্বল হোসেন বিল্লালঃ

কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে মক ভোটিং (নমুনা ভোট) এর আয়োজন করেছে নির্বাচন কমিশন। তবে মক ভোটিং এ ভোটারদের তেমন উপস্থিতি দেখা যায়নি। কুমিল্লা হাই স্কুল কেন্দ্রে ১০ টা ২০ মিনিটে দেখা যায় ভোটার শূন্য কেন্দ্র। এরপর ক্রমান্বয়ে নগরী জিলা স্কুল কেন্দ্র, ভিক্টোরিয়া কলেজ কেন্দ্র সর্বশেষ ১১ টা ২০ মিনিটে ফয়জুন্নেসা কেন্দ্রে দুজন ভোটারের উপস্থিতি দেখা যায়।

নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ডের ফয়জুন্নেসা কেন্দ্রের সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা লুৎফর রহমান বলেন, ওই কেন্দ্রের ভোটার ১৯৭৭ জন। সবাই মহিলা ভোটার। অনেকে কাজে ব্যস্ত তাই ভোট দিতে আসে নাই। মক-ভোটিং তাই ভোটার কম। তবে সব পরিস্থিতি ঠিক থাকলে ভোটের দিন ভোটারের উপস্থিতি থাকবে।

একই কেন্দ্রের ভোটার বকুল রাণি শীল বলেন, আমার মারে নিয়া আইছি। বুড়া মানুষ। ভোট দিতে জানে না। মার আঙ্গুলের ছাপ মিলে নাই। তাই ভোট দিতে পারে নাই। তবে এখানকার স্যারেরা সব বুঝাইয়া দিছে। আইজ আইডি কার্ড আনেনাই তাই ভোট দিতে পারেনাই। স্যারেরা বলছে, ভোটের দিন মায় আইডি কার্ড নিয়া আইলে ভোট দিতে পারবো।

ভোটার গৌরী মজুমদার বলেন, আগে আসলে সিল মারতে হইতো, ব্যালট ভাজ করতে হইতো। এখন আর তা নাই। আবার মারামারিও হইতো। এখন খুব সহজ। আইসা ভোট দিয়ে দিছি এক ৩০ সেকেন্ডে।

উল্লেখ্য, এবার কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ২৭ ওয়ার্ডে ২ লাখ ২৯ হাজার ৯২০ জন ভোটার। মোট কেন্দ্র ১০৫ টি। নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীসহ মোট পাঁচজন মেয়র প্রার্থী অংশগ্রহণ করতেছে। এর মধ্যে ১০৮ জন সাধারণ কাউন্সিলর প্রার্থী ও ৩৬ জন মহিলা সংরক্ষিত আসনের প্রার্থী।

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় টিভিতে হাত দিতেই বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় টিভি দেখার সময় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে জয়দল হোসেন (৫০) নামে এক অটোরিকশাচালকের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার দুপুর আড়াইটার দিকে উপজেলার টাকুই গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের ছেলে আমজাদ হোসেন ও ভাই তফাজ্জল হোসেন জানান, দুপুর আড়াইটার দিকে অটো চালিয়ে বাসায় ফেরেন তিনি। এরপর টিভি অন করেন। টিভিতে সমস্যা দেখা দেওয়ায় টিভির পেছনে হাত দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। পরে বাড়ির লোকজন তাকে উদ্ধার করে দ্রুত বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এমপি বাহার এলাকা না ছাড়লে কিছুই করার নেই : সিইসি

ডেস্ক রিপোর্টঃ

আসন্ন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচন সুষ্ঠু-সুন্দর করার স্বার্থে নির্বাচনী বিধি মোতাবেক স্থানীয় (কুমিল্লা-৬) সংসদ সদস্য আ. ক. ম. বাহাউদ্দিন বাহারকে নির্বাচনকালীন এলাকা ত্যাগ করতে চিঠি দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু কমিশনের চিঠি পেয়েও আওয়ামী লীগদলীয় এই এমপি এলাকা না ছাড়ায় অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। এমপি বাহার এলাকা না ছাড়লে ইসির কিছুই করার নেই বলে জানিয়েছেন তিনি।

এমপি বাহাউদ্দিন বাহার সম্পর্কে সিইসি বলেন, আমরা যখন কাউকে রিকোয়েস্ট করি, উনাকে যদি আমরা বলে থাকি নির্বাচনী আচরণবিধিতে এটা আছে, আপনি যদি একটু সরে থাকেন, তাহলে নির্বাচনটা ভালো হয়। সে চিঠিটা আমরা প্রকাশ করেছি। এটাই তো একজন সংসদ সদস্যের জন্য এনাফ। এটাকে তো অনার করা লাগবে। যদি উনি কমিশনের চিঠিকে অনার না করেন আমাদের তো তেমন কিছু করার থাকে না।

রোববার (১২ জুন) নির্বাচন ভবনে সাবেক নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে সংলাপ শেষে সিইসি সাংবাদিকদের কাছে এ প্রতিক্রিয়া জানান।

কুসিক নির্বাচন ঘিরে এমপি বাহারের এলাকা না ছাড়া বিষয়ে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, আমাদের কিছু আইনগত দিক আছে। কিছু ক্ষমতা আংশিক, কিছু পরিপূর্ণ। কুমিল্লায় যা বলা হয়েছে- সরকারি সুবিধাভোগী অতিগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা নির্বাচনী এলাকায় থাকতে পারবেন না। সংসদ সদস্য (এমপি বাহার) এ আচরণবিধি ভঙ্গ করছেন বলে প্রতীয়মান হয়েছে, আমরা উনাকে চিঠির মাধ্যমে এলাকা ছাড়তে বলেছিলাম। উনি এলাকা ছাড়েননি। উনি মামলা করেছেন, আমরা ফলাফল পাইনি।

সাবেক নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে সংলাপের বরাত দিয়ে সিইসি বলেন, সংলাপে অতিথিরা বলেছেন, বর্তমান সিস্টেমে কুসিকে খুব বেশি ভালো নির্বাচন করা সম্ভব নয়। তবে আমরা যদি দৃঢ় থাকি, আইন দৃঢ়ভাবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করি, তাহলে পরিস্থিতির অনেকটা উন্নয়ন সম্ভব।

সিইসি মনে করেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা ও ঐতমত্য না থাকলে কমিশনের একার পক্ষে ভালো নির্বাচন করা কষ্টকর হবে।

তিনি বলেন, সাবেক সিইসি রউফ সাহেব (বিচারপতি মোহাম্মদ আব্দুর রউফ) প্রার্থী অনুযায়ী নয়, দলভিত্তিক নির্বাচনের কথা বলেছেন। নির্বাচনে দেখা গেল যে অনেক আগে থেকে দলগুলো তাদের টোটাল প্রার্থীর নাম দিয়ে যাবে। সবাই তিনশ আসনে দিল। পার্টি ক, খ, গ, ঘ। যে যত ভোট পেয়েছে, সেভাবে আসন পাবে। এই ধরনের একটা সিস্টেম আছে। তবে এটা আমাদের বিষয় নয়। দলগুলোকেই দেখতে হবে।

তিনি আরও বলেন, বর্তমান আইনি ও সাংবাধিনাকি কাঠামোর মধ্যে থেকেই আমাদের নির্বাচন করতে হবে। কেউ কেউ বলেছেন, একাধিক দিনে নির্বাচন করলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন সহজ হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। কেউ কেউ এতে সমস্যার দিকটিও উল্লেখ করেছেন। এ নিয়ে কোনো ঐক্যমত হয়নি। কাজেই একাধিক দিনে নির্বাচন করলে আমাদের জন্য অসুবিধাও হতে পারে। সেরকম প্রস্তুতিও আমাদের নেই।

রাজনৈতিক দলগুলোকে পরামর্শ দিতে সমস্যা কোথায়, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, এখনো দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ করিনি। সবাই বলেছেন নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হতে হবে। নির্বাচন যদি ইনক্লুসিভ না হয়, নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা বাস্তব অর্থে থাকবে না। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতি অনেকটা নষ্ট হয়ে গেছে। এ কালচারের মধ্যে কিছু ইতিবাচক গুণ আনতে হবে। দলগুলোর মধ্যে পরমত সহিষ্ণুতা ও ঐক্যমত না থাকলে কমিশনের একার পক্ষে খুব ভাল নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। এটা আমরা যেমন বলেছি, সংলাপে অতিথিরাও বলেছেন।

সিইসি জানান, শিগগির রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করবো। যখন মতবিনিমিয় করবো আমরা সাজেশন চাইবো। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য আরো ভালো পদ্ধতিগত কী পরিবর্তন আনা যায়, সুন্দর ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তা জানতে চাইবো। ব্যক্তি নয়, সিস্টেম যদি উন্নত করতে পারি, নির্বাচন অনেক বেশি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হবে।

দাউদকান্দির ইলিয়টগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

নিরাপদ অভিবাসনের তথ্য প্রত্যন্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে দিতে এবং এই প্রক্রিয়ায় ইউনিয়ন পরিষদ ও ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারকে সম্পৃক্ত করতে এবং বিদেশগনেচ্ছু ও বিদেশগামীসহ জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে ১২ জুলাই কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে কুমিল্লা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের আয়োজনে নিরাপদ অভিবাসন বিষয়ক সচেতনতামূলক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

বৈদেশিক কর্মসংস্থানে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির লক্ষে আয়োজিত এ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জনাব মো: মামুনুর রশিদ, সচিব জাকির হোসেন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, সাংবাদিকবৃন্দ, মাদ্রাসার শিক্ষক, ইমাম, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যগণ এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দসহ ৩৭ জন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ । ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর মাইগ্রেশন পলিসি ডেভেলপমেন্ট (আইসিএমপিডি) পরিচালিত অভিবাসী তথ্য কেন্দ্র বাংলাদেশ (এমআরসি) এ আয়োজনে সহযোগিতা প্রদান করে।

কুমিল্লা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারী পরিচালক দেবব্রত ঘোষ আলোচনার মূল প্রতিপাদ্য উপস্থান করেন। উপস্থাপনায় নিরাপদ অভিবাসনের ধাপ, প্রক্রিয়া এবং দায়িত্বশীল অভিবাসন নিশ্চিতকরণ, মানব পাচার রোধ, বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রক্রিয়ায় মধ্যসত্বভোগীদের দৌরাত্ব নিরসন, উচ্চ অভিবাসন ব্যয় হ্রাস, অভিবাসী কর্মীর অধিকার সুরক্ষা, অভিবাসী কর্মী ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা এবং কল্যাণ নিশ্চিতকরণে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রাণালয়ের বিভিন্ন তথ্য ও যোগাযোগের মাধ্যম সম্পর্কে সকলকে অবহিত করেন।

তিনি নারী অভিবাসনের ঝুঁকি, সম্ভাবনা এবং সুবিধাসমূহ উল্লেখ করেন। কারিগরী প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রশিক্ষণ এবং এর সুবিধাদি, লেবার উইং এবং RPL-এর মাধ্যমে কিভাবে প্রবাসফেরত কর্মীগণ তাদের দক্ষতাকে প্রতিষ্ঠানিক রুপ দেয়া যায়, সে সম্পর্কে সকলকে অবহিত করেন।

কর্মশালায় এমআরসি বাংলাদেশের কাউন্সেলর গোলাম মোস্তফা অভিবাসী তথ্য কেন্দ্র বাংলাদেশের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কার্যাবলি তুলে ধরেন। তিনি এমআরসি বাংলাদেশের লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও কাজ বিস্তারিত আলোচনা করেন এবং অভিবাসন বিষয়ক যেকোন প্রয়োজনে এমআরসি বাংলাদেশের সাথে যোগাযোগের জন্য সকলকে আহবান জানান। এছাড়াও তিনি অভিবাসনের নানা দিক এবং নিরাপদ অভিবাসনে ইউনিয়ন পরিষদের ভূমিকা ও করনীয় নিয়েও আলোচনা করেন। অভিবাসী তথ্য কেন্দ্র অভিবাসন সিদ্ধান্তে তথ্য সহায়তা।

অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে কুমিল্লা জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিসের সহকারি পরিচালক দেবব্রত ঘোষ অংশগ্রহণকারী সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।

অনুষ্ঠান শেষে সকলের একটি লিখিত মতামত গ্রহন করা হয়। সবশেষে ইলিয়টগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো: মামুনুর রশিদ বলেন যে আমদের এই বিষয়গুলো একবোরেই অজানা ছিল, আমরা আজকে এই অনুষ্ঠান মাধ্যমে অনেক তথ্য জানতে পারলাম। এই কর্মশালার মাধ্যমে আমরা সকলেই যে যার অবস্থান থেকে বিভিন্ন মিটিং, মসজিদ ও আলোচনা সভায় এই তথ্যগুলো প্রচার করবো।

বুড়িচং হাসপাতালে গৃহবধূর মরদেহ রেখে পালালেন স্বামী ও শাশুড়ি

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গৃহবধূ মনি আক্তার (২৩) এর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী ও শাশুড়ি।

নিহত গৃহবধূর মা শাহিনা আক্তারের অভিযোগ নির্যাতনের পর হত্যা করে আত্মহত্যার প্রচারণা চালিয়ে আসল রহস্যকে ধামাচাপার চেষ্টা করছে স্বামী ও তার পরিবার।

ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (১২ জুন) সকালে উপজেলার খাড়াতাইয়া গ্রামের বড় বাড়িতে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলার বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের খাড়াতাইয়া বড় বাড়ির আবুল কাসেমের ছেলে মোঃ শাহ পরাণের সাথে পাশের উপজেলা ব্রাহ্মণপাড়ার সাহেবাবাদ ইউনিয়নের জিরুইন গ্রামের মঞ্জুরুল হক ভূঁইয়ার মেয়ে মনি আক্তারের সঙ্গে বিবাহ্ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। তাদের সংসারে আড়াই বছরের একটি পুত্র সন্তানও রয়েছে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে পুলিশ জানান, শাহ পরানের সাথে মনি আক্তারের বিবাহ্ হওয়ার পর থেকেই তাদের মধ্যে বনিবনা ছিলনা।স্বামী মাদকাসক্ত থাকায় স্ত্রীকে প্রায় সময় শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করতেন। স্বামীর নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে মনি আক্তার ২০২০ সালের ১৬ সেপ্টেম্বরে বাপের বাড়িতে চলে যায়। কয়েকমাস পর উভয়ে পরিবারের সাথে সামাজিকভাবে মিমাংসার মধ্য দিয়ে পুনরায় বাপের বাড়ি থেকে মনি আক্তারকে তার শ্বশুড়-শাশুড়ির বাড়িতে নিয়ে আসে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্রে জানা যায়, মনি আক্তারকে পুনরায় বাড়িতে আনার পর প্রায় সময় স্বামী শাহ পরাণের কৃর্তৃক নির্যাতনের শিকার হতেন। ঘটনার আগের দিনেও গৃহবধূকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেছে বলে বাপের বাড়ির লোকজনের অভিযোগ রয়েছে। রোববার সাড়ে ৭টায় গৃহবধূ মনি আক্তারের মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পড়ে থাকার খবর পেয়ে এসআই মোঃ আব্দুল জব্বার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করে।

তিনি জানান, নিহতের স্বামী ও শ্বাশুড়ি সকালে হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায়। নিহতের শ্বশুড় বাড়ির ঘরের তীরের সাথে ঝুলন্ত একটি উড়না উদ্ধার করে। স্বামীর পরিবারের ভাষ্যমতে মনি আক্তার আত্মহত্যা করেছে। তবে স্থানীয়দের ভাষ্যমতে জানা যায়, গৃহবধূর মৃত্যুতে রহস্য রয়েছে। নিহত মনি আক্তারের মায়ের অভিযোগ পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মেয়ের মরদেহ হাসপাতালে রেখে স্বামীর পরিবার পালিয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে চাঞ্চল্যকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।এখানে স্বামী ও শ্বশুড়, শাশুড়িকে পাওয়া যায়নি।

বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ রহমান জানান, খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকে একটি গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমেক মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে এবং ঘটনার কারণ ময়নাতদন্তের পর বলা যাবে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মোবাইল কিনে দেওয়ার কথা বলে বোনের বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণচেষ্টা, প্রেমিক গ্রেপ্তার

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় প্রেমিকাকে (২১) ধর্ষণ চেষ্টার অভযোগে প্রেমিক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীে প্রেমিকা নিজেই বাদী হয়ে নারী ও শিশু দমন আইনে মামলা দায়ের করেন।

রোববার (১২ জুন) বিকেলে গ্রেপ্ততারকৃত আসামিকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে গতকাল দুপুরে তাকে আটক করে পুলিশ।

গ্রেপ্তারকৃত মো.সাইফুল ইসলাম (২৩) উপজেলার চরজুবিলী ইউনিয়নের চরমহি উদ্দিন গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে। সে পেশায় একজন দোকান কর্মচারী।

পুলিশ জানায়, ওই তরুণীর সাথে স্থানীয় একটি বাজারে কসমেটিকস দোকানদার সাইফুলের সাথে প্রেমের সর্ম্পক হয়। শনিবার সকালে মোবাইল ফোন কিনে দেয়ার কথা বলে প্রেমিক তাকে দোকানে ডেকে নেয়। এরপর তরুণীকে বাজার থেকে ভালো ফোন কিনে দেবে বলে মোটর সাইকেলে করে নিয়ে যাওয়ার পথে প্রেমিক তার প্রেমিকাকে বোনের বাড়িতে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। পরে তরুণীর চিৎকারে স্থানীয়রা এসে যুবককে ধরে পুলিশের সোপর্দ করেন।

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো.জিয়াউল হক জানান, তরুণী বাদী হয়ে শনিবার রাতেই ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে নারী ও শিশু দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলার প্রেমিক যুবককে আটক করে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

সুবর্ণচরে রাস্তা ঢালাইয়ের একদিন পরেই উঠে যাচ্ছে কার্পেটিং

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীল সুবর্ণচর উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় বেশ কয়েকটি পুরনো সড়ক সংস্কার কাজে শিডিউল বহির্ভূতভাবে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

পাঁচটি রাস্তা নির্মাণে নিম্নমানের ইটের খোয়া, ইট-বালু ব্যবহার করা হয়েছে। একটি সড়কের পিচ ঢালাইয়ে পুরাতন পাথর,বজুরি ও নিম্নমানের বিটুমিন ব্যবহার করা হয়েছে।

সড়ক গুলো হলো, ১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে উপজেলার পরিষ্কার বাজার থেকে ছিদ্দিক মেম্বারের দোকান পর্যন্ত ৪হাজার মিটার সড়ক। কাজটি পেয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মোস্তফা এন্ড সন্স। মাঠ পর্যায়ে কাজটি করছে কামরুল ইসলাম নামে এক ঠিকাদার। ১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে আটকপালিয়া বাজার থেকে পরিষ্কার বাজার পর্যন্ত ২৩০০ মিটার সড়ক। এ কাজটি পেয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স মা এন্টার প্রাইজ। ঠিকাদার মো.গিয়াস উদ্দিন নিজেই কাজটি করছেন। ৮নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের আক্তার মিয়ার বাজার থেকে বেড়ি পর্যন্ত ১হাজার ৯শত ২২মিটার মিটার সড়ক। কাজটি সম্পন্ন করেছেন নান্টু নামে এক ঠিকাদার। উপজেলার চরক্লার্ক ইউনিয়নের জনতা বাজার থেকে বাংলা বাজার পর্যন্ত ১ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৩হাজার ৫শত মিটার সড়ক। কাজটি পেয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মোস্তফা এন্ড সন্স। মাঠ পর্যায়ে কাজটি করছে ঠিকাদার কামরুল ইসলাম। উপজেলার ভূঞার হাট থেকে জোবায়ের মিয়ার বাজার কৃষি ইনস্টিটিউট পর্যন্ত ১ কোটি ২৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ২৯ মিটার। কাজটি পেয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মিজান এন্টার প্রাইজ। ঠিকাদার নিজেই কাজটি করছে।

সরকারের জিওবি মেইনটেনেন্স প্রকল্পের আওতায় এলজিইডি সুবর্ণচর উপজেলা কার্যালয়ের তত্ত্বাবধানে চলছে এইসব নির্মাণকাজ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিষ্কার বাজার টু ছিদ্দিক মেম্বারের দোকান পর্যন্ত সড়ক সংস্কারের শুরুতেই নিম্নমানের ইটের খোয়া, বালু ও এজেন্টে নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হয়। এরপর পিচ ঢালাইয়ে নিম্নমানের পুরাতন পাথর, বিটুমিন, বজুরি ব্যবহার করে রাত ১টার দিকে বৃষ্টির মধ্যে পিচ ঢালাইয়ের কাজ চালানো হয়। এ সময় স্থানীয়রা বাঁধা দিলে পরের দিন কাজ বন্ধ রাখে ঠিকাদার। পিচ ঢালাইয়ের শেষে সড়কের বেশ কয়েকটি স্থান থেকে স্থানীয়রা হাত দিয়ে টেনে নতুন কার্পেটিং তুলছে। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। আটকপালিয়া বাজার থেকে পরিষ্কার বাজার সড়ক সংস্কারে কাজের শুরুতেই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এজেন্টে নিম্নমানের ইট,ইটের খোয়া ও বালু ব্যবহার করে পিচ ঢালাইয়ের জন্য প্রস্তুত করে। স্থানীয় সাংবাদিকরা নিম্নমানের কাজের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট তদারকি প্রতিষ্ঠানকে অবহিত করে কোন প্রতিকার পান নি। বীরদর্পে সিডিউল বহির্ভূত ভাবে কাজ চালিয়েছে ঠিকাদার। উপজেলার ৮নং মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের আক্তার মিয়ার বাজার থেকে বেড়ি পর্যন্ত সড়ক সংস্কারের শুরুতেই নিম্নমানের ইট,ইটের খোয়া,বালু ব্যবহার করা হয়। নিম্নমানের কাজ নিয়ে ফেসবুক লাইভে এসে ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন স্থানীয় ইউপি সদস্য খলিল। এতে করেও তিনি কোন প্রতিকার পান নি বলে অভিযোগ করে বলেন,সর্বশেষ ঠিকাদার নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে পিচ ঢালাইয়ের কাজ শেষ করে।

জনতা বাজার থেকে বাংলা বাজার এবং ভূঞারহাট থেকে কৃষি ইনস্টিটিউট সড়কের সংষ্কারের শুরুতেই নিম্নমানের ইট,ইটের খোয়া ব্যবহার করা হয়। জনতা বাজার থেকে বাংলা বাজার সড়কে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ড্যাম্পিং শেষে পিচ ঢালাই চলছে। ভূঞারহাট থেকে কৃষি ইনস্টিটিউট সড়কের নিম্নমানের কাজ চলছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, শিডিউলের তোয়াক্কা না করে ইচ্ছেমতো পাঁচটি সড়কে নিম্নমানের কাজ করছেন ঠিকাদার। কাজের শুরু থেকেই তদারকি প্রতিষ্ঠানের যোগসাজশে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান তড়িঘড়ি করে এসব অনিয়ম করে চলছে। এজেন্টে নিম্নমানের ইট,ইটের খোয়া, নিম্নমানের বালু ব্যবহার করা হয়েছে। এতে একাধিক স্থানে এলাকাবাসী ক্ষিপ্ত হয়ে সড়কের কাজে বাধা দেন। তারপর এলাকাবাসী সুবর্ণচর উপজেলা প্রকৌশলী বিভাগকে মৌখিকভাবে জানিয়েও ফল পাননি। এরপর নিম্নমানের পাথর ও বজুরি দিয়ে ৩টি সড়কে কাপের্টিং করা হয়েছে। বর্তমানে ২টি সড়ক পিচ ঢালাইয়ের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বলছেন, নির্মাণের একদিন পর হাত দিয়ে টানলে পিচ ঢালাই উঠে যাচ্ছে। সামনে বর্ষায় সব উঠে যাবে। এত খারাপ রাস্তা করার কী দরকার? স্থানীয়দের অভিযোগ উপজেলা প্রকৌশলী মো.জালাল ও সহকারী প্রকৌশলী সাজেদুল বারীর যোগসাজশে সুবর্ণচর উপজেলায় বেজায় নিম্নমানের কাজ হচ্ছে। স্থানীয়রা নিম্নমানের কাজের প্রতিবাদ করলে ঠিকাদাররা চাঁদাবাজির মামলার ভয় দেখান।

সরজমিন দেখা গেছে, সড়কে নিম্নমানের ইটের খোয়া দিয়ে যেনতেন ভাবে কাজ করা হয়েছে। অপরদিকে শ্রমিকরা বলছেন, ঠিকাদার যে রকম ইট-বালু দিচ্ছেন, তা দিয়েই তাদের রাস্তা নির্মাণ করতে হচ্ছে। একাধিক শ্রমিক নিম্নমানের ইট ও ইটের খোয়া ব্যবহারের বিষয়টি স্বীকারও করেন। এ সময় স্থানীয়রা তদারকি প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি করেন, উচ্চপর্যায় থেকে সুবর্ণচর উপজেলার সব ইউনিয়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নোয়াখালীর আওতায় বাস্তবায়িত কাজগুলো সঠিকভাবে অন্তত একবার তদন্ত করা হোক। তাহলে অনেক অনিয়ম-দুর্নীতির তথ্য বেরিয়ে আসবে। কারণ তদারকি প্রতিষ্ঠানের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা সরকারি শিডিউল অনুযায়ী উন্নয়ন কাজের মান নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ। এটা অনেকটা ওপেন সিক্রেট। কারণ এর ঘাটে ঘাটে অনেক অনিয়মের গান আছে। এ চারটি সড়কের বিষয়ে গণমাধ্যমকর্মীকে তথ্য দিতে তালবাহানা করে সংশ্লিষ্ট তদারকি প্রতিষ্ঠান।

নিম্নমানের কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার কামরুল ইসলাম,শিফটন,নান্টু,গিয়াস উদ্দিন অভিযোগ নাকচ করে দাবি করেন তারা সিডিউল অনুযায়ী কাজ করেছে। ঠিকাদার কামরুল ইসলাম বলেন,আমার কাজে কিছুর খারাপ পাথর গিয়েছে। অফিস বলছে এসব পাথর দিয়ে কাজ করা যাবে না। এর বাহিরে কোন অনিয়ম হয়নি তিনি দাবি করেন। ঠিকাদার শিফটন বলেন, তিনি খারাপ কাজ করার মত ঠিকাদার নয়।

সুবর্ণচর উপজেলা প্রকৌশলী মো.শাহজালাল নিম্নমানের কাজে তদারকি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের যোগসাজশের অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, রাতের অন্ধকারে পুরাতন সামগ্রী দিয়ে সড়কের পিচ ঢালাই করা হয়েছে। এটা দুর্নীতি। কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আমরা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে একাধিকবার নোয়াখালী এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো. একরামুল হকের মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নি। তবে এলাকাবাসী উপজেলা প্রকৌশলীর দাবি নাকচ করে দিয়ে দুষছেন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে। তারা বলছে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের ভূমিকা না থাকায় নিম্নমানের কাজ হয়। এটা রাষ্ট্র ও জনগণের সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা।

কুমিল্লায় র‌্যাবের পৃথক অভিযানে মাদকসহ ৩ জন আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ২০ কেজি গাঁজা, ২৩ বোতল বিদেশী মদ এবং ২১ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৩ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

১১ জুন রাতে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার রাম মানিক দিঘীরপাড় এলাকা থেকে ১০ কেজি গাঁজা এবং ২১ বোতল ফেন্সিডিলসহ একজনকে আটক করা হয়। সে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের আব্দুল্লাহপুর (পূর্বপাড়া) গ্রামের মোঃ রুস্তম আলীর ছেলে মোঃ মীর হোসেন (২৮)।

পৃথক আরেকটি অভিযানে ১২ জুন সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার উজিরপুর এলাকা থেকে ১০ কেজি গাঁজাসহ একজনকে আটক করা হয়। সে কুমিল্লার সদর দক্ষিণের জগপুর গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে মোঃ বিল্লাল হোসেন (২৩)।

আরেকটি অভিযানে ১২ জুন সকালে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার কালিকাপুর এলাকা থেকে ২৩ বোতল বিদেশী মদসহ একজনকে আটক করা হয়। সে চৌদ্দগ্রামের জগমোহনপুর গ্রামের আনা মিয়ার ছেলে মোঃ রিপন মিয়া (৩৫)।