All posts by jitu

পেশি শক্তি ব্যবহার করে বিজয়ী হওয়ার চেষ্টা করেন সেটা হবে চরম ভুল : কুমিল্লায় সিইসি

 

স্টাফ রিপোর্টার:

প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে যদি কোনো প্রার্থী পেশি শক্তি ব্যবহার করে বিজয়ী হওয়ার চেষ্টা করেন সেটা হবে চরম ভুল। আমরা প্রয়োজনে নির্বাচন বন্ধ করে দেব। আমাদের পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য থাকবেন। আমরা আনন্দমুখর নির্বাচন করতে প্রস্তুত আছি। আমরা যুদ্ধ চাই না। প্রতিযোগিতা চাই।

রবিবার ( ২৯ মে) জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে কুসিক নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের সাথে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।

এ সময় সিইসি আরো বলেন, যদি কেউ নির্বাচনে কূটকৌশলের আশ্রয় নিয়ে বিজয়ী হন এবং তা যদি নির্বাচনের পরে তদন্ত করে বের করা যায়। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন যে কোনো ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণসহ ফৌজদারি আইনে মামলা দায়ের করা হবে।

সিইসি বলেন, কোনো কারণে যদি কোনো কেন্দ্রে ইভিএম নষ্ট হয়, কেউ নষ্ট করে ফেলে সেক্ষেত্রে কোনো ভোটার যদি বিকেল ৪টার আগে কেন্দ্রে উপস্থিত হন তাদের জন্য রাত ১টায় হলেও ভোট গ্রহণ করা হবে। সুষ্ঠুভাবে ভোট গ্রহণ করার সব প্রস্তুতি আছে আমাদের, সেক্ষেত্রে কেউ যদি সুন্দর পরিবেশকে নষ্ট করার পাঁয়তারা করেন। সেক্ষেত্রে ওইসব ব্যক্তিরা নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনবেন। তাই কাউন্সিলর, সংরক্ষিত কাউন্সিলর ও মেয়র প্রার্থীদের অনুরোধ করবো তারা যেন সৌহার্দ্য বজায় রেখে নির্বাচন শেষ করেন।

এ সময় স্বাগত বক্তব্য রাখেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. দুলাল তালুকদার, বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর হোসেন, নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম কমিশনার ফারুক আহম্মদ খান, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের রিটার্নিং অফিসার মো. শাহেদুন্নাবী চৌধুরী, পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমেদ। সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামরুল হাসান।

মতবিনিময় সভায় মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নৌকা প্রতীকের পক্ষে মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিক উল্লাহ খোকন, টেবিল ঘড়ি প্রতীকের প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু, ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার, হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী রাশেদুল ইসলাম, হরিণ প্রতীকের প্রার্থী কামরুল আহসান বাবুল।

এছাড়াও বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন ১ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী কাজী গোলাম কিবরিয়া, আবুল হোসেন ছোটন, ৯ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জমির উদ্দিন খান জম্পি, ২ নং ওয়ার্ড মাসুদুর রহমান মাসুদ, নাহিদা আক্তার, ৩ নং ওয়ার্ডের সরকার মাহমুদ জাবেদ, কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল্লাহ মোমেন, ৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আবদুল জলিল, ১.২.৩ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী কাউছারা বেগম সুমি, সংরক্ষিত কাউন্সিলর নেহার বেগমসহ আরো কয়েকজন কাউন্সিলর প্রার্থী।

মতবিনিময় সভায় আরো জানানো হয় ১৬৪ প্রার্থী মনোনয়ন পত্র জমা দেন। যাচাই বাছাই শেষে ১৪৭ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হয়।

কোর্তোয়ার ম্যাজিকে লিভারপুলকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন রিয়াল মাদ্রিদ

স্পোর্টস ডেস্ক:

লিভারপুলকে ১-০ গোলে হারিয়ে ১৪তম বারের মতো উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগ জিতলো রিয়াল মাদ্রিদ। জয়সূচক গোলটি করেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে চড়াও হয় অলরেডরা। কিন্তু অনেকটাই খেলার ধারার বিরুদ্ধে গোল পায় রিয়াল মাদ্রিদ। ৫৮তম মিনিটে গোল আদায় করে রিয়ালকে এগিয়ে নেন ব্রাজিলিয়ান তারকা ভিনিসিয়ুস।

তবে নিশ্চিতভাবেই ফাইনালে রিয়ালের জয়ের ‘নায়ক’ থিবো কোর্তোয়া। ম্যাচে রিয়ালের গোলবারে ২৪টি শট নেয় লিভারপুল তারকারা। যার ৯টি ছিল অনটার্গেটে। তবে লিভারপুলের একের পর এক প্রচেষ্টা রুখে দিয়ে রিয়ালের জয় নিশ্চিত করেন এই বেলজিয়ান গোলরক্ষক। অপর দিকে রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড়রা পুরো ম্যাচে শট নেন মাত্র চারটি। আর মাদ্রিদিস্তাদের উল্লেখ করার মতো শট ছিল ওই একটাই।

এদিন গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধের খেলা। শুরুতে উজ্জ্বল ছিল রিয়াল মাদ্রিদ।

ফাইনালের প্রথম ১০ মিনিটে মাদ্রিদিস্তাদের বলদখল ছিল ৭৬%। তবে দ্রুতই খোলস ছেড়ে বেরিয়ে আসে অলরেডরা। ২০১৯’র শিরোপাজয়ী ফাইনালে টটেনহ্যাম হটস্পারের বিপক্ষে পুরো ম্যাচে লিভারপুলের অনটার্গেট শট ছিল তিনটি। এবারের ফাইনালে শুরুর আধাঘণ্টায় প্রতিপক্ষের গোল বরাবর চারটি শট নেন অলরেড তারকারা। ১৫তম মিনিটে ছোট ডি-বক্স থেকে নেয়া মোহাম্মদ সালাহর শট ফেরান রিয়ালের বেলজিক গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। ২০তম মিনিটে বড় বিপদ কাটে রিয়ালের। ডি-বক্সের মাথা থেকে সাদিও মানের নেয়া শট কোর্তোয়ার হাতে লেগে বল গোল পোস্টে প্রতিহত হয়। এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লীগে লিভারপুলের এ নিয়ে সর্বাধিক সাতবার বল প্রতিপক্ষের বারপোস্টে লাগলো। ৩০তম মিনিটে ফের সালাহর শট আটকে দলকে বিপদমুক্ত রাখেন কোর্তোয়া। ৪৩তম মিনিটে লিভারপুলের জাল স্পর্শ করেন রিয়ালের তুখোড় ফর্মের স্ট্রাইকার করিম বেনজেমা। কিন্তু অফসাইডে বাতিল হয় গোল।

ম্যাচের প্রথমার্ধে প্রতিপক্ষের গোলবারে ১০টি শট নেয় লিভারপুলের খেলোয়াড়রা। এর পাঁচটি ছিল অনটার্গেটে। অন্য দিকে রিয়াল তারকাদের শট মাত্রই একটি। তাও ছিল লক্ষ্যভ্রষ্ট।

এখন মানুষ চাইলে ৩ বেলা মাংস খেতে পারে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

প্রাণিসম্পদ খাতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। এখন মানুষ চাইলে তিন বেলাও মাংস খেতে পারে। এমন দাবি করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শনিবার (২৮ মে) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ‘প্রাণিসম্পদ খাতে উন্নয়ন ও সম্ভাবনা: গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালা ও ফেলো নির্বাচনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদার সভাপতিত্বে ও পরিপ্রেক্ষিতের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ বোরহান কবীরের সঞ্চালনায় কর্মশালায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (সম্প্রসারণ) দীপক রঞ্জন রায়।

মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প ও পরিপ্রেক্ষিতের যৌথ উদ্যোগে এবং ফিশারিজ অ্যান্ড লাইভস্টক জার্নালিস্ট ফোরামের সহযোগিতায় এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, ‘বিজ্ঞানীদের নিরলস প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতে অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। এখন মানুষ চাইলে তিন বেলাও মাংস খেতে পারে। প্রাণিসম্পদ খাতের এ বিকাশ সামনে নিয়ে আসার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা রয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘প্রাণিসম্পদ খাতের অনেক সম্ভাবনা রয়েছে। এর উপকারভোগী আমরা সবাই। এ খাতে উৎপাদন না হলে দেশে খাদ্য ও পুষ্টির সংকট তৈরি হবে। বেকারদের স্বাবলম্বী করে, উদ্যোক্তা তৈরি করে, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল করে। খাবারের একটি বড় জোগান আসে মাংস, দুধ ও ডিম থেকে। তাই এ খাতকে সামনে এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন। প্রাণিসম্পদ খাতের সম্ভাবনার পাশাপাশি ত্রুটির কথা গণমাধ্যম সামনে নিয়ে আসলে সেটি সরকারের জন্য সহায়ক হবে।’

করোনাকালে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘করোনা সংকটে প্রাণিসম্পদ খাতকে রক্ষার জন্য সরকার ভ্রাম্যমাণ বিক্রির ব্যবস্থা চালু করেছে। এতে করে উৎপাদনকারী ও ভোক্তা উভয়ে লাভবান হয়েছে। ভ্রাম্যমাণ ব্যবস্থায় ৯ হাজার কোটি টাকার বেশি দুধ, ডিম, মাছ ও মাংস বিক্রি হয়েছে। গত রমজানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি করা হয়েছে।’

গ্লোবাল টিভির এডিটর ইন চিফ ও সিইও সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা এবং ফিশারিজ অ্যান্ড লাইভস্টক জার্নালিস্ট ফোরামের সভাপতি এমএ জলিল মুন্না উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (উৎপাদন) ডা. রেয়াজুল হক এবং প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রধান কারিগরি সমন্বয়ক ডা. মো. গোলাম রব্বানীসহ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

একদিনের ব্যবধানে পাল্টে গেছে কুমিল্লা নগরী, চলছে ভোট উৎসব

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

দিনভর প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় সরব হয়ে উঠছে কুমিল্লা নগরী। ব্যানার ও পোস্টারে ছেয়ে গেছে নগরীর অলিগলি। প্রতীক বরাদ্দের পরই প্রার্থীরা ঘুরছেন ভোটারদের ধারে ধারে। বসে নেই তাদের কর্মী-সমর্থকরাও। পাড়া-মহল্লায় প্রার্থীদের পক্ষে ভোট প্রার্থনা করছেন তারা। একদিনের ব্যবধানে পাল্টে গেছে নগরীর চিত্র। সর্বত্র চলছে ভোট উৎসব।

এদিকে প্রথম দিনেই প্রচার-প্রচারণার ব্যস্ত সময় পার করেন প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা। অপর দিকে প্রচারণার সময় আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে নৌকা প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সারকে গুণতে হয়েছে ৬০ হাজার টাকা জরিমানা। দুর্বৃত্তদের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলা ও মাইক ভাঙচুরের অভিযোগ করেছেন সদ্য বিদায়ী মেয়র।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সকাল পৌনে ১১টার দিকে স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার নগরীর কান্দিরপাড় থেকে শত শত নেতাকর্মী নিয়ে একটি মিছিল বের করেন। বেলা ১১টার দিকে নগরীর ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের চৌমুহনী এলাকায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে তাৎক্ষণিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

অপরদিকে আচরণবিধি ভঙ্গ করে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর ঢুলিপাড়া এলাকায় যানবাহনে পোস্টার লাগানোর দায়ে নৌকার প্রতীকের প্রার্থী আরফানুল হক রিফাতকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

অন্যদিকে বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর ১২ নম্বর ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নেতাকর্মীদের নিয়ে গণসংযোগে বের হন সদ্য বিদায়ী মেয়র মনিরুল হক সাক্কু। দুপুর ২টা পর্যন্ত তিনি এ দুই ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় গণসংযোগ করেন। শুরুতেই তিনি অভিযোগ করেন, শুক্রবার (২৭ মে) গভীর রাতে হেলমেট পরিহিত কতিপয় দুষ্কৃতকারী মোটরসাইকেল যোগে এসে নগরীর বিভিন্ন এলাকায় প্রায় তিন হাজার পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে। পরে ওই স্থানে নৌকার পোস্টার ঝুলতে দেখি।

এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলনের রাশেদুল ইসলাম (হাতপাখা) এবং নাগরিক কমিটির স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী কামরুল আহসান বাবুল (হরিণ) ও তাদের সমর্থকরা দিনভর গণসংযোগ ও প্রচারণা চালিয়েছেন।

এ বিষয়ে আরফানুল হক রিফাত বলেন, নির্বাচন এলেই বিএনপি তাদের প্রার্থীদের বহিষ্কার কারে বলেন নির্বাচনে অংশ নিবেন না। এটা তাদের পুরনো কৌশল। এর আগেও আমরা দেখেছি ভোটের আগে প্রার্থীকে বহিষ্কার করে আর ভোটে জিতলে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। জনগণ তাদের এ কৌশল বুঝে গেছে। কুমিল্লার মানুষ এবার নৌকাকেই ভোট দিবেন। এ নির্বাচনে তাদের বহিষ্কার কৌশল কোন কাজে আসবে না।

কুসিকের সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু বলেন, আমার জনপ্রিয়তায় দেখে প্রতিপক্ষ গভীর রাতে হেলমেট পরে পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে। আমি এ ঘটনার প্রতিবাদ জানাই। এ সিটিতে পরপর দুইবার আমি বিজয় হয়েছি। এবারও হবো ইনশাআল্লাহ। কোন ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না।

স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী সাবেক স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা নিজাম উদ্দিন কায়সার বলেন, ১৫ জুন কুমিল্লার জনগণ অন্যায়-অত্যাচার, অপশাসন ও দুর্নীতির জবাব দেবে। কারণ আপনারা দেখতে পেয়েছেন গত দুই দিনের গণসংযোগে স্বেচ্ছায় যেভাবে হাজার হাজার মানুষ উপস্থিত হচ্ছেন। এটি পরিবর্তনের সুর। ঘোড়া প্রতীকে এবার গণজোয়ার উঠেছে। ভোটাররা আমাকে ভাল বাসেন বলেই আজ আপনারা এই গণজোয়ার দেখতে পাচ্ছেন।

কুমিল্লা সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদুন্নবী চৌধুরী বলেন, এক মেয়র প্রার্থীর পোস্টার ছিঁড়ার অভিযোগ পেয়েছি। এটি পুলিশ প্রশাসনকে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। এছাড়া যে কোনো অভিযোগ পেলে ক্ষতিয়ে দেখার চেষ্টা করছি। প্রতিদিন ১০ জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে কাজ করছেন।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৫ মেয়র প্রার্থী, ২৭ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ১০৬ এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এবার সিটি করপোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডের ১০৫টি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ সিটিতে মোট ভোটার দুই লাখ ২৯ হাজার ৯১৮। তাদের মধ্যে নারী ভোটার এক লাখ ১৭ হাজার ৯২। পুরুষ ভোটার এক লাখ ১২ হাজার ৮২৬।

সূত্র: জাগো নিউজ

মাটির নিচের ড্রোন ঘাঁটির ছবি প্রকাশ করেছে ইরানের সেনাবাহিনী

 

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ

ইরানের সেনাবাহিনী মাটির নিচে অবস্থিত তাদের একটি ড্রোন ঘাঁটির ছবি প্রকাশ করেছে এবং এ বিষয়ে অল্প বর্ণনা দিয়েছে। তবে কোথায় এ ঘাঁটি অবস্থিত সেই জায়গার নাম উল্লেখ করেনি।

গালফ অঞ্চলে ছোটখাটো উত্তেজনা দেখা দেওয়ার পর ড্রোন ঘাঁটির ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করল ইরান। ছবিতে দেখা যায় সারি সারি দাঁড় করানো আছে ড্রোন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন বলেছে, জাগরোস পাহাড়গুলোর নিচে ১০০টি ড্রোন রাখা আছে, এর মধ্যে আছে আবাবিল-৫ ড্রোন।

রাষ্ট্রীয় টিভি জানিয়েছে, এ ড্রোনটিতে সংযুক্ত করা আছে কায়েম-৯ মিসাইল। যুক্তরাষ্ট্রের হেলফেয়ার মিসাইলের আদলে এ মিসাইলটি ইরানে তৈরি করা হয়েছে।

এদিকে যে সাংবাদিক এ গোপন এ ড্রোন ঘাঁটির ছবি ও ভিডিও করে এনেছেন তিনি জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার কারমানশাহ থেকে হেলিক্প্টারে ওঠেন তিনি। ৪৫ মিনিট ভ্রমণ শেষে একটি গোপন ড্রোন ঘাঁটিতে পৌছান তিনি। ঘাঁটিতে পৌছানোর আগ পর্যন্ত তার চোখ বাধা ছিল।

ওই সাংবাদিক জানান, কয়েকশ মিটার লম্বা ঘাঁটিতে ড্রোনগুলো সাজানো আছে।

ড্রোনগুলো নিয়ে সেনা কমান্ডার মেজর জেনারেল আব্দুল রহিম মোসাভি টিভিতে বলেন, কোনো সন্দেহ নেই ইসলামিক রিপাবলিক ইরানের ড্রোনগুলো এ অঞ্চলের সবচেয়ে শক্তিশালী। ড্রোন আপডেট করার যে ক্ষমতা আমাদের আছে তা দুর্দমনীয়।

সূত্র: আল আরাবিয়া

নোয়াখালীতে ৯টি ক্লিনিক সিলগালা

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালী জেলার বিভিন্ন উপজেলায় অনিবন্ধিত ক্লিনিকের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করছে প্রশাসন।

অভিযান পরিচালনাকালে জেলার বেগমগঞ্জ উপজেলায় ৩টি, সোনাইমুড়ীতে ২টি, সেনবাগে ২টি, চাটখিলে ১টি ও সদরে ১টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ক্লিনিক সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় প্রশাসন অভিযান চালিয়ে আজ শনিবার ৮টি এবং শুক্রবারে ১টি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে।

সিলগালা করা প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে, বেগমগঞ্জ উপজেলার ছয়ানি বাজারের মালিহা ডায়াগনস্টিক এন্ড ডায়বেটিস সেন্টার, রাজগঞ্জ বাজারের বিছমিল্লাহ্ ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও বাংলাবাজারের নিউ চৌধুরী প্যাথলজি ল্যাব, সোনাইমুড়ী উপজেলার আল হাবিব হসপিটাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও কাশিপুরের লাইফ লাইন প্যাথলজি, সেনবাগ উপজেলার কানকিরহাটের সিটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ছাতারপাইয়া বাজারের জেনুইন ডায়াগনস্টিক ল্যাব অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, চাটখিল উপজেলার এশিয়ান ফিজিওথেরাপি সেন্টার এবং সদর উপজেলার দত্তেরহাটের নোয়াখালী ইসলামিয়া চক্ষু হাসপাতাল।

জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মাসুম ইফতেখার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, শনিবার সকাল থেকে জেলার উপজেলাগুলোতে পৃথক অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় নিবন্ধনহীন আজ শনিবার ৮টি ও শুক্রবার বিকালে চাটখিল উপজেলার ১টি প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দেওয়া হয়।

তিনি আরও বলেন, নিবন্ধনহীন ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও হাসপাতালগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

কুমিল্লায় গাঁজা ও ফেন্সিডিলসহ র‌্যাবের হাতে আটক এক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার জগন্নাথপুর এলাকা থেকে মোঃ আবুল কাশেম (৫১) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ সদস্যরা।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ২৭ মে জগন্নাথপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৩০ কেজি গাঁজা এবং ১৯৮ বোতল ফেন্সিডিলসহ তাকে আটক করে র‌্যাব।

আটককৃত হলেন কুমিল্লা নগরীর ধর্মপুর এলাকার মৃত জোহর আলীর ছেলে।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে সে দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে গাঁজা এবং ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। এ বিষয়ে তার বিরুদ্ধে কুমিল্লার কোতয়ালী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শনিবার (২৮ মে) কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

চৌদ্দগ্রামে সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ গ্রেফতার ৪

 

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২০ কেজি গাঁজাসহ দুইজন, জাকির হোসেন প্রকাশ জাকির এবং আবু বকর প্রকাশ ইয়াকুব নামে ২ সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ মোট ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

আটককৃত জাকির উপজেলার ঘোলপাশা ইউনিয়নের শালুকিয়া গ্রামের মতু মিয়ার ছেলে ও আবু বকর একই ইউনিয়নের আদর্শ গ্রামের ইউসুফ মিয়ার ছেলে।

এদিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (২৮ মে) সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ছুফুয়া রাস্তার মাথা এলাকায় এসআই মনির হোসেন ও এএসআই ইমরান হোসেনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় ফোর্সসহ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২০ কেজি গাঁজাসহ মো: রানা (২৮) ও রহিদুল ইসলাম লিমন (২৬) নামে দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

আটককৃত রানা দিনাজপুর জেলার কোতয়ালী থানার গোপালবাগ গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে এবং রহিদুল ইসলাম একই এলাকার রামনগর গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মনির হোসেন জানান, শনিবার সকালে ২ সাজাপ্রাপ্ত আসামী ও ২০ কেজি গাঁজাসহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে আটকৃকতদেরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদক নিয়ন্ত্রণে থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কুমিল্লায় কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা প্রতারক চক্রের মূল হোতাসহ গ্রেফতার ৪

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লায় প্রায় কোটি টাকা নিয়ে লাপাত্তা প্রতারক চক্রের মূল হোতাসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

জানা যায়, বুড়িচং উপজেলার শতাধিক সাধারণ পেশাজীবি মানুষ একটি প্রতারক চক্রের খপ্পরে পড়ে ব্যবসায়ে লভ্যাংশ প্রাপ্তির আশায় প্রায় কোটি টাকা অর্থ বিনিয়োগ করে সর্বশান্ত হয়েছেন। বেশির ভাগ মানুষ তাদের সারাজীবনের কষ্টার্জিত জমানো অর্থ হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। ভুক্তভোগীদের মধ্যে এক লক্ষ টাকা হতে দশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মুনাফার আশায় বিনিয়োগ করে সবাই সর্বশান্ত হয়েছেন। প্রতারক চক্রের সদস্যরা সাধারণ মানুষের প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে লাপাত্তা হয়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে ভুক্তভোগী জনগন তাদের গচ্ছিত টাকা ফিরে পাবার আশায় বিভিন্ন জায়গায় অভিযোগ দাখিল করে।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা আইনি সহযোগিতা ও ন্যায় বিচার প্রাপ্তির আশায় র‌্যাবের হস্তক্ষেপ কামনা করে। বেশ কয়েকজন ভুক্তভোগী একটি লিখিত অভিযোগ কুমিল্লাতে অবস্থিত র‌্যাব-১১ এর কার্যলয়ে এসে জমা দেয়। পরবর্তীতে তাদের প্রদত্ত তথ্যের ভিত্তিতে ঘটনার আদ্যপ্রান্ত অনুসন্ধান করে র‌্যাব এবং ভুক্তভোগীদের সর্বত্তক সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করে।

এরই ধারাবাহিকতায় ২৭ মে রাতে কুমিল্র বুড়িচংয়ের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে প্রতারক চক্রের মূল হোতা মোঃ নজরুল ইসলামসহ (৪৮) সহযোগী আরও ৩ সদস্যকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, কুমিল্লার বুড়িচংয়ের কন্ঠনগর গ্রামের সরাফত আলীর ছেলে মোঃ মামুনুল হক (৪৮), বুড়িচংয়ের মোঃ সিরাজুল ইসলামের ছেলে মোঃ গিয়াস উদ্দিন (৪৭), ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চারাধারী গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের ছেলে মোঃ নজরুল ইসলাম (৪৮) এবং একই উপজেলার পরিহলপাড়া গ্রামের মৃত মজিবুর রহমানের ছেলে মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন (৩৮)।

জানা যায়, গত ২০১৩ সালে জানুয়ারি মাসে কুমিল্লার বুড়িচং বাজার এলাকায় ফেমাস হাউজিং নামক একটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান কার্যালয় স্থাপন করে একটি প্রতারক চক্র। উক্ত চক্রের মূল হোতা মোঃ মামুনুল হক নিজে কোম্পানীর চেয়ারম্যান এবং মোঃ নজরুল ইসলামকে সহকারী পরিচালক হিসেবে একটি ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলে এবং ০৮ জন জনবলের সমন্বয়ে পরিচালনা পরিষদ গঠন করে। ৩ জন পরিচালক এবং মাঠ পর্যায়ে একাধিক কর্মী নিয়োগ দেয়।

পরবর্তীতে বুড়িচং উপজেলার জনবহুল ও ব্যবসায়ীক এলাকায় কর্পোরেট অফিস ইউ.পি রোড (বাজার মসজিদ সংলগ্ন) বুড়িচং, কুমিল্লা এবং পরিচালনায়ঃ ফেয়ার গোল্ড রিয়েল এস্টেট এন্ড ডেভেলপমেনট লিঃ, ১১১৫, মৌলভী ভিলা (৩য় তলা), রেইসকোর্স, কুমিল্লা জাকজমকপূর্ণ শাখা অফিস স্থাপন করে। পরবর্তীতে প্রতারকচক্রটি অতি সুকৌশলে প্রলুব্ধ করে বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষের নিকট হতে আমানত সংগ্রহ করে। সহজ সরল সাধারণ জনগণকে ভুল বুঝিয়ে তাদের সংস্থার সদস্য করা হত। প্রতি মাসে তাদের সংস্থায় একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা করে ০৫ বছরà