All posts by jitu

বেগমগঞ্জ থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার, গ্রেফতার ১

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থেকে অপহৃত অষ্টম শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে (১৬) উদ্ধার করে অপহরণকারী মো. আলাউদ্দিন আলোকে (২২) গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‌্যাব।

গ্রেফতারকৃত আলাউদ্দিন উপজেলার করিমপুর মনু বেপারী বাড়ির দ্বীন মোহাম্মদের ছেলে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) রাত পৌনে ৯টার দিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার খন্দকার মো. শামীম হোসেন বলেন, বুধবার ১৮ মে দিবাগত রাত সোয়া ৮টার দিকে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জের করিমপুর মনু বেপারী বাড়ি থেকে অপহরণকারী আলোকে গ্রেফতার করা করে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে তার বাবা-মায়ের জিম্মায় দেয়া হয়েছে।

ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ১৬ মে দুপুরে অপহৃত অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ক্লাস শেষে বাসায় ফেরার সময় লক্ষ্মীপুর জেলার সদর থানাধীন প্রাইমারি ট্রেনিং ইনিস্টিটিউটের উত্তর পাশের উচ্চ মাধ্যমিক জেলা শিক্ষা অফিসের সামনে পৌঁছলে মো. আলাউদ্দিন (২২) ও তার সহযোগী মো. সালাউদ্দিন (৩০) তাকে বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে নেয়। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে গত ১৮ মে লক্ষ্মীপুর সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

র‌্যাব-১১ এর নোয়াখালী ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার আরো জানায়, গ্রেফতার আসামির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য লক্ষীপুর সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

কুমিল্লা মহানগরীতে বিজিবির ধারাবাহিক অভিযান, মোটরসাইকেল চালকদের জরিমানা

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা মহানগরীজুড়ে ১০ বিজিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার ( ১৯ মে) দিনে  ১০ বিজিবির  নাঃ সুবেঃ মোঃ শাহআলম এর নেতৃত্বে ০১ ঢ প্লাটুন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ গোলাম মোস্তফা’র  নেতৃত্ত্বে অভিযান পরিচালনাকালে “দূর্গাপুর আনসার ক্যাম্প” এলাকায় মোট ০৪টি মোটর সাইকেল (লাইসেন্স, হেলমেট এবং ফিটনেস বিহীন) আটক করে মোটর সাইকেল চালকদেরকে সর্বমোট ৭ হাজার টাকা নগদ জরিমানা আদায় করে ছেড়ে দেওয়া হয় এবং ২টি মোটর সাইকেলের বৈধ কাগজ পত্র না থাকায় ট্রেজারিতে জমা করা হয়েছে।

আগামী ১৫ জুন অত্র ব্যাটালিয়নের দায়িত্বপূর্ণ কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্নের নিমিত্তে নির্বাচনী এলাকায় টহল/পেট্রোলিং এর উদ্দেশ্যে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) হতে নাঃ সুবেঃ মোঃ শাহআলম এর নেতৃত্বে ০১ ঢ প্লাটুন বিজিবি সদস্য গত ১৫ মে ২০২২ তারিখ হতে নির্বাচনী এলাকায় মোতায়েন রয়েছে।

নির্বাচন পূর্ববর্তী সময় পর্যন্ত এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং বিজিবি প্লাটুন আগামী ১২ জুন ২০২২ তারিখ পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় মোতায়েন থাকবে বলে কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) এর সহকারী পরিচালক মোঃ পারভেজ শামীম জানান।

 

কুমিল্লায় চলতি বছরে প্রায় ২১ কোটি টাকা মূল্যের মাদক ও চোরাচালানি মালামাল আটক

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চলতি বছরে ২১ কোটি  ৪৮ লক্ষ ৯৭ হাজার ৪২৭ টাকা মূল্যের মাদক ও চোরাচালানি মালামাল আটক করেছে।  এ সময় দুটি বিদেশী অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি এসব ঘটনায় জড়িত  ৪৯ জনকে আটক করেছে বিজিবি।

চলতি বছরে কুমিল্লা সীমান্তজুড়ে  ভারতীয় ইয়াবা ১২ হাজার ৫৫৬ পিস, ফেন্সিডিল ১৩ হাজার ১৭৭ বোতল, মদ ১২ হাজার ৪৩৯ বোতল, বিয়ার ৭৭৩ বোতল মদ, গাঁজা ২ হাজার ৩০৯.৩ কেজি, ইস্কাপ সিরাপ ১ হাজার ৪৫০ বোতল, এবং ৩৩ হাজার ৬৪ টি বিভিন্ন প্রকার নেশাজাতীয় ট্যাবলেটসহ সর্বমোট ৪ কোটি ১৩ লক্ষ ১৪ হাজার ৬০০ টাকা মূল্যের মাদকদ্রব্য এবং ১৭  কোটি ৩৫ লক্ষ ৮২ হাজার ৮২৭ টাকা মূল্যের অন্যান্য মালামালসহ সর্বমোট ২১ কোটি ৪৮ লক্ষ ৯৭ হাজার ৪২৭ টাকা মূল্যের চোরাচালানী মালামাল আটক করে।

 

এছাড়াও ০১টি বিদেশী রিভলবার এবং ০১টি দেশীয় পাইপ গান সহ ৪৯ জন আসামী আটক করে।

কুমিল্লা ব্যাটালিয়ন (১০ বিজিবি) সূত্র জানায়,  দেশের আভ্যন্তরীণ আইন শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে বেসামরিক পরিমন্ডলে ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। অথচ, কতিপয় অসাধু স্বার্থেন্বেষী চক্র বিজিবির এই কষ্টার্জিত উজ্জল ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশ্য বিভিন্ন প্রকার অপচেষ্টা করছে। এসব অসাধু স্বার্থেন্বেষী চক্রের অপপ্রচেষ্টা প্রতিহত করা সহ সকলের ঐকান্তিক এবং সমন্বিত প্রচেষ্টায় বিজিবি’র আভিযানিক সাফল্য উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা যায়।

 

বাংলাদেশে অভিজ্ঞতার কোনো দাম নেই : মুশফিকুর

স্পোর্টস ডেস্কঃ

বুধবার চট্টগ্রাম টেস্টের চতুর্থ দিনে শ্রীলংকার বিপক্ষে সেঞ্চুরি করার পর সংবাদ সম্মেলনে মুশফিকুর রহিম বলেছেন, বাংলাদেশে অভিজ্ঞতার কোনো দাম নেই।

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মুশফিকুর রহিমের এমন বিস্ফোরক মন্তব্য প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে বাংলাদেশ টেস্ট দলের অধিনায়ক মুমিনুল হক সৌরভ বলেন, আমি পত্রিকাও পড়িনি, প্রেস কনফারেন্সও দেখিনি। মুশফিক ভাই কখন কী বললেন আমি জানিও না সত্যি বলতে। একেকজনের ভাবনা একেকরকম হতে পারে। আমি ভালো খেললে বাংলাদেশ দলে থাকব, খারাপ খেললে বের হয়ে যাব। উনার মন্তব্য নিয়ে আমার মন্তব্য করা কঠিন।

চলতি মাসের শুরুর দিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেছেন, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ টেস্ট থেকে সরে এসেছে। তামিম টি-টোয়েন্টি খেলছে না। মুশফিক এখনো খেলছে, আমি নিশ্চিত ওর সিদ্ধান্তও জানা যাবে। ও নিশ্চয়ই চিন্তাভাবনা করছে। আমরা চাই না আমাদের খেলোয়াড়রা মন খারাপ করুক। তারা হাসিমুখে খেলুক। নিজেরা সিদ্ধান্ত নিক। যত তাড়াতাড়ি তারা নিজেদের সিদ্ধান্ত নিতে পারবে ততো ভালো। যদি সিদ্ধান্ত না নেয় তো একটা সময় আমাদেরই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

গত বছর আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রত্যাশিত পারফরম্যান্স করতে পারেননি মুশফিক। যে কারণে দেশে ফেরার পর পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে তাকে বসিয়ে রাখা হয়।

তবে টি-টোয়েন্টি থেকে এখনই অবসর নেওয়ার কোনো চিন্তা-ভাবনা নেই জানিয়ে মুশফিক বলেন, না ভাই, আমার আপাতত এমন কোনো ভাবনা নেই। আমার ইচ্ছা বাংলাদেশের হয়ে যতগুলো ম্যাচ খেলার সুযোগ আসবে এবং তারা আমাকে যেভাবে চাইবে, ইনশাআল্লাহ আমি চেষ্টা করে যাব আমার ফিটনেস ও পারফরম্যান্স দিয়ে সেটা ধরে রাখার।

চাঁদপুরে ১০ প্রতিষ্ঠানকে ভোক্তা অধিদপ্তরের ২৬ হাজার টাকা জরিমানা

 

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

পণ্যের মূল্য তালিকা না টাঙানো, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি ও দোকানে মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য রাখার দায়ে চাঁদপুরের শাহরাস্তি ও হাজীগঞ্জ উপজেলার দশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২৬ হাজার টাকা জরিমানা করেছে চাঁদপুর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলার মেহের রেল স্টেশনের ৪ হোটেলকে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার রাখা ও তৈরির অপরাধে ১৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এদের মধ্যে মেহের রেল স্টেশনের শুভ হোটেলকে ৫ হাজার, মাসুদ হোটেলকে ২ হাজার, দাওয়াত হোটেলকে ৫ হাজার ও আল মামুন হোটেলকে ৪ হাজার সহ সর্বমোট ১৬ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

এছাড়াও এর আগেরদিন গত বুধবার (১৮ মে) অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং মূল্য তালিকা না থাকায় জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলার বলাখাল বাজারে ছয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে আরো ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এদের মধ্যে বাজারের আল মদিনা কনফেকশনারিকে ৪ হাজার, নিউ মাতৃভাণ্ডারকে ২ হাজার, নরেশ সাহা স্টোরকে ১ হাজার, গোপাল সাহা স্টোরকে ১ হাজার, প্রাণ ভল্লব স্টোরকে ১ হাজার ও সুরেশ মিষ্টি মেলাকে ১ হাজারসহ সর্বমোট দশ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করেন চাঁদপুর জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক নুর হোসেন।

এ সময় তিনি বলেন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের অর্পিত ক্ষমতাবলে, জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশের নির্দেশনায় এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

অভিযানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাবার তৈরি, মূল্য তালিকা না টাঙানো এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য পাওয়ার দায়ে ভোক্তা অধিকার আইন ২০০৯ মোতাবেক প্রশাসনিক ব্যবস্থা হিসেবে দশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ২৬ হাজার টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়েছে। এছাড়াও ভোক্তা অধিকারের স্বার্থে এ অভিযান চলমান থাকবে। উক্ত অভিযানগুলোতে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন শাহরাস্তি ও হাজীগঞ্জ থানার পুলিশ সদস্যরা।

মনিরুল হক সাক্কুকে দলের সব পর্যায়ের পদ থেকে আজীবন বহিষ্কার

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল হক সাক্কুকে দলের সব পর্যায়ের পদ থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিএনপির সহ-দপ্তর তাইফুল ইসলাম টিপু স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘দলীয় শৃঙ্খলাবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মনিরুল হক সাক্কুকে জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে আজীবন বহিষ্কার করা হয়েছে। এখন থেকে দলের নেতাকর্মীদেরকে তার সঙ্গে কোনো ধরনের যোগাযোগ না রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো।’

এর আগে বৃহস্পতিবারই কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে তার মনোনয়ন বৈধ হওয়ার পর বিএনপি থেকে পদত্যাগ করেন সদ্যবিদায়ী মেয়র কুসিক মেয়র সাক্কু। তিনি তার পিএস এর ফেসবুক ম্যাসেঞ্জারের মাধ্যমে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন।

কুসিক নির্বাচনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে ১৫৪ প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এতে ৬ মেয়র প্রার্থী, ১১১ জন সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর এবং ৩৭ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত নগরীর শিল্পকলা একাডেমিতে এ যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পরিচালিত হয়। দিনভর যাচাই-বাছাই শেষে বিকালে রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদুন্নবী চৌধুরী বৈধ প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেন। এর আগে গত ১৭ মে মনোনয়নপত্র জমা দেন মেয়র এবং কাউন্সিলর প্রার্থীরা। ওই দিন ছয় মেয়র প্রার্থীসহ মোট ১৬৪ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দেন। এর মধ্যে ১২০ জন সাধারণ কাউন্সিলর এবং ৩৮ জন সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর ছিলেন।

মেয়র পদে বৈধ প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত, সদ্যবিদায়ী মেয়র মনিরুল হক সাক্কু (স্বতন্ত্র), বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা অধ্যক্ষ আফজাল খানের ছেলে মাসুদ পারভেজ খান ইমরান (স্বতন্ত্র), নিজাম উদ্দিন কায়সার (স্বতন্ত্র), ইসলামী আন্দোলনের রাশেদুল ইসলাম, নাগরিক কমিটির কামরুল আহসান বাবুল (স্বতন্ত্র)। এর আগে সকালে তথ্যগত ভুলের কারণে মাসুদ পারভেজ খান ইমরানের মনোনয়নপত্র স্থগিত রাখা হয়। পরে সেটি পূরণ করা হলে বিকালে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়।

এ বিষয়ে কুসিক নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদুন্নবী চৌধুরী জানান, আগামী ২০, ২১ ও ২২ মে সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আপিল গ্রহণ করা হবে। ২৩ মে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ২৭ মে প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন। ১৫ জুন ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২৭টি সাধারণ ও ৯টি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে মোট ভোটার ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৯২ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ১১ হাজার ৬০০ ও নারী ১ লাখ ১৬ হাজার ১৯১ জন।

কুসিক নির্বাচন: কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হেভিওয়েটরা

 

ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু:
নির্বাচন কমিশনের প্রথম পরীক্ষা এই কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। ইসি ও সরকার উভয়ের জন্যই এই নির্বাচন অগ্নিপরীক্ষা। তেমনিভাবে এই নির্বাচনের উপর নির্ভর করবে কুমিল্লার অনেক হেভিওয়েট রাজনৈতিক নেতার ভবিষ্যত। এই নির্বাচন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছে হেভিওয়েটদের।

কুসিকে ৬ জন মেয়র প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন। তারা হলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত, সদ্য বিদায়ী মেয়র মনিরুল হক সাক্কু (স্বতন্ত্র), আওয়ামীলীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য সিআইপি মাসুদ পারভেজ খান ইমরান, নিজাম উদ্দিন কায়সার (স্বতন্ত্র), ইসলামী আন্দোলনের রাশেদুল ইসলাম, নাগরিক কমিটির কামরুল আহসান বাবুল (স্বতন্ত্র)। তাদের সবার মনোনয়নই বৈধতা পেয়েছে। এর মধ্যে আলোচনায় রয়েছেন ৪ জন। আরফানুল হক রিফাত, মনিরুল হক সাক্কু, মাসুদ পারভেজ খান ইমরান ও নিজাম উদ্দিন কায়সার। বিএনপি যেহেতু দলগতভাবে এ নির্বাচন বর্জন করেছে। তাই নিজাম উদ্দিন কায়সার আজ দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। সন্ধ্যার দিকে সাক্কু পদত্যাগ করে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন।

রিফাত দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার পর এমপি বাহার গ্রুপের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছাস বেশ দেখা গেছে। এমপি বাহার নিজেও রিফাতকে নিয়ে কুমিল্লা মহানগর আওয়ামীলীগ অফিসে এসে বক্তব্য দিয়েছেন। নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে নির্বাচন কমিশন তাদেরকে সর্তক করেছেন। রিফাত মনোনয়ন পাওয়ায় অনেক আ’লীগ নেতাকর্মী ধারণা করেছিলেন সাক্কু নির্বাচন করবে না। কিন্তু পরিস্থিতি ভিন্ন পথে। সাক্কু নির্বাচন করবেন তা নিশ্চিত করেছেন তিনি। এছাড়া বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় নৌকার প্রার্থী রিফাতকে জড়িয়ে নেতিবাচক সংবাদ প্রকাশ, পরবর্তীতে প্রতিবাদ জানিয়ে মহানগর আওয়ামীলীগের সংবাদ সম্মেলন এবং পরে ভোরের কাগজের বিরুদ্ধে ১০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করেছেন নৌকার মনোনীত প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত। সব মিলিয়ে নির্বাচনের মাঠ এখন ঘোলাটে।

এ নির্বাচনের পরিস্থিতি এমন দাড়িয়েছে- আ’লীগের প্রতিদ্বন্দ্বি এখন আ’লীগ, বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বি বিএনপি। রিফাত যেখানে একক প্রার্থী সেখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন আ’লীগের অপর গ্রুপের মাসুদ পারভেজ খান ইমরান। সাবেক মেয়র সাক্কুর প্রতিদ্বন্দ্বি এখন নিজাম উদ্দিন কায়সার।

মনিরুল হক সাক্কুর এটা তৃতীয় নির্বাচন। বাকি প্রার্থীদের এবারই প্রথম নির্বাচনে অংশ নেয়া হচ্ছে। সাক্কু তার প্রয়াত ভাই সাবেক নৌ পরিবহন মন্ত্রী আকবর হোসেনের কৌশলেই টানা দুইবার মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন। কুমিল্লা আ’লীগের দীর্ঘদিনের অর্ন্তকোন্দল, আফজল খান-বাহার গ্রুপের মধ্যে কোন্দলের সুযোগ নিয়ে বার বার সাংসদ নির্বাচিত হতেন আকবর হোসেন। সেই কৌশল ধরে রেখেছেন মনিরুল হক সাক্কু। সেই কৌশলে সাক্কুও টানা ২ বার মেয়র হয়েছেন। যদিও কুমিল্লা মহানগরে বিএনপির ভাল ভোটব্যাংক রয়েছে। প্রথম (২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি) ও দ্বিতীয় সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ( ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ) আ’লীগের মনোনয়ন পেয়েছিলেন যথাক্রমে প্রবীণ রাজনীতিবিদ অধ্যক্ষ আফজল খান এডভোকেট ও তাঁর মেয়ে আনজুম সুলতানা সীমা। প্রথম নির্বাচনে সাক্কু পেয়েছিলেন ৬৫ হাজার ৫৭৭ ভোট ও আওয়ামী লীগ সমর্থিত আফজল খান পেয়েছিলেন ৩৬ হাজার ৪৭১ ভোট। দ্বিতীয় নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপি প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু পেয়েছেন ৬৮ হাজার ৯৪৮ ভোট, আর আওয়ামী লীগের প্রার্থী আনজুম সুলতানার নৌকা প্রতীকে পড়েছে ৫৭ হাজার ৮৬৩ ভোট।

গুঞ্জন রয়েছে এ পরিবারের সাথে সদর সাংসদ হাজী আ ক ম বাহাউদ্দিন বাহারের বিরোধ চরমে থাকায় এমপি বাহারের লোকজন সাক্কুর পক্ষে কাজ করেছে। ফলে সাক্কু টানা ২ বার মেয়র নির্বাচিত হন। কিন্তু এ বার পরিস্থিতি ভিন্ন । এবার নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন এমপি বাহারের বিশ্বস্থ সহকর্মী আরফানুল হক রিফাত। তাই অনেকে ভাবছেন- পূর্ব প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী মেয়র সাক্কু নির্বাচন থেকে শেষ মুহুর্তে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিবেন। যদিও এখনো তিনি বলছেন, যতই বাধা বিপক্তি আসুক নির্বাচন তিনি করবেন।

এখন সাবেক মেয়র সাক্কুর সামনে এখন ৩ চ্যালেঞ্জ:
প্রথমত, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলে এমপি বাহার গ্রুপের সাথে ওয়াদার বিচ্যুতি ঘটবে। ফলে তাদের মধ্যে সুসর্ম্পকের অবনতি ঘটবে। দ্বিতীয়ত, আর তিনি প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিলে আ’লীগ তথা এমপি বাহারের সাথে তার যে সুসর্ম্পক তা আরো স্পষ্ট হবে। দলের কাছে তার অবস্থান আরো ক্ষীণ হবে। তৃতীয়ত, যদি নির্বাচন করে পরাজিত হলে রাজনৈতিক ভবিষ্যত হুমকির মুখে পড়বে। যেহেতু দলে তার অবস্থান অতটা পোক্ত নয়।

সেই এমপি বাহারের সামনেও এক বড় চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে। বিগত দুটি নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীর পরাজয়ের মূল কারণ হিসেবে তিনি বলেছিলেন- অযোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়াতে নৌকার ভরাডুবি হয়েছে। এবার কিন্তু এমপি বাহারের লোককেই মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। মহানগর আ’লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের যা কমিটি আছে, সবগুলোই এমপি বাহারের নেতাকর্মীদের দখলে। তাই এমপি বাহারের সামনে বিজয়ের বিকল্প পথ নেই। এমপি বাহারের পচ্ছন্দনীয় প্রার্থী পরাজিত হলে এর প্রভাব আগামী সংসদ নির্বাচনেও পড়তে পারে।

নির্বাচন বিষয়ে জানতে আরফানুল হক রিফাতের মুঠোফোনে কল দিলে মুঠোফোন সংযোগে তাকে পাওয়া যায়নি।

মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ সহিদ আজকের কুমিল্লাকে জানান, নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। অপপ্রচার করে নৌকার বিজয় ঠেকানো যাবে না। নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত।

স্বতন্ত্র প্রার্থী সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু জানান, কে নির্বাচন করলো , না করলো তাতে কিছু যায় আসে না। আমি নির্বাচন করবো।

স্বতন্ত্র প্রার্থী নিজাম উদ্দিন কায়সার জানান, আমার দল বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে না। দলের সিদ্ধান্তের প্রতি আমার অগাধ শ্রদ্ধা রয়েছে। জনগণের চাপে আমি নির্বাচনে আসছি। আর মনিরুল হক সাক্কু আ’লীগেরই প্রার্থী। বিএনপির বিশাল ভোটব্যাংক আমার পক্ষেই থাকবে ইনশাল্লাহ।

স্বতন্ত্র প্রার্থী মাসুদ পারভেজ খান ইমরান জানান, জনগণের স্বার্থে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি। সিটিতে যে পরিমান হরিলুট চলছে। দুর্নীতি ও হরিলুটের হাত থেকে নগরবাসিকে রক্ষা করার জন্য নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি।

বিএনপি থেকে পদত্যাগ করলেন সাক্কু

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মনিরুল হক সাক্কু। তিনি আসন্ন কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। এর আগে তিনি টানা দুবার কুসিক মেয়রের দায়িত্ব পালন করেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ মে) বিকেলে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির সভাপতি বেগম রাবেয়া চৌধুরীর বাসায় সাক্কুর ব্যক্তিগত সহকারী মো. কবির হোসেন মজুমদার তার পক্ষে পদত্যাগপত্রটি জমা দেন।

সন্ধ্যায় কবির হোসেন মজুমদার পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মনিরুল হক সাক্কু কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগপত্রটি আমি নিজেই রাবেয়া চৌধুরীর হাতে পৌঁছে দিয়েছি।পদত্যাগপত্রের একটি অনুলিপি বিএনপি মহাসচিব ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বরাবর পোঁছানো হয়েছে।

জানা গেছে, ২০১৭ সালে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত মনিরুল হক সাক্কুর কাছে পরাজিত হন আঞ্জুম সুলতানা সীমা। সাক্কু ধানের শীষ প্রতীকে ৬৮ হাজার ৯৪৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। নৌকা প্রতীক নিয়ে সীমা পান ৫৭ হাজার ৮৬৩ ভোট।

এর আগে ২০১২ সালের প্রথম সিটি নির্বাচনে সাক্কু ৬৫ হাজার ৫৭৭ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা প্রয়াত অধ্যক্ষ আফজাল খান পেয়েছিলেন ৩৬ হাজার ৪৭১ ভোট।

এদিকে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত কুসিক নির্বাচনের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ে ছয় মেয়র প্রার্থীসহ মোট ১৫৪ জনকে বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে চলে এই মনোনয়ন যাচাই-বাছাই কার্যক্রম।

এতে মেয়র পদে মনোনয়নপত্র বৈধতা পাওয়া প্রার্থীরা হলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আরফানুল হক রিফাত, সদ্যবিদায়ী মেয়র মনিরুল হক সাক্কু (স্বতন্ত্র), বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের প্রয়াত নেতা অধ্যক্ষ আফজাল খানের ছেলে মাসুদ পারভেজ খান ইমরান (স্বতন্ত্র), নিজাম উদ্দিন কায়সার (স্বতন্ত্র), ইসলামী আন্দোলনের রাশেদুল ইসলাম, নাগরিক কমিটির কামরুল আহসান বাবুল (স্বতন্ত্র)।

আগামী ২০, ২১ ও ২২ মে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র বাতিলের বিরুদ্ধে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আপিল গ্রহণ করা হবে। ২৩ মে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। ২৭ মে প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে পারবেন। ১৫ জুন কুসিক নির্বাচনের ভোট অনুষ্ঠিত হবে।

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ২৭টি সাধারণ ও ৯টি সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে মোট ভোটার ২ লাখ ২৭ হাজার ৭৯২ জন। এদের মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ১১ হাজার ৬০০ ও নারী ১ লাখ ১৬ হাজার ১৯১ জন।

বঙ্গোপসাগর থেকে মালয়েশিয়াগামী ৩৩ রোহিঙ্গা আটক

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

সাগরপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় বঙ্গোপসাগর থেকে নারী ও শিশুসহ ৩৩ জন রোহিঙ্গাকে আটক ক