All posts by jitu

মাইজভান্ডারি ট্রাস্টের উদ্যোগে অসহায় গরিব আশেকানদের মাঝে ইফতার বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার:

সৈয়দ মইন উদ্দিন আহম্মেদ মাইজভান্ডারি ট্রাস্টের উদ্যোগে অসহায় গরিব আশেকানদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

খলিফায়ে গাউছুল আযম আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভান্ডারীয়া কেন্দ্রিয় মহা সচিব শাহ মোঃ আলমগীর খান মাইজভান্ডারি ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন খলিফা মানিক মিয়া খন্দকার, মহানগর আঞ্জুমানে সাধারন সম্পাদক খলিফা এড. বিল্লাহ হোসেন, মইনিয়া যুব ফোরাম কুমিল্লা জেলা সভাপতি খলিফা শাহ মোঃ আবুল কালাম, মহানগর সভাপতি হাবিবুর রহমান পায়েল সহ আরো অনেকে।

ক্বিরাত ও আযান প্রতিযোগিতা: লজিষ্টিকস্ এরিয়া চ্যাম্পিয়ন,কুমিল্লা এরিয়া রানার আপ

স্টাফ রিপোর্টার:

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আন্তঃঅঞ্চল ক্বিরাত ও আযান প্রতিযোগিতা-২০২২ এ লজিষ্টিকস্ এরিয়া চ্যাম্পিয়ন এবং কুমিল্লা এরিয়া রানার আপ হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে।

গত ০৩-০৮ এপ্রিল সদর দপ্তর লজিষ্টিকস্ এরিয়ার উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাষ্টার জেনারেল লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ সাইফুল আলম, এসবিপি, ওএসপি, এসইউপি, এডব্লিউসি, পিএসসি, পিএইচডি।

উল্লেখ্য যে প্রতিযোগিতায় ল্যান্স কর্পোরাল মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান সেলিম ক্বিরাত এবং ইউপি ল্যান্স কর্পোরাল আতাউর রহমান আযান প্রতিযোগিতায় শ্রেষ্ঠ প্রতিযোগী হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

জন্মসনদ দিতে মানুষকে হয়রানি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

 

স্টাফ রিপোর্টার:

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনে সাধারণ মানুষ যাতে কোনোভাবেই হয়রানি অথবা দীর্ঘসূত্রতার স্বীকার না হয় সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম।

জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনে নির্ধারিত ফি’র অতিরিক্ত টাকা নিলে কিংবা টাকার জন্য হয়রানি করলে কঠোর শাস্তির হুশিয়ারি দেন মন্ত্রী।

আজ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনলাইনে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যক্রম গতিশীল করার জন্য মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন অথবা ভুল সংশোধন করতে গিয়ে সাধারণ মানুষ যেসব কারণে হয়রানি হচ্ছে তা খুঁজে বের করে দ্রুত সমাধানের নির্দেশ দিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, সাধারন একটি ভুল-ভ্রান্তির জন্য মানুষ বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে হয়রানি হয়। বিভিন্ন দেশে আমাদের দূতাবাসগুলো থেকে অনেক অভিযোগ আসে। নানা জটিলতার কারণে নিবন্ধন সংক্রান্ত সেবা পাচ্ছে না। এভাবে চলতে পারে না।

তিনি আরো বলেন, জন্মনিবন্ধন প্রাপ্তি কিভাবে আরো সহজ করা যায় সেজন্যই আজকের এই সভা। জন্মনিবন্ধন প্রপ্তিতে যে কোনো স্তরে জনগণকে কোনো ধরনের হয়রানি করা হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। জন্মনিবন্ধনটা ইদানিং খুব বার্নিং ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ আসছে। সকল সমস্যা আমলে তা সমাধানের বিষয়ে কাজ করা হচ্ছে।

জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধনের জন্য সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি’র বেশি অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের কোনো সুযোগ নেই। যদি কেউ এধরনের কাজে যুক্ত থাকে প্রমাণিত হলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সার্ভারের সমস্যা সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, সার্ভারে যদি সমস্যা থাকে তাহলে দ্রুত সমাধান করার করতে হবে। এক্ষেত্রে চলমান সফটওয়্যারে পরিবর্তনের পাশাপাশি নতুন প্রযুক্তি সংযোজন করার জন্য জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের পরামর্শ দেন তিনি।

সার্ভার জটিলতা প্রসঙ্গে মো. তাজুল ইসলাম আরো বলেন, আমাদের এখানে সার্ভার নতুনভাবে ইনসটল করার কারণে কিছুদিন সিস্টেম শাটডাউন ছিলো। এখন চালু হয়েছে। ইউনিসেফ আমাদের আর্থিক ও কারিগরিভাবে সহায়তা করেছে। তারা নিজেরাও দেখভাল করছে যাতে সুন্দরভাবে এটি পরিচালনা করা যায়।

মন্ত্রী বলেন, জন্মনিবন্ধন হলো একজন মানুষের মূলভিত্তি। জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধন ব্যবস্থাকে সহজ করার কোনো বিকল্প নেই। এক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বাররা জন্ম তারিখ, পিতা মাতার নামসহ অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। চেয়ারম্যানরা মাসিক মিটিংয়ে এ সংক্রান্ত করণীয় বিষয়ে বিশদ আলোচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেন।

সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল ইসলাম এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগ, দপ্তর/সংস্থার কর্মকর্তা, জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন কার্যালয়ের মহাপরিচালক, সকল সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি, উপজেলা ও পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নিমসার থেকে ফেনসিডিলসহ ২ জন আটক

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার বুড়িচং থানার নিমসার বাজার এলাকা থেকে ৯৪ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুইজন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব-১১ এর সিপিসি-২ সদস্যরা।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর একটি আভিযানিক দল ১০ এপ্রিল দুপুরে বুড়িচং উপজেলার নিমসার বাজার এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।

আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীরা হলেন কুমিল্লার দেবিদ্বার থানার বকরীকান্দি গ্রামের মোঃ মোহর আলীর ছেলে মোঃ তানভীর ইবনে আলী (২৮) এবং একই গ্রামের মৃত কবির হোসেনের ছেলে মোঃ হৃদয় হোসেন (১৯)।

এ ঘটনায় বুড়িচং থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

ইমরান খানের বিদায়: কলকাঠি নেড়েছেন যারা

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

রাতভর নাটকীয়তার পর পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে (পার্লামেন্ট) অনাস্থা ভোটে হেরে ইমরান খান প্রধানমন্ত্রিত্ব হারিয়েছেন। স্পিকারের পদত্যাগের পর তার ভাগ্য নির্ধারণী ভোট অনুষ্ঠিত হয়।

শনিবার রাত ২টার দিকে পাকিস্তান মুসলিম লিগের (এন) সদস্য আয়াজ সাদিকের পরিচালনায় অনাস্থা ভোট অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমরান খানের বিরুদ্ধে ৩৪২ জন আইনপ্রণেতার মধ্যে ১৭৪ জন ভোট দেন। যদিও বিরোধীদের ১৭২ জনের সমর্থন দরকার ছিল।

বিরোধী জোটের সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন বলছে, জাতীয় সরকারের মতো নতুন ফেডারেল সরকার গঠন করা হবে। এতে আনুপাতিক হারে শরিক দলগুলোর প্রতিনিধিত্ব থাকবে।

নতুন সরকার গঠনের ক্ষেত্রে এর মেয়াদ ছয় মাস অথবা এক বছর রাখার বিষয়টি বর্তমানে বিবেচনায় রয়েছে। এই মেয়াদের মধ্যে নির্বাচনি সংস্কার ও জবাবদিহি–সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ আইনগুলো পাস হতে পারে। সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আগে সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্র্নিধারণে নির্বাচন কমিশনকে যৌক্তিক সময় দেওয়া হবে।

অনাস্থা ভোট যেন না হয়, সেজন্য অধিবেশন দীর্ঘায়িত করতে সরকারের পরিকল্পনার পালটা কৌশল নিয়ে আলোচনা করতে শনিবার বিরোধীদলীয় নেতা শাহবাজ শরিফের চেম্বারে পরামর্শক বৈঠক করেছে দেশটির বিরোধী দলগুলো। অধিবেশনের বিরতির সময় বৈঠক করেন তারা।

ইমরান খানের প্রতি এই অনাস্থা ভোটের আয়োজনে কাদের ভূমিকা রয়েছে সেটি নিয়ে চলছে আলোচনা। মূলত ইমরানকে হটাতে পাকিস্তানের বিরোধী দলগুলো এক হয়েছিল। পাশাপাশি নিজেদের মধ্যে একটি শক্তিশালী জোটও গঠন করেছিল তারা।

২০১৯ সালে ইমরান খান সরকারের পতন পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে দেশজুড়ে লংমার্চ করেছিলেন পাকিস্তানের জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের (জেইউআই-এফ) প্রধান মাওলানা ফজলুর রহমান।

সেসময় মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল-এন) ও পাকিস্তান পিপলস পার্টিসহ প্রায় সব বিরোধী দলই মাওলানার আহ্বানে আজাদি মার্চে সরাসরি অংশ নিয়েছিল। মূলত তখন থেকেই রাজপথে প্রকাশ্যে ইমরান খান বিরোধী তৎপরতা নজরে আসে।

এছাড়া পাকিস্তান মুসলিম লীগ-এন-র (পিএমএল-এন) বর্তমান প্রেসিডেন্ট শাহবাজ শরিফ, মাওলানা ফজলুর রহমান ও বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারির যৌথ প্রচেষ্টাতেই ইমরান সরকারের পতন হয়েছে।

শাহবাজ শরীফ:

শাহবাজ শরীফ পাকিস্তানের প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা। এর বাইরে তার আরেকটি পরিচয় আছে। তিনি তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের আপন ছোট ভাই। ইমরান খান ক্ষমতায় আসার পর নওয়াজ শরীফ লন্ডনে নির্বাসিত জীবন-যাপন করছেন।

শাহবাজ শরীফ পাকিস্তানের প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা হওয়ার আগে পাঞ্জাব প্রদেশের মূখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তিনি পাঞ্জাবের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় ছিলেন।

শাহবাজ শরীফ সবমিলিয়ে তিনবার পাঞ্জাবের মূখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৭ সালে প্রথমবার মূখ্যমন্ত্রী হন। কিন্তু ১৯৯৯ সালে জেনারেল পারভেজ মোশারফ ক্ষমতা দখল করলে শাহবাজ শরীফ সৌদি আরবে পালিয়ে যান। আট বছর সৌদিতে নির্বাসিত থাকার পর ২০০৭ সালে তিনি পাকিস্তানে ফেরেন।

২০০৮ সালে তার দল জয় পেলে ফের তিনি পাঞ্জাবের মূখ্যমন্ত্রী হন। ২০১৩ সালে তৃতীয়বার তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

কিন্তু ২০১৮ নির্বাচনে মুসলিম লিগ-এন হেরে যায়। এরপরই শাহবাজ শরীফকে প্রধান বিরোধী দলীয় নেতা বানানো হয়।

৭০ বছর বয়সী শাহবাজ দেশের বাইরে শাহবাজ ততটা পরিচিত নন। লন্ডন ও দুবাইয়ে বিলাসবহুল বাড়ি থাকার কারণে খবরের শিরোনাম হলেও দেশের ভেতরে প্রশাসনিক দক্ষতার জন্য শাহবাজের সুনাম রয়েছে।

মাওলানা ফজলুর রহমান:

মাওলানা ফজলুর রহমান পাকিস্তানের জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের (জেইউআই-এফ) বর্তমান সভাপতি ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ। ১৯৮৮ সাল থেকে বর্তমান পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য তিনি।

১৯৮১ সালে তিনি যখন জেনারেল জিয়াউল হকের বিরুদ্ধে আন্দোলন করে কারাবন্দি হন তখন তাকে জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মহাসচিব নির্বাচন করা হয়। মাওলানা ফজলুর রহমান রাজনৈতিক মামলায় মোট ১০ বার কারাবরণ করেছেন।

১৯৯৩ সনে বেনজীর ভূট্টো দ্বিতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হলে মাওলানা ফজলুর রহমান জাতীয় সংসদের পররাষ্ট্র বিষয়ক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন।

২০১৯ সালে ইমরান খানের পদত্যাগ এবং পুনরায় নির্বাচন দাবিতে মাওলানা ফজলুর রহমানের নেতৃত্বে পাকিস্তানজুড়ে আজাদি মার্চ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় কয়েক লাখ কর্মী-সমর্থক নিয়ে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে কয়েক দিন অবস্থান করেন তিনি।

আসিফ আলি জারদারি:

আসিফ আলি জারদারি পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) কো-চেয়ারম্যান। পাকিস্তানের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর স্বামী জারদারি ২০০৮ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। পিপিপি দেশটির বর্তমান পার্লামেন্টের তৃতীয় বৃহত্তম দল।

বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি:

পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি বেনজির ভুট্টো ও আসিফ আলি জারদারির ছেলে। সন্ত্রাসী হামলায় তার মা বেনজির ভুট্টো নিহত হওয়ার পর মাত্র ১৯ বছর বয়সে পিপিপির চেয়ারম্যান হন তিনি। অক্সফোর্ডে পড়াশোনা করা ৩৩ বছর বয়সী বিলাওয়াল ভুট্টো একজন প্রগতিশীল নেতা হিসেবে পরিচিত।

বিলাওয়াল ভুট্টো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খুবই জনপ্রিয়। যদিও উর্দু ভাষায় দুর্বল হওয়ায় তাঁকে প্রায়ই উপহাসের পাত্র হতে হয়।

কুসিকের উন্নয়নে‌ বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ে অনিয়ম করলে ছাড় দেয়া হবে না- স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়নে‌ বরাদ্দকৃত অর্থ ব্যয়ে অনিয়ম করলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম।

মন্ত্রী বলেন, সরকারি অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয় উন্নয়ন কাজ করার জন্য। আর এই অর্থ ছাড় হয় অর্থবছর অনুযায়ী। নির্বাচন আছে কি না তা দেখে নয়। উন্নয়ন একটি চলমান‌ প্রক্রিয়া। তাই নির্বাচনের আগে বা পরে উন্নয়ন কাজের জন্য অর্থ বরাদ্দ বন্ধ রাখার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি জানান, সিটি কর্পোরেশনের উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়নে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, প্রধান প্রকৌশলী, সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা মূখ্য ভূমিকা পালন করে থাকে। টেন্ডার প্রক্রিয়া থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত কোথাও যদি অনিয়ম হয় এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

উল্লেখ্য, নির্বাচনের আগে সম্প্রতি অন্যান্য সিটি কর্পোরেশন ন্যায় কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে বেশ কয়েকটি বড় প্রকল্প এবং অর্থ বরাদ্দ দেওয়ায় বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার অভিযোগ উঠছে।

কোম্পানীগঞ্জে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে অনিয়ম

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহারের ঘর নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ উপজেলার চরএলাহী ইউনিয়নের চরএলাহী বাজার সংলগ্ন সরকারের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর ২০টি ঘর নির্মাণের কাজের শুরু থেকে নিম্নমানের ইট,বালু,সিমেন্ট,রড দিয়ে কাজ শুরু করে ঠিকাদার। একপর্যায়ে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠলে ঠিকাদার কিছু খারাপ ইট সরিয়ে নেন। তবে এরপর পুনরায় ঘর নির্মাণের কাজে নিম্নমানের ইট ব্যবহার শুরু করে ঠিকাদার। গত দেড় মাস ধরে এ ঘর নির্মাণ কাজ চলছে।

একাধিকবার নির্মাণাধীন ঘর দেখতে গেলে এমন অভিযোগ করে স্থানীয় এলাকাবাসী। ২০টি ঘরের নির্মাণ কাজ ঘুরে দেখা গেছে নানা অনিয়ম। ঘর নির্মাণের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রয়োজনের তুলনায় সিমেন্টের পরিমাণ কম মিশিয়ে চলছে ইটের গাঁথুনি। গাঁথুনির পর দেয়ালে দেয়া হচ্ছে না পানি। পাশাপাশি ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের ইট। এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য একটি কমিটিও রয়েছে। যে কমিটি’র সভাপতি ইউএনও আর সদস্য সচিব উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)। কমিটিতে কয়েক জন সদস্যও রয়েছে। কিন্তু দেখা যাচ্ছে ইউএনও একাই পুরো প্রকল্পের সব কিছু করছেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ঠিকাদার জাকির হোসেন ওরফে হাজী নিজাম বলেন, একটা ঘর প্রতি ২লাখ ৪০হাজার টাকা বরাদ্দ। ইটের হাজার হচ্ছে ১২ হাজার টাকা। এখনো স্যারের প্রতি ঘরে যাবে ৩০হাজার টাকা। আমি লেবার দিচ্ছি ইউএওন স্যার রড,সিমেন্ট,বালু,ইটসহ মালমার্তা কিনে দিচ্ছে। এটা কোন লাইসেন্সের কাজ নয়,কথা শেষ, এটা ঊনাদের কাজ। ইউএনও স্যার কোন ঘরে ২০ হাজার লচ দিচ্ছে কোন ঘরে ৪০ হাজার লচ দিচ্ছে। প্রকল্প করতে হবেই মাস্ট।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) জোবায়ের হোসেন বলেন, কাজে ক্রটি থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তৎকালীন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বর্তমান চানিন্দা উপজেলার (ইউএনও) মো.জিয়াউল হক মীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের নির্মাণ সামগ্রী ঠিকাদারকে কিনে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এখন কিনে দিচ্ছে কিনা সেটা। এখন ইউএনও কিনে দিচ্ছে মনে হয়, জিজ্ঞেস করেন।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন এমন হওয়ার কথা নয়। গত সপ্তাহে আমি গিয়ে আসলাম। ঠিকাদার বলছে ইউএনও সব মাল ক্রয় করে দিচ্ছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন ঠিকাদার ভুল বলছে সে সব কিছু কিনবে। আমি ঠিকাদারকে কালকে আমার অফিসে ডাকাবো।

ইউএনও আরও বলেন, আমি তাঁর কাছ থেকে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে অঙ্গীকার নামা নিয়েছি। যদি কোন দুই নম্বরি কিছু করে। ডিজাইন অনুসারে কাজ না করে তাহলে তাকে আমি বিল দিবো না।

বাংলাদেশের কোন মন্ত্রীর মন্ত্রীত্ব নেই,সব মন্ত্রীর মন্ত্রী হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা: রব

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
বাংলাদেশের কোন মন্ত্রীর মন্ত্রীত্ব নেই। সব মন্ত্রীর মন্ত্রী হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ যে এক ব্যক্তির হাতে সর্বময় ক্ষমতা,এ ক্ষমতা বাতিল করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব। তিনি বলেন, এখন বলতেছে ঢাকা শহরে যানজট কমানোর জন্য সাবওয়ে করবে। আকাশ থেকে পানির ভিতর পর্যন্ত কোটি টাকা উপরে কোন কাজ হলে কমিশন খাওয়ার জন্য ফাইলটা শেখ হাসিনার কাছে চলে যেতে হবে।

শনিবার (৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জেলা শহর মাইজদীর এফপিএবি হল রুমে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি এর প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথির বতিনি এসব কথা বলেন।

জেএসডি সভাপতি রব বলেন,অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে একটি স্বাধীন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। জাতীয় সরকারের যে দাবি আমরা করতেছি। এ সরকার জনগণ চাই কিনা? প্রয়োজনে গণভোটে যেতে হবে। হতদরিদ্র মানুষের পেটের আগুন নিভছে না। অথচ দেশে সরকার বলে বেড়াচ্ছে জাতি স্বয়ং সম্পন্ন।

তিনি বলেন, ঊনি বলতেছে উন্নয়নের গণতন্ত্র। পৃথিবীতে আমি বই পুস্তক খুঁজে কোথাও উন্নয়নের গণতন্ত্র এ শব্দ পাইনি। উন্নয়নের গণতন্ত্র মানে ১০০টার কাজ ১লক্ষ টাকা দিয়ে করাবা। সে টাকা চুরি করে বিদেশে পাচার করবা। কানাডাতে বেগম পাড়া করবা। এটার নাম হলো উন্নয়নের গণতন্ত্র।

রব আরও বলেন,পৃথিবীর বহু দেশে ন্যায়পাল আছে। আমাদের সংবিধানে ৭২সনের সরকার ন্যায়পালের পবিশন রেখেছে। কিন্তু ন্যায় পাল দেয়নি। কারণ রাষ্ট্রের এ টু জেড একেবারে ভিক্ষুক থেকে শুরু করে রাষ্ট্রপ্রধান পর্যন্ত সবাই ন্যায়পালের কাছে জবাবদিহি করতে হবে। এমন একটি ব্যক্তি আমরা নিয়োগ দেয়নি। ন্যায় পাল নিয়োগ করতে হবে। জাতীয় সরকার বুঝতে হবে। জাতীয় সরকার ছাড়া সমাজের সর্বস্তরের মানুষকে অংশ গ্রহণ করানোর জন্য জাতীয় সরকার ছাড়া কোন বিকল্প ব্যবস্থা নেই।

কুমিল্লার তিতাসে ইফতার বিতরণ অব্যাহত রেখেছে যুবলীগ নেতা সারোয়ার

স্টাফ রিপোর্টার:

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের পবিত্র মাহে রমজান মাস উপলক্ষে দেশব্যাপী কর্মসূচী মোতাবেক কুমিল্লা উঃ জেলা আওয়ামী যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ সারওয়ার হোসেন বাবু রোজাদারদের মাঝে ইফতার বিতরণ করেন।

শনিবার বিকেলে তিতাস উপজেলার বিভিন্ন সড়কে সিএনজি-অটোচালক, ট্রাক চালক হতে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের রোজাদারের মাঝে ইফতার বিতরণ করেন যুবলীগ নেতা সারোয়ার হোসেন বাবু।