All posts by jitu

কোম্পানীগঞ্জে ইউপি সদস্যের যোগসাজশে ৬০০ একর খাস জমি দখলের অভিযোগ

 

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীল কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়নের মুছাপুর ক্লোজারে ভুয়া ভূমিহীন সাজিয়ে ৬০০ একর সরকারি খাসজমি দখল করে বসত ভিটা নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় মেম্বার আলী আজগর জাহাঙ্গীর ও তাঁর লোকজনের বিরুদ্ধে। এরই মধ্যে প্রায় দেড় শতাধিক মাটির ভিটা বানানোর হয়েছে।

গত সোমবার (২৮ মার্চ) উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের ক্লোজারে গিয়ে দেখা যায় প্রশাসনের কোন তদারকি না থাকায় কোন বাধা ছাড়াই ইচ্ছেমত ইউপি সদস্য জাহাঙ্গীর ও তাঁর লোকজন ভিটি বাধছেন। ফলে সরকারের শত কোটি টাকার জায়গা বেহাত হবার উপক্রম হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহনও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ডাকাতিয়া নদীর ওপর বেড়িবাঁধ নির্মাণ করা হয়। এর ফলে বেড়িবাঁধের মুখে ডাকাতিয়া নদী থেকে আনুমানিক ৭০০ একর নতুন চর জেগে উঠে। এক সময় বনবিভাগ ওই জায়গায় চারাগাছ রোপণ করে। নতুন জেগে উঠা চরে সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের পর্যটন এলাকা গড়ে তোলার ঘোষণা দিলে বনবিভাগ ২০১৮সালে তাদের চারা গাছ সরিয়ে নেয়। কিন্তু এখন স্থানীয় ইউপি সদস্য দুই শতাধিকের উপরে ভুয়া ভূমিহীন সাজিয়ে ৬০০ একর আবাদযোগ্য ও অনাবাদি খাস জমি দখল করে সেখানে বসত ঘর করার জন্য মাটির ভিটা বানাচ্ছে। প্রত্যেকটি ভিটার পরিমাণ হবে এক একর। অভিযোগ রয়েছে এর জন্য ভিটা প্রতি নেওয়া হচ্ছে ১লক্ষ টাকা থেকে দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত।

সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, মুছাপুর ক্লোজারের সামনে জেগে উঠা চরে পাঁচটি স্কেবেটারে মাটি কেটে ভিটা বাধার কাজ চলছে। এতে তদারকি চালাচ্ছে প্রায় শতাধিক মানুষ। গণমাধ্যম কর্মিদের সেখানে যাওয়া নিষেধ বলেও জানান তারা। ওই সময় দেখা যায় চর দরবেশ এলাকার আবদুস সোবহানের ছেলে কালাম খাস জায়গায় মাটি কাটার কাজ করছে। কালাম জানান, মুছাপুরের চরদরবেশ গ্রামের স্থানীয় জনগণ এখানে ভিটা ভরাটের কাজ করছে। আনুমানিক ৩০০ থেকে ৪০০ পরিবার হবে বলেও মন্তব্য করেন। তিনি আরও জানান, এ জায়গার মধ্যে বাড়ি হবে। স্থানীয় মেম্বার জাহাঙ্গীর জানে। তাঁরা অর্ডার দিয়েছে। মেম্বারের ভাই জালাল সবাইকে বসিয়ে দিচ্ছে। আপনারা কি কাউকে টাকা দেওয়া লাগছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন আমরা নিজেদের ভিটা নিজেরা বেঁধে নিচ্ছি। যা চার-পাঁচ হাজার টাকা খরচ যায়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মুছাপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৭নম্বর মেম্বার আলী আজগর জাহাঙ্গীর বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। তবে উপজেলা থেকে অথবা বোর্ড অফিস থেকে কোন নির্দেশ আসলে আমি সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে এটার প্রতিবাদ করব এবং বন্ধ করব। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা খাস জায়গা, না ব্যক্তি মালিকানার জায়গা এ সম্পর্কে আমি কিছুই জানিনা। আমি জানি এটা নদী ছিল তারপর চর জাগে। এরপর কাউকে বন্দোবস্ত দিছে কিনা এ বিষয়ে জানা নেই। কাউকে বন্দোবস্ত দিলে সে পাইছে। আর খাস থাকলে সরকার ব্যবস্থা নিবে।

তিনি আরও বলেন, আমার দুই ভাই এবং আমি খাস জায়গা দখলের সাথে জড়িত নেই। আমি খাস জায়গা দখলের বিষয়ে পরিষদে জানিয়েছি।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো.আল আমিন বলেন, অভিযোগ পেয়ে আমার নায়েব সাহেবকে কালকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তবে খাস জমি দখলের কাজ বন্ধ হয়নি এমনটি জানানে তিনি জানান, আইন-শৃঙ্খলা মিটিং শেষে আমি নিজে ঘটনাস্থলে যাব।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো.খোরশেদ আলম চৌধুরী বলেন আমি মেম্বারকে ফোন দিচ্ছি।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন বলেন,এ বিষয়ে মৌখিক ভাবে অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। সেখানে আমরা একটা পর্যটন কেন্দ্র করার উদ্যেগ নিয়েছি। এজন্য আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক দেওয়ান মাহবুবুর রহমান বলেন, খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

গল্প: দিনী- মিনির ছাব্বিশ

মোঃ শাহাদাত হুসাইন :

“দিনী মিনি চায়ে চিনি
বাঁধতে জানে চুলের বীনি।”
এ কথা বলেই খিলখিলিয়ে হেসে উঠে আছমতের নেছা। দীনি এবার ৪র্থ শ্রেণিতে উঠেছে। আছমতের নেছা তার দাদু। দাদু সময় পেলেই কথায় কথায় শ্লোকবাক্য শুনান।মাঝে মাঝে গুনগুনিয়ে গান করেন অস্পষ্ট স্বরে। তার সবগুলো দিনী না বুঝলেও বিজ্ঞের মতো মাথা নেড়ে সাঁই দেয়। এ কারণে মিনি তাকে বুড়ি ডাকে। মিনি এবার ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। সারাদিন দুই বোনের মধ্যে চলতে থাকে কথা কাটাকাটি এবং খোশগল্প। মিনি আর দীনি দু’জন দাদুর দুই হাত। মিনি বড় করে দাদুকে বলে, “তোমার লাঠি লাগবে না, আমরা দুজনই তোমার দু’হাতের ভরসা। দাদু আনন্দে হেসে বুকে জড়ান তাদের।

আজ ২৩ শে মার্চ । দীনি মিনি খুব সকালে ঘুম থেকে উঠেছে। স্কুলের স্কাউট দলের জন্য সদস্য বাছাইপর্ব আজ । এ নিয়েও আছে মজার একটি ঘটনা। দীনি মিনির তুলনায় দূরন্ত, সাহসী ও উদ্যোমী। দু’জনের বয়সের পার্থক্য থাকলেও প্রথম দেখাতে কে বড়ো কে ছোট তা নির্ণয় করা কঠিন। হাশেম স্যার বললেন – দীনি স্কাউট করার দরকার নেই। কিন্তু এতে দীনির মন খারাপ হয়। সে স্যারকে বললো – ‘স্যার, আমি মিনির চেয়ে ভালো স্কাউট পারি৷ তাহলে আমাকে কেন বাদ দিচ্ছেন? ‘ স্যার হাসলেন। বললেন -‘ দেখি দু’জন একসাথে স্কাউট করো। দীনি মিনিকে ফিসফিস করে বললো – ‘তুই ওতো ভালো করে করিস না। তাহলে স্যার ঠিকই তোকে নিবে আর আমাকে বাদ দিবে। মিনি তাই করলো। আর স্যার তাদের অদম্য ইচ্ছে আর দস্যিপনা দেখে মিটমিট করে হাসলেন। দুজনকেই অনুমতি দিলেন। তারা আনন্দে দৌড়ে গিয়ে সারিতে নিজেদের অবস্থান ঠিক করলো।

হঠাৎ হাশেম স্যার বাঁশিতে ফুঁ দিলেন। ‘হাতিমারা স্কাউট দল, সাবধান হবে, সাবধান! ‘ বলতেই তিন সারিতে সবাই সাবধান অবস্থায় দাঁড়ালো। আরামে দাঁড়ানোর নির্দেশনায় সবাই আরামে দাঁড়ালো। হ্যান্ড মাইক হাতে স্যার সবাইকে কিছু নির্দেশনা দিলেন। বললেন আজকে তোমাদের একটা গল্প শোনাবো। আর গল্পের মধ্য দিয়ে তোমাদের আজকের অনুশীলন পর্বের সূচনা হবে।

‘দিনটি ছিলো ১৭ ই রমজান জুমাবার। ইসলামের ইতিহাসে সত্য মিথ্যার পার্থক্যের প্রথম যুদ্ধ। বদর উপত্যকায় কাফেরদের ১০০০ সৈন্যের বিপক্ষে ৩১৩ জন মুসলিম মুজাহিদ। রাসূল স. সৈন্যদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড়াতে বললেন। দেখিয়ে দিচ্ছেন কে কোথায় দাঁড়াবে। এমন সময় দুজন কিশোর এলো যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার জন্য। রাসুলুল্লাহ সা. তাদেরকে অন্য কোনো যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার কথা বলেন। তাদের উচ্চতা পরিমাপ করা হলে একজন পায়ের আঙুলের উপর ভর করে লম্বা হয়ে দাঁড়ালো। রাসূল স. তার এমন অদম্য ইচ্ছে দেখে তাকে সারিতে দাঁড়াতে বললেন। কিন্তু অপর ভাই রাসূল (স.) কে উদ্দেশ্য করে বললেন – ‘ সে লম্বা হলে কী হবে! সে তো মল্লযুদ্ধে আমার সাথে অল্প সময়ও টিকতে পারবে না। দুই ভাইয়ের মধ্যে মল্লযুদ্ধ হলো। লড়াইয়ের শুরুতে ছোট ভাই বড় ভাইয়ের কানেকানে বললো – তুই চাইলে আমাকে ভূপাতিত করতে পারবি নিমিষেই। কিন্তু আমাকে একটাবার সুযোগ দে। তা না হলে আমি যুদ্ধে অংশগ্রহণ করতে পারবো না। তারপর ছোট ভাই নিমিষেই বড় ভাইকে ভূপাতিত করলো৷ রাসূল (স) তাদের এমন দূরদর্শীতা আর আগ্রহ দেখে অভিভূত হলেন। দুজনকেই অনুমতি দিলেন জিহাদের। তোমরা কী জানো সেই দুই কিশোরের নাম কী? দিনী ও মিনি হাত তুললো। সমস্বরে জানালেন -মা’আয ও মু’আয রাঃ। স্কাউটে সবাই দীনি আর মিনির দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি করে হাসছে। তারাও বেশ খুশি।

আজ ২৬ শে মার্চ, মহান স্বাধীনতা দিবস। ফজর সালাতের পর তড়িঘড়ি নাস্তা করে ইউনিফর্ম পরে কলেজ মাঠের দিকে ছুটলো দুই বোন। দাদি কপালে চুমু কেটে দিলেন। আজকের চুমুটা ভিন্নরকম। সময় নেই জেনেও বুকের সাথে জড়িয়ে রাখলেন অনেক্ক্ষণ। দাদুর চোখ টলোমলো। দীনি দাদুর চোখ মুছে দেয়। প্রতিবছর ২৬ মার্চ এলে দাদু প্যারেড মাঠে যান। খুঁজতে থাকেন জেঠুকে। বীর মুক্তিযুদ্ধা আজমত আলী হাছু কে। দাদুর চোখ কুয়াশাময়। যেন সন্তানের কপালে চুমু কেটে বিদায় জানাচ্ছেন যুদ্ধের জন্যে।

আজমত! বাবা চিঠি লিখিস নিয়মিত। তোর অপেক্ষায় রইলাম বাবা। ঘোরের মধ্যেই কথাগুলো মুখে আওড়াতে থাকেন আছমতের নেছা। বারান্দা থেকে পত্রিকা রেখে মায়ের কাঁধে হাত রাখেন আজমল। বড় ভাইকে হারানোর ৫০ বছর হয়ে গেলো। মা এখনো তাঁর আজমতকে ভুলতে পারেননি। ‘মা আমি তোমার আজমত ‘ বলে বুকে জড়ান আজমল। জানিস! আজকে আমার দুই নাতিকে বুকে জড়াতে আমার আজমতের চেহারা ভেসে উঠলো সামনে। স্টেনগান কাঁধে সে বিদায়ের জন্য আমার সামনে এসে দাঁড়ালো। দরজার ওপাশে তার সাথীরা অস্থির। কিন্তু আমি স্থিরচিত্তে আমার সন্তানের বুকে ফুঁ দিয়ে দিলাম। কপালে চুমু কাটলাম। আমার আজমত কি চিঠি পাঠিয়েছে? ডাকে খবর নিস তো বাবা।

চোখ মুছে আজমল। মা! চলো, প্যারেড মাঠে চলো। সময় হয়ে গেছে। চারদিকে কুচকাওয়াজের ধ্বনিতে মুখরিত প্যারেড মাঠ। কচিকাঁচা সোনামণিদের একস্বরে দীপ্ত উচ্চারণ – ‘বাংলাদেশ চিরজীবী হোক ‘। মাইক্রোফোন থেকে ঘোষণা আসলো – ‘এগিয়ে আসছে হাতিমারা উচ্চবিদ্যালয়। দাদু চঞ্চলা স্বরে আজমলকে বললো – ‘আমার দিনী মিনি কই!

– আছে মা। ঐ যে দেখো। তারা মার্চপাস্ট করতে করতে তোমার আজমতের প্রতি স্যালুট জানাচ্ছে।
– আছমতের নেছার চোখ ঝাপসা হয়ে আসলো। আনন্দে অশ্রুপাত করলো।

বিকেলের মৃদুমন্দ বাতাস দোল খেতে থাকে আছমতের নেছার মনে। পত্রিকার পাতায় কী দেখে যেন দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন তিনি।
‘যার পরানায় জীবন গেলো /সে দিলো না ধরা /
বক্তৃতা আর স্লোগানে সে / হয়েছে আধমরা।
বাড়ির ঈষাণকোণে বড় কড়ই গাছ টায় বাঁধা হয়েছে মাইক। ভেসে আসছে আওয়াজ ‘ এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। জয় বাংলা।

লেখক: শিক্ষার্থী,

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ।

কবিতা: পাতার বিছানা

রেজাউল করিম (সাকিব):

এই মধ্য রাতে,আকাশে তারা জ্বলে,
অন্ধকারে বাতাস এসে, ঘুমাতে বলে
মন বলে তাকে তোমার ছোঁয়াতে
তারা ভরা আকাশ দেখে ঘুম কি আসে
ঝিঁঝিঁর বাঁশির সুরে
চারদিক ঘুমিয়ে পড়েছে
ঘুমানো গাছ গুলোর
মাটিতে পড়ে থাকা পাতায় হেটে চলা

মর মর শব্দে আমি একা
মিটিমিটি আলোর দেখা
এই তো জোনাক পোকা
কে বলে আমি একা
এই মধ্যরাতে
হাসনাহেনা ফুলের ঘ্রাণে
মন কেড়ে নেয় ঘ্রাণের মুগ্ধতাকে
নিরবে হুতুম পেছা ডাকে
ভয়ানোক ভাবে একলা ডালে বসে
এই মধ্যরাতে
খেক শিয়াল ডাকে
যেন ভূতুড়ে পরিবেশ সৃষ্টি করে।

একলা একা চাঁদটি আকাশে,
চাঁদের আলো বলে আমায়
হে রাতের সৌন্দর্য্য উপভোগ কারী,
ঘুমিয়ে যাও তাড়াতাড়ি
আমরা তোমাদের ঘুম পাড়াতে জাগি
পাখির বাসায় পাখিদের মতো
চাঁদের আলোয়,চোখ দুটি ঘুমিয়ে যায়
বাতাসের স্নিগ্ধতায়
কুড়ে ঘরের শুকনো পাতার বিছানায় ।

নগরীর দূর্গাপুর থেকে ফেন্সিডিলসহ ২ নারী আটক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লা নগরীর দূর্গাপুর থেকে ১০০ বোতল ফেন্সিডিলসহ দুই নারী মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

২৯ মার্চ রাতে নগরীর দূর্গাপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে র‌্যাব।

আটককৃতরা হলেন, কুমিল্লার সদর দক্ষিণের চুয়ারা বাজারের আল হেলালের স্ত্রী মোসাঃ তাসলিমা বেগম (৩০) এবং বুড়িচংয়ের বাঘশিমুল গ্রামের মোঃ শাহিনের স্ত্রী মোসাঃ নাজমা আক্তার (৩০)।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে তারা দীর্ঘদিন যাবৎ কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন স্থানে ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। এ বিষয়ে তাদের বিরুদ্ধে কুমিল্লার কোতয়ালি থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বিটিভি বিতর্কে জয়ী কুবি

 

কুবি প্রতিনিধিঃ

স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে প্রথম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা-২০২২ এ যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শেখ হাসিনা হল টিমকে হারিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল টিম।

আজ (৩০ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০ টায় ‘নিজ জমিতে চাষের অধিকার থাকলেও গৃহনির্মাণ অধিকার সীমিত করা উচিত’ এই বিষয়ে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

বিতর্কে পক্ষ দল ছিলো শেখ হাসিনা হল, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিপক্ষ দল ছিলো শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।

এ বিজয়ে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটির সভাপতি আল নাইম বলেন, জাতীয় টেলিভিশন বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজয়লাভ আমাদের ধারাবাহিক কার্যক্রমের ফলাফল। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে বিতর্কের মাধ্যমে সুনাম বয়ে আনতে সবসময় কাজ করবে কুমিল্লা ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটি। বিতর্কের মানোন্নয়নে আমাদের কার্যক্রম সবসময় অব্যাহত থাকবে। এ জয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের। (সভাপতির বক্তব্য)

বিতর্কে শ্রেষ্ঠ বক্তা হয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মোঃ তারিকুল ইসলাম।

উল্লেখ্য বিতর্কে ১ম বক্তা ছিলেন আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মুসা ভূঁইয়া, ২য় বক্তা ছিলেন আব্দুর রহমান, ৩য় বক্তা ও দল নেতা ছিলেন মোঃ তারিকুল ইসলাম।

ড. মাহাথির ও প্রফেসর ইউনূসের মধ্যে বৈঠক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

মালয়েশিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ (৯৬) মালয়েশিয়া সফররত নোবেল লরিয়েট প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসকে তাঁর ও তাঁর স্ত্রী ড. সিতি হাসমার (৯৫) সাথে সাক্ষাৎ এবং মালয়েশিয়ায় ও অন্যান্য দেশে প্রফেসর ইউনূসের কাজের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে আমন্ত্রণ জানান।

উল্লেখ্য যে, মালয়েশিয়ার কেদাহ রাজ্যের আলর সেতার-এ অবস্থিত আলবুখারী আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে প্রফেসর ইউনূস ২৬ মার্চ ২০২২ সেদেশে গমন করেন। আলবুখারী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে প্রফেসর ইউনূস এই বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর। তিনি ২৮ মার্চ কুয়ালালামপুরে ড. মাহাথিরের কার্যালয়ে তাঁর ও ড. সিতি হাসমার সাথে সাক্ষাৎ করেন। ড. মাহাথির ও ড. হাসমা, যাঁরা উভয়েই প্রফেসর ইউনূসের ক্ষুদ্রঋণ ও সামাজিক ব্যবসা কার্যক্রমের শক্তিশালী অনুরাগী, প্রফেসর ইউনূসকে সাদর অভ্যর্থনা জানান।

তাঁদের মধ্যকার ৯০ মিনিট ব্যাপী এই বৈঠকে ড. মাহাথির জানতে চান তরুণদেরকে উদ্যোক্তায় পরিণত করতে এবং একটি “তিন শূন্য”-র পৃথিবী সৃষ্টিতে প্রফেসর ইউনূসের আন্দোলনে মালয়েশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উৎসাহী ভূমিকা পালন করছে কিনা।

এছাড়াও তাঁরা ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে উদ্ভূত বৈশ্বিক পরিস্থিতি এবং এই পরিস্থিতি একটি বিশ্বযুদ্ধে রূপ নেয়ার বিপদ নিয়েও আলোচনা করেন। তাঁরা বিশ্বব্যাপী তরুণদেরকে কীভাবে সকল ধরনের যুদ্ধের বিরুদ্ধে চালিত করা যায় এবং যুদ্ধ বন্ধ করে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আন্তরিকভাবে আলোচনায় বসতে সকল পক্ষের উপর কীভাবে চাপ সৃষ্টি করা যায় তা নিয়েও আলোচনা করেন।

ড. সিতি হাসমা মালয়েশিয়ায় প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ক্ষুদ্রঋণের উপর অভিজ্ঞতা অর্জন করতে তাঁর কয়েকবার বাংলাদেশ সফরের স্মৃতিচারণ করেন। ড. মাহাথির মালয়েশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রতিষ্ঠিত ইউনূস সোশ্যাল বিজনেস সেন্টারসমূহের বিভিন্ন কর্মসূচির অগ্রগতি বিষয়ে তাঁকে নিয়মিত অবহিত করতে প্রফেসর ইউনূসকে অনুরোধ করেন।

২৮ মার্চ সন্ধায় মালয়েশিয়ার উচ্চ শিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী ড. নোরাইনি আহমদ প্রফেসর ইউনূসের সম্মানে একটি নৈশভোজের আয়োজন করেন। প্রফেসর ইউনূসের বক্তব্য শোনার জন্য তিনি মন্ত্রণালয়ের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের এই নৈশভোজে উপস্থিত রাখেন। মাননীয় মন্ত্রী ছাত্রদেরকে উদ্যোক্তায় পরিণত করতে উচ্চ শিক্ষাকে কীভাবে পুনর্গঠিত করা যায় তা নিয়ে প্রফেসর ইউনূসের পরামর্শ ঢান।

প্রফেসর ইউনূস সামাজিক ব্যবসা ভেঞ্চার ক্যাপিটেল ফান্ড গঠনের মাধ্যমে কীভাবে তরুণদেরকে উদ্যেক্তায় রূপান্তরিত করা যায় সে ব্যাপারে তাঁর বক্তব্য এবং অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। মাননীয় মন্ত্রী মালয়েশিয়ার একটি প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে এই কর্মসূচি চালু করার জন্য প্রফেসর ইউনূসের নিকট সক্রিয় সহযোগিতা চান। প্রফেসর ইউনূস তাঁকে এ বিষয়ে সার্বক্ষণিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে কোনো রকম সরকারী অর্থ বরাদ্দ না রাখার ব্যাপারে প্রফেসর ইউনূস পরামর্শ দেন। তিনি অভিমত প্রকাশ করেন যে সরকারী অর্থ পূজি হিসেবে দিলে এই অর্থ কোনোদিন ফেরত পাওয়া যাবে না। এবিষয়ে একটি বিজনেস প্ল্যান তৈরীর জন্য উভয় পক্ষ সম্মত হয়।

ব্যাংক মুয়ামালাত মালয়েশিয়া বেরহাদ এর চেয়ারম্যান দাতুক সেরি তাজুদ্দিন আতান ও প্রফেসর ইউনূসের মধ্যে তাঁর হোটেলে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। চেয়ারম্যান তাঁর পুরো ব্যাংকটিকে একটি সামাজিক ব্যবসা ব্যাংকে রূপান্তরিত করার একটি প্রস্তাব প্রফেসর ইউনূসের নিকট তুলে ধরেন। প্রফেসর ইউনূস এবিষয়ে সার্বিক নির্দশনা দিতে সম্মত হলে ব্যাংক কতৃপক্ষ এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে সার্বিক ভাবে প্রস্তুত আছেন বলে জনাব আতান প্রফেসর ইউনূসকে জানান। এ বিষয়ে তিনি প্রফেসর ইউনূসের সম্মতি চান।

তিনি জানান যে, তাঁর এই অনুরোধের পেছনে তাঁর বিনিয়োগকারীগণ ও পরিচালনা পরিষদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। প্রফেসর ইউনূস ব্যাংকের বিনিয়োগকারীদের এই সিদ্ধান্ত নেবার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি তাঁদের এই সাহসী পদক্ষেপের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি এই উত্তরণের কাজটি শুরু ও তার ব্যবস্থাপনার মূল প্রক্রিয়াটি নিয়ে আলোচনা করেন। মি. আতান বলেন যে, তিনি প্রফেসর ইউনূসের নির্দেশনা পেলে এই রূপান্তরের জন্য প্রাথমিক পদক্ষেপগুলি গ্রহণ করবেন। প্রফেসর ইউনূস এ বিষয়ে আরো গভীরভাবে প্রস্তুতি নেবার জন্য জনাব আতানের সংগে আলাপ করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন। এই আলোচনাকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য বাংলাদেশে একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদল পাঠাবার অনুমতি চান ব্যাংকটির চেয়ারম্যান জনাব আতান।

ব্যাংকের চিফ স্ট্র্যাটেটি অফিসার মি. ফাওরুজ রাডি যিনি পুরো আলোচনাকালে মি. আতানের সঙ্গে ছিলেন, তাঁকে এই প্রক্রিয়াকে চূড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে যেতে সার্বিক দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

মুরাদনগরে দেড় কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

 

মাহবুব আলম আরিফ, মুরাদনগরঃ

কুমিল্লার মুরাদনগরে দেড় কেজি গাঁজাসহ জুয়েল বাহার নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ।

বুধবার সকালে উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন শ্রীকাইল ইউনিয়নের চন্দনাইল ঈদগা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃত জুয়েল বাহার (২৪) উপজেলার পাকদেওড়া গ্রামের হিরন বাহারের ছেলে।

বাঙ্গরা বাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআই জাহাঙ্গীর আলম ও এসআই কৃষ্ণ মোহন দেবনাথসহ সঙ্গীয় ফোর্স চন্দনাইল ঈদগা এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি ব্যাগে থাকা দেড় কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী জুয়েল বাহারকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার দুপুরে বিজ্ঞ আদালতের মাধ্যমে তাকে কুমিল্লা জেল-হাজতে পাঠানো হয়েছে।

কুমিল্লার কোটবাড়ি থেকে ৫০১ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক এক

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে সাইদুর ইসলাম (৩৫) নামের এক মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর সদস্যরা।

বুধবার (৩০ মার্চ) সকালে উপজেলার কোটবাড়ি এলাকা থেকে ৫০১ বোতল ফেন্সিডিলসহ তাকে আটক করা হয়। এসময় মাদক পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত প্রাইভেটকারটিও জব্দ করা হয়।

আটককৃত সাইদুর ইসলাম নারায়নগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার সোনামুই গ্রামের মৃত আব্দুল মোতালেবের ছেলে।

প্রাথমিক অনুসন্ধান ও জিজ্ঞাসাবাদে সেদীর্ঘদিন যাবৎ জব্দকৃত প্রাইভেটকারে করে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ফেন্সিডিলসহ বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ক্রয়-বিক্রয় ও সরবরাহ করে আসছিল বলে স্বীকার করে। এ বিষয়ে সাইদুর ইসলামের বিরুদ্ধে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

কুমিল্লা র‌্যাব-১১, সিপিসি-২ এর কোম্পানী অধিনায়ক মেজর মোহাম্মদ সাকিব হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের মাধ্যমে কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করবে দারাজ

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশে যাত্রা শুরুর পর থেকে দারাজ কর্মীদের প্রিয় কর্মস্থলে হিসেবে পরিণত হয়েছে। কর্মীদের আরো সুবিধা দিতে প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের সাথে সম্প্রতি চুক্তি করেছে দারাজ বাংলাদেশ। এ চুক্তির ফলে দারাজের পূর্ণকালীন কর্মীরা এক্সক্লুসিভ জীবন বীমা ও স্বাস্থ্যবিমা সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।

এ চুক্তিটি দারাজে কর্মরত প্রত্যেক পূর্ণকালীন সদস্য, তাদের স্ত্রী এবং শিশুদের যেকোন স্বাস্থ্য ঝুঁকির প্রেক্ষিতে উন্নত আর্থিক সুবিধার বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

দারাজ বাংলাদেশের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৈয়দ মোস্তাহিদল হক এবং প্রগতি লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মোঃ রফিকুল আলম ভূঁইয়া নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত দারাজ এবং হাংরিনাকির উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যে ছিলেন- মোঃ মাহবুব হাসান (সিএফও), মোহাম্মদ রিয়াদ হোসেন (সিএইচআরও), এইচ এম হাসিনুল কুদ্দুস রুশো (সিসিএও), ফারহানা রফিক উজ্জামান (সিসিআরও), সাব্বির হোসেন (সিসিও), তাহমিনা ফেরদৌসী (সিওও, হাংরিনাকি), মাশরুর হাসান মিম (সিএমও, হাংরিনাকি), নাফিজ ইমতিয়াজ (হেড অফ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন এন্ড সিকিউরিটি), কামরান হোসেন নবীন (হেড অফ ট্রাফিক অপারেশনস), মোঃ মঞ্জুর আলম (হেড অফ প্রকিউরমেন্ট), সৈয়দ আবদুল্লাহ মোরশেদ (হেড অফ এইচআর অপারেশনস), আবু হেনা মোস্তফা মাহমুদ রুমি (হেড অফ ট্যালেন্ট অ্যাকুইজিশন) এবং শায়লা আক্তার তমা (এইচআর অপারেশনস)। প্রগতি ইন্স্যুরেন্সের পক্ষ থেকে মীর মোঃ শফিউল আলম কমল (সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট) ও সাঈদ হাসান রুবেল (সহ-সভাপতি) অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে দারাজের এমডি সৈয়দ মোস্তাহিদল হক বলেন, “দারাজের কর্মীরাই আমাদের মূল চালিকা শক্তি। তাদের ছাড়া আমাদের একদিনও কার্যক্রম চালানো সম্ভব না। এ খাতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে দারাজ সবসময়ই কর্মীদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে থাকে। এরই অংশ হিসেবে, আমাদের প্রিয় কর্মীদের স্বাস্থ্য ও জীবন বিমাà