All posts by jitu

লাকসামে অফিস না করেই

লাকসামে অফিস না করেই বেতন নিচ্ছেন আইসিটি কর্মকর্তা!

লাকসামে অফিস না করেই বেতন নিচ্ছেন আইসিটি কর্মকর্তা!

সেলিম চৌধুরী হীরাঃ

লাকসামে দীর্ঘদিন ধরে অফিসে অনুপস্থিত উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার (আইসিটি) কর্মকর্তা কাজী আরফিনা ওয়াহিদ। ফলে দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন সেবা গ্রহীতাসহ উপজেলায় উপস্থিত বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তর।

একাধিক সুত্র জানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের লাকসাম উপজেলা কার্যালয়ে সহকারী প্রোগ্রামার হিসেবে ২ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে কাজী আরফিনা ওয়াহিদ যোগদান করে ১৮ জানুয়ারি ২০২০ পর্যন্ত কাগজপত্রে কর্মরত থাকলেও বাস্তবে তিনি অফিস করতেন না বলে সুত্র গুলোর দাবি।

সুত্র মতে যোগদানের পর থেকেই তিনি তৎকালীন সময়ের স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে সখ্যতা তৈরি করে (মেনেজ সিস্টেম) অনিয়মিত ছিলেন অফিসে৷
উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উক্ত দপ্তরে সহকারী প্রোগ্রামার হিসেবে ১৯ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে অতিরিক্ত দায়িত্বে যোগদান করেন ফারুক আজম। তিনি ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত কর্মরত থাকলেও অফিসে ছিলেন অনিয়মিত।

২৪ মার্চ ২০২১ তারিখে আরেকজন অতিরিক্ত দায়িত্বে যোগদান করেন মোঃ হাছান ইমাম। তিনিও ছিলেন অনিয়মিত। তবে কত তারিখ পর্যন্ত তিনি কর্মরত ছিলেন এটা কেউ বলতে পারছেনা।

দ্বিতীয় মেয়াদে ২৪ সালের ১০ জুলাই আবার যোগদান করেন কাজী আরফিনা ওয়াহিদ। যোগদানের পর থেকেই তিনি পূর্বের ন্যায় নিয়মিত অফিস করছেন না! এর মধ্যে ২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামীলীগ সরকার পতন হওয়ার পর থেকে তিনি দীর্ঘ সময় অফিসে আসেননি।

দীর্ঘদিন তার অনুপস্থিতির খুঁজ নিতে ১৯ ফেব্রুয়ারি বুধবার তার অফিসে গেলে দেখা যায় ওই অফিসে তালা ঝুলছে।

এবিষয়ে লাকসাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কাউছার হামিদের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের লাকসাম উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার কাজী আরফিনা ওয়াহিদ বিভিন্ন কারণে নিয়মিত অফিসে আসেন না তা সত্য৷ কি কারনে অনুপস্থিত জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার কোন কারণ জানাতে পারেননি।

এদিকে তার স্বামী মোঃ শহীদ শিকদার ঢাকা পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রোগ্রামার হিসেবে কর্মরত আছেন। কেউ কেউ বলছেন স্বামী বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডে চাকুরী করেন, এ কারণে একটু ক্ষমতা খাটাতে চান কাজী আরফিনা ওয়াহিদ!

সহকারী প্রোগ্রামার কাজী আরফিনা ওয়াহিদের নিয়োগ ২০১৫ সালে। তখন ২ জন প্রোগ্রামার ও ১৯৮ জন সহকারী প্রোগ্রামার নিয়োগ দিয়েছিল আওয়ামীলীগ সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর।

সূত্র থেকে পাওয়া তথ্যে জানাযা, তৎকালীন সময়ে সারাদেশে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সাথে ঘনিষ্ঠতা তৈরি করে অনিয়মিত অফিস করতেন এসব কর্মকর্তারা। অফিস না করেই সরকারি কোষাগার থেকে কোটি কোটি টাকা বেতন ভাতা নিচ্ছেন তারা।

এদিকে মাঠ পর্যায়ে আইসিটি কর্মকর্তা বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তথ্যপ্রযুক্তি সেবা প্রদান করার জন্যই তাদের নিয়োগ। তারা বিভিন্ন সরকারি সেবা ডিজিটালাইজেশনে কাজ করবেন।

মাঠ পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণে আইসিটি অফিসার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন। বিভিন্ন জরিপ ও ডাটাবেজ তৈরি এবং তার ভিত্তিতে নীতিনির্ধারণে সহায়তা করবেন। কিন্তু তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের লাকসাম উপজেলা সহকারী প্রোগ্রামার কাজী আরফিনা ওয়াহিদ দীর্ঘ দিন অনুপস্থিত থাকার ফলে এসব কাজে সহযোগিতা পাচ্ছেন না সরকারি-বেসরকারি দপ্তর গুলো।

ফলে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের অনলাইন ভিত্তিক কাজ স্থবির হয়ে আছে। দুর্ভোগে পড়ছেন সেবা গ্রহীতারা।

আপডেট করা যাচ্ছে না বিভিন্ন দপ্তরের অনেক কাজ। তাই এমন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষ জরুরী সিদ্ধান্ত নেওয়া দরকার বলে মনে করেন সেবাগ্ৰহিতারা।

নিয়মিত অফিস করার মতো ভালো ও দক্ষ একজন কর্মকর্তাকে লাকসামে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানান বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা কর্মচারী সহ সেবা গ্রহীতা।
এবিষয়ে সহকারী প্রোগ্রামার কাজী আরফিনা ওয়াহিদের সাথে যোগাযোগ করে লাকসামে তার দ্বিতীয় যোগদানের গত ৮ মাসে কতদিন অফিস করেছেন জানতে চাইলে তিনি সদুত্তর দিতে পারেননি। অনেকটাই এড়িয়ে যান৷

লাকসামে তথ্যপ্রযুক্তিগত কি কি সেবা দিয়েছেন জানতে চাইলে তাও বলতে পারেননি। হাজিরা কোথায় দেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি ফার্স্ট ক্লাস অফিসার আমার হাজিরা লাগে না। অফিস পরিদর্শন রেজিস্টার দেখতে চাইলে উক্ত রেজিস্টার নেই বলে জানান।

কুমিল্লা জেলা প্রোগ্রামার মোহাম্মদ বশির উদ্দিন বলেন আগে থেকে আমি জেনেছি তিনি নিয়মিত অফিস করেন না৷ তার এ অনিময়ের ব্যাপারে তাকে সতর্ক করা হয়েছে৷ বিষয়টা আমি ডিজি স্যার কে জানাবো৷

চৌদ্দগ্রামে শর্ট ভাউন্ডারী ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের

চৌদ্দগ্রামে শর্ট ভাউন্ডারী ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

চৌদ্দগ্রামে শর্ট ভাউন্ডারী ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের নালঘর দক্ষিণ পাড়া ওরা ১৩জন কর্তৃক আয়োজিত ফ্রিজ ও এলইডি কাপ শর্ট ভাউন্ডারী নাইট ক্রিকেট টুর্ণামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিপুল সংখ্যক দর্শকের উপস্থিতিতে খেলায় বাঙ্গালমুড়ি ক্রিকেট একাদশ চ্যাম্পিয়ান ও বদরপুর ক্রিকেট একাদশ রানার্সআপ হয়।

সোমবার রাত ১১টায় নালঘর মাঠে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা মহানগরী শিবিরের সাবেক প্রচার সম্পাদক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ মনির হোছাইন মজুমদার। ৮নং ওয়ার্ড জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি ও এসএমজি এন্টারপ্রাইজের স্বত্তাধিকারী শাহ পরান মজুমদারের সভাপতিত্বে এবং ইমাম হোসেনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন শ্রীপুর ইউনিয়ন জামায়াতের যুব বিভাগের সেক্রেটারী ইকবাল হোসেন মজুমদার, ৯নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি মাওলানা ওবায়েদ উল্লাহ, নালঘর বাজার জামে মসজিদের সহকারী ক্যাশিয়ার জাকির হোসেন, ৮নং ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা আরিফুল ইসলাম, নালঘর বাজারের ব্যবসায়ী জহিরুল ইসলাম, ৯নং ওয়ার্ড জামায়াতের সেক্রেটারী ওমর ফারুক রিয়াদ, ব্যবসায়ী আবদুর রশিদ, গোপালনগর জামায়াতের সভাপতি হাজী রফিকুল ইসলাম মোল্লা, সিটি ব্যাংক নালঘর বাজারের স্বত্তাধিকারী হাবিবুর রহমান, সমাজসেবক এয়াকুব আলী, নালঘর বাজারের রাজ ফার্ণিচারের স্বত্ত্বাধিকারী দুলাল মিয়া, ৯নং ওয়ার্ড জামায়াতের সহ-সভাপতি কামাল হোসেন সর্দার, ৮নং ওয়ার্ড জামায়াতের যুব বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ আরিফুল ইসলাম ওমর, ৯নং ওয়ার্ড জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম।

দাউদকান্দিতে ২১ মামলার আসামী

দাউদকান্দিতে ২১ মামলার আসামী মামুনকে গ্রেফতার

 

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

দাউদকান্দিতে যৌথবাহিনীর অভিযানে খুন ও ডাকাতিসহ ২১ মামালার আসামী আল-মামুনকে (৪২)কে মদ ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে যৌথবাহিনী।

আজ মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি ) ভোর রাতে উপজেলার গৌরীপুরে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মো. জুনায়েত চৌধুরী বলেন, মঙ্গলবার ভোর রাতে যৌধবাহিনীর অভিযানে উপজেলার গৌরীপুর থেকে ১৮০ পিছ ইয়াবা, ৩০ লিটার চুলায় তৈরি মদসহ মামুনকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতি ও চাঁদাবাজিসহ ২১টি মামলা রয়েছে। আটককৃত মামুন তিতাস উপজেলার শোলাকান্দি গ্রামের মুকবুল মেম্বার ছেলে।

নোয়াখালীতে ঘরে ঢুকে

নোয়াখালীতে ঘরে ঢুকে নারীকে কুপিয়ে হত্যা

নোয়াখালীতে ঘরে ঢুকে নারীকে কুপিয়ে হত্যা

ডেস্ক রিপোর্ট:

নোয়াখালী সদর উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে ৯ নম্বর ওয়ার্ডের জালিয়াল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত তাছলিমা বেগম রোজি (৬০) ওই গ্রামের আমিন আলীর মেয়ে। তিনি স্বামী পরিত্যক্তা ও এক সন্তানের জননী ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোজি বাবার বাড়ির একটি ঘরে একা থাকতেন। সন্ধ্যার দিকে তিনি ঘরে ঢোকার পরপরই শব্দ শুনতে পান প্রতিবেশীরা। পরে তার ঘরে গিয়ে তারা রক্তাক্ত অবস্থায় মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন তাকে। পাশে পড়ে ছিল একটি রক্তমাখা ধামা।

তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা তাকে মাইজদীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠায়।

নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) আবদু্ল্লাহ আল ফারুক জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে একই গ্রামের মো. তারেক (৩৫) নামের এক যুবককে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি রক্তমাখা চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে। তদন্তের পর বিস্তারিত জানানো হবে।

‘ভবিষ্যতে কোনো সরকারই ইন্টারনেট

‘ভবিষ্যতে কোনো সরকারই ইন্টারনেট সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে পারবে না’

‘ভবিষ্যতে কোনো সরকারই ইন্টারনেট সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে পারবে না’

ডেস্ক রিপোর্ট:

ইলন মাস্কের স্টারলিংককে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানানো এবং তা চালু করার মূল উদ্দেশ্য হলো ইন্টারনেট শাটডাউন চিরতরে বন্ধ করা। আজ মঙ্গলবার অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ কথা জানান।

শফিকুল আলম তার পোস্টে উল্লেখ করেন, স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার তাদের ১৬ বছরের শাসনামলে বহুবার ইন্টারনেট বন্ধ করেছে। বিক্ষোভ দমন বা বিরোধী আন্দোলন ঠেকানোর জন্য স্বৈরশাসক ও একনায়কদের প্রিয় কৌশল হলো ইন্টারনেট শাটডাউন। তবে এই পদক্ষেপের ফলে লাখো ফ্রিল্যান্সার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। অনেকেই তাদের চুক্তি এবং চাকরি চিরতরে হারিয়েছেন।

তিনি আরও লিখেন, বাংলাদেশে স্টারলিংকের আগমন মানে হলো, ভবিষ্যতে কোনো সরকারই ইন্টারনেট সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করতে পারবে না। ইন্টারনেট বন্ধ করার নতুন কোনো চেষ্টায় অন্তত বিপিও প্রতিষ্ঠান, কল সেন্টার ও ফ্রিল্যান্সাররা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না।

স্টারলিংক স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে। স্পেসএক্সের ওয়েবসাইট অনুযায়ী, তাদের ইন্টারনেট সেবা জিওস্টেশনারি (ভূস্থির উপগ্রহ) থেকে আসে, যা ৩৫ হাজার ৭৮৬ কিলোমিটার উচ্চতা থেকে পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করে। পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে স্থাপিত হাজার হাজার স্যাটেলাইটের একটি নেটওয়ার্ক হলো স্টারলিংক, যা বিশ্বজুড়ে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করতে সক্ষম।

২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত তথ্য অনুযায়ী, স্টারলিংকের ৬ হাজার ৯৯৪টি স্যাটেলাইট স্থাপিত হয়েছে। এসব স্যাটেলাইট পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৪২ মাইল (৫৫০ কিলোমিটার) উচ্চতায় কক্ষপথে ঘুরছে।

স্পেসএক্সের স্টারলিংক প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৫ সালে এবং ২০১৯ সালে এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। বর্তমানে বিশ্বের ১০০টিরও বেশি দেশে স্টারলিংকের কার্যক্রম চলছে। দক্ষিণ এশিয়ায় ভুটানে প্রথম স্টারলিংকের সেবা চালু হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা উন্নতিতে বাহিনীর কারও বিরুদ্ধে

আইনশৃঙ্খলা উন্নতিতে বাহিনীর কারও বিরুদ্ধে গাফিলতি পেলে ছাড় দেওয়া হবে না: উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট:

চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই রোধে গতকাল রাত থেকে শুরু হওয়া অভিযান সম্পর্কে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, অভিযান পরিচালনায় বাহিনীর কারও বিরুদ্ধে যদি কোনো ধরনের গাফিলতি পাওয়া যায়, তাহলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

জাতীয় শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় বনানী সামরিক কবরস্থানে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। তিনি পিলখানায় শহীদ সামরিক কর্মকর্তা ও সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

সারাদেশে সার্বিক পরিস্থিতি, গতরাত থেকে শুরু হওয়া অভিযান ও এর সফলতা সম্পর্কে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “সফলতা-ব্যর্থতা আপনারা (সাংবাদিকরা) মূল্যায়ন করবেন। এই অভিযান যেভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে, যদি কোনো কর্মচারী বা বাহিনীর সদস্যের মধ্যে গাফিলতি পাওয়া যায়, তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।”

তিনি আরও বলেন, “এখানে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। সে পুলিশ, বিজিবি, র‍্যাব, আনসার বা কারা অধিদপ্তর যেই হোক না কেন, যারা ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করবে না, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

অভিযানের সর্বশেষ আপডেট জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আমি ভাবছিলাম, আপডেট আপনারা দেবেন। আপনারা সত্যি সংবাদ পরিবেশন করেন, দেখেন আমরা ব্যবস্থা নিই কি না। দুই এসপির বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পর আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। সত্যি সংবাদের ভিত্তিতে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পড়ালেখার পাশাপশি শিক্ষার্থীদের মানবিক

পড়ালেখার পাশাপশি শিক্ষার্থীদের মানবিক মানুষ হতে হবে: চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার

 

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

চাঁদপুর সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শাহতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও স্কুল ছাত্রীদের মাঝে ড্রেস বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় বিদ্যালয় মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের আজীবন দাতা সদস্য, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং দৈনিক চাঁদপুর খবর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ও প্রকাশক সোহেল রুশদী।

বিদ্যালয়ের আজীবন দাতা সদস্য সাংবাদিক সোহেল রুশদীর নিজস্ব অর্থায়নে ছাত্রীদের মাঝে স্কুল ড্রেস বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুরের নবাগত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মোঃ লুৎফর রহমান। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, তোমাদের সামনের দিন গুলোকে সুন্দরভাবে কাজে লাগাতে হবে। জীবনের প্রথম পাবলিক পরীক্ষার মাধ্যমে তোমরা শিক্ষা জীবনের প্রথম স্বীকৃতি পাবে। এ সাফল্যের মাধ্যমে পরবর্তী সাফল্যের দরজা খুলে যায়। পড়ালেখার পাশাপশি ভালো মানুষ হতে হবে, মানবিক মানুষ হতে হবে। এ প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম এটি আহমেদ হোসাইন রুশদী সাহেবকে আমি শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি। তিনি এ এলাকায় অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছে। তোমরা এই সময়টা পড়াশোনার কাজে লাগাবে। ভালো ফলাফল করে জীবনের লক্ষ্যে পৌঁছবে। জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তোমাদের মূল লক্ষ্য- জ্ঞান অর্জন ও ভালো মানুষ হওয়া। পিতা-মাতা ও শিক্ষকদের সবার প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান দেখাতে হবে। এই সমাজ আলোকিত করতে তোমাদের ভূমিকা থাকবে এ প্রত্যাশা রাখি।

শাহতলী জিলানী চিশতী কলেজের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক মো: জহিরুল ইসলাম খান মুরাদের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর জেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ রুহুল্লাহ। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের সকলের সুপরিচিত মিডিয়া ব্যক্তিত্ব সাংবাদিক সোহেল রুশদী একজন শিক্ষা বান্ধব ব্যক্তিত্ব। তিনি আমাদের শিক্ষা পরিবারের সদস্য। শিক্ষার উন্নয়নে কাজ করেন। তোমরা দেশ ও জাতির আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। এসএসসি শিক্ষা জীবনের প্রথম জার্নি। সামনে এসএসসি পরীক্ষার মাধ্যমে যদি মেধা ও দক্ষতার পরিচয় দিতে পারো তাহলে ভালো একটি জায়গায় যেতে পারবে। জীবনের সফলতার জন্য একটি পাওয়ার হাউজ আছে, তা হলো তোমার মা। আলোকিত মানুষ হতে হলে মা-বাবাকে সম্মান করতে হবে। মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেস্ত। তোমরা আলোকিত মানুষ হয়ে দেশের সেবা করতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে সাংবাদিক সোহেল রুশদী বলেন, রুশদী মানে আলোক বর্তিকা। বিশেষ করে নারী শিক্ষার উন্নয়নে এটি আহমেদ রুশদী এ প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করে গেছেন। তিনি নিজে আলোকিত মানুষ ছিলেন, এলাকাও আলোকিত করেছেন। এ এলাকায় প্রাথমিক থেকে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ করে দিয়ে গেছেন তিনি। তিনি আরো বলেন, এসএসসি পরীক্ষা জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। তোমাদের মোবাইল আসক্তি কমাতে হবে। এই প্রতিষ্ঠানের মেয়েরা যথেষ্ট ভদ্র ও গুণীজনদের সম্মান দিতে শিখেছে। শৃঙ্খলা ও ভদ্রতা সুন্দরভাবে আয়ত্ত করেছে। প্রযুক্তিকে ইতিবাচক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে হবে। তোমাদের ভালো ও মানবিক মানুষ হতে হবে। পড়ালেখা সহ শিক্ষা কার্যক্রমে সক্রিয় থাকতে হবে। আমি আশা করছি তোমরা সকলে পাশ করে এ বিদ্যালয় এর সুনাম অর্জন করবে। তোমাদের পরীক্ষার আগ পর্যন্ত যে সময়টুকু আছে এই সময় পড়াশোনার প্রতি মনোযোগী হতে হবে।

শাহতলী কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন, জিলানী চিশতী কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো: গোলাম সারওয়ার, জিলানী চিশতী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: মোহসীন উদ্দিন, উত্তর সাহাতলী জোবাইদা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ নুরুজ্জামান, সমাজসেবক মো: নুরুজ্জামান মুন্সি, শাহমাহমুদপুরের ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো: জাহাঙ্গীর আলম খান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল আজিজ মিজি, বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষিকা মোসাম্মৎ রুবিনা আক্তার, মেহেরুন্নেছা, সহকারি শিক্ষক দীপঙ্কর দে, মাওলানা আব্দুল মান্নান, মো: নেছার আহমেদ খান, ৩০নং মধ্য শাহতলী কাদেরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষিকা আয়শা আক্তার, জিলানী চিশতী কলেজে অফিস ইনচার্জ মোঃ রানা সরকার, বিদ্যালয়ের অফিস ইনচার্জ মাওলানা মামুন হোসাইন।

শিক্ষার্থীদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান, দশম শ্রেনির শিক্ষার্থী আলিছা মৌ। অনুষ্ঠানে দোয়া, মিলাদ ও মোনাজাত পরিচালনা করেন শাহতলী কামিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ বিলাল হোসাইন। শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তাসমিয়া আক্তার।

কুয়েতের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশ- কুয়েতের বন্ধুত্ব নিয়ে প্রথম বাংলায় লেখা বই প্রকাশ

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুয়েত বাংলাদেশের বন্ধু প্রতিম রাষ্ট্র। কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক, প্রতিরক্ষাসহ নানা বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে সহযোগীতা আন্ত:রাষ্ট্র সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশেষ নজির স্থাপন করেছে। বিদেশী মানব সম্পদ নিয়োগের ক্ষেত্রে কুয়েতে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থান তৃতীয় বৃহত্তম। অদূর ভবিষ্যতে এ সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করা যায়। কুয়েতে প্রবাসী বাংলাদেশীগন দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছেন।

প্রতিরক্ষা সহযোগীতায় বাংলাদেশ-কুয়েত সম্পর্কের শেকড় গভীরে প্রোথিত। ইরাকী আগ্রাসী বাহিনী কর্তৃক কুয়েত দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বাহিনীর সাথে কুয়েতের জনতার পাশে দাঁড়ায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অকুতোভয় সদস্যগন। বিজয়ের ধারাবাহিকতায় কুয়েত পুনর্গঠনের উদ্দেশ্যে ‘অপারেশন কুয়েত পুনর্গঠন (ওকেপি)’ নামে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিভিন্ন কোর এবং বাংলাদেশ নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ মিলিটারী কন্টিনজেন্ট (বিএমসি) সাহসীকতাপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। বর্তমানে ইঞ্জিনিয়ার্স, সিগনালস, পদাতিক, ইএমই, অর্ডন্যান্স, মেডিক্যালসহ বিভিন্ন কোর এর সেনাসদস্যদের এবং নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে ১২টি কন্টিনজেন্টের প্রায় সাড়ে ৫ হাজার সদস্য বিএমসি-তে নিয়োজিত রয়েছেন এবং নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রশংসনীয় ভূমিকা রেখে চলছেন।

বর্তমানে কুয়েতে প্রেষণে নিয়োজিত সেনা চিকিৎসক লে. কর্নেল নাজমুল হুদা খানের লেখা ‘কুয়েত ও কায়া কথা’ নামের বইটিতে বন্ধু রাষ্ট্র কুয়েতের ইতিহাস, সংস্কৃতি, জীবনযাত্রা, আকর্ষণীয় স্থাপনা ও স্থান; কুয়েতে বাংলাদেশী  প্রবাসী ও প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্যের ভূমিকার বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে। বইটিতে কুয়েতের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা; বাংলাদেশীদের মধ্যপ্রাচ্যে স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয় এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য বিষয়ও অন্তর্ভূক্ত রয়েছে।

নি:সন্দেহে বইটি বাংলা ভাষাভাষীদের এতদসংক্রান্ত বিষয়ে জ্ঞান ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে এবং দুই ভ্রাতৃপ্রতীম দেশের বন্ধুত্বের বন্ধন আরো সুদৃঢ় করতে ভূমিকা রাখবে বলে শুভেচ্ছা বাণী দিয়েছেন কুয়েতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল সৈয়দ তারেক হোসেন, ওএসপি, এডব্লিউসি, পিএসসি। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্য লেঃ কর্নেল নাজমুল হুদা খানের এ প্রচেষ্টাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন মান্যবর রাষ্ট্রদূত।

বইটি চৈতন্য প্রকাশনীর এবারের বইমেলার ৬০৭-৬০৮ নং স্টলে পাওয়া যাচ্ছে। কুয়েতে প্রবাসি সম্মানিত বাংলাদেশি কমিউনিটির সদস্যগণ এ উদ্যোগের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেছেন। কুয়েতে বসে এদেশকে নিয়ে নিজ মাতৃভাষা বাংলায় লেখা বইটির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে কুয়েতের বিভিন্ন শ্রেণীর বাংলাদেশি প্রবাসিবৃন্দ।

বইটির লেখক লে. কর্নেল নাজমুল হুদা খানের লেখা বেশ ক’টি বই ইতিপূর্বে প্রকাশিত হয়েছে।

এশিয়া কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে মাহিনের রৌপ্যপদক অর্জন: কুমিল্লা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সংবর্ধনা

 

হাবিবুর রহমান মুন্না:

গত ৯ই-১২ই ফেব্রুয়ারি ভারতের নয়া দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয় ৬ষ্ঠ এশিয়ান সাবাতে চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৫। প্রতিযোগিতায়ে এশিয়ার প্রায় ১৬ টি দেশ অংশগ্রহণ করে। বাংলাদেশ থেকে ১২ জনের একটি টিম প্রতিযোগিতায়ে অংশগ্রহণ নেয়ে। উক্ত প্রতিযোগিতায় রৌপ্য পদক অর্জন করে বাংলাদেশের সুনাম কুড়িয়েছন কুমিল্লার কৃতি সন্তান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের সত্যায়িত সংগঠন ওয়াইকসের যুব ও প্রিয়া সম্পাদক, কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মার্শাল-আর্ট টিম কোচ, বর্তমানে কুমিল্লা সরকারি কলেজের অধ্যায়নরত শিক্ষার্থী মোফাজ্জাল মাহিন চৌধুরী।

এতে কুমিল্লা সরকারি কলেজের মেধাবী শিক্ষাথী মোফাজ্জল চৌধুরী মাহিন কে সংবর্ধনা জানান কুমিল্লা সরকারি কলেজ ছাত্রদল।

এই সময় উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের আহ্বায়ক আমির ফারুক, সদস্য সচিব সোহাগ হোসেন, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহাদাত হোসেন, রিয়াদ হোসেন, রিমন হোসেন সহ অনন্য নেতৃবৃন্দগন।

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির ৪১ সদস্যবিশিষ্ট

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির ৪১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটিতে পদ পেলেন যারা

কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির ৪১ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটিতে পদ পেলেন যারা

স্টাফ রিপোর্টার:

৫ সদস্যের কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বর্ধিত করে ৪১ সদস্য বিশিষ্ট করা হয়েছে। এতে জাকারিয়া তাহের সুমনকে আহ্বায়ক এবং আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিমকে সদস্য সচিব করে কমিটি অনুমোদিত হয়েছে। কয়েক মাস আগে বিলুপ্ত হওয়া কমিটির অন্তত তিনজন বর্তমান কমিটিতে রয়েছেন যাদের বিরুদ্ধে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে বলে তৃণমূল নেতৃবৃন্দ নাম না প্রকাশের শর্তে বলেছেন।

সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক পদে রয়েছেন সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, আমীরুজ্জামান আমীর, অ্যাডভোকেট আলী আক্কাস, মোস্তফা জামান, মোহাম্মদ মাহবুব আলম চৌধুরী, কামরুল হুদা, অধ্যাপক সারওয়ার জাহান দোলন, নজির আহমেদ ভূঁইয়া, রেজাউল কাইয়ুম, নজরুল হক ভূঁইয়া স্বপন, জামাল খন্দকার।

সদস্য পদে রয়েছেন হাজী আমিনুর রশিদ ইয়াছিন, সাবেরা আলাউদ্দিন, জসিম উদ্দিন, অ্যাডভোকেট খায়রুল এনাম খান তৌফিক, অ্যাডভোকেট কাইমুল হক রিংকু, অ্যাডভোকেট অ হ ম তাইফুল আলম, সাকিনা বেগম, তাজুল ইসলাম, মিজানুর রহমান চেয়ারম্যান, হাজী সিদ্দিকুর রহমান, মাহবুব চৌধুরী (মুক্তিযোদ্ধা), রইছ আবদুর রব, কায়সার আলম সেলিম, তাহের পলাশী, মুজিব আহমেদ ডা. গোলাম কাদের চৌধুরী (নোবেল), শাহ সুলতান খোকন, জুনাব আলী, মুজাহিদ চৌধুরী, মমিনুল ইসলাম ভূঁইয়া, আবদুল রহমান বাদল, তরিক আহমেদ ভূঁইয়া, ডা. নজরুল ইসলাম শাহিন, সফিউল আলম রায়হান, অ্যাডভোকেট শরিফুল ইসলাম, সাজেদুল মোল্লা হীরন, ইলিয়াস পাটোয়ারী, সিরাজুল ইসলাম মিলন।