All posts by jitu

কুমিল্লা সীমান্তে ২৫ লাখ টাকার

কুমিল্লা সীমান্তে ২৫ লাখ টাকার ভারতীয় বাজি জব্দ

কুমিল্লা সীমান্তে ২৫ লাখ টাকার ভারতীয় বাজি জব্দ

শাহ ইমরান:

কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের (১০ বিজিবি) বিশেষ টহলদল মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে ২৫ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা মূল্যের ভারতীয় বিভিন্ন প্রকারের ২৫,৮০০ পিস বাজি জব্দ করেছে।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) কুমিল্লা ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ কটকবাজার পোস্টের বিশেষ টহলদল, হাবিলদার মোঃ মাহাবুবুর রহমানের নেতৃত্বে অভিযানটি পরিচালনা করে।

অভিযানে, সীমান্ত পিলার ২১০০/২-এস থেকে প্রায় ৫০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কেকে নগর নামক স্থান থেকে ভারত থেকে পাচারের উদ্দেশ্যে আনা এই বিপুল পরিমাণ বাজি জব্দ করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান প্রতিরোধে তাদের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকবে।

ছাত্রলীগের মিছিল-মিটিং হলে

‘ছাত্রলীগের মিছিল-মিটিং হলে নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে’

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম বলেছেন, “অতীত কর্মকাণ্ডের কারণে ছাত্রলীগ নিষিদ্ধ হয়েছে। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা কোথাও মিছিল বা মিটিং করতে পারবে না। যদি কোথাও মিছিল করা হয়, তাহলে নিষিদ্ধ সংগঠন হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আজ শনিবার দুপুরে রংপুরে এক সুধী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। রংপুর মহানগর পুলিশের ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রংপুর পুলিশ লাইনস স্কুল অ্যান্ড কলেজ মিলনায়তনে এ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

আইজিপি বলেন, “নতুন করে অস্ত্র নীতিমালা করা হচ্ছে। গত ১৫ বছরে যাদের অস্ত্রের লাইসেন্স পাওয়ার কথা ছিল না, তারা অবৈধভাবে অস্ত্রের লাইসেন্স নিয়েছিলেন এবং এই অস্ত্র গণ-অভ্যুত্থানে নিরীহ জনগণের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হয়। বিগত সরকারের ফ্যাসিস্টরা বৈধ অস্ত্র নিয়ে জনগণের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে কাজ করেছে। এই অস্ত্রের মাধ্যমে অসংখ্য ছাত্র-জনতা আহত ও শহীদ হয়েছেন, এবং অনেকেই দীর্ঘস্থায়ী পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন।”

আবু সাঈদ হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে তিনি বলেন, “পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ইতোমধ্যে মামলাটির তদন্ত করছে। এ মামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিভিন্ন ঘটনায় পুলিশের কিছু বিপথগামী কর্মকর্তা জড়িত ছিল। গণ-অভ্যুত্থানের আগে নেতৃত্ব পর্যায়ের কিছু বিপথগামী কর্মকর্তার কারণে পুলিশ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছিল।”

আইজিপি আরও বলেন, “এখন আমরা জনগণের আস্থার পুলিশ তৈরি করতে চাই। পুলিশ সুপার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পদে ধারাবাহিকভাবে বদলি করা হচ্ছে। এই পদে যোগ্য ব্যক্তিদের আনা হচ্ছে।”

সুধী সমাবেশে বক্তব্য দেন জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা সারজিস আলম। তিনি বলেন, “অনেক পুলিশ সদস্য অভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ না করে কিছু দলের হয়ে নিজেদের উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছে। এক দল ক্ষমতায় এসে বাকি দলকে শোষণ করবে—এমন বাংলাদেশ আমরা চাই না।”

সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদের মা মনোয়ারা বেগম।

এর আগে বেলা ১১টার দিকে আইজিপি ময়নুল ইসলাম আবু সাঈদের গ্রামের বাড়ি রংপুরের পীরগঞ্জের বাবনপুর জাফরপাড়ায় যান। তিনি আবু সাঈদের কবর জিয়ারত করেন এবং আবু সাঈদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।

ধর্মীয় সম্প্রীতি ছাড়া কোনো জাতি

ধর্মীয় সম্প্রীতি ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না: ধর্ম উপদেষ্টা

ধর্মীয় সম্প্রীতি ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না: ধর্ম উপদেষ্টা

ডেস্ক রিপোর্ট:

ধর্মীয় সম্প্রীতি ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ধর্ম উপদেষ্টা ড. মাওলানা আ ফ ম খালিদ হোসেন।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) রাজধানীর লেকশোর হোটেলে দ্য হাঙ্গার প্রোজেক্টের আয়োজনে ‘ধর্মীয় সম্প্রীতি: বাস্তবতা ও করণীয়’ শীর্ষক জাতীয় সংলাপে তিনি এ কথা বলেন।

ধর্ম উপদেষ্টা বলেন, “ধর্মীয় সম্প্রীতি ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না। যারা উপাসনালয়ে হামলা চালায়, তারা অপরাধী। তাদের কোনো ধর্মীয় পরিচয় নেই।”

তিনি আরও বলেন, “দেশে সবার অধিকার সমান। এই অধিকার যেন কেউ খর্ব করতে না পারে, সে ব্যাপারে সরকার আন্তরিক। তবে বর্তমানে কিছু ব্যক্তি অস্থিরতার ইঙ্গিত দিচ্ছেন। তাদের আশ্বস্ত করতে চাই যে, দুশ্চিন্তার কোনো কারণ নেই। দেশের যারা ক্ষমতায় থাকে, তারা দেশের সম্পদ লুট করে, যা আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যের। যারা সম্পদ পাচার করে তারা কখনোই দেশপ্রেমিক হতে পারে না।”

দেশে ধর্মীয় সম্প্রীতির বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, “বর্তমান সরকারের সময়েই দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সরকার অত্যন্ত সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে ব্যবস্থা বজায় রেখেছে। আগামী ৮ নভেম্বর কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হবে। যাতে কেউ কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে, সে ব্যাপারে ডিসিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সরকার সব বিষয়ে সতর্ক।”

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু সমাজ সংস্কার সমিতির সভাপতি অধ্যাপক হীরেন্দ্র নাথ বিশ্বাস, টালিথাকুমি চার্চের বিশপ ফিলিপ পি অধিকারী এবং বাংলাদেশ বৌদ্ধ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক ভিক্ষু সুনন্দপ্রিয়।

অপরাধের জন্য শাস্তি পাবে ব্যক্তি

অপরাধের জন্য শাস্তি পাবে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান নয়: উপদেষ্টা আসিফ

অপরাধের জন্য শাস্তি পাবে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান নয়: উপদেষ্টা আসিফ

ডেস্ক রিপোর্ট:

অপরাধের জন্য শাস্তি পাবে ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান নয়। কর্মীদের কোনো ভয় নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে ভোক্তা অধিকার সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, অর্থ পাচার ও ঋণ খেলাপির কারণে সরকার বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে। তবে প্রতিষ্ঠান সচল রাখতে সরকার সর্বদা সচেষ্ট রয়েছে। ব্যক্তিগত অপরাধের জন্য শুধু ব্যক্তি দায়ী থাকবে, তাই কর্মীদের চিন্তার কোনো কারণ নেই।

বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর সদিচ্ছা থাকলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম কমানো সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আসিফ মাহমুদ বলেন, “আমরা কর্পোরেটদের হাতে বন্দি নই। বাজার নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকার প্রস্তুত। মাঠ প্রশাসনকে সক্রিয় করা ছিল বড় চ্যালেঞ্জ, যার জন্য দক্ষ কর্মকর্তাদের মাঠে পাঠানো হচ্ছে যেন তারা জনকল্যাণে কাজ করতে পারে।”

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে টাস্কফোর্সে ছাত্র প্রতিনিধি যোগ করার সুপারিশ করা হয়েছে বলেও জানান উপদেষ্টা। তিনি বলেন, “ভোক্তা অধিকার আইন আরও শক্তিশালী করতে সংশোধনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।”

মধ্যস্বত্বভোগী ও সিন্ডিকেট ভেঙে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ভোক্তাদের কাছে পণ্য পৌঁছানোর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে আসিফ মাহমুদ বলেন, “এক্ষেত্রে যেকোনো ধরনের সহযোগিতা করতে আমরা প্রস্তুত।”

তিনি আরও বলেন, দেশে বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানির সময়ও মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে চলে যায়। তাই সরাসরি সরকারি পর্যায়ে (জিটুজি) পণ্য আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সংস্কার নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই

সংস্কার নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই বিএনপির: আমির খসরু

সংস্কার নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই বিএনপির: আমির খসরু

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, অনেকেই সংস্কার নিয়ে নতুন নতুন কথা বলছেন- কিন্তু বিএনপির কাছে এসব কিছুই নতুন নয়। বিএনপি সংস্কারের জন্য ৩১ দফা আগে থেকেই ঘোষণা করেছে।

শনিবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এলডিপির কাউন্সিলে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

দ্রুত নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আমির খসরু বলেন, সময় এসেছে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচনের আয়োজন করতে। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার অন্য কোনো বিকল্প নেই।

সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই নির্বাচনি সংস্কার করা সম্ভব।

তিনি আরো বলেন, যে জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে শেখ হাসিনার পতন ঘটেছে, সেটাকে ধরে রাখতে হবে।

আমির খসরু বলেন, গত ১৫ বছর ধরে দেশে কোনো গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ছিল না। এখন সেই সময় এসেছে। দেশের মানুষকে একটি সুন্দর ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আবার গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, মুক্ত বাংলাদেশ গঠনের জন্য যে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, সেই মুক্ত বাংলাদেশে বসবাস করার আবার একটা স্বপ্ন আমাদের মনে জেগেছে। শেখ হাসিনা যখন পালিয়ে যাবেন, তখন বাংলাদেশের মানুষের মনোজগতের পরিবর্তন হবে। মানুষের আকাঙ্ক্ষা জেগেছে। নতুন ভাবনা এসেছে। আগামীর বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হলে আমাদের জাতীয় ঐক্য অটুট রাখতে হবে। এই জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে আমাদের গন্তব্যে পৌঁছাতে হবে। সেই গন্তব্যস্থল হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের মালিকানা তাদের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া।

তিনি বলেন, গত ১৫/১৬ বছর ধরে দেশে জনগণের কোনো ক্ষমতা ছিল না। আওয়ামী সরকার মানুষের ভোটাধিকার প্রয়োগ থেকে বঞ্চিত করেছে। এখন সময় এসেছে জনগণের মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার। অর্থাৎ ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে জনগণকে তাদের মালিকানা ফিরিয়ে দিতে হবে।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো ধ্বংস করে দিয়েছেন। দেশের অবকাঠামো ধ্বংস করেছেন। রাজনৈতিক কাঠামোও ধ্বংস করেছেন। সেগুলো আমাদের একত্রিত হয়ে সংস্কার করতে হবে বলেও জানান এই নেতা।

সুয়ারেজের গোলে

সুয়ারেজের গোলে মায়ামির জয়

সুয়ারেজের গোলে মায়ামির জয়

ডেস্ক রিপোর্ট:

চোট থেকে ফিরে আরও আগ্রাসী মেজাজে মাঠে ফিরেছেন লিওনেল মেসি। পরপর দুটি ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে তিনি রীতিমতো হৈচৈ ফেলে দিয়েছিলেন। এমএলএসে আটলান্টা ইউনাইটেডের বিপক্ষে ম্যাচেও দর্শকদের নজর ছিল আর্জেন্টাইন মহাতারকার দিকে। তবে এদিন গোল পাননি রেকর্ড আটবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই খেলোয়াড়। কিন্তু এতে ইন্টার মায়ামির জয় থেমে থাকেনি। ২-১ গোলে জয় তুলে নিয়ে প্লে-অফে নিজেদের প্রথম জয় পায় মায়ামি, এবং তিন ম্যাচের প্লে-অফ সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেছে মেসির দল।

ইন্টার মায়ামির ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচে দলটির জয়ের দুটি গোল করেন লুইস সুয়ারেজ ও জর্দি আলবা। নিজে গোল করতে না পারলেও দ্বিতীয় গোলটি এসেছে মেসির অ্যাসিস্ট থেকেই, যার ফলে ম্যাচটি জয় করে মাঠ ছাড়ে মায়ামি।

ম্যাচ শুরু হয় লুইস সুয়ারেজের দ্রুত গোলের মাধ্যমে। দুই মিনিটের মাথায় প্রতিপক্ষের ভুলে বল পেয়ে গোল করেন উরুগুইয়ান স্ট্রাইকার। এরপর মায়ামি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয়, এবং ৭ মিনিটে মেসির একটি শট আটলান্টা গোলরক্ষক ব্রাড গুজান না ঠেকালে তখনই ব্যবধান আরও বাড়াতে পারত মায়ামি।

২৬ মিনিটে আবারও গোলের কাছাকাছি পৌঁছান মেসি, কিন্তু গুজান তার প্রচেষ্টা প্রতিহত করেন। মায়ামি ব্যবধান বাড়াতে না পারলেও, ৩৯ মিনিটে স্রোতের বিপরীতে গোল করে সমতা ফেরায় আটলান্টা, এবং প্রথমার্ধ সমতায় শেষ হয়।

বিরতির পর মায়ামি একের পর এক আক্রমণ চালায়। ৫২ মিনিটে ফ্রি-কিক থেকে সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন মেসি। ৫৬ মিনিটে মেসির তৈরি করা আক্রমণ থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন ডিয়েগো গোমেজ। তবে ৬০ মিনিটে মেসির পাস থেকে আলবা গোল করে দলকে কাঙ্ক্ষিত লিড এনে দেন।

তিন ম্যাচের প্লে-অফের দ্বিতীয় ম্যাচ মাঠে গড়াবে আগামী ৩ নভেম্বর ভোর ৫টায় মার্সিডিজ বেঞ্জ স্টেডিয়ামে। এরপর ১০ নভেম্বর চেজ স্টেডিয়ামে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হবে মায়ামি ও আটলান্টা।

ইরানের তিন প্রদেশে সামরিক কেন্দ্রে

ইরানের তিন প্রদেশে সামরিক কেন্দ্রে ইসরায়েলের হামলা

ইরানের তিন প্রদেশে সামরিক কেন্দ্রে ইসরায়েলের হামলা

ডেস্ক রিপোর্ট:

ইসরায়েলি বাহিনী ইরানের তিনটি প্রদেশে সামরিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। ইরানের ন্যাশনাল এয়ার ডিফেন্স হেডকোয়ার্টার্স জানিয়েছে যে ইসরায়েলি বাহিনী তেহরান, খুজেস্তান ও ইলাম প্রদেশে সামরিক কেন্দ্রে আক্রমণ করেছে।

ডিফেন্স হেডকোয়ার্টার্স এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এই আক্রমণগুলো সনাক্ত করে এবং প্রতিরোধ করেছে। তবে কিছু এলাকায় সীমিত ক্ষতি হয়েছে বলে জানানো হয় এবং সেই ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণে তদন্ত চলছে।

অন্যদিকে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায় যে তারা ইরানি ভূখণ্ডের কৌশলগত সম্পদগুলোর ওপর আক্রমণ চালিয়েছে এবং তাদের অভিযান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এক বিবৃতিতে ইসরায়েলের পক্ষ থেকে বলা হয়, “আইডিএফ ইরানের বিভিন্ন অঞ্চলে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে হামলা চালিয়েছে, এবং আমাদের বিমানগুলো নিরাপদে ফিরে এসেছে। ইরান থেকে ইসরায়েলের ওপর করা আক্রমণের প্রতিক্রিয়াতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।”

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ইসরায়েলি বিমান বাহিনী ইরানের কিছু ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্রে আক্রমণ চালিয়েছে, যেগুলো ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য তাৎক্ষণিক হুমকি সৃষ্টি করেছিল। ইসরায়েল দাবি করে, এই আক্রমণে ভূপৃষ্ঠ থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রের ওপরেও আঘাত হানা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) রাতে ইরানের রাজধানী তেহরানে শক্তিশালী কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পরে ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী জানায়, তারা ইরানে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাচ্ছে।

সূত্র : রয়টার্স

আগামীর বাংলাদেশ পরিচালনা করবে

আগামীর বাংলাদেশ পরিচালনা করবে হেফাজত : চাঁদপুরে মামুনুল হক

আগামীর বাংলাদেশ পরিচালনা করবে হেফাজত : চাঁদপুরে মামুনুল হক

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় মহাসচিব আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, আমরা পালাইনি; পালিয়েছে ইতিহাসের গণহত্যাকারী, খুনী, জালিম শেখ হাসিনা ও তার দোসররা। হেফাজত কখনো পালিয়ে যাবেনা, এ দেশে ইসলাম বিরোধী কোনো নাস্তিকবাদী চক্রান্ত বাস্তবায়ন হতে দেওয়া হবে না। আগামীর বাংলাদেশ পরিচালনা করবে হেফাজত। শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বিকেল ৪ টায় চাঁদপুর শহরের হাসান আলী হাই স্কুল মাঠে ‘শাপলা চত্বরে হেফাজত ইসলামের আন্দোলন ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গণহত্যার বিচারের দাবি ও নৈরাজ্যেবাদ প্রতিরোধে’ খেলাফত মজলিস চাঁদপুর জেলা শাখার উদ্যোগে গণ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত ফ্যাসিবাদী আ’লীগ সরকার বিনা কারণে গুলি করে পাখির মত মানুষ হত্যা করেছে। ওই জালিম সরকার ২০১৩ সালের ৫ ও ৬ মে শাপলা চত্ত্বরে রাতের আঁধারে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে নবী প্রেমিক মুসলমানদের প্রার্থনারত অবস্থায় গুলি করে হত্যা করেছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল গঠিত হয়েছে। শাপলা চত্ত্বরের খুন, চট্টগ্রামের হাঁটহাজীর খুন, ২৪ সালের ছাত্র-জনতা খুনসহ সকল খুনের বিচার করা হবে এ বাংলার মাটিতে। হেফাজত অনেক বিষয়ে ছাড় দিতে পারে, কিন্তু আগামী প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের ইমানহরণ করার চেষ্টা করা হলে তাদের চেয়ে কঠোর আর কেউ হবে না।

আল্লামা মামুনুল হক বলেন, ছাত্র জনতা ও আবু সাঈদ, মীর মুগ্ধ হত্যার সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করে ধরে এনে বাংলার মাটিতে বিচার করতে হবে। যদি সেই বিচার করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ব্যর্থ হয়। জনতার আদালতে তাদেরকে জবাবদিহিতার কাঠগড়ায় দাড় করাতে হবে। শেখ হাসিনা সরকার তার দল আওয়ামী লীগ বিগত ১৬বছর পর্যন্ত বাংলাদেশ মানুষের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ গ্রহণের রাজনীতি করেছে। জুলাই বিপ্লবের অভূতপূর্ব ঐক্য বিনষ্ট করতে নতুন ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। বাংলাদেশের শত্রুরা বিদেশের মাটিতে বসে আবার ষড়যন্ত্র করছে। এ ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে। শেখ হাসিনা এখন গিয়ে খুনের নেশায় মাতাল হয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সঙ্গে আখরা করেছে। যদি সেখান থেকে বসে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় হস্তেক্ষেপ করার চেষ্টা করা হয়, তাহলে বাংলাদেশের মাটিতে ভারতীয় দূতাবাস থাকতে পারবে না।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের যারা বিগত ১৫ বছর পর্যন্ত হাতুরিলীগের ভূমিকা পালন করেছেন মনে রাখবেন এখন বাংলাদেশ আর সেই ১৬ বছর আগের ফ্যাসিবাদি পরাধীন বাংলাদেশ নয়। বাংলাদেশ আজ স্বাধীন বাংলাদেশ। ছাত্র জনতার রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই দেশে যদি কোন নৈরাজ্য সৃষ্টির পায়তারা করা হয় তাহলে তাদেরকে প্রতিহত করা হবে।

হেফাজত ইসলাম চাঁদপুর জেলা শাখার সভাপতি মাওঃ লিয়াকত হুসাইন এর সভাপতিত্বে ও চাঁদপুর জেলা যুব মজলিসের সহ-সভাপতি মাওলানা নুরে আলমের সঞ্চালনায় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিস, চাঁদপুর জেলা শাখার সমাজ জল্যাণ সম্পাদক, মাওলানা মোজ্জামেল মিয়াজী, সদর উপজেলার সভাপতি মাওলানা মোশাররফ হোসাইন, সহ-সভাপতি মাওলানা আবু ইউছুফ, সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুল কাদের, ছাত্র মজলিস, চাঁদপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক হাফেজ ইসমাঈল, চাঁদপুর শহর খেলাফত মজলিসের সেক্রেটারী মাওলানা নুরুল ইসলাম, খেলাফত যুব মজলিস, চাঁদপুর জেলার সাবেক সভাপতি, হাফেজ রুহুল আমিন নেয়ামত, খেলাফত যুব মজলিস, চাঁদপুর জেলার সভাপতি মাওলানা তারেক হাসান, খেলাফত মজলিস, চাঁদপুর জেলা শাখার সমাজ জল্যাণ সম্পাদক, মাওলানা মোজ্জামেল মিয়াজী, সদর উপজেলার সভাপতি মাওলানা মোশাররফ হোসাইন, সহ-সভাপতি মাওলানা আবু ইউছুফ, সেক্রেটারী মাওলানা আব্দুল কাদের, ছাত্র মজলিস, চাঁদপুর জেলা শাখার আহ্বায়ক হাফেজ ইসমাঈল, চাঁদপুর শহর খেলাফত মজলিসের সেক্রেটারী মাওলানা নুরুল ইসলাম, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস, চাঁদপুর জেলার সাবেক সভাপতি, হাফেজ রুহুল আমিন নেয়ামত, বাংলাদেশ খেলাফত যুব মজলিস, চাঁদপুর জেলার সভাপতি মাওলানা তারেক হাসান।

শাপলা চত্বরে হেফাজত ইসলামের আন্দোলন ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গণহত্যার বিচারের দাবি ও নৈরাজ্যেবাদ প্রতিরোধে অনুষ্ঠিত সমাবেশে অংশ নিতে জুমার আগ থেকেই হেফাজত ইসলাম ও খেলাফত মজলিসের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকে। বিকেলে কানায় কানায় মাঠ পূর্ণ হয়ে যায়। প্রায় ১০ সহস্রাধিক ধর্মপ্রাণ মানুষ আল্লামা মামুনুল হকের বক্তব্য শুনতে সমাবেশে জমায়েত হয়।