All posts by jitu

ব্রাহ্মণপাড়ায় রাস্তার উপর বাঁশের সাঁকো

ব্রাহ্মণপাড়ায় রাস্তার উপর বাঁশের সাঁকো ৫০ হাজার মানুষের দূর্ভোগ চরমে

ব্রাহ্মণপাড়ায় রাস্তার উপর বাঁশের সাঁকো ৫০ হাজার মানুষের দূর্ভোগ চরমে

মোঃ শরিফ খান আকাশ:

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় বন্যা শেষ হয়ে গেলেও মানুষের দুর্ভোগ এখনো শেষ হয়নি। উপজেলার চান্দলা টানাব্রীজ-মন্দভাগ সড়কটির ৩ কিলোমিটার মধ্যে ৩ টি স্থানে বন্যার পানির স্রোতে ভেঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে বন্যা পরবর্তী সময় থেকে এখনো পর্যন্ত সড়কটিতে যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। সড়কের বাকী অংশজুড়ে কার্পেটিং ও পিচ উঠে ইটের খোয়া বেরিয়ে গেছে এবং কয়েকশ ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ সড়কে বর্তমানে পায়ে হেঁটে চলাচলের জন্য তিন স্থানে রাস্তায় উপর বাঁশের সাঁকো তৈরি করে এলাকাবাসী।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, সড়কের শান্তিনগর এলাকার পশ্চিম অংশে প্রায় ৫০ ফুট, একই এলাকার পূর্ব অংশে প্রায় ১০০ ফুট এবং সড়কের দেউশ অংশে প্রায় ২০ ফুট ভেঙ্গে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

উপজেলার রামচন্দ্রপুর, শান্তিনগর, সাজঘর, দেউশ, রাহুল খাঁর, চড়ের পাথর, মন্দভাগ, চৌব্বাস, গ্রামের প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষের আসা-যাওয়ার একমাত্র সড়ক এটি। সড়কটি দিয়ে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় এসব গ্রামের মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, চাকরিজীবী ও শ্রমজীবী মানুষেরা পায়ে হেঁটে বিভিন্ন স্থানে যেতে হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে শিশু, মহিলা ও বিভিন্ন রোগীরা।

এ ব্যাপারে চান্দলা শান্তিনগর গ্রামের অপু আহমেদ জানান, বন্যার পানির স্রোতে এই সড়কের তিনটি স্থান ভেঙ্গে যায়। আমরা যু্বসমাজ স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে তিনটি স্থানে বাঁশের সাঁকু দিয়ে পায়ে হেটে চলাচলের ব্যবস্থা করেছি। কিন্তু এখন যানচলাচল বন্ধ থাকায় প্রতিদিন প্রায় ৩ কিলোমিটার হেটে (মিরপুর-কুমিল্লা) সড়কে এসে বিভিন্ন যানবাহনে উঠতে হয়।

ব্রাহ্মণপাড়ায় রাস্তার উপর বাঁশের সাঁকো

মোশাররফ হোসেন খান চৌধুরী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ছাত্র ও সাজঘর উত্তরপাড় গ্রামের বাসিন্দা শাকিব বলেন, আমার কলেজের ক্লাস শুরু হয় সকাল ১০ টায়। আমি বাড়ি থেকে ৮ টার সময় রওনা দিয়ে বের হতে হয়। কারণ আমার প্রায় আড়াই কিলোমিটার পথ হেঁটে গাড়িতে উঠতে হয়। এই সড়কটি অতি জরুরী ভিত্তিতে মেরামত না হলে আমাদের ভোগান্তি শেষ হবে না। তাই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আমাদের অনুরোধ সড়কটি যেন অতি দ্রুত মেরামত করার ব্যবস্থা করা হয়।

এ ব্যপারে জানতে চাইলে শশীদল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিকুল ইসলাম রিয়াদ বলেন, আমার ইউনিয়নে রাস্তাগুলো বন্যায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাছাড়া উপজেলা সদরের যাওয়ার একমাত্র সড়কটি (মন্দভাগ – চান্দলা) বিভিন্ন জায়গায় ভেঙে গেছে। আমার শশীদল ইউনিয়নের এ সমস্ত সড়ক মেরামত করে সাধারণ মানুষের চলাচলের উপযোগী করতে প্রায় ৩ থেকে ৪ কোটি টাকা খরচ হবে বলে তিনি আরো জানান।

এ ব্যপারে এলজিইডির ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবদুর রহিম বলেন, বন্যায় শশীদল ইউনিয়নের প্রায় ২০ টি কাঁচা -পাকা সড়কের ৭০ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়কগুলো মেরামত না করলে ছোট বড় গাড়ি চলাচলে ব্যহত হবে।এ নিয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

কলেজ ছাত্রীকে

কলেজ ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় যুবক গ্রেফতার

কলেজ ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় যুবক গ্রেফতার

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় কলেজ ছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় সাকিব আহম্মেদ নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব।

গ্রেফতারকৃত যুবক উপজেলার হাসনাবাদ গ্রামের রিপন মিয়ার ছেলে।

শনিবার ভোরে নরসিংদীর পলাশে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব ১১’র কোম্পানি কমান্ডার মাহমুদুল হাসান গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

র‌্যাব জানায়, ওই ছাত্রীকে প্রায়ই প্রেমের প্রস্তাব দিত সাকিব। এতে সাড়া না পেয়ে বিভিন্ন ধরনের হুমকিসহ অপহরণের ভয় দেখায়। পরে ২০ সেপ্টেম্বর সাকিব ও তার সহযোগীরা ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে মাইক্রোবাস যোগে গাজীপুরের কোনাবাড়ী উপজেলার একটি বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণ করে সাকিব। পরে পরিবারের লোকজন ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে।

র‌্যাবের কোম্পানি কমান্ডার মাহমুদুল হাসান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাকিব ধর্ষণের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।

অর্ধকোটি টাকার ভারতীয়

অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি

অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করেছে বিজিবি

ডেস্ক রিপোর্টঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিজিবির অভিযানে প্রায় অর্ধকোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়েছে।

এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে- মোবাইল ফোনের ডিসপ্লে, ভারতীয় ট্যাবলেট, ভারতীয় ক্রিম, ভারতীয় উন্নতমানের জর্জেট শাড়ি এবং ভারতীয় সিগারেট।

শনিবার বিজিবির সরাইল ব্যাটালিয়ন ২৫ থেকে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সরাইল ব্যাটালিয়ন ২৫ বিজিবির অধীনস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা বাইপাস নামক এলাকায় একটি বিশেষ অভিযানে সিলেট হতে ঢাকাগামী এস এ পরিবহনের একটি কাভার্ড ভ্যান হতে এসব ভারতীয় মালামাল জব্দ করতে সক্ষম হয়।

বর্তমানে জব্দকৃত ভারতীয় চোরাচালানী মালামালসমূহ বিজিবি’র হেফাজতে রয়েছে যা আখাউড়া কাস্টমস্ অফিসে জমা করার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

ওবায়দুল কাদের-হারুন-নানকের

ওবায়দুল কাদের-হারুন-নানকের তথ্য পেলেই গ্রেফতার: র‌্যাব

ওবায়দুল কাদের-হারুন-নানকের তথ্য পেলেই গ্রেফতার: র‌্যাব

ডেস্ক রিপোর্ট:

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাবেক ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের বিষয়ে তথ্য পেলে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

রোববার (৬ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস এ কথা বলেন।

র‌্যাব ইতোমধ্যে অনেক হেভিওয়েটকে গ্রেফতার করেছে। তবে এখন পর্যন্ত ওবায়দুল কাদের, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও হারুন অর রশীদের মতো বিতর্কিতদের গ্রেফতার করতে পারেনি। তাদের গ্রেফতারের অগ্রগতির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “তাদের বিষয়ে আমাদের কাজ চলছে। তথ্য পেলেই গ্রেফতার করা হবে।”

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে গণহত্যায় জড়িতদের গ্রেফতারে র‌্যাবের ভূমিকা সম্পর্কে জানতে চাইলে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মুনীম ফেরদৌস জানান, ৫ আগস্টের পর থেকে র‌্যাব এক হাজার ৭০ জনকে গ্রেফতার করেছে। এর মধ্যে বিগত সরকারের উচ্চপর্যায়ের ৩৯ জন রয়েছেন। পাশাপাশি অস্ত্র হাতে ছাত্র-জনতার ওপর গুলির ঘটনায় ১৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, যাদের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

র‌্যাব নেতৃত্বস্থানীয় রাজনৈতিক নেতা থেকে শুরু করে উচ্চপর্যায়ের অনেককেই গ্রেফতার করেছে। এছাড়া বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে। তিনি বলেন, “যদি কেউ কোনো তথ্য পান, তাহলে র‌্যাবকে দিলে অবশ্যই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। র‌্যাব সবসময় সাধারণ মানুষের পাশে আছে।”

পুলিশের ৯০ জনের বেশি কর্মকর্তা এজাহারভুক্ত আসামি হলেও র‌্যাবের কোনো সদস্যকে আসামি করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে মুনীম ফেরদৌস বলেন, “র‌্যাবের কোনো সদস্য পালিয়ে যায়নি। অন্য বাহিনীতে হলেও র‌্যাবের কোনো সদস্য কর্মবিরতিতে যায়নি।”

তিনি আরো জানান, “আটটি বাহিনী থেকে র‌্যাবে সদস্য আসে। র‌্যাবের ১০ হাজার সদস্যের মধ্যে প্রায় ৪৪ শতাংশ পুলিশ বাহিনী থেকে আসে। কিন্তু র‌্যাবে কোনো সমস্যা ছিল না। ছাত্র-জনতার ওপর র‌্যাব কখনোই মারণাস্ত্র-গুলি ব্যবহার করেনি। র‌্যাব ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সঙ্গে ছিল এবং অভ্যুত্থান সফল করতে কাজ করে যাচ্ছে।”

নোয়াখালীতে

নোয়াখালীতে বৃদ্ধ বাবাকে পিটিয়ে হত্যা করল ছেলে

নোয়াখালীতে বৃদ্ধ বাবাকে পিটিয়ে হত্যা করল ছেলে

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীতে বৃদ্ধ বাবাকে পিটিয়ে হত্যা করেছে ছেলে। তবে ঘটনার পর থেকে ঘাতক ছেলে পলাতক রয়েছে।

নিহত আব্দুস সোবহান (৬৫) উপজেলার সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৭নম্বর ওয়ার্ডের নাওতলা গ্রামের আলী আজম বেপারী বাড়ির মৃত ফজলের রহমানের ছেলে।

শনিবার (৫ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার সোনাইমুড়ী পৌরসভার নাওতলা গ্রামের আলী আজম বেপারী বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যার দিকে নিজ বাড়িতে পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে বাবা আব্দুস সোবানের সাথে বিরোধে জড়ায় তার বড় ছেলে শহীদুল্লাহ (৩৮)। কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে বাবাকে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে ও হাত দিয়ে বেধড়ক মারধর করে ছেলে। পরে শহীদুল্লাহ তার বাবাকে মাটিতে পেলে লাথি মেরে বুকের বাম পাশের পাঁজর ভেঙ্গে দেয়। তাৎক্ষণিক পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে সোনাইমুড়ী পপুলার হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত পৌনে ৮টার দিকে তার মৃত্যু হয়।

পুলিশ আরও জানায়, নিহত সোবহানের ৬ মেয়ে দুই ছেলে। ছোট ছেলে কিছু দিন আগে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায়। বড় ছেলে শহীদুল্লাহ পেশায় একজন রিকশাচালক। এর আগেও আরেকবার বাবাকে মারধর করে সে। এবার ছেলের আঘাতে গুরুত্বর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাবার মৃত্যু হয়।

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদ আলম বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে লাশের সুরতহাল প্রতিবদেন তৈরী করে। মরদেহ উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। অভিযুক্ত ছেলেকে গ্রেপ্তারে চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

এক মাসে সয়াবিন তেলের

এক মাসে সয়াবিন তেলের লিটারপ্রতি দাম বেড়েছে ১০ টাকা

এক মাসে সয়াবিন তেলের লিটারপ্রতি দাম বেড়েছে ১০ টাকা

ডেস্ক রিপোর্ট:

আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি ও সরবরাহ সংকটের অজুহাতে খোলা ভোজ্যতেলের দাম হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে। গত এক মাসে সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ১০ টাকা এবং পাম তেলের দাম সর্বোচ্চ ১৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। তবে বোতলজাত ভোজ্যতেলের দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) বাজার তদারকির তথ্য অনুযায়ী, গতকাল শনিবার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হয়েছে প্রতি লিটার ১৫১ থেকে ১৫৫ টাকায়, যা এক মাস আগে ছিল ১৪৫ থেকে ১৫২ টাকা। খোলা পাম তেলের দাম ছিল ১৩৭ থেকে ১৪২ টাকা, এক মাস আগে ছিল ১৩০ থেকে ১৩৫ টাকা।

ঢাকার মৌলভীবাজারের ভোজ্যতেল ব্যবসায়ী আব্দুল জব্বার জানান, এক মাসের ব্যবধানে পাম তেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা এবং সয়াবিন তেলের দাম ১০ টাকা বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারের দাম বৃদ্ধির কারণেই দেশেও এ মূল্যবৃদ্ধি হয়েছে বলে তিনি জানান।

অন্য আরেক ব্যবসায়ী মোজাহিদুল ইসলাম হিরা জানান, এক মাস আগে ২০৪ লিটারের একটি ব্যারেল সয়াবিন তেলের দাম ছিল ২৯ হাজার টাকা, যা লিটারপ্রতি ১৪২ টাকা ১৬ পয়সায় পড়ত। বর্তমানে ব্যারেলপ্রতি দাম ৩১ হাজার টাকা, অর্থাৎ প্রতি লিটারে দাম ১৫১ টাকা ৯৬ পয়সা। পাম তেলের দাম এক মাস আগে ২৫ হাজার টাকা ছিল, যা এখন ২৯ হাজার ৭৫০ টাকা হয়েছে, ফলে লিটারপ্রতি ২৩ টাকা ২৮ পয়সা বেড়েছে।

দেশের বাজারে ভোজ্যতেলের সরবরাহকারী কোম্পানিগুলোর মধ্যে সিটি, মেঘনা, এস আলম, টিকে, শবনম, বসুন্ধরা ও বাটারফ্লাই অন্যতম। এস আলম গ্রুপ কম দামে সরবরাহ আদেশ (এসও) বিক্রি করলেও বর্তমানে তাদের আমদানির পরিমাণ কমেছে।

বসুন্ধরা গ্রুপের পরিচালক রেদোয়ানুর রহমান জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে পাম তেলের দাম ২০ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং সয়াবিন তেলের দামকে ছাপিয়ে গেছে। বর্তমানে প্রতি টন অপরিশোধিত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ১,১০০ ডলারে এবং পাম তেল বিক্রি হচ্ছে ১,১২৫ ডলারে।

তিনি আরও বলেন, প্রতিযোগিতামূলক বাজারে সরবরাহ বেশি থাকলে দাম বাড়ার সুযোগ থাকে না, কিন্তু সরবরাহ সংকট থাকলে দাম বেড়ে যায়।

বাংলাদেশ ব্রেড বিস্কুট অ্যান্ড কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক রেজাউল হক রেজু জানান, পাম তেলের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের উৎপাদন খরচ বেড়েছে, তবে তারা এখনও পণ্যের দাম বাড়াচ্ছেন না এবং আরও কিছুদিন অপেক্ষা করবেন।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, দেশে বছরে ২২ লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা রয়েছে, যার মধ্যে মাত্র ২ লাখ ৫০ হাজার টন দেশীয় উৎপাদন। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে অপরিশোধিত ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে ২৩ লাখ টন।

সূত্র: ইত্তেফাক

বসুন্ধরা কিংস ফুটবল একাডেমির

বসুন্ধরা কিংস ফুটবল একাডেমির যাত্রা শুরু

বসুন্ধরা কিংস ফুটবল একাডেমির যাত্রা শুরু

ডেস্ক রিপোর্ট:

বসুন্ধরা কিংস ফুটবল একাডেমি যাত্রা শুরু করেছে। শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবলে সব রকম আধুনিকতা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা ক্লাবটি এই একাডেমির মধ্য দিয়ে এবার আরেকটি স্বপ্ন পূরণের পথে পা বাড়াল।

বৃষ্টির মাঝেও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা কিংসের অনুশীলন মাঠে হাজির হয় একঝাঁক শিশু-কিশোর। তাদের আগামীর তারকা বানানোই একাডেমির লক্ষ্য। কেউ বাবা আবার কেউবা মায়ের হাত ধরে আসেন বসুন্ধরা কিংসের স্বপ্নের একাডেমিতে নিজের ছাপ রাখতে।

বয়সভিত্তিকের তিন ক্যাটাগরিতে (৬-১১, ১১-১৫ ও ১৫-১৮ বছর) প্রায় ৭০ জনকে নিয়ে শুরু হচ্ছে বসুন্ধরা কিংস ফুটবল একাডেমির কার্যক্রম।
বসুন্ধরা কিংস সভাপতি ইমরুল হাসান বলেছেন, ‘আজকে আমাদের একাডেমির যাত্রা শুরু হলো। এই একাডেমি চালু করা আমাদের স্বপ্ন বলতে পারেন। যদিও এখনি পূর্ণাঙ্গ একাডেমি বলা যাবে না। তারপরও যাত্রা শুরু হলো। আমরা আশাবাদী, এখানে যারা অনুশীলন করবে তারা একসময় বসুন্ধরা কিংসের মূল দলেও সুযোগ পাবে। ’

সপ্তাহে তিন দিন দেওয়া হবে ফুটবল প্রশিক্ষণ। যদিও শুরুতে অনাবাসিক হলেও এক বছরের মধ্যে আবাসিক অনুশীলন শুরু করবে কিংস। ইমরুল হাসান বলেন, ‘আমাদের প্রাথমিক পর্যায়ে অনাবাসিক রেখেছি। যদিও আবাসিকের জন্য সাড়া বেশি ছিল। আমরা হয়তো ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে আবাসিকে যাব। ’

শুরুতে ভর্তি হতে একজনের জন্য খরচ করতে হচ্ছে দশ হাজার টাকা, মাসিক বেতন ছয় হাজার করে। তবে যারা প্রতিভাবান কিন্তু দরিদ্র পরিবারের তাদের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণের সুযোগ করে দেওয়া হবে।

সারা দেশের বিভাগীয় আট শহরে ট্যালেন্ট হান্ট করে প্রতিভাবান খুদে ও কিশোর ফুটবলার খুঁজে বের করা হবে জানিয়েছেন ইমরুল। তিনি বলেন, ‘শুধু ঢাকা নয়, আটটি বিভাগীয় শহরে ট্যালেন্ট হান্ট করব। সেখানে যদি প্রতিভাবান খেলোয়াড় পাই তাহলে তাদেরকে সম্পূর্ণ বিনা বেতনে আমাদের একাডেমিতে সুযোগ করে দেব। যখন আবাসিক ক্যাম্প শুরু হবে তখন তাদেরকে নিয়ে আসা হবে। ’

ইসরাইলের জবাবে আমাদের প্রতিক্রিয়া

ইসরাইলের জবাবে আমাদের প্রতিক্রিয়া আরও শক্তিশালী এবং কঠোর হবে: ইরান

ইসরাইলের জবাবে আমাদের প্রতিক্রিয়া আরও শক্তিশালী এবং কঠোর হবে: ইরান

ডেস্ক রিপোর্ট:

ইসরাইলে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিক্রিয়ায় দ্রুতই ইরানে হামলা চালানোর জন্য ‘প্রস্তুত’ বলে ঘোষণা করেছে ইসরাইল। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও ইরানের উপর ইসরাইলের সম্ভাব্য প্রত্যাঘাতের সমর্থনে কথা বলেছেন। এমন উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, ইসরাইল যদি কোনো আক্রমণের চেষ্টা করে, তবে তেহরানের প্রতিক্রিয়া আরও শক্তিশালী এবং কঠোর হবে।

শনিবার সিরিয়ার রাজধানী দামেস্কে এক সংবাদ সম্মেলনে এই মন্তব্য করেন আরাগচি, যা ইরানের সংবাদ সংস্থা মেহর নিউজের এক প্রতিবেদনে প্রকাশিত হয়েছে।

আরাগচির দামেস্ক সফরের মূল লক্ষ্য ছিল সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করা। আসাদের সরকার ইরানের দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক মিত্র, এবং ইরান সমর্থিত হিজবুল্লাহও তাদের ঘনিষ্ঠ সহযোগী। হিজবুল্লাহ ইরানের কাছ থেকে দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক এবং সামরিক সহায়তা পেয়ে আসছে।

সিরিয়া সফর সম্পর্কে আরাগচি বলেন, ‘ইসরাইলের যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ইরানের প্রতিক্রিয়া আরও কঠোর হবে। তারা আমাদের ধৈর্যের পরীক্ষা নিতে পারে, কিন্তু প্রতিক্রিয়া হবে আরও শক্তিশালী।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দামেস্কে প্রেসিডেন্ট আসাদের সাথে গঠনমূলক আলোচনা করেছি এবং ইসরাইলি আগ্রাসনের মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

আরাগচি আরও বলেন, ‘দামেস্ক এবং বৈরুত সফরের মাধ্যমে আমরা এই বার্তা দিতে চাই যে ইরান যেকোনো পরিস্থিতিতে ইসরাইলি আগ্রাসনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে।’

প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার ইরান ইসরাইল লক্ষ্য করে প্রায় ১৮০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড এবং ইসরাইলি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে বেশিরভাগ ক্ষেপণাস্ত্র আকাশেই ধ্বংস করা হয়। কিছু ক্ষেপণাস্ত্র তাদের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে সক্ষম হয়েছিল।

এর আগে শুক্রবার বৈরুত সফর করেছিলেন আরাগচি, যেখানে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে লেবানন ও সিরিয়ার নেতাদের সাথে বৈঠক করেন তিনি।

বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক কমিটিতে

বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ক কমিটিতে চাঁদপুরের সাবেক এমপি রাশেদা বেগম হীরা