All posts by jitu

লেবাননে ইসরায়েলের মুহুর্মুহু হামলা

লেবাননে ইসরায়েলের মুহুর্মুহু হামলা, নিহত ১০৫

লেবাননে ইসরায়েলের মুহুর্মুহু হামলা, নিহত ১০৫

ডেস্ক রিপোর্ট:

ইসরায়েলি বাহিনী একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে লেবাননে। ইসরায়েলের নতুন করে চালানো অতর্কিত হামলায় লেবাননে অন্তত ১০৫ জন নিহত এবং ৩৫৯ জন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা, যা লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সিডনের কাছে আইন-আল দেবলে ইসরায়েলের হামলায় দুইটি আবাসিক ভবন ধ্বংস হয়েছে। এতে ৩২ জন নিহত হন। এই হামলাকে লেবাননের রাজনৈতিক নেতারা গণহত্যা হিসেবে অভিহিত করেছেন।

ইসরায়েলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, তারা হিজবুল্লাহর স্থাপনাকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে। তবে লেবাননের কর্মকর্তাদের বক্তব্য, লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে বাড়ি এবং অন্যান্য ভবন লক্ষ্য করে বোমাবর্ষণ করা হয়েছে। বৈরুতের উপকণ্ঠে এবং বেকা ও বালবেক-হারমেল গভর্নরেটেও হামলা চালানো হয়েছে।

সোমবার ভোরে স্থানীয় মিডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েল বৈরুতের কেন্দ্রীয় কোলা ব্রিজ এলাকায় বিমান হামলা চালিয়েছে। লেবাননের মতে, গত ২৪ ঘণ্টায় সব মিলিয়ে শতাধিক মানুষ নিহত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসরায়েল হিজবুল্লাহকে যতটা সংগঠিত ও শক্তিশালী মনে করেছিল, বাস্তবে তাদের তেমনটা মনে হচ্ছে না। বরং তারা বেশ দুর্বল এবং এলোমেলো বলে মনে হচ্ছে। ওয়াশিংটন ইনস্টিটিউটের আরব স্টাডিজের একজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞ হানিন গদ্দার বলেন, ইরানও হিজবুল্লাহকে যথেষ্ট সহায়তা করছে না।

গদ্দারের মতে, গাজায় ইসরায়েলের সেনার প্রয়োজন আর তেমন নেই, কারণ তারা সেখানে অভিযান প্রায় গুটিয়ে এনেছে। ফলে ইসরায়েল গাজা থেকে সেনা সরিয়ে লেবাননের দিকে নিয়ে যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, ইসরায়েল অনেকেই মনে করেছিল হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহকে হত্যা করার জন্য এই আক্রমণগুলো চালাচ্ছে, কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, ইসরায়েলের অভিযানের লক্ষ্য সার্বিকভাবে হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, ইসরায়েলের এক আক্রমণে ইতিমধ্যেই নাসরুল্লাহর মৃত্যু হয়েছে।

দেশে পাঠানো হচ্ছে টাইগার রবিকে

দেশে পাঠানো হচ্ছে টাইগার রবিকে, নিষিদ্ধ হতে পারে ভারতে

দেশে পাঠানো হচ্ছে টাইগার রবিকে, নিষিদ্ধ হতে পারে ভারতে

ডেস্ক রিপোর্ট:

ভারতে কানপুর টেস্ট ম্যাচ চলাকালে বাংলাদেশি সমর্থক রবিউল ইসলাম রবি, যিনি টাইগার রবি নামেও পরিচিত, দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে। রবি মূলত মেডিকেল ভিসায় ভারতে গিয়েছিলেন, কিন্তু খেলাও দেখতে যান। গ্রিন পার্ক স্টেডিয়ামে খেলার সময় ভারতীয় দর্শকদের সঙ্গে হাতাহাতির ঘটনায় আহত হওয়ার দাবি করেছিলেন তিনি, তবে কানপুর পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। পাশাপাশি, তাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

কানপুর টেস্টের প্রথম দিনেই টাইগার রবি আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসেন। তার দাবি, স্থানীয় কিছু দর্শকের সঙ্গে কথা-কাটাকাটির পর বিষয়টি হাতাহাতিতে রূপ নেয়, এবং তাকে পাঁজর ও কোমরে আঘাত করা হয়। এ ঘটনায় সিটি-স্ক্যান ও এক্স-রে করা হলেও কোনো আঘাতের চিহ্ন মেলেনি। এদিকে, স্টেডিয়ামের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ জানিয়েছে, রবির অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। কানপুরের কল্যাণপুর এলাকার এসিপি অভিষেক পান্ড বলেছেন, মারামারির অভিযোগ মিথ্যা এবং রবি কোনো সমর্থকের দ্বারা আহত হননি। তাকে পুলিশ ও মেডিকেল টিম তৎক্ষণাৎ সহায়তা করে এবং হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন।

এর আগে চেন্নাই টেস্টেও টাইগার রবি হেনস্থার অভিযোগ তুলেছিলেন, যা বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকেও বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে। তাকে ভারত ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং ভারতে পুনরায় প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞাও আরোপ করা হতে পারে। রবিকে ইতোমধ্যে দিল্লি পাঠানো হয়েছে, সেখান থেকে তার ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।

এদিকে, টাইগার রবি ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়ে দাবি করেছেন, হাতাহাতির ঘটনাটি সত্য এবং তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের সাংবাদিক ও মিডিয়ার ওপর। তার অভিযোগ, মিডিয়া তার বক্তব্যকে ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন যে, ভবিষ্যতে তাকে আর ক্রিকেট মাঠে দেখা যাবে না।

সূত্র: ইত্তেফাক

দাউদকান্দিতে আলোচিত মহিউদ্দিন হত্যার প্রধান আসামিসহ দুইজন গ্রেপ্তার

 

স্টাফ রিপোর্টার:
এক হাতে চাপাতি আরেক হাতে কাটা হাত নিয়ে ভাইরাল হওয়া দাউদকান্দির সেই আনিস মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাতে ব্রাম্মনবাড়িয়া সদর বাসস্ট্যান্ড থাকে গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ জানায়, গত ৭সেপ্টেম্বর মহিউদ্দিন হত্যাকান্ডের পর থেকে আসামী আনিস মিয়া পলাতক ছিল। শনিবার রাতে প্রযুক্তির মাধ্যমে সনাক্ত করে আনিস ও শাকিলকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রবিবার ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে হত্যার দায় স্বীকার করেন বলে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক আব্দুল কুদ্দুস জানান।

তিনি বলেন, গত ৭সেপ্টেম্বর উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের ওলানপাড়া মসজিদ সংলগ্ন সড়কে মহিউদ্দিনের ওপর হামলা চালিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে তাকে হত্যা করে। পরে তার ডান হাতের কনুই বিছিন্ন করে নিয়ে যায়। বিচ্ছিন্ন হাতের অংশ নিয়ে হেঁটে যাওয়া আনিসের ১১ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে দেখা গেছে, আনিস এক হাতে চাপাতি আরেক হাতে মহিউদ্দিনের কাটা হাতের অংশ ঘোরাতে ঘোরাতে হেঁটে যাচ্ছে।

পরদিন মহিউদ্দিনের মনোয়ারা বেগম আনিসকে প্রধান আসামি করে ১০ জনের নামে দাউদকান্দি মডেল থানায় হত্যা মামলার পর এজাহারভুক্ত গৌরীপুর গ্রামের সফিক মিয়ার ছেলে বাবু(২০)কে গ্রেপ্তার করা হয় । মামলার প্রধান আসামি চান্দিনা উপজেলার শালিখা গ্রামের দুলাল মিয়ার ছেলে আনিস(২৬) এবং দুই নং আসামি দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর গ্রামের মতি মিয়ার ছেলে শাকিল মিয়া(২৮) শনিবার গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কুমিল্লা-চাঁদপুর সড়কে রুট পারমিট বিষয়ে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

হাবিবুর রহমান মুন্না/উজ্জ্বল হোসেন বিল্লাল:
কুমিল্লা-চাঁদপুর সড়কে রুট পারমিট বিষয়ে কুমিল্লা জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে কুমিল্লা জেলা সড়ক পরিবহন মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের নেতৃবৃন্দ।

রবিবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় কুমিল্লা প্রেসক্লাবে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি অধ্যাপক কবির আহমেদ,সাধারণ সম্পাদক জল্লিস আব্দুল রব, সহ সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হাই, বোগদাদ সার্ভিসের পরিচালক আলহাজ্ব আব্দুল হক, শ্রমিক ইউনিয়ন ২০২৬ এর সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন খন্দকার ও ৯৩৮ শ্রমিক ইউনিয়নের সকল নেতৃবৃন্দ ।

সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, গত কিছুদিন ধরে কুমিল্লা-চাঁদপুর সড়কে বাসের রুট পারমিট বিষয়ে একটি মহল কুমিল্লা জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা এবং অনলাইন মাধ্যমে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। বিষয়টি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। বিভিন্ন সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে- সব ধরনের বৈধ কাগজপত্র থাকার পরও অদৃশ্য কারণে কুমিল্লা-চাঁদপুর সড়কের কুমিল্লা অংশে যাত্রী পারাপার করতে পারছে না আইদি পরিবহনের বাস। যদিও আইদি পরিবহন নামীয় একটি বাস সার্ভিস কুমিল্লা-চাঁদপুর রুটে চলাচলের জন্য ২০২৩ সালের শেষ দিকে চাঁদপুর আরটিসিতে ২০টি গাড়ির রুট পারমিটের জন্য আবেদন করে। চাঁদপুর আরটিসি কর্তৃপক্ষ কুমিল্লার আরটিসির অনাপত্তি চায়। উল্লেখ্য যে, কুমিল্লায় ৩টি বাস টার্মিনাল রয়েছে। একটি আশ্রাফপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল, শাসনগাছা বাস টার্মিনাল এবং চশবাজার বাস টার্মিনাল। এই টার্মিনালগুলোতে ধারণ ক্ষমতার কয়েকগুণ বেশি গাড়ি রয়েছে। যার ফলে গাড়িগুলো মূল সড়কের উপর দাঁড় করিয়ে যাত্রী উঠানামা করায়। ফলে সার্বক্ষণিক যানজট লেগে থাকে। এর ফলে প্রতিনিয়ত যানজটে অতিষ্ঠ মানুষজনের ভোগান্তি বেড়েই চলেছে। এমনটি বাস-স্টাফদের সাথে এলাকাবাসী, দোকানী ও পথচারীদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ঝগড়াঝাটি লেগেই আছে। এগুলো প্রতিনিয়ত প্রশাসনের নজরে আসছে এবং বিভিন্ন সময় সভা-সেমিনারও হচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে এর কোনো সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। এর প্রেক্ষিতে বিগত ২০২২ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লা আরটিসি কর্তৃপক্ষ এই তিনটি টার্মিনালের মধ্যে আশ্রাফপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল সম্প্রসারণ ও অন্য দুটি টার্মিনাল স্থানান্তর না হওয়া পর্যন্ত কুমিল্লা থেকে যে কোনো রুটে নতুন কোনো সার্ভিসের অনুমোদন না দেওয়ার জন্য সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এটি সম্পূর্ণ প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত। এতে কুমিল্লা জেলা সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপ, শ্রমিক ইউনিয়ন বা কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ ছিলো না । যদিও আইদি পরিবহন বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পরিচয় বহন করে। তাদের সার্ভিসটি অনুমোদনের জন্য বিগত ২০২৩ সালের ৩০ আগস্ট চাঁদপুর জেলা আরটিসির মিটিংয়ে জোর সুপারিশ করেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু নাঈম দুলাল পাটোয়ারি। যা ৩০ আগস্ট চাঁদপুর আরটিসির কার্যবিবরণীতে উল্লেখ করা আছে। এছাড়াও চাঁদপুর থেকে জগতপুর পর্যন্ত চলাচলের জন্য সার্ভিসটি উদ্বোধন করেন সাবেক সংসদ সদস্য মেজর রফিকুল ইসলাম। যদিও গাড়িগুলো কাগজপত্র ছাড়া সম্পূর্ণ বেআইনীভাবে চলাচল করছে। বর্তমানে আইদি কর্তৃপক্ষের ভাষ্যে ওনারা স্বৈরশাসক এবং আইদি কর্তৃপক্ষ পুরদস্তুর বিএনপি হওয়ার চেষ্টা করছেন। যাকে হাইব্রিড বিএনপি বলা হয়। আরো উল্লেখ্য যে, আইদি পরিবহন নামে বাস সার্ভিসটি চাঁদপুর থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত রুট পারমিটের জন্য ২০২৩ সালের ৩০ আগস্ট সভার মাধ্যমে কুমিল্লা আরটিসির কাছে অনাপত্তি চেয়েছে। অথচ এর দেড় বছর পূর্বেই স্থান সংকুলান না হওয়ার কারণে কুমিল্লায় নতুন রুট পারমিট বন্ধ হয়ে যায়। এটি কোনো সার্ভিসকে উদ্দেশ্য করে করা হয়নি। আইদি ছাড়াও আরো প্রায় ১৫/২০টি নতুন সার্ভিস কুমিল্লা থেকে বিভিন্ন রুটে পারমিটের জন্য আবেদন জমা দিয়ে রেখেছে। এসব সার্ভিসে গাড়ির সংখ্যা প্রায় ৪/৫ শত। এখন যদি কোনো পরিবহন সার্ভিসকে অনুমোদন দেওয়া হয় তাহলে অন্য সার্ভিসগুলোকেও অনুমোদন দিতে হবে। যে খানে টার্মিনালগুলো বর্তমান অনুমোদিত গাড়িগুলো রাখারই জায়গা নাই, সেখানে নতুন আরো ৪/৫ শত গাড়ি কিভাবে রাখা সম্ভব হবে? বিভিন্ন গণমাধ্যমে আরো একটি খবর এসছে যে, বোগদাদ নামীয় কুমিল্লা-চাঁদপুর রুটের সার্ভিস যাহা প্রায় ৪০ বছর যাবত চলাচল করছে- এই সার্ভিসের নাকি কুমিল্লার অনুমোদন থাকলেও চাঁদপুরের অনুমোদন নাই। কথাটি সম্পূর্ণ অসত্য। কারণ বোগদাদ সার্ভিস ১৯৮৬ সালের মার্চ মাসে চালু হয়েছে। চাঁদপুর জেলা গঠিত হয়েছে ১৯৮৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে। চাঁদপুর বিআরটিএ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৯২ সালে। এই সময়ের মধ্যে কুমিল্লা বিআরটিএর মাধ্যমে মোটরযানের সবকিছু পরিচালিত হয়েছে। এতে প্রতীয়মান হয়, বোগদাদ সার্ভিস নিয়ে অপপ্রচারটি সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আইদি পরিবহনকে কেন্দ্র করে আইদি কর্তৃপক্ষ ও তাদের কিছু দোসর জঘন্য খেলায় মেতে উঠেছে। জেলা বিভক্তি নিয়ে তারা চাঁদপুর ও কুমিল্লার মধ্যে একটি বিভাজন সৃষ্টির পায়তারা করছে এবং ঘৃণার অপরাজনীতি শুরু করেছে। অথচ আইদির পরিচালক পারভেজ আলম বহু বছর আগে থেকেই কুমিল্লায় প্রতিষ্ঠিত। কুমিল্লার তার তিন ভাইয়ের তিনটি ফ্ল্যাট আছে। তিনি বিয়ে করেছেন কুমিল্লায়। তার গাড়ির রেজিস্ট্রেশন নম্বরগুলোও চাঁদপুর না করে কুমিল্লায় করেছেন। এতেই তার কথিত ‘চাঁদপুর প্রীতি’র আসল রূপ বের হয়ে আসছে। তিনি মূলত তার সার্থের জন্যই এসব কর্মকাণ্ড করছেন এবং সাধারণ মানুষকে ধোকা দেওয়া ও বিভ্রান্ত করছেন। শুধু তা-ই নয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তার স্টাফরা আন্দোলনরত ছাত্রদেরকে নাজেহাল ও মারধর করেছে; যা চাঁদপুরের শ্রমিকরাও জানেন। এছাড়াও তারা একটি বৃদ্ধাশ্রমের নামে মানুষের সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা চালাচ্ছে। অথচ বৃদ্ধাশ্রমের নামে একটি দালান আজ থেকে ৬/৭ বছর আগে গাঁথুনি দিয়ে রাখা হয়েছে। যেটিতে কোনো দরজা/জানালা পর্যন্ত লাগানো হয়নি। বৃদ্ধাশ্রমের নামে এই অবকাঠামোর বিরুদ্ধে স্থানীয় মানুষদের নানা বিরূপ প্রতিক্রিয়া রয়েছে। তাদের বক্তব্য এই সার্ভিসের গাড়িগুলোর আয়ের টাকা বৃদ্ধাশ্রমের জন্য খরচের কথা বললেও বাস্তবে প্রত্যেকটি গাড়ির জন্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা করে ঋণ রয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। সেই হিসেবে ১৬টি গাড়িতে ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৮ কোটি টাকা। অথচ এই ঋণ এখন বৃদ্ধাশ্রমের উপর গিয়ে বর্তাবে। সুদে-আসলে এই ঋণ পরিশোধ করে বৃদ্ধামের উন্নয়ন করিবে। যা মানুষের মনে অনেক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এটিও এক ধরনের প্রতারণা। সর্বোপরি আমরা এই কাদা ছোঁড়াছুড়ির অবসান চাই এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। সংবাদ মাধ্যমে জেলা পরিবহন মালিক গ্রুপের সভাপতি অধ্যক্ষ কবির আহমেদের যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, তা খণ্ডিতভাবে প্রকাশ করা হয়েছে এবং কুমিল্লার এডিএম মহোদয়ের নাম উল্লেখপূর্বক যে বক্তব্য দেওয়া হয়েছে, সেই বক্তব্য তিনি এইভাবে দেননি বলে আমাদেরকে জানিয়েছেন। আমরা এই ধরনের অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে সড়ক ও পরিবহনের সার্বিক শৃঙ্খলার সার্থে টার্মিনালগুলি সম্প্রসারণ ও স্থানান্তরের পূর্বে বর্তমানে নতুন কোনো সার্ভিস অনুমোদন না দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।

বিশ্ব হার্ট দিবসে

বিশ্ব হার্ট দিবসে হার্ট কেয়ার ফাউন্ডেশন কুমিল্লার উদ্যোগে রিক্সা মিছিল

বিশ্ব হার্ট দিবসে হার্ট কেয়ার ফাউন্ডেশন কুমিল্লার উদ্যোগে রিক্সা মিছিল 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

২৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ব হার্ট দিবসে উপলক্ষে হার্ট কেয়ার ফাউন্ডেশন কুমিল্লার উদ্যোগে “হৃদয় দিয়ে কর্মদ্যোগ গ্রহণ করুন” – এই শ্লোগান নিয়ে নগরীতে একটি বর্নাঢ্য রিক্সা মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে হার্ট কেয়ার ফাউন্ডেশন কুমিল্লার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি অধ্যাপক ডা. তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষ এর স্বাগত বক্তব্যের পর টাউন হল মাঠে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মো. আমিরুল কায়সার।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সমাজসেবা কার্য্যালয়ের উপ পরিচালক জেড, এম মিজানুর রহমান খান ও ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. সারওয়ার আলম। হার্ট কেয়ার ফাউন্ডেশন কুমিল্লার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি অধ্যাপক ডা. তৃপ্তীশ ঘোষ হৃদরোগ প্রতিরোধে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের আহ্বানসহ ৭ দফা দাবি সম্বলিত একটি স্মারকলিপি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে প্রেরনের লক্ষ্যে জেলা প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করেন। জেলা প্রশাসক এই ৭ দফা দাবির সাথে পূর্ণ একাত্মতা ঘোষনা করেন এবং এর মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে হৃদরোগে ঝুঁকি মুক্ত বাংলাদেশ উপহার দেয়া অনেকাংশে সম্ভব বলে মত প্রকাশ করেন।

৭ দফা দাবির উল্লেখযোগ্য দাবি হলো খাদ্যসামগ্রী বিপণনে হৃদরোগের ঝুঁকির সতর্কীকরণ বার্তাসহ স্টিকার লাগাতে হবে, রাজপথে ফুটপাথের সাইকেল লেইন, ফিটনেস বিহীন গাড়ী চলাচল নিষিদ্ধ, সবুজ পার্ক ও বনায়ন, নকল ও ভেজালমুক্ত ওষুধ ও খাদ্য নিশ্চিত করা, আলাদা প্রিভেন্টিভ কার্ডিওলোজি ডিপার্টমেন্ট ও ইনস্টিটিউট স্থাপন ও রাষ্ট্রীয় ভাবে ২৯ সেপ্টেম্বর বিশ্ব হার্ট দিবস পালন করা।

অনুষ্ঠানে ২৭ সেপ্টেম্বরও রোগী বিশিষ্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ এবং হার্ট কেয়ার ফাউন্ডেশন কুমিল্লার প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি অধ্যাপক ডা. তৃপ্তীশ চন্দ্র ঘোষ, মহাসচিব ডা. গোলাম শাহজাহান, কোষাধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, ইনার হুইল ক্লাব অব কুমিল্লা’র ইমিডিয়েট পাস্ট ডিস্ট্রিক্ট চেয়ারম্যান ডা. মল্লিকা বিশ্বাসসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, বৃহত্তর ময়মনসিংহ কল্যান সমিতির সাধারন সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান আসনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ, রোটারি ইন্টারন্যাশনালের বিভিন্ন পর্যায়ের এবং রোটারি ক্লাব অব কুমিল্লার নেতৃবৃন্দ, মডার্ন স্কুল, ওয়াই ডব্লিউ সিএ স্কুলের শিক্ষক শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান শিক্ষকের

প্রধান শিক্ষকের চেয়ারে বসা সেই আলোচিত শিক্ষার্থীকে সাধারণ ক্ষমা

প্রধান শিক্ষকের চেয়ারে বসা সেই আলোচিত শিক্ষার্থীকে সাধারণ ক্ষমা

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার দেবিদ্বারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রধান শিক্ষকের চেয়ারে বসা সেই আলোচিত শিক্ষার্থীকে সাধারণ ক্ষমা করা হয়েছে।

জানা যায়, গত বুধবার উপজেলার মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনে পদত্যাগের দাবিতে ক্লাস বর্জনের পর বিক্ষোভ শুরু করে শিক্ষার্থীরা। এ সময় প্রশাসনের সহায়তায় ওই প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। প্রধান শিক্ষকের চলে যাওয়ার পর তার চেয়ারে বসে ছবি তোলে ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ইকরামুল হাসান।

ইকরামুল স্থানীয় কুরুইন গ্রামের বাসিন্দা। এ নিয়ে স্থানীয় লোকজন, সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসে ছাত্র ইকরামুল হাসান বলেন, সবাই অফিস কক্ষ ত্যাগ করার পর আবেগে চেয়ারে বসে ছবি তুলেছি। এটা আমার ঠিক হয়নি। আমি আপনাদের সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি আমাকে ক্ষমা করে দেন। যাদের ইন্দনে ইকরামুল প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন সহপাঠী, হাসান,সীমান্ত,সাদ,সিয়াম,মাহফুজ,মহিবুল।

পরবর্তীতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, দেবিদ্বার, কুমিল্লা মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি, বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে সে ক্ষমা চাওয়ায় এবং তার ভুল বুঝার কারণে অনুতপ্ত হওয়ায় বিদ্যালয়ের পূর্বতন প্রধান শিক্ষক ঐ ছাত্রের ভবিষ্যত চিন্তা করে ক্ষমা করে দেন।

মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ধরণের পরিকল্পিত আন্দোলনে বিদ্যালয়ের কতিপয় শিক্ষক জড়িত রয়েছে বলে জানা যায়। উক্ত বিষয়ে তদন্ত করে যারা দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার।

ব্রাহ্মণপাড়ায় পুকুরে পড়ে

ব্রাহ্মণপাড়ায় পুকুরে পড়ে শিশুর মৃত্যু

ব্রাহ্মণপাড়ায় পুকুরে পড়ে শিশুর মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় বাড়ির পাশে পুকুরে ডুবে দেড় বছর বয়সী রাফসানা নামের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মহালক্ষীপাড়া গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

রাফসানা মহালক্ষীপাড়া এলাকার সোহেলের মেয়ে।

শিশুর পরিবারের সদস্যরা জানান, রোববার সকালে খেলতে গিয়ে রাফসানা পরিবারের অগোচরে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান জহিরুল হক জানান, রাফসানা তার নাতনি ছিলেন। তিনি আরও বলেন, সবার অজান্তে পুকুরে পড়ে যাওয়ার পর দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, তবে চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে আনার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।

ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আসিফ মোহাম্মদ তকি বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, হাসপাতালে আনার অন্তত ৩০ মিনিট আগে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে।

সমবায় ব্যাংকের ১২ হাজার ভরি সোনার

সমবায় ব্যাংকের ১২ হাজার ভরি সোনার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না: কুমিল্লায় এলজিআরডি উপদেষ্টা

সমবায় ব্যাংকের ১২ হাজার ভরি সোনার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না: এলজিআরডি উপদেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার:

সমবায় ব্যাংকের ১২ হাজার ভরি সোনা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এএফ হাসান আরিফ। রোববার (২৯ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির ৫৭তম বার্ষিক পরিকল্পনা সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের সময় তিনি এই তথ্য জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাসান আরিফ বলেন, সমবায় ব্যবস্থা ঠিকভাবে কার্যকর হচ্ছে না কারণ সমবায়ীদের মধ্যে প্রকৃত সমবায় মানসিকতার অভাব রয়েছে। তারা কেবল কমিটিতে পদ পেতে চান, কিন্তু উন্নয়নের দিকে তাদের মনোযোগ নেই।

উপদেষ্টা আরও উল্লেখ করেন, সমবায় ব্যাংকের সম্পত্তি বেদখল হয়ে আছে এবং যারা একসময় ব্যাংকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন, তারাই এখন বেদখল করে রেখেছেন। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের কাজ চলছে।

সম্মেলনে বক্তারা সাম্প্রতিক সময়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় খাতে বাংলাদেশ একাডেমি ফর রুরাল ডেভেলপমেন্ট (বার্ড) পরিচালিত গবেষণা ও কার্যক্রম সম্পর্কে আলোচনা করেন। এছাড়া বিশেষ অতিথিরা উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিপিআরসি চেয়ারম্যান ড. হোসেইন জিল্লুর রহমান, স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. তোফায়েল আহমেদ এবং বার্ডের মহাপরিচালক সাইফ উদ্দিন আহমেদ। সভায় সভাপতিত্ব করেন পল্লী উন্নয়ন এবং সমবায় বিভাগের সচিব মোসাম্মৎ শাহানারা খাতুন।