All posts by jitu

১৮ বছরের বিরতি ভাঙলেন শিল্পা

ডেস্ক রিপোর্ট:

ব্যক্তিজীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতা পেছনে ফেলে আবার অভিনয়ে মনোযোগী হচ্ছেন শিল্পা শেঠি। ক্যারিয়ারের শুরুতে বেশ কিছু দক্ষিণী ছবিতে অভিনয় করেছিলেন শিল্পা শেঠি। এবার ১৮ বছর পর আরও একবার দক্ষিণী ছবির জগতে দেখা যাবে তাকে।

এরই মধ্যে ‘কে ডি : দ্য ডেভিল’ নামের একটি দক্ষিণী ভারতীয় সিনেমায় কাজ শুরু করেছেন। এতে শিল্পার সহশিল্পী হিসেবে আছেন দক্ষিণ ভারতের আলোচিত ধ্রুব সারজা। এ ছাড়া অভিনয়ে থাকছেন বলিউড সতীর্থ সঞ্জয় দত্ত ও নোরা ফাতেফি।

এ সিনেমার মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ১৮ বছরের বিরতি ভাঙতে যাচ্ছেন এ অভিনেত্রী। এই দীর্ঘ সময় শুধু বলিউডেই তিনি কাজ করেছেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম থেকে জানা গেছে, ‘কে ডি : দ্য ডেভিল’ সিনেমাটি শিল্পাকে নতুন রূপে পর্দায় তুলে ধরতে যাচ্ছে। এতে তাকে দেখা যাবে ‘সত্যবতী’ নামের একটি চরিত্রে। যার প্রথম লুক এরই মধ্যে প্রকাশিত হয়েছে।

সেখানে অভিনেত্রীকে দেখা গেছে, ভিনটেজ গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে। তার পরনে রেট্রো শাড়ি। কাঁধ থেকে ঝুলছে লম্বা বেণী। চোখে পুরোনো আমলের পরিচিত সানগ্লাস। সত্তরের দশকে বেঙ্গালুরুতে ঘটে যাওয়া একটি বাস্তব ঘটনার প্রেক্ষাপটে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি। এতে ধ্রুব সারজা অভিনয় করছেন গ্যাংস্টারের ভূমিকায়। প্রেম পরিচালিত বড় বাজেটের এ সিনেমা আগামী ডিসেম্বরে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

২০০৫ সালে এই অভিনেত্রীকে দেখা গিয়েছিল ডি রাজেন্দ্র বাবু পরিচালিত কন্নড় ভাষার ‘অটো শঙ্কর’ সিনেমাতে। এতে তার বিপরীতে ছিলেন অভিনেতা উপেন্দ্র। সাম্প্রতিক সময়ে বলিউডের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে যখন দক্ষিণী সিনেমা দর্শক মনোযোগ কেড়ে নেওয়া শুরু করেছে, ঠিক সেই সময়ে শিল্পার এমন সিদ্ধান্ত নেওয়াকে অনেকেই সাধুবাদ জানিয়েছেন।

কুবি থেকে প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান অপি

 

চাঁদনী আক্তার, কুবি প্রতিনিধি:

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের তৃতীয় ধাপে সাধারণ নির্বাচনে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে ৪৩ হাজার ৬৫৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় মার্কেট বিভাগের প্রথম ব্যাচের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আবু তৈয়ব অপি।

বুধবার (২৯ মার্চ) ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা নির্বাচন অফিসার সুলতানা এলিন স্বাক্ষরিত এক বার্তা প্রেরণ শিট থেকে বিষয়টি জানা যায়। মোহাম্মদ আবু তৈয়বের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী সোহরাব খান চৌধুরী আনারস প্রতীক নিয়ে ৩১ হাজার ৪৭০ ভোট পেয়েছেন।

নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবু তৈয়ব অপি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ব্যাচের মার্কেটিং বিভাগ থেকে বিবিএ ও এমবিএ সম্পন্ন করেছেন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে তিনিই প্রথম জনপ্রতিনিধি হিসাবে নির্বাচিত হয়েছেন। এর আগে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশোনা অবস্থায় ছাত্ররাজনীতির সাথেও সম্পৃক্ত ছিলেন। পাশাপাশি বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃত্বে ছিলেন।

ব্রা‏হ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৮৬ হাজার ২০৮। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৯৭ হাজার ১৪২, মহিলা ভোটার ৮৯ হাজার ৬৫ এবং তৃতীয় লিঙ্গ ভোটার একজন। ভোট দিয়েছেন ৮৩ হাজার ৮৩৭ জন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ৩১ মার্চ ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মোহাম্মদ আবু তৈয়বের বাবা মুহাম্মদ আবু তাহের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০২০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি মারা যান। পরে একই বছরের ১০ ডিসেম্বর উপনির্বাচনে আবু তৈয়বের চাচা মোহাম্মদ আবু জাহের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। বর্তমানে মোহাম্মদ আবু জাহের কুমিল্লা-৫ (বুড়িচং-ব্রা‏ব্রাহ্মণপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য। বাবা এবং চাচার পর এবার তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হন।

চৌদ্দগ্রামে চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে মহিন উদ্দিন ওরফে গাউয়া (২৮) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (১ জুন) ভোরে  ফজরের নামাযের পর উপজেলার  গুণবতী  ইউনিয়নের  চাঁপাচৌ ঈদগাহ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মহিন উদ্দিন উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের খাটরা গ্রামের আবদুল কাদেরের ছেলে।

চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ত্রিনাথ সাহা জানান, ওই যুবকটি একটি বাড়িতে চুরি করতে গিয়েছিল। পরে বাড়ির লোকজন টের পেয়ে তাকে ধাওয়া করে। ওই সময় স্থানীয়রা তাকে আটক করে গণপিটুণী দেয়। পরে যুবকটির  অভিভাবক খবর পেয়ে এসে তাকে আহত অবস্থায় ফেনী হািসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

গোমতী নদীর বেড়িবাধে অবৈধ স্থাপনা অপসারণে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নোটিশ

 

স্টাফ  রিপোর্টার:

কুমিল্লায়  বাপাউবো’র অধিগ্রহনকৃত ভূমি হতে অবৈধ স্থাপনা অপসারণে নোটিশ করা হয়েছে।

গত ২৯ মে  উচ্ছেদ নোটিশের মাধ্যমে আগামী ৭ দিনের মধ্যে  উক্ত অবৈধ স্থাপনা নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়। অন্যথায় দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং বিনা নোটিশে উক্ত অবৈধ স্থাপনা সমূহ উচ্ছেদ করা হবে। এ ক্ষেত্রে কোন ধরনের ওজর আপত্তি গ্রহণ করা হবে না।

উল্লেখ্য যে, কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার গোমতি নদীর বেড়িবাধ এলাকাগুলো হল  পালপাড়া, চানপুর, আড়াইওড়া, শ্রীপুর,টিক্কারচর ব্রিজ ,সংরাইশ,ঝাঁকুনিপাড়া,অরন্যপুর,গাজীপুর এলাকায় গোমতীর বেড়িবাধ । এসব বেড়িবাধ ও চর দখল করে গড়ে উঠেছে দোকানপাট, রেষ্টুরেন্ট, বাড়ি-ঘর । এগুলো অপসারণের জন্য নোটিশ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে  কুমিল্লা পওর  বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খান  মোহাম্মদ  ওয়ালিউজ্জামান  নোটিশ প্রদান  করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

হামাসকে নির্মূল না করা পর্যন্ত যুদ্ধ শেষ হবে না: নেতানিয়াহু

ডেস্ক রিপোর্ট:

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, হামাসের সামরিক এবং প্রশাসনিক কাঠামো নির্মূল না করা পর্যন্ত যুদ্ধ অব্যাহত রাখা হবে।

তিনি বলেছেন, যুদ্ধ বন্ধ করার ক্ষেত্রে ইসরাইলের যে শর্ত রয়েছে সেটি পরিবর্তিত হয়নি; হামাসের সামরিক ও প্রশাসনিক কাঠামো ধ্বংস করা, সব জিম্মিকে মুক্ত করা এবং নিশ্চিত করা যে, গাজা আবারও ইসরাইলের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াবে না।

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় চলমান যুদ্ধ বন্ধে শুক্রবার একটি প্রস্তাব উত্থাপন করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এ প্রস্তাবে বাইডেন বলেছেন, প্রথমে ছয় সপ্তাহের জন্য যুদ্ধবিরতি হবে, এরপর ইসরাইলি বাহিনী গাজার জনবহুল এলাকা থেকে সরে যাবে, গাজায় বিপুল ত্রাণ পৌঁছানোর ব্যবস্থা করা হবে, কয়েকশো ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দেবে ইসরাইল, হামাস মুক্তি দেবে ইসরাইলি জিম্মিদের— যার মধ্যে থাকবে পুরুষ সেনারাও।

এরপর গাজার পুনর্গঠনের কাজ শুরু হবে। সবশেষে দুই পক্ষের মধ্যে সব ধরনের হামলা বন্ধ অর্থাৎ স্থায়ী যুদ্ধবিরতি হবে। বাইডেন এটিকে ইসরাইলের প্রস্তাব হিসেবেই অভিহিত করেছেন।

তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন দখলদার ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

তিনি আরও বলেছেন, স্থায়ী যুদ্ধবিরতি হওয়ার আগ পর্যন্ত ইসরাইল তার শর্তে অটল থাকবে। এসব শর্ত পূরণ হওয়ার আগে ইসরাইল স্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে রাজি হবে এমন ধারণা বাস্তব হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

এদিকে বাইডেন যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়ার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় হামাস বলেছে, তারা এতে ‘ইতিবাচক’।

এছাড়া ইসরাইলের বিরোধী দলগুলোও এতে সমর্থন জানিয়েছেন। হামাসের হাতে যেসব জিম্মি রয়েছেন তাদের পরিবারের সদস্যরাও এই শর্ত কার্যকর করার জন্য দাবি জানাচ্ছেন।

কে ফোন করে বেনজীরকে পালাতে বলেছিল?

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

বেনজীর আহমেদ এখন দেশে নেই। তিনি দুবাইতে অবস্থান করছেন। তার স্ত্রী এবং কন্যারাও কেউ দেশে নেই। যাদেরকে দুর্নীতি দমন কমিশন তলব করেছে তারা এপ্রিল মাসেরই মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশ ত্যাগ করেছেন। বেনজীর আহমেদের তিন কন্যার মধ্যে দুই কন্যা এখন দুবাইতে অবস্থান করছেন এবং এক কন্যা যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন বলে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেছে।

একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র বলছে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সদ্য পদচ্যুত একজন কর্মকর্তা ফোন করে বেনজীরকে পালানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছিলেন। ঐ কর্মকর্তা এবং বেনজীর আহমেদ একই এলাকার বাসিন্দা। বেনজীর আহমেদকে ঐ কর্মকর্তা- প্রধানমন্ত্রী তার উপর ক্ষুব্ধ এবং প্রধানমন্ত্রী তাকে কোন রকম প্রশ্রয় দিবে না, দুর্নীতির ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর ‘শূন্য সহিষ্ণুতা’ অবস্থানের কথা জানিয়ে দেন। এর পর পরই বেনজীর আহমেদ সমস্ত টাকা পয়সা উত্তোলন করেন এবং দুবাইতে চলে যান বলে জানা গেছে।

বিভিন্ন সরকারি দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে যে, সকলেই জানতো যে বেনজীর আহমেদ এমিরেটস ইন্টারন্যাশনাল এর একটি ফ্লাইটে দুবাই যাচ্ছেন। কিন্তু সে সময় তার উপর ভ্রমন নিষেধাজ্ঞা ছিলো না। তাছাড়া সরকারের কোন মহল থেকেও তাকে আটকানোর কথা বলা হয়নি। এজন্যই তিনি গিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য যে, বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে দৈনিক কালের কণ্ঠে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় এবং এ প্রতিবেদন প্রকাশের পর জাতীয় সংসদের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার সুমন বিষয়টি হাইকোর্টের দৃষ্টি আকর্ষন করেন এবং এ ব্যাপারে দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্ত আহ্বান করেন। ব্যারিস্টার সুমনের আবেদনে সাড়া দিয়ে হাইকোর্ট দুর্নীতি দমন কমিশনকে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দেন এবং এর পর পরই দুর্নীতি দমন কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত করার জন্য কাজ শুরু করে এবং একজন তদন্ত কর্মকর্তাকে নিয়োগ দেয়। এ বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর সরকারের উচ্চ পর্যায়ে একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কিন্তু কেউই তার ফোন ধরেননি। এবং তার যোগাযোগের চেষ্টা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।

এসময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঐ কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেন বেনজীর আহমেদ। পরবর্তীতে ঐ কর্মকর্তা বেনজীরকে জানান যে, প্রধানমন্ত্রী তার উপর অত্যন্ত ক্ষুব্ধ হয়েছেন এবং এ সমস্ত বিষয়ে তিনি কোন রকম ছাড় দিবেন না। এই বার্তাটি পাওয়ার পর বেনজীর আহমেদ নড়ে চড়ে বসেন। তারপরও তিনি কয়েক জায়গায় চেষ্টা করেছিলেন সরকারকে নমনীয় করার জন্য। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর বেনজীর দেশ ত্যাগ করেন।

উল্লেখ্য যে, বেনজীর আহমেদের দেশে ছাড়াও দুবাইতে বিপুল পরিমাণ সম্পদ রয়েছে এবং তার মেয়ের জামাই দুবাইতে একটি ব্যবসা পরিচালনা করেন। যে কারণে সহজেই তার দুবাইতে যাওয়া এবং সেখানে থাক নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছিল। সরকারের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেছেন, বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে যখন আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিলো তার বহু আগেই তিনি বিদেশ চলে গিয়েছিলেন এবং ব্যাংক একাউন্ট থেকে সমস্ত টাকা তুলে নিয়ে গিয়েছিলেন। ৩৩ টি ব্যাংক একাউন্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায়, এসব ব্যাংক থেকে বেনজীর আহমেদ, তার স্ত্রী এবং কন্যারা প্রায় ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছেন। এছাড়াও বেনজীর আহমেদের কিছু সম্পদ বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে বিক্রিও করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

এখন দেখার বিষয় যে, দুর্নীতি দমন কমিশনের তদন্তের পর বেনজীর আহমেদকে আনার ব্যাপারে সরকার কোন উদ্যোগ গ্রহণ করে কিনা। এবং সে উদ্যোগ কতটা সফল হয়। কেননা, দুবাইতে এই ধরনের বহু পলাতক ব্যক্তি আশ্রয় গ্রহণ করেছে।

উন্নয়নের সুফল পেতে জনপ্রতিনিধি ও আমলাদের একাত্মতা জরুরি : মন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, উন্নয়নের সুফল পেতে জনপ্রতিনিধি এবং আমলাদের একাত্মতা জরুরি। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সমন্বয় না থাকলে কর্মক্ষেত্রে প্রতিকূল পরিবেশ তৈরি হয়। যা কখনো দেশের উন্নয়নের জন্য সুফল বয়ে আনবে না।

শনিবার (১ জুন) সকালে আগারগাঁওয়ে জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটে বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ ৩য় পর্যায় প্রকল্পের জেলা রিসোর্স টিম (ডি.আর.টি) এর প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের দারিদ্র্যের হার তো একসময় ২৫ শতাংশ ছিল। এখন সেটা ১৮ শতাংশ, অতি দরিদ্রতার হার এখন ৫ শতাংশে নেমে এসেছে। এই অর্জন খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। কাজ করতে গেলে পারস্পরিক সহযোগিতা থাকলে, কোনো প্রতিবন্ধকতা না থাকলে অগ্রগতি থামিয়ে রাখা যায় না।

স্থানীয় সরকারের সত্তাগুলোকে শক্তিশালী করার জোর দিতে মন্ত্রী দক্ষিণ কোরিয়ার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, আজকে যে দক্ষিণ কোরিয়াকে আমরা দেখি, এটি আগে এমন ছিল না। এদের অতীতে তিক্ত অভিজ্ঞতা ছিল। তাদের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান ছিল না। যোগাযোগ ব্যবস্থা ছিল ভঙ্গুর। শুধু তাই নয়, মানবিক প্রয়োজনীয়তার সব উপাদান ছিল অনুপস্থিত। কিন্তু পার্ক চুং হি যখন ক্ষমতায় আসেন, তিনি জনগণের সঙ্গে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন। সাহসিকতার সঙ্গে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য পূরণে দেশের সব মানুষকে একটি বিনিসুতোয় বাঁধেন। স্থানীয় সরকারের সত্তাগুলোকে শক্তিশালী করেন। আজকে দক্ষিণ কোরিয়া অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ। আমাদেরও তাদের থেকে শিক্ষা নিতে হবে, বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, আমাদের গ্রামের কৃষক বা জনপ্রতিনিধির পর্যাপ্ত শিক্ষাগত যোগ্যতা নাও থাকতে পারে, কিন্তু তাকে উপেক্ষা করা যাবে না। একক প্রচেষ্টায় কখনো কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছানো যায় না। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টা জরুরি।

এতে সভাপতিত্ব করেন জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মনোজ কুমার রায়।

কুমিল্লায় বালুর ভিতরের লুকানো বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় অভিনব কৌশলে বালু বাহী ট্রাক করে গাঁজা নেয়ার সময় সোহেল নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‍্যাব। এই সময় বালু বাহী ট্রাকের বালুর ভিতরের লুকানো অবস্থায় ৪০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন সলপা বাজার এলাকায় এই অভিযান পরিচালনা করে র‍্যাব।

আটককৃত মাদক ব্যবসায়ী মোঃ সোহেল মিয়া (৩২) বি.বাড়িয়া জেলার কসবা থানার গোরাঙ্গুলা গ্রামের মোঃ নুরু মিয়া এর ছেলে।

র‍্যাব সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব অভিযানে নামে। অভিনব কৌশলে বালু বাহী ট্রাকে বালির মধ্যে লুকিয়ে গাঁজা পরিবহণের সময় এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করে। এ সময় ৪০ কেজি গাঁজা ও মাদক পরিবহণ কাজে ব্যবহৃত ট্রাকটি জব্দ করা হয়। সোহেল দীর্ঘদিন ধরে কুমিল্লার সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে মাদক সংগ্রহ করে কুমিল্লা জেলায় মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবীদের কাছে পাইকারি ও খুচরা মূল্যে বিক্রয় করে আসছে।

সালমান খানকে দুর্বৃত্তরা যেভাবে মারতে চেয়েছিল

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিপদ যেন পিছুই ছাড়ছে না বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের। এই অভিনেতার ওপর আবারও হামলার পরিকল্পনা! এর আগে সালমান খানের বাড়িতে সরাসরি গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। এবার সালমানের গাড়িতে হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছিল দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তাররা একটি গ্যাং গ্রুপ ‘বিষ্ণু গ্রুপ’ এর সদস্য বলে জানা গেছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম এএনআই এর খবরে বলা হয়েছে, সালমানকে প্রাণে মেরে ফেলার পরিকল্পনা ছিল তাদের। তারা পাকিস্তানি অস্ত্র সরবরাহকারীর কাছ থেকে অস্ত্র কেনার পরিকল্পনা করেছিল। তদন্তে জানা গেছে, অভিযুক্তরা সালমানের বাড়িতে ও ফার্মহাউসের রেইকি করে গিয়েছিল। এর আগে এই পরিকল্পনায় অভিযুক্ত একজন পাকিস্তানি নাগরিকের সঙ্গে ভিডিও কলে যোগাযোগ করে। তার কাছ থেকে একে-৪৭ র মতো অস্ত্র অর্ডার করা হয়েছিল।

পুলিশ আরও জানিয়েছে ওই গ্যাংয়ের সকল সদস্য সালমান খানের ওপর নজর রাখছিল। এই নায়কের ওপর হামলা চালাতে নাবালকদের ব্যবহার করার পরিকল্পনাও ছিল। হামলার পর নৌকায় করে শ্রীলঙ্কায় পালিয়ে যাওয়ারও পরিকল্পনা ছিল তাদের।

এর আগে মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় সালমান খানের বাড়ি লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি চালিয়েছিল একদল দুর্বৃত্ত। তাদের একজন তারাম ওই একই গ্যাংয়ের সদস্য ছিল। মূলত সালমান খানকে প্রাণনাশের উদ্যেশ্যই ছিল ওই গ্যাংয়ের।

এমপি আনার হত্যার মূল মামলা ভারতে, তদন্তও ভারতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

এমপি আনার হত্যার মূল মামলা ভারতে হয়েছে এবং মূল তদন্তও ভারতে হবে। তবে তদন্তে বাংলাদেশ সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

শনিবার (১ জুন) দুপুর দেড়টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তনে (টিএসসি) ছাত্রলীগ কর্তৃক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজিত ‘আমাদের বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক বক্তৃতা প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত পর্ব ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, মূল হত্যাকাণ্ড যেহেতু ভারতে হয়েছে সেহেতু মূল মামলাও ভারতে হয়েছে৷ ভারতের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বন্দী বিনিময় চুক্তি আছে। তাই ভারতই এ হত্যাকাণ্ডের মূল তদন্ত করবে। আমাদের দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হলে আমাদের পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করতো। তারা যদি আমাদের সম্পৃক্ত করে তাহলে আমরা তাদের সহযোগিতা করবো।

হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত একজন নেপালে পালিয়ে গেছেন এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, একজন সংসদ সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে আর আমরা বসে থাকবো এমন হতে পারে না। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত এবং সহযোগিতাকারী সবাইকে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে। নেপালে একজন পালিয়ে গেছে। তবে সে কোথায় আছে সেটা সুনির্দিষ্টভাবে বলা যাচ্ছে না। তদন্ত হচ্ছে, তাকে ফিরিয়ে আনতে সব ধরনের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের দুর্নীতি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, যদি কেউ অন্যায় করে তাহলে তার শাস্তি বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী হবে৷ তার বিষয়ে তদন্ত চলছে৷ তিনি অন্যায় করেছেন না কি নির্দোষ, তিনি কি কর ফাঁকি দিয়েছেন না কি অন্যভাবে অর্থ সম্পদ গড়েছেন, সেটা তদন্ত শেষ হলে সে অনুযায়ী তার বিচার করা হবে।

তদন্ত চলমান অবস্থায় একজন আইজিপি বিদেশ চলে যেতে পারেন কি না জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, সে এখনো দেশে আছে নাকি বিদেশ চলে গেছে এটা আমি জানি না।

আইজিপির এমন কর্মকাণ্ডে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে কি না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, না, এটা ব্যক্তিগত বিষয়। আমাদের পুলিশ বাহিনী অনেক কষ্ট করে। জঙ্গি-সন্ত্রাস দমন, কোভিডসহ যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তারা জীবন বাজি রেখে কাজ করেছে। কোনো ব্যক্তি অপরাধ করলে তার দায় প্রতিষ্ঠান নেয় না।