All posts by jitu

মেজাজ হারিয়ে রোনালদোর লাল কার্ড, সেমি থেকে আল-নাসরের বিদায়

ডেস্ক রিপোর্ট:

মেজাজ হারালেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। প্রতিপক্ষের ফুটবলারকে আঘাত করে দেখলেন লালকার্ড। সেমিফাইনালে ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা আল-নাসরের সামনে তখন উপায় ছিল না ঘুরে দাঁড়ানোর। ৮৫ মিনিটে সাইডলাইন থেকে বল কুড়াতে গিয়ে আল-হিলাল ডিফেন্ডার আলি আলবুলাইহির মুখোমুখি হন রোনালদো। মেজাজ হারিয়ে তাকে কনুই দিয়ে আঘাত করে বসেন পর্তুগিজ মহাতারকা।

তাতেই ২০১৮ সালের পর প্রথমবার লালকার্ড দেখতে হলো রোনালদোকে। সিদ্ধান্ত মানতে না পেরে মুষ্টি পাকিয়ে ঘুষি মারার ভঙ্গিতে রেফারির প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন আল নাসর তারকা। এরপর রেফারিকে কটাক্ষ করে আর্মব্যান্ড খুলে বেরিয়ে যান মাঠ থেকে।

রোনালদো যখন মাঠ ছাড়ছেন আল-নাসর তখন পিছিয়ে ২-০ গোলে। দশজনের দল নিয়ে আল-হিলালের বিপক্ষে ম্যাচে ফেরা কঠিনই ছিল নাসরের জন্য। সাদিও মানের ৯৯ মিনিটের গোলটা তাই হয়ে রইল স্বান্তনা। ২-১ ব্যবধানে ম্যাচ হেরে সৌদি সুপার কাপের সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিল আল নাসর।

আল-হিলাল এবং আল-নাসরের লড়াই মানেই সৌদি ফুটবলের সবচেয়ে বড় লড়াই। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে নড়বড়ে শুরু করেছিল রোনালদোর আল-নাসর। সিআরসেভেন নিজেই শুরুর ২০ মিনিটের মাথায় ২টি সুযোগ মিস করেন। বিশেষ করে ১৭তম মিনিটে গোলরক্ষককে একা পেয়েও পোস্টের ওপর দিয়ে শট নিয়েছেন।

ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ এরপরেই পুরোপুরি নিয়ে নেয় আল-হিলাল। সালেম আর দাওয়াসরি, ম্যালকমরা সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে প্রথম গোল পেতো তারাই। কিন্তু নিজেদের ভুলেই লিড নেওয়া হয়নি তাদের। বিপরীতে প্রথমার্ধের শেষদিকে সাদিও মানের পাস থেকে গোল করেন ওটাভিও। যদিও অফসাইডের কারণে বাতিল হয় সেই গোল। এরপরেই অবশ্য রেফারির সঙ্গে বিরোধে জড়ান সিআরসেভেন।

দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য এককভাবে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় আল-হিলাল। কোনোপ্রকার সুযোগই দেওয়া হয়নি আল-নাসরকে। ৬১ মিনিটে ডেডলক ভাঙেন আল হিলাল তারকা সালেম আলদাওয়াসরি। ম্যালকমের কাছ থেকে বল দারুণ এক ফিনিশিংয়ে ডেভিড ওসপিনাকে পরাস্ত করেন এই সৌদি স্ট্রাইকার।

৬৬ মিনিটে আবারও গোল পেতে পারত আল-নাসর। যদিও ম্যালকমের শট ফিরে আসে পোস্টে লেগে। ৭২ মিনিটেই অবশ্য দারুণ খেলার প্রতিদান পেয়ে যান এই ব্রাজিলিয়ান। হেডে নিজের নাম স্কোরশিটে তোলেন ম্যালকম। এরপর ম্যাচে ফেরার মরিয়া চেষ্টা চালালেও লাভ হয়নি আল-নাসরের। রোনালদোর লাল কার্ডের পর আরও খানিকটা মিইয়ে আসে সম্ভাবনা। শেষ দিকে সাদিও মানের গোলটা তাই আল-নাসরের কাছে ছিল সান্ত্বনা পুরস্কার।

মুঘল ঐতিহ্যে মোড়া জনপ্রিয় “আইসিসিবি হেরিটেজ রেস্টুরেন্ট” এর সুপরিসর নতুন ভবনের উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদক:

মুঘলদের প্রকৃত খাদ্যাভ্যাস সবার কাছে পরিচিত করানোর লক্ষ্যে ২০২১ এ যাত্রা শুরু করেছিলো আইসিসিবি হেরিটেজ রেস্টুরেন্ট। ঐতিহ্যবাহী মুঘল খাবারের আয়োজন নিয়ে ঢাকার একমাত্র কনসেপ্ট রেস্টুরেন্ট এটি। আরও বড় পরিসরে রাজসিক ছোয়ায় নতুন ভবনে স্থানান্তরিত হলো ৩০০ ফিট সংলগ্ন এই রেস্টুরেন্টটি।

সোমবার (৮ এপ্রিল) রাজধানীর ৩০০ ফিট সংলগ্ন ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরা (আইসিসিবি) হল-১ সংলগ্ন নিজস্ব প্রাঙ্গনে এক আড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন ভবনটির উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন আইসিসিবির চিফ অপারেটিং অফিসার এম.এম, জসীম উদ্দীন। এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের ট্রেজারার ময়নাল হোসেন চৌধুরী, বসুন্ধরা গ্রুপের সিনিয়র ডিএমডি মোস্তাফিজুর রহমান, বসুন্ধরা গ্রুপের সেক্টর এ চিফ হিউম্যান রিসোর্স অফিসার ক্যাপ্টেন শেখ এহসান রেজা, আইসিসিবি হেড অফ ডিভিশন একাউন্টস এস, এম, মনিরুল ইসলাম পলাশ সহ আইসিসিবি এবং বসুন্ধরা গ্রুপের উর্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

উদ্বোধনী বক্তব্যে এম.এম, জসীম উদ্দীন বলেন, মুঘল রাজ পরিবারের পোশাক- আশাক ও খাদ্যাভ্যাস যেন এক হিরণ্ময় স্মৃতি। একেকটি রহস্যে ঘেরা গল্প। সেই জৌলুসময় জীবনাচরণের ইতিহাস আজ বিলুপ্তপ্রায়। মুঘলদের খাদ্যাভ্যাস নতুন প্রজন্মকে আমরা জানাতে চেষ্টা করেছি। চেষ্টা করেছি, তাদের ঐতিহ্যকে ধারণ করতে। আইসিসিবি হেরিটেজ রেস্টুরেন্টে ঢাকার মানুষ পরখ করতে পারবেন সেসব অসাধারণ খাবারের আয়োজন এবং উপলব্ধি করতে পারবেন রাজসিক জীবন। ঢাকার বুকে মুঘল ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে এ রেস্টুরেন্ট রয়ে যাবে যুগযুগ। ভোজন রসিকদের অনুরোধে নতুন ভবনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানিয়ে এম. এম. জসীম উদ্দীন আরো বলেন, পূর্বেকার ভবনে স্থান সংকুলান না হওয়ায় অনেক গ্রাহককে আমরা একসাথে জায়গা দিতে পারতাম না। এখনকার আয়োজনে বড় গ্রুপকে আমরা সাবলীল ভাবেই বসে খাবার উপভোগের ব্যবস্থা করে দিতে পারবো। সেই সাথে ৩০০ ফিট এর দৃষ্টিনন্দন লেক এবং সড়ক এর সৌন্দর্য রেস্টুরেন্ট থেকেই উপভোগ করা যাবে।

এস. এম. মনিরুল ইসলাম পলাশ বলেন, আইসিসিবিতে চালু হওয়া হেরিটেজ রেস্টুরেন্ট বাংলাদেশের একটি বিশেষ রেস্টুরেন্ট হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। কারণ শুধু মুঘল খাবারের কোনো রেস্টুরেন্ট এখনও বাংলাদেশে হয়নি। পুরো রেস্টুরেন্টটি সাজানো হয়েছে মুঘল ঐতিহ্যকে ধারণ করে। আইসিসিবি হেরিটেজ রেস্টুরেন্ট কেবল উদরপূর্তির মাধ্যম হওয়ার জন্য আসেনি, এসেছে একটি শিল্পকে একটা ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে।

অনুষ্ঠানে আগত এক অথিতি বলেন, মুঘলদের রান্নার স্বাদ ও রাজকীয়তার মেলবন্ধন যুগের পর যুগ মানুষের রসনাকে তৃপ্তি দিয়ে আসছে। আজও আমরা সে লোভনীয় খাবারের রসাস্বাদন করি। কিন্তু সত্যিকার সেই স্বাদ আয়োজনের ঘাটতি বর্তমানে লক্ষণীয়। ধন্যবাদ বসুন্ধরা কর্তৃপক্ষকে এবং আইসিসিবিকে এ রাজসিক পদক্ষেপের জন্য।

মিয়ানমার সেনাবাহিনী বিপাকে পড়ে এখন রোহিঙ্গাদের সহায়তা চাচ্ছে

ডেস্ক রিপোর্ট:

এক সময় রোহিঙ্গাদের বিতারিত করেছিল মিয়ানমার সেনাবাহিনী। জাতিসংঘের তথ্যমতে, প্রায় সাত বছর আগে ওই জনগোষ্ঠীকে নিশ্চিহ্ন করতে ভয়াবহ জাতিগত নিধন চালানো হয়েছিল। কিন্তু এখন মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বিপাকে পড়ে সেই রোহিঙ্গাদেরই সহায়তা চাচ্ছে। বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

সম্প্রতি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বসবাসরত সাত রোহিঙ্গার সাক্ষাৎকার নিয়েছে বিবিসি। তারা জানিয়েছেন, জান্তা বাহিনীর হয়ে যুদ্ধ করতে গত কয়েক সপ্তাহে অন্তত ১০০ জন রোহিঙ্গাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এমনকি নিরাপত্তার জন্য তাদের নামও বদলে দেওয়া হচ্ছে।

রাখাইনের রাজধানী সিত্তওয়ের কাছে বা দু ফা অস্থায়ী শিবিরে তিন সন্তান নিয়ে বসবাস করেন মোহাম্মদ নামের ৩১ বছর বয়সী এক রোহিঙ্গা নাগরিক। বিবিসির কাছে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমি আতঙ্কিত ছিলাম কিন্তু তারপরেও আমাকে যেতে হয়েছে।

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর দমনপীড়নে রাখাইনের প্রায় দেড় লাখ রোহিঙ্গা গত এক দশক ধরে এসব অস্থায়ী শিবিরেই থাকতে বাধ্য হচ্ছেন।

মোহাম্মদ বলেন, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি সময়ে কোনো এক মধ্যরাতে ক্যাম্পের নেতা তার কাছে আসেন। ওই নেতা জানান যে, তাকে সামরিক প্রশিক্ষণ নিতে হবে। এটা ছিল সামরিক আদেশ। না মানলে তার পরিবারের ক্ষতি করা হবে বলে তাকে হুমকি দেওয়া হয়।

রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলে বিবিসি নিশ্চিত হয়েছে যে, সেনা কর্মকর্তারা এসব উদ্বাস্তু ক্যাম্পের তরুণদের সামরিক প্রশিক্ষণে যাওয়ার নির্দেশ দিচ্ছে।

নির্মম বাস্তবতা হলো মোহাম্মদের মতো অনেক রোহিঙ্গারই কোনো নাগরিকত্ব নেই। এমনকি তারা রাখাইনের বাইরেও কোথাও যেতে পারেন না। এ ধরনের নানা বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন তারা।

আর সেনাবাহিনীতে যুক্ত করতে রোহিঙ্গা পুরুষদেরকে খাবার, নিরাপত্তা এবং সবচেয়ে কাঙ্ক্ষিত নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রলোভন দেখানো হচ্ছে বলে বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

রাখাইনে অন্যান্য সম্প্রদায় একসঙ্গে মিলেমিশে থাকলেও ২০১২ সালে কয়েক লাখ রোহিঙ্গাকে তাদের বাড়ি-ঘর থেকে উচ্ছদ করা হয়। তাদেরকে বিভিন্ন অস্থায়ী শিবিরে বসবাস করতে বাধ্য করা হয়।

এর পাঁচ বছর পর ২০১৭ সালে সেনাবাহিনীর দমন-পীড়ন, হত্যা, ধর্ষণ এবং বাড়ি-ঘর আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় সাত লাখ রোহিঙ্গা পালিয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। সে সময় রাখাইনে রোহিঙ্গাদের গ্রামের পর গ্রাম জ্বালিয়ে দেয় জান্তা বাহিনী। তারপরও রাজ্যটিতে ছয় লাখের মতো রোহিঙ্গা এখনও রয়ে গেছে।

এদিকে তিন বছর আগে মিয়ানমারের ক্ষমতা দখলকারী সামরিক বাহিনী বিদ্রোহীদের কাছে আরও একটি বড় পরাজয়ের মুখোমুখি হয়েছে। এবার তাদের দখল থেকে থাইল্যান্ড সীমান্তের সঙ্গে লাগোয়া গুরুত্বপূর্ণ একটি শহর বিদ্রোহীদের কাছে হাতছাড়া হয়েছে। পূর্ব সীমান্তের শহর মায়াওয়ারি শহরের কয়েকশো সৈন্য কারেন বিদ্রোহীদের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে।

থাইল্যান্ডের সঙ্গে মিয়ানমারের যেসব ব্যবসা-বাণিজ্য হয়, তার বেশিরভাগই এই সীমান্ত শহর দিয়ে হয়ে থাকে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অন্য বিদ্রোহী বাহিনীগুলোর সঙ্গে মিলে এই শহরে হামলা চালিয়ে আসছিল কারেন বিদ্রোহীরা। এমন পরিস্থিতিতে তীব্র চাপের মুখে পড়ে দিশেহারা সেনাবাহিনী এখন রোহিঙ্গাদের কাজে লাগাচ্ছে।

ব্রাজিলকে সরাসরি তৈরি পোশাক নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশ থেকে সরাসরি তৈরি পোশাক নিতে (আমদানি) ব্রাজিলকে আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার (এপ্রিল ৮) সকালে গণভবনে সফররত ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরো ভিয়েরার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার মো. নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে বাংলাদেশ সীমিত আকারে তৈরি পোশাক রফতানি করছে। ব্রাজিল যদি বাংলাদেশ থেকে সরাসরি তৈরি পোশাক আমদানি করে সেটা তাদের জন্য আরও সাশ্রয়ী হবে।

তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্কে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধির অনেক সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ থেকে আরও বেশি পণ্য বিশেষ করে পাটজাত ও চামড়াজাত পণ্য আমদানি করতে ব্রাজিলের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

আসন্ন জি টুয়েন্টি সম্মেলনে অংশ নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা।

ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাউরো ভিয়েরা দেশটির প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণপত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করেন। প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণ গ্রহণ করে ব্রাজিল সফরে সম্মত হন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করেন ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ব্রাজিল তার আর্থ-সমাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে তারা বাংলাদেশের উন্নয়ন অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এবং ব্রাজিল উভয় দেশই ক্ষুধা-দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছে এবং আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফরমে বিভিন্ন ইস্যুতে একই পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

বৈঠকে প্যালেস্টাইন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকার প্রশংসা করেন ব্রাজিলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলি বাহিনী যে নৃশংসতা চালাচ্ছে সেটা গণহত্যা।

বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নে ব্রাজিলের সহায়তা চান প্রধানমন্ত্রী। সাক্ষাতকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাম সংবলিত ব্রাজিলের একটি জার্সি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার দেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

সাক্ষাতকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন, পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে স্বস্তিতে ঘরে ফিরছে মানুষ

স্টাফ রিপোর্টার:

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে গাড়ির চাপ কম। ফলে পবিত্র ঈদুল ফিতরে ভোগান্তি ছাড়াই বাড়ি ফিরছেন ঘরমুখো মানুষ।

সোমবার (৮ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত মহাসড়কের কুমিল্লা অংশের খোঁজ নিয়ে এসব তথ্য জানা গেছে।

মহাসড়কের কুমিল্লার আলেখারচর এলাকায় ঢাকা থেকে আসা বেশ কয়েকজন যাত্রী বলেন, খুব কম সময়েই ঢাকা থেকে কুমিল্লায় এসেছি। সড়কের কোথাও যানজট নেই। সড়কে গাড়ি কমই দেখেছি।

দাউদকান্দি হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুল আলম বলেন, আজকেও মহাসড়কে গতকালের মতোই গাড়ির চাপ কম। মহাসড়কে কোথাও যানজট কিংবা ধীরগতি নেই।

ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুরুল আলম বলেন, যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। পুরো মহাসড়কই ফ্রি। অস্বাভাবিক কিছু নেই।

ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার বলেন, ঈদযাত্রার চতুর্থ দিনে মহাসড়কে গাড়ির চাপ কম। তবে আগামীকাল মঙ্গলবার গার্মেন্টস ছুটি হলে গাড়ির চাপ কিছুটা বাড়তে পারে।

হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার বলেন, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে কোনো যানজট নেই। গাড়ির চাপ কম থাকায় মানুষ অনায়সে বাড়ি যেতে পারছেন। মানুষের ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের সমন্বিত নিরাপত্তাব্যবস্থা কাজ করছে।

কলকাতা বিপক্ষে রাতে মাঠে নামছে চেন্নাই

ডেস্ক রিপোর্ট:

টানা দুই জয়ে আসর শুরু করেছিল চেন্নাই সুপার কিংস। তবে পরের দুই ম্যাচ হেরে এখন কিছুটা হলেও ব্যাকফুটে মহেন্দ্র সিং ধোনির দল। ঘুরে দাঁড়াতে মরিয়া চেন্নাইয়ের সামনে এবার উড়তে থাকা কলকাতা নাইট রাইডার্স। ৩ ম্যাচ খেলে অপরাজিত থাকা কলকাতার বিপক্ষে আজ মুস্তাফিজকে পাবে চেন্নাই?

সোমবার (৮ এপ্রিল) ঘরের মাঠে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে নিজেদের পঞ্চম ম্যাচ খেলতে নামবে চেন্নাই। বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় ম্যাচটি শুরু হবে।

চেন্নাইয়ের সর্বশেষ ম্যাচে একাদশে ছিলেন না মুস্তাফিজ। জরুরী কাজে দেশে ফিরেছিলেন। তবে গতকাল আবারও ভারতে ফিরে গেছেন এই বাংলাদেশি পেসার। ইতোমধ্যেই যোগ দিয়েছেন দলের সঙ্গে।

আজকে ম্যাচে মুস্তাফিজকে একাদশে দেখা যেতে পারে। চিপাকের উইকেট খানিকটা লো থাকে। যেখানে মুস্তাফিজের মতো পেসাররা বাড়তি সুবিধা পেয়ে থাকেন। তাছাড়া দলটির আরেক বিদেশি পেসার মাথিশা পাথিরানা আবারও চোটে পড়েছেন। এই ম্যাচে তার খেলার সম্ভাবনা খুব একটা নেই। সবমিলিয়ে মুস্তাফিজের ওপরই ভরসা রাখতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট।

গত মঙ্গলবার জাতীয় দলের ভিসা সংক্রান্ত কার্যক্রমে অংশ নিতে চেন্নাই থেকে ঢাকায় ফেরেন ফিজ। এরপর বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশ দলের সম্ভাব্য স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটাররা। যে তালিকায় ছিলেন মুস্তাফিজও। শুরুতে ধারণা করা হয়েছিল, ৪ তারিখেই ভিসার কাজ শেষ করেই আবার ভারত যাবেন ফিজ। তবে সেটি শেষ পর্যন্ত আর হয়নি। দিন দুয়েক সময় লেগেছে।

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসর বসবে যুক্তরাষ্ট্র ও ওয়েস্ট ইন্ডিজে। তার আগে যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে স্বাগতিকদের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। অর্থাৎ বিশ্বকাপের দামামা পুরোদমে বাজার আগেই টাইগাররা সেখানে পা রাখবে। সেজন্য কিছুটা আগেভাগেই শুরু হয়েছে ভিসা প্রস্তুত কার্যক্রম।

বাংলাদেশ থেকেও বিরল সূর্যগ্রহণ যেভাবে দেখা যাবে

ডেস্ক রিপোর্ট:

বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ হতে চলেছে আজ ৮ এপ্রিল। জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, এ গ্রহণ বিভিন্ন দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ। ৫০ বছর পর দীর্ঘক্ষণ এ গ্রহণ হতে চলেছে। তবে সূর্যগ্রহণের এই সময় বাংলাদেশে রাত হওয়ায় বাংলাদেশ বা এশিয়ার অন্য জায়গা থেকে এটি দেখা যাবে না।

এই পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে মেক্সিকো, আমেরিকার কয়েকটি রাজ্য ও কানাডার নির্দিষ্ট কিছু স্থান থেকে। এ ছাড়া স্পেন, যুক্তরাজ্য, পর্তুগালসহ কয়েকটি দেশ থেকে আংশিক সূর্যগ্রহণ দেখা যাবে।

কিন্তু যে কেউ চাইলে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার ওয়েবসাইট থেকে গিয়ে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণটি দেখতে পারবেন। বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা থেকে নাসার সরাসরি সম্প্রচার শুরু হবে, চলবে রাত ২টা পর্যন্ত।

নাসা জানিয়েছে, সরাসরি সম্প্রচারের সময় বিশেষজ্ঞরা তাদের মতামত শেয়ার করবেন। এ ছাড়া টেক্সাসভিত্তিক ম্যাকডোনাল্ড অবজারভেটরি নামের একটি ইউটিউব চ্যানেলেও এই পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ সরাসরি সম্প্রচার করবে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, পুরো সূর্যগ্রহণের ঘটনাটি আড়াই ঘণ্টার হলেও সূর্যকে চাঁদ পুরোপুরি ঢেকে দেবে ৪ মিনিট ২৭ সেকেন্ডের জন্য। এই সূর্যগ্রহণ শুরু হবে বাংলাদেশ সময় ৯টা ৪২ মিনিট থেকে, শেষ হবে রাত ২টা ৫২ মিনিট পর্যন্ত।

কুমিল্লা সিটি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বুড়িচংয়ে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা সিটি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে।

রবিবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের আবিদপুর গ্রামের ভূঁইয়া বাড়িতে এই ঈদ সামগ্রী নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

ঈদ সামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা সিটি ফাউন্ডেশনের সভাপতি আলহাজ্ব জামাল খন্দকার। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন এর সঞ্চালনায় এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য এমদাদুল হক ভূইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক – এ এইচ এম তারিকুল ইসলাম লিটন, খোরশেদ আলম ( সৌদি প্রবাসী)। নির্বাহী সদস্য আরিফুল ইসলাম ও জাহিদ ইমাম মাহবুবসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ আরো অনেকে।

পবিত্র ঈদের আনন্দ সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মাঝে ভাগাভাগি করার লক্ষ্যে এই সামগ্রী বিতরণ করা হয় বলে বক্তারা জানান।

ঈদ হতে পারে ১১ এপ্রিল

ডেস্ক রিপোর্ট:

ফজিলতপূর্ণ পবিত্র রমজান মাস প্রায় শেষ। দরজায় কড়া নাড়ছে ঈদুল ফিতর। কবে ঈদ হবে তা নিয়ে যেন আগ্রহের শেষ নেই কারো।

আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিদদের গণনা অনুযায়ী, এ বছর রোজা হতে পারে ৩০টি। ফলে সৌদি আরবসহ পার্শ্ববর্তী দেশগুলোতে বুধবার (১০ এপ্রিল) পবিত্র ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হবে। সে অনুযায়ী বাংলাদেশে বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) পবিত্র ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও বিষয়টি নির্ভর করছে চাঁদ দেখার ওপর। খবর আল-জাজিরার

চন্দ্রবর্ষ হিসেবে প্রতিটি মাসই ২৯ অথবা ৩০ দিনে হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে এ বছর রোজা কতটি হবে তা নির্ভর করছে চাঁদ দেখার ওপর। সোমবার (৮ এপ্রিল) মধ্যপ্রাচ্যে ২৯তম রোজা। এদিন বাসিন্দাদের শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার জন্য আহ্বান জানিয়েছে সৌদির সুপ্রিমকোর্ট। যদি ৮ এপ্রিল চাঁদ দেখা যায় তাহলে ৯ এপ্রিল সৌদি আরবে ঈদুল ফিতর পালিত হবে। আর চাঁদ না দেখা গেলে রোজা হবে ৩০টি, ঈদ হবে বুধবার।

আলজাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঐতিহ্যগতভাবে পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হয় তিনদিনব্যাপী। মুসলিমরা পবিত্র ঈদের উৎসব শুরু করেন নামাজ আদায়ের মধ্য দিয়ে। নামাজের পরে খুতবা দেওয়া হয়।

একটি খোলা মাঠে পবিত্র ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। মুসলিমরা আল্লাহু আকবার বলে তাকবির দিতে থাকেন। যার অর্থ আল্লাহ মহান।

ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কে ঈদ যাত্রা হবে নিরাপদ : কুমিল্লায় অতিরিক্ত আই জি শাহাবুদ্দিন খান

শাহ ইমরান:

মো. শাহাবুদ্দিন খান বলেছেন, ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে দেশের সকল মহাসড়কগুলোতে পুলিশের সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশসহ পুলিশের সকল ইউনিট কাজ করছে। ঈদে মানুষের বাড়ি ফেরাকে আনন্দময় করতে আমরা সবাই মাঠে আছি। ঈদের ছুটি শেষ হওয়া পর্যন্ত এটা অব্যাহত থাকবে।

রোববার (৭ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়ক পরিদর্শনে এসে কুমিল্লার আলেখারচর এলাকায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

হাইওয়ে পুলিশ প্রধান বলেন, ঈদের আগে থেকে আমরা দেশের সকল মহাসড়কগুলোতে য়ানজটসহ সকল সমস্যার কারণগুলো চিহ্নিত করেছি। এখন সেগুলো মাথায় রেখে কাজ করছি। আপনারা জেনে থাকবেন, কয়েকদিন আগে সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় মহাসড়কের পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। মহাসড়কের পাশের অবৈধ হাটবাজার উচ্ছেদ করা হয়েছে।

ঈদ ধর্মীয় উৎসবে মানুষের যাতায়াত সহজতর করতে সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়ে থাকে। আমরা সে অনুযায়ী মহাসড়কগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছি।

আজ ঈদযাত্রার তৃতীয় দিন চলছে। এ পর্যন্ত দেশের মহাসড়কগুলোতে বড় কোনো যানজটের দৃশ্য চোখে পড়েনি। সব জায়গায় গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। কোথাও কোনো অপ্রীতিকর কিছু ঘটেনি। তবে আজ বৃষ্টি হচ্ছে। বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে এবং গাড়ির চাপ আরও বাড়লে সেক্ষেত্রেও আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা আশা করছি একটা স্বাচ্ছন্দ্যময় ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে পারব।

তিনি আরও বলেন, মহাসড়ক যানজট ও ভোগান্তিমুক্ত রাখতে শুধু পুলিশই নন। যানবাহনের চালকরাও বড় একটি ভূমিকা রাখেন। এছাড়াও যাত্রী যারা এই যাত্রায় অংশীদার রয়েছেন, তাদেরও একটা বড় ভূমিকা রাখেন। তারা যদি তাদের দায়িত্বটা ঠিকভাবে পালন করেন, তারা যদি সচেতন থাকেন, তারা যদি অনিরাপদ ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াতে সামিল না হন তাহলে একটা সমন্বিত নিরাপদ ঈদযাত্রা উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, আরও দুদিন সামনে রয়েছে। ৮ এবং ৯ তারিখ মানুষ স্বজনদের সাথে ঈদ উদযাপন করতে যাতায়াত করবেন। আমরা বিশ্বাস করি বিগত দিনগুলোর মতো আগামী দিনগুলোতেও ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করতে পারব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি (অপারেশন্স) মাহফুজুর রহমান, হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি (পূর্ব) মাহবুবুর রহমান, হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি (কুমিল্লা রিজিয়নে) মো. খাইরুল আলম, কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান, কুমিল্লা জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শামস তাবরেজ, হাইওয়ে পুলিশ কুমিল্লা রিজিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শামসুল আলম সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার আশফাকুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) নাজমুল হাসানসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।