All posts by jitu

পাহাড়ে হামলার ঘটনায় তদন্ত চলছে, সব বেরিয়ে আসবে: সেতুমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বান্দরবানের রুমা ও থানচিতে পৃথক তিনটি ব্যাংকে ডাকাতি, পুলিশ ও আনসারের অস্ত্র লুট, থানায় হামলা ও ব্যাংক ম্যানেজারকে অপহরণের ঘটনায় ‘পাহাড়ে যৌথ অভিযান চলছে’ বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। পাহাড়ের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

শনিবার (৬ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাসেক সড়ক সংযোগ প্রকল্প-২ (এলেঙ্গা-হাটিকুমরুল-রংপুর মহাসড়ক) এর আওতায় নির্মিত ৫টি ফ্লাইওভার যানবাহন চলাচলের জন্য উন্মুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ঢাকা প্রান্তে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, পাহাড়ে হামলার ঘটনায় তদন্ত চলছে, সব বেরিয়ে আসবে। এরা ক্ষুদ্র জঙ্গিগোষ্ঠী, মনে করি না অন্য কোথাও থেকে মদত পাচ্ছে। মিজুরাম থেকে মদত পাচ্ছে বলেও মনে করি না।

পাহাড়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে গতকাল শুক্রবার ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেছিলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সশস্ত্র তৎপরতা নিয়ে সরকার কঠোর অবস্থানে। সেখানে যৌথ অভিযান চলছে। অচিরেই শিগগির পরিস্থিতি শান্ত হবে।

মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে একটা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কিছু কিছু সশস্ত্র তৎপরতা শুরু করেছে। এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীটি রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়িতে নেই। শুধু আছে বান্দরবানে। এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কিছু তরুণ অস্ত্রশস্ত্রসহ মহড়া দিচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যৌথ অভিযান চালাচ্ছে। আশা করি অচিরেই পরিস্থিতি শান্ত হবে।

এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর এই সশস্ত্র তৎপরতার ঘটনায় গোটা পার্বত্য অশান্ত হবে, এটা মনে করার কোনো কারণ নেই বলেও জানান তিনি।

‘হায়দরাবাদের বিপক্ষে মুস্তাফিজকে মিস করেছে চেন্নাই’

ডেস্ক রিপোর্ট:

হায়দরাবাদের উইকেটে বোলারদের জন্য বাড়তি সুবিধা ছিল। তাই চেন্নাই সুপার কিংসের মাঝারি মানের পুঁজিও আশা জিইয়ে রেখেছিল ভক্তদের মনে। তবে বোলিংয়ে চেন্নাইকে ভরসা দিতে পারেননি কেউই। শেষ পর্যন্ত তারা হেরেছে ৬ উইকেটের ব্যবধানে। মিচেল ম্যাক্লেনাগান মনে করেন, হায়দরাবাদের বিপক্ষে মুস্তাফিজ ও পাথিরানাকে মিস করেছে চেন্নাই।

বিশ্বকাপের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা করাতে পাসপোর্ট জমা দিয়েছেন মুস্তাফিজ। পাসপোর্ট না পাওয়ায় ভারতের টিকিট কাটতে পারছেন না ২৮ বছর বয়সি এই পেসার। যার ফলে হায়দরাদের বিপক্ষে খেলতে পারেননি মুস্তাফিজ। এই ম্যাচের উইকেট তুলনামূলক খানিকটা ধীরগতির ছিল। বল ব্যাটে আসছিল না ঠিকঠাক মতো। এমন উইকেটে বরাবরই ভয়ঙ্কর মুস্তাফিজ।

ক্রিকইনফোর টাইম আউট অনুষ্ঠানে নিউজিল্যান্ডের সাবেক পেসার ম্যাক্লেনাগান বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি তো সেটাই বলব। তারা কেন মিস করেছে সেটাও বলছি। মুস্তাফিজের এমন স্কিল আছে যদি উইকেটটা খুব ভালোও হয় তবুও সে পাওয়ার প্লেতে বৈচিত্র্যময় বোলিং করতে পারে।’

এদিন পাথিরানাকেও পায়নি চেন্নাই। চোটের কারণে হায়দরাবাদের বিপক্ষে খেলতে পারেননি শ্রীলঙ্কার তরুণ এই পেসার। পাথিরানার না থাকা নিয়ে ম্যাক্লেনাগান বলেন, ‘মাঝের দিকে আপনি জানেন আপনার উইকেট দরকার। সেই সময় ব্রেক থ্রু এনে দেয়ার জন্য পাথিরানা সেরাদের একজন।’

ডাকাতি ও অস্ত্র লুটের ঘটনায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযানের ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ডেস্ক রিপোর্ট:

তিনটি ব্যাংকে ডাকাতি ও অস্ত্র লুটের ঘটনায় যারাই জড়িত থাকুক না কেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

এছাড়া ব্যাংকে ডাকাতি, অস্ত্র লুটের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ থেকে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যৌথ বাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

শনিবার (৬ এপ্রিল) রুমায় ব্যাংক পরিদর্শনকালে রুমা উপজেলা কমপ্লেক্সে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

এছাড়া এ ঘটনা ঘটার আগাম তথ্য দেওয়ার বিষয়ে যদি গোয়েন্দাদের ব্যর্থতা থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা, বীর বাহাদুর উশৈসিং এমপি, বিজিবি প্রধান মেজর জেনারেল মো. আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী, আনসার ভিডিপির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল একেএম আমিনুল হক, পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার বোনকে সামলান, সামনে পড়লে থাপড়ায়ে দিবনে- বুবলীকে পরীমণি

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা শবনম বুবলী ও পরীমণির বাগবিতণ্ডা চলছে। দুই নায়িকাই একে অন্যেকে উদ্দেশ্য করে পরোক্ষভাবে নানা মন্তব্য করছে। সবশেষ বুবলীল সন্তান শেহজাদ খান বীরের জন্মদিনে আরও স্পষ্ট হয় দু’জনের কোন্দল।

যেখানে একজন অন্যজনকে উদ্দেশ্য করে ফেসবুকে স্ট্যাটাসে কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু করেন। এরই রেশ ধরে সম্প্রতি কলকাতার একটি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নিজেকে ‘বেয়াদব’ বলে মন্তব্য করেন পরীমণি।

এই নায়িকা আরও বলেন, সবসময় এমন হয়েই থাকতে চান তিনি। বদলাতে চান না ‘বেয়াদবী’ তকমা। পরীমণির এমন বক্তব্যের পরই একটি বেসরকারি টেলিভিশনে সাক্ষাৎকার দেন বুবলী। যেখানে পরীর নাম না নিলেও পরোক্ষভাবে নায়িকার ওই বক্তব্যের সমালোচনায় মেতে ওঠেন তিনি।

সাক্ষাৎকারের একটি অংশে বুবলী বলেন, ‘শিল্পীদের মধ্যে কেউ যদি আমার আবেগের জায়গাকে অন্যভাবে আনেন, সেটি আমার জন্য কষ্টের। কেউ যদি কারোর সঙ্গে অসভ্যতা করেন, কাউকে কষ্ট দেন, সেটি যদি তার কাছে মনে হয় সে স্পষ্টবাদী, তাহলে তো একসময় বড়দেরও অসম্মান করবেন। বড়দেরও হুটহাট কিছু বলে ফেলবেন। এটা বেয়াদবিই।’

বুবলীর এই সাক্ষাৎকার প্রকাশ হওয়ার পরেই শুক্রবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে ফেসবুকে আবারও একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন পরীমণি। যেখানে তিনি লিখেছেন— আপনার বড় বোনকে আগে সভ্য হতে বলেন আপা। গালিগালাজ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় স্টাটাস দেয় কেন বিদেশ বসে? সামনে আসতে বলেন। আগে নিজে এবং নিজের পরিবারের সভ্যতা নিশ্চিত করেন। দল পাকায়েন না এতো।

পরী আরও লেখেন, আমি তাও তো আপনাকে আপা বলে কথা বলি। আপনি বলি। কারণ আমি সভ্য, তাই। আপনার বোন আর আপনার মতো তুই-তোকারি গালিগালাজ তো করি নাই। সামনে পরলে এবার থাপড়ায়ে দিবনে তাইলে। বেয়াদবি না করেই এত কথা আপনার আমাকে নিয়ে? এবার এটা করলে কি যায় আসে আর।

স্ট্যাটাসে পরীমণি কারও নাম না প্রকাশ করলেও ভক্তদের বুঝতে সমস্যা হয়নি নায়িকার তীরের নিশানায় কে ছিলেন। বুবলীর বড় বোন সংগীতশিল্পী নাজনীন মিমিকেই ইঙ্গিত করেই কথাগুলো বলেছেন পরী। কারণ গেল ফেব্রুয়ারিতেই ফেসবুকে লাইভে এসে শাকিব খানের প্রথম স্ত্রী অপু বিশ্বাসকে ‘টোকাই’সহ অসংখ্য অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন তিনি।

এছাড়া বিভিন্ন সময় বোন বুবলীর পাশে দাঁড়িয়ে তার সমালোচকদের কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি মিমি। যে কারণেই হয়তো এবার পরীর নিশানায় ছিলেন তিনি।

দাউদকান্দিতে বসতঘর থেকে স্বামী স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার

 

দাউদকান্দি  প্রতিনিধি:
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে স্বামী স্ত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আজ শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের প্রবাসী মুজিব মিয়ার বাড়ী থেকে আমিনুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মালেকার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক রাজিব এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত আমিনুল ইসলাম তিতাস উপজেলার জগৎপুর ইউনিয়নের অম্বলপুর গ্রামের আব্দুল মান্নান মুন্সির ছেলে। মালেকা বেগম বুড়িচং উপজেলার ছাদবপুর গ্রামের নোয়াব মিয়ার মেয়ে। মালেকা বেগম তিতাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সেবিকা (নার্স) পদে কর্মরত বলে জানিয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ সরফরাজ হোসেন।

বাড়ীর মালিক প্রবাসী মুজিবুর রহমানের স্ত্রী নার্গিস বেগম জানান, ছয় মাস আগে আমিনুল ইসলাম ও মালেকা বেগম স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে আমাদের বিল্ডিংয়ে সাবলেটে একটি রুম ভাড়া নেয়। তারা সপ্তাহে প্রতি বৃহস্পতিবার বিকালে আসতো, আবার শনিবার চলে যেত। গতকাল এসে রুমে যাওয়ার পর থেকে আজ( শুক্রবার) সন্ধ্যা পর্যন্ত দরজা খুলেনি। পরে লোকজনকে জানালে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে দরজা ভেঙ্গে তাদের মৃত অবস্থায় দেখতে পায়।

গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে ইনচার্জ বলেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বিস্তারিত জানতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।

ইউনিটি অব কুমিল্লা এস এস সি-২০০১ ব্যাচের উদ্যোগে মৃত. বন্ধুদের সন্তানদের নিয়ে ইফতার ও ঈদ উপহার বিতরণ

 

স্টাফ রিপোর্টার:

ইউনিটি অব কুমিল্লা এস এস সি- ২০০১ ব্যাচের উদ্যোগে  এ ব্যাচের  মৃত. বন্ধু ও বিধবা বান্ধবীদের সন্তানদের নিয়ে  ইফতার মাহফিল ও তাদের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়।

শুক্রবার (৫ এপ্রিল) কুমিল্লা নগরীর একটি রেস্টুরেন্টে এ ব্যতিক্রমী ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

 

এ ইফতার মাহফিলের অন্যতম উদ্যোক্তা  মো: ফরহাদ উদ্দিন  বলেন, আলহামদুলিল্লাহ আমাদের ছোট্ট আয়োজনে বন্ধুদের প্রাণোচ্ছল  অংশগ্রহণ প্রোগ্রামকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে।  আমরা আমাদের সাধ্যমতে চেষ্টা করেছি আমাদের মাঝ থেকে যে সকল বন্ধুরা হারিয়ে গেছে তাদের সন্তান ও পরিবারদের নিয়ে একসাথে ইফতার করতে এবং তাদের সন্তানদের মাঝে ঈদ উপহার তুলে দিতে। উদ্দেশ্য ছিল একটাই আমাদের সন্তানাদি ঈদে নতুন জামা কাপড় পড়বে, একটু ভালো খাবে তাঁরা কেন নয়, আমাদের অজান্তে কোন ভূল ত্রুটি হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবি। কৃতজ্ঞতা সকল বন্ধুদের প্রতি যারা স্ব-শরীরে উপস্থিত থেকে এবং দূর দূরান্ত থেকে বন্ধুরা পরামর্শ দিয়ে অনুষ্ঠানকে প্রানবন্ত করে তুলেছিস।

ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন  উজ্জ্বল  চন্দ্র পাল,  মাহাদী হাসান, আসাদুজ্জামান রাজীব, সোহেল আহাম্মদ, হাফিজুর রহমান ইমন, ফাতেমা মাহাদী, নুরুদ্দীন সোহেল প্রমুখ।

চান্দিনায় দুই সাংবাদিককে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ চেয়ারম্যান প্রার্থী শামীমের বিরুদ্ধে

 

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার চান্দিনায় পোষ্টারের উপর পোষ্টার লাগানোয় ছবি ও ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিক অফিসে ঢুকে জাতীয় দৈনিক দুই পত্রিকার সাংবাদিককে বেধড়ক মারধরসহ প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হাজী মো. শামীম হোসেনের বিরুদ্ধে।

ভুক্তভোগী দুই সাংবাদিক হলেন আকিবুল ইসলাম হারেছ দৈনিক কালবেলা ও সোহেল রানা দৈনিক মুক্তখবর পত্রিকার চান্দিনা উপজেলা প্রতিনিধি।

অভিযুক্ত হাজী মো. শামীম হোসেন চান্দিনা উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ সদস্য।

শুক্রবার (৫ এপ্রিল) দুপুর ১২ টায়  থানার সামনে স্কুলমার্কেট দ্বিতীয় তলায় সাংবাদিক অফিসে এসে এ ঘটনা ঘটান শামীম।

ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা জানান, সাংবাদিকরা অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে তিন সংবাদকর্মী কথা বলার সময় হঠাৎ দেখতে পান উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শামীম হোসেন এর লোকেরা পোস্ট অফিসের দেওয়ালে থাকা আরেক উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী দেলোয়ার হোসেন সিআইপির পোষ্টারের উপর পোষ্টার লাগাচ্ছে। এসময় সাংবাদিক আকিবুল ইসলাম হারেছ ওই ঘটনার ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে, তা দেখে তার উপর চড়াও হয়ে মারধর করতে আসে। সাংবাদিক হারেছকে হেনস্থা করতে দেখে সাংবাদিক সোহেল রানা তা ভিডিও ধারণ করলে উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শামীম হোসেন ২০-২৫ জন সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে সাংবাদিক অফিসে ঢুকে হামলা চালিয়ে বেধড়ক মারধর করে । পরে তার সাথে আসা সন্ত্রাসীরা ওই দুই সাংবাদিককে বেধড়ক মারধর করার পর অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে প্রাণনাশের হুমকি দেয়।

সাংবাদিক সোহেল রানা জানান, এর আগে সাইফুল নামে এক ড্রেজার ব্যবসায়ী ইউএনও’র নাম ভাঙিয়ে ড্রেজিং করার নিউজের ঘটনায় ওই ড্রেজার ব্যাবসায়ীকে ভ্রাম্যমান আদালত ৩ মাসের কারাদন্ড দেয়ায় আমার উপর ক্ষিপ্ত হয় শামীম। আজ (শুক্রবার) ওই ঘটনার কথা উল্লেখ করে আমাদের মারধর করেন তিনি।

শামীম অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বলেন, “তোর কারণে একটা লোক তিন মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামি হয়ে জেল হাজতে। আজ তোকে মেরেই ফেলবো” ।  দন্ডপ্রাপ্ত সাইফুল সম্পর্কে শামীম হোসেন এর আত্মীয় হন এবং ড্রেজিং এর ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত।

এ ঘটনায় স্থানীয় সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত হাজী মো. শামীম হোসেন জানান, এক পোষ্টারের উপর আরেকজনের পোষ্টার লাগানো নিয়ে সংবাদকর্মীদের সাথে ওই পোষ্টার লাগানো কর্মীদের বাক বিতন্ডা হয়েছে। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। আমি শুধু সংবাদকর্মীদের বলেছি, আপনারা কেন ভিডিও  করেছেন? কেউ তো অভিযোগ করেনি। পরে কিংকর ভাইয়ের অফিসে গিয়ে এটা সমাধান করেছি। দুই সংবাদ কর্মীর কাছে দু:খ প্রকাশ করেছি। আমাদের মাঝে হাসিখুশি কথাবার্তা হয়েছে। আমার লোক কাউকে মারধর করেনি। আর আমিও তাদেরকে হুমকি দেইনি। অভিযোগ ভিত্তিহীন।

ফেনীতে ট্রাকে ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ৩

ডেস্ক রিপোর্ট:

ফেনীর ফাজিলপুর মুহুরীগঞ্জে একটি ট্রাকে ট্রেনের ধাক্কায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (৫ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মুহুরীগঞ্জ ব্রিজ সংলগ্ন বালুমহাল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন বরিশালের উজিরপুর উপজেলার কাউয়ারাকা গ্রামের আবুল হাওলাদারের ছেলে ট্রাকচালক মো. মিজান (৩২), কুমিল্লা জেলার লাকসাম মনোহরপুর এলাকার আমির হোসেনের ছেলে আবুল খায়ের (৩৮) এবং তার ছেলে আশিক।

আবুল খায়েরের শ্যালক রুবেল বলেন, আশিক ও তার বাবা আবুল খায়ের ট্রেনের ইঞ্জিনে বসে চট্টগ্রাম যাচ্ছিলেন। এমন সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাদের মধ্যে আবুল খায়ের ঘটনাস্থলেই মারা যান। আর গুরুতর আহত অবস্থায় আশিককে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার পূর্ব ফাজিলপুর মুহুরীগঞ্জ ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় চট্টগ্রামগামী একটি মেইল ট্রেন বালুবাহী ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এ সময় ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাকটি অন্তত ১০০ মিটার সামনে গিয়ে পড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন মারা যান।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, গেটম্যান মো. সাইফুলের দায়িত্বে অবহেলার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ট্রেন অতিক্রম করার সময় তিনি সেখানে ছিলেন না। ঘটনার পর থেকে সাইফুল পলাতক রয়েছে।

ফেনী রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক শাহ আলম বলেন, চট্টগ্রামগামী একটি মালবাহী ট্রেন মুহুরীগঞ্জ এলাকায় বালুবাহী ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলে দুইজন মারা যান। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে আরও একজন মারা যান। নিহতদের মরদেহ ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

ফেনীর পুলিশ সুপার জাকির হাসান বলেন, বালুবাহী ট্রাক রেল ক্রসিং পার হওয়ার সময় ট্রেনের ধাক্কা লাগে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। তদন্তসাপেক্ষে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জো বাইডেনের পর এবার ইসরায়েলকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা

ডেস্ক রিপোর্ট:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের পর এবার ইসরায়েলকে সতর্কবার্তা দিলেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট এবং আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, গাজায় যদি শিগগির শান্তি ফিরে না আসে, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে চরম বিপর্যয়ের মধ্যে পড়বে ইসরায়েল।

সেই সঙ্গে গাজায় হাজার হাজার বেসামরিক নিহতের ঘটনায় এই প্রথমবারের মতো ইসরায়েলের সমালোচনাও করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার একটি রেডিওতে রিপাবলিকানপন্থি মার্কিন সাংবাদিক হিউ হেউইটকে সাক্ষাৎকার দেন ট্রাম্প। সেখানে হেউইটের এক প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, ‘ইসরায়েলের সরকারকে আমি খুবই সহজ এবং সংক্ষিপ্ত একটি বার্তা দিতে চাই— দ্রুত যুদ্ধ শেষ করুন, শান্তি ফিরিয়ে আনুন এবং মানুষ হত্যা বন্ধ করুন।’

‘এবং তাদেরকে অবশ্যই এটি করতে হবে…কারণ আপনাকে-আমাকে— আমাদের সবাইকে শেষ পর্যন্ত স্বাভাবিক শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ফিরতে হবে। সেটি যত শিগগির হয় ততই ভালো।’

গত ৭ অক্টোবর গাজার ইরেজ সীমান্ত দিয়ে ইসরায়েলের ভূখণ্ডে ঢুকে অতর্কিত হামলা চালায় ১ হাজার হামাস যোদ্ধা। তারপর সেখানে এলোপাতাড়ি গুলি চালিয়ে হত্যা করে ১ হাজার ২০০ জন মানুষকে, পাশপাশি জিম্মি হিসেবে ধরে নিয়ে যায় ২৪২ জনকে।

অভূতপূর্ব সেই হামলার পর সেদিন থেকেই গাজায় অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। সেই অভিযানে এ পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৩২ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি, আহতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৭৫ হাজার। সেই সঙ্গে ইসরায়েলি বাহিনীর বোমায় বাস্তুচ্যুত হয়েছেন লাখ লাখ ফিলিস্তিনি।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন মহল থেকে গত কয়েক মাস ধরে গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবি জানিয়ে আসছে; কিন্তু ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণকারী গোষ্ঠী হামাসকে সম্পূর্ণ ধ্বংসের আগ পর্যন্ত এই যুদ্ধ থামবেনা।

এদিকে ইসরায়েলি সেনাদের বোমা ও গোলায় প্রতিদিন গাজায় যেসব ভবন ও স্থাপনা ধ্বংস হচ্ছে, নিয়মিত সেসব হামলার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী আইডিএফ।

বৃহস্পতিবারের সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ আমিও সমর্থন করি, কিন্তু ইসরায়েল যেভাবে এই যুদ্ধ করছে— সেটি আমার পছন্দ নয়।’

আরেকটি কথা হলো তাদের বোমা হামলার ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ নিয়ে। এসব ভিডিও ফুটেজগুলোতে দেখা যাচ্ছে যে ভবনগুলোতে বোমা হামলা হচ্ছে এবং বিস্ফোরণে সেগুলো ধসে পড়ছে। যারা এসব ফুটেজ দেখছেন, স্বাভাবিকভাবেই তারা মনে করছেন যে হামলার শিকার ভবনগুলোতে লোকজন ছিল, যারা হামলার ফলে নিহত হয়েছেন।’

‘এসব ফুটেজ খুবই বর্বর এবং জঘন্য। এসব ভিডিওর কারণে প্রতিদিন আন্তর্জাতিক সমর্থন ব্যাপকভাবে হারাচ্ছে ইসরায়েল। আমি জানি না তারা কেন এসব ভিডিও প্রকাশ করছে।’

‘আমরা কথা স্পষ্ট। এই যুদ্ধে ইসরায়েল জিতবে কি না— তা অনিশ্চিত, কিন্তু দীর্ঘদিন যদি এই যুদ্ধ চলে, তাহলে আন্তর্জাতিক জনসমর্থন পুরোপুরি হারাবে ইসরায়েল।’

প্রসঙ্গত, একই দিন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেছেন, যদি গাজায় বেসামরিক হত্যা বন্ধে শিগগিরই কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হয়, তাহলে ইসরায়েল ইস্যু সংক্রান্ত নীতিতে পরিবর্তন আনবে যুক্তরাষ্ট্র।

সূত্র : এপি, ইউএনবি

বিলম্বিত রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান বাংলাদেশের

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিলম্বিত রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। নিউইয়র্ক স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল) জাতিসংঘে নিরাপত্তা পরিষদ আয়োজিত এক উন্মুক্ত বৈঠকে এ আহ্বান জানান বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী প্রতিনিধি মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সাম্প্রতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি ও বেসামরিক নাগরিকদের ওপর, বিশেষ করে রোহিঙ্গা সংখ্যালঘুদের ওপর এর প্রভাব নিয়ে উন্মুক্ত বৈঠকটি হয়।

স্থায়ী প্রতিনিধি বলেন, রাখাইনে সাম্প্রতিককালে উত্তেজনা বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াও ব্যহত হচ্ছে। পরিস্থিতির উন্নতি হলেই আবার এ প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

প্রত্যাবাসন ইস্যুতে প্রকৃত রাজনৈতিক ইচ্ছা প্রদর্শন ও ২০১৭ ও ২০১৮ সালে স্বাক্ষরিত দ্বিপাক্ষিক প্রত্যাবর্তন চুক্তি বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার জন্য মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

এছাড়া রাষ্ট্রদূত রাখাইনে শান্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধার করা এবং ভবিষ্যতে প্রত্যাবর্তনকারীদের সফলভাবে পুনর্বাসনে সহায়তা করার জন্য তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়, বিশেষ করে আঞ্চলিক সংস্থাসমূহ এবং আঞ্চলিক ও প্রতিবেশী দেশগুলোকে অর্থপূর্ণ এবং কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত হওয়ার অনুরোধ জানান।

রাখাইন রাজ্যের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদকে অবহিত করেন জাতিসংঘের রাজনৈতিক এবং শান্তি বিনির্মাণ বিষয়ক সহকারী মহাসচিব খালিদ খিয়ারি এবং মানবিক সহায়তা সমন্বয় অফিসের পরিচালক লিসা ডাউটন। নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রসমূহ ছাড়াও সভায় মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজ্যুলেশন ২৬৬৯ এর কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত মুহিত বলেন, রাখাইনে একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করার লক্ষ্যে রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণগুলো মোকাবিলা করা জরুরি যা মূলত মিয়ানমারের বিদ্যমান বৈষম্যমূলক আইনি ও রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে অন্তর্নিহিত।

মুহিত বলেন, এই অন্তর্নিহিত সমস্যাসমূহের সমাধান করা না গেলে দ্বিপাক্ষিক ও আঞ্চলিক প্রচেষ্টাসমূহের সফল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।

রাষ্ট্রদূত মুহিত মিয়ানমারে জাতিসংঘের উপস্থিতি জোরদার করার প্রয়োজনীয়তা, এবং নিরাপত্তা পরিষদের রেজ্যুলেশন ২৬৬৯ বাস্তবায়নের বিষয়ে নিয়মিত রিপোর্টিং, রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা এবং রাখাইনে সংকট সমাধানে বিভিন্ন সময়ে গৃহীত চুক্তি ও সুপারিশ বাস্তবায়নের বিষয়ে জোর দেন।

তিনি মিয়ানমারের অন্য সকল জাতিগোষ্ঠীর মত রোহিঙ্গারাও যেন সমাজে সমান মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত হতে পারেন সে লক্ষ্যে উপযুক্ত এবং টেকসই পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের যথাযথ ভূমিকার ওপর জোর দেন।

রোহিঙ্গাদের দীর্ঘস্থায়ী উপস্থিতির কারণে বাংলাদেশ যে নেতিবাচক সামাজিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশগত এবং নিরাপত্তা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে তা উল্লেখ করেন রাষ্ট্রদূত মুহিত। তিনি, রাখাইন পরিস্থিতির প্রতি নিয়মিত দৃষ্টি রাখা এবং রোহিঙ্গা সংকটের একটি পূর্ণাঙ্গ ও টেকসই সমাধানে দ্রুত ও অর্থপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য নিরাপত্তা পরিষদকে আহ্বান জানান।

সভায় বক্তব্য প্রদানকারী অন্যান্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিবৃন্দ মিয়ানমারে সম্প্রতি সংঘাত ও সহিংসতা বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং মিয়ানমার কর্তৃপক্ষকে রাখাইন সংঘাতের মূল কারণগুলো মোকাবিলায় সবধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এবং সকল বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা এবং অভ্যন্তরীণভাবে বাস্তুচ্যুত ব্যক্তিদের নিরাপদ, টেকসই এবং মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের অনুকূল পরিস্থিতি তৈরির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।

বক্তারা নিরাপত্তা পরিষদের রেজ্যুলেশন ২৬৬৯ অনুযায়ী মিয়ানমারে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য জাতিসংঘ ও আসিয়ানের প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থন জানান।

দশ লাখেরও বেশি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশ যে মানবিক নেতৃত্বের নিদর্শন রেখে যাচ্ছে, বক্তারা তার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা নিরাপদে নিজ গৃহে ফিরে না যাওয়া পর্যন্ত প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা প্রদানের জন্য সকলকে আহ্বান জানান।