All posts by jitu

চৌদ্দগ্রামে সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত

ফখরুদ্দীন ইমন:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে সর্বজনীন স্কিম বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার সকালে চৌদ্দগ্রাম পৌরসভার উদ্যোগে পৌর ভবন চত্ত্বরে এ উপলক্ষে আয়োজিত অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম উদ্যোগটি সরকারের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এই স্কিমের সদস্য হলে ভবিষ্যতে আর কারও উপর নির্ভরশীল হতে হবে না। যে দেশের সামাজিক নিরাপত্তা যতটা সুরক্ষিত সে দেশের মাপকাঠি ততটাই উন্নত। মানুষ নিজের চেষ্টায় যেটা পারে না, রাষ্ট্র যদি সে নিরাপত্তা দেয় সেটাই সামাজিক সুরক্ষা। আত্মমর্যাদাশীল জাতি হিসেবে গড়ে উঠার জন্য এ পেনশন স্কিমের কোনো বিকল্প নেই। ইতিমধ্যে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার প্রায় বারশত জন মানুষ পেনশন স্কিমের আওতায় এসেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘নাগরিকের অর্থনৈতিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ১৮-৫০ বছর বয়সী সকল বাংলাদেশি নাগরিক এই পেনশন স্কিম কার্যক্রমে অংশ গ্রহণ করতে পারবেন। তবে বিশেষ বিবেচনায় পঞ্চাশোর্ধ নাগরিকগণ ১০ বছর নিরবচ্ছিন্ন জমা প্রদান করলে পেনশন সুবিধা পাবেন। বর্তমানে চার ধরনের স্কিম চালু করা হয়েছে।

এর মধ্যে প্রবাসীদের জন্য প্রবাস স্কিম, বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রগতি স্কিম, অনানুষ্ঠানিক খাত অর্থাৎ স্বকর্মে নিয়োজিত নাগরিকদের জন্য সুরক্ষা স্কিম ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য রয়েছে সমতা স্কিম। প্রবাসীরা প্রবাস থেকে অনলাইনে পাসপোর্ট, ছবি, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট এবং তার মনোনীত নমিনির আইডি কার্ড ও ছবি দিয়ে সর্বজনীন পেনশন স্কিমের সদস্য হওয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন করতে পারবেন। বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানকারী যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক তার অভিপ্রায় অনুযায়ী বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধের শর্তে নির্ধারিত হারে চাঁদা প্রদান পূর্বক এই স্কিমে অংশগ্রহণ করলে দেশে প্রত্যাবর্তনের পর সমপরিমাণ অর্থ দেশীয় মুদ্রায় পরিশোধ করাসহ প্রয়োজনে স্কিম পরিবর্তন করতে পারবেন। এছাড়া দেশে অবস্থানরত ১৮-৫০ বছর বয়সী বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিক অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করে পেনশন স্কিমের সদস্য হতে পারবেন। ৬০ বছর পূর্ণ হওয়ার পর গ্রাহক যত বছর বেঁচে থাকবেন তত বছর পেনশন পাবেন এবং ৬০ বছর পূর্ণ হওয়ার পর কোনো ব্যক্তি মারা গেলে তার নমিনি ৭৫ বছর পর্যন্ত পেনশন পাবেন এবং ৬০ বছরের আগে মারা গেলে তার নমিনি মুনাফাসহ জমাকৃত অর্থ ফেরত পাবেন। এছাড়াও জমাকৃত টাকার মধ্যে ৫০ শতাংশ লোন নিতে পারবেন।’

এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘কৃষক, রিকশাচালক, শ্রমিক, কামার-কুমার, জেলে, তাঁতিসহ সব অনানুষ্ঠানিক কর্মে নিয়োজিত ব্যক্তিরা নির্ধারিত হারে চাঁদা প্রদান করে এই স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। পেনশনযোগ্য বয়সে উপনীত হলে চাঁদাদাতা আজীবন পেনশন ভোগ করবেন। এছাড়া বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো কর্মচারী বা প্রতিষ্ঠানের মালিক নির্ধারিত চাঁদা প্রদান পূর্বক এই স্কিমে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।’

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও পৌর ময়র জিএম মীর হোসেন মীরু এর সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আকতার হোসেন পাটোয়ারী, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হালিম চৌধুরী নিজাম, পৌর কাউন্সিলর বদিউল আলম পাটোয়ারী, সহ পৌর কাউন্সিলরবৃন্দ, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ সহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

উল্লেখ্য, অতি সম্প্রতি যোগদানকৃত চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রহমত উল্লাহ নাগরিক সুবিধা সম্বলিত সরকারের বিশেষ প্রকল্প ‘সর্বজনীন পেনশন স্কিম’ বাস্তবায়নে দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। এ সময় তিনি চৌদ্দগ্রামের সকল জনপ্রতিনিধি, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা নিয়ে সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাস্তবায়নে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা তথা কুমিল্লার অবস্থান সমুন্নত রাখতে বেশ সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সেলফি তুলতে চাওয়ায় মারমুখী সাকিব!

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকা সাকিব আল হাসান। এই তারকার সান্নিধ্যে আসতে ভক্তদের আগ্রহের সীমা নেই। তবে ভক্তদের সঙ্গে বহুবার মেজাজ হারানোর ঘটনা ঘটিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।

সবশেষ এমন ঘটনা ঘটেছে আজ ফতুল্লার খান সাহেব ওসমান আলী স্টেডিয়ামে। প্রাইম ব্যাংক আর শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবের মধ্যকার ম্যাচের আগে মেজাজ হারিয়ে এক ভক্তকে চড় মারতে উদ্যত হন সাকিব।

ম্যাচ শুরুর আগে মাঠের পাশে প্রাইম ব্যাংক কোচ সালাহউদ্দিন এবং শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের কোচ সোহেল ইসলামের সঙ্গে কথা বলছিলেন সাকিব। এসময় হঠাৎ সেলফি তুলতে যান এক তরুণ। সাকিব তাকে নিষেধ করেন সেলফি তুলতে। কিন্তু সাকিবের কথা শোনেননি তিনি।

সেলফি তুলতে আরেকবার চেষ্টা করলে মেজাজ হারান সাকিব। মোবাইল কেড়ে নিয়ে ওই ভক্তকে চড় মারতে উদ্যত হন তিনি। অবশ্য নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ পুরোটা হারাননি, ফলে চড় মারতে গিয়েও থেমে যান সাকিব।

পরে সেই ভক্তকে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হয়।

এর আগে সকালে স্টেডিয়ামে প্রবেশের সময়ও একবার মেজাজ হারান সাকিব। তখনও এক ভক্ত সেলফি তোলার জন্য ফোন নিয়ে এগিয়ে এলে সাকিব ফোন কেড়ে নিতে উদ্যত হন। শেষ পর্যন্ত সেখানেও অপ্রীতিকর কিছু ঘটেনি।

এ ঘটনায় প্রশ্ন উঠেছে স্টেডিয়ামের নিরাপত্তা নিয়ে। জাতীয় দলের একাধিক তারকা খেলছেন ঢাকা প্রিমিয়ার লিগ। তাদের ঠিক সামনে ভক্তদের এমন অবাধ বিচরণের সুযোগ কেন থাকবে সেই প্রশ্ন তুলছেন সংশ্লিষ্টরা।

আবার পরিস্থিতি যাই হোক, সাকিবের মেজাজ হারানোর ঘটনা তাকে নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অবশ্য এমন বিতর্কের দিনেও ঠিকই রেকর্ডবুকে নাম লিখিয়েছেন সাকিব। দেশের ক্রিকেটে মাত্র তৃতীয় বোলার হিসেবে লিস্ট-এ ক্রিকেটে ৪০০ উইকেট পেয়েছেন তিনি। শাহাদাত হোসেন দীপু এবং জাকির হোসেনের উইকেট পেয়ে ৪০০ উইকেট পূর্ণ করেছেন তিনি। তার আগে এই কীর্তিতে নাম লিখিয়েছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা এবং আব্দুর রাজ্জাক রাজ।

সবার আগে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন আব্দুর রাজ্জাক। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৪০০ উইকেট স্পর্শ করতে রাজ্জাকের লেগেছিল ২৬৯ ম্যাচ। এ ছাড়া মাশরাফির লেগেছিল ২৮৭ ম্যাচ। ম্যাচের হিসেবে সময়টা একটু বেশি লেগেছে সাকিবের। ৪০০ উইকেটের ক্লাবে নাম লেখাতে টাইগার অলরাউন্ডার খেলেছেন ৩০৮ ম্যাচ।

মুরাদনগরে খাল খননের নামে হরিলুট, ইটভাটায় বিক্রি হচ্ছে মাটি !

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় চাপিতলা ইউনিয়নের চাপিতলা-বিষ্ণুপুর সড়কের পাশের সরকারি খালটি খননের নামে ইট ভাটায় মাটি বিক্রি ও হরিলুটের অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে। খাল খননের মাটি খালের দুই পাড় বাঁধাই করে উদ্ধৃত মাটি সরকারি ব্যবস্থাপনায় উম্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করার বিধি থাকলেও খাল খননের শুরু থেকে স্থানীয় আয়েশা ব্রিকসসহ বিভিন্ন ইট ভাটায় খালের মাটি বিক্রি শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

তবে প্রকাশ্যে নিলামে মাটি ক্রয়-বিক্রয় করা হয়েছে বলে মুরাদনগর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল কার্যালয় ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দাবি করা হলে প্রকাশ পায় খাল খনন প্রকল্পের নামে হরিলুট করার রহস্য।

তাছাড়া খাল কাটার প্রকাশ্যে নিলাম হয়েছে বলা হলেও এই নিলামের বিষয়ে কিছুই জানেনা ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ স্থানীয়নীয়রা। খাল খনন কাজ শুরু হওয়ার পূর্বে কি ভাবে প্রশাসন মাটি নিলামে বিক্রি করেন!

এইনিয়ে জনমনে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। রহস্যময় নাম মাত্র মূল্যে নিলাম করে সরকারকে কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের। জানা যায়, সারাদেশের খাল ও পুকুর উন্নয়নের আওতায় কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার চাপিতলা ইউনিয়নের চাপিতলা-বিষ্ণুপুর সড়কের পাশের খালটির সাড়ে তিন কিলোমিটার খনন প্রকল্পের অনুমোদন ও বরাদ্দ প্রদান করে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর। যার বাস্তবায়নে খরচ ধরা হয় এক কোটি টাকা। কোটি টাকার এই খাল খনন কাজটি পায় সোলায়মান এন্টারপ্রাইজ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। গত মার্চ মাস থেকে খালের পশ্চিম অংশ থেকে খনন কাজ শুরু করে ঠিকাদার। স্থানীয়রা জানান, খালের মাটি বিক্রির পাশাপাশি খালের পাশে সরকারি বরাদ্দে নির্মাণ করার রাস্তার মাটিও কেটে নিচ্ছে ঠিকাদারের লোকজন।

ব্রীজের গোড়া থেকে অবাদে মাটি কেটে নেয়ায় ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে কোম্পানীগঞ্জ-নবীনগর সড়কের চাপিতলা ব্রীজটি। এদিকে নিয়ম না মেনে খাল খননের ফলে হুমকির মুখে পড়েছে চাপিতলা-বিষ্ণুপুর পাকা সড়কসহ খালের পাড়ের অনেক বসতবাড়ি। যেকোন সময় খাল ধ্বসে পড়ে ঘটতে পারে মারাত্মক দূর্ঘটনা। এছাড়াও প্রতিদিন শতশত ড্রাম ট্রাক ও ট্রাক্টর দিয়ে মাটি পরিবহনের কারনে সড়কে যানচলাচল ব্যহত হওয়ায় এলাকাবাসীও চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। জসিম উদ্দীন নামে স্থানীয় এক যুবক জানান, রাত হতেই শুরু হয়ে যায় এই মাটিকাটার তান্ডব, এলাকায় আমরা স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারছি না।

রাস্তা-ঘাটে অনেক ধুলা-বালি যাতে দম বন্ধ হয়ে আসে। খালের পাশের রাস্তা ভেঙে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরো ভাঙবে। ভেকু দিয়ে যে খালের পাড় বাধা হয়েছে তা এক বৃষ্টিতেই রাস্তা সহ ভেঙে যাবে, এগুলো টিকবে না।

এ বিষয়ে বিষয়ে চাপিতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু মুছা আল কবির বলেন, খাল খননের কাজটি দেখেছি কি উম্মুক্ত নিলাম কবে বা কিভাবে হয়েছে আমি এবং আমার পরিষদের মেম্বাররা কিছুই জানি না।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সোলায়মান এন্টারপ্রাইজের মালিক সোলায়মান মিয়া বলেন, অফিসিয়ালি যেভাবে আছে আমরা সেভাবেই কাজ করছি। ব্যতিক্রম কোনকিছু করার চিন্তাভাবনা আমাদের নাই।

মুরাদনগর উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ রায়হানুল আলম চৌধুরী বলেন, নীতিমালা অনুযায়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও আমাদের দপ্তরের উপস্থিততে স্পট নিলাম করা হয়। কাজ শুরুর পর থেকে বিভিন্ন অভিযোগে আমরা একাধিকবার ঘটনা পরিদর্শন করেছি, তাদের কাজে যেসকল সমস্যা আছে তা আমরা চিনহিত করে তাদেরকে সমাধান করার জন্য দিকনির্দেশনা দিয়েছি। মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত উদ্দিন বলেন, এবিষয়ে কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। যদি কোন লিখিত অভিযোগ পাই তাহলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আশা করছি যে সকল প্রতিষ্ঠান এই কাজটি বাস্তবায়ন করছে তাদের কাছ থেকে সু-নির্দিষ্ট সমাধান পাবো।

দাউদকান্দিতে আন্তঃজেলা ডাকাত দলের পাঁচ সদস্য গ্রেফতার

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

কুমিল্লার দাউদকান্দি থেকে ডাকাতির প্রস্তুতির সময় অস্ত্রসহ আন্তঃজেলা ডাকাত দলের পাঁচ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রবিবার(৫ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১টার দিকে ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের উপজেলার কানড়া এলাকা থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ তাঁদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের আগ্নে ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করার কথা জানিয়েছেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, দাউদকান্দির মকবুল হোসেন (৩৭), আকাশ মুন্সি(৪৩), জামাল হোসেন ওরফে কুদ্দুস(৪০), তিতাস উপজেলার এবাদুল ওরফে ওবায়দুল(২৮) ও চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার সুজন ওরফে আব্দুল হামিদ(৩৭)।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোঃ মোজাম্মেল হক জানান, রবিবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার কানড়া এলাকার নির্জন জায়গায় ডাকাতি করার জন্য ১৪/১৫ জনের একটি ডাকাতদল সমবেত হয়েছে। ওসি মোঃ মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে অভিযান চালান পুলিশ। ডাকাত দল পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে, পুলিশের উপর আক্রমন করার চেষ্টা করলে, অভিযান পরিচালনাকারী টিম ২৫ রাউন্ড শর্টগানের কার্তুজ ফায়ার করে। ওই সময় ডাকাতরা দৌড়ে পালানোর সময় পুলিশও তাদের পিছু নেয় এবং তাদের মধ্য থেকে ০৫ (পাঁচ) জনকে অস্ত্র সহ আটক করে পুলিশ । তাঁদের কাছ থেকে একটি পাইপগান, তিনটি রাবার কার্তুজ, দুটি লোহার ছোরা, একটি দা উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছেন দাবি করে এই পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, তারা দেশের বিভিন্ন স্থানে ডাকাতির ঘটনায় জড়িত রয়েছেন। তাঁদের নামে বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতিসহ হত্যা ও অস্ত্র মামলা রয়েছে । এছাড়াও আসামীরা চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জেলার থানা এলাকায় বিভিন্ন সময়ে বাসা বাড়িতে একাধিক ডাকাতি করেছে বলে স্বীকার করে। এর আগেও গত শনিবার রাতে উপজেলার গৌরীপুর মুন্সি ফজলুর রহমান সরকারি কলেজের পাশ থেকে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। দু’টি ঘটনার পৃথকভাবে দু’টি মামলা রুজু করা হয়েছে।

ফেসবুকে অশ্লীল ছবি ছড়ানোর প্রতিবাদে রাস্তায় দাঁড়ালেন এলাকাবাসী

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালী সদর উপজেলার কালাদরাপ ইউনিয়নের উত্তর শুল্লুকিয়া গ্রামে যুবতীকে ধর্ষণ এবং ধর্ষণের ছবি মোবাইলে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়ে সামাজিক অবক্ষয় সৃষ্টি করার প্রতিবাদে এবং অভিযুক্ত ধর্ষক টোকাই মো. আলা উদ্দিনকে গ্রেপ্তারপূর্বক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছে এলাকাবাসী।

সোমবার (৬ মে) বেলা ১১টার দিকে উপজেলার জালাল মাঝি জামে মসজিদ সংলগ্ন সড়কে উত্তর শুল্লুকিয়া ও চরকরমূল্যা গ্রামের বাসিন্দারা এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করে। অভিযুক্ত যুবক আলা উদ্দিন চরকরমূল্যা গ্রামের মো. হানিফ ওরপে ভুলুর ছেলে।

এসময় বক্তারা বলেন, চরকরমূল্যা গ্রামের টোকাই আলা উদ্দিন দীর্ঘদিন থেকে এলাকায় স্কুল-মাদ্রাসায় পড়ুয়া মেয়েদের নানাভাবে ইভটিজিং করে আসছে। সাম্প্রতিক আলা উদ্দিন ও তার এক সহযোগী উত্তর শুল্লুকিয়া গ্রামের জনৈক এক যুবতীকে বাগানের মধ্যে ধর্ষণ করে মোবাইলে ছবি ধারণ করে ধর্ষণের ওই ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দেয়। এ ঘটনায় স্থানীয় লোকজন প্রতিবাদ করলে উল্টো প্রতিবাদকারীদের ওই যুবতীকে দিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেয় আলা উদ্দিন।

স্থানীয়রা বলেন, আলা উদ্দিন ক্ষমতাশীন দলের কর্মী হওয়ায় ধর্ষণের ঘটনা ঘটিয়ে ওই ঘটনার ছবি তুলে ফেসবুকে প্রকাশ করে। পাশাপাশি বীরদর্পে এলাকায় ঘুরে বলে বেড়াচ্ছে ওই মেয়ে (ভিকটিম) যদি মামলা না করে, তাহলে কেই কিছুই করতে পারবে না।

অভিযুক্ত আলা উদ্দিনের সঙ্গে ওই যুবতীর ধর্ষণের ওই ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ায় সামাজিক অবক্ষয় দেখা দিয়েছে দাবি করে সামাজিক অবক্ষয় রোধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ থেকে অভিযুক্ত যুবক আলা উদ্দিনকে গ্রেপ্তারপূর্বক তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করা হয়।

এবিষয়ে ভিকটিমের বাবা জানান, আমি বড়ই অসহায়, আমার মেয়ে এবং স্ত্রীকে ওই ছেলে (আলা উদ্দিন) তার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে গেছে। এ ব্যাপারে আমি কিছুই করতে পারছি না।

অভিযুক্ত আলা উদ্দিন নিজেকে আওয়ামী লীগের কর্মী দাবি করে বলেন, ‘আমি আওয়ামী লীগ করার কারণে বিএনপির লোকজন আমাকে ফাঁসাতে ওই ছবি ফেসবুকে দিয়েছে।’ ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে তো আপনার সঙ্গে ভিকটিমকে অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত অবস্থায় দেখা যাচ্ছে এমন প্রশ্নে আলা উদ্দিন প্রথমে ছবিটি এডিট করা দাবি করলেও পরে বলেন, ওই মেয়ের সঙ্গে অনেক আগে আমার সম্পর্ক ছিল। এটা তখনকার ছবি হতে পারে।

স্থানীয় কালাদরাপ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান শাহাদাত উল্যাহ সেলিম বলেন, ফেসবুকে ছবি ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি জেনে স্থানীয় ইউপি সদস্যের মাধ্যমে ভিকটিমের পরিবারকে থানায় মামলা করার পরামর্শ দিয়েছি। পরবর্তীতে তারা মামলা করেছেন কিনা সেই বিষয়ে আমাকে কিছুই জানাননি।

যে শর্তে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি পেলেন বিএনপি নেতা আমান

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির ঢাকা মহানগর উত্তর আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমানকে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দিলেন আপিল বিভাগ।

সোমবার প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। তবে ১ মাসের মধ্যে অর্থাৎ আগামী ৯ জুনের মধ্যে চিকিৎসা শেষে ফিরতে হবে তাকে। দেশে এসে আপিল বিভাগকে জানাবে যে তিনি ফিরেছেন।

এর আগে গত ২৮ মার্চ চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করেন বিএনপি নেতা আমান। ওই দিনই হঠাৎ বুকের ব্যথা হলে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় আমানউল্লাহ আমানকে। সেখানে চিকিৎসা শেষে পরের দিন তাকে বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়। পরে চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে চেম্বার আদালতে আবেদন করেন তিনি।

গত ২০ মার্চ অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদ বিবরণীতে তথ্য গোপনের অভিযোগের মামলায় ১৩ বছরের সাজাপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমানকে জামিন দেন আপিল বিভাগ। তবে, বিদেশ যেতে হলে তাকে আদালতের অনুমতি নিতে হবে বলে আদেশে বলা হয়।

গত বছরের ১২ সেপ্টেম্বর দুর্নীতির মামলায় ১৩ বছরের সাজার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করেন বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমান। আপিল আবেদনে তিনি খালাস চেয়েছেন। পাশাপাশি জামিন আবেদন করেন তিনি।

গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত বিএনপি নেতা আমান উল্লাহ আমানকে কারাগারে পাঠানো হয়। ওইদিন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১-এর বিচারক আবুল কাশেমের আদালতে উচ্চ আদালতের নির্দেশে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

গত ৩ সেপ্টেম্বর একই আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চান আমান উল্লাহ আমানের স্ত্রী সাবেরা আমান। আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ৫ সেপ্টেম্বর চেম্বার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ক্যান্সারের রোগী বিবেচনায় ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত তাকে জামিন দেন। পরে তিনি কারামুক্ত হন।

২০০৭ সালের ৬ মার্চ সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে রাজধানীর কাফরুল থানায় আমান দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। ওই বছরের ২১ জুন আমান উল্লাহ আমানকে ১৩ বছর এবং তার স্ত্রী সাবেরাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন বিশেষ জজ আদালত। এরপর ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করেন তারা। ২০১০ সালের ১৬ আগস্ট হাইকোর্ট তাদের খালাস দেন।

পরে হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করে দুদক। আপিল বিভাগ ২০১৪ সালের ২৬ মে হাইকোর্টের রায় বাতিল করে আপিলটি পুনঃশুনানির নির্দেশ দেন।

গত বছরের ৩০ মে হাইকোর্টের একই বেঞ্চ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় আমানের ১৩ বছর ও তার স্ত্রী সাবেরা আমানের তিন বছরের কারাদণ্ড বহাল রেখে আদেশ দেন।

ফিরছে তিশা-জোভান জুটি

ডেস্ক রিপোর্ট:

জুটি হিসেবে বেশ জনপ্রিয় ফারহান আহমেদ জোভান ও তানজিন তিশা। যদিও মাঝে হঠাৎ করেই অজানা কারণে দুইজনের যৌথ পথচলায় ছেদ পড়ে। টানা দুই বছর দেখা যায়নি নতুন কোনও নাটকে।

অবশেষে সেই বিরতি ভেঙে ফের এক ফ্রেমে দাঁড়ালেন জোভান-তিশা জুটি। আর এই কাজটি করেছেন তরুণ নির্মাতা ইমরোজ শাওন। যোবায়েদ আহসানের রচনায় সিএমভি’র ব্যানারে নির্মিত বিশেষ এই নাটকটির নাম ‘কাপল অব দ্য ক্যাম্পাস’।

সদ্য শুটিং শেষ হওয়া এই নাটকে জোভান অভিনয় করেছেন রাকিব চরিত্রে আর তিশার চরিত্রের নাম রিদা। দুইজনই একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্পোর্টস ক্লাবের নেতৃত্বে আর অন্যজন সাংস্কৃতিক ক্লাবের।
নির্মাতা বলেন, ‘তার মানে এই নয়, দুইটি দলের প্রধান বলে তাদের মধ্যে মধুর বা প্রেমময় সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। গল্পে মূলত তাদের দেখা যাবে বিরোধী অবস্থানে। এমনকি দুর্ঘটনাও ঘটে তাদের এই বিরোধের জেরে। গল্পটা প্রেমের বটে, তবে এটি দেখলে মূলত ক্যাম্পাস জীবনে ফিরে যাবেন দর্শকরা।’

প্রযোজক এসকে সাহেদ আলী পাপ্পু জানান, ‘কাপল অব দ্য ক্যাম্পাস’ নাটকটি শিগগিরই উন্মুক্ত হবে সিএমভি’র ইউটিউব চ্যানেলে।

এখনই গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটালে হামাস ক্ষমতায় থাকবে : নেতানিয়াহু

ডেস্ক রিপোর্ট:

ফিলিস্তিনের গাজা ভূখণ্ডে অবিরাম হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। টানা সাত মাস ধরে চালানো এই হামলায় এখন পর্যন্ত নিহত হয়েছেন ৩৪ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি। বর্বর এই আগ্রাসনের জেরে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বিশ্বজুড়ে বাড়ছে ক্ষোভ।

এমন অবস্থায় গাজায় যুদ্ধ বন্ধে বাড়ছে বৈশ্বিক চাপ। হামাসও বলেছে, সম্ভাব্য যেকোনও চুক্তির জন্য যুদ্ধের স্থায়ী অবসান নিশ্চিত করতে চায় তারা। তবে হামাসের এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

তার দাবি, এখনই গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটালে ক্ষমতায় থাকবে হামাস। সোমবার (৬ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু গাজায় আটক বন্দিদের মুক্তির বিনিময়ে গাজা যুদ্ধ বন্ধের জন্য হামাসের দাবি কঠোরভাবে প্রত্যাখ্যান করেছেন। রোববার তিনি বলেছেন, এখন যুদ্ধ বন্ধ করা হলে তা ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাসকে ক্ষমতায় রাখবে এবং তারা আবারও ইসরায়েলের জন্য হুমকি হয়ে উঠবে।

নেতানিয়াহু আরও বলেছেন, হামাসের হাতে এখনও আটক থাকা বন্দিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে ইসরায়েল বরং গাজায় চলমান যুদ্ধে বিরতি দিতে ইচ্ছুক। গাজায় হামাসের হাতে এখনও আটক থাকা বন্দিদের সংখ্যা ১৩০ জনেরও বেশি বলে মনে করা হয়।

নেতানিয়াহু দাবি করেন, ‘কিন্তু ইসরায়েল যখন সদিচ্ছা দেখিয়েছে, হামাস তখন তার কঠোর অবস্থানেই রয়ে গেছে। তাদের দাবিগুলোর মধ্যে প্রথমেই রয়েছে, গাজা উপত্যকা থেকে আমাদের সমস্ত বাহিনী সরিয়ে নেওয়া, যুদ্ধ শেষ করা এবং হামাসকে ক্ষমতায় ছেড়ে দেওয়া।’

ইসরায়েলের এই কট্টরটন্থি প্রধানমন্ত্রীর দাবি, ‘ইসরায়েল এটা মেনে নিতে পারে না। আর তেমনটি হলে হামাস বারবার গণহত্যা, ধর্ষণ এবং অপহরণের প্রতিশ্রুতি পালন করতে সক্ষম হবে।’

এদিকে কায়রোতে হামাস নেতারা মিসরীয় এবং কাতারি মধ্যস্থতাকারীদের সাথে যুদ্ধবিরতির আলোচনা রোববার দ্বিতীয় দিনের মতো অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে সেখানে কোনও আপাত অগ্রগতির খবর পাওয়া যায়নি। মূলত ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র এই গোষ্ঠীটি তার আগের দাবিতেই অনড় রয়েছে যে, যেকোনও চুক্তিতে গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটানোর বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।

প্রসঙ্গত, মুসলিমদের তৃতীয় পবিত্র ধর্মীয় স্থান আল-আকসা মসজিদের পবিত্রতা লঙ্ঘন এবং অবৈধ বসতি স্থাপনকারীদের অত্যাচারের জবাব দিতে গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে ‘অপারেশন আল-আকসা ফ্লাড’ নামে একটি অভিযান চালায় ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস।

হামাসের এই হামলায় নিহত হন কমপক্ষে ১২০০ ইসরায়েলি। নিহতদের প্রায় ৩০০ জন সেনাসদস্যও ছিলেন। এছাড়া সেনা কর্মকর্তা ও সৈনিকসহ আরও দুই শতাধিক মানুষকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে যায় হামাস।

হামাসের হাতে আটক বিপুল এসব বন্দির মুক্তি দাবি করেছে ইসরায়েল। আর এ লক্ষ্যে গত ৭ অক্টোবর থেকেই গাজায় ব্যাপক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে দেশটি গাজায় বর্তমানে আনুমানিক ১৩৪ জন ইসরায়েলি বন্দি রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে গত বছরের অক্টোবর থেকে গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের নিরলস আক্রমণে কমপক্ষে ৩৪ হাজার ৬৮৩ জ