All posts by jitu

বুড়িচং বারেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া, সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণ

কুমিল্লা প্রতিনিধি:

মঙ্গলবার বিকালে কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নের বারেশ্বর উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক পুরষ্কার বিতরণ অনুষ্ঠান বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ শরিফুল ইসলাম সোহেল।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ছায়েদুল ইসলাম এবং পরিচালনা করেন সহকারী শিক্ষক বশীর আহমেদ।

অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অবসর প্রধান শিক্ষক মোঃ ছিদ্দিকুর রহমান, স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ তাজুল ইসলাম জুজু, আব্দুল ওয়াদুদ মেম্বার, মেঃ গোলাম জিলানী বাবুল চৌধুরী, পপন সরকার, মোঃ রুবেল করিম, মোঃ ধনু মিয়া, মোস্তফা কামাল, মোঃ মুমিনুল ইসলাম মাষ্টার, মজিবুর রহমান মাষ্টার, মোঃ সালাহ উদ্দিন ও আশিকুর রহমান।

আরও বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের শিক্ষানুরাগী মোঃ অহিদ মিয়া, পরিচালনা কমিটির সদস্য আলী আহাম্মদ মাষ্টার, জামশেদ আলম, মোঃ হুমায়ুন কবির, গোলাম নবী, দেলোয়ার হোসেন খন্দকার, নাসরিন আক্তার, সহকারী শিক্ষক যথাক্রমে মোঃ নজরুল ইসলাম, এস এম মিজানুর রহমান, মোঃ গিয়াস উদ্দিন, মোসাঃ শাহানাজ আক্তার, মরিয়ম বেগম, কাজী নাজমুল হক তাইম, মোঃ আবুল খায়ের, মোসা. আসমা আক্তার, মোসা. মাসুদা আক্তার প্রমূখ। এসময় বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি মেঃ শরিফুল ইসলাম সোহেল কে প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ ছায়েদুল ইসলাম সম্মাননা ক্রেষ্ট প্রদান করা হয়।
পরে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

পিপিএম পদক পেলেন কুবি শিক্ষার্থী সানোয়ার

চাঁদনী আক্তার, কুবি প্রতিনিধি:

পুলিশ বাহিনীতে অসীম সাহসিকতা এবং বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক ‘পিপিএম’ এ ভূষিত হয়েছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগের ২য় ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী মো. সানওয়ার হোসাইন।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাজারবাগ পুলিশ লাইনসে পুলিশ সপ্তাহের প্রথম দিনের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তাদের এ পদক পরিয়ে দেন।

মো: সানোয়ার হোসেন ঢাকা আগারগাঁও কোম্পানি কমান্ডার র‍্যাব ২ এর ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসেবে এটাই প্রথম কোন শিক্ষার্থীর পিপিএম পদক অর্জন।

পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের রাষ্ট্রীয় পদক প্রদানের রীতি অনুযায়ী এ পদক দেওয়ার প্রজ্ঞাপন জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ। এরই অংশ হিসেবে ২০২৩ সালে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ পিপিএম তিনি এ পদক পান।

পদক প্রাপ্তির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি পুলিশ পদক’ পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত গৌরবের। এটি আমাকে নতুন উদ্যমে কাজ করার আগ্রহ জোগাবে। বাংলাদেশ র‍্যাবের একজন সদস্য হিসেবে দেশের সেবায় সর্বদা নিয়োজিত থেকে আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা, আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সাথে পালনের জন্য সকলের কাছে দোয়া চাই। এই পুরস্কার পেতে ১৫-২০ বছর লেগে যায়। এত দ্রুত আমাকে এটার উপযোগী মনে করায় সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা।

একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বেলাল উদ্দিন উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে বলেন, সে তার কর্মস্থলে সততা ও প্রজ্ঞার পরিচয় দিতে পেরেছে বলে এই পুরস্কার অর্জন করেছেন। শিক্ষক হিসেবে এটা অনেক আনন্দের ও গর্বের বিষয়। সানোয়ারকে আমাদের পক্ষ থেকে অভিনন্দন।

বাংলাদেশ ভূঁইয়া সোসাইটির চৌদ্দগ্রাম উপজেলা কমিটি গঠন

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ ভূঁইয়া সোসাইটি (বিবিএস) এর চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শাখার আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সংগঠনের কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন রাজডা ভূঁইয়ার সম্মতিক্রমে গত শুক্রবার রাতে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মিজানুর রহমান কালু ভূঁইয়া ও দপ্তর সম্পাদক মাহমুদুল হাছান ভূঁইয়া শামীম স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

নবঘোষিত কমিটির চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শাখার দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন: সভাপতি স্কাইল্যাব হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো: সারোয়ার হোসেন ভূঁইয়া লাভলু, সিনিয়র সহ-সভাপতি বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তৌহিদ উল্লাহ ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক সিএইচসিপি আবুল কালাম ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যবসায়ী মো: ইউসুফ ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক সিএইচসিপি মীর হোসেন ভূঁইয়া, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলম ভূঁইয়া, দপ্তর সম্পাদক আবদুল মতিন রাশেদ ভূঁইয়া।

বাংলাদেশ ভূঁইয়া সোসাইটি (বিবিএস) একটি অরাজনৈতিক জনকল্যাণে অঙ্গিকারবদ্ধ প্রগতিশীল সমাজসেবামূলক সংগঠন। এ সংগঠনটি জনস্বার্থে দেশ ও বিদেশে বিভিন্ন সেক্টরে কাজ করে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এদিকে বিবিএসের নতুন কমিটি অনুমোদন দেয়ায় সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ফারুক হোসেন রাজডা ভূঁইয়া, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ¦ মিজানুর রহমান কালু ভূঁইয়া ও দপ্তর সম্পাদক মাহমুদুল হাছান ভূঁইয়া শামীমসহ কেন্দ্রীয় সকল নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও অভিনন্দন সহ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন নবগঠিত চৌদ্দগ্রাম উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ।

নোয়াখালীতে উন্মুক্ত পার্কের দাবীতে মানববন্ধন-সমাবেশ ও স্মারকলিপি প্রদান

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীতে সকল বয়সীদের জন্য আধুনিক ও নান্দনিক পৌরপার্ক এর দাবীতে মানববন্ধন-সমাবেশ হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০টায় নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর টাউন হল মোড়ে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের উদ্যোগে মানববন্ধন-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময়, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনের বড় দীঘিকে ঘিরে শিশু বিনোদনের জন্য শিশু পার্ক, জেষ্ঠ্য নাগরিকদের জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণের দাবী করা হয়। বক্তারা বলেন, শত বছরের পুরনো প্রথম শ্রেণির নোয়াখালী পৌরসভা হলেও এ শহরে আজ পর্যন্ত নাগরিকদের জন্য কোনো বিনোদন কেন্দ্র গড়ে ওঠেনি। এ সময় তারা, নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীকে একটি পরিচ্ছন্ন বসবাস উপযোগি আধুনিক শহর হিসেবে গড়ে তোলার উপরও জোর দেন। নাগরিকদের দাবী বাস্তবায়ন না হলে আরো কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেওয়া হয়।

নাগরিক অধিকার আন্দোলনের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট কাউসার নিয়াজীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সদস্য সচিব জামাল হোসেন বিষাদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা তারকেশ্বর দেবনাথ নান্টু, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. মাসুদ কাইয়ুম, নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবু নাছের মঞ্জু, এসোগড়ি উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক আবদুল আউয়ালসহ অনেকে।

এ ছাড়া মানববন্ধন-সমাবেশে শিক্ষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাংবাদিক ও সামাজিক বিভিন্ন সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নাগরিকরা অংশগ্রহণ করেন। পরে জেলা প্রশাসক ও নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র বরাবর একটি স্মারকলিপি প্রদান করা হয়। এর আগে একই দাবীতে দুইদিন ব্যপী শহরে লিপলেট বিতরণ করা হয়।

বাড়ির সীমানায় ময়লা ফেলার বিরোধে প্রাণ গেল বৃদ্ধের

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সেনবাগে বাড়ির সীমানায় ময়লা ফেলা ও জমাট থাকা ময়লা পানিকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের আঘাতে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত খুরশীদ আলম (৬০) উপজেলার বালিয়াকান্দি গ্রামের মৃত মকবুল আহমদের ছেলে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ বালিয়াকান্দি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হলেন, উপজেলার বীজবাগ ইউনিয়নের দক্ষিণ বালিয়াকান্দি গ্রামের কবির আহমেদ মাস্টার বাড়ির মো.শহীদুল্লাহ (৬৫) তার ছেলে মো. অলিউল্লাহ ওরফে শিমুল (৩০) ও ফোরকানের নেছা (৩৩)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আজ সকালের দিকে ভিকটিম খুরশিদ আলম ও তার প্রতিবেশী শহীদুল্লার সাথে বাড়ির সীমানায় ময়লা ফেলা ও জমাট থাকা ময়লা পানিকে কেন্দ্র করে বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে কাঠের লাঠি দিয়ে শহীদুল্লাহ ও তার পক্ষের লোকজন খুরশীদ আলমকে মাথায় আঘাত করলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। খবর পেয়ে সেনবাগ থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং এলাকাবাসীর সহায়তায় ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৩ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

সেনবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সনদ বড়ুয়া বলেন, নিহতের মাথায় আঘাতের চিহৃ রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৩জনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

সারা দুনিয়াতে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে : ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

দেশে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে না থাকার বিষয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মানুষ খেতে পারছে। একটা মানুষও না খেয়ে মরেনি। অনেক ভালো আছে।

রাজধানীর ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে মঙ্গলবার দুপুরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

বাজারে দ্রব্যমূল্য বেড়েছে যাচ্ছে, নিয়ন্ত্রণে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না—এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘রোজার মাসটা আসতে দেন!’

সারা দুনিয়ায় দ্রব্যের দাম বাড়ছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এখন টেলিভিশন সবাই দেখে, সারা বিশ্বের সব খবর নিয়ে গ্রামের চায়ের দোকানে রীতিমত গবেষণা হয়। মানুষ বোঝে, এখানে সরকারের দোষ নেই। অর্থের যে সংকট। বিশ্বে যে সংকট দ্রব্যমূল্য নিয়ে, সেটা তো বাংলাদেশের একার না। সারা দুনিয়াতে জিনিসপত্রের দাম বাড়ছে।

জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে মন্তব্য করে সেতুমন্ত্রী বলেন, আমাদের জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে। আমরা আশা করি, সামনের রমজানেও জিনিসপত্রের পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকবে এবং মানুষ প্রয়োজনীয় সামগ্রী পাবে।

গরুর মাংসের কেজি বেড়ে ৮০০ টাকা হয়ে গেছে। গরু ব্যবসায়ীরা বলছেন, পথেঘাটে চাঁদাবাজির কারণে তারা বাড়াতে বাধ্য হয়েছেন। ভোক্তা অধিকার বলছে, আমরা এই বিষয়টা নিয়ন্ত্রণে সম্পূর্ণ অসহায়। বিশ্ব সংকটের পাশাপাশি চাঁদাবাজির কারণেও বাড়ছে—এ বিষয়ে কাদের বলেন, ‘চাঁদাবাজি একটা বিষয় অবশ্যই। দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজেই চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে কঠিন বক্তব্য রেখেছেন এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘একটা বিষয় শুরু হলে রাতারাতি বন্ধ হয়ে যাবে এমন তো ভাবার কোনো কারণ নেই। প্রধানমন্ত্রী বলার পর সবাই নড়েচড়ে বসেছেন। এখানে যার যে দায়িত্ব আছে পালন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা অনুযায়ী সবাই কিন্তু তাদের তৎপরতা শুরু করে দিয়েছে।

নিত্যপণ্যের দাম নিয়ে তিনি আরও বলেন, দ্রব্যমূল্য একটা বিষয়। অর্থনীতিতে যখন সংকট তখন বাজার ওঠানামা করে। ওঠানামা করে এটাই স্বাভাবিক, এটা বাজারের ধর্ম। অপেক্ষা করেন, আপনাদের তো না খেয়ে (খাইয়ে) রাখিনি! দেশের মানুষ খেতে পাচ্ছে। একটা মানুষও না খেয়ে মরেনি, অনেক ভালো আছে।

দাউদকান্দিতে অস্ত্রধারী যুবকের ভিডিও ভাইরাল

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে অস্ত্রসহ ভিডিও ভাইরাল হওয়া যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ওই যুবকের নাম শরীফ হোসেন(৩৫)। সে উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নের সিঙ্গুলা গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে । সোমবার দিবাগত গভীর রাতে শরীফকে তার নিজ বাড়ী গ্রেফতার করা হয়।

গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আসাদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সোমবার দুপুরের পর অস্ত্রসহ এক যুবকের ভিডিওটি ভাইরাল হয়। ৪৯ সেকেন্ড ও একমিনিট ৪সেকেন্ডের দুটি ভাইরাল হওয়া ভিডিও নিয়ে এলাকায় শুরু হয় তোলপাড়। সহকারী পুলিশ সুপার(দাউদকান্দি সার্কেল) এনায়েত কবির সোয়েবের নির্দেশনায় পুলিশের বেশ কয়েকটি টিম ভাইরাল হওয়া যুবককে আটকের জন্য মাঠে নামে। অবশেষে ওই যুবককে শনাক্ত করা হয়। এরপর রাতেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।

ভাইরাল হওয়া ৪৯ সেকেন্ডের ওই ভিডিও ফুটেজটিতে দেখা গেছে- খালি গায়ে একজন যুবক একটি ঘরের ভিতর পিস্তল নাড়াচাড়া করছেন। ১মিনিট ৪সেকেন্টের ভিডিওতে দেখা যায়, শপিং ব্যাগে একজন আরেকজনকে দু’টি অস্ত্র বুঝিয়ে দিচ্ছে এবং বলছে “পাইছোনি বুইঝা”। এসময় তাদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের কথা চলছিল।

এ ভিডিও দু’টি ভাইরাল হয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তোলপাড় শুরু হয়। এরপরেই ওই যুবকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠে।

গৌরীপুর পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ওসি(তদন্ত) মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, ১মিনিট ৪ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে যে যুবক আগ্নেয়াস্ত্র খুলে দেখছিলেন সে সিঙ্গুলা গ্রামের মোবারক হোসেনের ছেলে মুন্না(১৮)। একবছর আগে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মুন্না মারা যায় ।

আর ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ শুরু করেন। অস্ত্র হাতে ভাইরাল হওয়া শরীফ হোসেনকে সোমবার রাতেই গ্রেফতার করা হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ধারনা করা হচ্ছে ভিডিও হয়তো আগের। আর এর সাথে কারা কারা জড়িত থাকতে পারে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে । অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চলছে।

‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিগত কয়েক বছর ধরে সাইবার অপরাধ বেড়েছে। সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পৃথক ইউনিটের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, পুলিশের একটি পূর্ণাঙ্গ ‘সাইবার পুলিশ ইউনিট’ স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে পুলিশ সপ্তাহ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাইবার অপরাধ এবং এর সঙ্গে যুক্ত ফাইন্যান্সিয়াল, ক্রাইম, মানি লন্ডারিংয়ের মতো অপরাধগুলো মোকাবিলায় ‘সাইবার পুলিশ সেন্টার স্থাপন’ করা হয়েছে। একটি পূর্ণাঙ্গ সাইবার পুলিশ ইউনিট স্থাপনের পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশে এরই মধ্যে ডিএনএ ল্যাব, আধুনিক ফরেনসিক ল্যাব, অটোমেটেড ফিঙ্গার প্রিন্ট আইডেন্টিফিকেশন সিস্টেম (আইএফআইসি) এবং আধুনিক রাসায়নিক পরীক্ষাগার স্থাপন করা হয়েছে। কয়েকটি বিভাগীয় শহরে এ সব ল্যাবের কার্যক্রম চলমান। ভবিষ্যতে প্রতিটি বিভাগে এ ধরনের ল্যাব স্থাপন করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে পুলিশে অ্যান্টি টেরোরিজম ইউনিট (এটিইউ) এবং কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি) গঠন করেছি।

অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও দমনে গঠন করা হয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), হাইওয়ে পুলিশ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ, ট্যুরিস্ট পুলিশ, নৌ পুলিশ, অ্যান্টি টেররিজম ইউনিট, স্পেশাল সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রটেকশন ব্যাটালিয়ন ও এমআরটি পুলিশ।

শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর নিরাপত্তায় আর্মড পুলিশের ২টি এবং র্যাবের ১টি ব্যাটালিয়ন মোতায়েন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, পুলিশের ব্যবস্থাপনায় জনপ্রিয় জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ গত ছয় বছরে প্রায় সোয়া পাঁচ কোটি কল রিসিভ হয়েছে। এরমধ্যে প্রায় সোয়া দুই কোটি সেবা প্রত্যাশীকে জরুরি সেবা প্রদান করা হয়েছে। জরুরি সেবা ৯৯৯-কে আরও সমৃদ্ধ করা হবে।

পুলিশ স্টাফ কলেজ এখন আন্তর্জাতিকমানের প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমিসহ পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারগুলোতে আমরা যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছি। টাঙ্গাইল পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা প্রশিক্ষণের উৎকৃষ্ট কেন্দ্রে পরিণত করেছি। পুলিশ সদস্যদের বৈদেশিক প্রশিক্ষণের ক্ষেত্র বৃদ্ধি করা হয়েছে।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা খানা, ফাঁড়ি, তদন্তকেন্দ্র, ব্যারাক, আবাসিক ভবনের জন্য জমি বরাদ্দসহ এসব স্থাপনা নির্মাণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে ২০ তলা এনসিকম ভবন, এসবি ও সিআইডির আধুনিক ভবন, ১০১টি আধুনিক থানা ভবন নির্মাণ করেছি। আরও অনেক উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বর্তমানে চলমান রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পুলিশে একটি পূর্ণাঙ্গ এভিয়েশন ইউনিট গঠনের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। পুলিশ বাহিনীর কার্যক্রমে শিগগির দুটি হেলিকপ্টার যুক্ত হতে চলছে। বিভিন্ন অনলাইনভিত্তিক সেবা ও মোবাইল অ্যাপস প্রবর্তন, অনলাইন জিডি, ই-ট্রাফিক প্রসিকিউশন এবং পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেটের জন্য ই-সার্ভিস চালু করা হয়েছে। প্রতিটি থানায় নারী-শিশু-বয়স্ক ও প্রতিবন্ধী ডেস্ক স্থাপন করা হয়েছে। আমরা পুলিশের জনবল ব্যাপকহারে বৃদ্ধি করেছি। সুপার নিউমারারি পদ সৃষ্টি করে পুলিশ কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দিয়েছি। গ্রেড-১ ও গ্রেড-২ পদের সংখ্যা বৃদ্ধি করেছি। পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে অত্যন্ত পরিচালিত কমিউনিটি ব্যাংকের মাধ্যমে পুলিশ ও সাধারণ জনগণ আধুনিক ব্যাংকিং সুবিধা পাচ্ছেন।

৪০০ পুলিশ সদস্যকে পদক পরিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

‘স্মার্ট পুলিশ স্মার্ট দেশ, শান্তি প্রগতির বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে বার্ষিক পুলিশ প্যারেডের মধ্য দিয়ে ‘পুলিশ সপ্তাহ-২০২৪’ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এবার সর্বাধিক সংখ্যক ৪০০ পুলিশ সদস্যকে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) এবং রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) পরিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী।

এ সময় জীবন উৎসর্গকারী নয়জনের পরিবারের সদস্যদের হাতে মরণোত্তর বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ৩৫ জন পুলিশ সদস্যকে ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)’, ৬০ জনকে ‘রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)’ এবং গুরুত্বপূর্ণ মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, দক্ষতা, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা ও শৃঙ্খলামলূক আচরণের মাধ্যমে প্রশংসনীয় অবদানের জন্য ৯৫ জন পুলিশ সদস্যকে ‘বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-সেবা’ এবং ২১০ জনকে ‘রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম)-সেবা’ পদকে ভূষিত করা হয়।

বিপিএম সাহসিকতা ও সেবা এবং পিপিএম সাহসিকতা ও সেবা- এই চারটি ক্যাটাগরিতে প্রতিবছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়। যারা এ পদকে ভূষিত হন তাদের নামের শেষে বিপিএম-পিপিএম উপাধি যুক্ত হয়।

এদিকে, ২০২২ সালে অসীম সাহসিকতা ও বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে ১১৫ পুলিশ সদস্য বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) ও রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক (পিপিএম) দেওয়া হয়। ২০২০ ও ২০২১ সালে দেওয়া হয় ২৩০ পুলিশ সদস্যকে।

২০২০ সালে বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম) এবং প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক (পিপিএম) পান ১১৮ জন। ২০১৯ সালে ৩৪৯ জন পুলিশ সদস্যকে বিপিএম-পিপিএম পদক দেওয়া হয়েছিল।

এর আগে যথাক্রমে ২০১৮ সালে ১৮২ জন, ২০১৭ সালে ১৩২ জন, ২০১৬ সালে ১২২ জন, ২০১৫ সালে ৮৬ জন কর্মকর্তা বিপিএম-পিপিএম পদক পেয়েছেন।

বাংলাদেশ সফরে অস্ট্রেলিয়া পূর্ণশক্তির দল পাঠাচ্ছে

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিপিএলের শেষ হয়নি এখনো। এরইমাঝে উত্তাপ পাওয়া যাচ্ছে নতুন সূচির। বাংলাদেশ জাতীয় দল প্রস্তুত হচ্ছে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে পূর্ণাঙ্গ সিরিজের জন্য। টেস্ট, ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি তিন ফরম্যাটেই লঙ্কানদের বিরুদ্ধে মাঠে নামতে হবে টাইগারদের। তবে এমন ব্যস্ততা শুধুমাত্র পুরুষদের জন্যই না। নারী ক্রিকেটেও আছে বড় ব্যস্ততা।

বিপিএলের পর মার্চ-এপ্রিল মাসেই প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিপাক্ষিক সিরিজে মাঠে নামবে নিগার সুলতানা জ্যোতিরা। তিন ম্যাচের ওয়ানডে ও তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে দুই দেশের মেয়েরা। সিরিজের সূচি এখনো চূড়ান্ত না হলেও দল ঘোষণা করে দিয়েছে অজিরা।

বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে পূর্ণ শক্তির দলই নিয়ে আসছে অস্ট্রেলিয়া। অ্যালিসা হিলির নেতৃত্বে দলে আসবেন তাহলিয়া ম্যাকগ্রা, ডার্সি ব্রাউন, অ্যাশলে গার্ডনার, বেথ মুনি, এলিস পেরিদের সবাই। ঘোষিত দল দেখেই অনুমেয়, টাইগ্রেসদের জন্য নিশ্চিতভাবেই চ্যালেঞ্জিং এক সিরিজ হতে চলেছে।

মূলত সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশের মাটিতে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। এই বৈশ্বিক আসরের প্রস্তুতি নিতেই অজি নারীদের এই সফর। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার হেড অব পারফরম্যান্স ফর উইমেন্স অ্যান্ড ন্যাশনাল সিলেক্টর শন ফ্লেগলার বলেন,

“সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থাকায়, এই সফরটি আমাদের খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা অর্জনের এবং বছরের শেষের দিকে আমরা যে পরিস্থিতি এবং উইকেটের মুখোমুখি হতে পারি তার সাথে পরিচিত হওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ প্রদান করবে।”

অস্ট্রেলিয়া দল

অ্যালিসা হিলি (অধিনায়ক), ডার্সি ব্রাউন, অ্যাশলে গার্ডনার, কিম গার্থ, গ্রেস হ্যারিস (শুধুমাত্র টি-টোয়েন্টি), অ্যালানা কিং, ফোবি লিচফিল্ড, তাহলিয়া ম্যাকগ্রা (সহ-অধিনায়ক), সোফি মলিনেক্স, বেথ মুনি, এলিস পেরি, মেগান স্কাট, অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড, জর্জিয়া ওয়ারহাম, টায়লা ভ্লাইমিঙ্ক।

উল্লেখ্য, প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলতে আসবে অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট দল। এর আগে মাত্র একবারই বাংলাদেশ সফরে এসেছিল অজি নারী দল, সেটি ছিল ২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। ১০ বছর পর আবার ঢাকার মাঠে দেখা যাবে অ্যালিসা হিলিদের।

আসন্ন সিরিজের ছয়টি ম্যাচের সবগুলোই আনুষ্ঠানিক ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি, তবে ২১ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিলের মধ্যে ওয়ানডে লেগের প্রথম লেগটি ঢাকার মিরপুর শের-ই বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।