All posts by jitu

অ্যাম্বুলেন্সের চাকায় ব্যানার পেঁচিয়ে প্রাণ গেল চিকিৎসকের

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে অ্যাম্বুলেন্স ও ক্যাভার্ড ভ্যানের সংঘর্ষে এক আযুবের্দিক চিকিৎসকের মৃত্যু হয়েছে।

নিহত আবু নুর মোহাম্মদ মাসুম (৩৮) লক্ষীপুর সদর উপজেলার পশ্চিম সৈয়দপুর গ্রামের কামাল উদ্দিনের ছেলে। এ দুর্ঘটনায় নিহতের ভাই মাসুদ রানা (৫০) গুরুত্বর আহত হয়।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নোয়াখালী টু ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়কের সেতু ভাঙ্গা পশ্চিম বাজার দানবাক্স এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মাসুমের অনেক জায়গায় আয়ুবের্দিক চিকিৎসার চেম্বার ছিল। সোমবার সকালে তারার দু’ভাই অ্যাম্বুলেন্স যোগে ফেনীর উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেয়। যাত্রা পথে অ্যাম্বুলেন্সটি নোয়াখালী টু ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়কের সেতু ভাঙ্গা পশ্চিম বাজার দানবাক্স এলাকায় পৌঁছলে অ্যাম্বুলেন্সের সামনে থাকা ব্যানারটি তাদের গাড়ির চাকায় পেঁচিয়ে পুরো রাস্তা জুড়ে মাঝামাঝি ভাবে দাঁড়িয়ে যায়। ওই সময় পিছনে থাকা ক্যাভার্ড ভ্যানটি তাদের অ্যাম্বুলেন্সে সজোরে ধাক্কা মারে। ধাক্কা মারার তীব্রতা এত বেশি ছিল যে অ্যাম্বুলেন্সটি উড়ে গিয়ে রাস্তার উল্টো পাশে পড়ে নোয়াখালী মুখি হয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলে চিকিৎসকের মৃত্যু হয়।

চন্দ্র হাইওয়ে পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) নুর মোহাম্মদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ঘটনার পরপরই ঘাতক কাভ্যার্ড ভ্যানটি পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হবে।

বুড়িচংয়ে বসত ঘরে আগুনে পুরে গৃহবধূর মৃত্যু

কুমিল্লা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার লোয়ারচর গ্রামে বসত ঘরে আগুন লেগে ওই আগুনে পুরে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও আগুনে একটি ঘর সম্পূর্ণ ভষ্মিভুত হয়ে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

রবিবার রাত সাড়ে ৯ টায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত গৃহবধূর নাম সাহিদা আক্তার (৩০)। সে লোয়ারচর গ্রামের তোফায়েল আহমেদের স্ত্রী। নিহতের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য জাকির হোসেন চৌধুরী জানান, রবিবার রাত ৯ টায় নিমসার বাজারের সবজি ব্যবসায়ী তোফায়েল আহমেদ চা খাওয়ার জন্য বাড়ির পাশে একটি দোকানে যায়। এর কিছুক্ষণ পরই লোক মাধ্যমে তার ঘরে আগুনের খবর শুনতে পায়।

মুহূর্তের মধ্যে আগুনের লেলিহান শিখা পুরো ঘরটিকে গ্রাস করে ফেলে। স্থানীয় লোকজন আগুন নিভাতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়। পড়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে চান্দিনা থেকে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে এসে প্রায় দেড় ঘন্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

চান্দিনা ফায়ার স্টেশনের মাস্টার অনয় কুমার ঘোষ জানান, আগুন নিভে যাওয়ার পর ঘরে তল্লাশি করে খাটের উপর থেকে গৃহবধুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরো জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট-সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

এ বিষয়ে দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক জাবেদুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছেন।

ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চোরের মৃত্যু

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে পল্লীবিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক ব্যক্তির মৃত্যুর হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিক পুলিশ ও স্থানীয়রা নিহত ব্যক্তির (৩৮) নাম ঠিকানা জানাতে পারেনি।

রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডের হাবীবপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো.মাহবুবুল আলম স্থানীয়দের বরাত দিয়ে বলেন, রাত পৌনে ১০টার দিকে উপজেলার হাবীবপুর গ্রামের সড়কের পাশে থাকা পল্লীবিদ্যুতের ট্রান্সফরমার চুরি করতে উঠে অজ্ঞাত এ চোর। ওই সময় সে খুঁটিতে থাকা ট্রান্সফরমার খুলতে গেলে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে পল্লীবিদ্যুতের খুঁটির নিচে পড়ে থাকে। ট্রান্সফরমার বিস্ফোরণের শব্দ শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে গেলে দেখতে পায় ঘটনাস্থলেই অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা কেউ তাকে চিনতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে, সে একজন পেশাদার ট্রান্সফরমার চোর। ঘটনাস্থল থেকে চুরির কাজে ব্যবহৃত টেস্টার, প্লাস ও রেঞ্জ উদ্ধার করা হয়েছে। অন্য কোনো এলাকা থেকে এখানে চুরি করতে এসেছে।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসির দায়িত্বে থাকা পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুস সুলতান বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে ট্রান্সফরমার চুরি করতে গেলে এমন ঘটনা ঘটে। রোববার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত তার পরিচয় জানা যায়নি। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেওয়া হবে। মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

দীঘির খোয়া যাওয়া টাকা উদ্ধার করল ডিবি

ডেস্ক রিপোর্ট:

কথিত বিকাশ কর্মকর্তার প্রতারণার ফাঁদে নিজের বিকাশ একাউন্ট থেকে দেড় লাখ টাকা হারিয়েছেন চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। তবে তার খোয়া যাওয়া উদ্ধার করে ফিরিয়ে দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (গোয়েন্দা) বিভাগ।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে গিয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদের হাত থেকে উদ্ধার হওয়া টাকা বুঝে নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন তার বাবা অভিনেতা সুব্রত বড়ুয়া এবং মামা ভিক্টর।

অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, ‘গত শনিবার দীঘির মোবাইলে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে কল আসে। ওই ব্যক্তি নিজেকে বিকাশ অফিসের কর্মী দাবি করেন। এরপর বিকাশ অ্যাকাউন্ট ব্লক হওয়ার তথ্য জানিয়ে ঠিক করে দেওয়ার নামে দীঘির কাছে একটি ওটিপি নম্বর চাইলে সরল মনে সেটা দিয়ে দেন অভিনেত্রী। এর কিছুক্ষণ পরই বিকাশ অ্যাকাউন্টের ব্যালেন্স চেক করলে দীঘি দেখতে পান, তার অ্যাকাউন্ট থেকে এক লাখ ৬২ হাজার টাকা উধাও।’

এ ঘটনায় দীঘি শেরে-বাংলা নগর থানা ও ডিবিতে অভিযোগ করেন। মামলার প্রেক্ষিতে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় দুই প্রতারককে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার করা হয় হাতিয়ে নেওয়া টাকা।

এ বিষয়ে হারুন বলেন, একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্রের সক্রিয় সদস্যরা ভুয়া রেজিস্ট্রেশন করা বা ব্যক্তির অজান্তে রেজিস্ট্রেশন করা সিম ব্যবহার করে। সিমগুলো দিয়ে বিকাশ/নগদ কাস্টমার কেয়ারের প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন কৌশলে টার্গেট ব্যক্তিকে কল করে তার বিশ্বাস অর্জন করেস। এরপর বিভিন্ন কথা বলার পর টার্গেট ব্যক্তির বিকাশ নম্বরে লগইন করার জন্য তার নম্বরে ওটিপি পাঠিয়ে দেয় এবং টার্গেটকে তার মোবাইলে আসা ওটিপি বলার জন্য অনুরোধ করে। নায়িকা দীঘি সরল বিশ্বাসে তার বিকাশ অ্যাকাউন্ট সচল করা বা অন্য কোনো আশায় মোবাইলে আসা ওটিপি বলে দেয়।

অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, এরপর প্রতারক ভুক্তভোগীর অ্যাকাউন্টে লগইন করে এবং অ্যাকাউন্টে থাকা টাকা তুলে নেয়। পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ওই টাকা নগদ উত্তোলন করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করে। এভাবে দেশের অসংখ্য সাধারণ জনগণ প্রতারণার শিকার হচ্ছে।

এ ঘটনার সঙ্গে গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে জানিয়েছে ডিবি।
‘বিকাশের নির্দিষ্ট নম্বর থেকে একটি কল আসে। আমার বিকাশ নম্বর বন্ধ করে দেওয়ার কথা বলে। আমার অ্যাকাউন্টে অনেক টাকা ছিল, তাই আমি ওই কলে অনেকক্ষণ ধরে কথা বলি। প্রতারকরা আমার ওটিপি নম্বর চায়। আমি ভেবেছিলাম পিন নম্বর না দিলে সে আমার অ্যাকাউন্ট হ্যাক করতে পারবে না। তাই ওটিপি নম্বর দেই। আমি শুটিংয়ের কাজে ও স্ক্রিপ্ট নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম। তাই মাথা তেমন কাজ করেনি।’

কুমিল্লা জিমনেসিয়ামে আইজিপি কাপ ও চট্টগ্রাম রেঞ্জ কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় আইজিপি কাপ ও চট্টগ্রাম রেঞ্জ কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন হয়েছে।

সোমবার সকালে কুমিল্লা জেলা পুলিশের আয়োজনে ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় জিমনেসিয়ামে কাবাডি প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান।

কাবাডি প্রতিযোগিতায় চট্টগ্রাম বিভাগের ৮টি জেলা পুলিশ দল অংশ নিচ্ছে। দুটি গ্রুপে লীগ পর্যায়ে খেলবে। গ্রুপ-ক দলে কুমিল্লা জেলা, চাঁদপুর খাগড়াছড়ি ও লক্ষীপুর জেলা দল। গ্রুপ-খ দলে বান্দরবান জেলা, কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও আর আর এফ চট্টগ্রাম।

১৫ ফেব্রুয়ারি কাবাডি প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরন করা হবে। উদ্বোধনী খেলায় ৫০/১৫ পয়েন্টে চাঁদপুর জেলাকে হারায় কুমিল্লা জেলা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক নাজমুল আহসান ফারুক রোমেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন অতিরিক্তি পুলিশ সুপার মংনে খোয়াই মারমা।

উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্তি পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান, মতিউল ইসলাম, কামরান হোসেন, কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ হোসেন।

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সাংবাদিক দেলোয়ার হোসেন জাকির।

বিশ্ব পরিস্থিতির ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে : ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, রাতারাতি বাজার নিয়ন্ত্রণ করা যায় না। বিশ্ব পরিস্থিতির ওপর অনেক কিছু নির্ভর করে।

সোমবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

ওবায়দুল কাদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শত্রুতা করতে চায় না বাংলাদেশ। ভিন্ন কৌশলে রুপপুরের জন্য বেশ কিছু জিনিস নিয়ে আনা হয়েছে যাতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শত্রুতা না হয়।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে কি হবে সেটা বোঝা যাচ্ছে না। সবকিছু মিলে ২০২৪ সালে কি রেজাল্ট হচ্ছে তা বলা যাচ্ছে না।

মেট্রোরেলে ভিড় প্রসঙ্গে কাদের বলেন, মেট্রো তো বাংলাদেশ রেলওয়ে না যে যখন তখন বগি বাড়াবো। এটা তো একটা প্রযুক্তিগত বিষয়। পৃথিবীর কোথাও ৫ থেকে ৬টির বেশি বগি মেট্রোরেলে নাই। তবে চাহিদা যেহেতু বেড়েছে ১০ মিনিট থেকে ৮ মিনিট পরপর মেট্রো দেওয়া যায় কিনা পরিকল্পনা চলছে।

আনসার বাহিনীকে স্মার্ট ও আধুনিক করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী জাতীয় সম্পদ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই বাহিনীটিকে আরও স্মার্ট ও আধুনিক করতে কাজ করছে সরকার। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) গাজীপুরের সফিপুরের আনসার-ভিডিপির সমাবেশে তিনি একথা বলেন।

সকাল ১০টার পর গাজীপুরের সফিপুরে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সমাবেশে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে ছাদখোলা জিপে প্যারেড পরিদর্শন করেন তিনি। ঘুরে দেখেন বিভিন্ন কন্টিনজেন্টের জমায়েত।

প্রধানমন্ত্রীকে প্যারেডের মাধ্যমে সালাম জানায় আনসারের বিভিন্ন ইউনিট। আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অভিবাদন গ্রহণ করেন তিনি। এ সময় বাহিনীতে বিশেষ অবদানের জন্য বিভিন্ন পর্যায়ের ১৮০ জনকে আনসার পদক পরিয়ে দেন সরকারপ্রধান।

আনসার একাডেমীর অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও মাদক থেকে সমাজকে রক্ষায় আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে যথাযথ দায়িত্ব পালন করতে হবে। এই বাহিনী স্মার্ট ও আধুনিক হয়ে গড়ে উঠবে। সেই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার।

এসময় এই বাহিনীর জন্য একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্স নির্মাণ করে দেওয়ার ঘোষণা দেন সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, গ্রাম উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করেছে সরকার। সহযোগিত করছে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

শেখ হাসিনা বলেন, সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা আত্মবিশ্বাস প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতি সামাল দেয়ার মতো সক্ষমতা আছে বাংলাদেশর। জননিরাপত্তা রক্ষায় যেকোনো অশুভ তৎপরতা মোকাবিলায় সতর্ক থাকতে হবে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে।

এসময় আনসার বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, জাতীয় যেকোনো প্রয়োজনে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছে। নির্বাচন ঠেকানোর নামে বিএনপি-জামায়াতের ধ্বংসাত্মক কর্মসূচি প্রতিহত করে জাতীয় সম্পদ রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তারা।

সমাবেশে অংশ নেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, সিনিয়র সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান, আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক (ডিজি) মেজর জেনারেল একেএম আমিনুল হক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম উদ্দিন, আনসার ও ভিডিপি একাডেমির কমান্ড্যান্ট মো. নূরুল হাসান ফরিদী, বাহিনীর উপমহাপরিচালক, অন্যান্য কর্মকর্তা ও আনসার- ভিডিপির সদস্যরা।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরা, সংসদ সদস্য, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, তিন বাহিনী প্রধান, সিনিয়র সচিবসহ বিভিন্ন বাহিনীর প্রধানরা। অপরদিকে কূটনৈতিক ব্যক্তি, সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিরা আমন্ত্রিত হয়েছেন।

ভালোবাসা দিয়েই যুদ্ধ জয়ের উপন্যাস তানভীর আলাদিনের ‘মাথিয়ারার মেয়ে’

আমর একুশে গ্রন্থমেলায় এরই মধ্যে পাঠক প্রিয়তার তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বাসসের সিনিয়র সাংবাদিক তানভীর আলাদিনের উপন্যাস ‘মাথিয়ারার মেয়ে’। সাহিত্যদেশ থেকে প্রকাশিত উপন্যাসটির প্রচ্ছদ এঁকেছেন ফাহাদ হাসান কাজমী।

উপন্যাসটির গায়ের দাম-৩৩৫/-টাকা। পাওয়া যাচ্ছে ৩৪০-৩৪১ নম্বর স্টলে ও রকমারি ডটকমে। উপন্যাসটি উৎসর্গ করেছেন জয়ীতা মঞ্জিলা মিমি’কে। এই লেখক মনে করেন- ভালোবাসা দিয়েই যুদ্ধ জয় সম্ভব। তাইতো তিনি মনোফোবিয়ার মতো এক জটিল যুদ্ধের মাঠে নামিয়েছেন তার ‘মাথিয়ারার মেয়ে’কে। আসুন উপন্যাসিক তানভীর আলাদিনের মুখেই শুনি মাথিয়ারার মেয়ের গল্প…

প্রশ্ন: ‘মাথিয়ারার মেয়ে’ উপন্যাসটি নিয়ে এরই মধ্যে ভালোই চর্চা হচ্ছে, এটি কী প্রেমের উপন্যাস?

তানভীর আলাদিন: অবশ্যই, প্রেম স্বর্গীয় কিনা জানি না, তবে প্রেম দিয়ে স্বর্গ রচনা করা যায় এটুকু জানি। আমার ‘মাথিয়ারার মেয়ে’ শতভাগ একটি প্রেমের উপন্যাস। এটি গতানুগতিকতা থেকে অনেকটা ব্যাতিক্রম। এখানে পুতুপুতু-সুড়সুড়ি প্রেম নেই, আছে নেহা আর তুষারের প্রেমের দৃঢ়তা ও একাগ্রতার লড়াই। ‘মাথিয়ারার মেয়ে’ উপন্যাসটি জুড়ে মনোফোবিয়া যুদ্ধ জয়ে ভালোবাসার এক ব্যতিক্রম আখ্যান।

প্রশ্ন: কেউ-কেউ মনে করছেন এটি সিরিয়াস টাইপের উপন্যাস?

তানভীর আলাদিন: সিরিয়াস টাইপ বিষয়টি আমি ঠিক বুঝি না। ‘মনোফোবিয়া’ নিয়ে লেখা বলেই হয়তো সিরিয়াস মনে করা হচ্ছে। অহেতুক ভয় পাওয়া সমস্যার নাম ‘মনোফোবিয়া’। এই সমস্যাটি সমাজে অনেক পুরোনো। ‘মনোফোবিয়া’ সমস্যার কারনে অনেক যোগ্য ও মেধাবী তার সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাতে গিয়ে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েন। মনোফোবিয়া দূর করতে হলে প্রথমে চাই ভালোবাসা বুকে নিয়ে যুদ্ধজয়ের প্রত্যয়ী মানসিকতা। সেইসঙ্গে ভাঙতে হয় সোস্যাল ট্যাবু। মনোফোবিয়াকেও জয় করা যায়, যদি সঙ্গী হিসেবে ‘নেহা কাজি’র মতো সাহসী কেউ পাশে থাকে…। আমি এই উপন্যাসে দেখাতে চেয়েছি ভালোবাসা দিয়েও যুদ্ধ জয় সম্ভব।

প্রশ্ন: এই উপন্যাসের মূল ম্যাসেজ কী?

তানভীর আলাদিন: শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের সেই উক্তিটি এখানে আবার বলতে চাই- ‘যে জাতি তার বাচ্চাদের বিড়ালের ভয় দেখিয়ে ঘুম পাড়ায়, তারা সিংহের সঙ্গে লড়াই করা কিভাবে শিখবে? যারা পানিতে ডুবে যাওয়ার ভয়ে তার সন্তানকে ডোবায় নামতে দেন না, কিভাবে সে সন্তান আটলান্টিক পাড়ি দেবে?’ আসলে আমাদের সমাজে আমরা বিশাল একটা অংশ অহেতুক ভয় পাওয়া মনোফোবিয়ায় আক্রান্ত। এখান থেকে বের হতে হবে। সেই ম্যাসেজটাই এই উপন্যাসের ভিত্তি।

প্রশ্ন: মনোফোবিয়া থেকে বের হওয়া কী সম্ভব?

তানভীর আলাদিন: আপনার কাছের মানুষটাকে এতটুকু নিশ্চয়তা দিন যে আপনি সবসময় তার পাশে আছেন এবং থাকবেন, তার মনে ও মগজে দৃঢ়ভাবে জানান দিন এই বলে- ‘ভয় পেওনা, আমিতো আছি।’ তারপর দেখুন ম্যাজিক।

প্রশ্ন: আপনাকে ধন্যবাদ।

তানভীর আলাদিন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

মদকাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন অস্ট্রেলিয়ান তারকা ম্যাক্সওয়েল

ডেস্ক রিপোর্ট:

খুব বেশিদিন আগের কথা নয়। অতিরিক্ত মদপান করে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল অস্ট্রেলিয়ান তারকা গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে। অ্যাডিলেডেই এক অনুষ্ঠানে ঘটিয়েছিলেন এমন কাণ্ড। এক মাস পার হওয়ার আগে সেই অ্যাডিলেডেই খেললেন মনে রাখার মতো এক ইনিংস। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অ্যাডিলেডে শতক করে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে রোহিত শর্মার রেকর্ড ছুঁয়েছেন এ অস্ট্রেলিয়ান।

এমন এক ইনিংসের পর মদকাণ্ড নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। সরাসরি কিছু না বললেও, জানিয়েছেন সেই সময়কার অনেক কথাই। ম্যাক্সওয়েল নিজেই স্বীকার করলেন, একজন ক্রিকেটার হিসেবে সেদিন তিনি যা করেছেন, তা মোটেই আদর্শ ছিল না। অবশ্য, সেদিনের ঘটনার পর ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে ব্যাপক সমর্থনও পেয়েছেন তিনি। যাকে তিনি বলেছেন, ‘অসাধারণ সমর্থন।’

অ্যাডিলেডের মদকাণ্ডের পর তার মন্তব্য, ‘আমার মনে হয় আমার চেয়েও আমার পরিবারের ওপর বেশি প্রভাব ফেলেছে এ ঘটনা। আমি জানতাম আমার সে সপ্তাহে ছুটি আছে। অবশ্যই ওই ঘটনা আদর্শিক ছিল না, তার ওপর যে সময়ে ঘটেছে। তবে আমার ছুটি ছিল। আমি জানতাম আমার ক্রিকেট থেকে ছুটি ছিল।’

সেসময় অস্ট্রেলিয়া ব্যস্ত ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে ওয়ানডে সিরিজে। দলের সঙ্গে ছিলেন না ম্যাক্সওয়েল। ছুটি পেয়েই তিনি গিয়েছেন একটি প্রদর্শনী গলফে অংশ নিয়েছিলেন ম্যাক্সওয়েল। এরপর সন্ধ্যায় গিয়েছিলেন সাবেক অস্ট্রেলিয়ান পেসার ব্রেট লির ব্যান্ড সিক্স অ্যান্ড আউটের কনসার্টে গিয়ে মদ্যপানও করেন। এরপর সেখানেই অচেতন হয়ে পড়লে এরপর তাঁকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

সে ঘটনার পর কোচ অস্ট্রেলিয়ার অ্যান্ড্রু ম্যাকডোনাল্ড বলেছিলেন, নিজের প্রতি আরেকটু সচেতন হতে হবে ম্যাক্সওয়েলকে। আবার এমন কাজকে তার একান্ত ব্যক্তিগত বলে মন্তব্য করেছিলেন অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। কথা বলেছিলেন প্রধান নির্বাচকও। কেউই খুব জোরেশোরে তাকে সমর্থন জানাননি।

তবে ম্যাক্সওয়েল অবশ্য টিম ম্যানেজমেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন পাশে থাকার জন্য, ‘কোচ, বেইলস (প্রধান নির্বাচক জর্জ বেইলি), সত্যি বলতে সবাই অসাধারণ ছিল আমার সঙ্গে।

এবার খন্দকার মুশতাক এবং তার স্ত্রীকে হত্যার হুমকি

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশের আলোচিত ও সমালোচিত ‘অসম জুটি’ খন্দকার মুশতাক আহমেদ এবং তার স্ত্রী সিনথিয়া ইসলাম তিশাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

রোববার রাতে এমন অভিযোগ করে ভিডিও বার্তা দেন মুশতাক-তিশা। এর আগে গত শুক্রবার তোপের মুখে একুশের বইমেলা থেকে বের হয়ে যান এই দম্পতি।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে এ বিষয়ে জানতে চাইলে খন্দকার মুশতাক কালবেলাকে বলেন, আপনারা আমাদের ভিডিও বার্তা দেখেছেন। ভিডিওতে শুধু আমাদেরই দেখিয়েছি। অনেকেই বিষয়টিকে মিথ্যা বলে মন্তব্য করেছেন। আমাদের যে হুমকি দেওয়া হয়েছে সেই ভিডিওটি গণমাধ্যমের কাছে আজ পাঠাব। তখন সকলেই জানবে বিষয়টি সত্য কি না।

হুমকির বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে মুশতাক বলেন, আমরা গত ৯ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানায় জিডি করেছিলাম। যেহেতু আমাদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে নতুন করে জিডি করার বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত করিনি তবে আমি বিষয়টি নিয়ে পদক্ষেপ নেব।

রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য খন্দকার মুশতাক আহমেদ একই কলেজের শিক্ষার্থী সিনথিয়া ইসলাম তিশাকে বিয়ে করে আলোচনায় আসেন। তাদের বিয়ের খবর ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার ঝড় উঠে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

সেই সমালোচনা আরও তীব্র হয়ে ওঠে একুশের মেলায় বই প্রকাশের পর। মেলায় নিয়মিত তার বই ছাপানোর সেই প্রকাশনী স্টলে গেলে গত শুক্রবার (৯ ফেব্রুয়ারি) কিছু মানুষের তোপের মুখে মেলা ছাড়তে বাধ্য হয় এই ‘অসম’ জুটি। নিরাপত্তা চেয়ে শনিবার রাত ৯টার পর খন্দকার মুশতাক আহমেদ শাহবাগ থানায় গিয়ে জিডি করেন।

এবার নিজেদের নিরাপত্তা চেয়ে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাতে হঠাৎ লাইভে আসেন মুশতাক-তিশা। লাইভে এসে মুশতাক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, আমাকে এবং স্ত্রী তিশাকে গুলি করে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমাদের কি বাঁচার অধিকার নেই? আমরা কী দোষ করেছি। আমরা শরিয়তসম্মতভাবে আইন মেনে বিবাহ করেছি। বইমেলায় আমাদের ২টি বই প্রকাশ হয়েছে।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমি শাহবাগ থানায় নিরাপত্তা চেয়ে জিডি করেছি। আপনাদের সকলকে আমাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য অনুরোধ করছি। গত ৯ তারিখও আমাদের উত্ত্যক্ত করা হয়েছে। আমি এবং স্ত্রী অত্যন্ত নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। যারা আমাদের হত্যার হুমকি দিয়েছে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য অনুরোধ করছি।

লাইভে এসে খন্দকার মুশতাকের স্ত্রী তিশা বলেন, আমি একজন নারী আমাদের বেঁচে থাকার অধিকার নেই? আমরা সম্পূর্ণ শরিয়তসম্মতভাবে বিয়ে করেছি। কিন্তু আমাদের এভাবে প্রকাশ্যে হত্যা করার হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

মুশতাক বইমেলায় বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, কিছু দুষ্কৃতকারীরা বইমেলাতে আমাদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছে, বই ছিঁড়েছে। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। মেলার আয়োজক কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ছিল আমাদের নিরাপত্তা দেওয়া।

খন্দকার মুশতাকের করা জিডিতে বলা হয়েছে, একুশে বইমেলা উপলক্ষে মিজান পাবলিশার্স থেকে তাদের ‘তিশা অ্যান্ড মুশতাক’ ও ‘তিশার ভালবাসা’ নামে দুটি বই প্রকাশ হয়েছে। প্রকাশনা ও পাঠকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের উদ্দেশে শুক্রবার বিকেলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত অমর একুশে বইমেলায় যান তারা। এ সময় ক্রেতা ও ভক্তদের সঙ্গে মতবিনিময়, ছবি তোলা ও অটোগ্রাফ দিচ্ছিলেন।

হঠাৎ উপস্থিত অজ্ঞাতনামা কিছু লোকজন তাদের হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশে নানা ধরনের মন্তব্য করতে থাকে। এ সময় খন্দকার মুশতাক আহমেদের প্রকাশিত কয়েকটি বই ছিঁড়ে ফেলা ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়।