Tag Archives: রাজনীতি

কুমিল্লার বিএনপির রাজনীতিতে ঝড় বইছে, সবার চোখ গুলশানে

ইমতিয়াজ আহমেদ জিতু:
কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা হতে পারে যে কোন সময়। গতকাল সোমবার রাতে এ কমিটি ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা বেশ প্রবল ছিল। কিন্তু নানা সমীকরণের ফলে কমিটি রাতে ঘোষণা হয়নি। এদিকে এ কমিটি ঘোষণা ঘিরে কুমিল্লার রাজনীতিতে ঝড় বইছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে হাজী আমিন উর রশীদ ইয়াছিন ও সাবেক মেয়র মনিরুল হক সাক্কু গ্রুপ একে অপরের সমালোচনায় ব্যস্ত সময় পার করছে। আবার হাজী ইয়াছিনকে পুনরায় কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা বিএনপির কমিটিতে আহ্বায়ক পদে রাখার দাবি জানিয়ে সবার প্রোফাইলে হাজী ইয়াছিনের ছবি আপলোড করেছে তার সমর্থিত নেতাকর্মীরা।

কমিটিতে আহ্বায়ক পদে সাবেক এমপি জাকারিয়া তাহের সুমনের নাম বেশ আলোচনায় রয়েছে। তবে হাজী ইয়াছিনের সম্ভাবনা এখনো শেষ হয়ে যায়নি বলে তার নেতাকর্মীরা মনে করছেন। তবে সদস্য সচিব পদে আশিকুর রহমান মাহমুদ ওয়াসিমের নাম থাকাটা এক প্রকার নিশ্চিতই বলা যায়। এ পদ নিয়ে কোন প্রতিযোগিতা নেই।

গতকাল কমিটি ঘোষণা না হওয়ায় উত্তেজনা আরো বেড়েছে। অনেকে বলছেন- জাকারিয়া তাহের সুমন হয়তো এবার হাজী ইয়াছিনকে ছাড় দিতে পারেন। আবার অনেকে বলছেন আহ্বায়ক পদে জাকারিয়া তাহের সুমন চূড়ান্ত হয়ে গেছে।ছাড়া দেয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে হাজী ইয়াছিন ক্লিন ইমেজের রাজনীতিবিদ হওয়ায় তাকে অন্য কোন শাখার দায়িত্বও দেয়া হতে পারে।

বিভিন্ন সূত্রমতে, যুগ্ম আহ্বায়ক পদে আমিরুজ্জামান আমির, মো: মোজাহিদ চৌধুরী, এড. কাইমুল হক রিংকু, মাহবুব চৌধুরীর নাম থাকাটা প্রায় নিশ্চিতই বলা যায়।তবে যুগ্ম আহ্বায়ক পদে চৌদ্দগ্রামের বিএনপি নেতা কামরুল হুদা পুনরায় থাকার জন্য লবিং করছেন বলে জানা গেছে। তবে শহীদ জিয়াউর রহমানের নাম নিলে বেহেশত নিশ্চিত-এই বক্তব্য দেওয়ার জন্য বেশ সমালোচিত হয়েছিলেন এই বিএনপি নেতা। ফলে এই কমিটিতে জায়গা পাওয়াটা কামরুল হুদার জন্য বেশ কঠিন হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এদিকে যুগ্ম আহ্বায়ক পদে রেজাউল কাইয়ুমের নাম শোনা যাচ্ছে। বিগত বিলুপ্ত কমিটিতেও তিনি যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।

কুমিল্লার তৃণমূল বিএনপির নেতাকর্মীদের মতে, এই কমিটিতে এমন কোন লোককে স্থান দেওয়া উচিত নয়, যারা বিগত সময়ে দখলবাজি, চাদাঁবাজি করেছে।

একাধিক সূত্রমতে, আজকালের মধ্যে কমিটি ঘোষিত হতে পারে।

শিক্ষকরা রাজনীতিতে

শিক্ষকরা রাজনীতিতে জড়ালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ডা. বিধান রঞ্জন রায়

শিক্ষকরা রাজনীতিতে জড়ালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: ডা. বিধান রঞ্জন রায়

ডেস্ক রিপোর্টঃ

শিক্ষকরা রাজনীতিতে জড়াতে পারবেন না। তারা যদি রাজনীতিতে জড়ান, তবে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।

শনিবার (১১ জানুয়ারি) সকালে ময়মনসিংহে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)-এ দশম গ্রেডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।

উপদেষ্টা বলেন, শিশুদের পড়াশোনার মান উন্নত করার পাশাপাশি অভিভাবকদের আর্থিক চাপ কমাতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে রেজিস্ট্রেশনের আওতায় আনা হচ্ছে। শিক্ষার গুণগত মান বাড়াতে সরকার কারিকুলাম ও পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনেছে।

তিনি আরও বলেন, শিশুদের সামগ্রিক বিকাশ নিশ্চিত করতে শুধু বইয়ের ওপর নির্ভরশীল হলে ফলাফল ভালো হয় না। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ তাদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এজন্য শিক্ষক ও অভিভাবকদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে নেপের পরিচালক ফরিদ আহমেদ, উপ-পরিচালক সাদিয়া উম্মুল বানিন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মিজানুর রহমান খানসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। পরে ডা. বিধান রঞ্জন রায় দশম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মৌলিক প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন।

খাদের কিনারে রাজনীতি

খাদের কিনারে রাজনীতি! কোথায় যাচ্ছে দেশ!

খাদের কিনারে রাজনীতি! কোথায় যাচ্ছে দেশ!

গোলাম মাওলা রনি:

কোনো রকম ভূমিকা, ভান ভনিতা না করেই শিরোনাম নিয়ে আলোচনা শুরু করা যাক। আজকের বিষয়ের পরিধি অনেক বড়, আমাদের রাজনীতির সঙ্গে আওয়ামী লীগ-বিএনপি-জামায়াতের হালহকিকত জড়িত। জাতীয় পার্টিসহ দেশবিদেশের গোয়েন্দাদের অর্থ-হুমকিধমকিতে লম্ফঝম্ফকারী ছোট ছোট রাজনৈতিক দলও ইদানীংকালে অতিমাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কিন্তু সবার ওপরে এখন জুলাই-আগস্ট বিপ্লবের সমন্বয়কদের মতিগতি-কিংস পার্টির গঠন-আগমন ও পরিচালনা নিয়ে নানা রকম তর্কবিতর্কের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে উত্তেজনা, দিল্লি-ঢাকার শীতল সম্পর্ক এবং দুই দেশের জনগণ মিডিয়া-আমলাদের মধ্যকার অস্থিরতা।

খাদের কিনারে রাজনীতি! কোথায় যাচ্ছে দেশ!উল্লিখিত সমস্যা ছাড়াও মিয়ানমার সীমান্তে আরাকান আর্মির বিজয়, সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদের পতনজনিত সমস্যাও বাংলাদেশের রাজনীতির হিসাবকে জটিল করে দিয়েছে। আমেরিকায় ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিজয় এবং হাল আমলে দেশের অভ্যন্তরে চীন ও পাকিস্তানের অতিগুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠা এবং প্রো-ইন্ডিয়ান সবকিছুই ব্যাক ফুটেজে চলে যাওয়ার মাধ্যমে অর্থনীতি-কূটনীতি এবং রাজনীতিতে তিন ধরনের সমস্যা তৈরি করে ফেলেছে। সমস্যাগুলো ততটা জটিল-কুটিল এবং মহামারি রূপে যেভাবে ক্রমশ বাড়ছে, তাতে করে কেউ চাইলেই সমস্যা থেকে যেমন নিজেকে দূরে রাখতে পারবে না, তদ্রƒপ কোনো মানব-মহামানব কিংবা অতিমানবের সাক্ষ্যও এসব সমস্যা রাতারাতি দূর করা সম্ভব নয়। ফলে অন্তহীন সমস্যার জালে বন্দি হয়ে সমস্যার স্রোতে আমরা সবাই মিলে সমস্যার সাগরে পতিত হওয়ার জন্য দুরন্ত বেগে বয়ে চলেছি।

বাংলাদেশের রাজনীতিকে স্থবির করে দিয়েছে দেশের অর্থনীতি। এখন যারা সরকার চালাচ্ছেন, তাঁরা উত্তরাধিকার সূত্রে যে অর্থনীতি পেয়েছেন, তা রাতারাতি ভালো হওয়ার নয়। অধিকন্তু সামষ্টিক অর্থনীতি সম্পর্কে অনভিজ্ঞতা-রাষ্ট্রপরিচালনার অনভিজ্ঞতা এবং নিজেদের রাজনৈতিক এজেন্ডার অস্পষ্টতার কারণে অর্থব্যবস্থার মতো স্পর্শকাতর সেক্টরে স্থিতিশীলতার পরিবর্তে অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে। অর্থনীতির সব সূচক নিম্নমুখী এবং একটি সূচকের সঙ্গে অন্য সূচকগুলোর সংঘাত শুরু হয়েছে। গত কয়েক মাসে পর্যাপ্ত রেমিট্যান্স এসেছে। এসব অর্থের বিপরীতে স্থানীয় মুদ্রা খরচ করতে হচ্ছে। সরকারের আয় রোজগার না বাড়ার কারণে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে স্থানীয় মুদ্রা সরবরাহ বেশ কঠিন হয়ে যাচ্ছে। টাকা ছাপিয়ে বেতন-ভাতা ভর্তুকি এবং খয়রাতি সাহায্য দিতে গিয়ে মূলস্ফীতি যে কোন পর্যায়ে গিয়েছে, তা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা আহাজারি-অস্থিরতা দেখলেই অনুমান করা যায়।

করোনাকাল থেকেই জ্যামিতিক হারে শিল্প উৎপাদন কমেছে। কর্মসংস্থান কমতে কমতে বেকারত্বের হার আশঙ্কাজনক অবস্থায় পৌঁছে গিয়েছে। হাজার হাজার শিল্পকারখানা-ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দোকানপাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে। বন্ধ হওয়ার পর্যায়ে রয়েছে লাখ লাখ প্রতিষ্ঠান। দেশের ব্যাংক-বিমার বিরাট অংশকে রীতিমতো আইসিইউতে রেখে কোনো মতে শ্বাসপ্রশ্বাস নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আইসিইউ সাপোর্ট তুলে নিলে পুরো আর্থিক খাত যেভাবে ধপাস করে পড়ে যাবে, তা হয়তো দেউলিয়াত্বের সব অতীত রেকর্ড ভেঙে ফেলবে। এহেন অবস্থায় নতুন কোনো দেশীয় বা বিদেশি বিনিয়োগ নেই- উল্টো গার্মেন্ট সেক্টরে একের পর এক অরাজকতা মানুষের মনে ভয় ধরিয়ে দিয়েছে। আমদানি বাণিজ্য মুখ থুবড়ে পড়েছে- সরকার চেষ্টা করেও আমদানি বাড়াতে পারছে না। কারণ ভোক্তার ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ায় পণ্য আমদানি কিংবা স্থানীয় পর্যায়ে পণ্য উৎপাদনঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।

আর্থিক খাতের গত তিন মাসের টাটকা খবর হলো- কয়েক হাজার অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়েছে অথবা শূন্য হয়ে গিয়েছে। এসব অ্যাকাউন্ট আওয়ামী লীগের কারও নয়। এসব অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকার লেনদেন হতো- অথবা কোটি টাকার বেশি স্থিতি থাকত। দেশের অর্থনৈতিক মন্দার কারণে কয়েক হাজার কোটিপতি লোকচক্ষুর অন্তরালে দেউলিয়া হয়ে পড়েছে। মন্দ ঋণ বা খেলাপি ঋণ নিয়ে হররোজ দুঃসংবাদ আসছে। প্রায় সব ব্যাংক নতুন ঋণ বন্ধ করে দিয়েছে। এমনকি বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং সশস্ত্র বাহিনীর ব্যাংকগুলো থেকে যেসব ব্যক্তিগত ঋণ প্রদান হতো তা-ও গত কয়েক মাসে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। অর্থনীতির উল্লিখিত বেহাল মানুষের মনমানসিকতা এবং চিন্তার জগতে নিদারুণ অস্থিরতা তৈরি করেছে। ফলে কাউকে সম্মান করা- কারও অনুগত থাকা- কারও প্রতি আস্থা রাখার মতো অতি জরুরি সামাজিক গুণাবলিগুলো নষ্ট হয়ে গিয়েছে। অনাস্থা, সন্দেহ-অবিশ্বাস যেভাবে বেড়েছে তাতে করে ব্যক্তিগত পারিবারিক ও সামাজিক এবং রাজনৈতিক সম্পর্কগুলো ভেঙে যাচ্ছে। এসব কারণে আওয়ামী লীগবিহীন রাজনীতিতে জামায়াত-বিএনপির সম্পর্ক আর আগের মতো নেই। আওয়ামী লীগের অনেক দোসরকে অনেকে কোলে তুলে নিতে গিয়ে নিজের বহু দিনের বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন লোকজনকে কোরবানি দিয়েছে।

রাজনৈতিক দলগুলো দলের বাইরে যেমন সন্দেহ-অবিশ্বাস-অনাস্থার কারণে দৌড়ঝাঁপ করছে। তদ্রƒপ পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নিজেদের মধ্যেও নতুন দ্বন্দ্ব-ফ্যাসাদ আরম্ভ করে দিয়েছে। উদাহরণ স্বরূপ আমি আওয়ামী লীগ-বিএনপি এবং জামায়াতের অভ্যন্তরীণ অথচ প্রকাশ্যে কিছু দ্বন্দ্ব-ফ্যাসাদের কথা বলব যা পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে হয়েছে এবং এসব সমস্যা দলগুলোর সর্বনাশ ঘটাচ্ছে যা কি না, রাজনীতিকে খাদের কিনারে নিয়ে যাচ্ছে। শুরুতেই আওয়ামী লীগের কথা বলি, ২০২৪ সালের পট পরিবর্তনের পর দলের সভাপতির সব ক্রোধ গিয়ে পড়েছে তাঁর পোষ্য আমলা-কামলার প্রতি। তিনি মনে করছেন, যেভাবে তিনি দলবাজ আমলা-কামলা তৈরি করেছিলেন এবং ওসব দলবাজের বিত্ত-বিলাস-ভোজন-বিনোদনের জন্য অকাতরে রাষ্ট্রীয় কোষাগার উজাড় করে দিয়েছিলেন শেষ পর্যন্ত তার সঙ্গে বেইমানি করেছে। দ্বিতীয়ত আমলাদের ওপর নির্ভর করার জন্য তিনি নিজ হাতে তাঁর দলের সব রাজনৈতিক নেতৃত্বকে অবদমিত, নির্বিষ, অথর্ব, অযোগ্য ও অকার্যকর করে ফেলেছিলেন। ফলে তাঁর চলমান বিপদে সাহায্য করার মতো দেশবিদেশে একজন নেতাকে খুঁজে পাচ্ছেন না। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তিনি অজপাড়াগাঁয়ের প্রখ্যাত ছাত্রলীগকর্মী কিংবা লন্ডন-আমেকিরায় বসবাসরত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ফোনে কথা বলে সান্ত্বনা লাভের চেষ্টা করে চলেছেন।

শেখ হাসিনার মতো প্রায় একইভাবে বেগম খালেদা জিয়াও ২০০৬ সালে ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার পর নজিরবিহীনভাবে দলের তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন। পরে লন্ডনে বসে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানও দলের তৃণমূলের সঙ্গে দিনের পর দিন ফোন, স্কাইপি, হোয়াটসঅ্যাপ প্রযুক্তির সাহায্যে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। এসব নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে অনেক কথা বলা যাবে। কিন্তু আজকের আলোচনায় ওদিকে না গিয়ে ঘটমান বর্তমান এবং বিএনপির অভ্যন্তরীণ সমস্যা নিয়ে কিছু বলি।

বিএনপিতে বেগম জিয়ার প্রতি অনুগত ও বিশ্বস্ত প্রবীণ নেতারা নিজেদের গুটিয়ে রেখেছিলেন। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে তাঁরা বেশ সক্রিয় হয়েছেন, যা কিনা অনেকের মনোবেদনা ও চোখের বেদনার কারণ হয়েছে। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক অঙ্গনে কোনো বন্ধু বা কাছের মানুষ আছে বলে আমরা জানি না। বেশির ভাগ কেন্দ্রীয় নেতা পদপদবি রক্ষার জন্য অনেক বিষয়ে চুপ থাকেন কিংবা অনেক বিষয়ে কথা বলতে বাধ্য হন। তাঁরা নিজের বুদ্ধি-বিবেক খাটিয়ে চমকপ্রদ কোনো কৌশল সেই ২০০৬ থেকে আজ অবধি আবিষ্কার করেছেন, তা যেমন দৃশ্যমান নয়, তেমনি দলের জন্য অকাতরে পকেটে হাত দিয়ে খরচ করেছেন, এমন মহান ব্যক্তির নাম না জানলেও, কমিটি বিক্রির বদনাম দলটির বহু নেতার বিরুদ্ধে রয়েছে। ফলে পরিবর্তিত পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার মতো কাউকে এগিয়ে আসতে দেখা যাচ্ছে না। উল্টো ক্ষমতায় গেলে কে কী হবেন, এসব নিয়ে অলিগলিতে মুখরোচক কথাবার্তা শোনা যাচ্ছে।

বিএনপির সম্মেলন, মহাসচিব পদ, তারেক রহমানের দেশে ফেরা এবং বেগম জিয়ার বিদেশ গমন নিয়ে দলের মধ্যে হররোজ নানামুখী কথাবার্তা হয়। দলবাজ আমলাদের বাড়াবাড়ি, সিবিএ নেতাদের দখলবাজি, পরিবহন সেক্টর, ঠিকাদারি ব্যবসায় আধিপত্যসহ আওয়ামী লীগ নেতাদের আশ্রয়প্রশ্রয় দেওয়া অথবা আওয়ামী লীগের লোকজনের সহায়সম্পত্তি ব্যবসাপাতি এবং চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও অবৈধ আয়ের উৎসগুলো কে বা কারা দখল করল, কারা পেল, কারা পেল না, এসব নিয়ে দীর্ঘদিনের মজলুম দলের মজলুম নেতা-কর্মীরা যা করছে, তা রাজনীতির জন্য অশনিসংকেত।

উল্লিখিত কারণে বিএনপির শীর্ষনেতাদের মধ্যে আগের মতো ভাব নেই। আবার প্রকাশ্য বিরোধও নেই, যা কি না, একটি দলের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ। সবাই কেবল আজকের দিন নিয়ে ভাবছে এবং নগদ নারায়ণের হিসাব করছে। সাধ্যমতো প্রক্সি দিচ্ছে এবং পদপদবি চলে যায় এমন কথা ও কাজ থেকে কৌশলে নিজেদের বিরত রেখে আয়-রোজগারে মনোযোগী হয়ে পড়ছে। ফলে রাজনৈতিক দলের চিরাচরিত কোলাহলের পরিবর্তে সর্বত্র কেমন যেন খাঁ খাঁ পরিবেশ বিরাজ করছে বিএনপির অফিসগুলোতে।

আওয়ামী লীগ-বিএনপির মতো জামায়াতও বর্তমান সময়ে কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে। জামায়াত গতানুগতিক রাজনীতি করে না। ফলে তাদের বিরোধ-বিপত্তি প্রকাশ্যে আসে না। কিন্তু তারপরও জামায়াতের অভ্যন্তরীণ সমস্যা জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বিধায় ওই দলটি নিয়েও খোলামেলা-আলোচনা করা উচিত। আপনি যদি জামায়াতের বর্তমান আমিরের কথাবার্তা এবং তৎপরতা লক্ষ করেন তবে আপনার মনে হবে- জামায়াত ইতিহাসের সেরা সময় পার করছে। কিন্তু জামায়াতের অভ্যন্তরে এমন কিছু হচ্ছে, যা কোনো অংশে আওয়ামী লীগ-বিএনপির তুলনায় কম নয়।

অধ্যাপক গোলাম আযমের জমানায় অর্থাৎ যুদ্ধাপরাধের বিচার শুরু হওয়ার আগে জামায়াতের ব্যবসাবাণিজ্য, ব্যাংক-বিমা অর্থাৎ অর্থব্যবস্থা নিয়ে স্পষ্টতই দুটো গ্রুপ ছিল। একদিকে প্রয়াত মীর কাসেম অন্যদিকে আবু জাহের। রাজনীতিতে সবচেয়ে প্রগতিশীল ছিলেন কামরুজ্জামান। আলী আহসান মুজাহিদ, কাদের মোল্লা প্রমুখের সাংগঠনিক ক্ষমতা এবং দলের ওপর প্রভাব ছিল অপরিসীম, আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর জনপ্রিয়তা, এটিএম আজাহারের দক্ষতা, প্রয়াত মকবুল আহমাদের প্রজ্ঞার চমক ২০১২ সালে থমকে যায়। ২০১২ সাল পর্যন্ত অধ্যাপক গোলাম আযমের পরিবার, মতিউর রহমান নিজামীর পরিবার এবং মীর কাসেমের পরিবারের লোকজন জামায়াতের সব বিষয়ে অত্যন্ত প্রভাব-প্রতিপত্তির অধিকারী ছিলেন। তাঁরা জামায়াতের অভ্যন্তরে আওয়ামী লীগ-বিএনপির আদলে একটি এলিটতন্ত্র এবং পরিবারতন্ত্র গড়ে তুলেছিলেন।

২০১৪ সাল থেকে দলীয় এলিটতন্ত্র এবং অর্থনৈতিক এলিটতন্ত্র ঝুঁকির মধ্যে পড়ে এবং ২০১৯ সালের পর তাঁরা পর্দার আড়ালে চলে যেতে বাধ্য হন। পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বর্তমান আমিরের নেতৃত্বে জামায়াতের বর্তমান কাঠামোটি দাঁড়িয়ে যায়। কিন্তু শেখ হাসিনার পতনের পর জামায়াতের সেই অভিজাততন্ত্র আবার ফিরে এসেছে এবং দলটির অভ্যন্তরে বর্তমান নেতৃত্বের ওপর কী চাল সৃষ্টি করেছে, তা কেবল জামায়াতঘনিষ্ঠরাই বলতে পারবেন।

আমরা আজকের আলোচনার শেষ পর্যায়ে চলে এসেছি। উপসংহারে শুধু এ কথাই বলতে চাই, বাংলাদেশের সার্বিক রাজনীতি ইতিহাসের সবচেয়ে জটিল-কুটিল-ভয়ংকর সময় পার করছে। বর্তমানে যা কিছু হচ্ছে তার কোনোটিই আপনি রাজনৈতিক ব্যাকরণের মধ্যে ফেলতে পারবেন না। কোনো রাজনৈতিক সূত্র মন্ত্র-ঝাড়-ফুঁক এখন কাজ করছে না। অনিশ্চয়তার ঘোর অমানিশা, অরাজকতার কুয়াশা এবং বিশৃঙ্খলার উত্তপ্ত পরিস্থিতি মানুষের চিন্তা-অনুভূতি-ভাবাবেগকে নষ্ট করে দিয়েছে। ফলে গভীর অন্ধকারের মধ্যে পড়ে কারও মধ্যে যদি বিষধর সাপের আতঙ্ক দেখা দেয় এবং সেই অবস্থায় প্রিয়তমার হাত যদি শরীর স্পর্শ করে তবে মানুষ যেভাবে আর্তচিৎকার শুরু করে দেয়, ঠিক সেই অবস্থার দিকে আমরা ধেয়ে চলেছি।

♦ লেখক : সাবেক সংসদ সদস্য ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

রাজনীতি, সন্ত্রাস ও দুনীর্তিমুক্ত ভিক্টোরিয়া কলেজ চায় শিক্ষার্থীরা

 

স্টাফ রিপোর্টার:

রাজনীতি, সন্ত্রাস ও দুনীর্তিমুক্ত ভিক্টোরিয়া কলেজ চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে ছাত্র-ছাত্রীরা। শনিবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানার এ আয়োজন করে তারা।

লিখিত বক্তব্যে ইতিহাস বিভাগ দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী মাকসুদা আক্তার বলেন,কলেজের সদ্য পদত্যাগকারী অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আবু জাফর খান ও কতিপয় শিক্ষক কলেজের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। ১৩ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রয়েছে ৪জন শিক্ষক ও ৩জন কর্মচারীর বিরুদ্ধে। এ বিষয়টি নিয়ে দুদকের তদন্ত চলমান।

দুর্নীতিবাজ এসব শিক্ষা ক্যাডারের পদত্যাগকে স্বাগত জানিয়েছে কলেজের প্রায় ৮৫ ভাগ শিক্ষক। একই সাথে ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে স্বৈরাচার পন্থীদের বিনাভোটের শিক্ষক পরিষদ।

অনার্সে পড়ুয়া এ ছাত্রী বলেন, উদ্বেগের সাথে জানাচ্ছি কতিপয় আওয়ামী স্বৈরাচারের দোসর, দুর্নীতিবাজ অধ্যক্ষকে আবার কলেজে ফিরিয়ে আনতে ষড়যন্ত্র শুরু করেছেন। বহিরাগত সন্ত্রাসীদের দিয়ে ছাত্রদের রক্তের উপর দিয়ে অধ্যক্ষকে চেয়ারে বসাবেন বলে হুমকি দিচ্ছেন। কলেজের যে সকল শিক্ষক এ ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তাদের তালিকা আমাদের হাতে রয়েছে। শিক্ষকদের সম্মানের খাতিরে আমরা তা প্রকাশ করছি না।

সাধারণ শিক্ষার্থীদের পক্ষে তিনি বলেন, আমাদের যুদ্ধ কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে না। অনিয়ম ও দুনীর্তির বিরুদ্ধে। যদি কোন শিক্ষার্থী আহত বা নিহত হয়, এ দায়বার স্বৈরাচার-অতিউৎসাহী শিক্ষকদের নিতে হবে। আপনারা চাকুরিবিধি মেনে দায়িত্ব পালন করুন। সংষ্কারের এ সময়ে আমরা আপনাদের পাশে আছি।

শিক্ষক-শিক্ষার্থী মিলে যৌক্তিকভাবো আমরা অতিরিক্ত ফি কমানোর দাবি জানাচ্ছি। বিনা ভোটে নয়, আপনাদের সরাসরি ভোটে শিক্ষক পরিষদ গঠন করা হোক। নতুন অধ্যক্ষ যোগদান না করা পর্যন্ত যে কোন একজন জৈষ্ঠ্য অধ্যাপক কলেজের প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন।

আমরা আপনাদের সন্তান। রাষ্ট্র সংষ্কার ও কলেজ সংষ্কারের অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে সবার সহযোগীতা চাই। আমরা জানি, আইন মানুষের কল্যাণে, আইনের কল্যাণে মানুষ নয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আল মামুন, রবিউল হাসান, লামিনা ইসলাম, হাসিবুল ইসলাম, আফরোজা মীম, বেলায়েত হোসেনসহ কলেজের উচ্চমাধ্যমিক ও ডিগ্রি শাখার অর্ধশতাধিক ছাত্র-ছাত্রী উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলন শেষে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যরা বলেন। যদি কেউ রাজনীতি, সন্ত্রাস ও দুনীর্তির সাথে আপোষ করে, সে আমাদের সদস্য নয়।

তারেককে ত্যাগ করতে না পারলে বিএনপির ধ্বংস অনিবার্য: নানক

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেছেন, লন্ডনে পালিয়ে থাকা তারেক রহমানকে পরিহার করতে না পারলে বিএনপির ধ্বংস অনিবার্য।

দল ভাঙার দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে বিএনপি নেতারা নেতৃত্বের ব্যর্থতা ঢাকার চেষ্টা করছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, ‘আপনাদের নেতৃত্বের ব্যর্থতা, কাপুরুষতা ঢাকার চেষ্টা করছেন। এসব বলে লন্ডনে থাকা পলাতক কুলাঙ্গার তারেক রহমানের ব্যর্থতা ঢেকে রাখতে পারবেন না। লন্ডনের সুতা পরিহার করতে না পারলে বিএনপির দেশের রাজনীতিতে কোনো ভূমিকা রাখতে পারবে না, বিএনপির ধ্বংস অনিবার্য। এ দেশের রাজনীতিতে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে হলে আওয়ামী লীগকে নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। বরং বিএনপিকে সুষ্ঠু ধারার রাজনীতিতে আসতে হবে।’

বুধবার রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ-এ (আইডিইবি ভবন) এক আলোচনা তিনি এ কথা বলেন। গত ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবক লীগ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আওয়ামী লীগ বিএনপিকে ভাঙার চেষ্টা করছে- দলটির নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে নানক বলেন, কোন দল ভাঙে? যেটা দল আস্ত থাকে সেটা ভাঙা যায়! যে দলটি (বিএনপি) ভাঙা ট্রেনে উঠে গিয়েছে, সে দল নিয়ে আওয়ামী লীগ কেন- বাংলার জনগণেরও কোনো মাথাব্যথা নেই। কত রাজনৈতিক দল ভুল রাজনীতির কারণে বিলীন হয়ে গিয়েছে। স্বাধীনতা পরবর্তীতে এমন নজিরও রয়েছে। বিএনপিও সেদিকে যাচ্ছে। যারা নির্বাচন ত্যাগ করেছে, যারা জনগণের রায় মেনে নেয়নি তাদের রাজনৈতিক অবশিষ্ট অংশটুকু বিলীন হয়ে যায়।

আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেছেন, যারা আজকে দেশে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার কথা বলে তারাই ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের বিরোধিতা করেছে। বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে তারা দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে ক্ষতবিক্ষত করেছে।

শেখ হাসিনার হাতেই এদেশের গণতন্ত্র নিরাপদ: সেতুমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির মধ্যবর্তী নির্বাচনের দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি উল্টো প্রশ্ন রেখে বলেছেন, মধ্যবর্তী নির্বাচন কোন দুঃখে? মামা বাড়ির আবদার!

রোববার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, আজকে দেশের রাজনৈতিক যে বাস্তবতা, এই বাস্তবতায় বিএনপির মত একটা দল রিয়ালিটির সঙ্গে এদের কন্টাক ক্রমেই হারিয়ে ফেলছে। প্রমাণ হয়েছে- শেখ হাসিনার হাতেই এদেশের গণতন্ত্র নিরাপদ। শেখ হাসিনার হাতেই বাংলাদেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি। আজকে এটাই বাস্তবতা- তার হাতে যতদিন আছে দেশ পথ হারাবে না বাংলাদেশ। তিনি বাংলাদেশের রিয়েলিটি বোঝেন। মানুষের চোখের ভাষা, মনের ভাষা বুঝতে পারেন। যেটা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে বিএনপি। বোঝে না বলেই তারা রাজনীতিতে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।

এ সময় সচিবালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে বিএনপির সমমনাদের সহিংসতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, সমমনস্করা যদি ষড়যন্ত্র করে, সন্ত্রাস করে, তার মানে বিএনপির সংশ্লিষ্টতা নেই- এটা মনে করার কোনো কারণ নেই। সন্ত্রাস যেখানে আছে, কাজে বিএনপি সেখানে আছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, এস এম কামাল হোসেন, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া সহ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নেতারা।

বিএনপির রাজনীতি টিকিয়ে রাখতে হলে আগে তারেক রহমানকে পরিত্যাগ করতে হবে: নানক

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপি নেতা পলাতক দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি তারেক রহমান লন্ডনে বসে দলটিকে ধ্বংস করতে চায় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী এডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক এমপি। তিনি দলটির নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, বিএনপির রাজনীতি টিকিয়ে রাখতে হলে আগে তারেক রহমানকে পরিত্যাগ করতে হবে।

রবিবার দুপুরে মোহাম্মদপুরস্থ শ্যামলী আইডিয়াল পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং শিক