Tag Archives: আওয়ামী লীগ

তিতাসে রাজনৈতিক সমীকরণ: আওয়ামী চেয়ারম্যানের বাড়িতে বিএনপি এমপির দাওয়াত

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার তিতাস উপজেলায় আওয়ামিলীগ নেতা ইউপি চেয়ার ম্যানের বাড়ীতে বিএনপির এমপির দাওয়াত খাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা প্রশ্ন ও আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয়ভাবে জানা গেছে, আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী চেয়ারম্যানের বাড়িতে বিএনপির এমপি দাওয়াত গ্রহণ করেছেন।

শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) কুমিল্লা – ২( হোমনা তিতাসের) বিএনপির এমপি সেলিম ভুইয়া উপজেলা ও বিভিন্ন ইউনিটের দলীয় নেতৃবৃন্দের দলবলসহ মজিদপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর এর বাড়ি শাহপুরে দাওয়াত খেয়েছেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, তিতাসে দীর্ঘদিন ধরে এই আওয়ামী লীগ নেতা জাহান্গীর চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতাদের মধ্যে তীব্র রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিরাজমান। সেই প্রেক্ষাপটে দুই ভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রভাবশালী নেতাদের এমন ঘনিষ্ঠতা অনেকের কাছেই বিস্ময়ের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিশেষ করে, জাহাঙ্গীর চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতাদের নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে।

এমন অভিযোগ তোলা বিএনপির একাংশের নেতা-কর্মীরা এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা প্রশ্ন তুলছেন, যে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের অভিযোগ রয়েছে, তার সঙ্গেই এমপির কেন এমন সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক?

এদিকে, স্থানীয়দের মধ্যে আরেকটি আলোচনা জোরালো হয়েছে যে, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও জাতীয় নির্বাচনের অভিজ্ঞতার প্রভাবেই কি তিতাসে নতুন কোনো সমঝোতার ইঙ্গিত মিলছে? কেউ কেউ এটিকে ভবিষ্যৎ স্থানীয় সরকার নির্বাচনী কৌশলের অংশ হিসেবেও দেখছেন।

তবে সংশ্লিষ্ট কোনো পক্ষ থেকেই এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই যাচ্ছে।

এ বিষয়ে তিতাসবাসী এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—
এই দাওয়াত কি শুধুই ব্যক্তিগত সৌজন্য, নাকি এর পেছনে রয়েছে গভীর কোনো রাজনৈতিক সমীকরণ?

শ্যুটার ফাহিমসহ ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ

স্টাফ রিপোর্টার:
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপর গুলি চালানো ৫ টি মামলার আসামী শ্যুটার ফাহিম হোসেনকে (৩২) গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ । ফাহিমসহ রাজনৈতিক ও বিভিন্ন মামলার মোট ১৩ জন আসামীকে গ্রেফতার করে কোতয়ালী থানা পুলিশ।

গোপন তথ্যের ভিত্তিতে ২ নং দূর্গাপুর এলাকায় সারারাত অভিযান করে ফাহিমের ফুফার বাড়ি হতে সোমবার ভোর ৫ টায় গ্রেফতার করা হয়। বাকিদের রাতভর বিভিন্ন অভিযানে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার হওয়া মো: ফাহিম হোসেন কুমিল্লা সদরের দূর্গাপুর এলাকার মো: হুমায়ন কবীরের ছেলে। সে একাধিক মামলাসহ বৈষম্য বিরোধী ৫ টি মামলার আসামী।

 

আওয়ামী লীগ কীভাবে রাজনীতি করবে তা নির্ধারণের দায়িত্ব

আওয়ামী লীগ কীভাবে রাজনীতি করবে তা নির্ধারণের দায়িত্ব অন্তর্বর্তী সরকারের : রুহুল কবির রিজভী

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত দল আওয়ামী লীগ কীভাবে রাজনীতি করবে, সেই দায়িত্ব বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের।

বুধবার (২৩ এপ্রিল) সকালে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার চারু শিল্পী মানবেন্দ্র ঘোষের অগ্নিদগ্ধ বাড়ি পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

রিজভী জানান, ‘সমস্ত গণতন্ত্রকামী মানুষ আপনাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) সমর্থন দিয়েছে। কিন্তু কনস্টিটিউশনালি বা আইনগতভাবে অন্তর্বর্তী সরকারের কোনো ভিত্তি নেই।’

তিনি জানায়, ‘যারা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছেন, তারা প্রত্যেকেই আপনাদের সমর্থন করেছে। সে অনুযায়ী আপনারা দেশ চালাচ্ছেন। এখন আওয়ামী লীগ কীভাবে রাজনীতি করবে, সে দায়িত্ব অন্তর্বর্তী সরকারের।’

বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, ‘প্রশাসন আপনাদের হাতে, অন্য সব স্টেট মেশিনারি আপনাদের হাতে। আওয়ামী লীগকে নিয়ে আপনারা কী করবেন, সেটা আপনাদেরই ঠিক করতে হবে।’

‘আওয়ামী লীগের দোসরদের অনুসারীরা ঘাপটি মেরে আছে নানা জায়গায়। ওদের কাছে পেট্রোল কিনে বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার যে অর্থ, মানুষকে হত্যা করার জন্য যে অস্ত্র লাগে, সেসব তাদের কাছে আছে।’

তিনি জানান, ‘সেটাকে দমন করতে আপনাদের কী আইন প্রণয়ন করতে হ,বে সেটা আপনারা জনগণের কাছে খোলাসা করুন। যেহেতু প্রশাসন আপনাদের হাতে। দোসরদের অনেকেই পালিয়ে গেছে পার্শ্ববর্তী দেশসহ অনেক জায়গায়। কিন্তু যারা নৈরাজ্য ছড়াচ্ছে তারা প্রশ্রয় পাচ্ছে কার দ্বারা?’

‘যারা ১৫ বছর যাবত শেখ হাসিনাকে পাহারা দিয়েছে, ব্যাংক লুট করেছে, অন্যের সম্পদ লুট করেছে, টাকা পাচার করেছে, তারা আজ এই জনসমুদ্রের ভিতর কোথায় লুকিয়ে আছে। অন্তর্বর্তী সরকার যদি খুঁজে বের করতে না পারে, তাহলে তো এই সরকারকে মানুষ ব্যর্থ সরকার বলবে,’ ভাষ্য রিজভীর।

আ’লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে এনসিপি নেতা শিশিরের নেতৃত্বে কুমিল্লায় বিক্ষোভ মিছিল

 

স্টাফ  রিপোর্টার:

গণহত্যার দায়ে আওয়ামী লীগের বিচার, নিবন্ধন বাতিল এবং রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষিদ্ধের দাবিতে কুমিল্লার লালমাইয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।

শুক্রবার (২৮ মার্চ) বিকেলে লালমাই উপজেলার বাগমারা বাজারে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলে নেতৃত্ব দেন এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্য সচিব জয়নাল আবেদীন শিশির।

বিক্ষোভ মিছিলে বক্তব্য রাখেন এনসিপির নেতা জয়নাল আবেদীন শিশির। তিনি বলেন, “আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ধরে গণতন্ত্র হরণ করে দেশে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিল। ২০০৯ সাল থেকে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে বিরোধী মত দমন, গুম-খুনের রাজনীতি ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড চালিয়ে তারা দেশে একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছিল।”

তিনি আরও বলেন, “গণহত্যার জন্য আওয়ামী লীগের বিচার করতেই হবে । তারা জনগণের ওপর যে দমন-পীড়ন চালিয়েছে, তার বিচার না হলে এ দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সম্ভব নয়। তাই আমরা আওয়ামী লীগের নিবন্ধন বাতিল এবং দলটির রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যকর নিষিদ্ধের দাবি জানাচ্ছি।”

এনসিপি নেতা শিশির আগামী দিনে আরও বড় আন্দোলনের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, “আমরা আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে গণআন্দোলন গড়ে তুলব। একইসঙ্গে, নতুন সংবিধান প্রণয়ন, সেকেন্ড রিপাবলিক ঘোষণা এবং আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণপরিষদ একই সময়ে অনুষ্ঠানের দাবি জানাচ্ছি।”

বিক্ষোভ মিছিলে হাজারো এনসিপি নেতা-কর্মী ও সমর্থক অংশ নেন। তারা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে অতীতের নিপীড়ন নির্যাতনের নানা অভিযোগ তোলেন। মিছিলটি বাগমারা বাজার থেকে শুরু হয়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।

বিক্ষোভ মিছিলে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় সদস্য: হাফসা জাহান, এনসিপি নেতা ফজলে এলাহি রুবেল বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লা মহানগর কমিটির আহবায়ক আবু রায়হান,বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুমিল্লা মহানগর কমিটির সদস্য সচিব মুহাম্মদ রাশেদুল হাসান, মোস্তফা জিহান, ইয়াছিন আরাফাত, হুমায়ুন কবির, আবুল কাসেম, নোমান আহমেদ, কবির হোসেন, জান্নাতুল ফেরদৌস, ইম্পা ফারহা জান্নাতুল জান্নাত , লুৎফল হাসান রুমি, এসবি জুয়েল, জিসান, মোহাম্মদ মুমিন হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার রাসেল সিদ্দিকী প্রমুখ।

বক্তব্যে এনসিপি নেতা আবু রায়হান জানান, আওয়ামী লীগ সরকারের বিরুদ্ধে তাদের আন্দোলন চলবে। তারা বলেন, “দেশে সুষ্ঠু গণতন্ত্র ফেরাতে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতেই হবে। দলটি বারবার নির্বাচনী কারচুপি করেছে, ভিন্নমত দমন করেছে এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে।”

এনসিপি নেতা মুহাম্মাদ রাশেদুল হাসান বলেন, তারা ভবিষ্যতে বড় পরিসরে কর্মসূচি গ্রহণ করবেন এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে গণজাগরণ সৃষ্টি করবেন।

বিক্ষোভ শেষে এনসিপি নেতারা এক ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন, যেখানে আন্দোলনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।

আওয়ামী লীগ আমলের হত্যাকাণ্ডগুলোর

আওয়ামী লীগ আমলের হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার দেখতে চায় বাংলার মানুষ: জামায়াত আমির

আওয়ামী লীগ আমলের হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার দেখতে চায় বাংলার মানুষ: জামায়াত আমির

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার বাংলার মানুষ দেখতে চায়।

মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত ছাত্রশিবিরের সদস্য সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনা জাতি কখনো ভুলবে না। ফ্যাসিস্ট নেত্রী লগি-বইঠা নিয়ে হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগ আমলে সংঘটিত প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার বাংলার মানুষ দেখতে চায়।”

তিনি আরও বলেন, “শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনর্গঠনের জন্য আমাদের সবাইকে একটি নতুন যুদ্ধে অংশ নিতে হবে। কোনো চাপাতিওয়ালা, চাঁদাবাজ বা টেন্ডারবাজদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকতে দেওয়া যাবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সঠিকভাবে গড়ে তোলা না গেলে জাতি বারবার পথ হারাবে।”

১৫ বছর পর উন্মুক্ত ময়দানে সদস্য সম্মেলন করছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সারা দেশ থেকে আসা সদস্যরা সকালেই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জড়ো হন।

এই সম্মেলনে ২০২৫-২৬ মেয়াদের জন্য ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নির্বাচন এবং সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করবেন সারা দেশ থেকে আসা সদস্যরা।

আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র হত্যা করে

আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র হত্যা করে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল

আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র হত্যা করে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে: মির্জা ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র হত্যা এবং গণহত্যা করে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এ কারণে তারা আজ এখানে উপস্থিত হতে পারেনি।

শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সবসময় আশাবাদী। ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, এবং আমরা তাদের সহযোগিতা করছি। আমরা আশা করি খুব দ্রুত জনগণের ইচ্ছা অনুযায়ী একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে। এর মাধ্যমে জনগণ তাদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচন করার সুযোগ পাবে।

তিনি আরও বলেন, আজ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে বিজয়ের ঠিক আগে, পাক হানাদার বাহিনী বাংলাদেশের বিশিষ্ট সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী, অধ্যাপক, বৈজ্ঞানিক ও সুশীল সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের ধরে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। এই দিনটি আমাদের জন্য শোকের। ১৯৭১ সালে আমরা জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারিয়েছি।

জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে, চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে আমরা আজ শহীদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছি। তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

বিএনপির মহাসচিব আরও বলেন, আজকের এই দিনে আমরা শপথ নিয়েছি, বাংলাদেশের মানুষ ১৯৭১ সালে যে কারণে যুদ্ধ করেছিল—একটি স্বাধীন, গণতান্ত্রিক এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার সেই স্বপ্ন পূরণ করতে। এই যুদ্ধের সূচনা হয়েছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মুক্তিযুদ্ধ ঘোষণার মধ্য দিয়ে।

তিনি বলেন, ৩৬ জুলাই বা ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে বিজয় অর্জনের মাধ্যমে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। আমরা এই সুযোগকে সদ্ব্যবহার করে বাংলাদেশকে একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রূপান্তর করতে চাই। আমাদের লক্ষ্য একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা।

এ সময় বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ড. মঈন খান, ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমিনুল ইসলাম, দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালামসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সদর দক্ষিণে বিএনপি কর্মীদের বিরুদ্ধে আ’লীগের সুবিধাভোগী অরন্ডি কাশেমের মামলা দায়ের

ষ্টাফ  রিপোর্টারঃ
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের বিএনপি’র কমিটি নির্বাচনের সময় বিগত ১৬ বছরের আওয়ামী লীগের কাছ থেকে সুবিধা ভোগী আবুল কাশেম হট্টগোল সৃষ্টি করে উল্টো বিএনপি কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত ২৬ অক্টোবর শনিবার উপজেলার বারপাড়া আমেনা বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

ওই  সময় কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বারপাড়া গ্রামের আবুল কাশেম(অরন্ডি কাশেম) সাংগঠনিক সম্পাদক পদ প্রার্থী রোবেলকে আওয়ামী লীগ বলে হট্টগোল সৃষ্টি করে,  অথচ কাশেম নিজেই গত ১৬ বছর  আওয়ামীলীগ সুবিধা ভোগী কর্মী ছিল। কাশেমের সাথে বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা। এসময় হাতাহতির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে সম্মেলন থেকে তাড়িয়ে দেন কাশেমকে। পরে অরন্ডি কাশেম ক্ষিপ্ত হয়ে বিএনপি নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় এজাহার নামীয় ১০ জন ও অজ্ঞাতনামা আরো ১৫ জনকে আসামি করে একটি  মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনা  সৃষ্টি হয় এলাকাতে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়,বারপাড়া গ্রামের মৃত. আজগর আলীর ছেলে অরন্ডি কাশেম বিগত ১৬ বছর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে ওঠাবসা করে নানান সুবিধা ভোগ করেন। আওয়ামীলীগ দলীয় তকমা ব্যবহার করে প্রভাব খাটিয়ে নিজেকে নানান অপকর্মে জড়িয়ে এলাকার বিভিন্ন মানুষের জায়গা জমি ঘরবাড়ি দখল লুটতরাজসহ নানান অপকর্ম চালিয়েছিল। ওই এলাকায় সে আওয়ামী লীগের লাঠিয়াল হিসেবে বেশ পরিচিত। আওয়ামীলীগ নেতাদের গুপ্তচর হিসেবে বিএনপির বিভিন্ন মিটিংয়ে অংশ গ্রহণ করে সেখানকার খবর পৌছে দিতেন আওয়ামীলীগ নেতাদের কাছে। এছাড়াও মিটিং গুলাতে এলাকার কে কে অংশ নেয় তার লিস্ট পৌছে দিতো স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছে। ফলে বিভিন্ন হুমকি-ধমকির সম্মুখীন হতো  স্থানীয় বিএনপির কর্মীরা। আওয়ামী লীগের লোকদের সাথে মিলিত হয়ে বিভিন্ন নির্বাচনে কেন্দ্র দখল ও ভোট চুরিতে সবার আগে থাকতেন কাশেম। ২০২১ সালের ৩০শে জানুয়ারী বরুড়া পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পক্ষ হয়ে বরুড়া কেন্দ্র দখল করতে গিয়ে বরুড়া উপজেলা বিএনপি নেতাদের ধাওয়া খান  এ কাশেম।

২০১৯ সালে রতনপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নানের বড় ছেলে জাহাঙ্গীর আলমের সাথে পার্শ্ববর্তী বাড়ির আওয়ামীলীগ কর্মী খলিল গং এর দীর্ঘদিন জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ ঘটনায় খলিলের  পক্ষে জাহাঙ্গীরের জায়গা দখলের উদ্দেশ্য তার বাড়িঘর হামলা করে ভাঙচুর করে বাড়ি ঘর লুটপাট করে। এ সময় জাহাঙ্গীরকে পিটিয়ে আহত করে । এ ঘটনায় অরন্ডি কাশেমসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন লোকদের বিরুদ্ধে ১২ নভেম্বর  জাহাঙ্গীরের স্ত্রী নাসিমা বেগম  সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।  মামলা নাম্বার জি আর ৫২৫/১৯। তার বিরুদ্ধের এ মামলাটি এখনো চলমান রয়েছে।

এছাড়াও জাহাঙ্গীরের সাথে জমি বিরোধের শত্রুতার জেরে জাহাঙ্গীরের ছোট ভাই আব্দুল লতিফকে কাশেম ও আওয়ামী লীগের অন্যান্য লোকজন মিলে খলিলের পক্ষ হয়ে মারধর করে। এ ঘটনায় ৪ অক্টোবর আব্দুল লতিফের স্ত্রী মোহসেনা বেগম কাশেম ও আওয়ামী লীগের লোকদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন । মামলার নাম্বার জি আর ৪৭১/১৯। কাশেমের এ মামলাটিও এখনো চলমান।

২০১২ সালে হরশপুর গ্রামের বিল্লালের পুত্র আবুল হোসেন গংদের সাথে পার্শ্ববর্তী বাড়ির আলী আক্কাছের জমি নিয়ে বিরোধে আলী আক্কাসের পক্ষ নিয়ে কাশেম আওয়ামী লীগের লোকদের সাথে নিয়ে বিল্লালের জমির দখল দিতে গেলে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায়  আবুল হোসেন বাদী হয়ে অরন্ডি কাশেম সহ অন্যদের বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি মামলা করেছিলেন। ঘটনাটি পুরো এলাকায় ব্যাপক চঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছিল।

২০১৪ সালে রতনপুর গ্রামের মরহুম নুরুল ইসলামের সাথে ধর্মপুর গ্রামের জহির গংদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে দীর্ঘদিনের। নূরুল ইসলামের বাড়িতে বসতের সাথের ঘাস জমি দখল করতে আওয়ামী লীগ নেতাদের পক্ষে আসেন এ কাশেম।  এসময় দু পক্ষের সংঘর্ষ হয় সংঘর্ষে নুরুল ইসলামের মাথা ফাটিয়ে তাদের জমি দখলে নেয় কাশেম সহ আওয়ামীলীগের লোকেরা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় আলোড়ন সৃষ্টি হয় পত্রপত্রিকা ও মিডিয়ায়। পরে নুরুল ইসলাম এর স্ত্রী ছালেহা বেগম বাদী হয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় কাশেম ও আওয়ামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

২০১৩ সালে রতনপুর গ্রামের মিজানুর রহমান গংদের সাথে তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা খলিল গংদের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধে কাশেম ও আওয়ামী লীগের অন্যান্য লোকজন মিজান গংদের জমি দখল দিতে গেলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এ ঘটনায় ২২/০১/২০১৩ তারিখে মিজানুর রহমান বাদী হয়ে কাশেমসহ অন্যান্য আওয়ামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন, মামলা নাম্বার ৩৯/১৩।

এছাড়াও ২০১৮ সালে বারপাড়া গ্রামের হিন্দুপাড়ার সুভাষ গং এর সাথে পার্শ্ববর্তী বাড়ির দীনেশ গং এর বসতের জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিলো।এ ঝামেলায় কাশেম সুবিধা নিতে আওয়ামিলীগ নেতাদের সাথে নিয়ে দীনেশের পক্ষে বার বার জমি দখল করতে যায়।এক পর্যায়ে দীনেশকে ট্যাপে পেলে যায়গা দখলে নিয়ে জমির মালিক বানিয়ে দিবে আশ্বস্ত করে আওয়ামীলীগের দলীয় পাওয়ারের প্রভাব খাটিয়ে ঐ জমির পাওয়ার দলীল নিয়ে নেয় কাশেম ও আওয়ামীলীগ নেতা জাহাঙ্গীর। পাওয়ার দলীর নাম্বার ৩৯৭৮। পাওয়ার দলীল নেয়ার পরে জমি সহজে দখলের জন্য সুবাস গংদের হয়রানী করার উদ্দেশ্যে কাশেমের স্ত্রীকে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ এনে কাশেম বাদী হয়ে কুমিল্লা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৯ নং আমলি আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন মামলা নাম্বার ৩৭৩/১৮।এ মামলায় সুবাস সহ একাধিক বিএনপি কর্মীকে হয়রানী করা হয়।

পরে সদর দক্ষিণ  উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সরওয়ার ও স্হানীয় লোকদের মাধ্যমে শালিশ মিমাংসা করা হয়। শালিশে এ জমির মালিক সুবাস গং সাব্যস্ত হয়। এছাড়াও কাশেমের বিরুদ্ধে আরো অনেক মামলা ও অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে।গত ২১শে মে২০২৪ কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন ইন্জিনিয়ার রিপন। সে নির্বাচনের কেন্দ্র খরচের ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এলাকায় গত ১৬ বছর আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে থেকে সুবিধাভোগী এ কাশেম এত অপকর্মের পরেও কিভাবে বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে ওঠাবসা করে?নিজ দলীয় লোকের টাকা আত্মসাৎ করা কাশেমকে ওয়ার্ড সমন্বয়কের দায়িত্ব কি ভাবে দেয়া হয়? এছাড়া হঠাৎ করে বিএনপিতে এসে নেতা দাবী করলেই কি ১৬ বছরের অপকর্মের পাপ মোচন হয়ে যাবে এমন প্রশ্ন এলাকার সকলের মুখে।

০৫ আগষ্ট সরকার পতনের পর থেকে সাদা পাঞ্জাবি পরে নিজে বিএনপির ত্যাগি নেতা দাবী করে ওঠা বসা শুরু করেন বিএনপি নেতাদের সাথে। স্কুলের গণ্ডি পার হতে না পারা কাশেম সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে দখলের চেষ্টা করেন এলাকার গ্রাম্য সালিশের বিচারের আসন অথচ তার বিরুদ্ধেই শত অন্যায় ও জমি দখলের অভিযোগ। কেন্দ্রীয় ভাবে ঘোষণা  অনুযায়ী আওয়ামীলীগে যোগ দেয়া দলের ক্ষতি করা কোন লোক আপাতত বিএনপিতে আসার কোন অনুমতি না থাকা সত্বেও কিভাবে সে রং বদলিয়ে বিএনপিতে আসে সে প্রশ্ন এলকাবাসীর মুখে মুখে। এছাড়াও তার এসব অতীত ভূলে বিএনপি নেতারা তাকে সাথে নিয়ে অনুস্ঠানের মঞ্চে বসার কারনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেতা কর্মীরা।তারা মনে করেন এমন ব্যাক্তিরা দলে বিষফোঁড়া।

এছাড়া রতনপুর গ্রামের ফরিদ উদ্দিন বলেন, এ অরন্ডি কাশেম একজন ক্রিমিনার প্রকৃতির লোক সে গত ১৬ বছর আওয়ামিলীগ নেতাদের সাথে থেকে এলাকার লোকদের জ্বালাইছে আওয়ামী লীগের পক্ষ হয়ে বিএনপির অনেক কর্মীর জমি দখল করেছে এখন বোল বদলে নিজেকে বিএনপির নেতা দাবী করে বিএনপিতে এসে এলাকার বিএনপির রাজনৈনিক পরিবেশ নষ্ট করতেছে। আমি একটি সংবাদ সম্মেলনে তার ক্রিমিনালীর একটা প্রতিবাদ করেছি।গত ২৫ অক্টোবর বারপাড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের কমিটি নির্বাচনের সময় সে অন্যায় ভাবে হাত তোলে আমার প্রতিপক্ষ রুহুল আমিন কে সমর্থন করেছে অথচ সে ৯নং ওয়ান্ডের লোক।এলাকার রাজনৈনিক পরিবেশ তার জন্য নষ্ট হচ্ছে তার জন্য আর তাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে রতনপুর এলাকার বিএনপির কিছু লোক।তাদের আশ্রয় ও প্রশ্রয়ে কাশেম এলকার বিএনপির এ নেতাতের সাথে রেখে অতীতের সকল কর্মকান্ড আবার ও চালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছি।তা না হলে তার সম্পর্কে সবকিছু জেনেও তারা কেন এ ক্রিমিনাল কে আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে একই মঞ্চে বসে?এবং তাদের সাথে রেখে বিএনপির রাজনীতিতে এনে এলাকার রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট করার সুযোগ করে দেয়? যার প্রমান স্বরুপ বলতে চাই সে দিন বারপাড়া স্কুলে যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটা বিএনপির ইউনিয়ন ও থানা পর্যায়ের নেতাদের সামনে ঘটেছে। বিষয়টা সমাধান না করে মামলা পর্যন্ত গড়ায়।কাশেম আওয়ামীলীগের চামচা হয়ে মামলা করার সাহস পায় কোথায়? এলাকার রাজনৈতিক পরিবেশ ধ্বংস করতে এমন একজন কাশেম যথেষ্ট। দ্রুত এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নিলে খারাপ যে কোন পরিস্হিতির দায়ভার নেতৃবৃন্দের নিতে হবে।

এসব বিষয়ে কাশেমকে  মুঠোফোনে  জিজ্ঞাসা করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর আর কথা বলতে রাজি হননি।