Tag Archives: মামলা

কুবি ছাত্রলীগ নেতা খালেদ হত্যা: ৯ বছরেও বিচার পায়নি পরিবার

কুবি ছাত্রলীগ নেতা খালেদ হত্যা: ৯ বছরেও বিচার পায়নি পরিবার

 

কুবি প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী ও কাজী নজরুল ইসলাম হল ছাত্রলীগের তৎকালীন সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহ ২০১৬ সালের ১ আগস্ট কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের অন্তর্কোন্দলে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। খালেদ হত্যার ৯ বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো বিচার পায়নি তার পরিবার।

জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের পরদিন ২০১৬ সালের ২ আগস্ট বাদী হয়ে মামলা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা ছাদেক হোসেন মজুমদার। ওই দিনই ছাত্রলীগের তৎকালীন সহসভাপতি রূপম দেবনাথ, যুগ্ম সম্পাদক রেজাউল ইসলাম, ইংরেজি বিভাগের জাহিদুল আলম জুয়েল, লোকপ্রশাসন বিভাগের আবু বকর সিদ্দিক, সুদীপ্ত নাথ ও নৃবিজ্ঞান বিভাগের স্বজন বরণ বিশ্বাসকে আটক করা হয়। তিন দিন পর রাজধানী থেকে আটক করা হয় মার্কেটিং বিভাগের বিপ্লব চন্দ্র দাসকে। আটকের পর আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন তিনি। তবে বর্তমানে তারা সবাই জামিনে রয়েছেন।

প্রথমে মামলার তদন্ত করেন জেলা গোয়েন্দা সংস্থা (ডিবি)। সংস্থাটি নয়জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়। তবে চার্জশিটে নারাজি দেন খালেদ সাইফুল্লাহর মা ফাতেমা আক্তার। দ্বিতীয় দফায় তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআই। আবারও তিনি নারাজি দেন ওই চার্জশিটে। তৃতীয় দফায় মামলাটি পিবিআই থেকে সিআইডিতে যায় এবং সর্বশেষ মামলাটি কুমিল্লা পুলিশ সুপারের কাছে রয়েছে।

খালেদ সাইফুল্লাহর মা ফাতেমা বেগমের সঙ্গে কথা বলার এক প্রসঙ্গে তিনি জানান, ছাত্রলীগের আমলে আমার ছেলের হত্যাকাণ্ডের বিচার করা তো দূরের কথা, উল্টো তৎকালীন প্রশাসন আসামিদের চাকরি দিয়েছে। তাদের বিচার না হওয়ার জন্য আগে আসামিদের পক্ষে ছাত্রলীগের নেতারা গিয়ে সুপারিশ করতো। এখন অর্থ লেনদেন করে ছাত্রলীগের আসামিদের পক্ষে ছাত্রদলের নেতারা সুপারিশ করে।

ছাত্রদলের কারা সুপারিশ করে- এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভর কথা জানান।

তিনি আরও জানান, শুভ আসামিদের পক্ষে সুপারিশ করতে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গিয়েছে। কেন গেছে, জানার জন্য আমি একাধিকবার শুভর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি, কিন্তু সে আমার কোনো ফোনকল রিসিভ করেনি। পুলিশ সুপারের কার্যালয় থেকে আমাকে জানানো হয়েছে, শুভ আসামিদের নির্দোষ দাবি করে তাদের পক্ষে সুপারিশ করতে এসেছে।

তবে হত্যা মামলায় জড়িত ছাত্রলীগের আসামিদের পক্ষে সুপারিশ করার বিষয়টি শাখা ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোস্তাফিজুর রহমান শুভ অস্বীকার করেন।

সদস্য সচিবের সুপারিশের বিষয়ে জানতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কল দেওয়া হলে প্রথমে তিনি কেটে দিয়ে পরে আর কল রিসিভ করেননি।

এ বিষয়ে জতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে দুইজনই প্রতিবেদকের কল কেটে দেন।

মামলার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে মামলার বাদী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা ছাদেক হোসেন মজুমদার বলেন, মামলার তদন্তের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কুমিল্লা সদরকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মামলাটির তদন্ত এখনও চলমান রয়েছে। খালেদ সাইফুল্লাহর মায়ের নারাজির জন্য মামলার তদন্ত বারবার পিছিয়ে গেছে। মামলা দ্রুত এগিয়ে নেওয়ার জন্য আমরা নিয়মিত আদালতে যাচ্ছি ও মামলার খোঁজখবর নিচ্ছি।

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাইফুল মালিক বলেন, এটি একটি রাজনৈতিক মামলা। গত বছরের জানুয়ারিতে তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে কাজ চলছে। মামলার অগ্রগতি জানতে চাইলে তিনি বলেন, না দেখে কিছু বলা সম্ভব নয়। চার্জশিট থেকে কোনো আসামির নাম বাদ দেওয়ার জন্য রাজনৈতিক নেতারা সুপারিশ করছে কি না জানতে চাইলে তিনি জানান, এ ধরনের কোনো সুযোগ নেই। তবে তদন্ত কতদিন লাগবে জানতে চাইলে ব্যস্ততা দেখিয়ে কল কেটে দেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. হায়দার আলী বলেন, আমাদের আইনজীবী নিয়োগ দেওয়া আছে। তারা মামলা পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছেন। আমরা নিয়মিত আইনজীবীদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করছি।

সদর দক্ষিণে বিএনপি কর্মীদের বিরুদ্ধে আ’লীগের সুবিধাভোগী অরন্ডি কাশেমের মামলা দায়ের

ষ্টাফ  রিপোর্টারঃ
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বারপাড়া ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের বিএনপি’র কমিটি নির্বাচনের সময় বিগত ১৬ বছরের আওয়ামী লীগের কাছ থেকে সুবিধা ভোগী আবুল কাশেম হট্টগোল সৃষ্টি করে উল্টো বিএনপি কর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করে হয়রানি করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত ২৬ অক্টোবর শনিবার উপজেলার বারপাড়া আমেনা বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯ নং ওয়ার্ডের বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

ওই  সময় কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বারপাড়া গ্রামের আবুল কাশেম(অরন্ডি কাশেম) সাংগঠনিক সম্পাদক পদ প্রার্থী রোবেলকে আওয়ামী লীগ বলে হট্টগোল সৃষ্টি করে,  অথচ কাশেম নিজেই গত ১৬ বছর  আওয়ামীলীগ সুবিধা ভোগী কর্মী ছিল। কাশেমের সাথে বাক বিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা। এসময় হাতাহতির ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিতে সম্মেলন থেকে তাড়িয়ে দেন কাশেমকে। পরে অরন্ডি কাশেম ক্ষিপ্ত হয়ে বিএনপি নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় এজাহার নামীয় ১০ জন ও অজ্ঞাতনামা আরো ১৫ জনকে আসামি করে একটি  মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় ব্যাপক সমালোচনা  সৃষ্টি হয় এলাকাতে।

স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়,বারপাড়া গ্রামের মৃত. আজগর আলীর ছেলে অরন্ডি কাশেম বিগত ১৬ বছর আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় আওয়ামী লীগের নেতাদের সাথে ওঠাবসা করে নানান সুবিধা ভোগ করেন। আওয়ামীলীগ দলীয় তকমা ব্যবহার করে প্রভাব খাটিয়ে নিজেকে নানান অপকর্মে জড়িয়ে এলাকার বিভিন্ন মানুষের জায়গা জমি ঘরবাড়ি দখল লুটতরাজসহ নানান অপকর্ম চালিয়েছিল। ওই এলাকায় সে আওয়ামী লীগের লাঠিয়াল হিসেবে বেশ পরিচিত। আওয়ামীলীগ নেতাদের গুপ্তচর হিসেবে বিএনপির বিভিন্ন মিটিংয়ে অংশ গ্রহণ করে সেখানকার খবর পৌছে দিতেন আওয়ামীলীগ নেতাদের কাছে। এছাড়াও মিটিং গুলাতে এলাকার কে কে অংশ নেয় তার লিস্ট পৌছে দিতো স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছে। ফলে বিভিন্ন হুমকি-ধমকির সম্মুখীন হতো  স্থানীয় বিএনপির কর্মীরা। আওয়ামী লীগের লোকদের সাথে মিলিত হয়ে বিভিন্ন নির্বাচনে কেন্দ্র দখল ও ভোট চুরিতে সবার আগে থাকতেন কাশেম। ২০২১ সালের ৩০শে জানুয়ারী বরুড়া পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পক্ষ হয়ে বরুড়া কেন্দ্র দখল করতে গিয়ে বরুড়া উপজেলা বিএনপি নেতাদের ধাওয়া খান  এ কাশেম।

২০১৯ সালে রতনপুর গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নানের বড় ছেলে জাহাঙ্গীর আলমের সাথে পার্শ্ববর্তী বাড়ির আওয়ামীলীগ কর্মী খলিল গং এর দীর্ঘদিন জমি জমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এ ঘটনায় খলিলের  পক্ষে জাহাঙ্গীরের জায়গা দখলের উদ্দেশ্য তার বাড়িঘর হামলা করে ভাঙচুর করে বাড়ি ঘর লুটপাট করে। এ সময় জাহাঙ্গীরকে পিটিয়ে আহত করে । এ ঘটনায় অরন্ডি কাশেমসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন লোকদের বিরুদ্ধে ১২ নভেম্বর  জাহাঙ্গীরের স্ত্রী নাসিমা বেগম  সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।  মামলা নাম্বার জি আর ৫২৫/১৯। তার বিরুদ্ধের এ মামলাটি এখনো চলমান রয়েছে।

এছাড়াও জাহাঙ্গীরের সাথে জমি বিরোধের শত্রুতার জেরে জাহাঙ্গীরের ছোট ভাই আব্দুল লতিফকে কাশেম ও আওয়ামী লীগের অন্যান্য লোকজন মিলে খলিলের পক্ষ হয়ে মারধর করে। এ ঘটনায় ৪ অক্টোবর আব্দুল লতিফের স্ত্রী মোহসেনা বেগম কাশেম ও আওয়ামী লীগের লোকদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন । মামলার নাম্বার জি আর ৪৭১/১৯। কাশেমের এ মামলাটিও এখনো চলমান।

২০১২ সালে হরশপুর গ্রামের বিল্লালের পুত্র আবুল হোসেন গংদের সাথে পার্শ্ববর্তী বাড়ির আলী আক্কাছের জমি নিয়ে বিরোধে আলী আক্কাসের পক্ষ নিয়ে কাশেম আওয়ামী লীগের লোকদের সাথে নিয়ে বিল্লালের জমির দখল দিতে গেলে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনায়  আবুল হোসেন বাদী হয়ে অরন্ডি কাশেম সহ অন্যদের বিরুদ্ধে সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি মামলা করেছিলেন। ঘটনাটি পুরো এলাকায় ব্যাপক চঞ্চলের সৃষ্টি হয়েছিল।

২০১৪ সালে রতনপুর গ্রামের মরহুম নুরুল ইসলামের সাথে ধর্মপুর গ্রামের জহির গংদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলে দীর্ঘদিনের। নূরুল ইসলামের বাড়িতে বসতের সাথের ঘাস জমি দখল করতে আওয়ামী লীগ নেতাদের পক্ষে আসেন এ কাশেম।  এসময় দু পক্ষের সংঘর্ষ হয় সংঘর্ষে নুরুল ইসলামের মাথা ফাটিয়ে তাদের জমি দখলে নেয় কাশেম সহ আওয়ামীলীগের লোকেরা। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় আলোড়ন সৃষ্টি হয় পত্রপত্রিকা ও মিডিয়ায়। পরে নুরুল ইসলাম এর স্ত্রী ছালেহা বেগম বাদী হয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় কাশেম ও আওয়ামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

২০১৩ সালে রতনপুর গ্রামের মিজানুর রহমান গংদের সাথে তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা খলিল গংদের সাথে জমি সংক্রান্ত বিরোধে কাশেম ও আওয়ামী লীগের অন্যান্য লোকজন মিজান গংদের জমি দখল দিতে গেলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এ ঘটনায় ২২/০১/২০১৩ তারিখে মিজানুর রহমান বাদী হয়ে কাশেমসহ অন্যান্য আওয়ামীলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন, মামলা নাম্বার ৩৯/১৩।

এছাড়াও ২০১৮ সালে বারপাড়া গ্রামের হিন্দুপাড়ার সুভাষ গং এর সাথে পার্শ্ববর্তী বাড়ির দীনেশ গং এর বসতের জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিলো।এ ঝামেলায় কাশেম সুবিধা নিতে আওয়ামিলীগ নেতাদের সাথে নিয়ে দীনেশের পক্ষে বার বার জমি দখল করতে যায়।এক পর্যায়ে দীনেশকে ট্যাপে পেলে যায়গা দখলে নিয়ে জমির মালিক বানিয়ে দিবে আশ্বস্ত করে আওয়ামীলীগের দলীয় পাওয়ারের প্রভাব খাটিয়ে ঐ জমির পাওয়ার দলীল নিয়ে নেয় কাশেম ও আওয়ামীলীগ নেতা জাহাঙ্গীর। পাওয়ার দলীর নাম্বার ৩৯৭৮। পাওয়ার দলীল নেয়ার পরে জমি সহজে দখলের জন্য সুবাস গংদের হয়রানী করার উদ্দেশ্যে কাশেমের স্ত্রীকে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ এনে কাশেম বাদী হয়ে কুমিল্লা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৯ নং আমলি আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন মামলা নাম্বার ৩৭৩/১৮।এ মামলায় সুবাস সহ একাধিক বিএনপি কর্মীকে হয়রানী করা হয়।

পরে সদর দক্ষিণ  উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সরওয়ার ও স্হানীয় লোকদের মাধ্যমে শালিশ মিমাংসা করা হয়। শালিশে এ জমির মালিক সুবাস গং সাব্যস্ত হয়। এছাড়াও কাশেমের বিরুদ্ধে আরো অনেক মামলা ও অপকর্মের অভিযোগ রয়েছে।গত ২১শে মে২০২৪ কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আনারস প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন ইন্জিনিয়ার রিপন। সে নির্বাচনের কেন্দ্র খরচের ৫০ হাজার টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

এলাকায় গত ১৬ বছর আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে থেকে সুবিধাভোগী এ কাশেম এত অপকর্মের পরেও কিভাবে বিএনপি নেতাকর্মীদের সাথে ওঠাবসা করে?নিজ দলীয় লোকের টাকা আত্মসাৎ করা কাশেমকে ওয়ার্ড সমন্বয়কের দায়িত্ব কি ভাবে দেয়া হয়? এছাড়া হঠাৎ করে বিএনপিতে এসে নেতা দাবী করলেই কি ১৬ বছরের অপকর্মের পাপ মোচন হয়ে যাবে এমন প্রশ্ন এলাকার সকলের মুখে।

০৫ আগষ্ট সরকার পতনের পর থেকে সাদা পাঞ্জাবি পরে নিজে বিএনপির ত্যাগি নেতা দাবী করে ওঠা বসা শুরু করেন বিএনপি নেতাদের সাথে। স্কুলের গণ্ডি পার হতে না পারা কাশেম সময় পরিবর্তনের সাথে সাথে দখলের চেষ্টা করেন এলাকার গ্রাম্য সালিশের বিচারের আসন অথচ তার বিরুদ্ধেই শত অন্যায় ও জমি দখলের অভিযোগ। কেন্দ্রীয় ভাবে ঘোষণা  অনুযায়ী আওয়ামীলীগে যোগ দেয়া দলের ক্ষতি করা কোন লোক আপাতত বিএনপিতে আসার কোন অনুমতি না থাকা সত্বেও কিভাবে সে রং বদলিয়ে বিএনপিতে আসে সে প্রশ্ন এলকাবাসীর মুখে মুখে। এছাড়াও তার এসব অতীত ভূলে বিএনপি নেতারা তাকে সাথে নিয়ে অনুস্ঠানের মঞ্চে বসার কারনে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নেতা কর্মীরা।তারা মনে করেন এমন ব্যাক্তিরা দলে বিষফোঁড়া।

এছাড়া রতনপুর গ্রামের ফরিদ উদ্দিন বলেন, এ অরন্ডি কাশেম একজন ক্রিমিনার প্রকৃতির লোক সে গত ১৬ বছর আওয়ামিলীগ নেতাদের সাথে থেকে এলাকার লোকদের জ্বালাইছে আওয়ামী লীগের পক্ষ হয়ে বিএনপির অনেক কর্মীর জমি দখল করেছে এখন বোল বদলে নিজেকে বিএনপির নেতা দাবী করে বিএনপিতে এসে এলাকার বিএনপির রাজনৈনিক পরিবেশ নষ্ট করতেছে। আমি একটি সংবাদ সম্মেলনে তার ক্রিমিনালীর একটা প্রতিবাদ করেছি।গত ২৫ অক্টোবর বারপাড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের কমিটি নির্বাচনের সময় সে অন্যায় ভাবে হাত তোলে আমার প্রতিপক্ষ রুহুল আমিন কে সমর্থন করেছে অথচ সে ৯নং ওয়ান্ডের লোক।এলাকার রাজনৈনিক পরিবেশ তার জন্য নষ্ট হচ্ছে তার জন্য আর তাকে প্রশ্রয় দিচ্ছে রতনপুর এলাকার বিএনপির কিছু লোক।তাদের আশ্রয় ও প্রশ্রয়ে কাশেম এলকার বিএনপির এ নেতাতের সাথে রেখে অতীতের সকল কর্মকান্ড আবার ও চালিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছি।তা না হলে তার সম্পর্কে সবকিছু জেনেও তারা কেন এ ক্রিমিনাল কে আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে একই মঞ্চে বসে?এবং তাদের সাথে রেখে বিএনপির রাজনীতিতে এনে এলাকার রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট করার সুযোগ করে দেয়? যার প্রমান স্বরুপ বলতে চাই সে দিন বারপাড়া স্কুলে যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটা বিএনপির ইউনিয়ন ও থানা পর্যায়ের নেতাদের সামনে ঘটেছে। বিষয়টা সমাধান না করে মামলা পর্যন্ত গড়ায়।কাশেম আওয়ামীলীগের চামচা হয়ে মামলা করার সাহস পায় কোথায়? এলাকার রাজনৈতিক পরিবেশ ধ্বংস করতে এমন একজন কাশেম যথেষ্ট। দ্রুত এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নিলে খারাপ যে কোন পরিস্হিতির দায়ভার নেতৃবৃন্দের নিতে হবে।

এসব বিষয়ে কাশেমকে  মুঠোফোনে  জিজ্ঞাসা করা হলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর আর কথা বলতে রাজি হননি।

সচিবালয়ে আটক শিক্ষার্থীদের মধ্যে

সচিবালয়ে আটক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সচিবালয়ে আটক শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট:

রাজধানী ঢাকায় সচিবালয়ে ঢুকে ‘বৈষম্যহীন’ ফল প্রকাশের দাবিতে বিক্ষোভ করার সময় পুলিশ ৫৪ জন শিক্ষার্থীকে আটক করেছে। তাদের মধ্যে ২৮ জনকে মুচলেকার মাধ্যমে মুক্তি দেওয়া হয়েছে, বাকি ২৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বিক্ষোভকারী ৫৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ২৮ জনকে মুচলেকার মাধ্যমে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকিদের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল পুনরায় প্রকাশের দাবিতে শতাধিক শিক্ষার্থী সচিবালয়ে প্রবেশ করে। গত বুধবার পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে তারা সচিবালয়ে ঢুকে পড়ে।

কুমিল্লার সাবেক এমপি বাহারসহ

কুমিল্লার সাবেক এমপি বাহারসহ ৯৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

কুমিল্লার সাবেক এমপি বাহারসহ ৯৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

শাহ ইমরান:

কুমিল্লায় আওয়ামী লীগের দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় সাবেক এমপি বাহা উদ্দিন বাহার, তার মেয়ে সূচনাসহ মোট ৯৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের মধ্যে মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগ নেতা, সাবেক কাউন্সিলর এবং আওয়ামীলীগের অন্যন্যরা রয়েছেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, অভিযুক্তরা আন্দোলনকারী ছাত্র জনতার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। মামলায় দাবি করেন, ৭, ৮ এবং ৩৬ নম্বর (আশিকুর রহমান জুয়েল, বাহার রেজা এবং রাজু) আসামিরা তাকে লক্ষ্য করে আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি করে। যার ফলে তিনি মাথা, পেট ও হাতে গুরুতর আহত হন। এছাড়া, ২১, ২২ ও ৩১ নম্বর (গোলাম সরওয়ার শিপন,নাইমুল হক হিমেল ও হেলাল) আসামিরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাকে আঘাত করেন এবং অন্য আসামিরা লাঠি, ইট ও পাটকেল নিক্ষেপ করে।

এ ঘটনায় কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকার রাজনৈতিক নেতা, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্তরা দেশীয় অস্ত্রসহ আন্দোলনকারী ছাত্র জনতার ওপর আক্রমণ চালিয়ে বেশ কয়েকজনকে গুরুতর আহত করেন। মামলার বাদী আরো উল্লেখ করেন, অভিযুক্তরা তাকে এবং অন্যান্য আন্দোলনকারীকে প্রাণনাশের হুমকিও দিয়েছেন।

মাশরাফি বিন মোর্ত্তজার

মাশরাফি বিন মোর্ত্তজার বিরুদ্ধে মামলা

মাশরাফি বিন মোর্ত্তজার বিরুদ্ধে মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) দল সিলেট স্ট্রাইকার্সের শেয়ার জোরপূর্বক দখলের অভিযোগে মাশরাফি বিন মোর্ত্তজার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। এই মামলা দায়ের করেছেন যুক্তরাষ্ট্রপ্রবাসী সারোয়ার গোলাম চৌধুরী, যিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) থেকে সিলেট ফ্র্যাঞ্চাইজির স্বত্ব কেনার সময় ফ্র্যাঞ্চাইজিটির চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন।

সারোয়ারের অভিযোগ, ২০২৩ সালে মাশরাফি ও তার সহযোগীরা মিলে ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকার শেয়ার জোরপূর্বক দখল করেন। শেয়ারের বিনিময়ে কোন অর্থ প্রদান না করেই তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।

মাশরাফির সঙ্গে সারোয়ারের পরিচয় হয় মামলার দুই নম্বর আসামি হেলাল বিন ইউসুফের মাধ্যমে। সারোয়ার যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমন্ত্রণ পেয়ে বিপিএলে দল কেনার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এরপর তিনি ‘ফিউচার স্পোর্টস বাংলাদেশ লিমিটেড’ নামে একটি কোম্পানি নিবন্ধন করেন, যেখানে তিনি ৬০ শতাংশ শেয়ারের মালিক এবং চেয়ারম্যান ছিলেন। বাকি ৪০ শতাংশ শেয়ারের মালিক এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন মামলার তিন নম্বর আসামি ইমাম হাসান, যাকে মাশরাফির বন্ধু হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়েছিল।

২০২২ সালে ‘ফিউচার স্পোর্টস বাংলাদেশ লিমিটেড’ বিসিবি থেকে তিন বছরের জন্য সিলেট স্ট্রাইকার্সের স্বত্ব লাভ করে। ২০২৩ সালে মাশরাফির নেতৃত্বে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজিটি অসাধারণ পারফরম্যান্স করে এবং বিপিএলের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।

তবে বিপিএল শেষ হওয়ার পরই ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। সারোয়ারের অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৩ সালের আগস্টে মাশরাফির কার্যালয়ে ডেকে তাকে ভয় দেখিয়ে তার ৪ লাখ ৫০ হাজার শেয়ার অন্যদের নামে হস্তান্তর করা হয়। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ছিল ১০০ টাকা। এর আগে সারোয়ার নিজের ১৫ শতাংশ শেয়ার ১.৫ কোটি টাকায় টাইটেল স্পন্সর ‘এক্স সিরামিক্স’-এর কাছে বিক্রি করেছিলেন।

সারোয়ার আরও অভিযোগ করেন, তাকে ভয় দেখানোর জন্য ১০-১৫ জন যুবক এনে তাকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। সেখানে মাশরাফি ও হেলাল বিন ইউসুফ অস্ত্র দেখিয়ে তাকে ভয় দেখান। এমনকি তার পরিবারকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় এবং ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের প্রভাবের কথাও বলা হয়। এই পরিস্থিতিতে তিনি প্রাণের ভয়ে দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হন।

তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যা

তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যা: হল প্রভোস্টসহ ১৫ জনের নামে মামলা

তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যা: হল প্রভোস্টসহ ১৫ জনের নামে মামলা

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলে সন্দেহভাজন চোর হিসেবে গণপিটুনিতে তোফাজ্জলকে হত্যার অভিযোগে ফজলুল হক মুসলিম হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক শাহ মুহাম্মদ মাসুমসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আক্তারুজ্জামানের আদালতে তোফাজ্জলের ফুফাতো বোন মোসা. আসমা আক্তার এই মামলার আবেদন করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার জন্য শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেছে এবং বাদীপক্ষকে ওই মামলা অনুসরণ করার নির্দেশ দেন।

মামলায় অন্যান্য আসামিরা হলেন: জালাল মিয়া, সুমন মিয়া, ফিরোজ কবির, আবদুস সামাদ, মোত্তাকিন সাকিন শাহ, আল হোসাইন সাজ্জাদ, ওয়াজিবুল আলম, আহসান উল্লাহ, ফজলে রাব্বি, ইয়ামুস জামান, রাশেদ কামাল অনিক, শাহরিয়ার কবির শোভন, মেহেদী হাসান ইমরান এবং মো. সুলতান। তারা সবাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা পৌনে ৮টার দিকে একজন যুবক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক মুসলিম হলের গেটে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন। এ সময় কিছু ছাত্র তাকে আটক করে এবং প্রথমে ফজলুল হক মুসলিম হলের মূল ভবনের গেস্ট রুমে নিয়ে গিয়ে মোবাইল চুরি করার অভিযোগে তাকে অমানবিকভাবে মারধর করে। তাকে জিজ্ঞাসা করলে সে জানায় তার নাম তোফাজ্জল। পরে তাকে মানসিক রোগী বলে বুঝে ফেলে এবং ফজলুল হক মুসলিম হলের ক্যান্টিনে নিয়ে খাবার খাওয়ানো হয়। এরপর তাকে দক্ষিণ ভবনের গেস্ট রুমে নিয়ে জানালার সঙ্গে পিছনে হাত বেঁধে কিছু ছাত্র স্ট্যাম্প, হকিস্টিক ও লাঠি দিয়ে বেধরক মারধর করে, ফলে সে অচেতন হয়ে পড়ে।

এ ঘটনার পর কিছু আবাসিক শিক্ষককে জানানো হলে তারা সহায়তা করেন এবং অচেতন যুবককে মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দিবাগত রাত পৌনে ১টার সময় তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তোফাজ্জলের বাড়ি বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার কাঁঠালতলী ইউনিয়নে। এই ঘটনার পরদিন ১৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে শাহবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের সুপারভাইজার মোহাম্মদ আমানুল্লাহ। পরে পুলিশ ৬ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করে, যারা আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছে এবং বর্তমানে কারাগারে রয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া ৬ শিক্ষার্থী হলেন: জালাল মিয়া, সুমন মিয়া, মো. মোত্তাকিন সাকিন, আল হোসেন সাজ্জাদ, আহসান উল্লাহ ও ওয়াজিবুল আলম।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও তিন প্রক্টরের বিরুদ্ধে মামলা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও তিন প্রক্টরের বিরুদ্ধে মামলা

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) সদ্য সাবেক উপাচার্য ড. এ এফ এম আব্দুল মঈন, তিনজন প্রক্টর, কিছু শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ছাত্রলীগের নেতাসহ মোট ৩৫ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলাটি করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক শাখাওয়াত হোসেন। এ বিষয়ে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বৃহস্পতিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছেন।

মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সদ্য সাবেক প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী, আবু উবাইদা রাহিদ, সহকারী প্রক্টর অমিত দত্ত এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক রাশিদুল ইসলাম শেখ।

অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১১ জুলাই দুপুর ১১টার দিকে কোটা সংস্কারের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি বিক্ষোভ মিছিল হয়। মিছিলটি কুমিল্লার কোটবাড়ি বিশ্বরোড এলাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক দিয়ে অগ্রসর হচ্ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষাà¦