All posts by jitu

ভালোবাসার টানে ২৫ বছরের শিক্ষকতায়, একদিনও নেননি ছুটি

মুরাদনগর প্রতিনিধি:

জীবনের পুরোটা সময়ই কাটিয়েছেন প্রিয় শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে। সেই ভালোবাসার টানে কর্মজীবনের ২৫ বছরের শিক্ষকতায় সরকার নির্ধারিত’র বাইরে একদিনও নেননি ছুটি। তা অর্জিত হোক আর বাৎসরিক। কাটাননি অসু¯’তাজনিত ছুটিও। মাদ্রাসার এই শিক্ষক পুরো চাকরিজীবন কাটিয়েছেন ‘আরবি’ পড়িয়ে।

ব্যতিক্রমী আপাদমস্তক এই শিক্ষাগুরু আর কদিন বাদেই যাবেন অবসরে। রোদ কিংবা ঝড়-বৃষ্টি, যাই হোক না
কেনো, মাদ্রাসায় আসেননি এমন রেকর্ড নেই তার। বলছি কুমিল্লার মুরাদনগরের মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের কথা। সে মুরাদনগর উপজেলার ধামঘর গ্রামের মৃত ওয়াছি উদ্দিন খাঁনের ছেলে ও শুশুন্ডা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার ‘আরবি’ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক।

মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন জানালেন, তিনি ১৯৮৮ সালের জানুয়ারি মাসে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন মুরাদনগর উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়নের শুশুন্ডা ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসায়। তবে চাকুরিতে বেতনভূক্ত হন ১৯৯৪ সালে। পরে ১৯৯৯ সালের শেষের দিকে ওই মাদ্রাসার অধ্যক্ষ চলে যাওয়ায় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষর দায়িত্ব পান তিনি। তখন মনে মনে সিদ্ধান্ত নেন কর্মজীবনে কখনও ফাঁকি দেবেন না, এই ব্রত ছিল তার। সে অনুযায়ী কাজ করতে করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই হয়ে ওঠে তার জীবনের ধ্যান-জ্ঞান। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষর দায়িত্বে
ছিলেন ২০০৫ সাল পর্যন্ত এরই মধ্যে মাদ্রাসায় তিনি দাখিল বিভাগ (এসএসসিসমমান) চালু করতে সক্ষম হন।

মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেন, মূলত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষর দায়িত্ব পালন করার সময় প্রতিষ্ঠানকে এগিয়ে নিয়ে যেতে এতটাই মনোযোগী হয়েছিলাম যে, ছুটি কি জিনিস সেটা ভুলেই গিয়েছিলাম। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষর দায়িত্ব ছেড়েছি ঠিকই, প্রতিষ্ঠানের প্রতি যে ভালোবাসা তৈরি হয়েছে, তা আর ছাড়তে পারিনি। তাই সে ভালোবাসার টানে মাঝে মধ্যে রাতে শরীরটা অসু¯’ হলেও সকালে মাদ্রাসায় যাওয়ার কথা ভাবতেই নিজেকে মানসিকভাবে সু¯’ মনে হতো। এই প্রতিষ্ঠানের প্রতি এখন এতটাই মায়ায় পরেছি, চাইলেই এখানে না এসে থাকতে পারিনা।

শিক্ষার্থীরা জানান, আমরা গর্ববোধ করি স্যারের কাছ থেকে কিছুটা হলেও শিখতে পেরেছি। স্যার শিক্ষা দেয়ার পাশা-পাশি সবসময় আমাদেরকেও মাদ্রাসা বন্ধ না করতে উৎসাহিত করেন।

এমন একজন ব্যক্তিকে সহকর্মী হিসেবে পেয়ে গর্বিত অন্য শিক্ষকরাও। তারা বলছেন, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন শিক্ষক সমাজের জন্য অনুকরণীয়।

শুশুন্ড ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মোঃ গিয়াস উদ্দিন বলেন, জয়নাল আবেদীন সাহেব চাইলেই অন্য শিক্ষকদের মতো প্রতি বছর ২১ দিন করে ছুটি কাটাতে পারতো।

অথচ দীর্ঘ ২৫ বছরে তার পাওনা ৫২৫ দিন ছুটি নেননি তিনি। তার কাছ থেকে আমাদের অনেক কিছু শিখার আছে। সে শিক্ষক সমাজের গর্ব।

২০২৯ সালে চাকরি জীবনের ইতি টানবেন শিক্ষার্থীদের প্রিয় জয়নাল আবেদীন স্যার। এতদিন যে মাদ্রাসার সাথে আত্মার সম্পর্ক, অবসরের পরদিন থেকে সেই মাদ্রাসার করিডোরে আর হাঁটবেন না তিনি। এ কথা মনে আসতেই চোখ ছল ছল করে ওঠে তার। জানালেন, অবসরে গিয়েও বসে থাকবেন না তিনি।

বুড়িচংয়ে ইউনিয়ন পরিষদের দুইদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ ও সনদপত্র বিতরণ

কুমিল্লা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সচিব, হিসাব সহকারী ও ইউপি সদস্য গণের স্থানীয় সম্পদের আহরণ ও বাজেট ব্যবস্থাপনা বিষয়ক দুইদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ ও সনদপত্র বিতরণ উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুইদিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণের আয়োজনে ছিলেন জাতীয় স্হানীয় সরকার ইনস্টিটিউট (এন আই এল জি) বাস্তবায়নে বুড়িচং উপজেলা প্রশাসন।

আয়োজিত প্রশিক্ষনে উপজেলার ৯ ইউনিয়ন থেকে ৯ জন ইউপি চেয়ারম্যান, সচিব ৯ জন, ৯ হিসাব সহকারী এবং ১০৭ জন ইউপি সদস্য সহ মোট ১৩৪ জন প্রশিক্ষণে অংশ গ্রহণ করেন।

এতে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে ভার্চুয়ালে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন জাতীয় স্হানীয় সরকার ইনস্টিটিউট এন আই এলজি মহাপরিচালক মনোজ কুমার রায়।

সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং প্রশিক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাহিদা আক্তার।
আরও প্রশিক্ষণ প্রদান করেন জাতীয় স্হানীয় সরকার ইনস্টিটিউট এন আই এলজির সহকারী পরিচালক ওমর ফারুক, বুড়িচং উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর মো: মোস্তফা কামাল।

বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন ইউপি চেয়ারম্যান যথাক্রমে আলহাজ্ব মোঃ আবু তাহের, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবুল কাসেম মাষ্টার, আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার জয়নাল আবেদীন, হাজী মোঃ বিল্লাল হোসেন, লালন হায়দার, মোঃ সাহেব আলী, এডভোকেট ইস্কান্দার আলী ভূইয়া আমির,ওমর ফারুক, ইউপি সচিব , আবুল মনসুর আহমেদ মজুমদার, লিয়াকত আলী, আব্দুর রহমান ভূইয়া, খাবির উদ্দিন, আব্দুল কুদ্দুস মজুমদার সোহেল রানা, আব্দুর রউফ, ইউপি সদস্য যথাক্রমে লিটন রেজা, সুলতান আহমদ মুন্সি, জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন প্রমূখ।

প্রশিক্ষণ শেষে সকল প্রশিক্ষনার্থীদের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাহিদা আক্তার সনদপত্র বিতরণ করেন।

প্রশিক্ষণ শেষে ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবু জাহের ও মোঃ সাহেব আলীর হাতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাহিদা আক্তার সনদপত্র তুলে দেন।

চৌদ্দগ্রামে গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

ফখরুদ্দীন ইমন:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩০০ গ্রাম গাঁজা ও ১২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট সহ মো: সাইফুল ইসলাম প্রকাশ সোনা মিয়া (৪৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত সাইফুল উপজেলার গুনবতী ইউনিয়নের ঝিকড্ডা পশ্চিম পাড়ার মৃত এন্তু মিয়ার ছেলে। সোমবার (০৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ত্রিনাথ সাহা।

জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চৌদ্দগ্রাম থানাধিন কনকাপৈত পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক মো: শরীফুর রহমান ও সহকারী উপ-পরিদর্শক মো: জাকির হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স সহ রোববার বিকাল সাড়ে তিনটায় উপজেলার গুনবতী ইউনিয়নের ঝিকড্ডা পশ্চিম পাড়া এলাকায় সাইফুল ইসলাম প্রকাশ সোনা মিয়ার বাড়ীতে তার টিনশেড বসতঘরে অভিযান চালিয়ে পেপারে মোড়ানো ৩০টি গাঁজার রোল (ওজন ৩০০ গ্রাম) ও নীল রঙের বায়ুনিরোধক পলিপ্যাকে সংরক্ষিত ১২৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। এ সময় মাদক ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলামকে আটক করা হয়। পরে আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে চৌদ্দগ্রাম থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ত্রিনাথ সাহা বলেন, ‘রোববার বিকালে থানা পুলিশের অভিযানে গাঁজা ও ইয়াবা সহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। আটককৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনে মামলা দায়ের শেষে সোমবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

ভোটের রাতে গণধর্ষণ: ১০ জনের ফাঁসি, ৬ জনের যাবজ্জীন

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের দিন রাতে বহুল আলোচিত নোয়াখালীর সুবর্ণচরে গৃহবধূকে গণধর্ষণ মামলায় ১০ জনের ফাঁসি ও অপর ছয় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে তাদের অর্থদন্ড করা হয়।

সোমবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক (জেলা জজ) ফাতেমা ফেরদৌস এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আদালতে কাঠগড়ায় পনের আসামি উপস্থিত ছিলেন এবং এক আসামি পলাতক ছিলেন।

দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন, সুবর্ণচরের মধ্যম বাগ্যা গ্রামের মো. সোহেল (৩৮), মো. হানিফ (৩০), স্বপন (৪২), মো. চৌধুরী (২৫), ইব্রাহীম খলিল বেচু (২৫), মো. বাদশা আলম বসু (৪০), আবুল হোসেন আবু (৪০), মোশারফ (৩৫), মো. সালাউদ্দিন (৩২), মো. জসিম উদ্দিন (৩২), মো. হাসান আলী বুলু (৪৫), মো. মুরাদ (২৮), মো. জামাল ওরফে হেঞ্জু মাঝি (২৮) ও মো. সোহেল (২৮)। আসামি মো. মিন্টু ওরফে হেলাল (২৮) ঘটনার পর থেকে পলাতক।

মামলা ও আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রাতে স্বামী-সন্তানদের বেঁধে রেখে এক নারীকে (৪০) মারধর ও গণধর্ষণ করা হয়। নির্যাতনের শিকার নারী চার সন্তানের জননী। নির্যাতিত নারীর অভিযোগ ছিল, ভোটকেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিদের পছন্দের প্রতীকে ভোট না দেওয়ার জের ধরে ওই হামলা ও ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি তখন দেশে-বিদেশে ব্যাপক আলোচিত হয়। ওই ঘটনার পরদিন (৩১ ডিসেম্বর) নির্যাতনের শিকার নারীর স্বামী বাদী হয়ে চর জব্বর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। পরে মামলার তদন্ত শেষে সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগের বহিষ্কার হওয়া প্রচার সম্পাদক রুহুল আমিন মেম্বারসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বিগত ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর ছালেহ আহম্মদ সোহেল খান বলেন, এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ ২৩ জন সাক্ষী উপস্থাপন করে। আসামি পক্ষের পাঁচজন সাফাই সাক্ষী প্রদান করে। তবে কোনো সাক্ষীই ভোট কেন্দ্রে পছন্দের প্রতীকে ভোট না দেওয়ায় জেরে এমন ঘটনা ঘটেছে বলে তাদের বক্তব্যে উল্লেখ করেনি।

কুবির ‘তিন অনিয়মের দায়’ উপাচার্যের উপর চাপালেন ট্রেজারার

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) শিক্ষকদের তোপের মুখে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমালোচিত ‘তিন অনিয়মে’ উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনকে দোষারোপ করলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো: আসাদুজ্জামান।

গত বুধবার (৩১ জানুয়ারি) “সার্ভিস রুলস, একাডেমিক রুলস অ্যান্ড রেগুলেশন” (পরীক্ষা, ছুটি এবং আপগ্রেডেশন বিধি) শিরোনামে একটি প্রশিক্ষণের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)। এতে রিসোর্স পারসন হিসেবে ছিলেন কোষাধ্যক্ষ।

কিন্তু এমন একটি প্রশিক্ষণে নির্ধারিত বিষয়ের উপর কোন বিশেষজ্ঞকে না রেখে কোষাধ্যক্ষকে রিসোর্স পারসন হিসেবে কেন রাখা হয়েছে, অংশগ্রহণকারী শিক্ষকগণ বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এসময় শিক্ষকগণ কোষাধ্যক্ষের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমালোচিত বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় শিক্ষকদের প্রাপ্ত ভাতা থেকে কোন প্রকার নীতিমালা ছাড়াই ভাইস চ্যান্সেলরের নামে বৃত্তি প্রদান, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ খরচে গেস্ট হাউজ রাখা হলেও শিক্ষকদের বঞ্চনায় ডুবিয়ে সেটি উপাচার্যের দখলের কারণ, বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন-২০০৬ ও ইউজিসির আইন অমান্য করে শিক্ষক নিয়োগে, পদোন্নতিতে বৈষম্য সৃষ্টির পাশাপাশি সঠিক নিয়মে আপগ্রেডেশন না দেওয়াসহ গুরুতর অনিয়মের বিষয়গুলো নিয়ে শিক্ষকগণ প্রশ্ন তোলেন। পরে এসকল অনিয়মের দায় উপাচার্যের উপর চাপান কোষাধ্যক্ষ।

এবিষয়ে বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো: মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম বলেন, ‘আমরা ট্রেজারারের কাছে সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকীর পিএইচডি নথিভুক্তি, উপাচার্যের পছন্দের ব্যক্তিদের পদোন্নতি স্থায়ী করন এবং সকল শর্ত পূরণ হলেও ব্যক্তিগত আক্রোশে অন্য শিক্ষকদের পদোন্নতি প্রদানে অযাচিত শর্তারোপের বিষয়ে ব্যাখ্যা জানতে চাইলে তিনি বিব্রতবোধ করেন। তিনি বলেন, “এসব সিদ্ধান্ত আমি নিতে পারি না। হায়ার অথরিটি আছে; বোর্ড আছে। উপাচার্য এ ব্যাপারে ভাল বলতে পারবেন।” এভাবে তিনি আমাদের প্রশ্ন এড়িয়ে উপাচার্যের উপর দায় চাপান। বস্তত এসকল অনিয়মের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকরা তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।’

প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান জানান, ‘ আমি কোষাধ্যক্ষের কাছে জানতে চাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নিয়ম আছে, কিন্তু এসব নিয়মের ব্যত্যয় ঘটিয়ে একাধিক ব্যক্তিকে কোন আইনে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে? যোগ্যতা থাকার পরও কেন প্রমোশন আটকিয়ে দেওয়া হচ্ছে? এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ খরচে গেস্ট হাউজ রাখা হয়েছে, কিন্তু শিক্ষকদের বঞ্চনায় ডুবিয়ে উপাচার্য একাই সেটি কিভাবে দখল করতে পারেন? যে পদ্ধতিতে বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে সেটার খাত নিয়েও কোষাধ্যক্ষকে প্রশ্ন করলে তিনি সঠিক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। উল্টো শিক্ষকগণ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনিয়মের বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি এটির সম্পূর্ণ দায়ভার উপাচার্যকে চাপিয়ে দেন। আমার প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে কি উপাচার্য একাই সকল দুর্নীতির মূল হোতা?

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন সহযোগী অধ্যাপক বলেন, শিক্ষক পদোন্নতির নীতিমালা অনুযায়ী আবেদনের সময় তো Q1 এবং Q2 নীতিমালা ছিল না। কিন্তু এসব নিয়ে পদোন্নতির সময় আমাদের আটকে দিচ্ছে। এসব নিয়ে যখন প্রশ্ন করা হয় তখন কোষাধ্যক্ষ বলেন “এসব বিষয়ে আমার হাতে থাকে না। এখানে হায়ার অথরিটি আছে। যাচাই বাছাই বোর্ড আছে তাদের উপর নির্ভর করে।” আবার উপাচার্য তার নিজের কাছে গেস্ট হাউজের চাবি রেখে দেওয়াতে আমাদের প্রতিনিয়ত ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এরপর তার অপছন্দের শিক্ষকদের পদোন্নতিতে নিয়মবহির্ভূত শর্তারোপ করছেন। শিক্ষকরা এসব প্রশ্নবাণে জর্জরতি করলে তখন কোষাধ্যক্ষ বিব্রত হয়ে বলেন, “এসব বিষয়ে উপাচার্য ভালো বলতে পারবেন।”

এদিকে শিক্ষকদের তোপের মুখে উপাচার্যের উপর দায় চাপানোর বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো: আসাদুজ্জামান বলেন, উপাচার্যের উপর দায় চাপানোর বিষয়টি সম্পূর্ণ অসত্য। শিক্ষক নিয়োগ এবং আপগ্রেডেশনের বিষয়টি হায়ার বোর্ডের বিষয়। সেখানে উপাচার্যসহ অন্যান্য বোর্ড মেম্বাররা সিদ্ধান্ত নেন। সেখানে কাছের লোকদের সুযোগ দেয়া কিংবা দূরের লোকদের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার বিষয়টি সম্পূর্ণ ওনাদের। আমি সেখানে ছিলামও না। কি হয়েছে জানিও না।

এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ের গেস্ট হাউজ নিয়ে বিড়ম্বনা ও মেধাবৃত্তির বিষয়ে উপাচার্যের কর্মকাণ্ডের বিষয়ে শিক্ষকদের কাছে কোষাধ্যক্ষের দেয়া মন্তব্য সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “একটা সময় ভর্তি পরীক্ষার লভ্যাংশ থেকে শিক্ষকদের একটি অংশ দেয়া হতো। যা পুরোপুরি প্রচলিত নিয়ম। কিন্তু বর্তমানে সেই অর্থ দিয়ে মেধাবৃত্তি দেয়ার বিষয়টি ‘নিয়ম মেনে করা হয়নি’ এই ধরনের অভিযোগ সঠিক নয়।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের গেস্ট হাউজের অব্যবস্থাপনার বিষয়ে তিনি বলেন, আমি শিক্ষকদের তখন বলেছি গেস্ট হাউজ অব্যবস্থাপনার বিষয় নিয়ে উপাচার্যের সাথে কথা বলবো।

জানা যায়, ড. মো. আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক। পাশাপাশি তিনি বায়ো সায়েন্স, বায়ো ইলেক্ট্রনিক, বায়োটেকনোলজি, পলিমার সায়েন্সসহ কয়েকটি বিষয়ে ইতোপূর্বে গবেষণার কাজ করেছেন।

তবে কোষাধ্যক্ষের দায় ছাপানোর বিষয়ে কথা বলতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনের দপ্তরে গেলে তিনি অন্যান্য সাক্ষাৎ প্রার্থীদের সাথে কথা বললেও প্রতিবেদককে ব্যস্ততা দেখিয়ে প্রায় দুই ঘন্টা বসিয়ে রাখেন। উপাচার্যের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি কোন সাড়া দেননি। মুঠোফোনে ক্ষুধেবার্তা পাঠালেও তার উত্তর পাওয়া যায়নি।

মিয়ানমার সীমান্তরক্ষীর ৩৯ বাহিনী বাংলাদেশের ভূখণ্ডে আশ্রয় নিয়েছেন

ডেস্ক রিপোর্ট:

মিয়ানমারে গোলাগুলি ও সংঘর্ষে প্রাণহানির শঙ্কায় দেশটির বর্ডার গার্ড পুলিশ বিজিপির ৩৯ জন সদস্য বাংলাদেশের ভূখণ্ডে আশ্রয় নিয়েছেন।

রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা শরীফুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

রোববার ভোর থেকে বিজিপির সদস্যরা প্রাণ বাঁচাতে বাংলাদেশ আশ্রয় নেওয়া শুরু করেন। বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির তুমব্রু সীমান্ত এলাকা দিয়ে তারা বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।

এদিকে মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে তুমব্রু সীমান্তে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত তিনজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। আহতরা হলেন- কোনার পাড়ার বাসিন্দা প্রবীন্দ্র ধর (৫০), রহিমা বেগম (৪০) এবং শামশুল আলম। আতঙ্কে ঘর ছেড়েছেন তিন গ্রামের মানুষ।

অন্যদিকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ওপারে হেলিকপ্টার থেকে গুলিবর্ষণ চলছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শাহ মোজাহিদ উদ্দিন বলেন, সীমান্তে যাতে অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সীমান্তের দিকে নজর রাখতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ঋণখেলাপিরা নতুন করে বাড়ি-গাড়ি কিনতে পারবেন না

ডেস্ক রিপোর্ট:

নিয়মিত ঋণ পরিশোধ না করলে তাকে ইচ্ছা খেলাপি হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। এসব ঋণখেলাপিরা বিভিন্ন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন। তারা নতুন করে জমি বাড়ি গাড়ি কিনতে পারবেন না। নতুন ব্যবসাও খুলতে পারবেন না তারা।

বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আব্দুর রউফ তালুকদার। সভা শেষে এসব তথ্য জানান ডেপুটি গভর্নর আবু ফারাহ মো. নাসের।

এ সময় কেন্দ্রীয় ভ্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মো. মেজবাউল হকসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সীমান্তে বিজিবির সাথে কাজ করছে পুলিশ : আইজিপি

ডেস্ক রিপোর্ট:

মিয়ানমারে সীমান্তবর্তী এলাকায় চলমান সহিংসতায় সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশের (বিজিবি) পাশে থাকার কথা জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন।

রোববার সকালে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার জুলধা ইউনিয়নের ডাঙ্গারচর এলাকায় ‘ডাঙ্গারচর নৌ তদন্ত কেন্দ্র’ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আইজিপি এসব বলেন।

সীমান্তে চলমান সংকট নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, এ ব্যাপারে বিজিবি কাজ করছে। আমরা বিজিবির সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছি। আমাদের কাছে আইনানুগভাবে যে সহযোগিতা পাবে আমরা বিজিবিকে সেটা দেব।

নৌ-তদন্ত কেন্দ্র প্রসঙ্গে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক বলেন, চট্টগ্রাম একটি গুরুত্বপূর্ণ নগরী, এখানে দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর রয়েছে। এ কেন্দ্র চালুর মাধ্যমে এ এলাকার পাশাপাশি নৌ-এলাকার নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে আমাদের সদস্যরা কাজ করবেন। এতে করে বন্দরের কার্যক্রমের গতিশীলতাও বৃদ্ধি পাবে। পর্যায়ক্রমে কর্ণফুলীর রাঙাদিয়া, চাক্তাই ও গুপ্তখাল এলাকায় আরও তিনটি নৌ-তদন্ত কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী। দুই লাখ সদস্যের এ বিশাল বাহিনী সরকারের বিধিবিধান মেনে আমরা শৃঙ্খলা বজায় রাখি। শৃঙ্খলার বিষয়ে আমরা জিরো টলারেন্সের নীতি গ্রহণ করি। আমাদের সদস্যরা যথাযতভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করছে এবং পেশাদারিত্বের মাধ্যমে আমরা ঈর্ষণীয় একটা পর্যায়ে অবস্থান করছি।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) কমিশনার কৃষ্ণ পদ রায়, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নুরে আলম মিনা, অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম) এএসএম মাহাতাব উদ্দিন, বন্দর ডিসি শাকিলা শারমিন, নৌ-পুলিশের চট্টগ্রাম অঞ্চলের সুপার (এসপি) আ ফ ম নিজাম উদ্দিন, কর্ণফুলী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ফারুক চৌধুরী, কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ভারপ্রাপ্ত) ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) পিযুষ কুমার চৌধুরী, এসি আরিফ হোসেন, ওসি জহির হোসেন প্রমুখ।

উল্লেখ্য চট্টগ্রাম বন্দর চ্যানেলের নিরাপত্তা জোরদার করতে বন্দর কর্তৃপক্ষ ২০০২ সালের দিকে নৌ-তদন্ত কেন্দ্র স্থাপনের দাবি জানায়। পরে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠকে কর্ণফুলী নদীর দুই তীরে কর্ণফুলী উপজেলার ডাঙ্গারচর, রাঙাদিয়া, নগরীর চাক্তাই ও গুপ্তখাল এলাকায় চট্টগ্রাম বন্দরের জায়গায় দুটি করে চারটি নৌ তদন্ত কেন্দ্র স্থাপনের সিদ্ধান্ত হয়।

এখনকার সময়ে পরকীয়া বেড়ে গেছে : অপু বিশ্বাস

ডেস্ক রিপোর্ট:

বর্তমান সময়ে আমাদের সমাজে পরকীয়া বেড়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ভালোবাসা দিবসে মুক্তি পেতে যাওয়া নতুন সিনেমা ‘ট্র্যাপ’ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এমনটা বলেন তিনি।

অপু বলেন, ‘এখনকার সময়ে আমাদের সমাজে পরকীয়া বেড়ে গেছে। স্বামী আছে জেনেও অনেক মেয়ে দেখবেন অন্যের স্বামীর সাথে পরকীয়ায় যুক্ত হয়। এসব ঘটনা অহরহ ঘটছে।’

পরকীয়ার পেছনে একটা বিশেষ কারণ রয়েছে উল্লেখ করে এই নায়িকা বলেন, ‘আমরা পত্রিকা, খবরে বিভিন্ন জায়গাতে দেখি নারী প্রলোভিত হয়েছে। সেটা ফেসবুকে, মেসেজে, যোগাযোগে সামাজিক মাধ্যমের বিপদজনক ব্যবহারও দেখছি।’

অপু বিশ্বাসের নতুন সিনেমা ‘ট্র্যাপ’-এ উঠে আসবে পরকীয়ারই এক গল্প। সেটা উল্লেখ করে এই তারকা বলেন, ‘একজন নারী ফাঁদে পড়লে বা পরকীয়ার মতো সম্পর্কে জড়িয়ে গেলে এর পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা এই ছবির মুখ্য বিষয়। এই সিনেমায় জয় চৌধুরী আমার সঙ্গে অভিনয় করেছেন। সহশিল্পী হিসেবে দারুণ কাজ করেছেন তিনি। ছবিতে আমাদের রসায়ন অনেকের ব্যক্তিগত জীবনেও উপকারে আসবে।’

অপু আরও বলেন, ‘যারা যুগল তাদের অবশ্যই এই সিনেমা দেখা উচিত। কেননা যুগল কিংবা প্রেমিক-প্রেমিকা নানা ধরনের ঝামেলাতেই পড়তে পারে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা ধরনের ফাঁদ রয়েছে। এই ফাঁদ সম্পর্কে সচেতন হওয়ার সুযোগ থাকবে। যারা সম্পর্কে থাকেন না, তারা কি এই সিনেমা দেখবে না এই প্রশ্নের জবাবে অপু বলেন, হ্যাঁ, যারা একা তাদের দ্বারা ভুল আরও বেশি হতে পারে। অবশ্যই একা যারা তাদেরও সিনেমা দেখতে হবে।

আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে মুক্তি পাচ্ছে দ্বীন ইসলাম পরিচালিত অপু বিশ্বাসের ‘ট্র্যাপ’। যেখানে এই নায়িকার সঙ্গে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছেন জয় চৌধুরী। এই সিনেমায় আরও রয়েছেন মিশা সওদাগর, আমান রেজা, তাহমিনা মৌ, এল আর খান সীমান্ত, হারুন কিসিঞ্জার, হায়দার আলী, জাদু আজাদসহ অনেকে।

নির্বাচনে গণমাধ্যমের অনেক সহযোগিতা পেয়েছি : প্রধান নির্বাচন কমিশনার

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, নির্বাচনে গণমাধ্যমের অনেক সহযোগিতা পেয়েছি।

রোববার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসির (আরএফইডি) নির্বাচন ও জাকির বেস্ট রিপোর্টিং অ্যাওয়ার্ড-২০২৩ অনুষ্ঠানে সিইসি এ কথা বলেন।

সিইসি বলেন, গণমাধ্যমের গুরুত্ব অনেক, এটি রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। যখন সংসদ অকার্যকর থাকে তখন গণমাধ্যম কথা বলে। নির্বাচনে গণমাধ্যমের অনেক সহযোগিতা পেয়েছি। গণমাধ্যম যে স্বচ্ছতা প্রকাশ করে তা গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ঝুঁকি নিতে হয় গণমাধ্যমকর্মীদের। তাদের পেশার প্রতি শ্রদ্ধা সবসময়। বিগত নির্বাচনে গণমাধ্যম ভালো ভূমিকা পালন করেছে। নানা চ্যানেল থেকে আমরা তথ্য পেয়েছি এবং সেই মোতাবেক কাজ করেছি।

ইসি মো. আনিছুর রহমান বলেন, গত নির্বাচনে নানা কারণে আমরা চাহিদা মোতাবেক কথা বলতে পারি নাই। তারপরও সাংবাদিকদের কাছ থেকে যে সহায়তা পেয়েছি তা অভূতপূর্ব। গত নির্বাচনের রিপোর্টিং ভালো হয়েছে, নেতিবাচক ছিল না বরং এনকারেজিং ছিল।

নির্বাচন ও গণতন্ত্র বিষয়ে পত্রিকা ক্যাটাগরিতে দৈনিক যুগান্তরের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক কাজী জেবেল এবং টেলিভিশন ক্যাটাগরিতে ডিবিসি নিউজের সিনিয়র রিপোর্টার কাওসারা চৌধুরী কুমু ও বাংলানিউজের সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট ইকরাম-উদ দৌলা পুরস্কার পেয়েছেন।

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) প্রয়াত সাংবাদিক হুসাইন জাকিরের নামে পুরস্কারটি এ বছর চালু করে।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর, মো. আনিছুর রহমান, ইসি সচিব মো. জাহাংগীর আলম, জুরি বোর্ডের সদস্য সাংবাদিক শেখ নজরুল ইসলাম, আশিষ সৈকত ও মহিউদ্দিন জুয়েল, আরএফইডি’র সভাপতি সাইদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মুকিমুল আহসান হিমেলসহ সংগঠনটির অন্য সদস্যরা।