All posts by jitu

বিএনপি-জামায়াত দেশকে বিপদে ফেলার জন্য চেষ্টা করেছে : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত দেশকে বিপদে ফেলার জন্য সব সময় চেষ্টা করেছে। তবে শকুনের দোয়ায় যেমন কখনও গরু মরে না, তেমনি বিএনপির অশুভ কামনাতেও বাংলাদেশের অশুভ কোনো কিছু হবে না।

আজ (মঙ্গলবার) চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হ‌য়ে এসব কথা ব‌লেন মন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব‌লেন, পূর্ব-পশ্চিম সবার সঙ্গে আমাদের চমৎকার সম্পর্ককে আরও গভীর করার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই।

হাছান মাহমুদ ব‌লেন, এবারের নির্বাচন যে আন্তর্জাতিকভাবে মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় যে গ্রহণ করেছে, সেটির প্রমাণ হচ্ছে বহু নির্বাচনী পর্যবেক্ষক বাংলাদেশে এসেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এনডিআই, আইআরআই, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সার্ক, ওআইসি ও কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোর পর্যবেক্ষক থেকে শুরু করে অন্যান্য বিভিন্ন সংস্থার পর্যবেক্ষকরা বাংলাদেশে এসেছে।

তি‌নি ব‌লেন, তারা সবাই একযোগে মতপ্রকাশ করেছে, বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই নির্বাচনে অন্যান্য নির্বাচনের তুলনায় অপেক্ষাকৃত কম সহিংসতা হয়েছে। এটাই সবচেয়ে বড় ব্যাপার।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের পর্য‌বেক্ষকদের নির্বাচন কমিশনের স‌ঙ্গে বৈঠ‌কের বিষ‌য়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব‌লেন, আমাদের বিদেশি বন্ধুদের আমাদের নির্বাচন নিয়ে আগ্রহ আছে, সেজন্য নির্বাচন কমিশনে গেছেন। আমি আজকে কাগজে দেখলাম, নির্বাচন কমিশন যে তথ্য উপাত্ত দিয়েছে, এতে তারা সন্তুষ্ট হয়েছে। দেখুন, জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বেশিরভাগ নিবন্ধিত দল এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে।

হাছান মাহমুদ ব‌লেন,যেদিন নির্বাচন হয়, সেদিন প্রচন্ড শীত ও কুয়াশা ছিল। সেই কারণে ভোটের হার প্রায় ৪২ শতাংশ, যদি কুয়াশা এবং শীত না থাকতো তাহলে আরও বেশি ভোট কাস্ট হতো। আর এই নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত ও প্রতিহত করার জন্য বিএনপি আগুন সন্ত্রাস করেছে। পাঁচ তারিখ রাতেও অগ্নিসন্ত্রাস চালিয়ে মানুষকে ভয় লাগানোর চেষ্টা করেছে। কিন্তু মানুষ ভয় পায়নি। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিতে গেছে।

রো‌হিঙ্গা সমস‌্যা সমাধা‌নের বিষ‌য়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব‌লেন, আমরা সবসময় কূটনৈতিকভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছি। আমরা তাদের সঙ্গে আরও যোগা‌যোগ বাড়াচ্ছি। আমি ন্যাম সামিটে (জোট নিরপেক্ষ সম্মেলন) যাচ্ছি, সেখানে মিয়ানমা‌রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আমার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। আমরা কূটনৈতিকভাবেই এই সমস্যার সমাধান করতে পারব বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি।

সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নাসিরকে নিষিদ্ধ করল আইসিসি

ডেস্ক রিপোর্ট:

আবুধাবির টি-টেন লিগে খেলতে গিয়ে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠেছিল নাসির হোসেনের বিরুদ্ধে। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এবার তাকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করল ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)।

নাসিরের বিরুদ্ধে ৩টি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২ বছরের জন্য তাকে নিষিদ্ধ করেছে আইসিসি। এর মধ্যে ৬ মাসের জন্য এই অলরাউন্ডারকে স্থগিত নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। আইসিসির সব শর্ত পূরণ করতে পারলে ২০২৫ সালের ৭ এপ্রিল থেকে আবারো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরতে পারবেন নাসির।

২০২১ সালে আবুধাবি টি-টেন লিগ খেলতে গিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তির থেকে উপহার নিয়েছিলেন নাসির। ৭৫০ ডলারের বেশি অর্থমূল্যের সেই উপহার নেয়ার যৌক্তিক কারণ প্রদর্শন করতে পারেননি তিনি।

আইসিসির নীতিমালার ২.৪.৩, ২.৪.৪ এবং ২.৪.৬ ধারা ভঙ্গ করেছেন নাসির। এরপর মোট ৩টি ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু করে আইসিসি। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় এবার শাস্তির ঘোষণা দিয়েছে আইসিসি।

এক সময় বাংলাদেশ জাতীয় দলের নিয়মিত মুখ ছিলেন নাসির। ২০১১ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিন ফরম্যাট মিলিয়ে বাংলাদেশের জার্সিতে ১১৫টি ম্যাচ খেলেছেন তিনি। যেখানে ২৬৯৫ রানের পাশাপাশি ৩৯টি উইকেট নিয়েছেন এই অলরাউন্ডার।

উন্নয়নের মূলধারায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করতে হবে : ডা. দীপু মনি

ডেস্ক রিপোর্ট:

সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, উন্নয়নের মূলধারায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করতে হবে। মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে মন্ত্রণালয় ও দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ নানা কারণে সমাজে প্রান্তিক হিসেবে চিহ্নিত হন। আর্থিক কারণ ছাড়াও শারীরিক, মানসিক, সামাজিক, পারিবারিক ও ভৌগোলিক নানা কারণে মানুষ প্রান্তিক জীবনযাপন করেন, তাদের সংখ্যা অনেক। তাদের জীবনমান উন্নয়নে চলমান কর্মসূচির পাশাপাশি প্রয়োজনে আরও নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বৈষম্যহীন সমাজ ও কল্যাণ রাষ্ট্র গঠনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার, তার ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশ বাস্তবায়নে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় কাজ করছে। স্মার্ট বাংলাদেশের অন্যতম স্তম্ভ স্মার্ট নাগরিক গড়তে এবং একই সাথে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে কাজ করতে হবে সবাইকে।

মন্ত্রী বলেন, দেশের একটি বিশাল অংশ প্রবীণ জনগোষ্ঠী। তাদের যথাযথ যত্ন নেওয়ার দায়িত্ব সবার। প্রবীণরা যেন পবিারের বোঝা না হয় সেদিকে সবাইকে লক্ষ রাখতে হবে। তিনি সরকারের উদ্যোগে দেশে প্রথমবারের মতো পাইলট ভিত্তিতে প্রবীণ ডে কেয়ার সেন্টার খোলার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেন।

মন্ত্রী বেদে, চা শ্রমিক, হিজড়াসহ প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য পর্যায়ক্রমে স্থায়ী আবাসনের ব্যবস্থা করার জন্য কাজ করতে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন। এ সময় তিনি বলেন, একটি মাথা গোঁজার মতো ঠাঁই থাকলে মানুষের জীবন অনেক সহজ হয়ে যায়। চলমান ভাতা, প্রশিক্ষণ ও প্রণোদনার পাশাপাশি বসাবাসের জন্য গৃহ নির্মাণ, শিক্ষার জন্য বিদ্যালয় তৈরি করা হলে প্রান্তিক এসব জনগোষ্ঠীর ছেলেমেয়েরা শিক্ষার আলো পেয়ে সমাজের মূলস্রোতে আসতে পারবে।

এর আগে মন্ত্রণালয় ও দপ্তর সংস্থার কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করা হয়। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. খায়রুল আলম সেখ।

ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ করার চেষ্টা করবে ভারত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, ২০২৩ সালে ১৬ লাখ বাংলাদেশিকে ভিসা দিয়েছে ভারত। ভিসা প্রক্রিয়া আরও সহজ করার চেষ্টা করা হবে বলে জানিয়েছেন ভারতীয় হাইকমিশনার।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দপ্তরে সাক্ষাৎ করতে আসেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা নেবে ভারত। দুই দেশের নিরাপত্তায় বিজিবি -বিএসএফ সম্পর্ক বাড়ানো হবে। বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রশিক্ষণের জন্য উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভারতের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে কাজ করবে ভারত সরকার।

এদিকে, ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও যোগাযোগসহ দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী পাঁচ বছর এই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে।

‘পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান পদ্ধতি সহজীকরণ করা হবে’

ডেস্ক রিপোর্ট:

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী বলেছেন, জনগণের ভোগান্তি কমাতে পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান পদ্ধতির সহজীকরণ করা হবে। জনগণ যাতে সঠিকভাবে যথাসময়ে এ সংক্রান্ত সেবা পেতে পারে তার প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে। মন্ত্রী এসময় সেবা প্রদানের মানসিকতা নিয়ে নিয়মতান্ত্রিকভাবে পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ প্রদান করেন। তিনি বলেন, ছাড়পত্র প্রদানে কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান প্রক্রিয়া বিষয়ে মন্ত্রণালয় ও পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতির বক্তব্যে পরিবেশমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

পরিবেশমন্ত্রী বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বায়ুদূষণের বিরুদ্ধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ লক্ষ্যে বায়ুদূষণকারী ইটভাটাগুলোর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি বলেন, ঢাকা শহরের বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার সাথে সমন্বয় করে কাজ করা হবে। বায়ুদূষণের জন্য দায়ী অন্যান্য বিষয়গুলো বিজ্ঞান ভিত্তিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

সভায় অন্যদের মধ্যে মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ইকবাল আব্দুল্লাহ হারুন, অতিরিক্ত সচিব (জলবায়ু পরিবর্তন) সঞ্জয় কুমার ভৌমিক, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. আবদুল হামিদ এবং মন্ত্রণালয় ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এমপির আশ্বাসে অবরোধ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিলেন শিক্ষার্থীরা

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দির হাসানপুরে ফুটওভার ব্রীজের দাবীতে সড়ক অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার(১৬ জানুয়ারী) দুপুর ২টা থেকে ঘন্টাব্যাপি হাসানপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা
এ অবরোধে মহাসড়কের দু’দিকে যান চলাচল বন্ধ থাকে। এতে উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় সাংসদের আশ্বাসে অবরোধ থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন কলেজের শিক্ষার্থীরা ।

অবরোধকারী শিক্ষার্থীরা জানান, গত ৯ জানুয়ারী মহাসড়কের হাসানপুরে রাস্তা পারাপারের সময় দুর্ঘটনায় হাসানপুর শহীদ নজরুল ডিগ্রী কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মীম আক্তার (১৭) নিহত হয়। ওইদিনও আমরা ফুটওভার ব্রিজের দাবীতে মহাসড়কটি অবরোধ করেছিলাম। ওইসময় আমাদেরকে একসপ্তাহের মধ্যে ব্রীজের কাজ শুরু করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছিল উপজেলা প্রশাসন। ফুটওভার ব্রীজের কাজ শুরু না হওয়ায় আজকে আমাদেরকে আবার সড়কে বসতে হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরফাতুল আলম বলেন, সড়ক অবরোধের খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে যাই। অবরোধকারী শিক্ষার্থীদের দাবীর বিষয়টি তাৎক্ষনিক মুঠোফোনে স্থানীয় এমপি( ইঞ্জিঃ আব্দুস সবুর) মহোদয়কে অবগত করলে তিনি মুঠোফোনেই শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলে শীগ্রই ফুটওভার ব্রীজের কাজ শুরু করবেন বলে আশ্বস্ত করলে শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক ছেড়ে ক্যাম্পাসে চলে যান।

স্থানীয় সংসদ সদস্য ইঞ্জিঃ আব্দুস সবুর বলেন, ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের হাসানপুরে একটি ফুটওভার ব্রীজ নির্মাণ করার জন্য কলেজের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী। ইতিমধ্যে ফুটওভার ব্রীজ নির্মানের বিষয়টি অফিসিয়াল প্রসেসিংয়ে রয়েছে। শীঘ্রই টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ফুটওভার ব্রীজ নির্মাণ কাজ শুরু করা হবে।

১৭ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা নামলেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের নির্দেশ

ডেস্ক রিপোর্ট:

শীতে কাঁপছে দেশ। উত্তরাঞ্চলে ব্যাহত হচ্ছে জনজীবন। টানা এ শৈত্যপ্রবাহে বাড়ছে ঠান্ডাজনিত নানান রোগ। এতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। শীতের তীব্রতার কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধে নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

জরুরি এ নির্দেশনা অনুযায়ী- চলমান শৈত্যপ্রবাহে দেশের যেসব জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রির নিচে নামবে, সেখানে স্কুল-কলেজ বন্ধ রাখা যাবে।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। এতে সই করেছেন মাউশির সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক-২) এস এম জিয়াউল হায়দার হেনরী।

শৈত্যপ্রবাহে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা সংক্রান্ত এ নির্দেশনায় বলা হয়েছে, দেশের বিভিন্ন জেলায় তীব্র শৈত্যপ্রবাহ প্রবাহিত হচ্ছে। চলমান এ শৈত্যপ্রবাহে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে যেসব জেলায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে (সংশ্লিষ্ট আবহাওয়া অফিসের আবহাওয়ার পূর্বাভাসের প্রমাণক অনুযায়ী) নেমে যাবে, আঞ্চলিক উপ-পরিচালকরা ওইসব জেলার শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেবেন।

সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি না হওয়া পর্যন্ত ওইসব জেলার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে বলেও নির্দেশনায় উল্লেখ করা হয়।

জানতে চাইলে এস এম জিয়াউল হায়দার হেনরী বলেন, টানা এক সপ্তাহ দেশে শৈত্যপ্রবাহ চলছে। এতে শিশুরা চরম কষ্টে স্কুলে আসছে। অনেকে শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। ঝুঁকির মধ্যে শিক্ষার্থীদের এভাবে ক্লাসে আনতে চায় না সরকার। সেজ্য আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, অনেক জায়গায় ১৭ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা নেমে যাচ্ছে। সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার ব্যবধান কমে আসায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। উত্তরাঞ্চলসহ চুয়াডাঙ্গা ও আশপাশের জেলাগুলোর অবস্থা খুবই বেগতিক। শৈত্যপ্রবাহ কেটে গিয়ে তাপমাত্রা বাড়লে (১৭ ডিগ্রির ওপরে উঠলে) স্কুল খুলে দেওয়া হবে।

বিএনপি মনের শান্তির জন্য আবোল তাবোল কথা বলছে : ওবায়দুল কাদের

ডেস্ক রিপোর্ট:

নিজেদের মনের শান্তির জন্য বিএনপি নেতারা আবোল তাবোল কথা বলছেন বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। বিএনপি ভয়ের কোনো কারণ না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টায় সেতু ভবনের সভাকক্ষে সেতু বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে ব্রিফিংকালে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি বলছে নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগের তৃণমূলের নেতারা ভয়ে আছে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, তারা ইলেকশন করতে দেবে না বলেছিন, তারপরও নির্বাচন হয়েছে। তারা ভয়ের কোনো কারণ না। তারা আতঙ্ক সৃষ্টি করে গুপ্তহত্যা, গুপ্ত আক্রমণ, অগ্নি সন্ত্রাস করছে। ট্রেনে আগুন দিয়ে কীভাবে তারা মা-সন্তানকে পুড়িয়ে মারলো। বাসে হেলপারদের মারলো, পুলিশ পিটিয়ে মারলো। এমন অপকর্ম যারা করে তারা কে কী বললো, সেটা আমরা কিছু মনে করি না।

কাদের বলেন, তারা বলেছিল ইলেকশন করতে দেবে না, আমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ইলেকশন করেছি। কিছু ঘটনা, সহিংসতা হয়েছে। কিন্তু বিএনপি যেটা ভেবেছিল, সেরকম কিছু আসলে হয়নি। নির্বাচনে ভোটের হার ৪১.৮০। অথচ তাদের দাবি জনগণ সাড়া দিয়েছে। কিন্তু জনগণ তাদের কথায় কান দেয়নি। কেউই মাথা ঘামায়নি। সেজন্য তারা নিজেদের মনের শান্তির জন্য আবোল তাবোল কথা বলছে।

তিনি আরও বলেন, সংবিধানে কোথায় আছে যে এ সরকার অবৈধভাবে ক্ষমতায় এসেছে? নির্বাচন আগামও করা যায়। আমাদের সময় ছিল ২৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। আমরা ৭ জানুয়ারি ভোট করেছি। ইলেশন করে কি আমরা বসে থাকবো শপথ নেওয়ার জন্য?

‘বিএনপির চক্রান্ত শেষ হয়নি, নির্বাচন বাতিলের চেষ্টা চলছে’

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক হয়েছে। হারার ভয়ে বিএনপি নির্বাচনে করেনি। তাদের চক্রান্ত শেষ হয়নি, নির্বাচন বাতিলের চেষ্টা চলছে।

মঙ্গলবার সকালে গণভবনে প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সৌজন্য সাক্ষাতে ২৯ দেশের প্রবাসীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা সংগ্রামসহ যে কোনো আন্দোলনে প্রবাসীদের অবদান আছে। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের আয়ের বড় উৎস। দেশে গণতন্ত্রের ক্ষেত্রেও প্রবাসীদের অনেক অবদান আছে।

শেখ হাসিনা বলেন, প্রবাসীরা আমাদের স্বাধীনতা-সংগ্রামে, যে কোনো আন্দোলনে অবদান রেখেছেন। যখন বাংলাদেশে মার্শাল ল জারি হয়, আমরা যখন কাজ করতে পারি না, তখন প্রবাসীরা প্রতিবাদ জানান। আপনারা আন্দোলন-সংগ্রাম করেন। জনমত সৃষ্টি করেন। এটা আমাদের জন্য বিরাট শক্তি।

সরকারপ্রধান বলেন, আমরা ফিলিস্তিনের গণহত্যার তীব্র নিন্দা জানিয়েছি। আমরা যুদ্ধ চাই না। বাংলাদেশ সবসময় শান্তির পক্ষে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশ না থাকলে উন্নতি হয় না। শান্তি দিতে পারে উন্নতি। অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে সেই টাকা মানবকল্যাণে ব্যয় করা হোক। অস্ত্র প্রতিযোগিতার মতো জঘন্য কাজ নেই।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি নিজেদের অফিসে নিজেরাই তালা দেয়, নিজেরাই তালা ভাঙে। তারা যত বেশি সন্ত্রাসী কাজ করবে, মানুষ তাদের তত প্রত্যাখ্যান করবে। তারা নির্বাচন নষ্ট করার জন্য চেষ্টা করেছিল, কিন্তু পারেনি। এখনও তাদের চক্রান্ত শেষ হয়নি। নির্বাচন বাতিলের চেষ্টা চলছে।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে, সরকার জনগণের সেবক। আমি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়, সেবক হিসেবে কাজ করে দেশকে এগিয়ে নিয়ে এসেছি। টানা ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকায় খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। মানুষ এখন ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখে।

শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি লিফলেট বিতরণ করেছে, মানুষ যেন ভোট না দেয়। কিন্তু ঘটনা উল্টো ঘটল। মানুষ ধরে নিল ভোট দিতেই হবে। একটা সুষ্ঠু নির্বাচনে তারা ভোট দিয়েছে।

বিএনপির কঠোর সমালোচনা করে শেখ হাসিনা বলেন, অন্ধকার পথে বিএনপি। তারা আলো ঝলমল নির্বাচন বাদ দিয়ে অন্ধকারের গলিপথ খুঁজে। তারা জানে, মানুষ হত্যা, অগ্নিসংযোগ। এর চেয়ে ভালো কিছু জানা নেই। তবে ভোটে জনগণের বিজয় হয়েছে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মামলার বিবরণ দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমি আমার ছেলের বউ ও মেয়ের কাছে ছিলাম। আমার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দিয়েছে। আমি তাদের কাছে মাফ চেয়ে রওয়ানা করেছি মামলা ফেস করতে। আসতেও বাধা দিয়েছে। আমাকে হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ফেরত দেয়। সেটি বিশ্বের ১৫৬ পত্রিকায় প্রকাশ হয়। যার কারণে বিশ্ব সম্প্রদায়ের সহযোগিতা পেয়েছিলাম। ওই সময়ে প্রবাসী আওয়ামী লীগ নেতারা আমার পাশে ছিলেন। আপনাদের অবদান গণতন্ত্রের জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি আরও বলেন, অনেক ঘাত প্রতিঘাত চড়াই উৎরাই পেরিয়ে ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। দেশকে নিয়ে নানা কর্মসূচি করা শুরু করেছিলাম। অথচ ষড়যন্ত্র করে আমাদের ক্ষমতায় আসতে দেয়নি। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত ক্ষমতায় আসে। চলে আসে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর অকথ্য নির্যাতন।

লাইসেন্স ছাড়া হাসপাতাল-ক্লিনিক বন্ধের নির্দেশ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

ডেস্ক রিপোর্ট:

শপথ নেওয়ার ৫ দিনের মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। যেসব হাসপাতাল-ক্লিনিকের লাইসেন্স নেই সেগুলো বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে সচিবালয়ে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, নিবন্ধনহীন বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিক বন্ধ না হলে মন্ত্রণালয় কঠিন পদক্ষেপ নেবে।

শিশু আয়ানের মৃত্যুর বিষয়টি উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ঢাকায় খাতনা করতে গিয়ে ইউনাইটেড হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়েছে। এর বিরুদ্ধে তদন্ত হচ্ছে, তদন্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। তবে এরকম কার্যক্রম সমর্থনযোগ্য না।

এর আগে রোববার (১৪ জানুয়ারি) সচিবালয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করি, তবে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। পাঁচ থেকে পাঁচশ বেডে (বার্ন ইউনিট) উন্নীত করতে আমার অনেক কষ্ট হয়েছে। প্রথম প্রথম আমি অনেকের কাছে গিয়েছি। আমাকে অনেকে ফিরিয়ে দিয়েছেন, এমনকি আমার ফাইল ছুড়ে মেরেছে এরকম ঘটনাও আছে। কিন্তু আমি ধৈর্য ধরেছি। সবার সহযোগিতা পেয়েই এ জায়গায় এসেছি।’

ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দেয়ার জন্য আমি চেষ্টা করবো। ওটা করতে পারলে ঢাকা শহরে ফ্লোরে শুয়ে চিকিৎসা নিতে হবে না। আমি প্রত্যেকটা হাসপাতালে যাবো। কী কী সমস্যা আছে, জানবো। তারপর আমি একটা কর্মপরিকল্পনা করবো।

এদিকে, সারাদেশের অনিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এবং ব্লাড ব্যাংকের তথ্য পাঠাতে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ও সিভিল সার্জনদের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে এসব তথ্য পাঠাতে বলা হয়েছে।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ও সিভিল সার্জনদের দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, উপরোক্ত বিষয়ের পরিপ্রেক্ষিতে জানানো যাচ্ছে যে, আপনার নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় অবস্থিত অনিবন্ধিত (লাইসেন্স বিহীন) বেসরকারি হাসপাতাল/ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং ব্লাড ব্যাংকের তালিকা বিনা ব্যর্থতায় ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রেরণের জন্য অনুরোধ করা হলো।

এর আগেও কয়েকবার অভিযান চালিয়েছে অধিদপ্তর। বন্ধ করা হয়েছে হাসপাতাল-ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার। এবার নতুন করে উদ্যোগ নিলো অধিদপ্তর।