All posts by jitu

রাজনীতি থেকে অবসরের গুঞ্জন: মির্জা ফখরুল

ডেস্ক রিপোর্ট:

নির্দলীয় সরকারের অধীনে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে বিগত কয়েক বছর ধরে আন্দোলন করছে বিএনপি। সে আন্দোলনের চূড়ান্ত মুহূর্তে গত ২৮ অক্টোবর ঢাকার নয়াপল্টনে দলটির মহাসমাবেশ পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে পণ্ড হয়ে যায়। প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার অভিযোগে পর দিন ২৯ অক্টোবর গ্রেফতার করা হয় বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে। বিএনপির ভোট বর্জনের মধ্যেই ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ৩৮ দিন পর মুক্তি পান তিনি।

কারামুক্তির পর গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে বিএনপি মহাসচিবের কাছে জানতে চাওয়া হয় বিএনপির অভ্যন্তরে একটি গুঞ্জন আছে– ‘নানা কারণে’ কারামুক্তির পর আপনি রাজনীতি থেকে অবসর নিতে পারেন?

জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, যারা এগুলো বলেন বা শোনেন, তারাই এসব গুঞ্জন তৈরি করেন। যদি এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত নিই তা পাবলিকলি নেব। আমার রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম। সারাজীবন রাজনীতি করেছি, বাকি জীবনও করতে চাই। সব কিছু নির্ভর করবে শারীরিক সুস্থতার ওপর।

কারাগার থেকে বেরিয়ে আপনি বলেছেন, গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। এখন গণসংযোগ করছেন। কবে নাগাদ রাজপথে আন্দোলনের কর্মসূচি দেবেন?

জবাবে ফখরুল বলেন, হ্যাঁ, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার দাবিতে আমরা আন্দোলনে আছি এবং থাকব। এর কোনো বিকল্প নেই। দলীয় ফোরামের বৈঠকে সার্বিক বিষয় পর্যালোচনা করে আন্দোলনের কর্মসূচির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিএনপি ছাড়াই দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। এর মাধ্যমে টানা চতুর্থবারের মতো সরকার গঠন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। পরে মন্ত্রিসভা গঠন করে সংসদের প্রথম অধিবেশনও অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সৈয়দ আবু হোসেন বাবলাকে জাতীয় পার্টি থেকে অব্যাহতি

ডেস্ক রিপোর্ট:

সৈয়দ আবু হোসেন বাবলাকে জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান পদসহ দলীয় সকল পদ পদবী থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি, দলীয় গঠনতন্ত্রে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা-কে পার্টির কো-চেয়ারম্যান পদসহ দলীয় সকল পদ পদবী থেকে অব্যাহতি প্রদান করেন। যা ইতোমধ্যে কার্যকর করা হয়েছে।

রবিবার দলের যুগ্ম দপ্তর সম্পাদক মাহমুদ আলমের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

মেডিকেল সেক্টরে বড় মাফিয়া চক্র কাজ করে: হাইকোর্ট

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিশ্বজুড়ে মেডিকেল সেক্টরে বড় মাফিয়া চক্র কাজ করে বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। আদালত বলেছেন, মাফিয়াদের বড় টার্গেট তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোই।

রাজধানীর বাড্ডার সাতারকুলে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে খতনার পর শিশু আয়ানের (৫) মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা রিটের শুনানিতে এমন মন্তব্য করেন হাইকোর্ট।

এদিন মামলায় ইন্টার ভেনার পক্ষভুক্ত হয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুহাম্মদ শিশির মনির। তিনি মেডিকেল নেগলিজেন্স নিয়ে আবেদন করেছেন। এ বিষয়ে আগামী মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) শুনানি ও আদেশের জন্য দিন ঠিক করেছেন হাইকোর্ট।

রোববার ( ১৮ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের বিচারপতি মোস্তাফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি আতাবুল্লার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে প্রতিবেদন তুলে ধরেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়, সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম আযাদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আনিচ উল মাওয়া আরজু। আদালতে পক্ষোভুক্ত হওয়ার শুনানিতে ছিলেন শিশির মনির। তাকে সহযোগিতা করছেন অ্যাডভোকেট যায়েদ বিন আমজাদ। রিটের পক্ষে আইনজীবী এ বি এম শাহজাহান আকন্দ নিজেই শুনানি করেন। শুনানির সময় শিশুটির বাবা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে রাজধানীর বাড্ডার সাতারকুলে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে খতনার পর শিশু আয়ানের (৫) মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা রিটের বিষয়ে শুনানি ও আদেশের জন্য আগামী সপ্তাহে দিন ঠিক করেছিলেন হাইকোর্ট। এর আগে গত ( ১১ ফেব্রুয়ারি) হাইকোর্টের একই বেঞ্চ এ আদেশ দেন। তারই ধারাবাহিকতায় আজ সেটি সোনালীতে ওঠে।

শুনানিতে হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী, সারাদেশে অনিবন্ধিত হাসপাতাল, ক্লিনিক, ব্লাড ব্যাংক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার ১০২৭টি এবং নিবন্ধিত ১৫,২৩টি। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করা হয়েছে নিবন্ধিত। প্রতিবেদনের ওপরে আগামী সপ্তাহে শুনানি হবে।

এর আগে রাজধানীর বাড্ডার সাতারকুলে ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু আয়ানের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা রিটের বিষয়ে শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশের জন্য আজ ১১ ফেব্রুয়ারি দিন ঠিক করেন হাইকোর্ট। গত ২৯ জানুয়ারি হাইকোর্টের একই বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

গত ৩১ ডিসেম্বর আনন্দ নিয়েই রাজধানীর সাতারকুল ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয় শিশুটিকে। অনুমতি ছাড়াই ফুল অ্যানেস্থেসিয়া দিয়ে সুন্নতে খতনা করান চিকিৎসক। এরপর আর জ্ঞান ফেরেনি তার।

স্বজনরা জানান, আয়ানের সুন্নতে খতনার দিন অপারেশন থিয়েটারে মূলত ওই মেডিকেল কলেজের ৪০ থেকে ৫০ জন ইন্টার্ন চিকিৎসক ভেতরে ছিলেন। টানা সাতদিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর গত ৭ জানুয়ারি মধ্যরাতে আয়ানকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

শিশু আয়ানের মৃত্যুর ঘটনা কীভাবে ও কোন কারণে ঘটেছে তা যথাযথ অনুসন্ধানে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। তার মৃত্যুর ঘটনায় অবহেলা পেলে জড়িত চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও বলেন হাইকোর্ট। শিশু আয়ানের মৃত্যুর কারণ তদন্ত করে সাত দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে (স্বাস্থ্যসেবা) নির্দেশ দেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের পক্ষে চার সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন ২৯ জানুয়ারি আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

আদালতে ওইদিন রাষ্ট্রপক্ষে প্রতিবেদন তুলে ধরেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়, সঙ্গে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সেলিম আযাদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আনিচ উল মাওয়া আরজু। রিটের পক্ষে আইনজীবী এ বি এম শাহজাহান আকন্দ নিজেই শুনানি করেন। শুনানির সময় শিশুটির বাবা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

শুনানির শুরুতে প্রতিবেদন থেকে দুজন চিকিৎসক ও শিশুটির বাবার বক্তব্য তুলে ধরেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়। একপর্যায়ে আদালত বলেন, ময়নাতদন্ত হয়েছিল? তখন ইউনাইটেড হাসপাতালের পক্ষে উপস্থিত আইনজীবী কুমার দেবুল দে বলেন, একটি ফৌজদারি মামলায় হয়েছে, ময়নাতদন্ত হয়েছে।

চিকিৎসকসহ শিশুটির বাবার বক্তব্য উপস্থাপনের পর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায় বলেন, বেশ কিছু মেডিকেল টার্ম (চিকিৎসাশাস্ত্রে ব্যবহৃত শব্দ) আছে। পর্যবেক্ষণ অংশ একজন চিকিৎসক তুলে ধরবেন।

এরপর আদালতের অনুমতি সাপেক্ষে প্রতিবেদনের পর্যবেক্ষণ অংশ তুলে ধরেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক (আইন শাখা) পরিমল কুমার পাল। তিনি বলেন, পিএসিইউ করার সময় আয়ানের ওজন ১৮ কেজি লিপিবদ্ধ করা হয়। এ সময় আদালত বলেন, ওজন হলো প্রথম শর্ত। কিন্তু যখনই দেখা গেল তার সমস্যা আছে, তখন অস্ত্রোপচার রাখা উচিত ছিল।

এরপর আইনজীবী এ বি এম শাহজাহান আকন্দ শুনানিতে বলেন, প্রতিবেদনটিতে হেরফের (ম্যানিপুলেটেড) রয়েছে। যিনি অ্যানেসথেসিয়া দিয়েছেন, সাব্বির আহমেদ। বিএমডিসির ওয়েবসাইটে দেখেছি অ্যানেসথেসিয়ার ওপর তিনি ডিপ্লোমা করেছেন। পাস করেছেন ২০২২ সালে।

প্রতিবেদনে উল্লেখিত চার সুপারিশের মধ্যে প্রথমটি হচ্ছে হাসপাতালে একাধিক অ্যানেসথেসিওলজিস্ট (অবেদনবিদ) নিয়োগ দেওয়া; যা শুনানিতে তুলে ধরেন আইনজীবী শাহজাহান আকন্দ। একপর্যায়ে আদালত বলেন, পুরোটাই হাস্যকর। আদালত বলেন, হাসপাতালের অনুমোদন আছে? তখন আইনজীবী শাহজাহান আকন্দ বলেন, সরকারের অনুমোদনের পরে হাসপাতালের কার্যক্রম শুরু করা এবং হাসপাতালে আইসিইউ ব্যবস্থা রাখার কথা সুপারিশে বলা হয়েছে। এ সময় আদালত বলেন, এটা একধরনের আই ওয়াশ (লোক দেখানো)। রিট আবেদনকারী আইনজীবী শাহজাহান আকন্দ বলেন, এটি ম্যানিপুলেট রিপোর্ট। অধিকতর তদন্ত চাই। তখন আদালত বলেন, হলফনামা আকারে বক্তব্য দাখিল করেন।

পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্রে সানি লিওনের ছবি, তদন্তে পুলিশ

ডেস্ক রিপোর্ট:

পুলিশ কনস্টেবল হওয়ার পরীক্ষা নাকি দিচ্ছেন লাস্যময়ী অভিনেত্রী সানি লিওন! অন্তত পুলিশের পরীক্ষার প্রবেশপত্র এমনটাই বলছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে এমনই এক ছবি। তাতে দেখা যাচ্ছে, ভারতের উত্তরপ্রদেশে পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ডে ছাপানো হয়েছে এই বলিউড অভিনেত্রীর ছবি।

শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এক উদ্ভট পরিস্থিতিতে অভিনেত্রী সানি লিওনের ছবি উত্তরপ্রদেশ পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষার প্রবেশপত্রে দেখা গেছে। ‘সানি লিওন’ নামের অ্যাডমিট কার্ড এবং এই অভিনেত্রীর ছবি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। প্রবেশপত্রে পরীক্ষার তারিখ রয়েছে শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)।

উত্তরপ্রদেশ পুলিশ রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড প্রমোশন বোর্ডের (ইউপিপিআরবি) ওয়েবসাইটে সানি লিওনের ছবি দিয়ে নিবন্ধন করা হয়েছে। ইউপিপিআরবি শনিবার রাজ্যটির ৭৫টি জেলায় ২ হাজার ৩৮৫টি পরীক্ষা কেন্দ্রে এই নিয়োগ পরীক্ষা নেয়।

ফর্ম অনুসারে, সানি লিওনের পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল কনৌজের তিরওয়া তহসিলের শ্রীমতি সোনেশ্রী মেমোরিয়াল গার্লস কলেজ। কনৌজ পুলিশের সাইবার সেল এই বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে।

সংবাদমাধ্যম বলছে, উত্তর প্রদেশ পুলিশ রিক্রুটমেন্ট অ্যান্ড প্রোমোশন বোর্ডের ওয়েবসাইটে কনস্টেবল পদের জন্য রেজিস্ট্রেশনেই সানি লিওনের ছবি দেখা গেছে। শনিবার ছিল কনস্টেবল পদে নিয়োগের পরীক্ষা। সেখানেই দেখা যায়, অ্যাডমিট কার্ডে সানি লিওনের ছবি। এরপরই পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই অ্যাডমিট কার্ড যার নামে, সেই পরীক্ষার্থী পরীক্ষাই দিতে আসেননি। পরে যাচাই করে দেখা যায়, অ্যাডমিট কার্ডটি নকল। রেজিস্ট্রেশনের জন্য যে মোবাইল নম্বরটি দেওয়া হয়েছিল, তা উত্তর প্রদেশের হলেও, ঠিকানা দেওয়া মুম্বাইয়ের।

রেজিস্ট্রেশনের সময়ই অভিনেত্রীর ছবি আপলোড করা হয়েছিল। অন্যদিকে যার নামে রেজিস্ট্রেশন হয়েছিল অ্যাডমিট কার্ডটি, তাকে তলব করা হয়েছে। কনৌজ পুলিশের সাইবার সেল এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

সংবাদমাধ্যম বলছে, উত্তর প্রদেশের এই কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষায় শনিবার কমপক্ষে ১২০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরা সকলেই ভুয়া পরীক্ষার্থী ছিলেন।

চৌদ্দগ্রামে নারী উদ্যোক্তা মেলার উদ্বোধন

ফখরুদ্দীন ইমন:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বসন্ত বরণ উৎসব-২০২৪ উপলক্ষে উপজেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় তিনদিন ব্যাপী নারী উদ্যোক্তা মেলা-২০২৪ এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার বিকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেপি দেওয়ান মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন এবং মেলার সফলতা কামনা করেন।

চৌদ্দগ্রাম নারী উদ্যোক্তা সংগঠন, কুমিল্লা ও নবনীতা যুব মহিলা ক্লাব এর যৌথ উদ্যোগে রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে এ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রাশেদা আখতার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তমালিকা পাল।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট নারী উদ্যোক্তা তাহমিনা রহমান টুম্পা, রুবিনা আলম রুবি, ফাহিমা আক্তার পপি, তানিয়া রহমান, জান্নাতুল ফেরদাউস, সানজিদা রহমান, শারমিন সুলতানা সাথী, শামীমা সুমি, জান্নাতুল ফেরদাউস জান্নাত, ফারহানা দিবা, শামীমা সুলতানা প্রমুখ।

উল্লেখ্য, চৌদ্দগ্রাম উপজেলায় এই প্রথম নারী উদ্যোক্তা মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। মেলাটি রোববার থেকে মঙ্গলবার (১৮-২০ ফেব্রুয়ারি-২০২৪) প্রতিদিন সকাল নয়টা থেকে সন্ধ্যা ছয়টা পর্যন্ত চলবে। এখানে ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ১৭টি স্টল রয়েছে। যাতে নারীদের পোষাক, প্রসাধনী সামগ্রী, হস্ত ও কুটির শিল্প সামগ্রী, ফল-ফুলের চারা গাছ, শিশুদের খেলনা সামগ্রী, হোমমেইড ফুড-কেক ও পিঠা সহ বাহারী খাবার পাওয়া যাবে। সুন্দর একটি মেলার আয়োজন করায় আয়োজক কমিটি ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রশাসনকে আন্তরিক ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন উপজেলার বিভিন্ন নারী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সহ সাধারণ ক্রেতা-দর্শনার্থী ও নারী উদ্যোক্তারা। এ সময় তাঁরা মেলার সার্বিক সফলতা কামনা করে ভবিষ্যতেও এমন আয়োজনের অনুরোধ জানান।

কোনো অভিনেত্রীই আইটেম গার্লের পরিচয় বহন করতে চায় না: নোরা

বিনোদন ডেস্ক:

বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফাতেহি। পর্দায় আর শুধু ‘আইটেম ড্যান্স’ নয়, এবার ভিন্নভাবে নিজেকে মেলে ধরতে চান তিনি। এমন একটি সিনেমায় অভিনয় করতে চান, যেখানে তিনি অ্যাকশন করার সুযোগ পাবেন।

পরিচালকদের কাছে নোরার অনুরোধ এমন কোনো সিনেমার জন্য যেন তাকে ভাবা হয়।

উল্লেখ্য, ‘ক্র্যাক’ সিনেমাতে নোরা একটি বিশেষ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। মূলত অ্যাকশনধর্মী সিনেমা এটি। যেখানে পর্দায় স্টান্ট করতে দেখা যাবে নোরাকে। বিদ্যুত্ জামাল ও অর্জুন রামপাল এই সিনেমার দুই স্তম্ভ।

বলিউডের অন্যতম শরীরসচেতন অভিনেতা হিসাবে দুজনেরই পরিচিতি রয়েছে। দুজনের সঙ্গে কাজ করে পর্দায় অ্যাকশন করার প্রতি একটি বাড়তি উত্সাহ পেয়েছেন নোরা। তিনি চান পুরো সিনেমায় তিনি স্টান্ট করবেন।

মারধরের দৃশ্যে অভিনয় করবেন। নোরার মতে, একজন নৃত্যশিল্পীকেও খেলোয়াড়দের মতো ফিট হতে হয়। দুই ক্ষেত্রেই ফিটনেস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

নোরা বলেন, আমি নিজে একজন ড্যান্সার। আমি জানি নাচ করতে গেলে ঠিক কতটা ফিট থাকা জরুরি। আমার বিশ্বাস, আমাকে যদি কেউ এমন কোনো চরিত্রের জন্য ভাবেন তা হলে আমি নিরাশ করব না। তা ছাড়া কোনো অভিনেত্রী নিজে আইটেম গার্লের পরিচয় বহন করতে চায় না। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই গণ্ডি থেকে বের হতে চাই। বিশ্বাস রয়েছে নির্মাতারা আমার এই চাওয়ার মূল্যায়ন করবেন।

নোয়াখালীতে গাছ চাপা পড়ে আ.লীগ নেতার মৃত্যু

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে গাছ চাপা পড়ে এক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে।

নিহত আব্দুর রব (৬৫) উপজেলার চরজুবলি ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর কচ্ছপিয়া গ্রামের ছেলে মৃত মমতাজ মিয়ার ছেলে এবং তিনি নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ছিলেন।

রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার চরজুবলি ইউনিয়নের ৪নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুর রব ডাক্তার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুরের দিকে নিজ বাড়িতে শ্রমিকদের দিয়ে গাছ কাটানোর কাজ করাচ্ছিলেন আব্দর রব। ওই সময় সেখানে গাছ কাটার কাজের তদারকি করছিলেন তিনি। একপর্যায়ে একটি করই গাছ কাটার সময় তার শরীরে পড়লে তিনি গাছের নিচে চাপা পড়ে অজ্ঞান হয়ে যান ।

পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। নিজের গাছ কাটানোর সময় এ দুর্ঘটনা ঘটে। কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মুশতাক-তিশা দম্পতির ভিডিও সরাতে আইনি নোটিশ

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঢাকার মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির সাবেক সদস্য খন্দকার মুশতাক আহমেদ ও প্রতিষ্ঠানটির একাদশ শ্রেণির ছাত্রী সিনথিয়া ইসলাম তিশাকে সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যম থেকে ভিডিও সরিয়ে নিতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জাকির হোসাইনের পক্ষে অ্যাডভোকেট মো. তানভীরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার ডাকযোগে এ নোটিশ পাঠান।

নোটিশে বলা হয়, এই দম্পতির অসম বিয়ে, বিয়ের পূর্বের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে ভিডিও তৈরি করছেন এবং সাক্ষাৎকার দিয়ে সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করছেন। মুশতাক-তিশার এ ধরনের ভিডিও সমাজের জন্য কোনো উপকার বয়ে আনে না। বরং তরুণ প্রজন্মকে কুপথের দিকে ধাবিত করে।

নোটিশ পাওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে মুশতাক-তিশা দম্পতির দৃশ্যমান যত প্রকাশনা, ভিডিও ও সাক্ষাৎকার রয়েছে তা সরিয়ে নিতে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো ভিডিও তৈরি থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।

নোটিশে উল্লিখিত সময়ের মধ্যে মুশতাক-তিশা দম্পতিকে কেন্দ্র করে তৈরি করা কনটেন্ট/ভিডিও/সাক্ষাৎকার যা এরই মধ্যে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে ছাপা হয়েছে এবং সামাজিকযোগাযোগ মাধ্যমে দৃশ্যমান রয়েছে তা প্রত্যাহার করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে।

যদি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ভিডিও ডিলিট না করা হয় এবং ভবিষ্যতে মুশতাক-তিশা দম্পতির এমন ভিডিও করতে থাকে তাহলে সাইবার সিকিউরিটি আইন, ২০২৩ ও দেশের প্রচলিত আইনের অধীনে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

উখিয়া ক্যাম্পে সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে রোহিঙ্গা খুন

ডেস্ক রিপোর্ট:

কক্সবাজারের উখিয়া ক্যাম্পে ছুরিকাঘাতে বাদশা মিয়া (৩৮) নামে এক রোহিঙ্গাকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উখিয়া জামতলী ক্যাম্পে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত বাদশা উখিয়ার জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বাসিন্দা সিরাজুল মিয়ার ছেলে। রোববার দুপুর ১২টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়া থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম হোসেন।

ওসি বলেন, অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী ঘর থেকে ডেকে প্রথমে মারধর করে। পরে রোহিঙ্গাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে তাকে উদ্ধার করে এমএসএফ হাসাপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে কী কারণে হত্যা করা হয়েছে সেটি জানা যায়নি।

মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে মুস্তাফিজুর রহমান

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের অনুশীলনে গুরুতর চোটের শিকার হলেন পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। বল করে ফেরার সময় তার মাথায় এসে আঘাত লাগে বলের।

ঘটনার পর পরই তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালের পথে রওয়ানা হয়েছে মেডিকেল টিম।

সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে ম্যাচের আগে রোববার অনুশীলন করছিলেন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ক্রিকেটাররা। জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বল করছিলেন মুস্তাফিজ।

একটি ডেলিভারির পর যখন ফিরে যাচ্ছিলেন আরেকটি ডেলিভারির জন্য, এমন সময় বল এসে আঘাত করে মুস্তাফিজের মাথার পেছনের দিকে। বলের আঘাতে মাথা থেকে রক্তও বের হতে দেখা যায়।

সঙ্গে সঙ্গে কাটার মাস্টার খ্যাত তারকা এই পেসার মাটিতে বসে পড়েন। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে নেওয়া হয় এপোলো ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে।

মূলত ঝুঁকি এড়ানোর জন্যই এই সতর্কতা অবলম্বন করেছে মেডিকেল বিভাগ। চোট কতটা গুরুতর বা ঝুঁকিপূর্ণ কি না তা বোঝা যাবে পরীক্ষানিরীক্ষার পর।