All posts by jitu

দাউদকান্দি তিতাসের মানুষ নৌকার প্রতি আস্থাশীল : ইঞ্জিঃ আব্দুস সবুর

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

দাউদকান্দি তিতাসের মানুষ জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নে নৌকা মার্কার প্রতি আস্থাশীল। ৭ জানুয়ারীর নির্বাচনে তারা নৌকাকে বিজয়ী করতে উন্মুখ হয়ে আছেন।

রবিবার(৩১ ডিসেম্বর) দাউদকান্দি উপজেলার পাছঁগাছিয়া, পদুয়া ও গোয়ালমারী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নৌকা মার্কার নির্বাচনী গণসংযোগ ও পথসভায় কুমিল্লা- ১(দাউদকান্দি-তিতাস) আসনের আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিঃ আব্দুস সবুর একথা বলেন।

অবহেলিত দাউদকান্দির দক্ষিনাঞ্চলের বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে বলেন, নির্বাচিত হলে দক্ষিনাঞ্চলে রাস্তাঘাট, সেতু, খাল খননসহ বেরিবাধ নির্মানের মাধ্যমে দক্ষিনাঞ্চলের গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করতে কাজ করবো। আর গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করা জননেত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গিকার।

আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক আব্দুস সবুর আরও বলেন, নির্বাচিত হলে দাউদকান্দি তিতাস থেকে সন্ত্রাস নির্মূল করব। দাউদকান্দি তিতাসকে মডেল উপজেলায় রূপান্তরিত করা হবে। এখানে কোনো চাঁদাবাজি হবে না। কোনো ব্যবসায়ীকে চাঁদা দিতে হবে না। দাউদকান্দি তিতাসে আপনাদের যে সমস্যাগুলো আছে, প্রত্যেকটি সমস্যা সমাধান করা হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যা উন্নয়ন হয়েছে ৪০ বছরে ইতিহাসে তা কেউ করে দেখাতে পারেনি, এ ধারা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকেই পঞ্চমবারের মতো ক্ষমতায় আনতে হবে। উন্নয়নের করতে চাইলে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সঙ্গে থাকতে হবে, বাংলাদেশের উন্নয়নে আওয়ামীলীগ যা করেছে অতীতে তা কেউ কোনো দিন করে নাই। এই এলাকার কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোকে আরো আধুনিক করে স্বাস্থ্যসেবা জনগনের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে কাজ করবো।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তাই আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর মার্কা নৌকা এবং শেখ হাসিনার মার্কা নৌকাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে শেখ হাসিনাকে পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী করতে হবে। তাহলে দেশ বাঁচবে, জাতি বাঁচবে, আপনারা বাঁচবেন।
গণসংযোগ ও পথসভায় বক্তব্য রাখেন, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের বর্ষিয়ান সাংবাদিক শাজাহান, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আব্দুল মান্নান জয়, বশিরুল আলম মিয়াজী, দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এডঃ আহসান হাবীব চৌধুরী লীল, সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিঃ মহিউদ্দিন শিকদার, মুক্তিযুদ্ধ কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার মুক্তিযোদ্ধা খোরশেদ আলম, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, জেলা শ্রমিকলীগ সভাপতি রকিব উদ্দিন রকিব, পদুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মনির হোসেন, গোয়ালমারী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির বাদল, আওয়ামী লীগ নেতা মোশাররফ হোসেন, পদুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক মহসিন খান প্রমূখ।

কুমিল্লা তিতাসের চাঞ্চল্যকর মোস্তফা কামাল হত্যার ২ আসামি গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় ডাকাতির টাকা পয়সা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে মোস্তফা কামাল নামের একজনকে খুন করা হয়েছে। ১৮ ডিসেম্বর দুপুরে উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের নয়াচর গ্রামের হোরন মিয়ার চায়ের দোকানের সামনে তাস খেলার মাঝে এ ঘটনা ঘটে।

রোববার (৩১ ডিসেম্বর)  দুপুরে  কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার মো. আব্দুল মান্নান সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

গ্রেফতার দুই আসামি হলেন, এজাহারনামীয় আসামি তিতাস উপজেলার খোশকান্দি গ্রামের মো. নাজিম উদ্দীন (৩৯) ও রুমন ব্যাপারী ওরপে সুমন।

জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বলেন, হত্যাকাণ্ডের শিকার মোস্তফা কামাল (৩৩) ও এজাহারভুক্ত আসামি সাইদুল(৩৬), নাজিম উদ্দিন(৩৯) ও মো. মাইন উদ্দীন একই গ্রামের বাসিন্দা। তারা সবাই আন্ত:জেলা ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। কিছুদিন পূর্বে ডাকাতির টাকা পয়সা ভাগাভাগিকে কেন্দ্র করে মোস্তফা কামালের সাথে সাইদুল, নাজিম ও মাইন উদ্দীনের কথা কাটা-কাটি ও একপর্যায়ে মারামারি হয়। এই প্রেক্ষিতে সাইদুল, নাজিম ও মাইন উদ্দীন ভিকটিম মোস্তফা কামালের উপর ক্ষুব্ধ ছিল। এতে তাদের মাঝে বিরোধ তৈরি হয়।

গত ১৮ ডিসেম্বর দুপুরে নারান্দিয়া ইউনিয়নের নয়াচর গ্রামের হোরন মিয়ার চায়ের দোকানের সামনে তাস খেলছিল। এসময় আসামি সাইদুল ও নাজিম উদ্দীন মোস্তফা কামালকে ঘাড়ে, মাথায় ও কপালে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। পরে আসামিরা আত্মগোপনে চলে যায়। এঘটনার পর তিতাস উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের রুজিনা আক্তার (৩১) স্বামী হত্যার বিচার চেয়ে বাদী হয়ে তিতাস থানার মামলা দায়ের করে। গত ৩০ ডিসেম্বর হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত মোঃ নাজিম উদ্দীনকে (৩৯) ও পরে রুমনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে উক্ত হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার আশফাকুজ্জামান, মো. নাজমুল হাসান, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজেশ বড়ুয়া।

কুমিল্লায় অবৈধ পরকীয়া প্রেমের বলি শিশু সায়মন হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লায় পরকীয়া দেখে “দেইখা ফালাইছি হগলরে কইয়া দিমু” বলায় সায়মন নামের এক শিশুকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।

রবিবার প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন, পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান। এ ঘটনাগ জড়িত মো. খেলু পাঠানের ছেলে মো. বিল্লাল পাঠান (৪২) নামের একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বলেন, এঘটনার পর পুলিশ মো. বিল্লাল পাঠানকে গ্রেফতার করে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকান্ডে সে এবং এই মামলার এজাহারনামীয় আসামি শেফালী আক্তার (৪২) জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। সে জানায় যে, শেফালী আক্তার সম্পর্কে তার জেঠস (স্ত্রীর বড় বোন)। শেফালীর স্বামী প্রবাসী হওয়ায় তাদের মাঝে একটা অবৈধ পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক হয়।

১৬ আগস্ট বিকেলে বিল্লাল পাঠান ও শেফালী অনৈতিক কাজে লিপ্ত হয়। তাদের এই অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকা অবস্থায় ঐ বাড়িতে খেলতে যাওয়া শিশু সায়মন তাদেরকে নগ্ন অবস্থায় দেখে ফেলে।

এ সময় সায়মন বলে যে, “দেইখা ফালাইছি হগলরে কইয়া দিমু।” শিশু সায়মনের এমন কথা শুনে বিল্লাল আতঙ্কিত হয়ে সায়মনের গলা ও মুখ চেপে ধরে। একই সাথে সায়মন যেনো এই কথা কাউকে জানাতে না পারে এটি নিশ্চিত করার জন্য হত্যার পরিকল্পনা করে। শেফালী তার ঘরে থাকা আলমারীর ওপর থেকে ছুরি এনে দিলে আসামি বিল্লাল শিশু সায়মনের বুকের দুই পাশে তিন থেকে চারটি গভীর ছুরিকাঘাত করে।

এভাবে সে দাঁড়িয়ে থেকে শিশু সায়মনের মৃত্যু নিশ্চিত করে। এরপর আসামি বিল্লাল ও শেফালী ঘরে থাকা প্লাস্টিকের বস্তায় সায়মনের লাশ ঢুকিয়ে খাটের নিচে রেখে দেয়। রাত ১২টার পর লাশ গুম করার জন্য বাড়ির পাশে বালুর মাঠে কাশবনের ঝোঁপের মধ্যে বস্তাবন্দী লাশ ফেলে দিয়ে নিজ বাড়িতে চলে আসে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার আশফাকুজ্জামান, মো. নাজমুল হাসান, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজেশ বড়ুয়া।

চোরাগোপ্তা হামলা নিয়ে কাজ করছে গোয়েন্দারা: র‍্যাব মহাপরিচালক

ডেস্ক রিপোর্ট:

র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক (ডিজি) এম খুরশীদ হোসেন বলেছেন, নির্বাচনের দিন স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে যারা কাজ করবে তাদের মধ্যে সমন্বয় থাকবে। কোথাও ক্রাইসিস হলে সেখানে আমরা দ্রুত যাবো। নির্বাচন ঘিরে এখনো কোনো হুমকি নেই। চোরাগোপ্তা হামলার বিষয়ে আমাদের গোয়েন্দারা কাজ করছে। এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ আসনগুলোতে আমরা আলাদা নজরদারির মাধ্যমে কাজ করবো।

রোববার চট্টগ্রাম র‍্যাবের সদর দপ্তরে গরীব দুস্থদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

র‍্যাব ডিজি জানান, নির্বাচনের আগে আমরা কাজ করছি। নির্বাচনের দিনও আমাদের দায়িত্ব থাকবে। ভোটাররা যেন কেন্দ্রে যেতে পারে এবং ভোট গ্রহণের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নিরাপত্তা দেওয়া আমাদের দায়িত্ব।

তিনি জানায়, যে কারো সাংবিধানিকভাবে ভোট দেওয়া না দেওয়ার অধিকার রয়েছে। যদি কেউ মনে করে ভোট দেবে না সেটা তার বিষয়। তবে কেউ ভোট দিতে চায় আর কেউ যদি বাধা দেয়, আমরা সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেব। কে হারবে, কে জিতবে সেটি আমাদের বিষয় না। আমাদের লক্ষ্য সুষ্ঠু নির্বাচনে সহায়তা করা।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন আগেই নির্দেশনা দিয়েছেন। অবৈধ অস্ত্র তো অবশ্যই ধরব। বৈধ অস্ত্রের যদি অবৈধ ব্যবহার হলে সেক্ষেত্রেও ব্যবস্থা নেব।

রিজভীকে খোঁজা হচ্ছে, শিগগিরই গ্রেপ্তার : ডিবি হারুন

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে খোঁজা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। তিনি বলেন, রিজভীকে শিগগির আইনের আওতায় আনা হবে।

রোববার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে মিন্টো রোডের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

হারুন অর রশীদ বলেন, যাদের বিরুদ্ধে মামলা ছিল অনেক বড় বড় নেতাকে আমরা গ্রেপ্তার করেছি। রুহুল কবির রিজভীকে খোঁজা হচ্ছে, তাকেও শিগগির আইনের আওতায় আনা হবে।

রিজভীকে উদ্দেশ্য করে ডিবিপ্রধান বলেন, একজন অসুস্থ মানুষ একটু পর পর আন্দোলনের ঘোষণা করে। একজন অসুস্থ মানুষ কীভাবে এসব আন্দোলনের ঘোষণা করে। উনি হুটহাট বের হয়ে প্রায়ই দেশবিরোধী কথা বলে। এসব কথা রাষ্ট্রবিরোধী। তাকে খুঁজে পেলেই গ্রেপ্তার করা হবে।

সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সব থমকে যেতে পারে: ইসি আনিছুর

ডেস্ক রিপোর্ট:

সুষ্ঠু নির্বাচন না হলে দেশের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে যাবে। ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সব কিছু থমকে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আনিছুর রহমান।

রোববার সকালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

এই নির্বাচন কমিশনার জানান, আমরা শুধু আমাদের দৃষ্টিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করলে হবে না। আমাদের দিকে সমগ্র বিশ্ব তাকিয়ে। এ নির্বাচন যদি সুষ্ঠু, সুন্দর এবং গ্রহণযোগ্য না করতে পারি, তাহলে ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। বাংলাদেশে সব বিষয়, বিশেষ করে আর্থিক, সামাজিক, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সব কিছু থমকে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বাংলাদেশ হয়তোবা বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

তিনি আরও জানায়, আর মাত্র ছয়দিন পর দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নির্বাচন যে কোনো মূল্যে সুষ্ঠু, অবাধ ও অংশগ্রহণমূলক করতে হবে। সেই উদ্দেশ্যে ২৮ নভেম্বর থেকে মাঠে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা আছেন। আচরণবিধি প্রতিপালনে তারা কাজ করে যাচ্ছেন নিরলসভাবে। এবারই প্রথম প্রতিটা আসনভিত্তিক সার্বক্ষণিক জুডিশিয়াল অফিসার দিয়ে ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি করা হয়েছে। উভয় মাঠে খুব ভালো কাজ করেছে। এক মাসেরও বেশি সময় পুরো মাঠ চষে বেড়িয়েছি। সিইসিসহ অন্যান্য কমিশনাররা দেশের বিভিন্ন স্থানে গেছেন।

নির্বাচন কমিশনার মো. আনিছুর রহমান জানান, আমরা লক্ষ্য করেছি, আচরণবিধি প্রতিপালনে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন ম্যাজিস্ট্রেটরা। একই সঙ্গে যে অভিযোগগুলো তাদের কাছে এসেছে, আর তারা যেটা সমাধান করতে পারেনি বা রিটার্নিং, সহকারী রিটার্নিং অফিসার সেগুলো ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি কমিটিকে দিয়েছে, তারা কারও কারও হাজিরা চেয়েছেন। কাউকে শোকজ করেছেন, লিখিত ব্যাখ্যা চেয়েছেন। এভাবে নিষ্পত্তি করেছেন। কিছু আমাদের কাছে এসেছে, আমরা সেগুলোর ব্যবস্থা নিয়েছি।

সুষ্ঠু নির্বাচন করতে ইসির চেষ্টার শেষ নেই জানিয়ে তিনি বলেন, অন্যান্য যে কোনো নির্বাচনের তুলনায় এবার সহিংসতা খুব কম। যদিও ক্ষেত্র বিশেষে দু-একটা ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া আচরণবিধি লঙ্ঘন অন্যবারের চেয়েও কম। তারপরও আমরা আত্মতুষ্টিতে ভুগতে চাই না।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রথম দফার প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ৪৩১ জন ম্যাজিস্ট্রেট অংশ নেন।

‘এবারের নির্বাচনে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট মাথায় রাখতে হবে’

ডেস্ক রিপোর্ট:

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, এবারের নির্বাচনে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট মাথায় রাখতে হবে। কেননা দেশের স্বার্থে,অর্থনীতির স্বার্থে ও সমাজের স্বার্থে এই প্রেক্ষাপটের বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রোববার তিনি এসব কথা বলে। রাজধানীর শেবেবাংলা নগরের বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কক্ষে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

সিইসি জানান, বিভিন্ন রাষ্ট্র আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে। তারা আশা করছে যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হয়। তারা যখন আশা করে তখন শক্তভাবেই করে। এ বিষয়টি ভাবতে হবে।

নির্বাচন কমিশন সচিব মো. জাহাংগীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুর আউয়াল।

বিশেষ অতিথি ছিলেন নির্বান কমিশনার মো. আনিছুর রহমান এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধেুরী।

বক্তৃতা করেন নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক আসাদুজ্জামান।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, নির্বাচনকে সংঘাতমুক্ত রাখতে হবে। অবাধ, সুষ্ঠ ও গ্রহণযোগ্য করতে আপনাদের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় নির্বাচন কমিশনার আনিছুর রহমান বলেন, সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করা ছাড়া আমাদের কোনো গন্তন্তর নেই। কাজেই আপনাদে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। এ নির্বাচন শুধু আমাদের বিষয় নয়। পুরো বিশ্ব আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। আমরা যদি অবাধ, সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে না পারি তাহলে সামনে খারাপ দিন অপেক্ষা করছে। এক্ষেত্রে আর্থিক, সামাজিকসহ নানাভাবে বাংলাদেশকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার সম্ভাবনা আছে। সুতরাং ৫দিন আপনাদের কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে।

মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বান করব, এটা আমাদের প্রত্যয়। আমাদের সারা বিশ্বে প্রমাণ করতে হবে যে, আমরা অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করছি।

নতুন পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

২০২৪ শিক্ষাবর্ষে বিভিন্ন স্তরের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হল থেকে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দিয়ে এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মণির সভাপতিত্বে নতুন বই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

বই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধনের পর নতুন বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ সোমবার পয়লা জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় আলাদাভাবে কেন্দ্রীয় পাঠ্যবই উৎসব উদযাপন করবে।

অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ২০২৪ শিক্ষাবর্ষের জন্য প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, কারিগরি, মাদ্রামাসহ বিভিন্ন স্তরে ৩ কোটি ৮১ লাখ ২৮ হাজার ৩২৪ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৩০ কোটি ৭০ লাখ ৮৩ হাজার ৫১৭টি পাঠ্যবই বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। যার বাজারমূল্য ১৪শত কোটি টাকারও বেশি।

ভারতের মহারাষ্ট্রে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৬

ডেস্ক রিপোর্ট:

ভারতের মহারাষ্ট্রে একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ৬ জন নিহত হয়েছেন। রোববার ভোরে ফ্যাক্টরিটিতে আগুন লাগার পর ওই ছয়জন সেখানে আটকা পড়েছিলেন। পরে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার ভোরে মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে একটি হ্যান্ড গ্লাভস প্রস্তুতকারক কোম্পানির কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে কমপক্ষে ছয়জন নিহত হয়েছেন।

ফায়ার বিভাগের কর্মকর্তাদের মতে, রাজ্যটির ওয়ালুজ এমআইডিসি এলাকায় অবস্থিত ওই কারখানায় রোববার ভোররাতে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা গিয়ে আটকে পড়াদের মরদেহ উদ্ধার করে।

এনডিটিভি আরও জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের পর প্রাথমিকভাবে স্থানীয়রা দাবি করেন, ভবনের ভেতরে অন্তত পাঁচজন শ্রমিক আটকা পড়েছেন। তবে দমকল বিভাগের কর্মকর্তারা পরে আগুনের ঘটনায় ছয়জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শ্রমিকরা জানান, আগুন লাগার সময় তারা ঘুমাচ্ছিলেন। এক শ্রমিক বলেছেন, অগ্নিকাণ্ডের সময় ১০-১৫ জন কর্মী ভবনের ভেতরে ঘুমাচ্ছিলেন। আগুন লাগার পর কেউ কেউ পালিয়ে যেতে সক্ষম হন, কিন্তু অন্তত পাঁচজন ভেতরে আটকা পড়েছিলেন।

আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত করা যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিনেতা থালাপতি বিজয়কে লক্ষ্য করে জুতা নিক্ষেপ

ডেস্ক রিপোর্ট:

দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেতা থালাপতি বিজয়কে লক্ষ্য করে জুতা নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় অভিনেতা-রাজনীতিবিদ বিজয় কান্তকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগযাযোগমাধ্যম এক্সে।

বৃহস্পতিবার দেশটির চেন্নাইয়ে এ ঘটনা ঘটে। ভিডিওতে দেখা যায়, ভিড়ের মধ্য দিয়ে হাঁটার সময় থালাপতি বিজয়কে লক্ষ্য করে জুতা নিক্ষেপ করা হয়। এতে অভিনেতার মুখে জুতার আঘাত লাগে।

ভিডিওতে আরও দেখা গেছে, জুতা লাগার পরও বিজয় আর পেছন ফিরে তাকাননি। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা এক ব্যক্তি জুতাটি যেদিক থেকে এসেছিল, সেদিকেই আবার ছুড়ে দেন। তবে কেন থালাপতি বিজয়কে লক্ষ্য করে জুতা নিক্ষেপ, তা স্পষ্ট নয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ে মৃত্যু হয় বিজয় কান্তের। বেশ কিছু দিন ধরে ভেন্টিলেটর সাপোর্টে ছিলেন তিনি। শুক্রবার তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।