All posts by jitu

পূর্ব বিরোধের জেরে ধরে কৃষকের ঘরে ডাকাতির অভিযোগ

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নে জায়গা-জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে কৃষক মো. খোকন মিয়ার বসত ঘরে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে।

গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে উপজেলার চর শুল্লুকিয়া গ্রামের পাটোয়ারী বাড়িতে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী কৃষক মো. খোকন মিয়া চর শুল্লুকিয়া গ্রামের মফিজুর রহমানের ছেলে।

ভুক্তভোগী কৃষক খোকন মিয়া অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ তাদের প্রতিবেশী নুর মোহাম্মদ ও তার ছেলেদের সঙ্গে জায়গা-জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে খোকনের। ওই বিরোধকে কেন্দ্র করে বেশ কয়েকবার নুর মোহাম্মদ ও তার ছেলে মামুন হোসেন, সজিব ও সাকিব খোকনের পরিবারকে হামলা-মামলার হুমকি দেয়।

তিনি বলেন, মঙ্গলবার বিকালে আমি আমার পালিত বড় জাতের গরু ১ লাখ ৫ হাজার টাকা বিক্রি করে বসত ঘরে রেখে ঘুমিয়ে পড়ি। গরু বিক্রির টাকা বসত ঘরে রাখা আছে টের পেয়ে নুর মোহাম্মদ মিয়া তার ছেলেদের দিয়ে স্থানীয় সন্ত্রাসী ডাকাত সামছুদ্দিন স্বপনসহ একাধিক ডাকাত ভাড়া করে রাত দেড়টার দিকে আমার বসত ঘরে হামলা চালিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে সবাইকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ফেলে। এসময় বাক্স ভেঙ্গে গরু বিক্রি নগদ ১ লাখ ৫ হাজার টাকা, গৃহবধূর শরীর থেকে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে ঘরের লোকজনের সঙ্গে হামলাকারীদের বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে আশপাশের লোকজন টের পেয়ে এগিয়ে আসতে চাইলে কয়েকটি ককটেল পাটিয়ে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।

অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদের ছেলে মো. মামুন বলেন, খোকন মিয়া আমার চাচা হয়। তাদের সঙ্গে আমাদের জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। মঙ্গলবার রাতে তিনি লোকজন নিয়ে আমাদের জমিতে থাকা ঘরের মধ্যে আমার স্ত্রীকে মারধর করে মালামালসহ পুরো ঘর তুলে নিয়ে যায়। পরে তারা নিজেদের ঘরে ভাংচুর করে আমাদেরকে পাষানোর জন্য থানায় আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে।

সুধারাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহিদুল হক রনি বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি ডাকাতির ঘটনা ঠিক নয়। জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলাকারীরা তাদের পরিচিত লোকজন। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নাশকতার মামলায় নোয়াখালী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী গ্রেপ্তার

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নাশকতার মামলায় নোয়াখালী জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী মাওলানা নিজাম উদ্দিন ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৮ নভেম্বর) সকাল সোয়া ৯টার দিকে নোয়াখালী পৌরসভার ৪নম্বর ওয়ার্ডের ইসলামিয়া রোডের নিজ বাসা থেকে তাকে সুধারাম মডেল থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে।

গ্রেপ্তার নিজাম উদ্দিন ফারুক জেলার কবিরহাট উপজেলার রামেশ্বপুর এলাকার আবদুল ওয়াদুদের ছেলে।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি জামায়াত নেতাকে গ্রেপ্তারের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বেগমগঞ্জ থানার একটি নাশকতার মামলায় তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। বুধবার বিকেলের দিকে তাকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হয়।

নোয়াখালী জেলা আমির ও কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরা সদস্য ইসহাক খন্দকার বলেন, সকাল সোয়া ১০টার দিকে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী ফারুককে পুলিশ তার বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে যে সব মামলা রয়েছে তিনি সব মামলায় জামিনে রয়েছে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ঊনাকে ধরার কোনো কারণ নেই। আমাদের রাজনীতি করার অধিকার আছে। সরকার অন্যায় ভাবে আমাদের ওপর হয়রানি চালাচ্ছে ও গ্রেপ্তার করছে এবং আমােদের রাজনৈতিক অধিকার হরণ করছে।

সোনাইমুড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি গ্রেপ্তার

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ারুল হক কামালকে (৬৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার (৮ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলার শহর মাইজদীর কোর্ট এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

সোনাইমুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে ৫টি মামলা রয়েছে। গোপন সংবাদেও ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে গ্রেপ্তার করে। বুধবার বিকেলে সাড়ে ৪টার দিকে তাকে নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে সোপর্দ করা হবে।

নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, পুলিশ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য নোয়াখালীতে গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে। এই ধারাবাহিকতায় সোনাইমুড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামালকে গ্রেপ্তার করেছে। একই সময়ে সোনাইমুড়ী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রুবেলকেও গ্রেপ্তার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তিনি এসব গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দাও প্রতিবাদ জানিয়ে তাদের মুক্তি দাবি করেন।

চান্দিনায় শিক্ষার মানন্নোয়নে চার সহস্রাধিকার

চান্দিনা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার চান্দিনায় শিক্ষার মনোন্নয়নে পৌর এলাকার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের
অভিভাবক নিয়ে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বই পড়া উৎসবে বিজয়ীদের মাঝে নগদ অর্থ ও
সনদপত্র বিতরণ করা হয়।

বুধবার (৮ নভেম্বর) দুপুরে চান্দিনা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চবিদ্যালয় খেলার মাঠে ওই অভিভাবক
সমাবেশ হয়।

শিক্ষিত জাতি গঠনে মায়ের ভ‚মিকা কি? মায়েরা সন্তানদের প্রতি কি রকম নজর রাখা জরুরী?
এসব নানা দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য নিয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. প্রাণ
গোপাল দত্ত এমপি।

তিনি বলেন- বিদ্যালয় ছুটির পর আপনার সন্তান যথাসময়ে বাড়ি ফিরছে কিনা? দেরিতে বাড়ি
ফিরলে কারণ জানতে চাইবেন এবং যথাসময়ে বাড়ি ফেরা নিশ্চিত করতে হবে। আপনার ঘরে টাকা
চুরি হলে ঘরের কাজের লোককে সন্দেহ না করে আগে নিজের সন্তানকে সন্দেহ করুন। ঘর থেকে
টাকা চুরির প্রবণতা যে সন্তানের আছে ওই সন্তান কুপথে পা বাড়াচ্ছে নিশ্চিত বলে ধরে নিতে
হবে। আপনার সন্তানকে মোবাইল নয়, বই পড়তে উৎসাহিত করুন।

এসময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বই পড়া প্রতিযোগিতায় সেরা ১০জন শিক্ষার্থীকে নগদ
অর্থ ও সনদপত্র বিতরণ করা হয়। এতে প্রথম স্থান অর্জনকারীকে ১৫ হাজার, দ্বিতীয় স্থান
অর্জনকারীকে ১০ হাজার এবং তৃতীয় স্থান অর্জনকারীকে ৫ হাজার টাকার প্রাইজবন্ড দেয়া
হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাপস শীল এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন
উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা তপন বক্ধসঢ়;সী, পৌর মেয়র শওকত হোসেন ভইয়া,
উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাফিয়া আক্তার, জেলা পরিষদ সদস্য বজলুর রহমান, উপজেলা
মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার শাহ জালাল, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. মনিরুজ্জামান।

সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার নূরজাহান আক্তার এর সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন
সাবেক পৌর মেয়র মফিজুল ইসলাম, কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বে”ছাসেবকলীগ সাধারণ সম্পাদক
মো. লিটন সরকার, উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি মনির খন্দকার, কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগ
সভাপতি মো. মহিউদ্দিন, চান্দিনা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক
মো. এমদাদুল হক, আল আমিন ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা অধ্যক্ষ মো. জাকির হোসাইন, শিক্ষক
জাহাঙ্গীর হোসেন।

এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আরিফুর
রহমান, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক পরিচালক বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মমিন
সরকার, উপজেলা স্বে”ছাসেবকলীগ সভাপতি কাজী আখলাকুর রহমান জুয়েল প্রমুখ।

তিতাসে আ.লীগের শান্তি সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

কুমিল্লার তিতাস উপজেলা আ.লীগ এবং অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে শান্তি সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। কেন্দ্রীয় আ.লীগের ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার বেলা ১১টায় উপজেলার কড়িকান্দি বাজারস্থ আ.লীগ কার্যালয়ে শান্তি সমাবেশ ও প্রতিবাদ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা আ.লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মো.শওকত আলীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মহসীন ভূইয়ার পরিচালনায় শান্তি সমাবেশে ও প্রতিবাদ মিছিলে অংশ গ্রহণ করেন তিতাস উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ পারভেজ হোসেন সরকার, দাউদকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর অবঃ মোহাম্মদ আলী সুমন, তিতাস উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ফরহাদ আহমেদ ফকির, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফরিদা ইয়াসমিন, দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান তরিকুল ইসলাম নয়ন, উপজেলা আ.লীগের সহ-সভাপতি মো.আনোয়ার হোসেন ভূইয়া, বলরামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ নূর নবী, মজিদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জাহাঙ্গীর আলম সরকার, সাতানী ইউপি চেয়ারম্যান মো.শামসুল হক সরকার,নারান্দিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আরিফুজ্জামান খোকা, কড়িকান্দি ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি আবু ইউসুফ চিশতী,জগতপুর ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব কাজী কাইয়ুম,বলরামপুর ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি মো.সাদেক পাঠান, মজিদপুর ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি মো.মোস্তাক আহমেদ ভূইয়া,যুবলীগ নেতা ফয়েজ আহমেদ জুয়েল, জিয়ারকান্দি ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ আবুল খায়ের,উপজেলা মহিলা আ.লীগ নেত্রী মোসাম্মৎ হাসিনা আক্তার, উপজেলা তাঁতীলীগের সভাপতি মো.রেজাউল ইসলাম মোল্লা,কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন সাদ্দাম,সাবেক সহ-সভাপতি পাভেল মাহমুদ সুমন মেম্বার,সাংগঠনিক সম্পাদক মো.আলাউদ্দিন ব্যাপারীসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন আ.লীগ এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।৷

পরে উপজেলা আ.লীগ এবং অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা দলীয় কার্যালয় থেকে একটি মিছিল বের করে বিএনপি জামাত শিবিরের ডাকা হরতালের বিরুদ্ধে গৌরীপুর-হোমনা সড়ক পদক্ষিণ করে মিছিলটি পুনরায় দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

দাউদকান্দিতে ট্রাক চাপায় দুই মহিলা নিহত

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দিতে মিনি ট্রাক চাপায় দুই মহিলা নিহত হয়েছেন। বুধবার(৮নভেম্বর) দুপুরে মহাসড়কের দাউদকান্দি উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে এ দূর্ঘটনা ঘটে। নিহত দুই মহিলা হলো কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার বাবুটিপাড়া গ্রামের মৃত সুন্দর আলীর স্ত্রী মনোয়ারা বেগম (৮০) এবং দেবীদ্বার উপজেলার ভাউরা গ্রামের হাফেজ সরকারের স্ত্রী নাছিমা বেগম (৫০)।

ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার পুলিশ ঘাতক ট্রাকটি আটক করেছে। তবে চালক পলাতক।

ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ইনচার্জ মোঃ আবদুর রহিম ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপজেলার ইলিয়টগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডে নাসিমা বেগম ও মনোয়ারা বেগম হাত ধরে রাস্তা পারাপারের সময় ঢাকাগামী একটি মিনি ট্রাক তাদের চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তারা মারা যায়।

ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানার ইনচার্জ মোঃ আবদুর রহিম জানান, দূর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে যাই। নিহত দুই মহিলার লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। পরে সন্ধ্যায় লাশ দুটি তাদের স্বজনদের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। চালক পলাতক রয়েছে ।

নারীর প্রতি বিএনপি-জামায়াতের সহিংসতার প্রতিবাদে মানববন্ধন

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নারীর প্রতি বিএনপি-জামায়াতের সহিংসতার প্রতিবাদ জানিয়ে উন্নয়ন সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রা, আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ এবং নারী জাগরণের অগ্রদূত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় আনতে নোয়াখালীতে নারী সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে মহিলা আওয়ামী লীগ।

বুধবার (৮ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে নোয়াখালী প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে নোয়াখালী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগ, সদর উপজেলা ও পৌরসভা মহিলা আওয়ামী লীগের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এ সময় জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নিলুফা মমিন, সাধারণ সম্পাদক রেনু চৌধুরী, সদর উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমলা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক ফরিদা আক্তার, পৌরসভা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজেরা পারভীন, সাধারণ সম্পাদক হাসিনা চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।

সমাবেশ থেকে নারী জাগরণের অগ্রদূত আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় আনতে নারী সমাজের প্রতি আহব্বান জানান বক্তারা। সমাবেশে মহিলা আওয়ামী লীগের নেত্রীবৃন্দ ও সাধারণ নারীরা অংশ নেয়।

দুর্দান্ত ইনিংস খেলেও কেন আক্ষেপ ম্যাক্সওয়েলের?

ডেস্ক রিপোর্ট:

৬ষ্ট নম্বরে ব্যাট করতে নেমে দুর্দান্ত এক ইনিংসই খেললেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। স্বয়ং ক্রিকেট ঈশ্বর নামে পরিচিতি পাওয়া শচীন টেন্ডুলকার যাকে বলেছেন তার দেখা সেরা ইনিংস হিসেবে। প্রথম অজি ক্রিকেটার হিসেবে করেছেন ডাবল সেঞ্চুরি। আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রায় ফসকে যাওয়া ম্যাচ জিতিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে গিয়েছেন বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে। ইনজুরিতে পড়েও এমন ইনিংস খেলার পর সবার প্রশংসাতেই ভাসছেন এই অজি তারকা।

তবে এতকিছুর পরেও গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের নাকি আক্ষেপ রয়ে গেছে। দুর্দান্ত ডাবল সেঞ্চুরি করেও পরিপূর্ণ তৃপ্ত নন তিনি। এর কারণ হিসেবে ম্যাক্সওয়েল জানিয়েছেন, আফগান বোলারদের উইকেট প্রায় দিয়েই ফেলেছিলেন। আর তা নিয়েই আক্ষেপ তার। ১২৮ বলে ২০১ রানে অপরাজিত থাকা ইনিংস খেলার পথে ৩৩ রানে জীবন পান তিনি। এমন সুযোগ না করলেই নাকি পরিপূর্ণ তৃপ্তি পেতেন তিনি।

নূর আহমেদের বলে তার বড় শট খেলতে গিয়েই তালগোল পাকিয়ে ফেলেন ম্যাক্সওয়েল। শর্ট ফাইন লেগে থাকা মুজিব উর রহমানের কাছে উঠে একেবারেই সহজ এক ক্যাচ। তবে অজি ব্যাটারের ভাগ্য নেহায়েতই ভাল। মুজিবের হাত ফসকে সেটি বেরিয়ে যায়। এর আগে নূরের সেই ওভারেই ২৭ রানে থাকা অবস্থায় এলবিডব্লিউ’র শিকার হইয়েছিলেন ম্যাক্সওয়েল। যদিও আম্পায়ার আউট দিলে রিভিউ নিয়ে রক্ষা পান তিনি।

ম্যাচ শেষে ম্যাক্সওয়েল সামনে এনেছেন জীবন পাওয়ার ইস্যুকে, ‘দেখুন, এটা (ডাবল সেঞ্চুরি) যদি (আমাকে আউট করার) কোনো সুযোগ না দিয়ে হতো, তাহলে আরও ভালো হতো। আমি খুব ভাগ্যবান ছিলাম এবং আমি মনে করি, আমি সুযোগের পূর্ণ ব্যবহার করতে পেরেছি। আমার মনে হয়, এর আগেও আমি এমন ইনিংস খেলেছি যেখানে জীবন পেয়েছি এবং সেটার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে পারিনি। তাই আজকে রান তাড়া করে একপাশে অপরাজিত থাকতে পারা, এই ব্যাপারটায় আমি খুব গর্বিত।’

৯১ রানে ৭ উইকেট যাওয়ার পরেও বিচলিত ছিলেন না ম্যাক্সওয়েল। জানিয়েছেন সেই চাপের মুখেও নিজের সেরা খেলা উপহার দেওয়ার রহস্য, ‘আমার মনে হচ্ছিল, আমি যদি শুধু রক্ষণের চিন্তা করি, তারা (আফগানিস্তান) আমাকে চাপে ফেলতে সক্ষম হবে। ওই এলবিডব্লিউটা, যেটা স্টাম্পের উপর দিয়ে গেল, ওইটাই আমার চিন্তা বদলে দিতে দরকারি ছিল। আমি তখন নিজেকে বলি যে, আমার আরও কিছু শট খেলা শুরু করে দেওয়া দরকার এবং কিছুটা আক্রমণাত্মক হতে হবে।’

নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা তৃণমূল বিএনপির

ডেস্ক রিপোর্ট:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে তৃণমূল বিএনপি। বুধবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক যোগদান অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেন দলটির চেয়ারম্যান শমসের মুবিন চৌধুরী।

তিনি বলেন, আমরা আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেব। তিনশ আসনেই প্রার্থী দেওয়ার চেষ্টা করছি।

শমসের মুবিন বলেন, তৃণমূল বিএনপি দলীয় নিয়ম নীতি মেনে পরিচালিত হবে। প্রাইভেট কোম্পানি হবে না। তৃণমূল বিএনপি হবে বাংলাদেশের তৃণমূল কংগ্রেস।

তিনি বলেন, আমরা জ্বালাও-পোড়াও রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না। আমরা সুষ্ঠু রাজনীতিতে বিশ্বাস করি। আমরা হত্যার রাজনীতি সহিংসতাকে সমর্থন করি না। সুষ্ঠু রাজনীতি হবে সুশাসনের ভিত্তি। নির্বাচনে কমিশনকে যে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে তারা তা অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে, এটা আমাদের দাবি।

তৃণমূল বিএনপির চেয়ারম্যান আরও বলেন, তৃণমূল বিএনপিকে এমনভাবে সংগঠিত করতে চাই যাতে করে শুধু রাজনীতি নয়, বরং স্থানীয় পর্যায়ে জনগণের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে জনগণের আকাঙক্ষার প্রতিফলন ঘটবে।

এর আগে সারাদেশ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বেশ কিছু নেতাকর্মী, অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা, আইনজীবী আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল বিএনপিতে যোগ দেন।

এ সময় তৃণমূল বিএনপির মহাসচিব অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকারসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

দেশের জনগণ অবরোধ চায় না, চায় উন্নয়ন: ইঞ্জি. আব্দুস সবুর

জাকির হোসেন হাজারী, দাউদকান্দি:

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর বলেন, বিএনপি-জামাত জনগণের কাছে হেরে গিয়েছে। রাজপথে আওয়ামী লীগকে মোকাবেলা করতে পারেনি। বিএনপি-জামাত জ্বালাও পোড়াও বেঁছে নিয়েছে। রাজপথে হেরে গিয়ে চোরা গুপ্তপথে হত্যা ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম করছে বিএনপি-জামাত।

বুধবার (৮ নভেম্বর) কুমিল্লার দাউদকান্দির গৌরীপুরে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে বিএনপি-জামাতের আগুন সন্ত্রাস, নৈরাজ্য-অবরোধের প্রতিবাদে শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক ও কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি-তিতাস)’র নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর।

ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়া পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। ৭ নভেম্বর বিপ্লবের নামে অসংখ্য সামরিক-বেসামরিক ব্যক্তিকে হত্যা করেছে। জিয়াউর রহমানের উত্তরসূরী তারেক রহমান ও একই পথে ক্ষমতায় আসতে চায়।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭৫ ও ২০২৩ সাল এক নয়। দেশের জনগণ এখন রাজনৈতিক সচেতন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ অনেক শক্তিশালী। দেশের জনগণ অবরোধ চায় না, চায় উন্নয়ন। তাই আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনাকে টানা চতুর্থ বারের মতো ক্ষমতায় আনবে।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের দেশের চলমান উন্নয়নের কথা তুলে ধরে আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক বলেন, বিশ্বমানের উন্নয়ন হয়েছে বাংলাদেশে। মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, পদ্মাসেতু, রূপপুর পারমাণবিক চুল্লীসহ অসংখ্য মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়েছে। ট্রেন দিয়ে কক্সবাজার যাওয়া যায়৷ ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুস সবুর বলেন, তৃনমুলে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় মনোনয়ন পেলে স্মার্ট দাউদকান্দি তিতাস গড়ার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করা হবে।

এ সময় দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এস এম কেরামত, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসভাপতি সালেহ মোহাম্মদ টুটুল, দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মহিউদ্দিন শিকদার, তিতাস উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সদস্য সচিব দেওয়ান জাহাঙ্গীর, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক পারুল আক্তার, জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য জাকির নেওয়াজ সোহেল, কুমিল্লা উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি জিএস সুমন সরকার, সাংগঠনিক সম্পাদক বিল্লাল হোসেন আপন, দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহজালাল,সালাউদ্দিন রিপন, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. সুভাষ ভৌমিক, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ঝর্ণা আক্তার,দাউদকান্দি সদর উত্তর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান শাহীন,দাউদকান্দি পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন,উপজেলা আওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক শাহজান খন্দকার, পৌর যুবলীগের সভাপতি আহসান হাবিব মিলন, পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহবায়ক ফকরুল আলম সরকার, যুগ্ম আহবায়ক মনির হোসেন,সদর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা আল আমিন,দাউদকান্দি ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী রিয়াদসহ দাউদকান্দি উপজেলা,তিতাস উপজেলা ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, যুবলীগ, মহিলা লীগ,ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগের নেতৃবৃন্দ।