Tag Archives: ট্রেজারার নিয়োগে নোবিপ্রবির শিক্ষকদের উপেক্ষার অভিযোগ

ট্রেজারার নিয়োগে নোবিপ্রবির শিক্ষকদের উপেক্ষার অভিযোগ

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি:
‎
‎নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) কোষাধ্যক্ষ (ট্রেজারার) পদে পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দিনের নাম আলোচনায় আসার পর থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের উপেক্ষা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে।
‎
‎সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন এবং ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দিনকে নোবিপ্রবির ট্রেজারার পদে নিয়োগের বিষয়ে সরকারের নীতিগত সম্মতি রয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী সপ্তাহেই এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।
‎
‎গত ৭ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. হানিফ মুরাদ লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভিসি) হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর ট্রেজারারের পদটি শূন্য হয়। এরপর থেকেই পদটি পূরণে নোবিপ্রবির বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকের নাম সরকারের উচ্চপর্যায়ে আলোচনায় ছিল বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
‎
‎উল্লেখ্য, নোবিপ্রবির আগের দুইজন ট্রেজারারই এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষক ছিলেন। ফলে এবারও বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ কোনো শিক্ষককে এ দায়িত্ব দেওয়া হবে বলে অনেকের প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু বাইরে থেকে শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ সেই প্রত্যাশায় ভাটা ফেলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
‎
‎সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের দাবি, আলোচনায় থাকা সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন ও ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. আবদুল কাইয়ুম মাসুদকে অন্যতম শক্তিশালী দাবিদার হিসেবে দেখা হচ্ছিল। আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা, ব্যবসায় প্রশাসন বিষয়ে দীর্ঘদিনের শিক্ষকতা এবং অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতার কারণে ট্রেজারার পদের জন্য তিনিই সবচেয়ে এগিয়ে ছিলেন বলে সংশ্লিষ্টদের অনেকে মনে করেন।
‎
‎বর্তমানে অধ্যাপক ড. আবদুল কাইয়ুম মাসুদ বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি নোবিপ্রবির বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন ‘সাদা দল’-এর সাংগঠনিক সম্পাদক। গবেষণায় অবদানের জন্য তিনি বিভিন্ন সময় স্বীকৃতি ও গবেষণা অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক প্রশাসন পরিচালনায় তাঁর বিষয়ভিত্তিক দক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারত বলেও মত সংশ্লিষ্টদের।
‎
‎এ ছাড়া আলোচনায় ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ফিসারিজ এন্ড মেরিন সায়েন্স(ফিমস) বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর সরকার, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা (ইএসডিএম) বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মহিনুজ্জামান, ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস(এমআইএস) বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. জিয়াউল হক এবং ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক রাকিব-উল ইসলাম।
‎
‎অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর সরকার বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন এবং নোবিপ্রবির বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের অন্যতম সংগঠন ‘সাদা দল’-এর সাধারণ সম্পাদক। দীর্ঘদিনের শিক্ষকতা, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষক রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকার কারণে তিনিও আলোচনায় ছিলেন।
‎
‎এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সাবেক শিক্ষার্থীদের একাংশ সোচ্চার হয়েছেন। তাদের মতে, দুই দশক পূর্ণ করা একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত সংখ্যক অভিজ্ঞ ও জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক থাকা সত্ত্বেও বারবার বাইরে থেকে শীর্ষ প্রশাসনিক পদে নিয়োগ দেওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব নেতৃত্ব বিকাশে বà