Tag Archives: কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে নৌকার মাঝি আরফানুল হক রিফাত

কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে এক মেয়রপ্রার্থীসহ ১৩ জনের মনোনয়ন প্রত্যাহার

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে এক মেয়রপ্রার্থীসহ মোট ১৩ জন মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।

তাদের মধ্যে সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ১০ জন ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে দুইজন রয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় রিটর্নিং কর্মকর্তা শাহেদুন্নবী চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মনোনয়ন প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন, আওয়মী লীগের বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী মাসুদ পারভেজ খান ইমরান, সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর প্রার্থী মো. শাহ জাহান, মো. মোসলেম উদ্দিন, মো. ফরহাদ হোসেন, মো. মাহবুবুর রশিদ মাহবুব, বিজয় রতন দেবনাথ, মো. আবদুল মতিন খান, মো. জহিরুল ইসলাম, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. গোলাম সারোয়ার কাউসার, মো. ওসমান গনি, সংরক্ষিত নারী ওয়ার্ডে বৃষ্টি আক্তার ও নাছরিন সুলতানা।

রিটর্নিং কর্মকর্তা শাহেদুন্নবী চৌধুরী জানান, ১৯ মে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পর মেয়র পদে মোট ছয়জনের মনোনয়পত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। বৃহস্পতিবার (২৬ মে) প্রত্যাহারের শেষ দিনে মেয়রপ্রার্থী মাসুদ পারভেজ খান ইমরান তার মনোনয়ন প্রত্যার করেন।

এ ছাড়াও বিকাল ৫টা পর্যন্ত সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ১০ এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে দুইজন মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।

এর ফলে নির্বাচনে মেয়র পদে পাঁচজন, সাধারণ ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে ১০৬ এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৩৬ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

শুক্রবার (২৭ মে) সকাল ৯টা থেকে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। এ সময় প্রার্থীদেরকে অবশ্যই উপস্থিত থাকতে হবে। এর পর থেকে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচার-প্রচারণা। নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ জুন।

কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে হত্যা মামলার আসামি ৪ কাউন্সিলর প্রার্থী

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে হত্যা মামলার ৪ আসামি কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন। নগরীর চাঞ্চল্যকর যুবলীগ নেতা জিল্লুর রহমান ওরফে জিলানী হত্যা, ছাত্রলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন হত্যা এবং ব্যবসায়ী আক্তার হোসেন হত্যা মামলার আসামি তারা। এসব মামলায় কারাবরণ করে জামিনে মুক্ত আছেন। ইতোমধ্যে ৪ জনকে বৈধ প্রার্থী হিসাবে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনে এসব প্রার্থী প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলে অনেকের আশঙ্কা।

২০১৮ সালের ২৬ নভেম্বর রাতে নগরীর বল্লভপুর এলাকায় কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনকে (৪৫) গুলি করে হত্যা করা হয়। ওই হত্যা মামলার আসামি আবদুস সাত্তার এবারও ২৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন। আব্দুস সাত্তার আলোচিত যুবলীগ নেতা জিল্লুর রহমান ওরফে জিলানী হত্যা মামলারও আসামি।

২০২০ সালের ১১ নভেম্বর নগরীর ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের চৌয়ারা এলাকার বাসিন্দা যুবলীগ নেতা জিল্লুর রহমান চৌধুরী ওরফে জিলানীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ওই হত্যা মামলার ৪ নম্বর আসামি খলিলুর রহমান মজুমদার এবারের নির্বাচনে ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন। একই হত্যা মামলার ২ নম্বর আসামি মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি আবদুস সাত্তার ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে এবং মামলার প্রধান আসামি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসান ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করছেন। এই তিন প্রার্থীই জিল্লুর হত্যা মামলায় কারাগারে ছিলেন। তারা জামিনে বেরিয়ে এসে নির্বাচন করছেন। তিনজনই সাবেক কাউন্সিলর।

স্থানীয়রা জানান, নগরীর ২৫, ২৬ ও ২৭ নং ওয়ার্ডে আধিপত্য বিস্তারের লড়াই রয়েছে। ভারত সীমান্তবর্তী তিন ওয়ার্ডে রয়েছে মাদক ব্যবসায়ীদের আস্তানা। স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক সিন্ডিকেটের সদস্যরা ওই এলাকায় চাঁদাবাজি, চৌয়ারা বাজার ও সেখানের বড় একটি গরুর হাট, চোরাচালান নিয়ন্ত্রণসহ নানা অপরাধে যুক্ত। এসব নিয়ে বেশ কয়েকটি আলোচিত হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এসব হত্যাকাণ্ডের তির এলাকার জনপ্রতিনিধিসহ প্রভাবশালীদের দিকেই। এর আগে ২০১৭ সালের ৩০ মার্চ অনুষ্ঠিত কুসিক নির্বাচনে ২৫ নম্বর ওয়ার্ড থেকে জিল্লুর রহমান চৌধুরী (নিহত) ও ২৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে দেলোয়ার হোসেন (নিহত) কাউন্সিলর পদে নির্বাচন করে পরাজিত হন। এবারের নির্বাচনে যাতে তারা প্রার্থী হতে না পারেন, সেজন্য তাদের হত্যা করা হয় বলে ধারণা স্বজনসহ এলাকাবাসীর।

২০২১ সালের ১০ জুলাই জুমার নামাজের পর নগরীর কোটবাড়ি সড়কের চাঙ্গিনি মোড় এলাকায় কুসিকের ২৩ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে ব্যবসায়ী আক্তার হোসেনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ হত্যা মামলায় দীর্ঘদিন কারাগারে থাকার পর সম্প্রতি জামিনে বেরিয়ে এসে ফের ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী হয়েছেন আলমগীর হোসেন। স্থানীয়দের অভিযোগ ওই ওয়ার্ড এলাকায় চাঁদাবাজিসহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত রয়েছেন আলমগীরসহ তার সহযোগীরা।

অভিযোগের বিষয়ে ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী খলিলুর রহমান মজুমদার বলেন, জিল্লুর হত্যায় আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। হয়রানি করার জন্য আমাকে আসামি করা হয়েছে। আমি শান্তিপূর্ণ নির্বাচনে জনতার রায়ে নির্বাচিত হতে চাই।

২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আব্দুস সাত্তার বলেন, হত্যাকাণ্ডের শিকার ছাত্রলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেন ছিলেন আমার রাজনৈতিক গুরু। আমি কোনোভাবেই দেলোয়ার হত্যায় জড়িত নই। আমাকে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া নিহত জিল্লুর হত্যায়ও আমি জড়িত নই। কিন্তু কী কারণে আমাকে মামলায় জড়ানো হয়েছে তা বুঝতে পারছি না। এ ছাড়া নির্বাচনের মাঠে আতঙ্ক ছড়ানোর মতো কোনো কাজও আমি এবং আমার সমর্থকরা করে না।

২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল হাসান বলেন, প্রতিপক্ষের লোকজন পরিকল্পিতভাবে আমাকে জিল্লুর হত্যা মামলায় জড়িয়েছে। রাজনৈতিক মতবিরোধ ও গ্রুপিং দ্বন্দ্বের ফলে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটলেও আমাকে অন্যায়ভাবে এ মামলায় আসামি করা হয়েছে।

২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আলমগীর হোসেন বলেন, নির্বাচনি বিধিবিধান মেনেই কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হয়েছি। আমি ও আমার সমর্থকরা কোনো অপরাধে জড়িত নই। জনগণ আমার সঙ্গে আছে। তাদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ভোটে অংশ নিচ্ছি। তিনি বলেন, পূর্ব বিরোধের জেরে আমাকে ব্যবসায়ী আক্তার হত্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে।

সূত্র- যুগান্তর

কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে যে ৯ নির্দেশনা দিয়েছে ইসি

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের জন্য ৯টি নির্দেশনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহেদুন্নবী চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা জারি করা হয়।

নির্দেশনাগুলো হলো-
১. মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও দাখিলের সময় কোনো প্রকার মিছিল বা শোডাউন করা যাবে না। ২. প্রার্থী ৫ (পাঁচ) জনের অধিক সমর্থক নিয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ ও জমা দিতে পারবেন না। ৩. প্রতীক বরাদ্দের পূর্বে কোনো প্রকার নির্বাচনি প্রচার শুরু করতে পারবেন না। ৪. প্রচারকালে পথসভা ও ঘরোয়া সভা ব্যতীত কোনো জনসভা বা শোভাযাত্রা করতে পারবেন না। ৫. প্রচারের জন্য নির্ধারিত পোস্টার সাদা-কালো রঙের হতে হবে এবং এর আয়তন ৬০ (ষাট) সেন্টিমিটার, ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) সেন্টিমিটারের বেশি হতে পারবে না। ৬. নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী পোস্টার বা লিফলেটে নিজ ছবি ও প্রতীক ব্যতীত অন্য কারো নাম, ছবি বা প্রতীক ছাপাইতে পারবেন না। তবে রাজনৈতিক দলের মনোনীত প্রার্থী দলীয় প্রধানের ছবি পোস্টার বা লিফলেটে ছাপাইতে পারবেন। ৭. মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী প্রত্যেক থানাধীন এলাকায় ১টি করে সর্বোচ্চ ২টির অধিক নির্বাচনি ক্যাম্প বা অফিস স্থাপন করতে পারবেন না এবং কাউন্সিলর প্রার্থীরা ১ এর অধিক নির্বাচনি ক্যাম্প বা অফিস স্থাপন করতে পারবে না। ৮. নির্বাচনি প্রচারণায় কোনো প্রকার গেট, তোরণ, আলোকসজ্জা করতে পারবেন না। ৯. সিটি কর্পোরেশন (নির্বাচন আচরণ) বিধিমালা-২০১৬ এর অন্যান্য বিধি-বিধান অনুসরণ পূর্বক নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা চালাতে হবে।

শনিবার বিকালে কুসিক নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে এসব নির্দেশনা জারি করা হয়। সুষ্ঠু অবাধ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে এসব নির্দেশনা মেনে চলার জন্য সব প্রার্থীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে নৌকার মাঝি আরফানুল হক রিফাত

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) নির্বাচনে মেয়র পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন আরফানুল হক রিফাত। তিনি কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

শুক্রবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় গণভবনে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ‘স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ড’র সভায় তাকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ম

এর আগে বিকেল ৪টা ৩৫ মিনিটে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এ বৈঠক শুরু হয়।

এ বৈঠকে অংশ নেন বোর্ডের সদস্য ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ ও রাশিদুল আলম, সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন, শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কাজী জাফরুল্লাহ, লেফটেনেন্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খান, আব্দুর রাজ্জাক, জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ।

কুমিল্লা সিটি নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৭ মে, যাচাই-বাছাই ১৯ মে, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৬ মে। আগামী ১৫ জুন এ সিটিতে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে দেশের ছয়টি পৌরসভা ও ১৩৫ ইউনিয়ন পরিষদেও ভোটগ্রহণ হবে।

এদিকে, কুমিল্লা সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন পেতে ১৪ জন নেতা-কর্মী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন আবেদন ফরম সংগ্রহ করেন।

তারা হলেন- কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি আঞ্জুম সুলতানা সীমা (সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য), দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-আহবায়ক ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজের সাবেক ভিপি শফিকুল ইসলাম সিকদার, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আরফানুল হক রিফাত, মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও পুনর্বাসনবিষয়ক সম্পাদক ভিপি নুর-উর রহমান মাহমুদ তানিম, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কবিরুল ইসলাম শিকদার, মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান মিঠু, মহানগর কমিটির সহসভাপতি আলহাজ্ব ওমর ফারুক, আওয়ামী লীগ নেতা প্রয়াত অধ্যক্ষ আফজল খানের পুত্র মাসুদ পারভেজ খান ইমরান, আওয়ামী লীগ নেতা জাকির হোসেন, কাজী ফারুক আহমেদ, মাহবুবুর রহমান, মো. শফিউর রহমান, মো. শাহজাহান ও শ্যামল চন্দ্র ভট্টাচার্য।