Tag Archives: ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক আটক

ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদরাসা শিক্ষক গ্রেফতার

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় মাদরাসার আবাসিক ছাত্রকে (১২) বলাৎকারের অভিযোগে এক শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গ্রেফতারকৃত শিক্ষকের নাম হোজায়ফা (২২)। সে উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের ভবভদ্রী গ্রামের আমিন উল্যার বাড়ির মনিরুল আলম ভুঁইয়ার ছেলে।

মঙ্গলবার (৯ মে) বিকেলের দিকে ওই শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, গতকাল সোমবার সন্ধ্যার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

জানা যায়, উপজেলার আলাইয়াপুর ইউনিয়নের মোহাম্মদিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার তৃতীয় শ্রেণীর এক ছাত্রকে তার মাদরাসার শিক্ষক গত রোববার ৭ মে রাত ১১টার দিকে মাথা টিপার কথা বলে তার রুমে ডেকে নেয়। পরে তাকে কৌশলে বলৎকার করে ওই শিক্ষক। পরবর্তীতে ভিকটিমকে ২শত টাকা দেন কাউকে বিষয়টি না বলার জন্য।

বেগমগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি বলেন, এ ঘটনায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। ওই মামলায় আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে মাদ্রাসাশিক্ষক আটক

ডেস্ক রিপোর্টঃ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় এক মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত মাদ্রাসাশিক্ষক আবু মুসাকে (২৫) আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (২০ মার্চ) বিকেলে পোয়ামারি গ্রামের হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও হেফজখানায় এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শিক্ষক আবু মুসা একই উপজেলার বেলগাছি ইউনিয়নের বেলগাছি রথখোলা পাড়ার মৃত জামাল উদ্দিনের ছেলে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বলেন, আমার ছেলে পোয়ামারি দক্ষিণপাড়ার হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও হেফজখানার ছাত্র। শনিবার বিকেলে বাড়িতে এসে ছেলে কাঁদতে কাঁদতে যৌন নির্যাতনের কথা বলে। সে বলে, মাদ্রাসার হুজুর আবু মুসা জোর করে পায়ুপথ দিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করেছে। আমি দিশেহারা হয়ে ৯৯৯ এ ফোন দিয়ে প্রশাসনের সহায়তা চাই।

এ বিষয়ে গ্রামের সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ঘটনা ঘটার পর বিষয়টি গোপন থাকলেও সন্ধ্যায় ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ে। রাতে গ্রামের মানুষ ওই শিক্ষককে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।

আলমডাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অপারেশন দেবব্রত রায় বলেন, আমরা ফোন পেয়ে ফোর্স নিয়ে যায়। পরে জনতার হাতে আটক হাফেজ আবু মুসাকে থানায় নিয়ে আসি। তিনি বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি বলাৎকারের ঘটনা স্বীকার করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার এখনো কোনো মামলা থানায় করেনি। রোববার (২১ মার্চ) ভুক্তভোগীর পরিবার মামলা করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।