নাঙ্গলকোট সংবাদদাতা:
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ইসলামিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ম বহির্ভূতভাবে তৃতীয়বার সিজার করতে গিয়ে প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে এবং টাকার বিনিময়ে সেটি রফাদফা হওয়ার সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে (৯ এপ্রিল) রবিবারে সংবাদ প্রকাশের পর হসপিটালের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান কর্মকর্তা ডাঃ দেবদাস দেব।
তিনি বলেন, নাঙ্গলকোটে কোন হসপিটাল নিবন্ধন বিহীন কার্যক্রম করতে পারবে না। ইসলামিয়া জেনারেল হাসপাতালে এমন কার্যক্রম সম্পর্কে আপনাদের মাধ্যমে থেকে অবগত হওয়ার পর পরিদর্শন টিম পাঠিয়ে হসপিটালের কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।
এর আগে শুক্রবার দুপুরে উপজেলার নাগরিপাড়া গ্রামের শাহজালালের স্ত্রী ফাতেমা আক্তারের ডেলিভারির জন্য ইসলামিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসেন স্বজনরা।
পরে তৃতীয় সিজারের নিয়ম না থাকলেও ওই হাসপাতালে শেখ মুজিব বিশ্ববিদ্যালয়ের গাইনি প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন ডাক্তার মাহমুদা আক্তার মুক্তা ও ডাক্তার আবু নাসের নেতৃত্বে প্রসতির সিজার (অপারেশন) শুরু করেন।
ভুল অপারেশনে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে প্রসৃতির অবস্থা গুরুতর হলে নাঙ্গলকোটে আইসিইউ ব্যবস্থা না থাকায় কর্তৃপক্ষ তাদের অপারেশন চার্জ আট হাজার টাকা রেখে কুমিল্লার একটি প্রাইভেট হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।সেখানে নেওয়ার পথেই রোগী মারা যান। পরে রোগীর স্বজনরা ইসলামিয়া জেনারেল হাসপাতালে এসে এ বিষয়ে অভিযোগ করলে স্থানীয় কয়েক কথিত সাংবাদিকের উপস্থিতিতে মৃত্যুর স্বামীর স্বাক্ষর নিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকার বিনিময়ে রফাদফা করে।