,

চৌদ্দগ্রামের আলকরায় চাঁদা না পেয়ে কোম্পানির নিমার্ণকাজ বন্ধের অভিযোগ

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
November 28, 2022
news-image

স্টাফ রিপোর্টার:

৩ লক্ষ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার আলকরা ইউনিয়নে এ প্লাস গ্রুপের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান (সাসটেইনেবল অ্যাপারেলস লি:) এর ভবনের নিমার্ণ কাজ বন্ধ করে দিয়ে তালা দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কোম্পানির কর্মকর্তা চৌদ্দগ্রাম উপজেলার  চিওড়া  ইউনিয়নের  তৈয়াসার  গ্রামের মৃত.  ‍জুলফু  মিয়ার ছেলে আব্দুল জলিল (৪৫) বাদি হয়ে চৌদ্দগ্রাম থানায় এ ঘটনায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

সোমবার (২৮ নভেম্বর ) বিকেল সাড়ে ৩ টায় উপজেলার  আলকরা ইউনিয়নের  সোনাইচা পদুয়া রাস্তার মাথায় এ  সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের  ঘটনা ঘটে। রাতেও আরেক দফা হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

অভিযোগে আসামি করা হয়েছে  চৌদ্দগ্রামের আলকরা ইউনিয়নের পদুয়ার শিলরী গ্রামের ছবুর মিয়ার ছেলে মামুন (৩৭), লক্ষীপুর গ্রামের রাজু (৩৮) ও অশলীয়াি গ্রামের  টুটুলকে (৩৫) ।

লিখিত অভিযোগে বাদি উল্লেখ করেন,   আমার কোম্পানির বিল্ডিং নির্মাণ কাজ চলছিল ।  উল্লেখিত আসামিরা  আমার কোম্পনির কর্মচারীদের নিকটে ৩ লক্ষ  টাকা চাঁদা দাবি করছিল বেশ কয়েকদিন ধরে । বিবাদীগণ আমার কোম্পানির লোকদেরকে বলে যে, যদি বিবাদীদেরকে ৩ লক্ষ  টাকা চাঁদা না দেয় তাহলে তারা আমার কোম্পানির উক্ত নির্মাণ কাজ করতে দিবেনা । এমন  বলে  হুমকি দমকি প্রদর্শন করতে থাকে। উক্ত বিষয়াদি নিয়ে তাদের সাথে কখনো কোনো প্রকার বাদ প্রতিবাদ করার চেষ্টা করলে এতে বিবাদীগণ আমার কোম্পানির কাজের লোকদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং তাদেরকে উদ্দেশ্য করে নানান ধরণের গালমন্দসহ প্রাণনাশের হুমকি প্রদর্শন করতে থাকে। এই নিয়ে বিবাদীদের সাথে আমার কোম্পানির লোকদের বিরোধ চলছিল।

উক্ত বিরোধের জের ধরে আজ  (২৮ নভেম্বর)   বিকেল সোয়া ৩ টায় সকল বিবাদীগণ একযোগে একে অপরের যোগ সাজসে আকস্মিকভাবে ঘটনাস্থলে এসে আমার লোকদের উপরে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে তারা আমার লোকদের  উপরে অতর্কিত আক্রমণ করে  তাদের শরীরে এলোপাথাড়ী কিলঘুষি লাখি মুড়া মেরে বেদনাদায়ক দাগ ও নীলাফুলা জখম করে। এক পর্যায়ে তারা আমার কোম্পানির অফিস কক্ষে জোর পূর্বক প্রবেশ করে  অফিস কক্ষে থাকা কোম্পানির একটি ডিভিডি আর ছিনিয়া নিয়ে যায় এবং আমার কোম্পানির লোকদেরকে অর্থাৎ উল্লেখিত স্বাক্ষীদেরকে অফিস কক্ষ হতে জোর পূর্বক বের করে দিয়ে  প্রজেক্টের মূল ফটকে তালা মেরে  চলে যায় । যাওয়ার সময় প্রকাশ্যে বলে যায় , আমার কোম্পানির লোকেরা যদি তাদের সাথে বেশি বাড়া বাড়ি করে থানা কোর্টে গিয়ে কোন প্রকার মামলা মোকদ্দমা করে তাহলে তারা আমার কোম্পানির লোকদেরকে উক্ত স্থানে কোন প্রকার কাজ করতে দিবেনা এবং আমার কোম্পানির লোকদেরকে প্রাণে হত্যা করবে বলে বিভিন্ন প্রকার হুমকি ধমকি প্রদান করতে থাকে।

এ বিষয়ে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুভরন্জন চাকমা জানান, এ ঘটনায় একটা অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত চলছে।