,

চাঞ্চল্যকর ট্রলার চালক হত্যাকান্ড || অভিযুক্ত চেয়ারম্যান ও মেম্বারের সদস্যপদ বাতিলের দাবী, ইউপি কার্যালয় ঘেরাও

আজকের কুমিল্লা ডট কম :
October 24, 2017
news-image

 

জাকির হোসেন হাজারী/ বিপ্লব সিকদারঃ
ট্রলারচালক আমির হোসেন হত্যাকান্ডের বিচারের দাবিতে এবং মূল ঘাতক ইউপি চেয়ারম্যান ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি লতিফ সরকার ও সেক্রেটারী মেম্বার নূরুল আমিনকে আওয়ামী লীগ থেকে ও ইউপি সদস্য পদ থেকে বহিস্কারের দাবিতে মেঘনা উপজেলার চালিভাঙ্গা দিন দিন উত্তাল হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার বিকালে চালিভাঙ্গা বাজারে হাজার হাজার নারী-পুরুষ মানব বন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা ও ইউপি কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচি পালন করেছে। প্রতিবাদ সভায় এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ সর্বস্তরের লোকজন উপস্থিত ছিলেন। বিক্ষোভকারীরা ঘাতকদের স্ব স্ব পদ থেকে বহিস্কারের দাবি জানান। মানব বন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে নেতৃত্ব দেন, বাবুল মেম্বার, রাজা মেম্বার, ছানাউল্লাহ মেম্বার, আনছু মেম্বার, মহিলা মেম্বার আমেনা বেগম, ও দেলোয়ারা বেগম, ও ছোবহান প্রমূখ।


এলাকার আধিপত্য এবং অপরাধ জগত নিয়ন্ত্রনে নিতে প্রতিবাদীদের কন্ঠরোধ করতে (ফাঁসাতে) গত ১৫ অক্টোবর রবিবার রাতে সৎভাই ট্রলার চালক আমির হোসেনকে নির্মমভাবে রামদা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে নদীতে ফেলে দেয় কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার চালিভাঙ্গা ইসলামাবাদ গ্রামের মৃত হানিফ মিয়ার ছেলে সৎভাই দেলোয়ার হোসেন ওরফে দেলু ডাকাতসহ তার সঙ্গীরা। এর ৩৬ঘন্টা পর মঙ্গলবার চালিভাঙ্গা বাজারের বাশ বাজার খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় মেঘনা থানা পুলিশ আমির হোসেনের মরদেহ উদ্ধার করে।এদিকে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মেঘনা থানায় মিথ্যা মামলা করতে ব্যর্থ হয়ে ১৮ অক্টোবর দেলোয়ার হোসেন দেলু ডাকাত, ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ সরকার ও মেম্বার নূরুল আমিনসহ ৫জন ঘাতক বুধবার কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কাছে প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে গেলে কথা-বার্তায় গড়মিল হওয়ায় তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার ঘাতকদের কুমিল্লার ৩নং আমলি আদালতে হাজির করলে তারা হত্যায় জড়িত থাকার কথা অকপটে স্বীকার করে। হত্যার ঘাতক ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারের বিরুদ্ধে কি ব্যাবস্থা নেয়া হবে জানতে চাইলে মেঘনা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরোজা পারবিন ইনকিলাবকে ফোনে জানান আইনানুগ ব্যাবস্থা নেয়া হবে।