All posts by jitu

শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন করেছে কুমিল্লা উত্তর জেলা আ'লীগ

শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন করেছে কুমিল্লা উত্তর জেলা আ’লীগ

দেবীদ্বার প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭তম জন্মদিন উদ্‌যাপন করেছে কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ।

শুক্রবার বিকেলে জেলার দেবীদ্বার পৌর মোহনা আবাসিক এলাকার রোশন ভিলায় এই সভা হয়। জন্মদিন উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভা এবং কেক কাটা হয়।

শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন করেছে কুমিল্লা উত্তর জেলা আ'লীগ

কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আব্দুল মান্নান জয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব রোশন আলী মাস্টার, সহ-সভাপতি ভিপি আব্দুল মতিন মুন্সী ও বশির মিয়াজী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাসুদেব দাস, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব হুমায়ুন কবির চেয়ারম্যান, মুরাদনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ড.আহসানুল আলম কিশোর, কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ ইসমাইল হোসেন, সদস্য কালিপদ মজুমদার, দেবীদ্বার উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএম সফিউদ্দিন, মেঘনা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সফিকুল ইসলাম, মুরাদনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সারোয়ার চিনো, দাউদকান্দি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মহিউদ্দিন, দেবীদ্বার উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এজাজ মাহমুদসহ অনেকে।

শেখ হাসিনার জন্মদিন উদযাপন করেছে কুমিল্লা উত্তর জেলা আ'লীগ

সভায় বক্তারা বলেন, দেশের সব ক্ষেত্রে যে উন্নয়ন-অগ্রগতি, সেটা সম্ভব হয়েছে বঙ্গবন্ধুকন্যার জাদুকরী নেতৃত্বের কারণে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে ১৯ বার হত্যা করার অপচেষ্টা চালানো হয়েছে। কিন্তু বারবার মৃত্যু উপত্যকা থেকে ফিরে এসে তিনি বিচলিত হননি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাস্তবায়ন হোক, এটিই আমাদের প্রত্যাশা।

কাতারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালন

 

ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকন, কাতার থেকেঃ

কাতারের দোহার  সালিমার রেস্টুরেন্টে  ২৮ সেপ্টেম্বর কেক কাটার মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার  জন্মদিন পালন করা হয়।

কেক কাটা অনুষ্ঠানে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মোঃ রাজ রাজিব এর সঞ্চালনায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি মোহাম্মদ শাহ আলম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাতারে নিযুক্ত গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের   রাষ্ট্রদূত নজরুল ইসলাম।  বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দূতাবাসের  শ্রম কাউন্সিল  মাকসুদুল কবীর।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন সহ-সভাপতি মোস্তফা  কামাল।  দোয়া ও মোনাজাত করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন খান। দেশের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রেখে সমবেত কন্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন উপস্থিত সকলে।

আলোচনায় অংশ গ্রহণ করে বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর ফারুক চৌধুরী, প্রধান উপদেষ্টা ইসমাইল মিয়া, সি: সহ সভাপতি আবুল কাশেম, সহ সভাপতি আবু তাহের, মহিউদ্দিন চৌধুরী, মাসুদ শেখ, সৈয়দ আনা মিয়া, মাহবুবুর রহমান বাবু, বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি জাকির হোসেন বাবু, যুগ্ম সম্পাদক মাহবুব আলম শিপন, ফারুক মোল্লা।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জসিম উদ্দিন আহমেদ, নজরুল ইসলাম ভূইয়া, সোলাইমান গনি, ইঞ্জিনিয়ার সেলিম, মোস্থফা কামাল, নাঈম হাছান, মাইনুল ইসলাম, তৌফিক ভূইয়া, মাইনু উদ্দিন রনি, রহমতুল্লাহ ফারিয়াজ সহ অনেকেই।

বক্তারা বলেন, শেখ হাসিনার জন্ম না নিলে আমরা গণতন্ত্র পেতাম না, সামাজিক ন্যায় বিচার পেতাম না, অর্থনৈতিক মুক্তি পেতাম না, ভোট ও ভাতের অধিকার পেতাম না, একটা মর্যাদাশীল দেশও পেতাম না এবং যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হতো না। বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখেছিলেন, বাঙালি জাতি পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। আর সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছেন শেখ হাসিনা। তিনি বাংলাদেশকে মর্যাদাশীল আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। শেখ হাসিনা আজ শুধু জাতীয় নেতাই নন, তিনি আজ তৃতীয় বিশ্বের একজন বিচক্ষণ রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে অবতীর্ণ হয়েছেন।

শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে চান্দিনায় কেক কাটা, দোয়া ও আলোচনা সভা

 

শরীফুল ইসলাম:
কুমিল্লার চান্দিনায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৭৭ জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা, আলোচনা সভা ও দোয়ানুষ্ঠান হয়।

শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকালে চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী লীগের আয়োজনে নবাবপুর বাজারে দলীয় কার্যালয়ে ওই অনুষ্ঠান হয়। এতে সভাপতি হিসেবে বক্তব্য রাখেন  এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সহ-সভাপতি ও চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুনতাকিম আশরাফ টিটু।

অনুষ্ঠানে চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মহিউদ্দিন আহমেদ আলম এর সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন  চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী লীগের  সহ সভাপতি শাহাদাত হোসেন মজুমদার, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোখলেছুর রহমান মাস্টার, আহমেদ খালেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম তুহিন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক আবদুর রব, মহিচাইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আবু মুসা মজুমদার, বাড়েরা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম, মাধাইয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান অহিদ উল্লাহ, মাইজখার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সহ-সভাপতি ইমাম হোসেন ফরিদ, পৌর যুবলীগ সহ-সভাপতি মো.আবু হানিফ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন – নবাবপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিন মাস্টার, উপজেলা তাতীলীগ আহবায়ক আবদুল হালিম, সদস্য সচিব মোজাম্মেল হক, উপজেলা ছাত্রলীগ সাবেক সভাপতি কাজী ইয়াসিন আহমেদ অভি, এম এ খায়ের প্রমুখ। পরে দোয়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন – তাতীলীগ নেতা হায়াত উল্লাহ।

আওয়ামী সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠ অথবা সংখ্যালঘু হিসাবে দেশের মানুষকে বিবেচনা করে না: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

 

স্টাফ রিপোর্টার:
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বৈষম্য ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে ১৯৭১ সালে আমাদেরকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। যেসব অধিকার আদায়ের জন্য আমরা পাকিস্তানের অত্যাচার এবং নিপীড়ন থেকে মুক্ত হয়েছিলাম তার মধ্যে সকল ধর্মের নাগরিকদের সমান অধিকার প্রাপ্তি অন্যতম। আমাদের সংবিধানেও ধর্মনিরপেক্ষতার যে মূলনীতি রয়েছে তাতে ধর্ম যার যার রাষ্ট্র সবার এই নীতিই উল্লেখ রয়েছে। ফলে বাংলাদেশের সকল ধর্মের মানুষের সমান অধিকার রয়েছে নাগরিক হিসাবে।

তিনি আজ  শুক্রবার কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় বাংলাদেশ সেবাশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা পরমরাধ্য গুরুদেব শ্রীমৎ আচার্য বিবেকানন্দ গোস্বামীর ১০০ তম জন্মজয়ন্তী ও নবনির্মিত মন্দিরের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন এমপি অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত, স্থানীয় সাংসদ রাজী মোহাম্মদ ফখরুল, কুমিল্লা জেলা প্রশাসক খন্দকার মুহাম্মদ মুশফিকুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ।

মন্দিরের উদ্বোধন করেন এমপি  শ্রী মনোরঞ্জন শীল গোপাল। অনুষ্ঠানে চান্দিনা উপজেলা চেয়ারম্যান তপন বক্সী , দেবিদ্বার উপজেলা চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম শামীম, জেলা পরিষদ সদস্য শিরিন সুলতানা ও দেবিদ্বার উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এড নাজমা আক্তারসহ দলীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রী প্রদীপ নন্দী।

এ সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সকল ধর্মের নাগরিকদের সমান অধিকার প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার সংখ্যাগরিষ্ঠ অথবা সংখ্যালঘু হিসাবে দেশের মানুষকে বিবেচনা করে না। ধর্মের ভিত্তিতে বিভাজন সৃষ্টি করে দেশে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যজনক পরিবেশ বিনষ্ট করতে বিএনপি জামাত সব সময় সক্রিয় রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০০১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসার পরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের উপর উপর যে অত্যাচার হয়েছে তা পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর অত্যাচারকেও হার মানায়।

মন্ত্রী এ সময় বলেন, ঐতিহাসিকভাবেই বাংলাদেশে ধর্মীয় সহনশীলতার দেশ। এখানে সকল ধর্মের মানুষ নিজেদের মধ্যে সম্প্রীতি ও সহানুভূতি নিয়েই বসবাস করে। তবে কিছু ধর্মীয় ও মৌলবাদী গোষ্ঠী রাজনৈতিক ফায়দা আদায় করার জন্য সব সময় ধর্মকে ব্যবহার করে। তিনি এসব ধর্মব্যবসায়ীদের সম্পর্কে সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানান।

মোঃ তাজুল ইসলাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারা বজায় রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রচেষ্টা রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে হলে সকল ধর্মের মানুষকে সমানভাবে মূল্যায়ন করার মত সমাজ ব্যবস্থা আমাদেরকে গড়ে তুলতে হবে।

হিন্দু ধর্মাবলম্বী সবাইকে তিনি আসন্ন দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে যতটা নির্বিঘ্নে  অন্যান্য ধর্মের মানুষ তাদের ধর্ম কর্ম, আচার-আচরণ পালন করতে পেরেছে তা ধর্মীয় সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

ফেনীতে বাসচাপায় মারা গেছেন অটোরিকশার ৩ যাত্রী

ফেনীতে বাসচাপায় মারা গেছেন অটোরিকশার ৩ যাত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী সমিতি বাজার এলাকায় বাসচাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার তিন যাত্রী নিহত হয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে ছাগলনাইয়া উপজেলার ঘোপাল ইউনিয়নের কবরস্থান এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মধ্যে একজন নারী ও দুইজন পুরুষ। তবে তাৎক্ষণিক তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি সমিতি বাজার কবরস্থান এলাকায় মহাসড়কে ইউটার্ন নেওয়ার সময় চট্টগ্রামগামী দ্রুতগতির একটি বাস চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন মারা যান। অন্যজন হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান।

ফাজিলপুর হাইওয়ে থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাশেদ খান চৌধুরী জানায়, নিহতদের মরদেহ ফেনী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। তবে এখনো তাদের নাম-পরিচয় পাওয়া যায়নি। বেপরোয়া গতির বাসটিকে আটক করা যায়নি। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে সরকার, আশা প্রকাশ ফখরুলের

খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করবে সরকার, আশা প্রকাশ ফখরুলের

ডেস্ক রিপোর্ট:

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সরকার বিদেশে নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দেবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়ে ফখরুল জানান, যে মানুষটি আজীবন গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন, তাঁকে আজ গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে না।

আমরা আশা করি, খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য তার পরিবার বিদেশে পাঠানোর যে আবেদন করেছে, সরকার তা বাস্তবায়ন করবে।

তিনি জানায়, সমগ্র দেশের মানুষ যখন এই ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে জেগে উঠেছে তখন এই মহিলা সমাবেশ আমাদের আরো সাহস জুগিয়েছে। আজকে এই সরকারের অত্যাচার থেকে মা-বোনরা রক্ষা পাননি। সাইবার সিকিউরিটি আইনের নামে আটক করা হচ্ছে মা-বোনদের।

আজকে সত্য লেখার অপরাধে মা-বোনদের পিটিয়ে মারা হচ্ছে। এ সরকারের আমলে আজ কেউ নিরাপদ নয়। প্রতিটি দ্রব্যমূল্য আজ আকাশচুম্বী। সরকারের বেঁধে দেওয়া দর কেউ মানছে না। সব জায়গায় আওয়ামী লীগের সিন্ডিকেট। সংসার চালাতে মানুষ হিমশিম খাচ্ছে।

আওয়ামী লীগ জনগণ দ্বারা নির্বাচিত নয় উল্লেখ করে তিনি জানান, খালেদা জিয়া মেয়েদের দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিনা মূল্যে পড়ার ব্যবস্থা করেছেন, চাকরির ক্ষেত্রে মেয়েদের কোটা প্রথা চালু করেছেন। আজকে এ সরকার গায়ের জোরে সব কিছু ধ্বংস করে দিচ্ছে। গণতন্ত্র ও দেশ ধ্বংস করে ফেলছে।

তারা মানুষের কথা চিন্তা করছে না। মানুষের দাবি তত্ত্বাবধায়ক সরকার এরা চায় না। এ সরকার যদি আবার ক্ষমতায় আসে তাহলে দেশের স্বাধীনতা থাকবে না। তাই আসুন সব নারী-পুরুষ ঐক্যবদ্ধ হই। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এই একদলীয় বাকশালী সরকারকে বিদায় করে জনগণের রাষ্ট্র কায়েম করি।

মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরো বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আফরোজা আক্তার রিতা, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, মহিলা দল নেত্রী হেলেন জেরিন খান প্রমুখ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম প্রমুখ।

কুমিল্লা বুড়িচংয়ে নিখোঁজের চার দিন পর অটোচালকের মরদেহ উদ্ধার

কুমিল্লা বুড়িচংয়ে নিখোঁজের চার দিন পর অটোচালকের মরদেহ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে সনজিত চন্দ্র দেবনাথ (৬৫) নামে এক ব্যটারী চালিত অটোচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কুমিল্লা সিলেট আঞ্চলিক মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার রামপুর পোস্ট অফিস এলাকার সড়কের পাশে একটি ডোবা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে দেবপুর ফাঁড়ি পুলিশ।

নিহত সঞ্জীবচন্দ্র দেবনাথ বুড়িচং উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের শাহদৌলতপুর গ্রামের মৃত অধর দেবনাথের ছেলে।

এর আগে ২৫ শে সেপ্টেম্বর সোমবার রাত ৯ টায় ব্যটারী চালিত অটোরিকশা নিয়ে বাড়ী থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয় সনজিত চন্দ্র দেবনাথ।

শুক্রবার দুপুরে স্থানীয়রা রামপুর পোস্ট অফিস এলাকায় ইদ্রিস মিয়ার পুকুরে একটি মরদহ ভাসতে দেখে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দেয়। পরে দেবপুর পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক (এস আই) রুহুল আমিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

পুলিশ কর্মকর্তা রুহুল আমিন জানায়, বিকেল তিনটায় পুকুর থেকে মরদহটি উদ্ধার করা হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা নিহতের পরিচং নিশ্চিত করেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে চার দিন আগে তার মৃত্যু হয়েছে। মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার আবুল হাসনাত জানায়, প্রাথমিকভাবে নিহতের শরীরে কোন আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় বুড়িচং থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

কানাডাকে খুনিদের আশ্রয়স্থল বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

কানাডাকে খুনিদের আশ্রয়স্থল বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

পালটে যাচ্ছে কূটনৈতিক দৃশ্যপট। খালিস্তানি নেতা হরদীপ সিং নিজ্জার হত্যার কারণে ভারত ও কানাডার মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধির পর, বাংলাদেশ এখন কানাডার প্রত্যর্পণনীতির বিরুদ্ধে নিজস্ব অভিযোগ তুলেছে। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি নূর চৌধুরীকে হস্তান্তর করতে কানাডার অস্বীকৃতি এখন এ বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে।

ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎকারে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন একটি মন্তব্য করেছেন। তিনি জানান, কানাডা সব খুনিদের আবাসস্থল হতে পারে না। একদিকে খুনিরা কানাডায় গিয়ে নিরাপদে রয়েছে, অন্যদিকে নিহতের পরিবারের আত্মীয়রা কষ্টে দিনযাপন করছেন।

মোমেন মৃত্যুদণ্ডের বিষয়টি আরও বিশদভাবে বর্ণনা করে জানান, আমাদের বিচার বিভাগ খুবই স্বাধীন এবং সরকার এতে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। তবে নূর চৌধুরী মৃত্যুদণ্ডের আসামি। নূর চৌধুরী এবং রশিদ চৌধুরী উভয়েই যদি বাংলাদেশে ফিরে আসেন এবং দেশের প্রেসিডেন্টের কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন তাহলে প্রেসিডেন্ট তাদের প্রাণভিক্ষার আবেদন মঞ্জুর করে তাদের সাজা মৃত্যুদণ্ড থেকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে পরিবর্তন করতে পারেন।

ইন্ডিয়া টুডের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন করা হয়, বাংলাদেশের জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর পালিয়ে আসা দুই ব্যক্তি হলেন নূর চৌধুরী ও রশিদ চৌধুরী। একজন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে গেছে অন্যজন কানাডায়। নূর চৌধুরীর বয়স এখন ৭০। ২০১৯ সালের দিকে কিছু কথোপকথনের পরিপ্রেক্ষিতে আশা ছিল যে, কিছু সমাধান হয়তো বের হতে পারে। আসলে তা ঘটেনি। আপনি কি মনে করেন যে, মৃত্যুদণ্ডই একমাত্র কারণ যার কারণে নূর চৌধুরীকে কানাডা প্রত্যর্পণ করছে না, নাকি ভারত বা বাংলাদেশ যেই হোক না কেন কানাডার মধ্যে অনীহা রয়েছে এসব লোকদের ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে?

উত্তরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানায়, কানাডার সমস্যা হলো তাদের একের পর এক অজুহাত রয়েছে এবং সেটাই বোধগম্য নয়। তাদের আইন আছে, কিন্তু আইন অবশ্যই একজন খুনিকে রক্ষা করবে না। আইন অবশ্যই এ খারাপ লোকদের রক্ষা করবে না; কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত কানাডা করছে। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে, ১৯৭৫ সালে যখন আমাদের জাতির পিতাকে হত্যা করা হয়েছিল তখন আমাদের একের পর এক সামরিক সরকার ছিল এবং সেই সামরিক সরকারগুলো এই খুনিদের শুধু পুরস্কৃত করেনি, তারা তাদের গুরুত্বপূর্ণ মিশনে এবং ভালো চাকরিতে দাখিল করেছিল।

সামরিক সরকার একটি আইন পাশ করেছে যে, আপনি খুনিদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারবেন না, তাই পরিবারের সদস্যরা খুনিদের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে না। পরিবারের সদস্যদের, বিশেষ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ কন্যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রীকে সেই শাসন পরিবর্তনের জন্য ক্ষমতায় আসতে প্রায় ২১ বছর ধরে লড়াই করতে হয়েছিল। আমরা সেই লোকদের বিরুদ্ধে আদালতে যথাযথ প্রক্রিয়া শুরু করেছি যারা আমাদের জাতির পিতার খুনি এবং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত দ্বারা দোষী সাব্যস্ত হয়েছে।

আমরা কানাডিয়ান সরকারের কাছে সমস্ত বিবরণ জমা দিয়েছি যে, প্রক্রিয়াটি ন্যায্য, ন্যায়পরায়ণ ছিল এবং এটি সমস্ত পদ্ধতি অনুসরণ করে করা হয়েছে। দুর্ভাগ্যবশত এই খুনিরা কানাডায় আশ্রয় নিয়েছিল। নূর চৌধুরী এবং রশিদ চৌধুরী এই দুই খুনি কানাডায় ভালো জীবনযাপন করছে, যদিও ভুক্তভোগীদের পরিবার এখনো কষ্ট পাচ্ছে।

সূত্র: যুগান্তর