All posts by jitu

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। ইয়াসিন আরাফাত ও আব্দুল্লাহ আল নোমান নামে ছয় বছর বয়সেই শিশু দুটি সোমবার সন্ধ্যা থেকে নিখুঁত ছিল।

পরে আজ সকালে বাড়ির পাশে পুকুর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নাঙ্গলকোট থানার পুলিশ উপ-পরিদর্শক রিয়াজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, নাঙ্গলকোট পৌরসভার উত্তরপাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে আরাফাত ও মাহফুজ হকের ছেলে নোমান গতকাল সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের সময় বাড়ির পাশে পুকুর ঘাটে খেলছিল। এরপর থেকে তাদেরকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। সন্ধ্যায় পুকুরে ও তাদেরকে খুঁজে উদ্ধার করতে পারেনি কেউ। পরে মঙ্গলবার সকালে দুজনের মরদেহ পানিতে ভেসে ওঠে। আরাফাত ও নোমান স্থানীয় একটি স্কুল ও মাদ্রাসায় প্রথম শ্রেণীতে পড়তো।

পুলিশ উপ-পরিদর্শক রিয়াজ হোসেন জানান, দুপুরে মরদেহ দাফনের পর আমরা সংবাদ পেয়েছি। তারপর শিশুর অবিভাবক এর সাথে কথা বলেছি – তারা যদি কোন অভিযোগ দিতে চান তাহলে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। তবে এ ব্যাপারে তারা কোন সদুত্তর দেয়নি।

কুমিল্লায় সকালে নিখোঁজ, রাতে নদীতে মিলল স্কুল ছাত্রের লাশ

কুমিল্লায় সকালে নিখোঁজ, রাতে নদীতে মিলল স্কুল ছাত্রের লাশ

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার সদরের জগন্নাথপুর ইউনিয়নে বাড়ি থেকে স্কুলে যেতে গিয়ে নিখোজঁ হয় স্কুল ছাত্র রিহান। পরে রাতে তার লাশ মিলে কিশোরগঞ্জ ভৈরব নদীর ব্রিজের নিচ থেকে। এ ঘটনায় নিহতের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম।

রোববার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে কিশোরগঞ্জ ভৈরব নদীর ব্রিজের নিচে রিহানকে জীবিত উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এর আগে রোববার সকালে খালাতো ভাই ইমরানকে সাথে নিয়ে স্কুলে যেতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় রিহান।

নিহত রিহান কুমিল্লা নগরের রাজগঞ্জ বাজারের মৎস্য ব্যবসায়ী মো শাহজাহান মিয়ার একমাত্র ছেলে। সে জগন্নাথপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্কুলের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র ছিল।

নরসিংদী মডেল থানার এসআই মোজাম্মেল হক জানান, তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত বের হলে পরে বিস্তারিত জানা যাবে।

কুমিল্লা চকবাজার ফাড়িঁ পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আলী জানান, রোববার সকাল ১১টার দিকে বাসা থেকে বের হয়। বিকেলেও না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। রাতে তার লাশ ব্রিজের নিচ থেকে পাওয়া যায়। শিশুটির শরীরে আঘাতের চিহ্ন আছে। তদন্ত তরে বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়ার্ধীন রয়েছে বলেও তিনি জানান।

দাউদকান্দিতে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

দাউদকান্দিতে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক

জাকির হোসেন হাজারী , দাউদকান্দি প্রতিনিধি:

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ১১৫পিছ ইয়াবাসহ জীবন মিয়া (৪৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুর ২টায় উপজেলা সদরের তুজারভাঙ্গা বেপারী বাড়ীর সামনে থেকে তাকে আটক করা হয়। জীবন মিয়া তুজারভাঙ্গা গ্রামের মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে।

পুলিশ জানায় , গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপপরিদর্শক সুদর্শনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তুজারভাঙ্গা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১১৫ পিছ ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী জীবন মিয়াকে আটক করা হয় ।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি মোঃ মোজাম্মেল হক বলেন, আটককৃত আসামিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে জেলহাজতে পাঠানো হবে। জীবন মিয়ার নামে আরো ৫/৬টি মাদক মামলা রয়েছে বলে এই কর্মকর্তা জানান।

এডিসি হারুনের ওপর রাষ্ট্রপতির এপিএস আগে হামলা চালিয়েছে: ডিবি প্রধান

এডিসি হারুনের ওপর রাষ্ট্রপতির এপিএস আগে হামলা চালিয়েছে: ডিবি প্রধান

ডেস্ক রিপোর্ট:

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় দুই নেতাকে থানায় মারধর করার ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) হারুন অর রশিদের ওপর রাষ্ট্রপতির এপিএস আজিজুল হক মামুন আগে হামলা চালান বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার হারুন অর রশীদ।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

ডিবি প্রধান জানান, থানায় নিয়ে ছাত্রলীগের নেতাদের নির্যাতনের যে ঘটনাটি ঘটেছে, তার সূত্রপাত হয় বারডেম হাসপাতালে। সেখানে রাষ্ট্রপতির এপিএস মামুন আগে বরখাস্ত এডিসি হারুনের ওপর হামলা চালান। এই বিষয়টিও তদন্তে আসা উচিত।

গত ৯ সেপ্টেম্বর রাতে শাহবাগ থানায় নিয়ে ছাত্রলীগের দুই নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ ওঠে এডিসি হারুনের বিরুদ্ধে। দুই ছাত্রলীগ নেতা হলেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ার হোসেন নাঈম, বিজ্ঞানবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক শরীফ আহমেদ।

এ ঘটনার জেরে রাতেই শাহবাগ থানার সামনে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা ভিড় করেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও পুলিশের কর্মকর্তারা থানায় গিয়ে মধ্যরাতে মীমাংসা করেন।

ছাত্রলীগের একাধিক সূত্রে জানা যায়, এডিসি হারুন ৯ সেপ্টেম্বর রাতে এক নারীর সঙ্গে বারডেম হাসপাতালে আড্ডা দিচ্ছিলেন। সেসময় ওই নারীর স্বামী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দুই নেতাকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যান এবং তাদের দুজনকে একসঙ্গে পান। সেখানে ছাত্রলীগের নেতাদের সঙ্গে এডিসি হারুনের বাগবিতণ্ডা ও হাতাহাতি হয়। পরে পুলিশ ফোর্স নিয়ে এসে ছাত্রলীগের দুই নেতাকে শাহবাগ থানায় নিয়ে বেদম মারধর করেন এডিসি হারুন অর রশিদ।

এ ঘটনায় গত রোববার সেপ্টেম্বর বিকেলেই ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুকের নির্দেশে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি দুইদিনের মধ্যে দ্রুত তদন্ত কাজ সম্পন্ন করে ডিএমপি পুলিশ কমিশনার বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে। এরপর হারুনকে পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্টে (পিওএম) বদলি করা হয়। আবার ওইদিন বিকেলে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে এপিবিএন-এ বদলি করা হয়।

তবে গতকাল সোমবার বদলি করা এডিসি হারুনকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপনে সই করেন সিনিয়র সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

লালমাই পাহাড়ে একটি মর্টার শেলের চারপাশ ঘিরে রেখেছে পুলিশ

লালমাই পাহাড়ে একটি মর্টার শেলের চারপাশ ঘিরে রেখেছে পুলিশ

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার লালমাই পাহাড়ে পড়ে থাকা মর্টার শেলের চারপাশ ঘিরে রেখেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সদর দক্ষিণ উপজেলার বড় ধর্মপুর এলাকায় মর্টার শেলটি দেখতে পায় স্থানীয়রা।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আলমগীর ভূঁইয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় লালমাই পাহাড়ে অনেক যুদ্ধ সংগঠিত হয়। ধারণা করা হচ্ছে, মর্টার শেলটি ওই সময়ের। এটি অবিস্ফোরিত দেখা যাচ্ছে। সোমবার লালমাই পাহাড়ে ভারি বৃষ্টিপাত হয়। এতে বড় ধর্মপুর এলাকায় পাহাড়ে মাটি সরে গিয়ে মর্টার শেলটি দৃশ্যমান হয়।

তিনি আরও জানায়, মঙ্গলবার সকালে স্থানীয়রা মর্টার শেলটি দেখতে পায়। পরে থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে দিয়ে চারপাশ ঘিরে রাখে। ঢাকায় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে মর্টার শেলটি উদ্ধার করে বিস্ফোরণ ঘটানো হবে।

১৫৯ আরোহী নিয়ে রাশিয়ান বিমানের জরুরি অবতরণ

১৫৯ আরোহী নিয়ে রাশিয়ান বিমানের জরুরি অবতরণ

ডেস্ক রিপোর্ট:

১৫৯ জন আরোহী নিয়ে রাশিয়ায় একটি শস্যখেতে জরুরি অবতরণ করেছে একটি বিমান। রাশিয়ার ইউরাল এয়ারলাইন্সের বিমানটি দেশটির সোচি শহর থেকে ওমস্কে যাচ্ছিল এবং মাঝ আকাশে যান্ত্রিক ত্রুটির মুখে পড়ার পর পশ্চিম সাইবেরিয়ার নোভোসিবিরস্ক অঞ্চলে এটি জরুরি অবতরণ করে।

বেশ কয়েকটি বার্তাসংস্থার বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাশিয়ার ইউরাল এয়ারলাইন্সের একটি বিমান ১৫৯ জন আরোহী নিয়ে সোচি থেকে ওমস্কের দিকে যাওয়ার সময় পশ্চিম সাইবেরিয়ার নোভোসিবিরস্ক অঞ্চলে জরুরি অবতরণ করেছে বলে রাশিয়ান সংস্থাগুলো মঙ্গলবার জানিয়েছে।

অবশ্য এই ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কারও আহত হওয়ার কোনও খবর বা জরুরি অবতরণের কারণও জানা যায়নি।

রাশিয়ার বার্তাসংস্থা ইন্টারফ্যাক্স জানিয়েছে, বিমানটিতে ১৫৯ জন আরোহী ছিলেন। এর আগে আরেক বার্তাসংস্থা তাস জানায়, জরুরি অবতরণ করা বিমানটিতে আরোহীর সংখ্যা ছিল ১৫৬ জন।

পৃথক প্রতিবেদনে রুশ সংবাদমাধ্যম আরটি জানিয়েছে, সোচি থেকে ওমস্ক যাওয়ার পথে এয়ারবাস এ৩২০ মডেলের একটি বিমান মঙ্গলবার সকালে মাঝ আকাশে থাকা অবস্থায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে এবং সেটিকে নোভোসিবিরস্কের একটি এয়ারফিল্ডে অবতরণের নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু বিমানটি সেখানেও পৌঁছাতে ব্যর্থ হয় বলে জরুরি পরিষেবাগুলো রাশিয়ান মিডিয়াকে জানিয়েছে।

পরে বিমানটি নোভোসিবিরস্ক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ১৮০ কিলোমিটার দূরে একটি মাঠে জরুরি অবতরণ করতে বাধ্য হয়। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, হাইড্রলিক্সের ত্রুটির কারণে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

আরটি বলছে, ইউরাল এয়ারলাইন্সের এই ফ্লাইটে ২৩ শিশুসহ ১৭০ জন লোক ছিল। প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জরুর অবতরণের ঘটনায় যাত্রী বা ক্রুদের কেউই গুরুতর আহত হননি। কর্তৃপক্ষ বলেছে, বিমানটি অবতরণ করার পরে প্লেনের বডিতে কোনও ফাঁটল বা ভাঙন দেখা দেয়নি এবং আগুনও ধরে যায়নি।

শস্যখেতে অবতরণের পর জরুরি স্লাইড ব্যবহার করে সবাই নিরাপদে বিমানটি থেকে বাইরে বেরিয়ে আসেন।

রুশ এই সংবাদমাধ্যমটি বলছে, একাধিক টেলিগ্রাম চ্যানেল ঘটনাস্থল থেকে ওই বিমানের ছবি শেয়ার করেছে। এসব ছবিতে অবতরণের পর ঘটনাস্থলে প্রথম উপস্থিত হওয়া কয়েকজন ব্যক্তিকে বেষ্টিত অবস্থায় শস্যখেতের মধ্যে জরুরি নির্গমণের স্লাইডসহ বিমানটিকে দেখা যাচ্ছে।

অন্যান্য ছবিতে যাত্রীদের একটি দলকেও কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়।

এদিকে নোভোসিবিরস্ক এবং ওমস্ক অঞ্চলের গভর্নররা ওই ফ্লাইটের যাত্রীদের অস্থায়ী আশ্রয় এবং পরিবহনসহ সমস্ত প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। রাশিয়ার এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু করেছে।

এর আগে ২০১৯ সালে ইউরাল এয়ারলাইন্সের আরেকটি বিমান মস্কোর কাছে একটি ভুট্টা ক্ষেতে (কর্নফিল্ডে) একই রকমভাবে অলৌকিক অবতরণ করেছিল। মূলত বিমানটি টেকঅফের সময় পাখির একটি ঝাঁককে আঘাত করার পর অবতরণ করে। পরে ক্রুরা ২২৬ জন যাত্রীকে নিরাপদে সরিয়ে নিতেও সক্ষম হন।

চান্দিনায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে ৩ জন নিহত

চান্দিনায় যাত্রীবাহী বাস উল্টে ৩ জন নিহত

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চান্দিনায় মোটরসাইকেলের সঙ্গে সংঘর্ষ এড়াতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় একটি যাত্রীবাহী বাস। এ সময় বাসটি উল্টে যায়। এ ঘটনায় দুই পথযাত্রীসহ তিন জন মারা গেছেন। আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন।

মঙ্গলবার সকাল পৌনে ১০টায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা উপজেলার হারিখোলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- চান্দিনা উপজেলার বাড়েরা ইউনিয়নের গণিপুর গ্রামের মৃত মমতাজ খলিফার ছেলে আলমগীর হোসেন (৩৮), হারিখোলা বেদেপল্লীর আদম আলীর ছেলে বাহরাম মিয়া (৬০) এবং দেবীদ্বার উপজেলার কুরছাপ গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে মোটরসাইকেল আরোহী আবুল কালাম (৪০)।

আহতরা হলেন- নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার বাসযাত্রী মিল্লাত (২৩), নওগাঁ জেলার আরিফুল ইসলাম (২৮), ঢাকা মগবাজার এলাকার সাবিনা (৩৫), তার মেয়ে তানহা (১০), মোটরসাইকেল আরোহী আবু কামালসহ বাসের আরো পাঁচ যাত্রী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, সকাল পৌনে ১০টার দিকে চট্টগ্রামমুখী যাত্রীবাহী একটি বাস হারিখোলা মাজার এলাকায় পৌঁছলে মোটরসাইকেলটিকে বাঁচাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারায়।

এ সময় বাসটি উল্টে মহাসড়কে আছড়ে পড়ে। এ সময় মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা দুই পথযাত্রী ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুরুতর আহত হন মোটরসাইকেল আরোহীসহ বাসের যাত্রীরা। হাসপাতালে নেওয়ার পথে মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু ঘটে।

হাইওয়ে পুলিশ ইলিয়টগঞ্জ ফাঁড়ির সার্জেন্ট (এসআই) নাজমূল হুদা জানান, আমরা দুজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। এর মধ্যে আলমগীরের মরদেহ ফাঁড়িতে নিয়েছি। আর দুর্ঘটনাটি বেদেপল্লীর পাশে হওয়ায় নিহত ওই ব্যক্তির মরদেহ তারা বাড়িতে নিয়ে যান। পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে নিহত মোটরসাইকেল আরোহীর মরদহ উদ্ধার করেছি। এই ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

‘তোমার পাশে অন্য কাউকে দেখে আমার বাঁচা সম্ভব না’: নারী চিকিৎসকের আত্মহত্যা

‘তোমার পাশে অন্য কাউকে দেখে আমার বাঁচা সম্ভব না’: নারী চিকিৎসকের আত্মহত্যা

ডেস্ক রিপোর্ট:

রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলের নাখালপাড়া এলাকায় এক নারী চিকিৎসক আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তার নাম সুস্মিতা সাহা। ওই নারী মিরপুর-১৪ ডেন্টাল কলেজ থেকে সদ্য পাস করেন বলে জানা যায়। আত্মহত্যার আগে তিনি একটি সুইসাইড নোট লিখে গেছেন।

উদ্ধার হওয়া চিরকুটে লেখা ছিল, ….একবার আমার মুখটা দেখো। আমি একবার তোমাকে দেখতে চাই। ওষুধ এ রিয়েকশন শুরু হয়ে গেছে। তোমার সুখ, তোমার পাশে অন্য কাউকে দেখে আমার বাঁচা সম্ভব না। কোথাও আমাকে পেলে অপরিচিত হয়ে এড়িয়ে যেতে। সুখী হও।

পুলিশ জানান, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাধীন নাখালপাড়া এলাকায় এক বান্ধবীর বাসায় ছিলেন সুম্মিতা। বান্ধবীর বাসাতেই গতরাতে তিনি ঘুমের ওষুধ খান। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ইম্পালস হাসপাতালে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। মৃত নারী চিকিৎসক সুস্মিতার গ্রামের বাড়ি জামালপুর সরিষাবাড়ির আরামনগর বাজারে।

মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম এসব তথ্য জানায়।

তিনি জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, ঘুমের ওষুধ খেয়ে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। বান্ধবীর বাসা থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার করা হয়েছে। গত এক মাস ধরে তেজগাঁও নাখালপাড়ায় এক বান্ধবীর বাসায় তিনি ছিলেন। সুস্মিতা মিরপুর ডেন্টাল কলেজ থেকে সদ্য পাস করা চিকিৎসক। তবে তিনি কোথাও চিকিৎসা দিচ্ছিলেন না। তার একটি ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ওই ছেলের দেওয়া মানসিক কষ্টের জন্য তিনি ঘুমের ওষুধ খেলে তার আত্মীয়-স্বজন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকার ইম্পালস হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়।

ঘুমের ওষুধ খাওয়ার আগে তিনি চিরকুট লিখেছেন, যা ইতোমধ্যে পুলিশের পক্ষ থেকে জব্দ করা হয়েছে। মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিতে ময়নাতদন্তের জন্য সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে মরদেহ পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ওসি মাজহারুল ইসলাম।

প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর টুইট

প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁর টুইট

ডেস্ক রিপোর্ট:

বাংলাদেশে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে সোমবার ঢাকা ছেড়েছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ফ্রান্সে পৌঁছেই এই সফরে উষ্ণ অভ্যর্থনা প্রদানের জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশিদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট।

সোমবার রাতে সামাজিকমাধ্যম এক্সে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি।

এই টুইটে ম্যাক্রোঁ লিখেছেন, ‘ধন্যবাদ আপনাকে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেইসঙ্গে বাংলাদেশিদের, আপনাদের উষ্ণ অভ্যর্থনার জন্য। এটি আমাদের দুই দেশের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক ও অটুট বন্ধুত্বের গুরুত্ব বহন করে।’

এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে দুই দিনের সফরে গত রোববার রাতে ঢাকায় আসেন ম্যাক্রোঁ। বিমানবন্দরে তাকে অভ্যর্থনা জানান প্রধানমন্ত্রী। বিমানবন্দরে ফরাসি প্রেসিডেন্টকে লাল গালিচা সংবর্ধনা এবং গার্ড অব অনার দেওয়া হয়।

১৯৯০ সালে তৎকালীন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া মিতেরাঁর পর এটি বাংলাদেশে কোনো ফরাসি প্রেসিডেন্টের প্রথম সফর।

সফরের শুরুর দিন রোববার রাতে রাষ্ট্রীয় ভোজে অংশ নেন ম্যাক্রোঁ। এছাড়া এদিন রাতে তিনি ধানমন্ডিতে গীতিকার ও বাদ্যযন্ত্রী রাহুল আনন্দের স্টুডিও পরিদর্শনে যান।

সফরের দ্বিতীয় দিন সোমবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। পরে তিনি গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন। বৈঠকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পরে দুই শীর্ষ নেতার উপস্থিতিতে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ এবং স্থানীয় সরকার প্রকল্পে অর্থায়নে দুটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

বৈঠক শেষে যৌথ প্রেস ব্রিফিং করেন দুই শীর্ষ নেতা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে বের হওয়ার আগে ফরাসি প্রেসিডেন্ট সেখানে রাখা দর্শনার্থী বইয়ে সই করেন।

পরে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ রাজধানীর তুরাগ নদে নৌকা ভ্রমণে যান। বৃষ্টির মধ্যে তুরাগ নদ ঘুরে দেখেন তিনি। এ সময় নৌকাবাইচ উপভোগ করেন ম্যাক্রোঁ।