All posts by jitu

কুমিল্লা বিভাগে ৫টি শিশু হাসপাতাল স্থাপন করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডেস্ক রিপোর্ট:

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, দেশের ৪৯২টি উপজেলায় ৫০শয্যা থেকে সব ১০১ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে রুপান্তর করা হবে আজ থেকে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে খুলনা, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী ও কুমিল্লা বিভাগে ৫টি করে শিশু হাসপাতাল করা হবে। যার প্রতিটিতে ১টি করে থাকবে আইসিইউ। ১১শ কোটি টাকা ব্যয় করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি মেডিকেল ভবন তৈরি করা হবে।

বুধবার (০৩ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, চায়না-বাংলাদেশ যৌথভাবে নারীদের জন্য একহাজার শয্যা বিশিষ্ট ৫টি হাসপাতাল তৈরি করবে। দুর্নীতির বলয় থেকে বের হয়ে জনস্বাস্থ্যকে সহজ করার কাজ করছে সরকার।

মন্ত্রী বলেন, দেশের ৬-১০টি উপজেলায় পাইলটিংভাবে ছেলে বা মেয়ে সকলের জন্য ঘরে ঘরে গিয়ে চিকিৎসার সেবার ব্যবস্থা করা হবে। কার্যক্রম স্বাভাবিক বা ঠিক হলে পরবর্তীতে সারা দেশে করা হবে।

ডেঙ্গুর ভেরিয়েন্টের উপর নির্ভর করে সাথে সাথে ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে-এ কথা জানিয়ে আরও বলেন, হাম এবং ডেঙ্গু এ রোগ দুটির প্রতিরোধে কাজ করা হচ্ছে। ডেঙ্গু রোগীদের জন্য প্রতিটি প্রাইভেট হাসপাতালে ১০ শতাংশ বেড বরাদ্দ থাকবে। এছাড়াও প্রতিবেদনের উপর ১০০ টাকার মধ্যে ৮০ টাকা ছাড় দেয়ার অনুমতিও প্রদান করা হয়েছে।

বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শনে ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের বাস্কেটবলের উন্নয়নে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির আন্তর্জাতিক মানের চমৎকার উডেন (কাঠের) বাস্কেটবল কোর্ট পরিদর্শন করেছেন বাংলাদেশ বাস্কেটবল ফেডারেশনের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

মঙ্গলবার (২ জুন) এই বিশ্বমানের ভেন্যুটি পরিদর্শনে যান বাংলাদেশ বাস্কেটবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মেজর মোহাম্মদ আতিকুল হাফিজ (অব.) এবং বাংলাদেশ জাতীয় বাস্কেটবল দলের প্রধান কোচ ম্যাকক্যামন উইলিয়াম ফ্রেজার।

পরিদর্শনকালে অতিথিদের স্বাগত জানান বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মেজর মোহাম্মদ মহসিনুল করিম। তিনি জানান, জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের দক্ষতা বাড়াতে এই আধুনিক কোর্টটিকে নিয়মিত প্র্যাকটিস সেশনের জন্য ব্যবহার করার তীব্র ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন জাতীয় দলের কোচ ও ফেডারেশন সাধারণ সম্পাদক।

কোর্টের আধুনিক অবকাঠামো এবং বিশেষ করে এর আন্তর্জাতিক মানের চমৎকার উডেন ফ্লোর দেখে ভূয়সী প্রশংসা করেন অতিথিরা। এই ভেন্যুটি দেশের বাস্কেটবলকে সম্পূর্ণ নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তারা।

ভবিষ্যতে এই বিশ্বমানের ভেন্যুতে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও ঘরোয়া টুর্নামেন্ট আয়োজন করার ব্যাপারে গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেছে বাস্কেটবল ফেডারেশন। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বসুন্ধরা স্পোর্টস সিটির এই আধুনিক সুযোগ-সুবিধা দেশের বাস্কেটবল খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বুক চিতিয়ে লড়াই করার আত্মবিশ্বাস জোগাবে।

চৌদ্দগ্রামে বিরল প্রজাতির লজ্জাবতী বানর উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বিপন্ন ও বিরল প্রজাতির বন্য প্রাণী লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার রাতে ভারত সীমান্তবর্তী উপজেলার পৌর সদরের ৭নং ওয়ার্ডের বৈদ্দ্যরখিল এলাকা থেকে স্থানীয় লোকজন প্রাণীটি উদ্ধার করে।

জানা গেছে, বানরটি উদ্ধারের পর স্থানীয়রা চৌদ্দগ্রাম উপজেলা কুইক রেসপন্স টিমের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে (ইউএনও) বিষয়টি অবহিত করেন। পরবর্তীতে নির্বাহী অফিসারের নির্দেশে বুধবার (৩ জুন) সকালে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর লজ্জাবতী বানরটিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা প্রদান শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে হস্তান্তর করে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন সাগর জানান, আমরা ধারণা করছি প্রাণীটি লজ্জাবতী বানর। উদ্ধারের সময় প্রাণিটি কিছুটা অসুস্থ ছিল। বুধবার সকালে আমরা এটিকে হাসপাতালে এনে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং পরামর্শ প্রদান করেছি। বর্তমানে এটি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছে।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. শাহাদাৎ হোসেন জানান, বন্য প্রাণীটিকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে ব্যবস্থাপত্রসহ পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বন বিভাগের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

চৌদ্দগ্রামে হামে আক্রান্ত হয়ে শিশুর মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে হামে আক্রান্ত হয়ে আবদুল আহাদ নামে ৭ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সে উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়নের ফেলনা গ্রামের বশির আহাম্মদের ছেলে।

বুধবার (৩ই জুন) সকালে নিহত আহাদের গ্রামের বাড়ী ফেলনায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

নিহত শিশুর পিতা বশির জানান, গত সোমবার সকাল সকালে শিশু আহাদের বমি হয়, গায়ে হালকা জ্বরও দেখা যায়। প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা করিয়ে পরিস্থিতির অবনতি দেখলে একইদিন সন্ধ্যায় চৌদ্দগ্রাম সরকারী হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানের কর্তব্যরত ডাক্তার ভর্তি দেয়। ভর্তি অবস্থায়ও একাধিকার বমি হলে রাত আনুমানিক ২টায় আমরা উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা নিয়ে যায়।

পরিস্থিতির উন্নতি না হওয়ায় কুমিল্লা থেকে ঢাকায় নেয়ার পথে মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৮টায় আহাদের মৃত্যু হয়।

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা: রশিদ আহমেদ চৌধুরী তোফায়েল জানান, হামের লক্ষণ নিয়ে গত সোমবার সন্ধ্যায় শিশুটি চৌদ্দগ্রাম সরকারী হাসপাতালে ভর্তি হয়। রাতে একাধিকার বমি হওয়ায় আমরা উন্নত চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা প্রেরণ করি। আজ সকালে জানতে পারলাম শিশুটির মৃত্যুর খবর।

মাদকসেবীদের আটক করে পুলিশে দেয়ার পরদিনই জামিনে বেরিয়ে বাদী-সাক্ষীসহ ৭জনকে কুপিয়ে জখম

চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি :

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার মুন্সিরহাট ইউনিয়নের যাত্রাপুর এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক সেবনের ঘটনায় চার মাদকসেবিকে আটক করে পুলিশে দেয় স্থানীয়রা।

ঘটনার একদিন পর মঙ্গলবার (২ই জুন) দুপুরে মাদক ব্যবসায়ী পৌর সদরের শ্রীপুর গ্রামের বাবু নামে এক মাদকসেবি জেল থেকে বেরিয়ে বাদী ও সাক্ষীসহ ৭জনকে কুপিয়ে জখম করেছে।

হামলায় আহতরা হলো; জোনায়েদ হোসেন, কামরুজ্জামান সোহাগ, সাদ্দাম হোসেন, সাইম, সুমন, মামুন ও ইকবাল হোসেন। আহতরা সকলে মুন্সিরহাট ইউনিয়নের যাত্রাপুর গ্রামের যুবক।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে এক মাদক সেবকি আটক করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদকসেবন ও মাদককেন্দ্রিক নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন যাত্রাপুর গ্রামের সাধারণ মানুষ।

অবশেষে গত ১ জুন এলাকাবাসী ঐক্যবদ্ধ হয়ে যাত্রাপুর এলাকায় মাদকসেবনরত অবস্থায় চারজনকে আটক করে চৌদ্দগ্রাম থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন।

আটককৃতরা হলেন যাত্রাপুরের শাহজাহান মিয়া, শ্রীপুর পশ্চিমপাড়ার ইমাম হোসেন ও ওয়াসীম এবং ফেলনা গ্রামের মুসা।

ঘটনার পরদিন মঙ্গলবার দুপুরে আবুল বাশার নামে এক ব্যক্তি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে তিনি এলাকার মাদক কার্যক্রম ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন।

এলাকাবাসীর মতে, মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করাই ছিল তাদের একমাত্র উদ্দেশ্য।

কিন্তু গ্রেপ্তারের পর আটক ব্যক্তিরা জামিনে মুক্ত হয়ে এলাকায় ফিরে আসার পর পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়। অভিযোগ রয়েছে, মঙ্গলবার (২ জুন) বাদী আবুল বাশার এবং মামলার সাক্ষীদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়। এতে কয়েকজন আহত হন এবং এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, মাদকের বিরুদ্ধে মুখ খোলার কারণেই বাদী ও সাক্ষীদের টার্গেট করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় অনেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তাদের ভাষ্য, মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে উঠতেই একটি পক্ষ ক্ষুব্ধ হয়ে এ ধরনের হামলার পথ বেছে নিয়েছে।

এলাকাবাসী বলেন, “আমরা মাদকের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছি, অপরাধীদের আইনের হাতে তুলে দিয়েছি। এখন যদি বাদী ও সাক্ষীদের ওপর হামলা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষ অপরাধের বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পাবে।”

ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা হামলার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার, বাদী ও সাক্ষীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং মাদকবিরোধী কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

সচেতন মহলের মতে, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলনকে দমিয়ে দিতে যদি বাদী ও সাক্ষীদের ওপর হামলা চালানো হয়, তাহলে তা শুধু একটি পরিবারের ওপর আঘাত নয়, বরং পুরো সমাজের মাদকবিরোধী অবস্থানের ওপর আঘাত। তাই এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি।

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিফ হোসাইন জানান, এই ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং অভিযুক্ত একজনকে আটক করা হয়েছে।অভিযুক্ত বাকী আসামীদেরকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

ষড়ঋতুর পালাবদলে নতুন সাজে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

 

লালমাটির কোল ঘেঁষে গড়ে উঠা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা এবং প্রাকৃতিক নৈসর্গিক সৌন্দর্যের এক অনন্য মিলনকেন্দ্র। এখানে প্রতিবছর ছয়টি ঋতু নানানরূপে ধরা দেয়, যা ক্যাম্পাসটিকে করে তুলে আরো প্রাণবন্ত, মনোমুগ্ধকর। এর ফলে এখানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে তৈরি হয় পড়াশোনার এক মনোরম পরিবেশ।

গ্রীষ্মঃ রৌদ্রজ্জ্বল কর্মচঞ্চল কুবি

গ্রীষ্মের রোদ ঝলমলে ক্যাম্পাসে সবুজ গাছপালা গুলো যেন উজ্জ্বল আলোয় ঝলমল করে উঠে। ক্যাম্পাসের চারপাশে আমের মুকুলের মিষ্টি ঘ্রাণ ছড়িয়ে পড়ে। ক্যাম্পাসের গাছে গাছে দেখা যায় নানান ফল যেমনঃ আম, কাঁঠাল, পেয়ারা, ইত্যাদি। সেই সাথে সকালের ক্লাস, কুবির কেন্দ্রীয় মাঠের খেলাধুলার আনন্দ, লাইব্রেরির নিঃশব্দ অধ্যয়ন, আর রঙিন ফুলের ছোঁয়া দিনের শুরুকে করে তোলে কর্মমুখর ও প্রাণবন্ত। একাডেমিক ভবন থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় মাঠ পর্যন্ত প্রতিটি স্থানেই গ্রীষ্মের এই উজ্জ্বলতা আর কর্মমুখরতার প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠে।

বর্ষাঃ বৃষ্টিস্নাত কুবি

বর্ষার আগমন যেন কুবি ক্যাম্পাসে সজীবতার বার্তা নিয়ে আসে। কখনো ঝিরিঝিরি বৃষ্টি আবার কখনো মুষলধারার বৃষ্টিপাতে ক্যাম্পাস হয়ে উঠে আরো প্রাণবন্ত ও সবুজ। কখনো কখনো ফ্যাকাল্টির উপর বৃষ্টি যেন ঝাপটে পরে। বৃষ্টির এই অঝোর ধারা দেখলে মনে হয় পাহাড়ি ঝরণার মতো জলধারা নেমে এসেছে।এছাড়াও ছাতা মাথায় দিয়ে শিক্ষার্থীদের পদচারণা আর ভেজা লাল মাটির ঘ্রাণে বৃষ্টিস্নাত ক্যাম্পাসকে এক প্রাণচঞ্চল পরিবেশ বিরাজ করে।

শরৎঃ কাশফুলের শুভ্রতা মোড়ানো কুবি

শরতের আগমনে কুবির নীল আকাশে যেন সাদা মেঘের ভেলার দেখা মেলে। সেই সাথে সাদা কাশফুলের শুভ্রতার দোলা লাগে স্নিগ্ধ ক্যাম্পাসে। শিক্ষক, শিক্ষার্থীর পাশাপাশি বিভিন্ন দর্শনার্থীরাও এই সময় কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসে ক্যাম্পাসে। সবমিলিয়ে শরতের ছোঁয়ায় লালমাটির ক্যাম্পাসটি হয়ে উঠে আরো স্নিগ্ধ ও সুন্দর।

হেমন্তঃ নবান্ন উৎসবে উৎসবমুখর কুবি

হেমন্তে কুবির ক্যাম্পাসে অন্যতম আকর্ষণ হলো নবান্ন উৎসব। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, সংগঠন গুলো হেমন্ত ঋতুকে স্বাগত জানাতেই মূলত নবান্ন উৎসবের আয়োজন করে থাকে। এই উৎসবে কুবির শিক্ষক, শিক্ষার্থীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করে। সকলের এই উপস্থিতি ক্যাম্পাসে এক আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করে।

শীতঃ কুয়াচ্ছন্ন কুবি

শীত মানেই শিশির ভেজা পথ আর কুয়াচ্ছন্ন সকাল। শীতের এই সময়ে কুবি এক নতুন রূপে সেজে উঠে। শিশির আর কুয়াশায় পরিপূর্ণ হয়ে থাকে সমগ্র ক্যাম্পাস। শীতের শুরুতেই যখন ক্যাম্পাসের গাছগুলোর সবুজ পাতাগুলো ঝরে পড়া শুরু করে আর ক্যাম্পাসের চারপাশ শিউলি ফুলের ঘ্রাণে সুশোভিত হয়। শীতের সকালে শিক্ষার্থীদের আড্ডা জমে কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ায় এক কাপ চা অথবা কফি হাতে। শীতের এই সময়ে বিভিন্ন বিভাগ কর্তৃক পিঠা উৎসব, বারবিকিউ পার্টি, কালচারাল উইক, কার্নিভাল, চড়ুইভাতির আয়োজন করা হয়। অর্থাৎ শীতকালেও কুবিতে এক উৎসব মুখর পরিবেশ বিরাজ করে।

বসন্তঃ বর্ণিল সাজে কুবি

বসন্তের শুরুতেই ক্যাম্পাসের প্রতিটি গাছে নতুন পাতা গজায়। গোলাপ, ডালিয়া, গাঁদা, ক্যাসিয়া জাভানিকা, কৃষ্ণচূড়া ইত্যাদি নানান ফুল কুবির শোভাবর্ধন করে।বসন্তকে বরণ করে নিতেই বসন্তবরণ উৎসব উদযাপিত হয়। ক্যাম্পাসের প্রতিটি কোণা বর্ণিল সাজে সেজে উঠে। সব মিলেমিশে বসন্তেও কুবিতে নানান রঙের দোলা লাগে।

কুবি ক্যাম্পাসের ষড় ঋতুর পালাবদল কেবল নৈসর্গিক সৌন্দর্যই নয়, বরং এটি শিক্ষার্থীদের মন ও সৃজনশীলতাকে উজ্জ্বীবিত করে। ষড় ঋতুর আগমনে কুবিও সেজে উঠে রঙিন সাজে। গ্রীষ্ম, বর্ষা বা শীত
বছরের ছয়টি ঋতুতেই প্রকৃতির ছোঁয়া আর শিক্ষার্থীদের বর্ণিল আয়োজনে লালমাটির এই ক্যাম্পাসকে করো তোলে আরো প্রাণবন্ত এবং আনন্দময়।

লেখক-
শিক্ষার্থী, জান্নাতুল ফেরদৌস প্রীতি,
লোকপ্রশাসন বিভাগ,
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়।

চাঁদপুরে চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা

ডেস্ক রিপোর্ট:

চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলায় ইজমালি পুকুরের ঘাটলা নির্মাণকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে মারধরের এক পর্যায়ে চোখেমুখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ওমর ফারুক (২২) নামে যুবককে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর অভিযুক্তরা বাড়ি থেকে পালিয়েছে।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুর পৌনে ১টার দিকে উপজেলার আলগী দুর্গাপুর উত্তর ইউনিয়নের ছোট লক্ষ্মীপুর গ্রামের মৃধা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ওমর ফারুক উপজেলার উত্তর চরভাঙ্গা (ঢালী বাড়ি) গ্রামের খালেক ঢালীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, হত্যার শিকার ওমর ফারুক ছোট লক্ষ্মীপুর গ্রামে তার নানা হাসমত উল্যাহ মৃধার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। আজ মঙ্গলবার দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে হাসমত উল্যাহর পরিবারের সঙ্গে একই বাড়ির প্রতিপক্ষ কুদ্দুস মৃধা (৩০), বিল্লাল মৃধা (২৫), হাসান মৃধা (২৮) ও হাবিব মৃধাসহ (২১) কয়েকজনের এজমালি পুকুরের ঘাটলা নির্মাণ নিয়ে বাগবিতণ্ডা ও ঝগড়া-বিবাদ দেখা দেয়।

ঝগড়ার এক পর্যায়ে প্রতিপক্ষের লোকজন বৃদ্ধ হাসমত উল্যাহকে মারধর করতে উদ্যত হলে নাতি ওমর ফারুক ঝগড়া থামাতে এবং বিরোধ মীমাংসা করতে এগিয়ে যান। এ সময় প্রতিপক্ষের লোকজন ওমর ফারুক ও তার নানার পরিবারের লোকজনের চোখে মরিচের গুঁড়া ছিটিয়ে দেয়। মরিচের গুঁড়ার তীব্রতায় তারা দিশাহারা হয়ে পড়লে প্রতিপক্ষের মধ্য থেকে একজন ধারালো দা দিয়ে ওমর ফারুকের গলায় কোপ মারে। এতে তিনি রক্তাক্ত ও গুরুতর জখম হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

বাড়ির লোকজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওমর ফারুককে উদ্ধার করে হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার পর হাইমচর থানা পুলিশ হাসপাতাল থেকে ফারুকের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পুলিশ জানায়, লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

হাইমচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নাজমুল হাসান জানান, ‘ঘটনার পর পরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযুক্ত হাবিবসহ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আসামিদের আটকে পুলিশের অভিযান চলছে। এই বিষয়ে মামলা দায়েরসহ পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত, ক্রিকেটার ও ম্যাচ অফিসিয়ালদের মাঝে জার্সি বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের উদ্যোগে কুমিল্লা জেলা দলের বর্তমান ও সাবেক ক্রিকেটার, ম্যাচ অফিসিয়াল এবং ক্রীড়া সংগঠকদের নিয়ে এক আনন্দঘন ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের অফিসিয়াল জার্সি উপহার হিসেবে বিতরণ করা হয়।

মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে কুমিল্লা শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দও স্টেডিয়ামে জেলা ক্রীড়া সংস্থার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভা শেষে জার্সি বিতরণ করেন লন্ডনপ্রবাসী কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের কর্ণধার আমিনুল ইসলাম সিহান। পরে অতিথি, ক্রিকেটার ও ম্যাচ অফিসিয়ালরা একসঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, প্রবাসে অবস্থান করেও আমিনুল ইসলাম সিহান কুমিল্লার ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন। জেলার ক্রিকেটের উন্নয়ন ও খেলোয়াড়দের উৎসাহিত করতে তার এ ধরনের উদ্যোগ প্রশংসনীয় এবং ভবিষ্যতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

এ সময় সিহানের বাবা ও ক্রীড়া সংগঠক মো. হাসান বলেন, “আমি চেয়েছিলাম আমার একটি সন্তান ক্রিকেটার হোক। সিহান আমার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছে। ছোটবেলা থেকেই তার খেলাধুলার প্রতি গভীর আগ্রহ ছিল, যা আজ কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠিত রূপ পেয়েছে।”

আমিনুল ইসলাম সিহান বলেন, “কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার এই আয়োজন আমাকে সত্যিই সম্মানিত করেছে। কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স সবসময় জেলা ক্রীড়া সংস্থা এবং জেলার ক্রিকেটারদের পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে।”

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কুমিল্লা জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব ও জাতীয় ক্রিকেট কোচ এমদাদুল হক ইমদু। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার অ্যাডহক কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক বদরুল হুদা জেনু।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সাবেক ক্রিকেটার তারিকুল ইসলাম ওশী, সাবেক ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেটার, আম্পায়ার ও জেলা ক্রিকেট দলের ম্যানেজার ফখরুল আলম উল্লাস, জেলা ক্রিকেট কোচ হাবিব মোবাল্লেগ জেমস, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক কোষাধ্যক্ষ ও সাবেক ক্রিকেটার আলামিন ভুঁইয়া, ক্রীড়া সংগঠক মো. হাসান এবং জেলা ক্রিকেট দলের কোচ মানিক কুমার দাসসহ ক্রীড়াঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব।

বায়োটেক গবেষণায় আন্তর্জাতিক সাফল্য, জাপানের সম্মাননা পেলেন ড. জান্নাতুল ফেরদৌস

জান্নাতুল ফেরদৌস প্রীতি, কুবি:

প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে জাপানের মর্যাদাপূর্ণ ‘এশিয়ান ইয়াং বায়োটেকনোলজিস্ট অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ অর্জন করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) ফার্মেসি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জান্নাতুল ফেরদৌস।

বায়োটেকনোলজি গবেষণায় অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এ সম্মাননায় ভূষিত করেছে জাপানের সোসাইটি ফর বায়োটেকনোলজি, জাপান (এসবিজে)।

মঙ্গলবার (২ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেন ড. জান্নাতুল ফেরদৌস। তিনি জানান, বায়োটেকনোলজি বিষয়ে গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তাকে এ পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়েছে। তার গবেষণার মূল বিষয় ছিল ন্যানোপ্রযুক্তির মাধ্যমে ওষুধ ও বায়োমলিকিউলের কার্যকর প্রয়োগ নিশ্চিত করা।

প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, “একজন গবেষক হিসেবে এ অর্জন আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের। উন্নত বিশ্বের গবেষকদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে এ সম্মাননা অর্জন দেশের তরুণ গবেষকদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হবে।”

তিনি আরও জানান, আগামী ১৫ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর জাপানের হোক্কাইডো বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য এসবিজের ৭৮তম বার্ষিক সম্মেলনে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে এ সম্মাননা প্রদান করা হবে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের যাবতীয় ব্যয়ভার বহন করবে এসবিজে কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, সোসাইটি ফর বায়োটেকনোলজি, জাপান (এসবিজে) জাপানের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক সংগঠন। ১৯২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থাটি জীববিজ্ঞান, জীবপ্রযুক্তি ও জীবনবিজ্ঞানের তাত্ত্বিক এবং ব্যবহারিক গবেষণার উন্নয়ন ও প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এমন সাফল্য সত্যিই প্রশংসনীয়। ড. জান্নাতুল ফেরদৌসের এ অর্জন যেমন তার ব্যক্তিগত গৌরব, তেমনি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাদেশের জন্যও একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন। তার এ সাফল্য দেশের তরুণ গবেষকদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

বুড়িচংয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ৪ চালককে জরিমানা

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া সড়কে যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে চার সিএনজি চালিত অটোরিকশা চালকের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেছে।

গতকাল সোমবার (১ জুন) বিকেলে বুড়িচং পৌরসভার সিএনজি স্ট্যান্ড এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফাবলিহা আনবার।

অভিযানকালে যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি অর্থ আদায়ের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় চার চালককে মোট ২ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় না করার শর্তে তাদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে।

জরিমানাপ্রাপ্ত চালকরা হলেন মো. শাহাদাত, মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, মনির হোসেন এবং এনাম হক।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাসনগাছা-বুড়িচং-ব্রাহ্মণপাড়া সড়কে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ ছিল। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। প্রশাসন এর আগে একাধিকবার ভাড়া নির্ধারণ ও অভিযান পরিচালনা করলেও কিছু অসাধু চালকের কারণে যাত্রীদের ভোগান্তি অব্যাহত ছিল।

প্রশাসনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন যাত্রীরা। তারা অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার দাবি জানান।

উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষা ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।