All posts by jitu

চাঁদপুরে গৃহবধূ ধর্ষণ মামলায় ইজিবাইক চালকের জেল

 

মাসুদ হোসেন, চাঁদপুরঃ

অসুস্থ স্বামীর জন্য ঔষধ আনতে যাওয়ার সময় মুখে চাপা দিয়ে বাগানের নির্জন স্থানে নিয়ে ৪৫ বছরের এক গৃহবধুকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করায় অভিযুক্ত আবুল বাসার মিজি (৫০) কে গ্রেপ্তার করেছে চাঁদপুর সদর মডেল থানা পুলিশ।

সোমবার (২৪ জুলাই) সকালে থানায় মামলা দায়েরের পর ধর্ষক আবুল বাশার কে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।

এর আগে রবিবার (২৩ জুলাই) রাতে চাঁদপুর সদর মডেল থানার এসআই মোঃ শাহজাহান তাকে বাগাদী ইউনিয়ন থেকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শেখ মুহসীন আলম।

অভিযুক্ত আবুল বাশার মিজি চাঁদপুর সদর উপজেলার বাগাদী ইউনিয়নের ঘাসিপুর গ্রামের আঃ হাকিম মিজির ছেলে। সে পেশায় একজন ইজিবাইক চালক। গৃহবধু নিজেই বাদী হয়ে ধর্ষণের অপরাধে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং-৫৩, ২৪/৭/২০২৩। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা হলেন এসআই রহিমা বেগম।

গৃহবধূ মনোয়ারা বেগম অভিযোগে বলেন, আমার অসুস্থ্য স্বামীর জন্য গত ৪ তারিখ রাত ৯টার দিকে পাশের বাড়িতে যাওয়ার সময় আসামী আমাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করলে আমার ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে আটক করেন। এ নিয়ে এলাকায় বৈঠক হলেও আসামী তার ভাইয়ের প্রভাব খাটিয়ে উল্টো আমাকে প্রাণনাশের হুমকি ধমকি দিয়ে আসছে। কোন উপায় না পেয়ে থানা পুলিশের শরণপন্ন হলাম।

এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি মোঃ শেখ মুহসীন আলম জানান, মামলা দায়েরের পর ধর্ষক আবুল বাশারকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

চৌদ্দগ্রামে সাংবাদিক নয়নের ওপর সন্ত্রাসী হামলা

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে এশিয়ান টেলিভিশনের উপজেলা প্রতিনিধি কামাল হোসেন নয়নের ওপর দুর্বৃত্তরা সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে।

সোমবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের পাশে দোয়েল চত্বর এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এসময় তাকে উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম সরকারী হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে আশঙ্কা জনক অবস্থায় তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

কামাল হোসেন নয়নের স্ত্রী উপজেলার মুন্সীরহাট ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত (১,২ ও ৩ নং) ওয়ার্ডের সদস্য নাসরিন আক্তার জানান, সোমবার দুপুরে কামাল হোসেনসহ উপজেলা পরিষদে কাজ শেষে মোটরসাইকেল যোগে চৌদ্দগ্রাম বাজারে আসতেছিল। পরিষদ থেকে বেরিয়ে দোয়েল চত্বরের সামনে আসলে অজ্ঞাতনামা ১৫/২০ জন যুবক কামালের সাথে থাকা এশিয়ান টিভির মাইক্রোফোন চিনিয়ে নিয়ে আচমকা মারধর শুরু করে। কামাল বারবার কেন তার ওপর এ হামলা করা হচ্ছে- জানতে চাইলেও তারা কোন জবাব দেয়নি। তাদের ভয়ে আশপাশের কেউ এগিয়েও আসেনি। একপর্যায়ে কামাল অজ্ঞান হয়ে পড়লে হামলাকারীরা দ্রুত পালিয়ে যায়।

হাসপাতালের বেডে কান্নারত কামাল হোসেন নয়ন বলেন, কেন তারা আমার ওপর হামলা করলো কিছুই বুঝলাম না। যাওয়ার সময় একজন বলে নিউজ করতে হিসেব করে করবি। নারায়ণগঞ্জের নিউজ কেন করলি- এ বলে দ্রুত চলে যায়।

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শুভ রঞ্জন চাকমা বলেন, সাংবাদিকের ওপর হামলার খবর শুনে পুলিশ পাঠিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

বিএনপিকে পূর্ণ শক্তি নিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানালেন তথ্যমন্ত্রী

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

বিএনপিকে পূর্ণ শক্তি নিয়ে আগামী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

সোমবার (২৪ জুলাই) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) নবনির্বাচিত কমিটির সৌজন্য সাক্ষাৎ ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাসউদুল হকের সঞ্চালনায় এসময় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সভাপতি ফসিহ উদ্দীন মাহতাব।

বিএনপি থেকে বলা হচ্ছে, তারা বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে যাবে না, আর সরকার বিএনপির নেতাদের নামে মামলা দিচ্ছে, এ বিষয়ে মতামত জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমরা চাই বিএনপি পূর্ণ শক্তি নিয়ে আগামী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। ২০১৮ সালের মতো নয়, বরং পূর্ণ শক্তি নিয়ে অংশগ্রহণ করুক তারা। একদিকে তারা বলছে নির্বাচনে যাবে না, আবার বলছে আমাদের নির্বাচন থেকে বিরত রাখতে চাচ্ছে। আমরা কাউকে নির্বাচন থেকে বিরত রাখতে চাচ্ছি না। আমরা চাই, বিএনপি নির্বাচনে আসুক এবং সংবিধান মেনে যে নির্বাচন হবে সেখানে অংশ নিক।’

মন্ত্রী বলেন, বিএনপি মহাসচিবের বক্তব্যের মধ্যেই স্পষ্ট, তারা নির্বাচনে অংশ নিতে চায়, কিন্ত কোনো অদৃশ্য শক্তির কারণে তারা নির্বাচনে আসতে পারছেন না। তাদের নেতৃত্বের কোনো অদৃশ্য শক্তির কারণে নির্বাচনে আসার সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না। এটি মির্জা ফখরুলের বক্তব্যে স্পষ্ট। আমি তাদের অনুরোধ জানাই, অদৃশ্য থাবা থেকে মুক্ত হয়ে বিএনপি দলটাকে জনগণের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ করে বিরোধীদলকে দমনের চেষ্টা করছে এবং জনগণের অধিকার হরণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে-এ বিষয়ের মতামত জানতে চাইলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘মির্জা ফখরুলকে অনুরোধ জানাবো পেছনে ফিরে তাকানোর জন্য। তারা যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন ৫০ লাখ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করতেন। এখন বাংলাদেশে ১৩ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। এখন গ্রামের গৃহবধু, স্কুলের শিক্ষার্থী, রিকশাওয়ালা, খেতে কাজ করা ব্যক্তিও এখন ইন্টারনেট ব্যবহার করেন। এ ইন্টারনেট সার্বজনীন করেছে বর্তমান সরকার।’

তিনি বলেন, ২০০৮ সালে আমাদের স্লোগানই ছিল ডিজিটাল বাংলাদেশ। কারণ ডিজিটাল বাংলাদেশের অন্যতম লক্ষ্য ছিল সবার কাছে ইন্টারনেট সহজলভ্য করা। গ্রামে গ্রামে ব্রডব্যান্ড সংযোগ দেওয়া। গ্রামে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করে এমন অনেক যুবক আছে। আমরা কোনোভাবে ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ করি না বরং সহজলভ্যতার সুযোগ গ্রহণ করে বিএনপি সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী থেকে শুরু হরে সরকারদলীয় নেতাদের চরিত্র হনন করছে।

মন্ত্রী বলেন, যারা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বসে সরকারের বিরুদ্ধে সরকারের মন্ত্রীদের বা সরকারি দলের নেতাদের চরিত্র হনন করে তাদের সঙ্গে নিয়মিত বৈঠক করে তারেক রহমান। সেই বৈঠকের ছবিও আমাদের কাছে আছে। এটা কেবল ইন্টারনেট সহজলভ্য হওয়ার কারণে করতে পারছে, যা কখনো সমীচীন না। এগুলো ডিজিটাল অপরাধ। ডিজিটাল অপরাধ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য সারা পৃথিবীতে আইন আছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন সম্প্রতি একটি আইন পাস করেছে। সেখানে অনেক দেশ মত দিয়ে আইন পাস করেছে। আমরা এখনো করিনি।

তিনি বলেন, বিএনপি মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ডিজিটাল অরাধীদের পক্ষে সাফাই গাওয়ার জন্য কাল সংবাদ সম্মেলন করছেন। মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সরকারকে ধন্যবাদ জানানো দরকার৷ কারণ তিনি ভিডিও কনফারেন্সে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। দলের চেয়ারম্যানের সঙ্গে মিটিং করেন সেটা শেখ হাসিনার জন্য হয়েছে। এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানানো দরকার।

যুক্তরাষ্ট্র থেকে দ্বিতীয় আরও একটি পর্যবেক্ষক দল আগামী ২৮ জুলাই ঢাকায় আসবে, তারা নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে একটি প্রতিবেদনও দেবে, এ বিষয়ে আপনার বক্তব্য কি জানতে চাইলে হাছান মাহমুদ বলেন, প্রতিনিধি দল আসতেই পারে, আসলে ভালো। বাংলাদেশের নির্বাচন কেমন হবে সেটা দেখার আগ্রহ প্রকাশ করছে। আমরাও চাই তারা আসুক, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করুক।

মন্ত্রী বলেন, এখানে নির্বাচন পরিস্থিতি ভালো। নির্বাচনের পরিবেশ কেউ নষ্ট করছে কি না সেটা এখন দেখার বিষয়। কেউ যদি নির্বাচন প্রতিহত করার ঘোষণা দেয় সেটি নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার শামিল। নির্বাচন যে কেউ বর্জন করতে পারে, কিন্তু নির্বাচন প্রতিহত করার অধিকার কারও নেই।

বরুড়ায় অটোরিক্সা চুরির সময় মলম পার্টির ৬ সদস্য আটক

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার বরুড়া উপজেলায় সিএন‌জি অ‌টো‌রিক্সা চু‌রি করার সময় মলমপা‌র্টির ৬ স‌ক্রিয় সদস‌্যকে আটক ক‌রে‌ছে পু‌লিশ। চোরাইকৃত এক‌টি সিএন‌জিঅ‌টো‌রিক্সা জব্দ‌ করেছে।

রোববার রাত আড়াই টার সময় জেলার বরুড়া পৌর এলাকার তলাগ্রাম থেকে আটক করা হয়েছে।

আটককৃতরা হলেন আসামী রাসেল (২৭), সেলিনা আক্তার প্রঃ শিল্পী (৪৫), মোঃ লিটন মিয়া (২৩), মোঃ সুমন (৩০), মোঃ মারুফ ওরফে আশিক (৩১), সুমাইয়া ওরফে শিউলী (১৯)।

এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ফিরোজ হোসেন।
জানা যায়, রোববার রাতে বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফিরোজ হোসেনের দিক নির্দেশনায় ও সার্বিক সহযোগিতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বরুড়া থানাধীন বরুড়া পৌরসভাস্থ তলাগ্রাম এলাকার ভাউয়াল বাড়ির দক্ষিণ পাশে পাকা রাস্তার উপর একটি সিএনজি দেখতে পেয়ে তল্লাশী চালায় থানা পুলিশ। এ সময় ৬ জনকে আটক করে। ৬ জনই চুরি করার চেষ্টা করছিল।

চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ সভাপিতি এমএ শুক্কুর পাটোয়ারী কাতারে সংবর্ধিত

 

ইউসুফ পাটোয়ারী লিংকন, কাতারঃ

চাঁদপুর জেলা বিএনপির সহ সভাপতি ও মতলব দক্ষিণ জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এম,এ শুক্‌কুর পাটোয়ারীকে কাতারে গণ সংবর্ধনা দিয়েছে কাতারস্থ চাঁদপুর জেলা জাতীয়তাবাদী ফোরাম।

২২ জুলাই শুক্রবার কাতারে গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

সংগঠনের সভাপতি মোঃ মানিক পাটোয়ারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ মমিনুল ইসলাম।

প্রধান অতিথি ছিলেন কাতার বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি মকবুল হোসেন মোল্লা প্রধান বক্তা ছিলেন সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ভুইয়া।

বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া খাঁন বাবু, সহ সভাপতি নুরুন্নবী, ক্রিয়া সম্পাদক মোঃ খোরশেদ আলম প্রমুখ।

সংবর্ধিত অতিথি সবাইকে আগামী নির্বাচনে ঐক্যবদ্ব হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান। ‘সরকারের পদত্যাগের এক দফা’ কর্মসূচি ঘোষণা করে দলের মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন যে তাদের এখন একটাই কাজ তাহলো বর্তমান সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে দেয়া।

“যুগপৎ ধারায় বৃহত্তম গণআন্দোলনের এক দফা-ভোটাধিকার হরণকারী কর্তৃত্ববাদী, অবৈধ সরকারের পদত্যাগ। আর কোন দফা নেই। ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠার জন্য যুগপৎ আন্দোলনের চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।

মুরাদনগরে ব্যবসায়ীকে তুলে নিয়ে মারধর করে যুবলীগ নেতার অর্থ আদায়

 

মাহবুব আলম আরিফ, মুরাদনগরঃ

কুমিল্লার মুরাদনগরে জামাল হোসেন (৩৬) নামে এক ব্যবসায়ীকে নিজ বাসা থেকে তুলে নিয়ে মারধর করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে যুবলীগ নেতা নিরব খাঁন রাব্বির বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ব্যবসায়ী জামাল হোসেন শনিবার রাতে যুবলীগ নেতা রাব্বিসহ তিন জনকে অভিযুক্ত করে মুরাদনগর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে।

নিরব খাঁন রাব্বি উপজেলার ধামঘর ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি ও নহল গ্রামের আবুল হাসেম ক্যাশিয়ারের ছেলে।

জামাল হোসেন জানান, গত এক বছর পূর্বে তার বাড়ীর মালিক তাছলিমা আক্তারের কাছ থেকে ৪৮ হাজার টাকা ধার নেয়। ধারের টাকা পরিশোধ করতে দেরি হওয়ায় গত ১৪ জুলাই রাব্বি ও তার সঙ্গী কেরী বাবু তার ভাড়া বাসা থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে বেধরক মারধর করে। পরে তার স্ত্রীকে ফোনে গাল মন্দ করে ডেকে নিয়ে ১০ হাজার টাকা আদায় করে এবং ৬৫ হাজার টাকার একটি লিখিত ট্যাম্প রাখে। বর্তমানে মোবাইল ফোনে হুমকি দিচ্ছে এ বিষয়ে যদি কাউকে কিছু বলা হয় তাহলে সে ওই ব্যবসায়ী কে প্রাণে মেরে ফেলবে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত যুবলীগ নেতা রাব্বি বলেন, আমি কাউকে কোন মারধর করিনি। তাছলিমা আমার চাচি জামাল তার কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে দীর্ঘদিন ঘুড়াচ্ছে। মূলত সে দিন টাকা দিতে না পারায় জামালের স্ত্রী নিজে থেকে লিখিত কাগজ দিয়ে গেছে।

মুরাদনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল বারী ইবনে জলিল বলেন, এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কুবিতে শিক্ষকের মৃত্যু: চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগে মানববন্ধন

 

চাঁদনী আক্তার, কুবিঃ

হৃদরোগে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) পরিসংখ্যান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শাহ একলিমুর রেজার মৃত্যুও ঘটনায় বাড়ির মালিক ও চিকিৎসকদের গাফিলিতির অভিযোগ এনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করে পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (২৩ জুলাই) সাড়ে ১০টায় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন শেষে বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অবহেলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসকদের অপসারণসহ ছয় দফা দাবিতে স্বারকলিপি দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

জানা যায়, ছয় দফা দাবিতে সকাল সাড়ে ১০টায় বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে শিক্ষার্থীরা। পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্যে সামনে মানববন্ধন করেন। এসময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে কোন সাড়া না পেয়ে প্রশাসনিক ভবনের অবস্থান করেন। পরে উপ উপাচার্যের আশ্বাসে অবস্থান কর্মসূচি তুলে নেওয়া হয়। পরে বিভাগের শিক্ষকদের সাথে বসে ছয় দফা দাবিতে রেজিস্টার বরাবর স্বাকরলিপি প্রদান করেন।

পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী ইমরুল হাসানের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মৃত্যু যখন চিকিৎসকদের অবহেলায় মারা যায় সেটা কখনো মেনে নেওয়ার না। আমাদের শিক্ষক যেদিন মারা গেছেন সেদিন আমাদের অন্যান্য শিক্ষকরা কেন তাঁকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজে নিয়ে গেল। যেখানে চিকিৎসার নন্যূতম সেবা নেই। এমনকি কোন ধরণের গাইডলাইনই শিক্ষকরা দিতে পারেনি। এভাবে একজন শিক্ষক না ফেরার চলে গেল অথচ তিনদিনেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কোন ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাই।

তারা আরও দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের ডাক্তারদের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তারা কোন ধরণের সহযোগিতা করতে পারল না। তাহলে আমাদের মেডিকেলের দরকার কি। শুধুমাত্র নাপা, স্যালইন, গ্যাস্টিকের ওষুধ ছাড়া আর কিছু নেই এখানে। আমরা এখানকার ডাক্তারদের অপসারণ চাই এবং একটি আধুনিক মেডিকেল সেন্টারের দাবি জানাচ্ছি।

এদিকে শিক্ষার্থীদের ছয় দফার দাবিগুলো হলো, বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজের অবহেলার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ, বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের ডাক্তারদের অপসারণ, একলিমুর রেজার নামে সুযোগ সুবিধা সম্বলিত মেডিকেল সেন্টার স্থাপন, বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসিক ডাক্তার নিয়োগ, একলিমুর রেজার প্রাপ্য আর্থিক প্রণোদনা এক মাসের মধ্যে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার দাবি জানান।

আন্দোলনের সমন্বয়ক ইমরুল হাসান বলেন, রেজা স্যারের মৃত্যুর সময় চিকিসকদের অবহেলা, বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসকদের অসহযোগিতাসহ যেসব অন্যায় করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে আজকে আন্দোলন করি আমরা। আমরা প্রশাসনের সাথে কথা বলেছি তারাও আশ্বস্ত করেছেন ব্যবস্থা গ্রহণের। যদি আমাদের দাবি মেনে ব্যবস্থা নেওয়া না হয় তাহলে আমরা আরও কঠোর আন্দোলনে যাবো।

এদিকে শিক্ষককের মৃত্যুর ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের গাফিলিতি ছিল না দাবি করে মেডিকেল সেন্টারের চীফ মেডিকেল অফিসার ডা. মাহমুদুল হাসান বলেন, আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। আমাকে যখন প্রক্টর স্যার কল দেয়, তখন আমি ট্রমা হাসপাতালে দায়িত্বরত ছিলাম। তখন আমি আমার সহকর্মীকে দিয়ে এম্বুলেন্স ম্যানেজ করেছি, পরামর্শ দিয়েছি। আমরা দায়িত্বে কোনো ধরনের অবহেলা করি নাই।

ছয় দফা দাবিতে স্বারকলিপি প্রদান করেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) আমিরুল হক চৌধুরী বলেন, আমি শিক্ষার্থীদের স্মারক লিপি হাতে পেয়েছি, এখন আমি কিছু বলতে পারতেছি না, কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে যা সিদ্ধান্ত আসে তা জানাবো।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেন, শিক্ষার্থীরা যেসব দাবি উত্থাপন করেছে, তাদের সাথে আমি একমত পোষণ করছি। মঙ্গলবার উপাচার্য মহোদয় আসলে এ বিষয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে পারবো।

তত্ত্বাবধায়ক মরে গেছে আদালতের রায়ে, কারো ফরমায়েশে নির্বাচন হবেনা: কাদের

 

নোয়াখালী প্রতিনিধিঃ

নির্বাচন হবে নির্বাচনের জন্য। বাংলাদেশে কারো ফরমায়েশে নির্বাচন হবেনা বলে মন্তব্য করেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক মরে গেছে আদালতের রায়ে। এটাকে আর জীবিত করে লাভ নেই। দুনিয়ার সব দেশে তত্ত্বাবধায়ক ছাড়া ইলেকেশন হয়। বাংলাদেশে কেন ইউরোপ-আমেরিকার নেতারা আসে। আমি জিজ্ঞাসা করি আপনাদের কোন দেশে তত্ত্বাবধায়কে ভোট হয়েছে। ইউরোপও বলতে পারেনি, আমেরিকা বলতে পারেনি। আমি অবাধ, সুষ্ঠু, বিশ্বাস যোগ্য ভোট করব। এ প্রতিশ্রুতি আমি দিতে পারি। গণতান্ত্রিক বিশ্বকে বলব পর্যবেক্ষক দিয়ে এই ভোট পর্যবেক্ষণ করুন।

রোববার (২৩ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত শান্তি ও উন্নয়ন সমাবেশে বসুরহাট পৌরসভা মিলনায়তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বিদেশীদের উদ্দেশ করে তিনি বলেন, ঢাকা ১৭ আসনের নির্বাচন দেখলেন। এটা মাইনোর সিট অথচ পাঁচটি সিটিতে একমাস হয়নি ইলেকশন হলো শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু। ওই নির্বাচনে ৫০ থেকে ৫৩ পার্সেন্ট ভোট পড়ল।

সেতুমন্ত্রী বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুলের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, তিনি সজ্জন। কিন্ত কথা বার্তায় বড় বেসামাল। মির্জা ফখরুল কলেজের শিক্ষক, এতো মিথ্যা কথা বলতে পারে, এতো গালিগালাজ করতে পারে। তার মুখে এতো বিষ ভাবতেও অবাক লাগে। দেখতে মনে একজন পাকা সাচ্চা ভদ্রলোক। কিন্ত কথা যখন বলে তখন মনে হয় একজন প্যাথলজিকাল লায়ার। এই মিথ্যাবাদী এখন বলে তত্ত্বাবধায়ক আসলে নাকি আওয়ামী লীগ ১০টি আসনও পাবেনা। ২০০৮ সালে এই ফখরুল এবং তার নেত্রী বলে আওয়ামী লীগকে মাত্র ৩০টি আসন দিয়েছি। কিন্ত নির্বাচনে দেখা গেল ৩০টি আসন বিএনপিই পেয়েছে। তারা যেটা আওয়ামী লীগকে দিতে চেয়েছে আল্লার হুকুম সে ৩০টি তাদের ভাগ্যে জুটেছে। এবার যে কি হবে জানিনা। এবার আরো বেপরোয়া বেসামাল। ফখরুল লন্ডনের হুকুমে চলে। যে দন্ডিত আসামি অর্থপাচার করে। মুচলেকা দিয়ে পালিয়ে গেছে। যে দলের নেতা দন্ডিত আসামি। সেই দল এই দেশের মানুষ সমর্থন করতে পারেনা।

বিএনপিকে নিয়ে কাদের বলেন, বিএনপি আরেকবার ক্ষমতায় গেলে এরা আবারও হাওয়া ভবন করবে। গণতন্ত্র,মুক্তিযুদ্ধ,স্বাধীনতার আদর্শ, দেশের উন্নয়ন গিলে খাবে। সুযোগ পেলে বাংলাদেশ গিলে খাবে। এই দলের কাছে গণতন্ত্র, মুক্তিযুদ্ধ, আইনের শাসন, দেশের নিরাপত্তা, নিরপেক্ষ নির্বাচন ব্যবস্থা নিরাপদ নয়। বিএনপি মানি ভোট চুরি, ভোট জালিয়াতি,বিএনপি মানি ভুয়া ভোটার তালিকা। বিএনপি নালিশ পাটি। এখন দেখছে নালিশ করতে করতে আর কাজ হচ্ছেনা। এখন বিএনপি খাই-দাই পাটি। ক্ষমতার জন্য পাগল কয়ে গেছে, বেপরোয়া হয়ে গেছে। বিএনপির এখন ক্ষমতার দরকার নেই। তাদের লক্ষ্য একটাই শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে বিদায় করা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সাবেক সদস্য প্রয়াত বারিস্ট্যার মওদুদ আহমদের সমালোচনা করে সেতুমন্ত্রী বলেন, কোম্পানীগঞ্জের সিরাজপুর ভোট কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঘড়ির দিকে তাকিয়ে নেতাকর্মিদের মওদুদ বলেন ভোট কি এখনো শেষ হয়নি। বিএনপি বাংলাদেশে এ ভোট করেছে। ভোট চুরি।

মন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি বিদেশীর কাছে নালিশ করতে করতে কিছুতেই কাজ হচ্ছেনা। ইউরোপ-আমেরিকা এসেছে। বিএনপি ভেবেছে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে এই সরকারকে বিদায় দিবে। পাইলেন কি ঘোড়ার ডিম। ইউরোপ-আমেরিকা কি দিল। এখন বিএনপি নেতাদের মুখ শুকিয়ে গেছে। নেতারা মুখে বলেনা,পত্রিকায় গালিগালাজ করে। নোয়াখালীতে বিএনপির নেতারা এসে প্রধানমন্ত্রী এবং আমাকে ফখরুল নিজেও তার নেতারা গালিগালাজ করেছে। ফখরুল একজন শিক্ষক হয়ে এত খারাপ কথা, এত নোংরা কথা তার মুখ দিয়ে কেমন করে বের হয়।

উন্নয়ন নিয়ে বিএনপি নেতাদের কাদের বলেন,বিএনপি বুঝতে পেরেছে ভোট দিলে এখন আওয়ামী লীগই জিতবে। বাংলাদেশের ৭০ পার্সেন্ট লোক শেখ হাসিনাকে ভোট দেওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে। আমি যা বললাম বাস্তবে সেটা দিনক্ষণ লিখে রাখুন। কিছুতো দেখেননা। উন্নয়ন দেখেনান। নিজেরাতো কিছু করতে পারেননা। শেখ হাসিনা করেছে পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল। দেখলে বিএনপি নেতাদের বুকের জ্বালা বাড়ে।

নেতাকর্মিদের উদ্দেশ করে বলেন, নিজেদের আচরণ সংযত করুন। শেখ হাসিনা উন্নয়ন করেছে আপনারা ভালো আচরণ করুন মানুষের সাথে। ক্ষমতার দাপট দেখাবেননা। ক্ষমতা চিরদিন থাকেনা।

নেতাকর্মিদের স্লোগানের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, আমি একটা স্লোগান শুনেছি। এ স্লোগান যেন আর না শুনি। রক্তের বন্যা মুক্তিযুদ্ধের স্লোগান না। ভেসে যাবে অন্যায়। এ স্লোগান কেন আমরা দিব, কি প্রয়োজন। রক্তের বন্যা আমরা বয়াতে যাবো কেন। আমরা শান্তি চাই, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন চাই। তবে যে আগুন নিয়ে আসবে সে হাত গুটিয়ে দেবেন। যে হাত ভাংচুর করতে আসবে সে হাত আমরা ভেঙ্গে দিব। আমরা আক্রমণকারী হবোনা। আক্রান্ত হলে হলে পাল্টা জবাব দিবো।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, আগামী ২৭ জুলাই ঢাকাতে বিএনপির মহাসমাবেশ এ নিয়ে আমাদের কোন প্রতিক্রিয়া নেই। আমাদের আগস্ট মাস, সেপ্টেম্বর মাস, জুলাইয়ের বাকী কয়দিন ও অক্টোবর মাস নির্বাচনের সিডিউল ঘোষণা পর্যন্ত আমাদের কর্মসূচি জাতীয় উন্নয়ন শোভাযাত্রা।

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, ফেনী ২ আসনের সংসদ সদস্য নিজাম উদ্দিন হাজারী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন।

এ সময় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খান, বসুরহাট পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য সেতুমন্ত্রীর ভাগনে ফখরুল ইসলাম রাহাত, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম তানভীর, রামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান সিরাজীস সালেকীন রিমন, নোয়াখালী জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক রহমত উল্যাহ ভূঁইয়া, বসুরহাট পৌরসভা যুবলীগের সভাপতি সামছুদ্দিন নোমান উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল কাদের মির্জা।
এর আগে, একই দিন বেলা সোয়া ১১টার দিকে বসুরহাট পৌরসভায় বাস্তবায়িত নব আধুনিকায়ন বসুরহাট বাসস্ট্যান্ড ও ৫৩৫টি স্যোলার বাতি স্থাপন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন সেতুমন্ত্রী।