All posts by jitu

দেবিদ্বার পৌর নির্বাচন:উপজেলা চেয়ারম্যান ও দুই স্বতন্ত্র প্রার্থীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার দেবিদ্বার পৌরসভা নির্বাচনে ক্যারামবোর্ড ও নারকেল গাছ প্রতীকের প্রার্থীর বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে ভোট কেনা, নির্বাচনী বিধি নিষেধ লঙ্ঘন, নৌকা প্রতিকের প্রার্থীকে প্রচারণায় বাধা, ভোটারদের হুমকি ও হয়রানির অভিযোগ এনে আইনত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কুমিল্লা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কাছে লিখিত আবেদন করেছেন নৌকা প্রতিকের প্রার্থী মোঃ সাইফুল ইসলাম।এছাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও কুমিল্লা উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধেও অভিযোগ এনেছেন নৌকার প্রার্থী সাইফুল ইসলাম।

লিখিত অভিযোগে মো: সাইফুল ইসলাম উল্লেখ করেন, পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের ভিংলাবাড়ী গ্রামে বৃহস্পতিবার রাত ১ টার সময় ক্যারামবোর্ড প্রতিকের প্রার্থী এম কাইয়ুম ভূইয়া নিজে তার লোকবল নিয়ে নৌকা প্রতিকের অফিস বন্ধ করে দেয়।এম কাইয়ুম ভূইয়া গ্রামের সাধারণ ভোটারদেরকে টাকার বিনিময়ে ভোট দেওয়ার জন্য টাকা বিলি করার সময় সরাসরি নৌকা মার্কার সমর্থকদের নজরে আসলে নৌকার সমর্থক এবং ক্যারামবোর্ড প্রার্থীর সাথে কথা কাটাকাটি হলে এক পর্যায়ে ক্যারামবোর্ড প্রতীকের প্রার্থীর লোকজন নৌকা প্রতীকের সমর্থকদেরকে মারধর করে আহত করে। এছাড়াও যে সমস্ত সাধারণ ভোটাররা ক্যারামবোর্ড প্রার্থীর টাকা নেয়নি এবং ভোট দিবে বলে আশ্বস্ত করেনি তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে এলাকায় ভীত সন্তস্ত্র পরিবেশ তৈরী করেছে। ক্যারামবোর্ড প্রতিকের প্রার্থী নিজেই নৌকা প্রতিকের বিভিন্ন কর্মীকে প্রচারণার কাজ বন্ধ করে দেয়।

এদিকে ৯ নং ওয়ার্ডের বারেরা গ্রামে শুক্রবার ভোররাত ৩ টার সময় নারকেল গাছ প্রতিকের প্রার্থী আবুল কাশেম চেয়ারম্যান নিজে তার লোকবল নিয়ে গ্রামের সাধারণ ভোটারদেরকে টাকার বিনিময়ে ভোট দেওয়ার জন্য টাকা বিলি করার সময় নৌকা মার্কার সমর্থকরা প্রতিবাদ করলে নারকেল গাছ প্রার্থীর লোকজন নৌকা মার্কার সমর্থকদেরকে মারধর আহত করে। এছাড়াও যে সমস্ত সাধারণ ভোটাররা নারকেল গাছ প্রার্থীর টাকা নেয়নি এবং ভোট দিবে বলে আশ্বস্থ করেনি তাদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়া এলাকায় ভীত সন্তস্ত্র পরিবেশ তৈরী করেছে। নারকেল গাছ মার্কার প্রার্থী নিজে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে নৌকা মার্কার বিভিন্ন কর্মীকে তার বাসভবনে ডেকে নিয়ে নারকেল গাছ প্রতিকের পক্ষে কাজ করার জন্য বিভিন্ন অসৎ উপায় অবলম্বন করার চেষ্টা করছে।

এছাড়া গতকাল সংবাদ সম্মেলন করে নৌকা প্রতিকের প্রার্থী মোঃ সাইফুল ইসলাম অভিযোগ করেন যে, দেবিদ্বার উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ ও তার অনুসারীগন নৌকাকে ভরাডুবি করার জন্য অনেক চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। নৌকার বিপক্ষে কাজ করার সময় আমরা তাকে হাতেনাতে ধরেছি । দিনের আলোতে মুখে নৌকার কথা বলে রাতের আধারে নৌকাকে হারিয়ে স্বতন্ত্র প্রতিকের প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা থেকে শুরু করে ইলেকশন ম্যাকানিজম করছে বলে তৃনমূল হতে আমাদের সচেতন কর্মী সমর্থক অবগত করছেন,যা আমাদের বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের প্রতিটা কর্মীর হৃদয়ে রক্তক্ষরন হচ্ছে।

এই বিষয়ে জানতে আবুল কালাম আজাদের মুঠোফোনে কল দিলে সংযোগ পাওয়া যায়নি।

জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ মুঞ্জুরুল আলম জানান, আমাদের কাছে অভিযোগ আসার পর আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি। আচরণ বিধি যেই লঙ্ঘণ করবে আমরা তার বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নিবো।

আমড়াতলীতে মাদকের টাকা ভাগাভাগির জেরে ছুরিকাঘাতে যুবক খুন

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লা সদর উপজেলার আমড়াতলী ইউনিয়নে জুয়া ও মাদকসহ আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধের জেরে কাউছার (২৮) নামের এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে প্রতিপক্ষের লোকজন। এসময় মারুফ নামে আরো এক যুবক আহত হন।

শুক্রবার (১৪ জুলাই) বিকেলে ইউনিয়নের মধ্য মাঝিগাছা গ্রামের সিঙ্গাপুর গলিতে ঘটনাটি ঘটে।

নিহত সহিদুল ইসলাম নগরীর বিষ্ণুপুর এলাকার শওকত হোসেনের ছেলে।

স্থানীয়রা জানায়, আজ মধ্য মাঝিগাছা সিংগাপুর গলি রাস্তার মাথায় ১০/১২ জন যুবক কাউছারকে তার বাড়ি থেকে ডেকে আনে। পরে মাদকের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে কাউছারের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তারা কাউছারকে ছুরিকাঘাত করে আহত করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা লোকজন আহত অবস্থায় তাকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কাউছারকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মো. হাফিজুল ইসলাম বলেন, মাদক সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের হাতে খুন হয় কাউছার। এই এলাকায় মাদকের প্রবণতা বেশি। দু’পক্ষই মাদক সেবন ও কারবারের সঙ্গে জড়িত।

কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সনজুর মোরশেদ জানান, মাদক ও জুয়া সংক্রান্ত লেনদেনের টাকা ভাগবাটোয়ারা নিয়ে ঘটনাটি ঘটে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করা হচ্ছে। তাদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছি।

কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কামরান হোসেন বলেন, আমরা তদন্ত করছি। ঘটনার সময় কাদের কি ভূমিকা ছিলো তা জানার চেষ্টা করছি। সিসিটিভির ফুটেজ সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

সদর দক্ষিণে বাসায় প্রবেশ করে ছোরা দেখিয়ে ৯ ভরি স্বর্ণ ও নগদ অর্থ লুট

 

স্টাফ রিপোর্টার:
কুমিল্লার সদর দক্ষিণের শ্রীবল্লভপুরে বাসায় প্রবেশ করে ছোরা দেখিয়ে ৯ ভরি স্বর্ণ, নগদ ৫০ হাজার টাকা এবং স্যামসাং মোবাইল নিয়ে গেছে অজ্ঞাত দুই চোর।

শুক্রবার ভোররাতে সদর দক্ষিণের শ্রীবল্লভপুরের পূর্ব পাড়ার সৌদি প্রবাসীর বাড়িতে এ চুরির ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় শুক্রবার বিকেলে সদর দক্ষিণ থানায় সৌদি প্রবাসী কাউছার আহমেদের স্ত্রী শিরীন আক্তার (২৯) একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

লিখিত অভিযোগে শিরীন আক্তার জানান, আমার স্বামী সৌদি আরব প্রবাসী। আমি আমার এক ছেলে ইউছুফ (০৮) কে নিয়ে বর্তমান ঠিকানার বাসায় বসবাস করি। প্রতিদিনের মত বৃহস্পতিবার রাতে আমি আমার সন্তানকে নিয়ে রাত আনুমানিক ১০ টার সময় ঘুমিয়ে পরি। রাত আনুমানিক আড়াইটার সময় আমাদের বাসার দোতলাতে বাসার ভিতরে চোরের আনাগোনার শব্দ শুনে আমার ঘুম ভাঙ্গে। তখন আমি বাসার লাইট জালিয়ে দেখি যে ২ জন চোর আমার বাসায় চুরি করতেছে। আমি চিৎকার করলে তারা আমাকে ও আমার ছেলেকে তাহাদের নিকট থাকা ছোরা দেখিয়ে ভয় দেখায়। ফলে আমরা জীবনের ভয়ে চিৎকার করিনি । তারা আমার কাছ থেকে আমার আলমারীর ও ওয়ারড্রোবের চাবি নিয়ে তা খোলে আমার কানের ৭ জোড়া ছোট বড় স্বর্ণের জিনিস, ৪টি গলার স্বর্ণের চেইন, ৫ টি স্বর্ণের আংটি ও ১ টি স্বর্ণের নেকলেসসহ আনুমানিক ৯ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৫০ হাজার টাকাসহ আমার স্যামসাং ডোজ মোবাইল ফোনটি নিয়ে যায়।

এ বিষয়ে সদর দক্ষিণ থানার উপ-পরিদর্শক মামুন জানান, এ বিষয়ে তদন্ত চলছে।

সুবর্ণচরে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর উপর হামলা

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ী ও তার প্রতিষ্ঠানে হামলার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ফজলে এলাহী ফজলু নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।

শুক্রবার (১৪ জুলাই) দুপুরের দিকে উপজেলার চরজব্বার থানা মোড়ে রুপসী মেডিসিন কর্নারের সামনের ফার্মেসীতে এ ঘটনা ঘটে।

ফজলে এলাহী ফজলু চর জুবিলী ইউনিয়নের তিন নাম্বার ওয়ার্ডের নুরুল হকের ছেলে। ইতিমধ্যে নারী ও শিশু নির্যাতনসহ একাধিক মামলার আসামি। তিনি নিজেকে উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা বলে দাবি করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, ফজলে এলাহী ফজলু বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে এসে সরাসরি রুপসী মেডিসিন কর্ণারে ডুকে চাঁদাদাবী করে গালমন্দ করতে থাকে। এসময় ফার্মেসীর মালিক মুজাহিদুল ইসলাম সোহেল তাকে চাঁদা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করলে ফজলু সোহেলের উপর হামলে পড়ে ও দোকানে ভাংচুর চালায়। তার এধরনের আচরণ দেখে স্থানীয় লোকজন ও ওষুধ ক্রেতারা ক্ষিপ্ত হয়ে ফজলুকে মারধর করে। এসময় ফজলু দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে সে নানান ধরনের হুমকি ধুমকি দেয়। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা নিন্দা প্রকাশ করে ফজলুকে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবি করে।

সুবর্ণচর উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি বাহারউদ্দিন খেলন জানান, ফজলু উপজেলা আওয়ামী লীগের কোন পদে নেই। তার বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ রয়েছে। তার এসব অপকর্মের দায়ভার আওয়ামীলীগ নিবে না।

চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেব প্রিয় দাশ বলেন, এ ঘটনা শুনেছি। লিখিত অভিযোগ ফেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কোম্পানীগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় কিশোরের মৃত্যু

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১৪ জুলাই) দুপুরের দিকে উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের টিকু মিয়া চায়ের দোকান-সংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত মো.তামজিদ (২০) কুমিল্লা জেলার লাকসাম থানার গাজীমুরা গ্রামের বাসিন্দা। তবে তাৎক্ষণিক তার বাবার নাম জানা যায়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দুপুরের দিকে কুমিল্লার লাকসাম থেকে তিন বন্ধু মোটরসাইকেল নিয়ে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার পর্যটন কেন্দ্র মুছাপুর ক্লোজারে ঘুরতে আসেন। যাত্রা পথে তাদের মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি গাছের সাথে ধাক্কা লাগে। এ সময় পেছন দিক থেকে আসা আরো দুটি মোটর সাইকেল দুর্ঘটনা কবলিত মোটর সাইকেলের ওপর উঠে যায়। এতে তামজিদ (২০) মহিম (২০) ও ফাহাদ (২০) গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয়র লোকজন তাদের উদ্ধার করে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তামজীদকে মৃত ঘোষণা করেন।

কোম্পানীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলী আশরাফ বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়ছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে জানতে পারে দুর্ঘটায় কারো পা কারো হাত ভেঙ্গে গেছে। তবে দুর্ঘটনার শিকার কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় কেউ থানায়ও অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

 

লালমাইয়ে টিকটক করতে গিয়ে ট্রেনে প্রাণ গেল কিশোর সিয়ামের

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার লালমাইতে  রেলওয়ে সেতুর নিকট টিকটক ভিডিও করতে গিয়ে ট্রেনে কাটা পড়ে কিশোর সিয়াম মোল্লার (১৭) মৃত্যু হয়েছে।

নিহত সিয়াম লালমাইয়ের  ভুলইন উত্তর ইউনিয়নের দক্ষিণ হাজাতিয়া গ্রামের প্রবাসী সোহরাব মোল্লার  ছেলে ।

শুক্রবার (১৪ জুলাই) দুপুর আনুমানিক দেড়টায় এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়। সিয়াম মোল্লার সাথে আরো দুইজন ছিলেন তারা সুস্থ আছে বলে জানা যায় ।

বাগমারা রেলগেট সংলগ্ন একশ গজ উত্তরে খালের ব্রিজের উপরে দূর্ঘটনা পূর্বে তারা ৩ বন্ধু মিলে ছবি ও টিকটিকের জন্য ভিডিও করতেছিল বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান। মোঃ সিয়াম মোল্লা হলুদিয়া রহমত আলী মিয়াজী জুনিয়র স্কুল হতে ২০২৩ সালে এসএসসি পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে।

ট্রেন দূর্ঘটনায় নিহত সিয়ামের লাশ লাকসাম রেলওয়ে থানা ও লালমাই থানা পুলিশ উদ্ধার করেন। এ ব্যাপারে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে।

চৌদ্দগ্রামে পল্লীবন্ধু এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকীতে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা

কুমিল্লা প্রতিনিধি:

জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ৪র্থ মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কোরআন খতম, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর কবির মজুমদারের নির্দেশনা ও সার্বিক সহযোগিতায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা ও পৌর জাতীয় পার্টি।

শুক্রবার দুপুরে উপজেলার পাশাকোট দারুছুন্নাত দীনিয়া মাদ্রাসায় আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন চৌদ্দগ্রাম উপজেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন পাটোয়ারী।

আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা জাতীয় পাটির সহ-সভাপতি আলী হোসেন মাষ্টার,সাধারণ সম্পাদক এরশাদ আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম মেম্বার, পৌরসভা জাতীয় পাটির সাধারণ সম্পাদক সোহাগ মোর্শেদ চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশিদ, কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা জাতীয় যুব সংহতি সভাপতি নজরুল ইসলাম বাবর, জাতীয় ছাত্র সমাজ কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা সভাপতি মিজানুর রহমান মিজানসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

পল্লীবন্ধু এরশাদের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে চৌদ্দগ্রামে কোরআন খতম, দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা।

মুরাদনগরে বিএনপির পদযাত্রায় গাড়িবহরে হামলা: আহত ৬০

স্টাফ রিপোর্টার:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসের নোয়াখালীতে পদযাত্রায় অংশ গ্রহন করাতে প্রায় ৬০টি গাড়ি বহর নিয়ে যাওয়ার সময় কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির গাড়ি বহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে ৬০ নেতাকর্মী আহত এবং ৩৫টি মাইক্রোবাস ও বাস গাড়ি ভাংচুড় করে লাকসামের সরকার দলিয় ক্যাডার বাহিনি। আহতরা কুমিল্লার বিভিন্ন হাসপাতালর চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

অপর দিকে দেলোয়র হোসেন নামে এক কর্মী আহতের খবর পেয়ে ৬০ বছর বয়সী পিতা আবুল কাষেমের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি।

শুক্রবার (১৪ জুলাই) দুপুর ১টায় জেলার লাকসাম উত্তর ভাইপাস সড়কের উত্তর মোড়ে
এই হামলার ঘটনায় মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোল্লা মজিবুল হক, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এডভোকেট নাছির উদ্দিন, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক নায়েব আলী, মুরাদনগর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি বসিরুল ইসলাম মোল্লা, কুমিল্লা উত্তর জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাছির উদ্দিন, উপজেলা স্বেচ্ছােসবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ওমর ফারুক বাদশাসহ ৬০ জন নেতা কর্মী আহত হয়।

এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে আহাত মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাক মোল্লা মজিবুল হক বলেন, আমাদের শান্তিপূর্ণ পদযাত্রা ব্যাহত করতে এ হামলা চালানো হয়েছে। অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি এবং এই সরকারের পদতেক দাবী করছি।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি দল বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসের নোয়াখালীতে পদযাত্রায় অংশ গ্রহন করাতে প্রায় ৬০টি গাড়ি বহর নিয়ে যাওয়ার সময় কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলা বিএনপির গাড়ি বহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে।

 

তত্ত্বাবধায়ক ও নিরপেক্ষ সরকার থাকলে আ.লীগের ভাত নেই: নোয়াখালীতে ফখরুল

নোয়াখালী প্রতিনিধ:

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেনছেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার,নিরপেক্ষ সরকার থাকলে, নির্দলীয় সরকার থাকলে আওয়ামী লীগের ভাত নেই। তিনি বলেছেন, ২০১১ সালে কারচুপি ২০০৮ সালে সবাইকে বোকা বানিয়ে বিচার ব্যবস্থার উপর জোর দিয়ে খায়রুল হকের উপর জোর দিয়ে পার্লামেন্টে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিধান বাতিল করে দেন। কেন, আবার দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। কারণ তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকলে,নিরপেক্ষ সরকার থাকলে, নির্দলীয় সরকার থাকলে আওয়ামী লীগের ভাত নেই। ত্রিশটি আসনও পেতনা।

শুক্রবার (১৪ জুলাই) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে নোয়াখালীর শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে মেহনতী মানুষের পদযাত্রায় জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পদযাত্রায় বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ডা.এ জেড এম জাহিদ হোসেন প্রধান স্বমনয়কের দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি আওয়ামী লীগের নেতাদের উদ্দেশ্যে বলেন, তারা বলে নির্বাচন আমাদের অধীনে হবে। আমরাই ভোট কেন্দ্র নিয়ন্ত্রণ করব। আমরাই ভোট দেওয়াবো, আমাদের মত করে সকলকে ভোট দিতে হবে। নইলে চলে যেতে হবে। এমনকি আমাদের ভোটারদের এখনো বলে ভোট কাকে দিবা। যদি বিএনপিকে ভোট দিতে চাও তাহলে তোমার ভোট হয়ে গেছে। ভোট কেন্দ্রে যাইতেই দেয়না।

শেখ হাসিনাকে ইঙ্গিত করে ফখরুল বলেন, আমাদের বলে তাদের অধীনে নাকি ভোট দিতে হবে। ২০২১ সালে শেখ হাসিনা আমাদের ডেকে বলে নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে সবাই ভোট করতে পারবেন। সবাইকে বলেন ভোট করতে আমি কোন বাধা দেবনা। আমরা ভাবলাম বোধ হয় শুভ বুদ্ধির উদয় হয়েছে। কি করা যাবে বলেন।

ভুতের মুখের রাম রাম। আগের রাতে ভোট হয়ে গেল। এখন আমার বলছে আমরা সুন্দর ভোট করব। আমাদের অধীনেই ভোট হবে। ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশান হবে। আহারে কি আবদার। শিয়ালের কাছে বার বার কুমিরের বাচ্চা দেওয়া যাবেনা। বার বারই খেয়ে ফেলবে। আমরা এবার আর খেতে দিবোনা।

তিনি আরও বলেন, এবার মানুষ জেগে উঠেছে। এক দফা এক দাবি শেখ হাসিনা কবে যাবি। কিভাবে তাদের বিশ্বাস করব। সুবর্ণচরে একজনকে শুধু ধানের শীষে ভোট দেওয়ার অপরাধে অকথ্য ভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। এভাবে তারা অসংখ্য মা-বোনকে বেইজ্জত করেছে। আজকে শ্রমিক ভাইয়েরা বাজারে যেতে পারে না। বাজারে গেলে চাল কিনতে পারেনা, ডাল কিনতে পারেনা, মাংস কিনতে পারেনা, সবজি কিনতে পারেনা। ১০টাকা চাল দিবে বলেছে। এখন ৯০ টাকা। ঘরে ঘরে চাকরি দিবে বলেছে। কোনো চাকরি হয়নি। তাদের লোকদের কাছ থেকে তারা ২০-৩০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে চাকরি দিয়েছে।

দুর্নীতির প্রসঙ্গ টেনে মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগ আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা ধ্বংস করেছে। আমাদের অর্থনীতিকে ধ্বংস করেছে। এটা একটা লুটের রাজত্বে পরিণত করেছে। ব্যাংক গুলো সব লুট করতে করতে খালি করে দিয়েছে। হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। আবার পাচারের টাকা দেশে নিয়ে আসার একটা বিধান করেছে। দেশে নিয়ে আসলে আবার আড়াই পার্সেন্ট ইনসেন্টটিভ পাবে। কি মজা,আমাদের পকেট থেকে টাকা কেটে রেখে ট্রাক্সের টাকা নিয়ে তারা আবার চোরদেরকে পুরষ্কার দিচ্ছে। এ

সমস্যা শুধু বিএনপির নয়, এ সমস্যা শুধু খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নয়। এ সমস্যা সমগ্র জাতির। আমাদের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব আজকে বিপন্ন। আমাদের আজকে ভোট দেওয়ার অধিকার নেই।

আওয়ামী লীগকে হুশিয়ারি দিয়ে ফখরুল বলেন, আর কোনো সময় নেই, তাদের সময় শেষ। আমি পরিষ্কার ভাবে বলেছি। আবারো বলছি, ভালো ছেলের মত সুবোধ বালক-বালিকার মত পদত্যাগ করেন, সংসদ ভেঙ্গে দেন। যদি ভালোই ভালোই শুনে পদত্যাগ করেন তাহলেতো ভালো। তা না হলে ফয়সালা হবে রাজপথে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলা দিয়ে আট বছর কারাগারে রাখা হয়েছে। তিনি গণতন্ত্রের জন্য আপোষহীন সংগ্রাম করেছেন। আমরা নির্বাচিত হলে রাষ্ট্র মেরামতের জন্য আমরা ৩১ দফা দিয়েছি। আমাদের নেতা তারেক রহমান এই ৩১ দফা দিয়ে আমাদের একটি নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখà