All posts by jitu

সম্পাদকসহ ৩ সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদে চান্দিনায় মানববন্ধন

 

চান্দিনা প্রতিনিধি:

কুমিল্লার চান্দিনায় সম্পাদক সহ ৩ জন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে দায়ের করা ৬ কোটি টাকার মানহানির মামলাকে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক দাবি করে মামলা থেকে ৩ সাংবাদিকের নাম প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন চান্দিনায় কর্মরত সাংবাদিকবৃন্দ। তারা হলেন- কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আমাদের কুমিল্লার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নাসিমা খান মন্টি, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শাহাজাদা এমরান ও পত্রিকাটির চান্দিনা প্রতিনিধি মাসুমুর রহমান মাসুদ।

বৃহস্পতিবার (৮ জুন) বেলা ২টায় চান্দিনা উপজেলা সদরে ডাকঘর এর সামনে থানা সংলগ্ন সড়কে ওই মানববন্ধন করেন সাংবাদিকরা।

এর আগে গত বুধবার (৭ জুন) কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৭নং আমলী আদালতে ওই ৩জন সাংবাদিক সহ ৪ জনকে আসামী করে ৬ কোটি টাকার মানহানির অভিযোগ এনে মামলাটি দায়ের করেন চান্দিনার সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত এমপি’র অনুসারী চান্দিনা পৌর কৃষকলীগ সভাপতি জয়নাল আবেদীন জনি। মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই কুমিল্লা কে নির্দেশ দেন আদালত।

মানববন্ধনে এসময় মামলা থেকে সাংবাদিকদের নাম প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বক্তৃতা করেন- আমাদের নতুন সময় এর চান্দিনা প্রতিনিধি কাজী রাশেদ, দৈনিক ইত্তেফাক এর চান্দিনা ও বুড়িচং সংবাদদাতা মো. মামুনুর রশিদ সরকার, দৈনিক করতোয়া’র চান্দিনা প্রতিনিধি মো. ওসমান গনি, দৈনিক কালেরকণ্ঠ ও দৈনিক কুমিল্লার কাগজ প্রতিনিধি রণবীর ঘোষ কিংকর, দৈনিক যুগান্তর ও বাংলার আলোড়ন এর চান্দিনা প্রতিনিধি মো. আবদুল বাতেন, দৈনিক নয়াদিগন্ত প্রতিনিধি মো. জাকির হোসেন, দৈনিক আজকের পত্রিকার চান্দিনা প্রতিনিধি মো. শরীফুল ইসলাম, আনন্দ টিভির প্রতিনিধি মো. মিজানুর রহমান। এসময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মাই টিভি প্রতিনিধি শাহজালাল সরকার সাজু, এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি মো. আশিকুর রহমান রাসেল, ভোরের কলাম প্রতিনিধি আকিবুল ইসলাম হারেছ, বাংলাদেশ সমাচার এর প্রতিনিধি ইয়াছিন আরাফাত, কুমিল্লার আলো প্রতিনিধি মেহেদী আল আমিন খান সজীব, মুক্ত খবর প্রতিনিধি মো. সোহেল রানা, আলোকিত সকাল প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেন, পথের আলো প্রতিনিধি মো. আজাদ, ব্যবসায়ী নেতা মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. ওয়াশিম, মো. জাকির হোসেন প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত ৩ জুন চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী লীগ এর কর্মী সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং মহিচাইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আবু মুছা মজুমদারসহ নেতাকর্মীরা স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের বিরুদ্ধে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা তুলে ধরে স্থানীয় একটি দৈনিক প্রত্রিকায় সংবাদ পরিবেশন করায় তাদেরকে মামলায় আসামী করা হয়।

নোয়াখালীতে বজ্রপাতে গৃহবধূর মৃত্যু

নোয়াখালী প্রতিনিধি:
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে বজ্রপাতে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে।

মৃত জান্নাত বেগম (৪৫) উপজেলার চরওয়াপদা ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডের আবুল কালামের স্ত্রী।

বৃহস্পতিবার ( ৮ জুন) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার চরওয়াপদা ইউনিয়নের আমিনুল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালের দিকে সুবর্ণচর উপজেলায় বৃষ্টি শুরু হয়। ওই সময় জান্নাত বেগম মাঠ থেকে গরু আনতে যায়। পথে আকস্মিক বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

অপরদিকে, একই দিন দুপুরের দিকে জেলার কবিরহাট উপজেলার ঘোষবাগ ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের হাজী আবুল কালামের একটি গরু খেতে খাস খাওয়ার সময় বজ্রপাতে মারা যায়।

চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেব প্রিয় দাশ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,নিহত গৃহবধূ পাঁচ সন্তানের জননী ছিলেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। স্বামীর বাড়িতে তাকে দাফনের প্রস্তুতি চলছে।

বুড়িচংয়ে মেয়েকে হত্যার পর মায়ের আত্মহত্যা

 

স্টাফ রিপোর্টার:

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় পারিবারিক কলহের জেরে  মেয়েকে হত্যার পর গলায় ফাঁস নিয়েছেন মা।

বৃহস্পতিবার (৮ জুন) সকালে উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে বসতঘর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতরা হলেন- গোপীনাথপুর গ্রামের সিঙ্গাপুর প্রবাসী আবু কালামের স্ত্রী জান্নাত (২৪) ও মেয়ে হাজেরা (৪)।

বুড়িচং থানা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কবির হোসেন  বলেন, মা-মেয়ে দুজনের মরদেহ দেখে প্রতিবেশীরা থানায় খবর দেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় মেয়ের মরদেহ খাটের ওপর পড়ে আছে আর মা ঘরের আড়ার সঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলছেন।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের জেরে মেয়েকে হত্যার পর জান্নাত আত্মহত্যা করেছেন। দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে দুপুরে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

হোমনায় মা-ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

 

ডেস্ক রিপোর্ট:

কুমিল্লার হোমনায় মা-ছেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তাদের মরদেহ একই রশিতে ঝুলে ছিল।

বৃহস্পতিবার (৮ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে হোমনা পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ফকির বাড়ি এলাকা থেকে মরদেহ দুটি উদ্ধার করা হয়।

তারা হলেন- ফকির বাড়ির জজ মিয়ার ছেলে বাবুর স্ত্রী সাজিদা আক্তার (২২) এবং তাদের ছেলে মো. আব্দুল্লাহ (৩)।

হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সকালে মরদেহ দুটি একই রশিতে ঝুলতে দেখে স্থানীয়রা থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মা-ছেলের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী বাবুকে আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভুল চিকিৎসায় নারীর মৃত্যুর অভিযোগ

ডেস্ক রিপোর্ট:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভুল চিকিৎসায় এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার (৭ জুন) বিকেল ৫টার দিকে জেলা শহরের কুমারশীল মোড়ে নবজাতক শিশু ও জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া পারুল বেগম (৫০) কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর ইউনিয়নের বিষ্ণাউড়ি গ্রামের কাইয়ূম মোল্লার স্ত্রী।

পারুলের জামাতা আমির হোসেন জীবন অভিযোগ করে বলেন, গত ৫ জুন সড়ক দুর্ঘটনায় আমার শাশুড়ির হাত ভেঙে যায়। প্রথমে তাকে কসবায় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে একজনের মাধ্যমে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রব্বানী নামের একজনের কাছে আসি। রব্বানী আমাদের নবজাতক শিশু ও জেনারেল হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে আসেন। সেখানে আমি রব্বানীকে জিজ্ঞাসা করলাম, এখানে কেন আনলেন? এটা তো শিশু হাসপাতাল লেখা। উত্তরে রব্বানী জানান, এই হাসপাতালে রফিকুল ইসলাম নামে একজন ভালো অর্থোপেডিক চিকিৎসক আছেন। পরে সেখানে শাশুড়িকে ভর্তি করাই। তারপর বিভিন্ন পরীক্ষা করানো হয়।

তিনি বলেন, বুধবার দুপুরের পর আমার শাশুড়িকে অপারেশন থিয়েটারে নেওয়া হয়। সেখানে অর্থোপেডিক সার্জন রফিকুল ইসলাম ও অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক পীযূষ সাহা তার অপারেশন শুরু করেন। এর কিছুক্ষণ পর ভেতর থেকে এসে জানানো হয়, আমার শাশুড়ির জ্ঞান ফিরছে না। পাশের আরেক হাসপাতালের আইসিইউতে নিয়ে যেতে হবে বলে জানায়। সেখানে নিয়ে যাওয়ার পরপরই পরীক্ষা করে চিকিৎসক জানান, আমার শাশুড়ি আগেই মারা গেছেন।

আমির হোসেন আরও বলেন, অপারেশন থিয়েটারে ঢুকানোর আগে আমার শাশুড়ির হার্টসহ সব পরীক্ষার রিপোর্ট ভালো এসেছিল। তাহলে কেন তিনি মারা গেছেন? এর জন্য চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দায়ী। তাদের ভুল চিকিৎসার তিনি মারা গেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত অভিযুক্ত চিকিৎসক রফিকুল ইসলামের ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি। অ্যানেস্থেসিয়া চিকিৎসক পীযূষ সাহার মোবাইলফোনও বন্ধ পাওয়া যায়।

তবে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাইমন হক বলেন, বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি। অ্যানেস্থেসিয়া দেওয়ার পর রোগীর আর জ্ঞান ফেরেনি।

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহর ১ নম্বর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক শেহাবুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ওই হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে আনা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ আইনি ব্যবস্থা নেবে। আর নবজাতক হাসপাতালের সবাই পালিয়ে গেছে।

ইউপি উপনির্বাচন: পশ্চিম জোড়কাননে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে শাহাদাতের নাম ঘোষণা

 

স্টাফ রিপোর্টারঃ

কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার ৫ পশ্চিম জোড়কানন ইউনিয়ন পরিষদ উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৭ জুলাই। আসন্ন নির্বাচনে উক্ত ইউনিয়নে সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম হাজী শাহজালালের ছোট ভাই শাহাদাত হোসেনকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

বুধবার বিকেলে ৫ নং পশ্চিম জোড়কানন ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্নে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এ ঘোষণা করেন অনুষ্ঠানের সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা মোরশেদ আহমেদ চৌধুরী।

উক্ত সভায় সদর দক্ষিণ উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব জামাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মহিবুর রহমান খোকন, আব্দুর রব ম্যানেজার, আমান উদ্দিন আহমেদ, মুজাহিদুল আহমেদ নিজাম চৌধুরী, ওমর ফারুক চৌধুরী, আব্দুল মমিন মেম্বার, শফিকুর রহমান মেম্বার, কাজী শফিকুর রহমান মাষ্টার, প্রফেসর জামাল উদ্দিন, প্রফেসর আব্দুল কাদের, মোহন মেম্বার, দেলোয়ার মেম্বার, ইকরামুল হক সেতু, বাশার মিয়াজী,বাচ্চু মিয়া, আবুল খায়ের টিটু, ফারুক মিয়া, হাজী ইউনুস, সবুজ, তাজুল ইসলাম,শ্রমিক নেতা মুখলেস, আব্দুল জলিল শাহআলম, সাজ্জাদুর রহমান, ইমরান, সাদেক সহ ইউনিয়নের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আগত নেতৃবৃন্দরা।

উক্ত সভায় স্বাগত বক্তব্য হিসেবে বক্তারা বলেন, মরহুম চেয়ারম্যান হাজী শাহজালালের মত যদি সাহসী, সৎ,সুশিক্ষিত প্রার্থী থাকে তাহলে একমাত্র শাহাদাত আছে। যিনি একজন ধার্মিক ও ন্যায় পরায়ণ। চেয়ারম্যান প্রাথী শাহাদাত হোসেন বলেন আপনারা আমার ভাইকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত করেছেন তিনি আপনাদের আশা গুলো পূরণ করার চেষ্টা হিসেবে পরিষদ থেকে অনিয়ম ও দুর্নীতি দূর করেছেন। আপনারা যেখানে আমার জন্য ঘাম ফেলবেন সেখানে আপনাদের জন্য গায়ের রক্ত দিব। আপনাদের অধিকার আদায়ে শহিদ হব।

গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আমেরিকার ইন্টার মায়ামিতে যাচ্ছেন মেসি

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

সৌদি আরবের আল হিলাল কিংবা সাবেক ক্লাব বার্সেলোনায় ফিরছেন না লিওনেল মেসি। গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আমেরিকার মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে যাচ্ছেন বিশ্বকাপজয়ী এই ফুটবলার। আর্জেন্টিনার সংবাদ মাধ্যমের বরাত দিয়ে বিবিসি এমনই প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

সম্প্রতি মেসির ক্লাব ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন পিএসজির কোচ ক্রিস্টোফা গাল্টিয়ার। মেসির পরবর্তী গন্তব্য কোথায় তা নিয়ে চলে আলোচনায়। সৌদি আরবের ক্লাব আল হিলাল থেকে বড় অঙ্কের প্রস্তাব পান সাতবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী এই ফুটবলার।

তবে জানা গেছে, লিওনেল মেসির স্ত্রী ও সন্তানেরা সৌদি আরবে থাকতে চান না। আর বার্সেলোনার আর্থিক অবস্থাও ভালো না থাকায় ইন্টার মায়ামিকেই বেছে নিয়েছেন মেসি। এই প্রথম ইউরোপের বাইরের কোনো ক্লাবে খেলতে যাচ্ছেন তিনি।

বার্সেলোনার হয়ে ২১ বছরে ৩৫টি শিরোপা জিতেছিলেন মেসি। এরপর ২০২১ সালে দুই বছরের চুক্তিতে ফরাসি ক্লাব পিএসজিতে যোগ দেন। দুই বছরের চুক্তি শেষে ক্লাব ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন মেসি।

আবারও বেড়েছে স্বর্ণের দাম

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। সব থেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে এক হাজার ৭৫০ টাকা বেড়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে এই মানের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম পড়বে ৯৮ হাজার ৪৪৪ টাকা।

বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটি বৈঠক করে এ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দাম বেড়েছে। তাই সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ জুয়েলারি অ্যাসোসিয়েশন স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করেছে, যা ৮ জুন (বৃহস্পতিবার) থেকে কার্যকর হবে।

এর আগে গত ১৮ মার্চ দেশের ইতিহাসে এক লাফে ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভরিতে ৭ হাজার ৬৯৮ টাকা বাড়ানো হয়। এতে এই মানের স্বর্ণের দাম গিয়ে ঠেকে ৯৮ হাজার ৭৯৪ টাকায়, যা দেশের বাজারে এর আগে কখনো স্বর্ণের এত দাম হয়নি।

কুমিল্লায় সাংবাদিকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে ৬ কোটি টাকার মানহানি মামলা

 

চান্দিনা প্রতিনিধিঃ

কুমিল্লায় একটি পত্রিকার সম্পাদকসহ ৩ জন সাংবাদিক ও একজন আওয়ামীলীগ নেতার বিরুদ্ধে কুমিল্লার একটি আদালতে ৬ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। এতে কুমিল্লা থেকে প্রকাশিত দৈনিক আমাদের কুমিল্লার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক নাসিমা খান মন্টি, ব্যবস্থাপনা সম্পাদক শাহাজাদা এমরান, পত্রিকাটির চান্দিনা প্রতিনিধি মাসুমুর রহমান মাসুদ এবং চান্দিনার মহিচাইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আবু মুছা মুছা মজুমদারকে আসামী করা হয়।

বুধবার (৭ জুন) কুমিল্লার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৭নং আমলী আদালতে ওই মামলাটি দায়ের করেন চান্দিনার সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত এমপি’র অনুসারী চান্দিনা পৌর কৃষকলীগ সভাপতি জয়নাল আবেদীন জনি। মামলাটি তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআই কুমিল্লা কে নির্দেশ দেন আদালত।

এর আগে গত ৩ জুন (শনিবার) চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী লীগ এর কর্মী সমাবেশে উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এবং মহিচাইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আবু মুছা মজুমদারসহ নেতাকর্মীরা স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের বিরুদ্ধে যে বক্তব্য দিয়েছেন তা তুলে ধরে সংবাদ পরিবেশন করে দৈনিক আমাদের কুমিল্লা সহ বেশ কয়েকটি জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকা। ওই সংবাদের প্রেক্ষিতেই মামলাটি দায়ের করেন অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত এমপি’র অনুসারী ওই কৃষকলীগ নেতা।

মামলার এজাহারে জানা যায়, গত ০৪ জুন (রবিবার) এর দৈনিক আমাদের কুমিল্লায় ‘এমপি প্রাণ গোপালের বিরুদ্ধে ইউপি নির্বাচনে নৌকার বিরোধীতা ও টাকা নেওয়ার অভিযোগ’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে এমপি’র ৫ কোটি টাকা এবং বাদীর ১ কোটি টাকা মান হানি হয়েছে।

উল্লেখ্য, ৩ জুন (শনিবার) চান্দিনা উপজেলা আওয়ামী লীগ এর কর্মী সমাবেশে মহিচাইল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আবু মুছা মুছা মজুমদার স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের বিরুদ্ধে ইউপি নির্বাচনে নৌকা বিরোধী অবস্থান এবং প্রশাসনের নাম দিয়ে এমপি’র এপিএস সমীর এর মাধ্যমে ১৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়ার অভিযোগ তুলেন। এছাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সহ অন্য নেতাকর্মীরাও এমপি’র বিরুদ্ধে ইউপি নির্বাচনে নৌকার বিরোধীতা করার অভিযোগ তুলেন।

চাঁদা না দিলে অটোরিকশার চাকা খুলে নেন আওয়ামী লীগ নেতা

 

ডেস্ক রিপোর্টঃ

পটুয়াখালীর দুমকিতে অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে মনিরুজ্জামান নামে এক আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। এমনকি চাঁদা না দেওয়ায় গাড়ির চাকা খুলে নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের বড় নেতাদের সঙ্গে তোলা ছবি ফেসবুকে ব্যবহার করে তিনি নিজেকে বিভিন্ন জায়গায় ক্ষমতাবান নেতা হিসেবে জাহির করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায়, পটুয়াখালী সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নে তার জন্মস্থান হলেও তিনি দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের শাহজাহান ইসলামের মেয়েকে বিয়ে করে শ্বশুরবাড়িতেই স্থায়ী হয়ে গেছেন। অটো শ্রমিক থেকে বাগিয়ে নিয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্যপদ।

দলীয় পদের দাপটে দুমকি উপজেলার অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা তুলেন। এতে অটোচালকদের কাছে একটি আতঙ্কে পরিণত হয়েছেন মনিরুজ্জামান মনির। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মনিরুজ্জামান মনির।

কয়েকজন অটোরিকশাচালক অভিযোগ করে বলেন, বিভিন্ন জায়গায় তাদের থামিয়ে রাতে থানার পেট্রল ডিউটি করার জন্য বাধ্য করেন তিনি। কেউ অপারগতা প্রকাশ করলেই তার কাছে এক হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে জোর করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে অটোরিকশা আটকে রাখা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ইদ্রিস খানের ছেলে মিন্টু খান জানান, দুমকি থানা ব্রিজ এলাকায় আসলে মনির ভাই আমাদের গাড়ি থামিয়ে থানার ডিউটির কথা বলেন। ডিউটি করতে না চাইলে টাকা দিতে হয় তাকে।

তিনি আরও জানান, গরিব মানুষ কষ্ট করে টাকা কামাই করেন। এভাবে হয়রানি বন্ধের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।

অটোচালক মো. ইলিয়াস জানান, প্রতিদিনের মতো থানা ব্রিজ এলাকায় আসলে মনিরুজ্জামান তার অটোগাড়ি হাতের ইশারায় গতিরোধ করেন এবং থানায় ডিউটির কথা বলেন। গাড়ির যান্ত্রিক সমস্যার কথা বললে টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকার করলে তার গাড়ির চাকা খুলে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন। তিনি এরকম হয়রানির জন্য বিচার দাবি করেন।

সৈয়দ রাব্বি নামের একজন জানান, মনির ভাই আমাকে থানার ডিউটির কথা বলেন। আমি প্রথমে রাজি না হওয়ায় আমার কাছে এক হাজার টাকা দাবি করেন। আমি সাতশ টাকা দিলে তিনি নিতে অস্বীকার করেন। সারাদিন বসিয়ে রেখে শেষপর্যন্ত আমাকে ডিউটি করতে হয়েছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন অটোচালক জানান, বছরে তিন-চারবার রোটেশনে থানার ডিউটি করতে হয়। সন্ধ্যা থেকে শুরু করে সকাল ৬টা পর্যন্ত ডিউটি করতে হয়। আমাদের কোনো পারিশ্রমিক দেওয়া হয় না। মাঝে-মধ্যে চা নাস্তা খাওয়ান। আমরা এ থেকে মুক্তি চাই।

এ ব্যাপারে একজন ছাত্রলীগ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, উপজেলায় চলাচলকারী প্রায় ৯০০ খেটেখাওয়া গরিব অটোরিকশা চালকদের কাছ থেকে নিয়মিত বিভিন্ন অংকের চাঁদা তোলেন মনির। প্রতিদিন গড়ে যদি অন্তত ১০টি অটোরিকশা থেকে ন্যূনতম দুইশ করে চাঁদা তোলেন তাতেও দৈনিক ২০০০ টাকা আয় রয়েছে তার। তিনি নিজেকে এমনভাবে জাহির করেছেন কেউ তার ব্যাপারে মুখ খুলতেও রাজি নন।

অভিযোগের বিষয়ে মো. মনিরুজ্জামান মনির বলেন, আমার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নষ্ট করতেই কোনো কুচক্রী মহল আমার পিছে লেগে থাকতে পারে। তবে ভিডিও সাক্ষাৎকার দিয়েছেন কয়েকজন- এমন কথা বললে তিনি কোনো সদুত্তর দেননি। চাকা খুলে রাখার বিষয়টিও তিনি অস্বীকার করেছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, তবে তদন্তের মাধ্যমে যদি এর সত্যতা পাওয়া যায় তাহলে তার বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দুমকি থানার ওসি মো. আবুল বাশার বলেন, আমি নতুন যোগদান করেছি, বিষয়টি আমার জানা নাই। তবে কেউ লিখিত অভিযোগ করলে আমি আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।

সূত্র-যুগান্তর